× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
How 2 militants escaped in front of everyones eyes
hear-news
player
google_news print-icon

সবার চোখের সামনে যেভাবে পালালেন ২ জঙ্গি

সবার-চোখের-সামনে-যেভাবে-পালালেন-২-জঙ্গি
সিসিটিভি ফুটেজে জঙ্গিদের পালানোর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
চার আসামির মধ্যে মইনুল হাসান শামীম ও আবু সিদ্দিক সোহেলকে জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে মো. আরাফাত ও মো. সবুজকে নিতে পারেনি। জঙ্গিরা পিপার স্প্রে ব্যবহার করে। একই সঙ্গে চলে মারধর। এতে আহত হন পুলিশের এক সদস্য।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দুই জঙ্গি পালিয়ে যেতে পারলেও তাদের সঙ্গে থাকা আরও দুজন পালাতে পারেননি। পালাতে ব্যর্থ দুই জঙ্গি হলেন মো. আরাফাত ও মো. সবুর।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে হাজির করে হাজতখানায় নেয়ার সময় চারজনের মধ্যে দুইজনকে ছিনিয়ে নেয়া হয়।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের প্রধান ফটকের সামনে আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল দুটি মোটরসাইকেল।

ফটকের কাছে পৌঁছাতেই হাতকড়া পরা চার জঙ্গি পুলিশ সদস্যদের মারধর শুরু করেন। এ সময় ব্যবহার করা হয় পিপার স্প্রে। একপর্যায়ে দুই জঙ্গি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। তারা হলেন জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আরেফীন দীপন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি মইনুল হাসান শামীম ওরফে সামির ওরফে ইমরান এবং আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. গোলাম ছারোয়ার খান জাকির সাংবাদিকদের বলেন, মোহাম্মদপুর থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা একটি মামলার রোববার শুনানি ছিল। সেই মামলার আসামি ২০ জন, এর মধ্যে ৬ জন পলাতক, ১২ জন জেলহাজতে ও ২ জন জামিনে ছিলেন।

ওই মামলার শুনানি শেষে বের হওয়ার পর মূল ফটকের সামনে দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেয়া হয়।

আদালতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, মোহাম্মদপুর থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলাটিতে রোববার অভিযোগ গঠন হয়। এ জন্য জামিনে থাকা দুই আসামি হাজিরা দেন আদালতে। আর কাশিমপুর কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে ১২ আসামিকে আনা হয়।

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান শুনানি শেষে ২০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এরপর আসামিদের আদালতের হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোর্টের শুনানি শেষে প্রথমে চারজনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। দুটি হাতকড়া দিয়ে দুই-দুইজনকে আটকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাকি আসামিরা তখন ওপরে ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘চারজনের মধ্যে মইনুল হাসান ও আবু সিদ্দিককে জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে মো. আরাফাত ও মো. সবুরকে নিতে পারেনি। জঙ্গিরা পিপার স্প্রে ব্যবহার করে। এতে একজন সিকিউরিটি গার্ড, একজন পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আক্রন্ত হন।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আদালতের মূল ফটকের কাছে পোঁছানোমাত্র কয়েকজন দুর্বৃত্ত পুলিশের চোখে পিপার স্প্রে মেরে হাতকড়া পরানো চার আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ সদস্যদের মারধরও করা হয়। এতে আহত হন পুলিশ সদস্য নুরে আজাদ। এরপর দুই আসামি একটি মোটরসাইকেলে চড়ে পালিয়ে যান, যেটির চালক ছিলেন আরেকজন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. গোলাম ছারোয়ার খান জাকির বলেন, ছিনিয়ে নেয়া দুই জঙ্গিই দীপন হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি। সাকিবুর অভিজিৎ হত্যা মামলারও মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি। তবে মোহাম্মদপুর থানায় করা আরেকটি মামলায় শুনানির জন্য তাদের আদালতে আনা হয়েছিল।

