× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The body of the newlyweds in the house
hear-news
player
google_news print-icon

ঘরে নবদম্পতির মরদেহ

ঘরে-নবদম্পতির-মরদেহ
প্রতীকী ছবি
লাখাই থানার ওসি মোহাম্মদ নুনু মিয়া জানান, স্বজনরা তাদের সম্পর্কের বিয়ে মেনে না নেয়ায় রাগে-ক্ষোভে ইঁদুর মারার ওষুধ খান হৃদয়। একপর্যায়ে স্ত্রী তানিয়াও একই ওষুধ খান। তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে নিজ ঘর থেকে নবদম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার ১ নম্বর লাখাই ইউনিয়নের টাউনশিপ এলাকায় রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

১৮ বছর বয়সী তানিয়া বেগম ওই একই এলাকার বাসিন্দা। ৩০ বছর বয়সী মুস্তাফিজুর রহমান হৃদয়ের বাড়ি মিঠামইন উপজেলার কুলহানি গ্রামে।

লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুনু মিয়া নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

স্বজন ও স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ১২ দিন আগে কোর্ট ম্যারেজ করেন তানিয়া ও হৃদয়। বিয়ের পর থেকেই হৃদয় তার শ্বশুরবাড়িতে ছিলেন। সম্প্রতি হৃদয়ের গ্রামের বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান আছে বলে জানতে পারে তানিয়ার পরিবারের লোকজন।

এরই জেরে তানিয়াকে হৃদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ না রাখতে অনুরোধ করেন স্বজনরা। কিন্তু তা মানেননি তানিয়া। এতে রাগে-ক্ষোভে ইঁদুর মারার ওষুধ খান হৃদয়। একপর্যায়ে স্ত্রী তানিয়াও একই ওষুধ খান। তাৎক্ষণিক তাদের উদ্ধার করে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

আরও পড়ুন:
হাতিরঝিলে লাফ যুবকের, মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজের ২ দিন পর করতোয়া নদীতে কলেজশিক্ষার্থীর মরদেহ
পুকুরে ভাসছিল শিশুর মরদেহ
মহানন্দা নদীতে ডুবে জেলের মৃত্যু
বাসা থেকে ডেকে নেয়ার দুই দিন পর দিনমজুরের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A young man was killed in a clash between two groups

দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
ফতুল্লা থানার ওসি রিজাউল হক জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

চায়ের দোকানে বসাকে কেন্দ্র করর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ছুরিকাঘাতে মামুন নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও একজন।

সোমবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার ইসদাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মামুন ফতুল্লার ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকার বাসিন্দা। তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে সেলসম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আহত নুরনবী টাগারপাড় হক বাজার এলাকার মান্নান মিয়ার পুত্র।

ফতুল্লা থানার ওসি রিজাউল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে ওসি জানান, বিকেলে ইসদাইর বুড়ির দোকান এলাকায় একটি চায়ের দোকানে জুয়েল ও পাপ্পু নামে দুজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এর জেড়ে সন্ধ্যায় দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সেখানে ছুরিকাঘাতে মামুন মারা যান।

মামুনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহত নুর নবী নামে অপর যুবককে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও জানান ওসি।

নিহত মামুনের ভগ্নিপতি মোহাম্মদ হোসেন জানান, দেড় বছর আগে মামুন বিয়ে করে ওই এলাকায় ভাড়া ছিলেন। তিনি গাড়িতে করে বিভিন্ন দোকানে একটি কোম্পানির বিস্কুট, চানাচুর সরবারাহ করতেন।

হোসেন বলেন, ‘কাজ থেকে সন্ধ্যায় এলাকায় আসে মামুন। পরে খবর পাই তাকে কুপিয়েছে, হাসপাতালে নিয়ে গেছে। হাসপাতালে এসে দেখি মামুন মারা গেছে।’

আরও পড়ুন:
ইন্টার্ন চিকিৎসককে ছুরিকাঘাত, ঝালমুড়ি বিক্রেতা গ্রেপ্তার
গ্রামে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুরিকাঘাত, আহত ৬
কলাপাড়ার এসিল্যান্ডকে ছুরিকাঘাত সাভারে
বিলিয়ার্ড খেলা নিয়ে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে র‍্যাবের সোর্স আহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After Chittagong A League prepares for the mass of people in Coxs Bazar

