× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BNP Jamaat government finance minister Abul Hossain passed away
hear-news
player
google_news print-icon

বিএনপি-জামায়াত সরকারের অর্থ প্রতিমন্ত্রী আবুল হোসেন মারা গেছেন

বিএনপি-জামায়াত-সরকারের-অর্থ-প্রতিমন্ত্রী-আবুল-হোসেন-মারা-গেছেন
সাবেক অর্থ প্রতিমন্ত্রী আবুল হোসেন মারা গেছেন। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘৮৫ বছর বয়সে আজ বেলা ১১টায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন সাবেক অর্থ পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শাহ মোহাম্মদ আবুল হোসেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সোমবার বাদ মাগরিব গুলশান আজাদ মসজিদে তার জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।’

বিএনপি-জামায়াতের চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শাহ মোহাম্মদ আবুল হোসেন মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।

শায়রুল বলেন, ‘৮৫ বছর বয়সে আজ (২১ নভেম্বর) বেলা ১১টায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন সাবেক অর্থ পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শাহ মোহাম্মদ আবুল হোসেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।’

সোমবার বাদ মাগরিব গুলশান আজাদ মসজিদে তার জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

মোহাম্মদ আবুল হোসেনের মৃত্যুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন:
নয়াপল্টন কার্যালয়ে যুবদল কর্মীদের হামলা, ক্ষুব্ধ ফখরুল
সমাবেশ শেষ হতেই উঠে গেল পরিবহন ধর্মঘট
‘খুবই বিপদগ্রস্ত’ অর্থনীতিতে উদ্বিগ্ন দুদু
তত্ত্বাবধায়কের বিরোধীরা হবে গণশত্রু: ফখরুল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
After 6 years who is coming to lead the conference of A League in Mymensingh

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা ছয বছর পর আজ ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। পদপ্রত্যাশী নেতাদের তোরণ, ফেস্টুন আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। ইতিমধ্যে সম্মেলনস্থলে শেষ হয়েছে মঞ্চ নির্মাণের কাজ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এ সম্মেলন খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কমিটিতে যারা আসবেন, তাদের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে সর্বোচ্চ ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় রাখা। তাই নতুন কমিটিতে কারা পদ পাচ্ছেন, তা নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা।

২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছিল। ওই দিন সম্মেলনস্থলে কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। ওই বছর ১০ অক্টোবর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের নাম ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া মহানগর কমিটিতে সভাপতি পদে এহতেশামুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোহিত উর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়।

দীর্ঘ ৬ বছর পর আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নেতা-কর্মীরা উচ্ছ্বসিত। পদপ্রত্যাশী নেতাদের তোরণ, ফেস্টুন আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। ইতিমধ্যে সম্মেলনস্থলে শেষ হয়েছে মঞ্চ নির্মাণের কাজ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এ সম্মেলন খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কমিটিতে যারা আসবেন, তাদের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে সর্বোচ্চ ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় রাখা। তাই নতুন কমিটিতে কারা পদ পাচ্ছেন, তা নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা।

এবারের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা আবারও প্রার্থী হয়েছেন। এ ছাড়াও সভাপতি প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন খান, হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ খানের প্রচারণা দেখা গেছে। এই তিনজনের বাইরেও গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, বর্তমান জেলা কমিটির সহসভাপতি সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ ও ফারুক আহমেদ খান আলোচনায় রয়েছেন।

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা

আর সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী মহানগর কমিটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত, বর্তমান জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস, শওকত জাহান মুকুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ আলী আকন্দ।

অপরদিকে, মহানগরের সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগরের সহসভাপতি ইকরামুল হক টিটু। এ ছাড়াও বর্তমান সভাপতি এহতেশামুল আলম ও সাদেক খান মিল্কী টজু সভাপতি পদপ্রত্যাশী।

আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি অধ্যাপক গোলাম ফেরদৌস জিল্লু, যুগ্ম সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হক।

মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি এহতেশামুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত পাঁচ বছর ধরে আমি দলকে সুষ্ঠুভাবে চালিয়েছি। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ৩৩টি ওয়ার্ডে সমানতালে কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। বেশিরভাগ ওয়ার্ডে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি দিতে সক্ষম হয়েছি। আমি আশা করি, আমাকে আবারও সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হবে।’

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা

মহানগরের সহসভাপতি ও সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে দলকে আগলে রাখার চেষ্টা করছি। দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে বিএনপি-জামায়াতবিরোধী আন্দোলন অব্যাহত রেখেছি।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি মহানগরের সভাপতি হিসেবে আমাকে সুযোগ দেন, তাহলে আমি নিজের সর্বশক্তি দিয়ে দলের জন্য কাজ করব। এতদিনের কাজ বিবেচনায় দল সঠিক মূল্যায়ন করবে বলে আশা করি।’

একই কথা জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক। তিনি বলেন, ‘স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চেষ্টা করেছি। তাই সভাপতি পদ পরিবর্তন হবে বলে আমার মনে হয় না।’

জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নৌকার আদলে মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। মঞ্চে ২০০ জনের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সমাবেশে কয়েক লাখ লোকের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছি।’

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বেশ কয়েকজন নেতা সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল।

আরও পড়ুন:
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
সড়কে আ.লীগের মঞ্চ, ক্ষোভ নগরবাসীর
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন
ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যবদ্ধের ডাক শেখ সেলিমের
আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য হচ্ছেন মতিয়র রহমান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP leaders and workers flooded the field at night

রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা

রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা মাদ্রাসামাঠ ভরে যাওয়ায় রাস্তায়ও অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘আমরা সকাল ৯টা থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চাই। সকালেই আমরা সাবেশস্থলে প্রবেশ করতে চাই।’

সকালেই রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ। একটু আগেভাগেই সমাবেশ শুরু করতে চান আয়োজকরা। কারণ সমাবেশস্থলের পার্শ্ববর্তী ঈদগাহ মাঠ ইতোমধ্যেই পূর্ণ হয়ে গেছে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে।

শুক্রবার রাত ১০টায় মাদ্রাসা মাঠের সামনের রাস্তা দিয়ে হাঁটারও সুযোগ নেই। মানুষে ঠাসা। সমাবেশস্থল ঘিরেও অসংখ্য মানুষ।

গত বুধবার থেকেই রাজশাহীতে নেতা-কর্মীরা আসতে শুরু করেছিলেন। তবে সমাবেশের আগের দিন তাদের ঢল নামে। দুপুরের পর বিভিন্ন জেলা থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করেও অনেকেই সভাস্থলের পাশে হাজির হন।

বাস ধর্মঘট চলার কারণে ট্রেনের ওপরই বেশি নির্ভর করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

গত তিন দিনে রাজশাহীতে যেসব ট্রেন ঢুকেছে সব ট্রেনেই ছিল উপচে পড়া ভিড়। শুক্রবার সন্ধ্যার পর যেসব ট্রেন রাজশাহী এসেছে সেগুলোতে পা ফেলারও ঠাঁই ছিল না। গাদাগাদি করে আসা এসব মানুষের বেশির ভাগেরই গন্তব্য ছিল সমাবেশ।

স্টেশন থেকে নেমেই দল বেঁধে হেঁটে স্লোগান দিতে দিতে সমাবেশস্থলের দিকে যাচ্ছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সমাবেশের আগের রাতে উৎসবের আমেজ মাদ্রাসামাঠ এলাকাজুড়ে। খোশগল্প, ছোটাছুটি আর ক্ষণে ক্ষণে দলীয় স্লোগান দিয়ে সময় পার করছেন নেতা-কর্মীরা। কেউ তুলছেন সেলফি, কেউ ভিডিও। অনেককে ফেসবুক লাইভ করতেও দেখা গেছে। কখনও কখনও বসছে গানের আসর।