জঙ্গিদের মোটরসাইকেলে চড়ে পালিয়ে যাওয়ার একটি সিসিটিভি ফুটেজ পেয়েছে নিউজবাংলা। এতে দেখা যায়, ১ নম্বর রঘুনাথ দাস লেনের রায় সাহেবের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে লাল রঙের একটি বাইকে তিনজন পালিয়ে যান। তাদের পিছু পিছু আরও কয়েক যুবক দৌড়াচ্ছিলেন। তাদের মধ্যে একজনের হাতে হেলমেট, দুইজনের হাতে ব্যাগ ও দুইজন খালি হাতে ছিলেন।

আদালত প্রাঙ্গণের ভেতরের বই বিক্রেতা মো. নিজাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই একজন মেয়ে আমার দোকানের দিকে এসে বলে একটু পানি দেন। সে অনেক কাশছিল। তার সঙ্গে একটা বাচ্চা ছিল, সেই বাচ্চার মুখ আটকে রেখেছিল ওই মেয়ে।

‘মেয়েটি বারবার বলছিল, একটু পানি দেন স্প্রে মারছে। আমি এটা শুনে ঘটনাস্থলে দৌড়ে গেছি। সেখানে গিয়ে দেখি অনেক লোক গলি দিয়ে দৌড়াচ্ছে। এর কিছুক্ষণ পরে দেখলাম পুলিশ দুইজনকে ধরে নিয়ে আসছে।’

নিজাম বলেন, ‘গেটে যে সিকিউরিটি ছিলেন তাকে স্প্রে মারছে। আর যে পুলিশ তাদের নিয়ে যাচ্ছিল তাকে মেরে মুখ দিয়ে রক্ত বের করে দিয়ে হ্যান্ডকাপ পরেই দুই আসামি পালিয়ে গেছে।’

১ নম্বর রঘুনাথ দাস লেনের অ্যাডভোকেট মো. লুৎফর রহমানের চেম্বারের শিক্ষানবিশ আইনজীবী রাব্বুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ করে দেখি কয়েকজন ছেলে দৌড়ে পালাচ্ছে। আমরা প্রথমে ভাবছি মোবাইল চুরি করে দৌড়াচ্ছে। পরে দেখি পেছনে পেছনে পুলিশ দৌড়াচ্ছে। তাদের মধ্যে এক পুলিশের মুখ দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘জঙ্গিরা একটি অ্যান্টিকাটার ড্রেনে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ সেটা জব্দ করে।’

ওই এলাকার কারকুন বাড়ি মসজিদের সামনে ভিক্ষা করছিলেন জোহরা বেগম। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কয়েকজনকে দেখি দৌড়ায় পালাচ্ছে। কিছু সময় পর দুজনকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। বাকিরা মসজিদের সামনের রাস্তা দিয়ে পালিয়ে গেছে।’

রায় সাহেবের বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের মোড়ের মুদি দোকানি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাইকে ছিল তিনজন। পেছনে ছিল পাঁচজন। তারা দ্রুত দক্ষিণ দিকে চলে যায়। পরে পেছন পেছন পুলিশ যেতে দেখা যায়।’

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান হারুন অর রশিদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। দুটি মোটরসাইকেলে ছয়জন এসে পুলিশের চোখে স্প্রে করে দুই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। তারা পুলিশের গায়ে হাত তুলেছে। স্প্রে করার কারণে পুলিশ সদস্যরা চোখে দেখতে পাননি।

‘ডিবি পুলিশ প্রত্যেকটা জায়গায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করছে। আমরা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করছি। সবাই কাজ করছে। তাদের (পালিয়ে যাওয়া জঙ্গি) শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।’

আরও পড়ুন:
রাজধানীতে রেড অ্যালার্ট
দীপন হত্যা: আদালত থেকে পালালেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২ জঙ্গি
যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেছেন খেতা শাহ
ফাঁসির পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
২১ বছর লুকিয়ে ছিলেন স্ত্রী হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Students killed in Badda

বাড্ডায় শিক্ষার্থী খুন

বাড্ডায় শিক্ষার্থী খুন নিহত শিক্ষার্থী আসফাকুর রহমান চৌধুরী শাতিন। ছবি: সংগৃহীত
‘দুদিন আগের তর্কের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তুই বলে সম্বোধন করায় স্থানীয় রকি ও রুপম হুমকি দিয়েছিল শাতিনকে। রোববার সন্ধ্যায় বাসা থেকে বের হতেই রুপমসহ কয়েকজন ঘিরে ধরে এবং শাতিনসহ তিনজনকে ছুরিকাঘাত করে বলে শুনেছি।’

