× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Jubo League leader threatens to withdraw rape case
google_news print-icon

ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে যুবলীগ নেতার ‘হুমকি’

ধর্ষণ-মামলা-তুলে-নিতে-যুবলীগ-নেতার-হুমকি
মামলার বাদী নারী জানান, ২০২১ সালের ১২ জুলাই তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ইসলামপুর থানায় তিনি মামলা করেন। এরপর থেকে আসামিরা মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন।

জামালপুরের ইসলামপুরে ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় বুধবার রাতে ইসলামপুর থানায় যুবলীগ নেতা ও মামলার আসামি মাসুদ রানা লেবুর নামে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ধর্ষণ মামলার বাদী।

মাসুদ রানা লেবু ইসলামপুর উপজেলার সাপধরী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। ধর্ষণ মামলায় তার ভাই মো. সুরুজ্জামানও আসামি।

মামলার বাদী নারী জানান, ২০২১ সালের ১২ জুলাই তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে ইসলামপুর থানায় তিনি মামলা করেন। এরপর থেকে আসামিরা মামলা তুলে নিতে হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাদের লোকজন গত ৫ অক্টোবর সকালে বাদীর বাড়িতে হামলা করেন। বাদীর ছেলের নামে মিথ্যা মামলাও দেয়া হয়েছে।

বাদী বলেন, ‘এখন আমরা প্রাণভয়ে আছি। আমাদের নিরাপত্তা প্রয়োজন।’

অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা মাসুদ রানা লেবু বলেন, ‘মামলা তুলে নিতে কোনো ধরনের হুমকি দেয়া হয়নি। মামলা আদালতে চলমান। আদালতেই সব প্রমাণ হবে।’

ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজেদুর রহমান বলেন, ‘বাদী ও আসামির বাড়ি এক জায়গায়ই। আগের মামলার ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন আদালতে পাঠানো হয়েছে। থানায় একটি জিডি হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
উদ্যানে জায়গা না পেয়ে আশপাশের সড়কে নেতাকর্মীরা
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের চারপাশ জনসমুদ্র
যুবলীগের সমাবেশ উদ্বোধন আওয়ামী লীগ সভাপতির
যুবলীগের সম্মেলনে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ঢল
লাঠি খেলতে খেলতে যুবলীগের সমাবেশে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
After four months the girl returned to her mothers arms

চার মাস পর মায়ের কোলে ফিরল মেয়ে

চার মাস পর মায়ের কোলে ফিরল মেয়ে রোববার আদালতের নির্দেশে পুলিশ মেয়েটিকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করে। ছবি: নিউজবাংলা
শিপা বেগম বলেন, ‘মেয়েকে ফিরে পেতে গত ২৯ অক্টোবর সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা করি। মামলার চার মাস পর আজ আমি আমার বুকের ধনকে ফিরে পেয়েছি।’

চার মাসের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে মেয়েকে নিজের জিম্মায় ফিরে পেয়েছেন সুনামগঞ্জের এক নারী।

রোববার দুপুরে সুনামগঞ্জ আদালতের নির্দেশে পুলিশ ওই শিশুকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করে।

মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, ৬ বছর আগে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে ঈসা খানের সঙ্গে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের মৃত হাবিজ মিয়ার মেয়ে শিপা বেগমের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ৫ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২৯ অক্টোবর শিপা বেগমকে তার স্বামী মারধর করলে তিনি ৩১ অক্টোবর স্বামীর নামে আদালতে মামলা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিপা বেগমের শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেয়েটিকে আটকে রাখে।

এ বিষয়ে শিপা বেগম বলেন, ‘মেয়েকে ফিরে পেতে গত ২৯ অক্টোবর সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা করি। মামলার চার মাস পর আজ আমি আমার বুকের ধনকে ফিরে পেয়েছি।’

জগন্নাথপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর শিশুটিকে তার বাবার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Four restaurants in Tangail fined for not having fire extinguishing system

অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা না থাকায় টাঙ্গাইলে চার রেস্তোরাঁকে জরিমানা

অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা না থাকায় টাঙ্গাইলে চার রেস্তোরাঁকে জরিমানা ছবি: নিউজবাংলা
টাঙ্গাইল শহরের সুগন্ধা রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা, সুরুচি রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা, ছেফাত রেস্তোরাঁকে ১০ হাজার টাকা ও ঝাউবন রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা না থাকায় টাঙ্গাইল শহরের চার রেস্তোরাঁকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার বিকেলে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে সদর উপজেলা প্রশাসন।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান বিন মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে অভিযানে আরও ছিলেন টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ইনস্পেক্টর রবিউল ইসলামসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বরত ইউএনও হাসান বিন মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও বহুতল ভবনে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় শহরের সুগন্ধা রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা, সুরুচি রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা, ছেফাত রেস্তোরাঁকে ১০ হাজার টাকা ও ঝাউবন রেস্টুরেন্টকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এদের কারো অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা না থাকায় জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ইনস্পেক্টর রবিউল ইসলাম বলেন, ‘যাদের ভবন ও রেস্তোরাঁয় অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা নেই, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
বার্ন ইনস্টিটিউট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১ জন, ভর্তি তিন
রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bail of Dr Yunus in money laundering case