সকাল থেকেই সমাবেশ শুরুর পরিকল্পনা

সকাল থেকেই রাজশাহীর সমাবেশ শুরু করতে চান বিএনপি নেতারা। তারা দাবি করছেন, অনুমতি পেতে দেরি হওয়ার কারণে মঞ্চ প্রস্তুত হতে সময় লেগেছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওই সময় পুলিশ আমাদের কাজ করতে দেয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরু হয়। এ কারণে কিছুটা সময় লেগেছে।’

দুলু বলেন, ‘আমরা সকাল ৯টা থেকে সমাবেশ শুরু করতে চাই। সকালেই আমরা সাবেশস্থলে প্রবেশ করতে চাই।’

ফাঁকা থাকবে খালেদা-তারেকের আসন

আয়োজকরা বলছেন, অনান্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো রাজশাহীর মঞ্চেও ফাঁকা থাকবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আসন। শনিবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুলু বলেন, ‘শনিবার সকাল ৯টার দিকে মঞ্চে আসন গ্রহণ শুরু হবে। প্রতিবারের মতো এবারও সমাবেশ মঞ্চে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য একটি করে দুটি চেয়ার ফাঁকা রাখা হবে।’

নগরীর সব প্রবেশপথে পুলিশের চেকপোস্ট

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশ ঘিরে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। শহরের সব প্রবেশমুখে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। এ ছাড়া নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে থাকছে পুলিশের অবস্থান।

শুক্রবার বিকেল থেকেই মাদ্রাসা মাঠ ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। কয়েক দিন ধরে এখানে অল্প কিছু পুলিশ সদস্য অবস্থান করলেও বিকেল থেকে এই সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে।

সমাবেশ ঘিরে প্রায় দুই সপ্তাহজুড়েই রাজশাহী ও আশপাশের জেলাগুলোতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। সমাবেশের আগমুহূর্তে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিশও। নগরীর সবকটি প্রবেশপথে তল্লাশি চৌকি বসিয়েছে তারা।

নগরীর আমচত্বর, নওদাপাড়া, রেলগেট, কাশিয়াডাঙ্গা মোড়, তালাইমারী মোড়, কাটাখালী বাজার এবং বেলপুকুরে পুলিশের চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। বাইরে থেকে আসা যানবাহনগুলোতে তাদের বাড়তি নজরদারি।

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘সমাবেশকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে সহিংস কিছু ঘটাতে না পারে, বিশৃঙ্খলা ঘটাতে না পারে, সে জন্য আমরা সতর্ক আছি। গোটা শহরেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সাদা পোশাকেও মাঠে পুলিশ রয়েছে। গোয়েন্দা শাখার সদস্যরাও কাজ করছেন। সমাবেশে সার্বক্ষণিক নজর রাখতে মাদ্রাসা মাঠে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরাও।

বাসের পর সিএনজি ধর্মঘট

রাজশাহীতে বাস ধর্মঘটের মাঝে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে সড়কে ধর্মঘট শুরু করে সিএনজি ও থ্রি-হুইলার মালিকরাও। তারা বলছেন, অবাধ চলাচল ও হয়রানিমুক্ত রেজিস্ট্রেশনের দাবিতে তারা এই ধর্মঘট শুরু করেছেন।

সিএনজি টেম্পো মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিদার হোসেন ভুলু বলেন, ‘সরকার বৈধভাবে সিএনজি আমদানি করে। সেই সিএনজি বিক্রি করে সরকার লাভও করে। তবে আমাদের লাইসেন্স পেতে কেন ভোগান্তি হবে? মহাসড়ক বাদে আমাদের তো সব সড়কেই চলাচলে অনুমতি আছে, তবে কেন আমাদের হয়রানি করা হবে? আমরা আমাদের লাইসেন্স ও হয়রানি মুক্তির দাবিতে সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছি।’

ভুলু দাবি করেন, বিএনপির সমাবেশের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে বাস বন্ধের পর সিএনজিচালিত টেম্পোর ওপরই ছিল যাত্রীদের ভিড়। শহরের ভেতরে অটোরিকশায় চলাচল করলেও রাজশাহীর উপজেলা পর্যায়ে বা আশপাশের জেলার সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল সিএনজি। শুক্রবার সকাল থেকে সেই পরিবহনও বন্ধ থাকায় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে রাজশাহী।

