× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Child pornography Barguna madrasa students caught in Google data
hear-news
player
google_news print-icon

শিশু পর্নোগ্রাফি: গুগলের তথ্যে ধরা বরগুনার মাদ্রাসাছাত্র

শিশু-পর্নোগ্রাফি-গুগলের-তথ্যে-ধরা-বরগুনার-মাদ্রাসাছাত্র
প্রতীকী ছবি
গত ১৯ জুলাই রাতে সিআইডির কাছে একটি গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করে আমেরিকান প্রতিষ্ঠান এনসিএমইসি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত করে বায়েজীদকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। সেই ফোনে শিশুদের ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

বরগুনা সদরের ৯ নম্বর বালিয়াতলী ইউনিয়নের দক্ষিণপাতা গ্রামের বায়েজীদ হোসাইন। মাদ্রাসায়পড়ুয়া এই তরুণ দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের ব্যবহার করে পর্ন ভিডিও তৈরি করে আসছিলেন। ছবি ও ভিডিওগুলো সংরক্ষণ করতেন গুগলের ড্রাইভে। মাঝেমধ্যে প্রচার করতেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

গুগল বায়েজীদের সংরক্ষণ করা এসব কনটেন্ট শিশু সুরক্ষায় কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সামাজিক সংগঠন ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়টেড চিলড্রেন বা এনসিএমইসিকে জানিয়ে দেয়। পরে এই সংস্থাটি তা জানায় বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থাকে (সিআইডি)। এরপর বায়েজীদকে গ্রেপ্তার করলে জানাজানি হয় তার অপকর্ম।

সিআইডির সাইবার ক্রাইম বিভাগের পুলিশ সুপার রেজাউল মাসুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যৌন নির্যাতন, শিশু পর্নোগ্রাফি বন্ধসহ শিশুদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে এনসিএমইসি। ফেসবুক, টুইটার, টিকটক গুগল, মাইক্রোসফটসহ প্রযুক্তি ও সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহারকারীরা যদি শিশুদের যৌনকাজে ব্যবহার, যৌন নিপীড়নের তথ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ করে থাকে, তাহলে তারা এ-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এনসিএমইসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়।

‘গত ১৯ জুলাই রাতে সিআইডির কাছে একটি গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করে এনসিএমইসি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত করে বায়েজীদকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। সেই ফোনে শিশুদের ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরির প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।’

বায়েজীদের বাড়িটি মুসল্লি বাড়ি হিসেবে পরিচিত। এই তরুণ ২০১৫ সালে স্থানীয় সোনাতলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল, ২০১৮ সালে খাকবুনিয়া মাদ্রাসা থেকে আলিম পাসের পর বরগুনা আলিয়া মাদ্রাসায় ফাজিল প্রথম বর্ষে পড়ছেন। বাবা রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লে সংসারের হালও ধরেছেন। বাড়িতে থেকে কৃষিকাজও দেখাশোনা করেন।

বাড়ির সামনে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পেছনে একটি হাফেজি মাদ্রাসা রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, যদি এমন কিছু ঘটে থাকে তবে ওই মাদ্রাসা ও বিদ্যালয়ের শিশুদের সঙ্গে ঘটতে পারে। তবে অভিভাবকদের কেউ এ বিষয়ে জানেন না।

কী কারণে ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানেন না বায়েজীদের বাবা আবদুল হক। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমরা ধার্মিক পরিবার। আমার ছেলে মাদ্রাসায় পড়েছে। আমরা ভেবেছিলাম ফেসবুকে কোনো ছবি বা লেখা দেয়ার জন্য তাকে ধরেছে। কিন্তু এখন যা শুনছি, এটা আসলে খারাপ বিষয়। আমার ছেলে অপরাধ করলে শাস্তি হোক।’

বায়েজীদের বাড়ির সামনের দোকানি জাকির হোসেন বলেন, ‘বায়েজীদকে কখনই কোনো আড্ডায় দেখা যায়নি। সে কিছুটা আনমনা ও চুপচাপ স্বভাবের।’

প্রতিবেশী সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘সে যে এমন কাজ করছে, তা আমরা ধারণাও করতে পারিনি। আমরা শুনেছি বায়েজীদ সাইবার ক্রাইম করেছে, তাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।’