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আসফাকুর রহমান চৌধুরী শাতিন নামে এইচএসসি পরীক্ষার্থী খুনের শিকার হয়েছেন। একই ঘটনায় সোয়াইব হোসেন ও রোকন দত্ত নামে দুজন ছুরিকাঘাতে জখম হয়েছেন। তাদের সকলের বয়স আনুমানিক ১৯ বছর।

এলাকার কিশোর গ্রুপের বিরোধে রোববার সন্ধ্যায় এ ছুরিকাঘাতের ঘটনা বলে পুলিশ জানিয়েছে। জখম দুজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। শাতিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

শাতিন তেজগাঁও বিএন কলেজের শিক্ষার্থী বলে জানান তার পিতা মনিরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে আমার ছেলে বাসা থেকে বের হয়। আধাঘণ্টা পর শুনতে পাই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। স্থানীয় একটি হাসপাতাল থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাত পৌনে দশটায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

শাতিনের বিরোধ ও ছুরিকাঘাতের বিষয়ে তিনি ধারণা দিতে পারেননি। তবে শাতিনের চাচা আজিমুজ্জামান চৌধুরী ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন স্থানীয় কিশোর গ্রুপের রুপম, রকিসহ কয়েকজনকে।

তিনি বলেন, ‘দুদিন আগের তর্কের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তুই বলে সম্বোধন করায় স্থানীয় রকি ও রুপম হুমকি দিয়েছিল শাতিনকে। রোববার সন্ধ্যায় বাসা থেকে বের হতেই রুপমসহ কয়েকজন ঘিরে ধরে এবং শাতিনসহ তিনজনকে ছুরিকাঘাত করে বলে শুনেছি।’

স্বজনরা জানান, নিহত শাতিনের বাড়ি ঢাকা জেলার দোহার জয়পাড়া গ্রামে। ঢাকায় মধ্যবাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্টে তাদের বাসা। আহতরা একই এলাকার বাসিন্দা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শাতিনের বাম পায়ে ছুরিকাঘাত করা হলে রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। সোয়াইবের বুকে ও পেটে এবং রোকনের পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।

বাড্ডা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ নওশাদ আলী বলেন, ‘ছুরিকাঘাতের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না। খবর পেয়ে সরাসরি হাসপাতালে চলে এসেছি। থানা থেকে ঘটনার সংবাদ নেয়া হচ্ছে, অপরাধী আটকের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
কু‌মিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত
বড় ভাই খুন, অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rape case against SI by former wife

এসআইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা সাবেক স্ত্রীর

এসআইয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা সাবেক স্ত্রীর
বাদীর অভিযোগ, সম্প্রতি স্বামী লন্ডন ফিরে যাওয়ার পর এসআই আলা উদ্দিন তার সঙ্গে ফের সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। গত ২৩ নভেম্বর বিকেলে আলা উদ্দিন তার বাসায় গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন ও বিভিন্ন হুমকি দেন।

ফেনীতে পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) উপপরিদর্শকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন তার সাবেক স্ত্রী। ফেনী মডেল থানায় তিনি শনিবার রাতে মামলা করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহফুজুর রহমান রোববার এসব নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত আলা উদ্দিন ফেনী ডিএসবির উপপরিদর্শক। ঢাকায় পুলিশ সদর দপ্তরে প্রশিক্ষণে আছেন।

অভিযোগকারী নারী জানান, প্রেমের পর মাহফুজুরের সঙ্গে ২০২০ সালে তার বিয়ে হয়। কয়েক মাসের মধ্যেই হয় বিচ্ছেদ। এরপর তিনি লন্ডন প্রবাসী যুবককে বিয়ে করেন।

