× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
I will slaughter 10 goats if Argentina wins the cup
hear-news
player
google_news print-icon

‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে ১০টা ছাগল জবাই দেব’

আর্জেন্টিনা-কাপ-জিতলে-১০টা-ছাগল-জবাই-দেব
চুয়াডাঙ্গা, বাগেরহাট ও সিরাজগঞ্জে শুক্রবার আর্জেন্টিনার ভক্তরা বিশাল সব পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা করেছেন। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় আর্জেন্টিনার ১ হাজার ফুট দীর্ঘ পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা করেছে ‘১৫ মেসি ভক্ত দামুড়হুদা’ নামে একটি সংগঠন। 

বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হবে আগামি রোববার। এ নিয়ে দেশজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। প্রিয় দলের পতাকা কত বড় বানানো যায়- তা নিয়ে ভক্তরা যেন প্রতিযোগিতায় নেমেছেন।

চুয়াডাঙ্গা, বাগেরহাট ও সিরাজগঞ্জে শুক্রবার আর্জেন্টিনার ভক্তরা বিশাল সব পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা করেছেন।

এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় আর্জেন্টিনার ১ হাজার ফুট দীর্ঘ পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা করেছে ‘১৫ মেসি ভক্ত দামুড়হুদা’ নামে একটি সংগঠন।

সংগঠনে মুখপাত্র শুভ দাস বলেন, ‘আর্জেন্টিনা আমার প্রিয় দল। মেসি আমার প্রিয় খেলোয়াড়। প্রিয় দলকে ভালোবেসে সংগঠনের পক্ষ থেকে ১ হাজার ফুট দীর্ঘ এই পতাকা বানান হয়েছে।

‘আগামি ২২ নভেম্বর আর্জেন্টিনার খেলা। আমাদের শোভাযাত্রা সেদিন পর্যন্ত চলবে। আর্জেন্টিনা এবার কাপ জিতলে আমরা ১০টা ছাগল জবাই দিয়ে খাওয়া-দাওয়া করব।’

দামুড়হুদা শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে শুক্রবার বিকেলে তাদের সঙ্গে যোগ দেন চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া থেকে আসা কয়েকশ আর্জেন্টাইন ভক্ত। স্টেডিয়াম থেকে তারা শোভাযাত্রা শুরু করে শহর ঘুরে হই-হুল্লোড় করে তারা।

বাগেরহাট শহরে এদিন বিকেলে রেলরোড থেকে আর্জেন্টিনার ভক্তরা ২০০ ফুট লম্বা পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রা বের করে। তাদের ঢাক-ঢোলের তালে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। শহরের প্রধান সব সড়ক প্রদক্ষিণ করেন এই ভক্তরা।

‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে ১০টা ছাগল জবাই দেব’

শোভাযাত্রার আয়োজক তরুণ ব্যবসায়ী রাজু আহমেদ বলেন, ‘আগামী ২২ তারিখ আর্জেন্টিনার খেলা। প্রিয় দলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আমরা শোভাযাত্রা বের করেছি। যেহেতু এবার মেসির শেষ বিশ্বকাপ, তাই এ বিশ্বকাপটি খুব স্পেশাল।

‘এ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা নিজ যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে বিশ্বকাপে চ্যম্পিয়ন হবে বলে আমি আশা করছি। আশা করছি ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল খেলবে।’

বাদ্যের তালে তালে সিরাজগঞ্জ শহরেও হয়ে গেছে আর্জেন্টাইন ভক্তদের শোভাযাত্রা। কারও হাতে দেশটির পতাকা, কেউ পরে ছিলেন জার্সি, কেউ পরেছেন মুখোশ।

‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে ১০টা ছাগল জবাই দেব’

শোভাযাত্রায় অংশ নেয়া একরামুর হক বলেন, ‘আমরা আর্জেন্টিনার ফ্যান। সমর্থকদের অনুপ্রেরণা দিতেই এমন আয়োজন।’

আরও পড়ুন:
কাতার বিশ্বকাপ: খোলামেলা পোশাক পরলেই হতে পারে জেল
বিশ্বকাপ শেষ মানে, নিকো গনসালেসের
‘বিশ্বকাপ জিতবে ব্রাজিল’
খেলা নিয়ে রাজনীতি নয়: ম্যাখোঁ
৬০ ফুট পতাকা নিয়ে আর্জেন্টিনা ভক্তদের শোভাযাত্রা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Language and the sound of silence