আরেক প্রতিবেশী আবুল বাশার বলেন, ‘এলাকার কোনো শিশুর বা অভিভাবকদের কাছে বায়েজীদের ব্যাপারে এমন কিছু শুনিনি। তাদের পরিবারটি এলাকায় ধার্মিক পরিবার হিসেবে পরিচিত। এই বাড়ির নারীরা পর্দা করে, নামাজ-রোজা করে। যে কারণে মুসল্লি বাড়ি হিসেবে পরিচিত। এসবের মধ্যেও বায়েজীদ এমন কাজ কেমন করে করেছে, তা আমরা বুঝতে পারছি না।’

সিআইডির বরগুনার সাইবার ক্রাইম বিভাগের সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান বায়েজীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। সেই মামলায় এই তরুণ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই-তিনজনকে আসামি করা হয়।

গুগলের তথ্যের ভিত্তিতে দেশে চাইল্ড পর্নোগ্রাফির এটিই প্রথম মামলা নয় উল্লেখ করে সিআইডির সাইবার ক্রাইম বিভাগের পুলিশ সুপার রেজাউল মাসুদ বলেন, ‘এই ধরনের অভিযোগ আমাদের কাছে প্রায়ই আসে। আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। এখন পর্যন্ত আমরা ১০টিরও বেশি মামলা করেছি।’

২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে শিশু অধিকার রক্ষায় কাজ করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সিআইডি কাজ শুরু করে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
পর্নোগ্রাফি ভিডিও ‘সরবরাহ’, ১০ যুবক গ্রেপ্তার
কিশোরীর গোসলের ভিডিও করে যুবক করাগারে
পর্নোগ্রাফি ভিডিও ‘সরবরাহ’, ১০ যুবক গ্রেপ্তার
‘পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ’, ৬ যুবক গ্রেপ্তার
মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Anticipatory bail for 150 BNP activists

বিএনপির ১৫০ নেতাকর্মীর আগাম জামিন

বিএনপির ১৫০ নেতাকর্মীর আগাম জামিন
‘১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা হচ্ছে। যার মধ্যে নাশকতা, গাড়ি ভাঙচুর ও বিস্ফোরকের অভিযোগ রয়েছে। এসব মামলায় আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করি। আদালত ছয় সপ্তাহের জামিন দিয়েছে।’

নাশকতার অভিযোগে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল জেলায় করা ৫ মামলায় বিএনপির ১৫০ নেতাকর্মী হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন।

সোমবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন তাদেরকে জামিন দেয়।

আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে জামিনপ্রাপ্তাদের বিচারিক আদালতের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রুহুল কুদ্দুস কাজল, আব্দুল জব্বার ভূইয়া ও মাহবুবুর রহমান খান।

মাহবুবুর রহমান জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা হচ্ছে। যার মধ্যে নাশকতা, গাড়ি ভাঙচুর ও বিস্ফোরকের অভিযোগ রয়েছে। এসব মামলায় আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করি। আদালত ছয় সপ্তাহের জামিন দিয়েছে।’

জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে-ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতা সাবেক কমিশনার আনোয়ার পারভেজ বাদল, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এম এইচ মামুন ও মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সজলসহ চার জেলার প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী।

আরও পড়ুন:
প্রধান বিচারপতির কাছে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের নালিশ
১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব: ফখরুল
সড়কে সমাবেশের অনুমতি পাচ্ছে না বিএনপি
রিজভীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ
সোহরাওয়ার্দীর বিকল্প পূর্বাচল: বিএনপিকে তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Complaint of BNP supporters lawyers to the Chief Justice

প্রধান বিচারপতির কাছে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের নালিশ

প্রধান বিচারপতির কাছে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের নালিশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
চিঠিতে বলা হয়, সারা দেশে রাজনৈতিক বিরোধীদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্বারা নিপীড়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রায় ৪০ লাখ বিরোধী কর্মীকে প্রায় এক লাখ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জড়ানো হয়েছে।

বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে এমন অভিযোগ এনে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর কাছে নালিশ করেছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষায় বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতারা প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর সঙ্গে দেখা করে লিখিত এসব দাবি জানান।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কায়সার কামাল, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল, রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ আরও কয়েকজনের একটি দল যায় প্রধান বিচারপতির কাছে।

ফোরামের লিখিত আবেদনে বলা হয়, ২০০৭ সালের শুরু হওয়া ক্ষমতার সুস্পষ্ট নতুন রূপের অবাস্তব সংস্কার, বিচার বিভাগের ওপর নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ এবং আধিপত্য এবং উচ্চ আদালত ও অধস্তন আদালতে বিচারক নিয়োগে ক্রমবর্ধমান রাজনীতিকরণ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতাকে আরও খর্ব করেছে। এর ফলে বিচার বিভাগকে স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং দক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না এবং এর প্রতি জনগণের আস্থা কমে গেছে।

চিঠিতে বলা হয়, সারা দেশে রাজনৈতিক বিরোধীদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্বারা নিপীড়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রায় ৪০ লাখ বিরোধী কর্মীকে প্রায় এক লাখ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জড়ানো হয়েছে।

এই ধরনের রাজনৈতিক মামলাগুলো ‘রাজনৈতিক নিপীড়নের’ উৎকৃষ্ট উদাহরণ ছাড়া আর কিছুই নয় বলেও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। বলা হয়, রাজনৈতিক বিরোধীদের নিপীড়ন ও বিচার করার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্বারা বিচার ব্যবস্থার এই ধরনের উদ্বেগজনক ব্যবহার, সংবিধানের মৌলিক অধিকারের একটি পরিহাসমূলক লঙ্ঘন এবং বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি, পবিত্রতা ও মর্যাদার ভূলণ্ঠন।

সরকার বিএনপির আন্দোলনকে দমন করতে বিচার ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে বলেও অভিযোগ করা হয় চিঠিতে। বলা হয়, এর ফলে বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা কমছে।

ফোরামের চাওয়া

প্রধান বিচারপতির কাছে তিনটি দাবি তুলে ধরেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম।

প্রথমত. বিচারব্যবস্থার প্রতি জনসাধারণের উপলব্ধি, বিশ্বাস এবং আস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য এমন পদক্ষেপ যেন গ্রহণ করা হয় যাতে প্রমাণিত হয় যে বিচার বিভাগ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত।

দ্বিতীয়ত. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ সালের অধীনে মামলাসহ রাজনৈতিক মামলাগুলি এমনভাবে পরিচালনা/বিচার করা যাতে বিচার বিভাগের উপর জনগণের বিশ্বাস এবং আস্থা ফিরে আসে।

তৃতীয়ত. আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো আমলে নিয়ে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি, মর্যাদা এবং সম্ভ্রম পুনরুদ্ধারের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

আরও পড়ুন:
১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব: ফখরুল
সড়কে সমাবেশের অনুমতি পাচ্ছে না বিএনপি
রিজভীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ
বিএনপির সমাবেশ ঘিরে থাকবে র‌্যাবের চেকপোস্ট-হেলিকপ্টার
যুবদল সভাপতি টুকুসহ ৭ জন রিমান্ডে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Father and son arrested in murder case

হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার
যৌতুক না পাওয়ায় ২০১৬ সালের ২৩ নভেম্বর তাছলিমাকে যমুনা নদীতে চুবিয়ে হত্যা করে লাশ ভাসিয়ে দেন আসামিরা। গ্রেপ্তারের পর আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মগোপন করেন তারা।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গৃহবধূ তাছলিমা আক্তার হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করছে র‍্যাব। আসামিরা হলেন তাছলিমার স্বামী জহুরুল ইসলাম ও শ্বশুর মো. মজনু। যৌতুক না পাওয়ায় তাছলিমাকে নদীতে ফেলে হত্যা করেছিলেন তারা।

নারায়ণগঞ্জ থেকে সোমবার ভোরে জহুরুল ও তার বাবা মজনুকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