বাদীর অভিযোগ, সম্প্রতি স্বামী লন্ডন ফিরে যাওয়ার পর এসআই আলা উদ্দিন তার সঙ্গে ফের সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। গত ২৩ নভেম্বর বিকেলে আলা উদ্দিন তার বাসায় গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন ও বিভিন্ন হুমকি দেন। আলা উদ্দিন ঢাকায় প্রশিক্ষণে চলে যাওয়ার খবর জানার পর শনিবার রাতে থানায় গিয়ে মামলা করেন ওই নারী।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহফুজুর রহমান জানান, তদন্ত সাপেক্ষে আলা উদ্দিনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
‘ধর্ষণের কথা গোপন রাখতেই বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে হত্যা’
শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা: একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার
ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় সংগীত শিক্ষকের কারাদণ্ড
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jai Bangla slogan attack on journalists injured 2

জয় বাংলা স্লোগানে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা, আহত ২

জয় বাংলা স্লোগানে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা, আহত ২ হামলায় আহত হন দৈনিক ইত্তেফাকের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার হাসিব প্রান্ত ও মানবজমিনের আব্দুল্লা আল মারুফ। ছবি: নিউজবাংলা
দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদক হাসিব প্রান্ত বলেন, ‘তারা আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ওরা আমার আইফোন ইলেভেন প্রো, মানিব্যাগে ১০ হাজার ৮০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। পুলিশের সামনে এই হামলার ঘটনা হলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করেছে।’

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহক অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের মানববন্ধন চলাকালে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দৈনিক ইত্তেফাকের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার হাসিব প্রান্ত ও মানবজমিনের আব্দুল্লা আল মারুফ আহত হয়েছেন। এ সময় হামলাকারীরা তাদের তিনটি মোবাইল ফোন ও মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করেছেন হামলার শিকার দুই সংবাদকর্মী।

রোববার বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার দৈনিক মানবজমিনের প্রতিবেদক আব্দুল্লা আল মারুফ বলেন, ‘প্রেস ক্লাব এলাকায় আমরা নিউজ কাভার করতে আসি। এ সময় ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডারদের একটি মানববন্ধন কর্মসূচি চলছিল। আমরা সেখানে উপস্থিত হলে প্রায় একশ’ যুবক জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে হামলা চালায়। সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পরও তারা আমাদের মারধর করে। এ সময় তারা আমার দুটি মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, আইডি কার্ড নিয়ে যায়।’

ইত্তেফাকের প্রতিবেদক হাসিব প্রান্ত বলেন, ‘তারা আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ওরা আমার আইফোন ইলেভেন প্রো, মানিব্যাগে ১০ হাজার ৮০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। পুলিশের সামনে এই হামলার ঘটনা হলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করেছে।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘প্রেস ক্লাব এলাকায় হামলার ঘটনায় আহত দুই সাংবাদিককে ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।’

আরও পড়ুন:
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ইউএনও অফিসের জিডি
রোজিনার অব্যাহতি শুনানি ১৫ জানুয়ারি
সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার ৮৬ ভাগেরই বিচার হয় না
আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ সাংবাদিকের
ফটোসাংবাদিক বিপ্লব দিক্ষিতের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Youth Dal President Tuku and 7 people remanded

যুবদল সভাপতি টুকুসহ ৭ জন রিমান্ডে

যুবদল সভাপতি টুকুসহ ৭ জন রিমান্ডে যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় গত ২৫ মে সন্ধ্যায় রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে বিএনপির মশাল মিছিল বের হয়। এ সময় মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে মামলা হয়। সে মামলাতেই ৭ জনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় রাজধানীর পল্টন থানার একটি মামলায় জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সহসভাপতি নুরুল ইসলাম নয়নসহ সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে দিয়েছে আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালতে হাজির করা হয় আসামিদের। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক তাদের চার দিনের রিমান্ড দেন।

রিমান্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন মোকলেস মিয়া, মোশাররফ হোসেন খোকন, জজ মিয়া, ফরিদ উদ্দিন মনা ও আব্দুল্লাহ।

রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ শেষে ঢাকায় ফেরার পথে ৩ নভেম্বর রাতে আমিন বাজার এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ আটক করে যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ চারজনকে। এ সময় টুকুর সঙ্গে ছিলেন নুরুল ইসলাম নয়ন, জাভেদ হাসান স্বাধীন ও মোখলেসুর রহমান।

রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় গত ২৫ মে সন্ধ্যায় রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে বিএনপির মশাল মিছিল বের হয়। এ সময় মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে মামলা হয়।

২৬ মে পল্টন থানার উপপরিদর্শক কামরুল হাসান বাদী হয়ে মামলা করেন বিএনপি নেতা রিজভীসহ ৩০ জনের নাম উল্লেখসহ ১৫০ জনকে আসামি করে।

মামলায় বলা হয়, আসামিরা বেআইনি মিছিল বের করে দাঙ্গা-হাঙ্গামার চেষ্টা করেছে। মশাল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সরকারবিরোধী বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য ও অবমাননাকর স্লোগান দিয়েছে। এ সময় গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। এতে পুলিশ কনস্টেবল ও আনসার সদস্য জখম হয়েছেন। পুলিশ সেখান থেকে ৪৪টি মশালের লাঠি, ১৫টি বাঁশের লাঠি ও ৫৫টি ইটের টুকরা উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:
বিএনপি-যুবদলের ২৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে পরোয়ানা
নয়াপল্টন ছাড়তে পারে বিএনপি, তবে…
‘ক্ষতি করতে চেয়ে উপকার করেছে সরকার’
যুবদল সভাপতি টুকু আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Teacher arrested on charges of sexual harassment of female student dismissed

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার শিক্ষক বরখাস্ত

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেপ্তার শিক্ষক বরখাস্ত শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক হাফিজুর রহমানকে আটক করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর ওপর যৌন নিপীড়ন চালানোর অভিযোগ ওঠে। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি গ্রামবাসীকে জানালে তারা ঘটনার বিচার দাবিতে স্কুলে শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখে।

নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার মেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির কয়েক শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির মামলায় গ্রেপ্তার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দীক মোহাম্মদ ইউসুফ রেজা স্বাক্ষরিত এক পত্রে শিক্ষক হাফিজুরকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের তথ্য জানানো হয়। বরখাস্ত শিক্ষক উপজেলার মেরিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত আশেক আলী দেওয়ানের ছেলে।

সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

রাণীনগর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির মামলায় শিক্ষক হাফিজুর গ্রেপ্তার হয়ে জেল-হাজতে রয়েছেন। এ অবস্থায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার দুপুরে বরখাস্তের চিঠি পেয়েছি।’

পুলিশ সূত্র জানায়, শিক্ষক হাফিজুর রহমান বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নানাভাবে যৌন হয়রানি করছিলেন। এমন অভিযোগে বেশ কয়েকবার তাকে বৈঠক করে সর্তক করা হয়। এর মধ্যে ২০ নভেম্বর ওই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর ওপর যৌন নিপীড়ন চালানোর অভিযোগ ওঠে। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি গ্রামবাসীকে জানানো হয়। এ সময় আরও কয়েক শিক্ষার্থীকে হয়রানির তথ্য উঠে আসে। এরপর স্থানীয়রা রোববার সকালে ওই শিক্ষকের বিচার দাবিতে বিদ্যালয় ঘেরাও করে ও তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

খবর পেয়ে রাণীনগর থানা পুলিশ ও উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ৪ ঘণ্টা পর শিক্ষককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। ওইদিন রাতেই ভুক্তভোগী এক ছাত্রীর বাবা শিক্ষক হাফিজুরকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে পাঠায়।

তবে আটকের সময় শিক্ষক হাফিজুর বলেন, ‘এই স্কুলে যারা পড়াশোনা করে সবাই আমার সন্তান সমতুল্য। এখানকার কিছু মানুষ সমাজে আমাকে হেয় করতে পরিকল্পনা সাজিয়েছে। আমার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

আরও পড়ুন:
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ
শিক্ষককে লাঞ্ছনার মামলায় আ.লীগ নেতা কারাগারে
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল ১৪ ডিসেম্বর
যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক ৪ ঘণ্টা অবরুদ্ধ
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ সহসাই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After killing his wife Fakir wanders around