ভাষা আর নৈঃশব্দ্যের শব্দ

ভাষা আর নৈঃশব্দ্যের শব্দ
আমরা কিন্তু সব শব্দ শুনি না। যেসব শব্দ আমাদের কানে আসে অর্থাৎ যা আমরা শুনতে পাই, তা নিশ্চয় কোথাও ধ্বনিত হয়। কোনো একটি আঘাত বা স্পন্দন থেকে উদ্ভব বলে এদের নাম ‘আহত শব্দ’। অন্যদিকে যে শব্দ আমরা শুনি না, কোনো দৃশ্যমান আঘাত থেকে যার উদ্ভব হয়নি, হয়েছে অন্তরস্থ প্রজ্ঞা থেকে, যা সাধনা করে শুনতে হয়, সেই সব শব্দের নাম ‘অনাহত শব্দ’। কোনো এক বায়ুহীন অন্তরীক্ষে পৌঁছাতে পারলেই কেবল তা শুনতে পাওয়া যায়।

শব্দের কী শক্তি! একটা মাত্র শব্দ মানুষকে সুখী করে দিতে পারে। পারে দুঃখ দিতেও। প্রেমিকা যখন ‘উম্মম’ বলে সাড়া দেয়, প্রেমিকের আকাশে জ্বলে ওঠে আলো, পুবে-পশ্চিমে। আবার যখন নৈঃশব্দের আড়ালে সে নিজেকে লুকায়, প্রেমিকের গগন থেকে মধ্যাহ্নেই ডুবে যায় সূর্য।

শব্দের কত জাদু! এই যেমন ‘দ্রাক্ষা’র সঙ্গে বাগান মেলে না। দ্রাক্ষার সঙ্গে কুঞ্জ মিলে হয়ে ওঠে ‘দ্রাক্ষাকুঞ্জ’। আবার দ্রাক্ষা না হয়ে যদি কেবল আঙুর হয়, তাহলে হতে হয় ‘আঙুরবাগান’। ‘গলিত’ শুনলেই কেমন গা গুলিয়ে ওঠে, কিন্তু কেউ ‘বিগলিত’ হলে মন খুশি হয়।

এই যে ব্রহ্মাণ্ড, যাকে নিখিল ভুবন বা প্লানেট আর্থ যা-ই বলি, এখানে প্রথম এসেছিল শব্দ, তারপর আলো। ‘কুন’ শব্দ দিয়ে জন্ম হলো দুনিয়া। কুন মানে ‘হও’, ফা ইয়াকুন মানে ‘হলো’ …be and it is.

পদার্থবিদ্যার আদিতেও সেই শব্দ, the big bang, অতঃপর বিপুল নিনাদে বহুধা বিভাজিত হলো জগতের তাবৎ উপকরণ। উপনিষদ বলছে শব্দই ব্রহ্ম, ‘অহম ব্রহ্মাস্মি’ অর্থাৎ ‘আমিই ব্রহ্ম’ … I am the supreme being.

উপনিষদের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে যেন মিলে যায় মনসুর হাল্লাজের ‘আইন্যাল হক’! ওদিকে ‘ওঁ’ ধ্বনিতে হলো পরম শিবের প্রথম প্রকাশ; আদি ধ্বনি ‘ওঙ্কার’ সব ধ্বনির মূল, আদি মন্ত্রবীজ- সেও এক মানসিক তরঙ্গ।

আমরা কিন্তু সব শব্দ শুনি না। যেসব শব্দ আমাদের কানে আসে অর্থাৎ যা আমরা শুনতে পাই, তা নিশ্চয় কোথাও ধ্বনিত হয়। নিশ্চয় কোনো একটা আঘাত বা স্পন্দন থেকে তার উদ্ভব হয়। আঘাত থেকে উদ্ভব বলে এদের নাম ‘আহত শব্দ’।

অন্যদিকে যে শব্দ আমরা শুনি না, কোনো দৃশ্যমান আঘাত থেকে যার উদ্ভব হয়নি, হয়েছে অন্তরস্থ প্রজ্ঞা থেকে, রবীন্দ্রনাথের ভাষায় ‘হৃদয় দিয়ে হৃদি অনুভব’এর মতো, যা সাধনা করে শুনতে হয়, সেই সব শব্দের নাম ‘অনাহত শব্দ’। কোনো এক বায়ুহীন অন্তরীক্ষে পৌঁছাতে পারলেই কেবল তা শুনতে পাওয়া যায়।