সিপিসি-৩ ক্যাম্পের টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কোম্পানি অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যৌতুক না পাওয়ায় ২০১৬ সালে ২৩ নভেম্বর তাছলিমাকে যমুনা নদীতে চুবিয়ে হত্যা করে লাশ ভাসিয়ে দেয় আসামিরা। গ্রেপ্তারের পর আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মগোপন করেন তারা।

র‍্যাব জানায়, ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট এই মামলার রায় হয়। বিচারক দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

আরও পড়ুন:
২৩ বছর পর গ্রেপ্তার যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি
হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া নেওয়াজ শরীফ ১৫ বছর পর গ্রেপ্তার
থানার টয়লেট দিয়ে আসামির পলায়ন, মামলা
গুলশান থানা থেকে পালাল আসামি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Neighbor arrested on charges of child rape

শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে প্রতিবেশী গ্রেপ্তার

শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে প্রতিবেশী গ্রেপ্তার
এজাহারসূত্রে জানা গেছে, গত ৬ নভেম্বর দুপুরে শিশুটি বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী শফির মোল্লা তাকে মুখরোচক খাবার দেয়ার কথা বলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

নওগাঁর রানীনগরে শিশু ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি শফির মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জেলার মান্দা উপজেলার কাশোপাড়া ইউনিয়নের জশোপাড়া গ্রাম থেকে সোমবার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রানীনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হক এসব নিশ্চিত করেছেন।

এজাহারসূত্রে জানা গেছে, গত ৬ নভেম্বর দুপুরে শিশুটি বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী শফির মোল্লা তাকে মুখরোচক খাবার দেয়ার কথা বলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুর চিৎকার শুনে তার মা শফিরের বাড়ি গিয়ে তাকে নিয়ে আসে। ঘরে ফিরে মাকে সব জানালে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১০ নভেম্বর তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে শিশুর বাবা রানীনগর থানায় গিয়ে প্রতিবেশীর নামে মামলা করেন।

এসআই নাজমুল জানান, ঘটনার পর থেকেই শফির পলাতক ছিলেন। মান্দা উপজেলার কাশোপাড়া ইউনিয়নের জশোপাড়া গ্রামে মেয়ের বাড়ি থেকে তাকে সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণচেষ্টা ধামাচাপার অভিযোগ, শেষে মামলা-গ্রেপ্তার
ধর্ষণ থেকে বাঁচতে স্কুলের ছাদ থেকে লাফ, আটক ৫
ভাশুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা শিক্ষকের
উচ্চ স্বরে গান বাজিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
বাসে তুলে ধর্ষণচেষ্টার সেই আসামি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After Rizvi Ishrak was also ordered to be arrested

রিজভীর পর ইশরাককেও গ্রেপ্তারের নির্দেশ

রিজভীর পর ইশরাককেও গ্রেপ্তারের নির্দেশ রুহুল কবির রিজভী (বাঁয়ে) ও ইশরাক হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য ইশরাক হোসেন ও তার ব্যক্তিগত সহকারীকে সোমবার বিকেল থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পর এবার দলটির আলোচিত নেতা ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে জারি হলো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। দুই বছর আগে নাশকতার এক মামলায় হাজিরা না দেয়ায় এই পরোয়ানা জারি হয়েছে।

রিজভীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল এক দশক আগে। সেটিতেও তিনি জামিনে ছিলেন এবং আদালতে হাজিরা না দেয়ায় তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়া হয়।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরীর আদালতে হাজিরার কথা থাকলেও যাননি ইশরাকসহ ১৩ জন। তারা সময়ের আবেদন করলেও না গ্রহণ করেননি বিচারক।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২০ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচন বানচাল করার জন্য আসামিরা একত্র হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিপরীত পাশে অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পুড়িয়ে মারার উদ্দেশে গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।

এ ঘটনায় পুলিশের তৎকালীন উপপরিদর্শক আতাউর রহমান ভুইয়া ইশরাকসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা করেন।

গত ৬ এপ্রিল সকালে মতিঝিল এলাকায় লিফলেট বিতরণের সময় শাপলা চত্বরের পাশ থেকে ইশরাককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বিকেলে তাকে আদালতে নিলে জামিন আবেদন নাকচ হয়। তাকে পাঠানো হয় কারাগারে।