এবার কক্সবাজারে জনসমুদ্রের প্রস্তুতি আ.লীগের

এবার কক্সবাজারে জনসমুদ্রের প্রস্তুতি আ.লীগের কক্সবাজারে নবনির্মত বিকেএসপির আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এখানে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প দিয়েছে। যার সুফল পেতে শুরু করেছে জনগণ। তাই সব স্তরের মানুষ এ সমাবেশে আসবে। সমাবেশকে জনসমুদ্রে রূপ দিতে আমরা কাজ করছি।’

চট্টগ্রামে বিশাল সমাবেশের তিন দিন পর সাগর-কন্যা কক্সবাজার সফর। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি দলটির সমর্থন প্রমাণের সুযোগ হিসেবে দেখছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে বিভাগীয় শহরগুলোতে বিএনপির সমাবেশের মধ্যে আওয়ামী লীগও তাদের শক্তি দেখানোর চেষ্টায়। শেখ হাসিনাকে সামনে রেখেই হচ্ছে তাদের জমায়েতগুলো।

গত ২৪ নভেম্বর যশোরের পর ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে সমাবেশে নেতা-কর্মীদের উপচে পড়া ভিড়ের মধ্যে বুধবার কক্সবাজার শহরের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জনসভা ঘিরেও দলের ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে।

পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকায় ছোট-বড় যে ৭২টি প্রকল্প চলছে, তার মধ্যে কাজ শেষ হওয়া ২৩টির উদ্বোধন করতে সেদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী যাবেন কক্সবাজার।

সেদিন কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের ইনানী সৈকতে তিন দিনের আন্তর্জাতিক নৌশক্তি প্রদর্শন মহড়াও উদ্বোধন করবেন তিনি। বাংলাদেশ নৌবাহিনী আয়োজিত এ মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন ও ভারতসহ ৩০টির বেশি দেশের অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে।

সেখান থেকে বেলা ২টার দিকে শেখ হাসিনা যাবেন আওয়ামী লীগের জনসভায়।

শেখ কামাল স্টেডিয়ামে সোমবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, ‘দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এক অপ্রতিরোধ্য গতিতে। এই এগিয়ে যাওয়া বিএনপি-জামায়াতসহ স্বাধীনতাবিরোধীদের পছন্দ নয়। তাই তারা দেশের এগিয়ে যাওয়া এবং উন্নয়নের গতি ব্যাহত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

‘তারা আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অরাজগতা সৃষ্টি করে দেশের শান্ত পরিস্থিতি বিনষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য যে কোনো উপায়ে ক্ষমতা দখল করে লুটপাট, দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস করে হাওয়া ভবনের মতো আরেকটি ভবন সৃষ্টি করা। পাকিস্তানি ভাবধারায় অনুন্নত ও অস্থিতিশীল বাংলাদেশে রূপান্তর করা।’

সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এখানে কোটি কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প দিয়েছে। যার সুফল পেতে শুরু করেছে জনগণ। তাই সবস্তরের মানুষ এ সমাবেশে আসবে। সমাবেশকে জনসমুদ্রে রূপ দিতে আমরা কাজ করছি।’

এবার কক্সবাজারে জনসমুদ্রের প্রস্তুতি আ.লীগের
সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকায় ৭২টি প্রকল্পের অন্যতম এ রেললাইন

সফরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কী দাবি

সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, সরকার প্রধানের কাছে কক্সবাজারে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, মেডিক্যাল কলেজকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত, কক্সবাজার সদরের সঙ্গে মহেশখালীর সংযোগ সেতু এবং বাঁকখালী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ, কুতুবদিয়া-মগনামা ফেরি সার্ভিস চালু, পর্যটন গবেষণা ইনস্টিটিউট, চার লেনে মেরিন ড্রাইভ সড়ক, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ, পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা, কক্সবাজার সিটি কলেজকে সরকারি করা এবং উচ্ছেদ করা ঝিনুক ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনবে ক্ষমতাসীন দল।