কেবল তান্ত্রিক সাধনা নয়; সত্যিকার প্রেমে পড়লেও অনাহত শব্দ শোনা যায়। যে প্রেমে কোনো আবরণ নেই, যে মগ্ন মুহূর্তে জীব বা জগতের আর কিছু টের পাওয়া যায় না, তখন অনাহত শব্দেরা অন্তরে রসক্রীড়া করে। যেমন প্রেমিকার অন্তর যখন বলে ‘কই তুমি?’ প্রেমিক তা স্পষ্ট শুনতে পায়।

আবার সে যখন ডাকে না মোটেই, সেই সাউন্ড অব সাইলেন্সও প্রেমিকের কানে বিষাদ বেদনা বাজায় (কৌশিক গাঙ্গুলির ‘শব্দ’ সিনেমায় এর সামান্য ইঙ্গিত আছে)।

কোনো বিশেষ সাংস্কৃতিক বা সামাজিক কারণে কিছু কিছু শব্দের প্রতি কারও অহেতুক অনুরাগ বা বিরাগ থাকতে পারে। ব্যক্তি ও সমাজ ভেদে একই শব্দের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ থাকতে পারে। শব্দটা শোনা, দেখা, পড়া বা ভাবামাত্রই মনে একটা নিজস্ব অর্থ বা দৃশ্য ভেসে ওঠে। আমরা সহ্য করতে পারি না। ওই নিরীহ শব্দটাই তখন যেন প্রবল প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায়। এমন প্রথাবদ্ধ শব্দপ্রেম বা শব্দঘৃণা অহরহ দেখা যায়।

আমাদের মনে আছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ঘটনাটি। একজন ভর্তিচ্ছু ছাত্রের টি-শার্টে ‘Fuck the System’ লেখা দেখে একজন শিক্ষক কেমন রেগে গিয়ে ছাত্রটিকে শার্ট খুলে উল্টো করে পরতে বাধ্য করেছিলেন এবং নিজের ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘এই নির্মল ক্যাম্পাসে এই ধরনের অসভ্যতা কখনও মেনে নেয়া যায় না।’

‘ফাক’ শব্দটা দেখার পর এখানে শিক্ষকটির মনে যা ভেসে উঠেছে তা তার বিবেচনায় নিশ্চয় অশ্লীল, তিনি মনে করেছেন সামান্য এই শব্দটি হয়তো তার বা তার প্রতিষ্ঠানের কৌলিন্য হরণে সক্ষম, তিনি শব্দটি ঢেকে দিয়েছেন।

অথচ ‘ফাক’ শব্দের এমন অর্থও হতে পারে যা কেবল দুটি প্রত্যঙ্গ সংশ্লিষ্ট নয়, যা ‘মানি না’, বা ‘বদলাতে চাই’ বা ‘বস্তাপচা’ ইত্যাদি নানা অর্থ বহন করতে পারে। যেমন কবি এলেন গিন্সবার্গ লিখেছিলেন, ‘America when will we end the human war? Go fuck yourself with your atom bomb’. তিনি নিশ্চয় এটম বম্ব কোথাও ‘ঢোকানো’ বোঝাননি।

‘সতী’ শব্দটি বাঙালির নিজস্ব। এটা নারীর একটা বিশেষ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ধারণাকে ইঙ্গিত করে। মজার ব্যাপার, বাংলা ভাষায় এই শব্দের বিপরীতার্থক পুরুষলিঙ্গবাচক কোনো শব্দ নেই।

কেউ হয়তো বলবেন ‘সৎ’, কিন্তু তখন প্রশ্ন করাই চলে, নারী কি সৎ হতে পারেন না? যে অর্থে নারী ‘সতী’ সেই অর্থে পুরুষের জন্যে কোনো শব্দ নেই। যে অর্থে নারী ‘অসতী’ সে অর্থে একজন পুরুষ কী?