মির্জা ফখরুল রাজশাহী

বিভাগীয় গণসমাবেশে অংশ নিতে ইতোমধ্যেই রাজশাহী পৌঁছেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকেলে বিমানযোগে তিনি রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান।

বিকেল ৫টায় বিমানবন্দরে পৌঁছালে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুসহ স্থানীয় স্থানীয় নেতারা তাকে স্বাগত জানান। পরে তিনি রাজশাহীর কাজিহাটা এলাকার একটি হোটেলে যান।

আরও পড়ুন:
বিএনপির খবর আছে: কাদের
রাজশাহীর সব প্রবেশপথে পুলিশের চেকপোস্ট
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল, আহত পুলিশ
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন
জামিন পেলেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি নাদিম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dont scare A League by showing rally Farooq Khan

স‌মাবেশ দেখিয়ে আ.লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না: ফারুক খান

স‌মাবেশ দেখিয়ে আ.লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না: ফারুক খান টঙ্গী সরকারি ক‌লেজ মাঠে শুক্রবার বি‌কে‌লে টঙ্গী পূর্ব ও প‌শ্চিম থানা আওয়ামী লী‌গের স‌ম্মেল‌ন উদ্বোধন করেন কর্নেল (অব.) ফারুক খান। ছবি: নিউজবাংলা
ফারুক খান বলেন, ‘বিএনপি জামায়াত দেশব্যাপী যে গুজব রটানোর চেষ্টা করছে তা আপনাদের বন্ধ করতে হবে। সঠিক তথ্য জানাতে হবে। কোনভাবেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অগ্রগতি তা যেন বিএনপি জামায়াতের গুজব, মিথ্যাচারে থমকে না যায়।’

বিএন‌পি‌ নেতাদের উ‌দ্দেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেছেন, ‘স‌মাবেশ দেখিয়ে আওয়ামী লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না। আওয়ামী লীগ জা‌নে কীভা‌বে স‌মাবেশের মাধ্যমে, নির্বাচনের মাধ্যমে জিততে হয়। দেশকে এগিয়ে নিতে হয়।’

শুক্রবার বি‌কে‌লে গাজীপু‌রের টঙ্গী সরকারি ক‌লেজ মাঠে টঙ্গী পূর্ব ও প‌শ্চিম থানা আওয়ামী লী‌গের ত্রি-বা‌র্ষিক স‌ম্মেল‌নে প্রধান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ফারুক খান বলেন, ‘ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি জামায়াত দেশব্যাপী যে গুজব রটানোর চেষ্টা করছে তা আপনাদের বন্ধ করতে হবে। সঠিক তথ্য জানাতে হবে। কোনভাবেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অগ্রগতি তা যেন বিএনপি জামায়াতের গুজব, মিথ্যাচারে থমকে না যায়।’

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে এখনই কমিটি গঠন করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফারুক খান।

সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক মতিউর রহমান মতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লা খান, সাধারণ সম্পাদক আতাউল্লাহ মণ্ডল।

নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই দুই থানায় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানান আজমত উল্লাহ খান।

বিএনপি সূত্র জানায়, নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে ৮ অক্টোবর থেকে প্রতি শনিবার দেশজুড়ে বিভাগীয় সমাবেশ করছে বিএনপি। এ পর্যন্ত আটটি সমাবেশ হয়েছে। শনিবার নবম সমাবেশটি হচ্ছে রাজশাহীতে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is afraid of Suhrawardy Udyan Obaidul Quader

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ছাত্রলীগের সমাবেশ ৮ থেকে ৬ ডিসেম্বর নিয়ে এসেছি। অনুরোধ করেছি পরিবহন চালু রাখার। তারপরও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে তাদের ভয় কেন? তারা মনে হৃদয়ে চেতনায় মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে না।’

বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘যেখানে পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে, যেখানে স্বাধীনতার অন্যতম ভাষণ দেয়া হয়েছে, সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে বিএনপির ভয় পায়। কারণ তারা হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে না।’

নিজ এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সন্ত্রাস, আগুন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক। সাম্প্রদায়িকতার বিশ্বস্ত ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি। তারা জানান দিচ্ছে আন্দোলনে সহিংসতার উপাদান যুক্ত হবে। এতে মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত।

‘আমরা ক্ষমতায় আছি, আমরা অশান্তি চাই না। ছাত্রলীগের সমাবেশ ৮ থেকে ৬ ডিসেম্বর নিয়ে এসেছি। অনুরোধ করেছি পরিবহন চালু রাখার। তারপরও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে তাদের ভয় কেন? তারা মনে হৃদয়ে চেতনায় মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে না।’

তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘অর্থপাচারে দণ্ডিত, মুচলেকা দিয়ে যে দেশ ছেড়েছে সে বলে, হাসিনা পালাবে, মন্ত্রীরা পালাবে, সে ২০০৮ সাল থেকে পলাতক। সে সম্মানের সঙ্গে শেখ হাসিনার নাম নেয় না। সে একটা বেয়াদব।

‘জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে। তাদের পুনর্বাসিত করেছে। আর তারেক রহমান হাওয়া ভবন থেকে চক্রান্ত করে বঙ্গবন্ধুকন্যার ওপর গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে।

‘তারেক রহমানের লোকেরা এখানে আমাদেরকে ভয় দেখান তারেক রহমান আসবে বীরের মতো। কাপুরুষের মতো যে পালিয়ে গেছে। সে বীরের মতো আসবে। এত বছরে যা ঘটল না। এখন ঘটবে সেটা বিশ্বাস হয় না।’

উপজেলার নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ক্ষমা মহত্তের লক্ষণ। আমি বড় হয়েছি। বড় গাছে বড় আঘাত আসে। সেটা সহ্য করার ক্ষমতা আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি। সংকটের সময় এমনও দিন গেছে আমি ঘর থেকে বের হইনি। লজ্জায় নেত্রীর সঙ্গে দেখা করিনি। কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও করিনি।

‘আমি শুধু একটা কথা বলবো, আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। যারা কোম্পানীগঞ্জে আতঙ্কে ছিলেন, যে ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে আমাকে বারবার ফোন করতেন, তাদের কাছে আমি ক্ষমা চাই। কোম্পানীগঞ্জবাসীর কাছে আমি ক্ষমা চাই। আমি বলবো, উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের ওইসব দিনের দুর্ভোগ ও যন্ত্রণার জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমরা তো রাজনীতি করি মানুষের জন্য।’

সম্মেলনে ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জাকে সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
সম্মেলনে বিশৃঙ্খলায় ছাত্রলীগ, ক্ষোভ কাদেরের
বিএনপির খবর আছে: কাদের
সড়কে আ.লীগের মঞ্চ, ক্ষোভ নগরবাসীর
সরকার পতনের হাঁকডাক দিয়ে লাভ নেই: ওবায়দুল কাদের
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mirza Fakhrul in Rajshahi to attend the rally

সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল

সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল শুক্রবার বিকেলে বিমানযোগে রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
শনিবার সকাল থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চায় বিএনপি। তবে অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় মঞ্চসহ সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করতে শুক্রবার রাত হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিভাগীয় গণসমাবেশে অংশ নিতে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকেলে বিমানযোগে তিনি রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান।

বিকেল ৫টায় বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্থানীয় নেতারা তাকে শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি রাজশাহীর কাজিহাটা এলাকার একটি হোটেলে যান।

এদিকে শনিবার সকাল থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা। তবে অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় মঞ্চসহ সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করতে সময় লাগছে। রাতের মধ্যেই মঞ্চসহ সমাবেশ আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