ছয় দিন পর ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালত বিএনপি নেতাকে জামিন দিলে তিনি মুক্তি পান।

ইশরাককে গ্রেপ্তারের নির্দেশ আসার দিনই জানাজানি হয় রিজভীকে গ্রেপ্তারের পরোয়ানার বিষয়টি, যদিও তার বিরুদ্ধে পরোয়ানাটি জারি হয় ১ ডিসেম্বর।

২০১২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়িতে আগুন দেয়ার ঘটনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও রুহুল কবির রিজভীসহ বেশ কয়েকজকে আসামি করে মামলা করা হয়।

১ ডিসেম্বর মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ ছিল। সেদিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ তিনজন হাজিরা দেন। কিন্তু রিজভীসহ তিনজন হাজির হননি। এরপর বিচারক তাদের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

ইশরাক ও তার ব্যক্তিগত সহকারী নিখোঁজের দাবি

এদিকে ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য ইশরাক হোসেন তার ব্যক্তিগত সহকারীসহ নিখোঁজ রয়েছেন বলে দাবি করেছে বিএনপি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য কাদের গনি চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে সোমবার রাতে বলেন, এদিন বিকেল থেকে ইশরাক ও তার ব্যক্তিগত সহকারীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

তাৎক্ষণিকভাবে ইশরাকের ব্যক্তিগত সহকারীর নাম জানা যায়নি।

আরও পড়ুন:
হঠাৎ অসুস্থ ইশরাক
ইশরাকদের বরিশাল যাত্রা ঠেকাতে ফেরি বন্ধ
ইশরাকের খালাসের বিরুদ্ধে দুদকের আপিল
ইশরাকের বাসায় হামলা
বাংলাদেশে থাকতে হলে জিয়াকে মানতে হবে: গয়েশ্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Farmers League conference over cocktails

ককটেল ফাটিয়ে কৃষক লীগের সম্মেলন পণ্ড

ককটেল ফাটিয়ে কৃষক লীগের সম্মেলন পণ্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষক লীগের সম্মেলনে চেয়ার ছোড়াছুড়ির পর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মুসফিকুর রহমান টিটো বলেন, ‘মঞ্চে প্রথম সারিতে কেন্দ্রীয় নেতারা বসবেন, এমন সিদ্ধান্ত হয়েছিল। দ্বিতীয় সারিতেও কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা বসেছিলেন। প্রথম সারিতে কয়েকজন নেতার বসা নিয়েই ঝামেলা সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত প্রথম অধিবেশন স্থগিত হয়েছে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষক লীগের সম্মেলনে মঞ্চে বসা নিয়ে চেয়ার ছোড়াছুড়ির পর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শেষ পর্যন্ত সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন পণ্ড হয়ে গেছে। পুলিশ পাহারায় সম্মেলনস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগ নেতারা।

সোমবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা পার্কে এ ঘটনা ঘটে।

দলীয় নেতা-কর্মীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরপার্কে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। প্রথম সারিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি জেলা আওয়ামী লীগ নেতারাও বসেন। এ সময় প্রথম সারি থেকে পৌর মেয়র মোখলেসুর রহমানকে মঞ্চে পেছনের সারিতে যেতে বলা হয়। এ ঘটনায় মেয়রের সমর্থকদের প্রতিবাদের একপর্যায় শুরু হয় হট্টগোল।

কিছুক্ষণ পর দুপুর ১২টার দিকে সম্মেলনস্থলের পাশে বড় ইন্দারা মোড়ে চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। ককটেল বিস্ফোরণের পর সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন স্থগিত করে পুলিশি পাহারায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা সার্কিট হাউসে চলে যান।

পরে আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগ নেতারা রাজশাহীর মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

কৃষক লীগের সম্মেলন ঘিরে সার্কিট হাউসসহ শহরের মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।

প্রথম অধিবেশন স্থগিত হওয়ার বিষয়ে জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মুসফিকুর রহমান টিটো বলেন, ‘মঞ্চে প্রথম সারিতে কেন্দ্রীয় নেতারা বসবেন, এমন সিদ্ধান্ত হয়েছিল। দ্বিতীয় সারিতেও কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা বসেছিলেন। প্রথম সারিতে কয়েকজন নেতার বসা নিয়েই ঝামেলা সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত প্রথম অধিবেশন স্থগিত হয়েছে।’