শুধু উন্নয়ন প্রকল্প নয়, নাগরিকদের দাবিও তুলে ধরতে হবে জানিয়ে কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের মূখপাত্র এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কক্সবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল চালু, রোহিঙ্গা সংকট সমাধান, ক্যাম্পের বাইরে থাকা রোহিঙ্গাদের তালিকা তৈরি, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নির্মাণ বন্ধ, পর্যটন ও পরিবেশবান্ধব শহর রক্ষা বাঁধ, বাঁকখালী নদী দখলমুক্ত করা ও সৈকত দখলবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারসহ আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র করতে বিশেষ নীতির ঘোষণাসহ প্রধানমন্ত্রীর মুখে সুস্পষ্ট বক্তব্য আশা করছি।’

এবার কক্সবাজারে জনসমুদ্রের প্রস্তুতি আ.লীগের

কী বলছে প্রশাসন

জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ বলেন, ‘কক্সবাজারকে একটি উন্নত ও পরিপূর্ণ পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নজর রয়েছে। সম্প্রতি শেষ হওয়া আরও ২৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

কক্সবাজার গণপূর্ত বিভাগের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান বলেন, ‘এ নগরীকে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে গণপূর্ত বিভাগের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে তিনটির কাজ শেষ হওয়ায় উদ্বোধনের তালিকায় রয়েছে। আমরা প্রকল্প তিনটির কাজ সুন্দর ও সফলভাবে শেষ করেছি।’

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) আনিসুর রহমান বলেন, ‘১৩৫ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ে চলমান প্রকল্পের মধ্যে ১০টি শেষ হয়েছে। যার সুফলও পাচ্ছে স্থানীয়রা।’

সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহে আরেফীন বলেন, ‘৪৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে লিংক রোড-লাবনী মোড়, টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ হাড়িয়াখালী হতে শাহপরীর দ্বীপ সড়ক এবং রামু-ফতেখাঁরকুল-মরিচ্যা সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।’

আরও পড়ুন:
আ.লীগের সম্মেলনে উৎসাহ নেই নেতাকর্মীর
সম্মেলন: টেন্ডারবাজমুক্ত কমিটি চায় আ.লীগের তৃণমূল
আ.লীগের সম্মেলনে সংঘর্ষ, গুলি: আহত ১৫
রংপুর জেলা আ.লীগ সভাপতিকে অব্যাহতি একাংশের
আ.লীগের সম্মেলন: রাসেল, আজমত ও বুদ্দিন আলোচনায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Brahmanbaria the death of a pregnant woman is accused of Rs

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রসূতির মৃত্যু, টাকায় রফার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রসূতির মৃত্যু, টাকায় রফার অভিযোগ চিকিৎসকের অবহেলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে গর্ভের সন্তানসহ প্রসূতি মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা
প্রসূতির নাম খাদিজা বেগম। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের খেওয়াই গ্রামের সৌদি প্রবাসী নয়ন মিয়ার স্ত্রী। ৫ সন্তানের জননী খাদিজা ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের গ্রীন ভিউ স্পেশালাইজড হাসপাতালে রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে মৃত্যু হয় খাদিজার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় গর্ভের সন্তানসহ প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনা এক লাখ টাকা রফা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শহরের গ্রীন ভিউ স্পেশালাইজড হাসপাতালে রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রসূতির নাম খাদিজা বেগম। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের খেওয়াই গ্রামের সৌদি প্রবাসী নয়ন মিয়ার স্ত্রী। ৫ সন্তানের জননী খাদিজা ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে খাদিজার বুকে ব্যাথা ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। ১১টার দিকে তাকে জেলা শহরের কুমারশীল মোড় এলাকার অবস্থিত গ্রীন ভিউ স্পেশালাইজড হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনরা।

সেখানে গাইনি চিকিৎসক জিনিয়া খানের তত্ত্বাবধানে তাকে ভর্তি করা হয়। এর কিছু পর শারীরিক পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেষে তাকে সিলিন্ডারের মাধ্যমে অক্সিজেন দেয়া হয়।