অন্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো রাজশাহীর মঞ্চেও ফাঁকা থাকবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের চেয়ার। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‌‘সকাল ৯টার দিকে মঞ্চে আসন গ্রহণ শুরু হবে। প্রতিবারের মতো এবারও মঞ্চে দুটি চেয়ার ফাঁকা রাখা হবে।’

সমাবেশের আগে পরিবহন ধর্মঘটের কারণে আশপাশের জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী এরই মধ্যে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার থেকে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হওয়ায় বাসে আসার সুযোগ নেই। এ কারণে অসংখ্য নেতা-কর্মীরা বুধবারই রাজশাহীতে পৌঁছান।

আবার কিছু নেতা-কর্মী বৃহস্পতিবার এসেছেন ট্রাক ভাড়া করে। রাজশাহী অভিমুখী প্রতিটি ট্রেনেই আসছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। উত্তরাঞ্চলের সবগুলো জেলা থেকে ইতোমধ্যেই দলটির নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে পৌঁছেছেন।

শনিবার দুপুর পর্যন্ত লোকজন আসবে বলে জানিয়েছেন উপস্থিত নেতারা।

সমাবেশস্থলের পাশের ঈদগাহ মাঠ জুড়ে দেখা গেছে উৎসবের আমেজ। পুরো ঈদগাহ মাঠ জুড়ে তাঁবু টানানো হয়েছে। বাঁশ আর শামিয়ানায় ঢাকা পড়েছে মাঠ। জেনারেটরের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বড় বড় তাঁবুর একেকটিতে একেক জেলার নেতা-কর্মীরা অবস্থান করছেন।

নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে ৮ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে বিভাগীয় সমাবেশ করছে বিএনপি। এ পর্যন্ত আটটি সমাবেশ হয়েছে। শনিবার নবম সমাবেশটি হচ্ছে রাজশাহীতে।

আরও পড়ুন:
উৎসবের আমেজে রাজশাহীতে বিএনপি নেতা-কর্মীরা
বিএনপির খবর আছে: কাদের
রাজশাহীর সব প্রবেশপথে পুলিশের চেকপোস্ট
সড়কে আ.লীগের মঞ্চ, ক্ষোভ নগরবাসীর
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল, আহত পুলিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The age limit of BCL remains thirty nine

ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে

ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে ছবি: সংগৃহীত
চার বছর পর ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন। এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আবারও আলোচনায় এসেছে ছাত্রলীগের বয়সসীমার বিষয়টি।

ছাত্রলীগের নেতৃত্বের বয়সসীমা ঊনত্রিশই থাকছে। সংগঠনটির অভিভাবক দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের বিশ্বস্ত সূত্র নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রতিদিনের মতো অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেন দলটির নেতারা। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ওবায়দুল কাদের অন্য নেতাদের জানিয়ে দেন, দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে তার আলোচনা হয়েছে। ছাত্রলীগের নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের বয়সসীমা এবারও ঊনত্রিশই থাকছে। কোনোভাবেই তা বাড়ানো হবে না।

সূত্রমতে, বৈঠকে ছাত্রলীগের দেখভালের দায়িত্বে থাকা চার নেতার মধ্যে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম উপস্থিত ছিলেন। তারা বয়সসীমার বিষয়ে কিছুটা আপত্তির সুর তুললে ওবায়দুল কাদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন- দলের সভাপতি কোনোভাবেই ছাত্রলীগকে আদু ভাইদের দল বানাতে চান না।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট নেতারা দলের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে এ নিয়ে পরে বৈঠক করতে চান।

প্রসঙ্গত, চার বছর পর আগামী ৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন।

সম্মেলনকে ঘিরে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন সংগঠনটির শীর্ষ পদপ্রত্যাশীরা। দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই লবিং-তদবিরের ব্যস্ততা বাড়ছে এসব নেতার। শীর্ষ পদে কারা আসছেন এ নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। আর বয়সসীমার বিষয়টি পরিষ্কার না থাকায় প্রার্থীদের অনেকের মধ্যেই এ নিয়ে ধোঁয়াশা বিরাজ করছে। তারা এখন আশা-নিরাশার দোলাচলে। কেননা আলোচিত প্রার্থীদের বেশিরভাগই ঊনত্রিশোর্ধ্ব।