‘বেশ্যা’ বলতে আমরা শাব্দিকভাবে ‘অর্থের বা অন্যবিধ প্রাপ্তির বিনিময়ে যৌনসংগমে সম্মত’ নারী বুঝলেও সাংস্কৃতিক বা ঐতিহাসিকভাবে যা বুঝি তার সঙ্গে অপমান, ঘৃণা, তাচ্ছিল্য জড়িয়ে আছে।

তাই শব্দ ব্যবহারে বিদ্বজ্জনেরা সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ শব্দ কেবল বাক্যস্থ পদ নয়, একটি বার্তা, একটি শক্তি এবং কখনও শব্দ একটি অটোসাজেশনও।

শব্দের একাধিক অর্থ, ব্যাপ্তি ও ব্যঞ্জনা থাকে। শাব্দিক অর্থের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অর্থ বা প্রেক্ষাপটও শব্দের সঙ্গে যুক্ত থাকে। ভিন্ন ইতিহাস ও সংস্কৃতির দুজন মানুষ একই শব্দের দুই রকম অর্থ বুঝতে পারেন। আবার কোনো কোনো শব্দ একেবারেই একটি ভাষাভাষী গোষ্ঠীর নিজস্ব ধারণা ছাড়া আর কিছু বহন করে না- যেমন অভিমান, যেমন ভাত, যেমন নদী।

ভাতের সঙ্গে বাঙালির আত্মার সম্পর্ক। যে ‘স্বামী’কে দেবতা বলা হতো, সেই স্বামীকে ‘ভাতার’ও বলা হতো। ভাত দিত, তাই সে ভাতার। ‘ভাত দেয়ার মুরোদ নেই, কিল মারার গোঁসাই’ বলে মুখ ঝামটা দিয়েছেন নারীরা। অভিমান করে কেউ কেউ এখনও স্বামীদের বলেন, ‘তোমার ভাত আর খাবো না।’ মানে তোমাকে ছেড়ে চলে যাব।

এক ফসলি জমি ছিল। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে ছিল প্রচণ্ড অভাব। দিনের পর দিন ভাত থাকত না। ভাতের হাঁড়িতে কেবল কাঁঠাল সেদ্ধ খেতে দেখেছি। ভিখারিদের ভাত চাওয়ার সাহস ছিল না। ক্ষীণ কণ্ঠে ‘একটু ফ্যান দ্যাও গো’ বলে দুয়ারে দাঁড়াত। বিভূতিভূষণের ‘পথের পাঁচালি’ বা হুমায়ূন আহমেদের ‘মধ্যাহ্ন’তে এই ভাত-ফ্যান-দুঃখ-বেদনার গল্প আছে। সত্যি গল্প।

সেই দেশে কৃষিতে অনেক উন্নতি হয়েছে। কৃষিবিদরা ইরি, বিরি ধান আবিষ্কার করেছেন আর কৃষক মাটির গায়ে হাত বুলিয়ে বুলিয়ে সেই ধান চাষ করেছেন। এবং সেই ভরসায় এ দেশের রাজনৈতিক নেতারা কম দামে ভাত খাওয়াবেন বলে ভোট নিয়েছেন।

তাই ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে, আমাদের কাছে বলগ ওঠা ভাতের হাঁড়ির গুড়গুড় শব্দ মালহারের চেয়েও মধুর, ভাপ ওঠা গরম ভাতের গন্ধ শ্যানেল পারফিউমের চেয়েও সুগন্ধি।

থালাভরা শিউলিফুল ভাতের সঙ্গে সামান্য তরকারি আর একটু নিশ্চিন্তে ঘুমাবার ব্যবস্থা করে দিলেই যে বাঙালিকে অনায়াসে শাসন করা যায়। তাই বাঙালির কাছে ‘ভাত’ একটা মাটিগন্ধি হৃদয়ঘটিত ব্যাপার, ‘রাইস’ এর সঙ্গে এর বিন্দুমাত্র মিল নেই। অভিমান, নদী ইত্যাদি আমাদের এমন অনেক নিজস্ব শব্দেরও নিজস্ব অর্থ আছে যা অন্য কারও সঙ্গে মিলবে না।

ভাষাকে উন্নত করা যায়। ভাষায় প্রতিদিন যোগ-বিয়োগ ঘটে। নতুন শব্দ যুক্ত হয়, পুরোনো শব্দ হারিয়ে যায়। যেমন ‘মহকুমা’ হারিয়ে গেছে।