শনিবার রাতভর সন্তান নড়াচড়া করেনি। রোববার সকাল ১১টায় পর্যন্তও খাদিজার কোনো খোঁজ না নেয়ায় স্বজনরা চিকিৎসককের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। তখন চিকিৎসক তাদের আল্ট্রাসনোগ্রাম করাতে বলেন। আল্ট্রাসনোগ্রামে খাদিজার গর্ভে থাকা নবজাতক মৃত বলে জানা যায়। এরপর চিকিৎসক সাধারণ প্রক্রিয়ায় খাদিজার মৃত সন্তানটিকে প্রসব করানোর সিদ্ধান্ত নেন।

গাইনী চিকিৎসক জিনিয়া খান রোববার সন্ধ্যায় প্রসূতির মৃত সন্তানকে সাধারণ প্রক্রিয়ায় প্রসবের চেষ্টা করেন। এসময় খাদিজার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়; এক পর্যায়ে খিঁচুনি ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। রাত পৌনে ৮টার দিকে মারা যান খাদিজা।

পরে নিহতের স্বজনরা হাসপাতালে ভিড় করে হৈহুল্লোর শুরু করেন। রাত ৯টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহতের স্বামী নয়ন মিয়া বলেন, ‘অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে (সিজারিয়ান অপারেশন) মৃত নবজাতককে অপসারণের জন্য চিকিৎসককে অনুরোধ করেছিলাম। তবে তারা শুনেননি। একপর্যায়ে খিঁচুনি ও শ্বাসকষ্ট শুরু হয়, কিছুক্ষণর মধ্যেই খাদিজা মারা যায়।

অভিযোগের স্বরে নয়ন মিয়া বলেন, ‘খাদিজার মরদেহ হাসপাতালে থাকা অবস্থায়ই চিকিৎসক ও মালিকপক্ষের লোকজন ঘটনাটির দামাচাপা দিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেন।

‘হাসপাতাল আমার অনেক আত্মীয়-স্বজন ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বজনদের কাছে এক লাখ টাকা দিয়েছেন। তবে তা আমার হাতে পৌঁছেনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রসূতির মৃত্যু, টাকায় রফার অভিযোগ

এ বিষয়ে গাইনি চিকিৎসক জিনিয়া খান বলেন, ‘তার (খাদিজা) গর্ভের সন্তান হয়তো আরও আগেই মারা গিয়েছিল। গর্ভে মৃত সন্তান থাকলে রক্তচাপ বাড়তে পারে এবং খিঁচুনি আসতে পারে। জরুরি অবস্থায় তাকে সব ধরনের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। রোগীর স্বজনরা অস্ত্রোপচার করার কথা বললে, আমরা তা করতাম। কিন্তু স্বজনরা এমন কিছু বলেননি।

‘এখানে চিকিৎসকের কোনো অবহেলা ছিল না।’

হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও অভিযুক্ত চিকিৎসক জিনিয়া খানের স্বামী আবু হামেদ রোগীর স্বজনদের ১ লাখ টাকা দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘হাসপাতালের চিকিৎসা, ওষুধ ও অ্যাম্বুলেন্সের খরচ আমরা মওকুফ করে দিয়েছি।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের পরিবার থেকে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়নি। পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
মোসাদকে সহায়তা, ইরানে ৪ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
পদ্মায় নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার
নান্দাইলে বাসায় শিশু গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ
নবজাতকের রক্তাক্ত মরদেহ রাস্তার পাশে
সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Indebtedness Farmers expressed their anger before the inquiry committee

ঋণখেলাপ: তদন্ত কমিটির সামনে ক্ষোভ ঝাড়লেন কৃষকরা

ঋণখেলাপ: তদন্ত কমিটির সামনে ক্ষোভ ঝাড়লেন কৃষকরা কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঋণের বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে তদন্ত কমিটি। ছবি: নিউজবাংলা
ঋণ ও সুদের টাকা পরিশোধ না করায় ২০২১ সালে ৩৭ জন কৃষকের নামে ব্যাংক মামলা করে। সম্প্রতি আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে গত ২৫ নভেম্বর ১২ জন কৃষককে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ। বিষয়টি নিউজবাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।