সংগঠনটির গঠনতন্ত্রের ৫-এর ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২৭ থাকলেও ২৮ বছর ৩৬৫ দিনের মধ্যে নেতৃত্ব বাছাই করা হয়। মূলত, যথাসময়ে সম্মেলন না হওয়ার কারণেই ছাত্রলীগের নেতৃত্ব প্রত্যাশীরা এই ছাড় পেয়ে থাকেন।

ছাত্রলীগের সর্বশেষ সম্মেলন ২০১৮ সালের ১১ ও ১২ মে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই সম্মেলনে অনূর্ধ্ব ২৯ বছর বয়সী রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর দুজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। তখন ওই কমিটির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি তাদের পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাসক দল আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ পদ পেতে আগ্রহীরা হলেন সহ-সভাপতি শেখ সাগর আহমেদ, সোহান খান, ইয়াজ আল রিয়াদ, সৈয়দ আরিফ হোসেন, মাজহারুল ইসলাম শামীম, কামাল খান, রাকীব হোসেন, মাহমুদুল হাসান তুষার, ফরিদা পারভীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের মধ্য থেকে প্রদীপ চৌধুরী, আরিফুজ্জামান আল ইমরান, তাহসান রাসেল, বেনজীর নিশি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফোরদৌস আলম, বরিকুল ইসলাম বাঁধন, সোহানুর রহমান সোহান, সাদ বিন কাদের, নাজিমুদ্দিন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হায়দার মোহাম্মদ জিতু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হোসাইন সাদ্দাম, ত্রাণ ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক এমরান জমাদ্দার, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ লিমন, স্কুলছাত্র বিষয়ক সম্পাদক প্রতুল চন্দ্র রায়, ক্রীড়া সম্পাদক আলামিন সিদ্দিক সুজন, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু হাসনাত হিমেল, মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহীন, আইন সম্পাদক ফুয়াদ হাসান শাহাদৎ, গণশিক্ষা সম্পাদক আব্দুল্লাহ হিল বারী, গণযোগাযোগ সম্পাদক শেখ শামীম তুর্য, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক রনি মোহাম্মদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস, পরিবেশ সম্পাদক শামীম পারভেজ, ধর্ম সম্পাদক তুহিন রেজা, উপ-দপ্তর সম্পাদক সজীব নাথ, উপ-তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক আহসান পিয়াল, এস এম হলের সাবেক সভাপতি কামাল হোসেন ওরফে ভিপি কামাল উল্লেখযোগ্য।

ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে সোহান খান, প্রদীপ চৌধুরী, ইয়াজ আল রিয়াদ, সৈয়দ আরিফ হোসেন ও কামাল খান ত্রিশোর্ধ্ব। আর সাদ বিন কাদের মেহেদী হাসান তাপস আবু হাসনাত হিমেল শামীম পারভেজ, নাজিমুদ্দিন, নাহিদ হাসান শাহীন, তুহিন রেজা, আব্দুল্লাহ হিল বারী, বরিকুল ইসলাম বাঁধন, রনি মোহাম্মদ, ফুয়াদ হাসান শাহাদৎ এর বয়স ৩০ এর মধ্যে।

এ ছাড়া ফরিদা পারভীন, এমরান জমাদ্দার, প্রশিক্ষণ বিষয়ক উপ সম্পাদক মেশকাত হোসেন, কামাল হোসেন ওরফে ভিপি কামাল, জিয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান শান্ত, মুহসিন হল ছাত্রলীগের সভাপতি শহিদুল হক শিশিরের বয়স ২৯ এর মধ্যে।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের বহরে বিস্ফোরণ: যুবদল নেতাসহ ১২ জনের নামে মামলা
ছাত্রলীগ নেতাকে বাড়ি থেকে বের করে পিটুনি
ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল বহরে ককটেল হামলা
এমপির ছেলের সভায় ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ৩ ডিসেম্বর, দুই মহানগরের ২ ডিসেম্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Unique thoughts on Khaleda Zias public meeting Information Minister