মানি লন্ডারিং মামলায় ড. ইউনূসের জামিন

মানি লন্ডারিং মামলায় ড. ইউনূসের জামিন ফাইল ছবি
ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে তিনি জামিনের আবেদন বরলে শুনানি শেষে বিচারক তা মঞ্জুর করেন।

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের মামলায় জামিন পেয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে তিনি জামিনের আবেদন বরলে শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন।

আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। আর এ আবেদনের বিরোধিতা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর। পরে শুনানিতে বিচারক ইউনুসসহ আট আসামির জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

এই মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। দুদক ১৩ জনকে আসামি করলেও অভিযোগপত্রে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের দপ্তর সম্পাদক কামরুল হাসানের নাম যুক্ত করা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম, সাবেক এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, শাহজাহান, নূরজাহান বেগম ও এস এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী, আইনজীবী ইউসুফ আলী ও জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান এবং গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিনিধি মাইনুল ইসলাম।

আসামিদের মধ্যে পারভীন মাহমুদ জামিনে রয়েছেন। বাকি ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও অবৈধভাবে রূপান্তর করায় মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত বছরের ৩০ মে দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে এ মামলা করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Writ seeking closure of restaurants in residential areas of the capital

রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট

রাজধানীর আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়ে রিট সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ। ফাইল ছবি
রাজধানীর বেইলি রোডে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনে আগুনে ৪৬ জনের প্রাণহানির পরিপ্রেক্ষিতে আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেছেন। এমন বাস্তবতায় এসব এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।

রাজধানীর বেইলি রোডসহ আবাসিক এলাকাগুলোতে রেস্তোরাঁর পাশাপাশি বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদন করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ রোববার রিটটি করেন।

রাজধানীর বেইলি রোডে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের ভবনে আগুনে ৪৬ জনের প্রাণহানির পরিপ্রেক্ষিতে আবাসিক এলাকায় রেস্তোরাঁ স্থাপনের যৌক্তিকতা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেছেন। এমন বাস্তবতায় এসব এলাকায় রেস্তোরাঁ বন্ধ চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি চ্যানেল টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ঢাকার আবাসিক এলাকায় বেইলি রোডসহ কোনো রকমের রেস্টুরেন্টসহ বাণিজ্যিক কোনো কর্মকাণ্ড যাতে না করে, তাহা বন্ধ করার জন্য নির্দেশনা চেয়ে আমি রিট করেছি এবং এই রিটটি আজকে শুনানি করব।’

আরও পড়ুন:
ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে
গাউসুল আজম মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After collecting DNA samples the post mortems of the three bodies were completed
বেইলি রোড ট্র্যাজেডি

ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে তিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
রমনা থানার এসআই হাবিবুর রহমান শনিবার বিকেলে মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক জাকিয়া তাসনিম ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। যাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে তারা হলেন- বৃষ্টি খাতুন বা অভিশ্রুতি শাস্ত্রী, মিনহাজ উদ্দিন ও অজ্ঞাত যুবক।

রাজধানী বেইলি রোডে বহুতল ভবন গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণ হারানো নারী সাংবাদিকসহ তিনজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ শেষে ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান শনিবার বিকেল ৫টার দিকে মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। পরে ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক জাকিয়া তাসনিম (লেকচারার) ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন।

যাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে তাদের একজন হলেন বৃষ্টি খাতুন বা অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। ২৬ বছর বয়সী এই তরুণীর পিতা সাহাবুল আলম ওরফে সবুজ শেখ, বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকশা উপজেলার বনগ্রাম গ্রামে। তার মাতা বিউটি বেগম।

তিন বোনের মধ্যে বৃষ্টি ছিলেন সবার বড়। তিনি কুষ্টিয়া মহিলা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর ঢাকায় এসে ইডেনে মহিলা কলেজে দর্শন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। পাশাপাশি ‘দ্য রিপোর্ট’ নামে একটি নিউজ পোর্টালে সাংবাদিক পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

এসআই হাবিবুর রহমান বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে নারী সাংবাদিক বৃষ্টি খাতুনের বাবা সাহাবুল আলম মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন। তিনি বলেন- এটা আমার মেয়ের মরদেহ। এর পাশাপাশি সনাতন ধর্মের কয়েকজন দাবি করেন যে নিহত ওই সাংবাদিকের নাম বৃষ্টি খাতুন নয়, তার নাম অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বী।