এই নিরন্তর পরিবর্তনের যাত্রাপথে আমাদের দায়িত্ব হলো, কারও জন্য অবমাননাকর ও বৈষম্যসৃষ্টিকারী শব্দ (যেমন বেশ্যা, মহিলা, মুচি, মেথর ইত্যাদি) পরিহার করা। আর যে শব্দের সঙ্গে আমাদের নিজস্ব ইতিহাস আর মায়ার বাঁধন আছে, তা বেশি ব্যবহার করা। তবে এ-ও সত্যি সময়ের পরিবর্তনে প্রয়োগের স্থান সংকুচিত হয়ে এলে আমাদের ইচ্ছা থাকলেও এ ধরনের অনেক শব্দ হারিয়ে যাবে।

লেখক: মানবাধিকারকর্মী

আরও পড়ুন:
আমেরিকার গৃহহীনরা কেন বারবার জেলে যেতে চান
ভাষা শেখার বই পেল ত্রিপুরা পল্লীর শিশুরা
রুশ আর বাংলা ভাষার ‘নতুন হাট’
রক্তভেজা ১৯ মে: বাংলা ভাষার জন্য আত্মদান
মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার দায় সবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Stylish clothes by K Craft in winter

শীতে কে-ক্র্যাফটের স্টাইলিশ পোশাক

শীতে কে-ক্র্যাফটের স্টাইলিশ পোশাক ছবি: কে ক্রাফট
মেয়েদের ভিন্ন স্টাইলের ব্লেজার, ওপেন ফ্রন্ট ওভার কোট, জ্যাকেট, রিভারসেবল জ্যাকেট, ফুল লেংথ কটি, যা মিলিয়ে পরতে পারেন জিন্স বা পছন্দের স্টাইলের প্যান্টের সঙ্গে। রয়েছে ছেলেদের জন্য ফুল স্লিভ শার্ট, পলো, সোয়েট শার্ট, ক্যাজুয়াল শার্ট, কটিসহ অন্যান্য শীতের পোশাক।

বাতাসে শীতের হিম হিম পরশ। এ সময় চাই মানানসই পোশাক। শীতে উষ্ণতার পাশাপাশি থাকতে হবে অভিজাত ও স্টাইলিশ লুক। কে-ক্র্যাফটের ভিন্নধর্মী চমৎকার সব স্টাইলিশ পোশাক হতে পারে আপনার এ সময়ের সঙ্গী।

মেয়েদের ভিন্ন স্টাইলের ব্লেজার, ওপেন ফ্রন্ট ওভার কোট, জ্যাকেট, রিভারসেবল জ্যাকেট, ফুল লেংথ কটি, যা মিলিয়ে পরতে পারেন জিন্স বা পছন্দের স্টাইলের প্যান্টের সঙ্গে।

রয়েছে ছেলেদের জন্য ফুল স্লিভ শার্ট, পলো, সোয়েট শার্ট, ক্যাজুয়াল শার্ট, কটিসহ অন্যান্য আরও শীতের পোশাক। এরই সঙ্গে ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্যই রয়েছে শীতের উপযোগী ক্যাজুয়াল পোশাক ও এক্সেসরিজ।

নিয়মিত আয়োজন সালোয়ার-কামিজ, কুর্তি, টপস, টিউনিক, কাফটান ও শাড়ি তো থাকছেই। এসব পোশাকের কাট ও স্টিচে রয়েছে নতুনত্ব। অর্নামেন্টেশন ও প্রেজেন্টেশনেও রয়েছে বৈচিত্র্য।

বিভিন্ন রঙের প্রিন্ট ও উইভিং ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে শাল, যা এই শীতের জন্য বেশ উপযোগী। শুধু শীতের পোশাক বলেই নয়, ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে পছন্দের নানা পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে পরতে শালের রয়েছে আলাদা কদর।

কে-ক্র্যাফটের ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, খুলনাসহ সব আউটলেট ছাড়াও অনলাইন থেকে শীতের পোশাক কিনতে পারেন বিশেষ সাশ্রয়ী মূল্যে। এ ছাড়া ফেসবুক পেজ থেকেও কেনাকাটা করার সুবিধা আছে।

আরও পড়ুন:
ঈদের পাঞ্জাবি
সোনামনিরও চাই ঈদের নতুন জামা
বাহারি পোশাকে আনন্দের ঈদ
ঈদে এলিট লাইফের ব্যতিক্রম অফার
মাতৃত্ব আর দৃঢ়তার গল্প শুনুন নাওমি ক্যাম্পবেলের কাছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Winter festival is going on in Rang Bangladesh