খালেদা জিয়ার জনসভায় যাওয়া অলীক চিন্তা: তথ্যমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার জনসভায় যাওয়া অলীক চিন্তা: তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়া নিজের জন্মের তারিখ বদলে দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে যেদিন হত্যা করা হয় সেদিন তিনি জন্মদিনের কেক কাটেন। এরপরও প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বদান্যতায় তিনি কারাগারের বাইরে আছেন। এখন যদি এরকম চিন্তা ওরা করে থাকে তাহলে সরকার তাকে কারাগারে পাঠাতে বাধ্য হবে।’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তিনি আদালত কর্তৃক কোনো জামিন পাননি। বঙ্গবন্ধু কন্যার বদান্যতায় তিনি কারাগারের বাইরে আছেন। তাই ১০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া বিএনপির জনসভায় যাওয়া না যাওয়ার আলোচনা অবাস্তব ও অলীক চিন্তা।

শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ সরকারি হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজের রিইউনিয়ন ফেস্টে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘খালেদা জিয়া নিজের জন্মের তারিখ বদলে দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে যেদিন হত্যা করা হয় সেদিন তিনি জন্মদিনের কেক কাটেন। এরপরও প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার বদান্যতায় তিনি কারাগারের বাইরে আছেন। এখন যদি এরকম চিন্তা ওরা করে থাকে তাহলে সরকার তাকে কারাগারে পাঠাতে বাধ্য হবে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বাদ দিয়ে নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান কেন তাদের পছন্দ নয় এটি একটা বিরাট প্রশ্ন? এর দুটি কারণ থাকতে পারে। প্রথমত নয়া পল্টনের সামনে বড়জোড় পঞ্চাশ হাজার মানুষ ধরে। অর্থাৎ তাদের জনসভায় যে পঞ্চাশ হাজারের বেশি মানুষ হবে না এটি তারা নিশ্চিত হয়েছেন। এ জন্য তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যেতে চাচ্ছেন না।’

‘আর দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, কার্যত স্বাধীনতারই ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেখানেই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। বিএনপি তো পাকিস্তানের দোসর, তাদের মহাসচিব বলেছেন পাকিস্তানই ভালো ছিল। সুতরাং যে ময়দানে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, পাকিস্তানিরা আত্মসমর্পণ করেছিল সেই ময়দান তাদের পছন্দ নয়। এই দুটি কারণে তারা সেখানে যেতে চান না।

‘কিন্তু বড় জনসভার জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানই হচ্ছে উত্তম এবং তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানই চেয়েছিল। তাদের চাওয়া অনুযায়ী সোহরাওয়ার্দী উদ্যান তাদেরকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির উদ্দেশ্য তারা বিশৃঙ্খলা করতে চায়। বিশৃঙ্খলা করতে চাওয়ার কারণেই তারা নয়াপল্টনের সামনে সমাবেশ করতে চায়। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার সুযোগ তাদের দেয়া হবে না। জনগণই তাদের প্রতিহত করবে।’

চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার প্রস্তুতি সম্পর্কে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আগামী ৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার জনসভা উপলক্ষে পুরো চট্টগ্রামে সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এটা স্মরণকালের বৃহত্তম এবং লাখ লাখ মানুষের সমাবেশ হবে ইনশাআল্লাহ। কারণ ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে যেভাবে উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, এতে আমরা নিশ্চিত যে এটি স্মরণকালের একটি বৃহত্তম জনসভা হবে।’

চট্টগ্রাম সরকারি মহসিন কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন একুশে পদকপ্রাপ্ত দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক। অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই সদস্যরাও স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন।

মন্তব্য

p
উপরে