বকেয়া ঋণ কারও ছিল ৪০০ টাকা, কারও ৯০০ টাকা। কেউ আবার পুরো টাকাই সুদসহ পরিশোধ করেছেন। তারপরও ঋণখেলাপের দায়ে জেল খাটতে হয়েছে পাবনার ঈশ্বরদীর ভাড়ইমারী গ্রামের কৃষকদের।

সোমবার ভাড়ইমারী গ্রামে অভিযুক্ত কৃষকদের বাড়ি বাড়ি অনুসন্ধানে গিয়ে এসব বিষয় জানতে পেরেছেন তদন্ত কমিটির তিন সদস্য। কয়েক কৃষক তাদের সামনে ক্ষোভও প্রকাশ করেন।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভাড়ইমারী উত্তরপাড়া সবজি চাষি সমবায় সমিতির সভাপতি বিলকিস নাহারের বাড়িতে যান তদন্ত দলের সদস্যরা।

বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের ডিজিএম (পরিদর্শন) আহসানুল গণির নেতৃত্বে এ কমিটিতে রয়েছেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপক (পরিদর্শন ও আইন) আব্দুর রাজ্জাক ও সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রকল্প ঋণ) আমিনুল ইসলাম রাজীব।

এ সময় উপস্থিত কৃষক আব্দুস সামাদ, মজনু প্রামানিক ও আতিয়ার রহমানের সঙ্গে তদন্ত দলের সদস্যরা কথা বলেন। পরে তারা ঋণখেলাপে অভিযুক্ত কৃষকদের বাড়িতে যান।

এ সময় কৃষকদের কাছে তারা জানতে চান- ঋণের টাকা তারা কেন পরিশোধ করেননি, ঋণের কিস্তি পরিশোধের রশিদ আছে কি-না এবং কার কাছে তারা কিস্তির টাকা জমা দিয়েছেন।

এ ছাড়াও মামলার আগে ব্যাংক তাদের ঋণ পরিশোধের কোনো নোটিশ দিয়েছিল কি-না।

তদন্ত দলের দেয়া তথ্যানুযায়ী, ঋণের দায়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া ৩৭ কৃষকের মধ্যে আতিয়ার রহমান ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে সুদসহ ৪৯ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। তার বকেয়া রয়েছে মাত্র ৪৩৩ টাকা। এরপরও তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

মোছা. রহিমা বেগম নামে এক নারী কৃষক ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ৪৫ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। তার বকেয়া রয়েছে ৯০০ টাকা।

মজনু প্রামাণিক নামে অপর একজন ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধ করেছেন ৫৫ হাজার টাকা।

তদন্ত দল কৃষকদের কাছে ঋণ পরিশোধের তথ্য জানতে চাইলে কৃষকেরা তেমন কোনো রশিদ দেখাতে পারেননি। তবে তারা মুখে মুখে পরিশোধের হিসাব ও তারিখ জানান। সেসব তথ্য ব্যাংকের স্টেটমেন্টের সঙ্গেও মিলে যায়।

এ সময় কয়েকজন নিজেদের সামান্য বকেয়ার কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তারা তদন্ত দলের কাছে প্রশ্ন তোলেন- টাকা পরিশোধ করেও কেন জেল খাটতে হলো?

কৃষকদের এমন প্রশ্নে তদন্ত দলের সদস্যরা চুপ হয়ে যান।

গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগের শিকার কৃষক আব্দুস সামাদ বলেন, ‘সব টাকা পরিশোধ করেছি। তারপরও কেন আমাকে তিন দিন কারাগারে থাকতে হলো। এ দায়ভার ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। আমাদের হয়রানি করা হয়েছে।’

কৃষক আব্দুল হান্নান বলেন, ‘চল্লিশ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে সুদসহ সমুদয় টাকা পরিশোধ করেছি। এরপরও কারাগারে যেতে হয়েছে। এজন্য ব্যাংক কর্মকর্তারা দায়ী। যদি ঋণ পরিশোধ না করে থাকি, তবে কেন আমাদের বিরুদ্ধে উকিল নোটিশ পাঠানো হয়নি। উকিল নোটিশ পাঠালেই জানতে পারতাম ঋণ পরিশোধ হয়নি। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা না করে সরাসরি আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এবং পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না।’