‘নাম-পরিচয় নিয়ে বিতর্কের এক পর্যায়ে রমনা কালী মন্দিরের সভাপতি শুক্রবার রাতে রমনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই মেয়েটি সনাতন ধর্মের। তার নাম অভিশ্রুতি শাস্ত্রী। সে প্রায় সময় রমনা কালীমন্দিরে পূজো দিত। তার বাড়ি ভারতে।’

এসআই হাবিবুর আরও বলেন, ‘বৃষ্টির কপাল ঝলসানো ছিল। গলায় তুলসির মালা ও বাম হাতে লাল সুতা বাঁধা ছিল। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মরচুয়ারিতে রাখা হয়েছে। মরদেহ নিয়ে সিদ্ধান্তের বিষয়ে এখন আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে।’

হাবিবুর রহমান জানান, এছাড়া আগুনের ওই ঘটনায় প্রাণ হারানো কে এম মিনহাজ উদ্দিনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার পিতা মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ খান মরদেহ গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর সদরের গাছতলা গ্রামে দাফন করার জন্য নিয়ে যান। ২৬ বছর বয়সী মিনহাজ রাজধানীর বাসাবো খেলার মাঠ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। তিনি কম্পিউটার সফটওয়্যারের কাজ করতেন।

ময়নাতদন্ত শেষে অজ্ঞতনামা অপর যুবকের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে। ২৫ বছর বয়সী এই তরুণের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে পরিচয় খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে
গাউসুল আজম মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে
নীলক্ষেতে গাউসুল আজম মার্কেটে আগুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Letter to mark and seal dangerous buildings

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে সিলগালা করতে চিঠি

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করে সিলগালা করতে চিঠি রাজউক ভবন। ফাইল ছবি
রাজধানীতে এরকম ঝুঁকিপূর্ণ ভবন কতগুলো রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করে সিলগালা করে ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

বেইলি রোডের আগুনের ঘটনায় কারা দায়ী তা জানতে চেয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।

শনিবার আইনজীবী এম আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া এ চিঠি দেন।

চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কেজি কটেজ ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর এবং বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে তিনি জানতে পারেন, ভবনটি যে ধরনের বাণ্যিজিকভাবে জন্য ব্যবহার হয়েছে তার অনুমোদন ছিল না এবং ভবনের সিঁড়ি নিয়ম অনুযায়ী তৈরি হয়নি। ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স ডিপার্টমেন্টের কাছে বারবার ভবনের এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য নোটিশ দেওয়ার পরও কেন কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

চিঠিতে তিনি বলেন, এ বিষয়গুলোর ব্যাপারে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল সেটির সঠিক তথ্য তুলে ধরতে হবে। ঘটনায় যাদের দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেছে তাদের চিহ্নিত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এছাড়া, রাজধানীতে এরকম ঝুঁকিপূর্ণ ভবন কতগুলো রয়েছে সেগুলো চিহ্নিত করে সিলগালা করে ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

এই চিঠির একটি অনুলিপি গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সচিব, ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Remand 4 along with Kacchi Bhais manager and owner of Tea Chumuk
বেইলি রোড ট্রাজেডি

কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪

কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের মালিকসহ রিমান্ডে ৪ আগুনে পুড়েছে ভবনটি, প্রাণ গেছে বহু মানুষের। ফাইল ছবি
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ নামের বহুতল ভবনে আগুন লাগে। এ ঘটনায় ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামক ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় কাচ্চি ভাইয়ের ব্যবস্থাপক ও চা চুমুকের দুই মালিকসহ চারজনের প্রত্যেকের দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

শনিবার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনছার মিলটন তাদের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড প্রাপ্তরা হলেন- কাচ্চি ভাইয়ের ব্যবস্থাপক জিসান, চা চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শাকিল আহমেদ রিমন এবং গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ম্যানেজার হামিমুল হক বিপুল।

শুক্রবার ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ মহিদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ভবনটিতে থাকা চুমুক নামের একটি খাবার দোকানের দুই মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান এবং কাচ্চি ভাই নামের পর একটি খাবারের দোকানের ব্যবস্থাপক জয়নুদ্দিন জিসানকে আটক করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ নামের বহুতল ভবনে আগুন লাগে। এ ঘটনায় ৪৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১০ জন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও একজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ভয়াবহ ওই আগুনের ঘটনায় প্রাণ হারানো ৪৬ জনের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী ও ৮টি শিশু রয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৩ জনের নাম-পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় মামলা
ডিএনএ টেস্টের জন্য অভিশ্রুতি বা বৃষ্টির মরদেহ বার্ন থেকে ঢামেকে
কক্সবাজারের পথে কাস্টমস কর্মকর্তা, স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ
বেইলি রোডের আগুনে দগ্ধ পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
বার্ন ইউস্টিটিউটে ১১ ও ঢামেক হাসপাতালে ৩ জন চিকিৎসাধীন

মন্তব্য

p
উপরে