স্ত্রীকে হত্যার পর ফকির সেজে ঘোরাঘুরি

স্ত্রীকে হত্যার পর ফকির সেজে ঘোরাঘুরি
র‍্যাব জানায়, কহিনুর ও জুলেখার প্রায় ৩৫ বছরের সংসার ছিল। কয়েক বছর ধরে কহিনুর আরেকটি বিয়ে করতে চাচ্ছিলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কলহ চলছিল। এর জেরে গত ২০ নভেম্বর তর্কাতর্কির একপর্যায়ে জুলেখাকে ইট দিয়ে আঘাত করতে থাকেন কহিনুর।

ঢাকার ধামরাইয়ে ইটের আঘাতে নারীকে হত্যার ঘটনায় তার স্বামী কহিনুর ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

কর্মকর্তারা জানান, কলহের জেরে স্ত্রী জুলেখা আক্তারকে হত্যার পর ফকিরের বেশ ধরে মানিকগঞ্জ চলে যান কহিনুর। সিঙ্গাইর উপজেলা থেকে শনিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এসব তথ্য রোববার সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে জানিয়েছে র‍্যাব।

গ্রেপ্তার ৬২ বছরের কহিনুরের বাড়ি ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের ফকিরপাড়া ফোটনগর এলাকায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কহিনুর ও জুলেখার প্রায় ৩৫ বছরের সংসার ছিল। কয়েক বছর ধরে কহিনুর আরেকটি বিয়ে করতে চাচ্ছিলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কলহ চলছিল। এর জেরে গত ২০ নভেম্বর তর্কাতর্কির একপর্যায়ে জুলেখাকে ইট দিয়ে আঘাত করতে থাকেন কহিনুর। জুলেখা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

র‌্যাব আরও জানায়, এ ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুল কাদের ধামরাই থানায় মামলা করেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কহিনুরকে সিঙ্গাইর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন:
‘ধর্ষণের কথা গোপন রাখতেই বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে হত্যা’
হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ আয়াতের বাবার
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা: একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার
মাদ্রাসার শৌচাগারে দেড় মাসের ব্যবধানে আরেক মেয়ের ঝুলন্ত দেহ
নিখোঁজ নারীর মরদেহ বাড়ির পেছনের নালায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Warrant against 25 activists of BNP Zubadal

বিএনপি-যুবদলের ২৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে পরোয়ানা

বিএনপি-যুবদলের ২৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে পরোয়ানা ফাইল ছবি
পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় ৪৫ জন আসামির মধ্যে ১৯ জন সময় চেয়ে আবেদন করেন। অসুস্থ বিবেচনায় আদালত হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের আবেদন মঞ্জুর করে। বাকি ১৮ আসামির জামিন নামঞ্জুর করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। অপর ৭ আসামি হাজির না থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধেও পরোয়ানা জারি করে।

পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরবসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।

ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর এই পরোয়ানা জারি করেন।

রোববার মামলার হাজিরার দিন ৪৫ জন আসামির মধ্যে হাবিব-উন-নবী খান সোহেলসহ ১৯ জন সময় চেয়ে আবেদন করেন। অসুস্থ বিবেচনায় আদালত হাবিব-উন-নবী খান সোহেলের আবেদন মঞ্জুর করে। বাকি ১৮ আসামির জামিন নামঞ্জুর করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। অপর ৭ আসামি হাজির না থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

একই দিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার ধার্য তারিখ ছিল। তবে রমনা থানা পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় বিচারক ১৫ জানুয়ারি নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ২০২১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ ডাকে বিএনপি। সকাল ১০টায় সমাবেশ শুরুর কথা থাকলেও অনেক আগে থেকেই নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে আসতে থাকেন। সমাবেশ ঘিরে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে গিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় পুলিশের। এ সময় নেতা-কর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।

পুলিশের কাজে বাধা দেয়া, শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সংঘবদ্ধভাবে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনে ওই দিনই পুলিশের এসআই আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকার গণসমাবেশ বানচালে খুলনায় গণগ্রেপ্তার: বিএনপি
যুবদল সভাপতি টুকু আটক
বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলায় ৪ পুলিশ আহত
সমাবেশ শেষের আগেই রাজশাহীতে বাস চলাচল শুরু
সরকার ভয় পেয়ে গেছে: ফখরুল

মন্তব্য

p
উপরে