ভাড়ইমারী উত্তরপাড়া সবজি চাষি সমবায় সমিতির সভাপতি বিলকিস নাহার বলেন, ‘ব্যাংকের মাঠকর্মীরা এসে কৃষকের কাছ থেকে কিস্তি নিয়েছেন। কিস্তির টাকা তারা ব্যাংকে জমা দিয়েছেন কি-না জানি না। ব্যাংক আমার বিরুদ্ধেও চেক জালিয়াতির একটি মামলা করেছে। আমি সেই মামলায় নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছি।’

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মহির মণ্ডল জানান, এলাকার ৩৭ জন কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার বিষয়ে কোনো কৃষকই আগে জানতেন না। ঋণ পরিশোধের জন্য তাদের কোনো নোটিশও দেয়া হয়নি। তদন্ত কমিটির সদস্যরাও কৃষকদের বিরুদ্ধে মামলার আগে নোটিশ দেয়া হয়েছে এমন কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

তদন্তকে লোক দেখানো বলেও মন্তব্য করেন মহির মণ্ডল।

এ প্রসঙ্গে তদন্ত দলের প্রধান আহসানুল গণি বলেন, ‘মূলত গ্রুপ ঋণের কারণেই সবার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এখানে ব্যাংকের কিছু করার ছিল না। তবে যাদের কম টাকা বকেয়া, তাদের বাদ দেয়া যেত। এটা হয়তো ভুলবশত হয়েছে। পরবর্তীতে বিষয়টি দেখা হবে।’

১০ লাখ টাকা পরিশোধের পরও এত বকেয়া কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘১৫ শতাংশ সুদ হারে ঋণ দেয়া হয়েছিল। কিছু কৃষক টাকা পরিশোধ না করায় চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ বেড়ে গেছে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে ঈশ্বরদী উপজেলার ভাড়ইমারী গ্রামের ৪০ জন কৃষক দলগত ঋণ হিসেবে ১৬ লাখ টাকা গ্রহণ করেছিলেন। এর মধ্যে কেউ ২৫ হাজার, কেউ ৪০ হাজার টাকা করে ঋণ পান।

ঋণ ও সুদের টাকা পরিশোধ না করায় ২০২১ সালে ৩৭ জন কৃষকের নামে ব্যাংক মামলা করে। সম্প্রতি আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে গত ২৫ নভেম্বর ১২ জন কৃষককে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠায় পুলিশ।

বিষয়টি নিউজবাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। এ অবস্থায় গত ২৭ নভেম্বর পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক শামসুজ্জামান গ্রেপ্তার ১২ কৃষকসহ ৩৭ জনের জামিন মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন:
ঋণখেলাপি মামলায় ১২ কৃষক কারাগারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Father and son arrested in murder case

হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার
যৌতুক না পাওয়ায় ২০১৬ সালের ২৩ নভেম্বর তাছলিমাকে যমুনা নদীতে চুবিয়ে হত্যা করে লাশ ভাসিয়ে দেন আসামিরা। গ্রেপ্তারের পর আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মগোপন করেন তারা।

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গৃহবধূ তাছলিমা আক্তার হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করছে র‍্যাব। আসামিরা হলেন তাছলিমার স্বামী জহুরুল ইসলাম ও শ্বশুর মো. মজনু। যৌতুক না পাওয়ায় তাছলিমাকে নদীতে ফেলে হত্যা করেছিলেন তারা।

নারায়ণগঞ্জ থেকে সোমবার ভোরে জহুরুল ও তার বাবা মজনুকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

সিপিসি-৩ ক্যাম্পের টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কোম্পানি অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যৌতুক না পাওয়ায় ২০১৬ সালে ২৩ নভেম্বর তাছলিমাকে যমুনা নদীতে চুবিয়ে হত্যা করে লাশ ভাসিয়ে দেয় আসামিরা। গ্রেপ্তারের পর আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে আত্মগোপন করেন তারা।

র‍্যাব জানায়, ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট এই মামলার রায় হয়। বিচারক দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

আরও পড়ুন:
২৩ বছর পর গ্রেপ্তার যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি
হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া নেওয়াজ শরীফ ১৫ বছর পর গ্রেপ্তার
থানার টয়লেট দিয়ে আসামির পলায়ন, মামলা
গুলশান থানা থেকে পালাল আসামি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 people were killed in the collision of the passenger bus