রঙ বাংলাদেশ এ চলছে ‘শীত উৎসব’

রঙ বাংলাদেশ এ চলছে ‘শীত উৎসব’ ছবি: রঙ বাংলাদেশ
শীত সংগ্রহের মূল আকর্ষণ শাল। পরা যাবে যেকোনো পোশাকের সঙ্গে। কেবল মেয়েদের নয়, ছেলেদের কালেকশনও সমান আকর্ষক। পাঞ্জাবি, কাতুয়া, ফুলহাতা ও হাফহাতা টি-শার্ট, শার্ট, কটির সঙ্গে শীত তাড়াতে থাকছে শাল।

দেশের জনপ্রিয় ফ্যাশন হাউস রঙ বাংলাদেশ-এ চলছে ‘শীত উৎসব’।

উইন্টার ট্রি’স থিমে সাজানো নকশায় নান্দনিক এবারের শীত সংগ্রহ। মূল রং হিসাবে কালো, অ্যাশ, সাদা, কফি, ব্রাউন, অলিভ, ম্যাট ভায়োলেট, ইয়েলো অকার, মেজেন্টা, নীল, পিচ, লাইট ব্রাউন ব্যবহার করা হয়েছে।

কটন, টুইল, ভিসকস, হাফসিল্ক, নীট ও লিলেন কাপড়ে পোশাকের নকশাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে নানা ভ্যালু অ্যাডেড মিডিয়ার ব্যবহারে। এর মধ্যে রয়েছে কাটিং সুইং, প্যাচওয়ার্ক, স্ক্রীনপ্রিন্ট, ব্লকপ্রিন্ট ও হাতের কাজ ।

ট্র্যাডিশনালের পাশাপাশি ওয়েস্টার্ন পোশাকও এই সংগ্রহের বিশেষ আকর্ষণ। মেয়েদের রয়েছে শাড়ি, রেডি ব্লাউজ, পঞ্চ, লেডিস কটি, থ্রিপিস, সিঙ্গেল কামিজ, টপস্, শাল, শ্রাগ, লেডিজ কোট-প্যান্ট । এছাড়া সিঙ্গেল ওড়নাও পাওয়া যাবে নিয়মিত কালেকশনের অংশ হিসাবে।

রঙ বাংলাদেশ এ চলছে ‘শীত উৎসব’

শীত সংগ্রহের মূল আকর্ষণ শাল। পরা যাবে যেকোনো পোশাকের সঙ্গে। কেবল মেয়েদের নয়, ছেলেদের কালেকশনও সমান আকর্ষক। পাঞ্জাবি, কাতুয়া, ফুলহাতা ও হাফহাতা টি-শার্ট, শার্ট, কটির সঙ্গে শীত তাড়াতে থাকছে শাল। বড়দের পাশাপাশি শিশুদের জন্যও রয়েছে শীত পোশাক। এই সংগ্রহে রয়েছে ফুলশার্ট, টি-শার্ট, কটি, ফ্রক, থ্রিপিস ও সিঙ্গেল কামিজ।

শীতের এই সংগ্রহগুলো করা হয়েছে মূল ব্র্যান্ড রঙ বাংলাদেশ ছাড়াও সাবব্র্যান্ড ওয়েস্টরঙ, শ্রদ্ধাঞ্জলি আর রঙ জুনিয়রের সামগ্রী। প্রতিটি পণ্য রয়েছে সবার সাধ্যের মধ্যে।

ঢাকা ও ঢাকার বাইরের সব আউটলেটেই ক্রেতারা পাবেন এই শীত উৎসবের পোশাক। শোরুমের পাশাপাশি অনলাইনেও পাওয়া যাবে।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে শীত উৎসব এর পণ্য ক্রয়ে ভিজিট করুন: www.rang-bd.com অথবা রঙ বাংলাদেশের ফেসবুক পেজ www.facebook.com/rangbangladesh। আছে হোম ডেলিভারির সুবিধা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Argentina love blossomed in autorickshaw

আর্জেন্টিনাপ্রীতি ফুটে উঠল অটোরিকশায়

আর্জেন্টিনাপ্রীতি ফুটে উঠল অটোরিকশায়
ব্রাজিলের সমর্থক হলেও আর্জেন্টিনার রঙে রাঙানো অটোরিকশায় চড়েছেন স্থানীয় মমিনুর রহমার। তিনি বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের সমর্থক হয়েও এমন ব্যতিক্রম রিকশায় চড়েছি। আমরা ভিন্ন ভিন্ন দলের সমর্থক হতেই পারি। কিন্তু সামাজিক বন্ধনে সব বিভেদ ভুলে চলতে চাই সবাই।’