এ বিষয়ে পৌর মেয়র মোখলেসুর রহমান জানান, মঞ্চে তিনি পেছনের সারিতেই বসেছিলেন, জেলার জ্যেষ্ঠ আরও কয়েকজন নেতাকে পেছনের সারিতে বসতে বলা হয়। এ নিয়ে কিছুটা ঝামেলা হয়েছিল। সেটা অনেকটা মিটিয়ে এনেছিলেন নেতারা, হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণের পর সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন স্থগিত করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি আলমগীর জাহান জানান, কৃষক লীগের সম্মেলনের মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। সম্মেলনের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনো হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বকুল সভাপতি, রতন সাধারণ সম্পাদক

আব্দুস সামাদ বকুলকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও কামাল ইব্রাহিম রতনকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়েছে।

সার্কিট হাউসে আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগ নেতাদের কয়েক দফা আলোচনার পর সন্ধ্যায় কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ এ ঘোষণা দেন।

এ সময় রাজশাহীর মেয়র লিটন বলেন, দলে বিএনপি-জামায়াত থেকে অনুপ্রেবেশকারীরা সম্মেলনে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের বহরে বিস্ফোরণ: যুবদল নেতাসহ ১২ জনের নামে মামলা
ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল বহরে ককটেল হামলা
উত্তরায় ফ্ল্যাটের রান্নাঘরে ৬ ককটেল বিস্ফোরণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পত্রিকা অফিসে ‘ককটেল’ বিস্ফোরণ
ককটেল বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণ, মা সহ যুবলীগ নেতা আহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Order to arrest Rizvi

রিজভীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

রিজভীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি
আন্দোলনে সহিংসতার এক মামলায় গত ১ ডিসেম্বর মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ ছিল। সেদিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ তিনজন হাজিরা দেন। কিন্তু রিজাভীসহ তিনজন হাজির হননি। এরপর বিচারক তাদের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

১০ বছর আগে আন্দোলনের সময় সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

এই মামলায় রিজভী জামিনে ছিলেন। নির্ধারিত তারিখে তিনি হাজিরা না দেয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন এ পরোয়ানা জারি করেছেন।

সোমবার আদালতের পেশকার আতিকুর রহমান বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ১ ডিসেম্বর মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ ছিল। সেদিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ তিনজন হাজিরা দেন। কিন্তু রিজাভীসহ তিনজন হাজির হননি। এরপর বিচারক তাদের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২৯ মার্চ দিন ঠিক করেন বিচারক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর প্রতিদিনের কাজের অংশ হিসেবে সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ি মিন্টু রোডের ইস্কাটন হয়ে মাতুয়াইলের দিকে যাচ্ছিল। পথে কাকরাইলের বিজয়নগরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে ২০০-২৫০ জন লাঠি-সোটা নিয়ে গাড়িটি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় গাড়ির চালক আয়নাল পল্টন থানায় মামলা করেন।

দশম সংসদ নির্বাচনের আগে সে সময় নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে বিএনপি নানা কর্মসূচি পালন করছিল। সহিংসতার ঘটনায় বিএনপির হাজার হাজার নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে তখন মামলা হয়।

২০১৭ সালে এ মামলায় ফখরুলসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদও এই মামলার আসামি। সাবেক ছাত্রদল নেতা শফিকুল বারী বাবুকেও আসামি করা হয়েছিল মামলাটিতে। তবে তিনি মারা যাওয়ায় আসামির তালিকা থেকে নাম বাদ পড়বে।

আরও পড়ুন:
বিএনপির আট সমাবেশের সমান জমায়েত পলোগ্রাউন্ডে: কাদের
যুবদল সভাপতি টুকুসহ ৭ জন রিমান্ডে
১০ ডিসেম্বর কী হবে, জানালেন ফখরুল
বিএনপি-যুবদলের ২৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে পরোয়ানা
নয়াপল্টন ছাড়তে পারে বিএনপি, তবে…

মন্তব্য

p
উপরে