ভটভটিতে বাসের ধাক্কায় নিহত ৩

ভটভটিতে বাসের ধাক্কায় নিহত ৩ বাসের ধাক্কায় দুই ভটভটির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ছবি: নিউজবাংলা
আমিনপুর এলাকা থেকে ধানবোঝাই একটি ভটভটি শেরপুর আসার পথে ঘোগাবটতলা ইতালি এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় ওই ভটভটির সঙ্গে উল্টো দিক থেকে আসা আরেকটি ভটভটির সংঘর্ষ হয়।

বগুড়ার শেরপুরে বাসের ধাক্কায় দুই ভটভটির চালকসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের ঘোগাবটতলা ইতালিপাড়া এলাকায় সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ভটভটিচালক শাহবন্দেগি ইউনিয়নের শেরুয়া এলাকার আল আমিন ও শেরপুর পৌর এলাকার গোপাল সরকার এবং যাত্রী শাজাহানপুরের আড়িয়াবাজার এলাকার মো. নাঈম।

এ ঘটনায় নাজমুল নামে আরেক যাত্রী আহত হয়ে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউস অফিসার নাজির হোসেন।

তিনি স্থানীয়দের বরাতে জানান, আমিনপুর এলাকা থেকে ধানবোঝাই একটি ভটভটি শেরপুর আসার পথে ঘোগাবটতলা ইতালি এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় ওই ভটভটির সঙ্গে উল্টো দিক থেকে আসা আরেকটি ভটভটির সংঘর্ষ হয়।

ঘটনাস্থলেই দুই ভটভটির চালক প্রাণ হারান। দুই যাত্রীকে হাসপাতালে নেয়ার সময় পথে একজনের মৃত্যু হয়।

শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জয়নাল আবেদীন সরকার জানান, দুর্ঘটনার পর বাস রেখে চালক-হেলপার পালিয়ে গেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন:
এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা
টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি
মতিঝিলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
বাবা-ছেলেকে পিষ্ট করে হোটেলে কাভার্ড ভ্যান, নিহত ৫
বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Neighbor arrested on charges of child rape

শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে প্রতিবেশী গ্রেপ্তার

শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে প্রতিবেশী গ্রেপ্তার
এজাহারসূত্রে জানা গেছে, গত ৬ নভেম্বর দুপুরে শিশুটি বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী শফির মোল্লা তাকে মুখরোচক খাবার দেয়ার কথা বলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

নওগাঁর রানীনগরে শিশু ধর্ষণচেষ্টা মামলার আসামি শফির মোল্লাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জেলার মান্দা উপজেলার কাশোপাড়া ইউনিয়নের জশোপাড়া গ্রাম থেকে সোমবার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রানীনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হক এসব নিশ্চিত করেছেন।

এজাহারসূত্রে জানা গেছে, গত ৬ নভেম্বর দুপুরে শিশুটি বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী শফির মোল্লা তাকে মুখরোচক খাবার দেয়ার কথা বলে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। শিশুর চিৎকার শুনে তার মা শফিরের বাড়ি গিয়ে তাকে নিয়ে আসে। ঘরে ফিরে মাকে সব জানালে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১০ নভেম্বর তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে শিশুর বাবা রানীনগর থানায় গিয়ে প্রতিবেশীর নামে মামলা করেন।

এসআই নাজমুল জানান, ঘটনার পর থেকেই শফির পলাতক ছিলেন। মান্দা উপজেলার কাশোপাড়া ইউনিয়নের জশোপাড়া গ্রামে মেয়ের বাড়ি থেকে তাকে সোমবার বিকেলে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণচেষ্টা ধামাচাপার অভিযোগ, শেষে মামলা-গ্রেপ্তার
ধর্ষণ থেকে বাঁচতে স্কুলের ছাদ থেকে লাফ, আটক ৫
ভাশুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা শিক্ষকের
উচ্চ স্বরে গান বাজিয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ
বাসে তুলে ধর্ষণচেষ্টার সেই আসামি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
উপরে