আর্জেন্টাইন ফুটবল দলের ভক্ত কুড়িগ্রামের অটোচালক আশরাফুল ইসলাম। আগে বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় বাড়িতে আর্জেন্টিনার পতাকা ওড়াতেন তিনি। গতবার নিজের বাইসাইকেলটি আর্জেন্টিনার পতাকার রঙে রাঙিয়েছিলেন। এবার আকাশি-সাদায় রাঙিয়ে তুললেন নিজের অটোরিকশা।

আশরাফুলের বাড়ি কুড়িগ্রাম পৌরসভার একতা পাড়ায়। লিওনেল মেসির খেলা দেখেন মুগ্ধ হয়ে। প্রিয় ফুটবলার আর প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশে ৫ হাজার টাকা খরচ করে অটোরিকশা রং করেছেন তিনি।

নিউজবাংলাকে আশরাফুল বলেন, ‘লোকমুখে ফুটবল তারকা দিয়াগো ম্যারাডোনার খেলার গল্প শুনে আর্জেন্টিনার প্রতি সমর্থন শুরু হয়। পরে মেসির খেলা দেখে আর্জেন্টিনার প্রতি ভালোবাসা বেড়ে যায়। এবার দলের সমর্থন দেখাতে আর আর্জেন্টিনার অন্য ভক্তদের উৎসাহিত করতে আমার অটোটা রং করেছি।’

আর্জেন্টিনাপ্রীতি ফুটে উঠল অটোরিকশায়

ব্রাজিলের সমর্থক হলেও আর্জেন্টিনার রঙে রাঙানো অটোরিকশায় চড়েছেন স্থানীয় মমিনুর রহমার।

তিনি বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের সমর্থক হয়েও এমন ব্যতিক্রম রিকশায় চড়েছি। আমরা ভিন্ন ভিন্ন দলের সমর্থক হতেই পারি। কিন্তু সামাজিক বন্ধনে সব বিভেদ ভুলে চলতে চাই সবাই।’

আরও পড়ুন:
ইরানের বিক্ষোভে সমর্থন বিশ্বকাপ দলের ডিফেন্ডারের
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ
কাতার বিশ্বকাপ: ৭৫০ কোটি ডলার আয় ফিফার
স্বাগতিক হিসেবে প্রথম ম্যাচ হারের রেকর্ড কাতারের
স্বাগতিকদের হারিয়ে আসরের প্রথম জয় তুলে নিল ইকুয়েডর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Brazil is a car enthusiasts delight

‘ব্রাজিল’ গাড়ি নিয়ে ভক্তের উচ্ছ্বাস

‘ব্রাজিল’ গাড়ি নিয়ে ভক্তের উচ্ছ্বাস
সোহেল বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের একনিষ্ঠ সমর্থক। অনেক সমর্থক তার প্রিয় দলের ভালোবাসায় কত কী করছে! আমিও পিছিয়ে থাকব কেন! তাই নিজের ব্যবসার কাজে ব্যবহার করা মাইক্রোটি ৩ দিন আগে ব্রাজিলের পতাকার রঙে রাঙিয়েছি।’

কুমিল্লার দেবিদ্বারের মোহাম্মদ সোহেল বালু ব্যবসায়ী। কাজের সূত্রে থাকেন আদর্শ সদর উপজেলায়। ব্রাজিল ফুটবল দলের এতটাই ভক্ত তিনি, যে এবার নিজের মাইক্রোবাসটি সেদেশের পতাকার রঙে রাঙিয়েছেন।

সেই গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হলেই ফুটবলপ্রেমীরা ঘিরে ধরেন, ছবি তোলেন। এতে বেশ উচ্ছ্বসিত সোহেল।

নিউজবাংলাকে তিনি জানান, ছোটবেলায় নিজেও বেশ ফুটবল খেলেছেন। প্রিয় দল ব্রাজিল আর প্রিয় ফুটবলার রোনাল্ডো।

সোহেল বলেন, ‘আমি ব্রাজিলের একনিষ্ঠ সমর্থক। অনেক সমর্থক তার প্রিয় দলের ভালোবাসায় কত কী করছে! আমিও পিছিয়ে থাকব কেন! তাই নিজের ব্যবসার কাজে ব্যবহার করা মাইক্রোটি ৩ দিন আগে ব্রাজিলের পতাকার রঙে রাঙিয়েছি।

‘তারপর থেকে ব্যবসার কাজে যেখানে গেছি, সেখানেই ব্রাজিল ভক্তরা জড়ো হচ্ছেন। গাড়ির সঙ্গে সেলফি তুলছেন। আমাকে নিয়েও ছবি তুলছেন। আমার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করেন।

‘রাস্তা দিয়ে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় সবাই তাকিয়ে থাকেন। বিষয়টা আমাকে আনন্দ দিচ্ছে। অন্য সব ভক্তের মতো আমারও দোয়া থাকবে, ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপ নিবে।’

আরও পড়ুন:
ব্রাজিলের গণকের দাবি, ফাইনাল খেলবে আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপ খেলতে মুখিয়ে এরিকসেন
দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ শুরু
সিনেপ্লেক্সে দেখা যাবে ফিফা বিশ্বকাপ
জায়েদ খান কেন আর্জেন্টিনার সমর্থক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
7 km flag of German fan thanks to Kabiraji medicine

কবিরাজি ওষুধের গুণে ৭ কিলোমিটার পতাকা জার্মান ভক্তের

কবিরাজি ওষুধের গুণে ৭ কিলোমিটার পতাকা জার্মান ভক্তের
নিউজবাংলাকে আমজাদ জানান, ১০ দিন ধরে পতাকাটি বানাচ্ছেন। তবে পুরোটা নতুন নয়। ২০১৮ সালে বানানো সাড়ে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জার্মান পতাকার সঙ্গে নতুন করে তিনি জুড়ে দিয়েছেন ২ কিলোমিটার অংশ। 

মাগুরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে থাকেন আমজাদ হোসেন। এলাকায় তিনি পতাকা আমজাদ নামে পরিচিত। কারণ, ২০১৪ সাল থেকে প্রতি বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় প্রিয় দল জার্মানির বিশাল সব পতাকা বানিয়ে আসছেন তিনি।

এবার তিনি সাড়ে ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ পতাকা বানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। তবে সেটি এখনও প্রকাশ্যে আনেননি তিনি। জানালেন, আগামী শুক্রবার সেটি স্থানীয় স্কুল মাঠে প্রদর্শন করবেন।

জার্মানির পতাকা তৈরির পেছনে এতটা টান কেন? জানতে কথা হয় ঘোড়ামারা গ্রামের আমজাদের সঙ্গে।

নিউজবাংলাকে তিনি জানান, ১০ দিন ধরে পতাকাটি বানাচ্ছেন। তবে পুরোটা নতুন নয়। ২০১৮ সালে বানানো সাড়ে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জার্মান পতাকার সঙ্গে নতুন করে তিনি জুড়ে দিয়েছেন ২ কিলোমিটার অংশ।

আমজাদ বলেন, ‘২০০২ থেকে ২০০৪ দুই বছর পিত্তথলিতে পাথর নিয়ে খুব অসুস্থ ছিলাম। এরপর জামার্নি একটি কবিরাজি ওষুধ খেয়ে ৩ মাস পর সুস্থ হয়ে যাই। এই ওষুধ দিয়েছিলেন এলাকার মনোরঞ্জন কবিরাজ।

‘জার্মান ফুটবল দল আগে থেকেই সমর্থন করতাম। তবে ওই জার্মানির ওষুধ খেয়ে সুস্থ হওয়ার পর মূলত জার্মান ফুটবল দলের অন্ধভক্ত হয়ে গেছি।’

তিনি বলেন, ‘তখন দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ দেখতে আসত পতাকা। আমার ভাল লাগত। পতাকা বানাতে জমিও বিক্রি করেছি।’

আমজাদ জানান, এবারের ২ কিলোমিটার পতাকা বানাতে প্রায় ২০০ গজ কাপড় লেগেছে। মজুরিসহ খরচ পড়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা। এবার আর জমি বিক্রি করতে হয়নি। তার প্রবাসী ছেলে পতাকা বানাতে টাকা পাঠিয়েছেন।

এই পতাকা জার্মান দূতাবাসে পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন আমজাদ।

মন্তব্য

p
উপরে