× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The smell of fishing on the beach
hear-news
player
google_news print-icon

সৈকতজুড়ে মাছ কুড়ানোর ধুম

সৈকতজুড়ে-মাছ-কুড়ানোর-ধুম
ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শামীম হোসেন বলেন, ‘সৈকতে মাছ পড়ে আছে, আমিও নিয়েছি এক বস্তা। অনেকে মাছ কুড়িয়ে নিয়েছে। পোয়া, ইলিশ, ছুরিসহ বিভিন্ন রকমের মাছ রয়েছে এখানে।’

কক্সবাজার শহরে সৈকতের তিনটি পয়েন্টে জেলেদের ফেলা জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ভেসে এসেছে মাছ। অতিরিক্ত মাছ ধরা পড়ায় বাড়তিগুলো সৈকতেই ফেলে গেছেন তারা। স্থানীয় লোকজন সেগুলো কুড়িয়ে নিয়ে গেছেন।

সৈকতের লাবণী, শৈবাল ও ডায়েবেটিক পয়েন্টে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ চিত্র দেখা গেছে।

লাবণী পয়েন্টে দুপুরে গিয়ে দেখা গেছে, স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকরাও মাছ কুড়াতে নেমেছেন। সেখানে নানা জাতের মাছের মধ্যে দেখা গেছে পোয়া ও ইলিশ মাছও।

এফবি আরিফ ট্রলারের মাঝি আবুল কাসেম বলেন, ‘১০টার দিকে লাবণ ও শৈবাল পয়েন্টের মাঝামাঝি জায়গায় জাল ফেলেছি। টানার সময় আমরা বুঝতে পারতেছিলাম, আমাদের ট্রলার ছোট।

‘আমরা নেয়ার পরও অনেক মাছ জালে থেকে যায়। সেগুলো সৈকতে ফেলে চলে যাচ্ছি। আমাদের মতো আরও অনেকে ফেলে যাচ্ছে। আজকে সবচেয়ে বেশি মাছ পড়েছে।’

ট্যুরিস্ট পুলিশ কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শামীম হোসেন বলেন, ‘সৈকতে মাছ পড়ে আছে, আমিও নিয়েছি এক বস্তা। অনেকে মাছ কুড়িয়ে নিয়েছে। পোয়া, ইলিশ, ছুরিসহ বিভিন্ন রকমের মাছ রয়েছে এখানে।

‘যেটা জেনেছি যে অতিরিক্ত মাছ পড়ায় জাল তুলতেও পারেনি জেলেরা। তাই ছেড়ে দিয়েছে।’

সৈকতজুড়ে মাছ কুড়ানোর ধুম

তিনি আরও বলেন, ‘অনেক পর্যটকও মাছ কুড়িয়েছে। তারা অবশ্য সৈকতেই বিক্রি করে ফেলছেন। আবার অনেকে বস্তায় করে নিয়ে যাচ্ছে।’

সৈকতের লাইফগার্ড ইনচার্জ ওসমান গণি বলেন, ‘সকালে সৈকতে মাছ ভেসে আসতে দেখা যায়। তারপর পর্যটক ও স্থানীয়রা এসব মাছ কুড়িয়ে নিয়ে যায়।’

বিচকর্মী মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘ফেলে দেয়া মাছ ঘিরে সৈকতে একধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বন্ধুকে বাঁচাতে সমুদ্রে ঝাঁপ, প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রের
‘দুর্বৃত্তের বিষে’ মারা পড়ল ঘেরের মাছ
মৌমাছির হুলে কৃষকের মৃত্যু, দাদি-নাতি হাসপাতালে
চায়না দুয়ারি জালের বিস্তারে হুমকিতে মাছের ভান্ডার
বড়শি দিয়ে ৯২ কেজির বাগাড় শিকার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Superfood Chia Seed Nutrition Facts and Eating Rules

সুপারফুড চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ ও খাওয়ার নিয়ম

সুপারফুড চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ ও খাওয়ার নিয়ম
চিয়া সিড পুষ্টিকর খাবার। এতে আছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি, পালংশাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন, কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম, মুরগির ডিম থেকে ৩ গুণ বেশি প্রোটিন, স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩।

মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকোর মরুভূমি অঞ্চলে চিয়া নামে এক ধরনের গাছ জন্মায়। পুদিনা পরিবারের ছোট এই গাছটির বীজ হচ্ছে চিয়া সিড। সাদা, কালো ও বাদামি রঙের চিয়া সিডগুলো আকারে খুবই ছোট, অনেকটা তিলের মতো। পানিতে ভেজালে চিয়া সিড ফুলে উঠে ১২ গুণ পর্যন্ত বড় হতে পারে।

সুপারফুড চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ ও খাওয়ার নিয়ম
চিয়া গাছে ফুল ধরেছে।

প্রাচীনকাল থেকে চিয়া সিড মানুষের রসনা তৃপ্ত করে আসছে। অ্যাজটেক এবং মায়ান সভ্যতার সময়ে চিয়া সিড খাবার প্রচলন ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি চিয়া সিড রূপচর্চা করতে ব্যবহার করা হতো। এর অনেক ঔষধিগুণ আছে বলে বিশ্বাস করত অ্যাজটেক ও মায়ান আদিবাসীরা। সে কারণে সাধারণ অসুখে চিয়া সিড খাবার প্রচলন ছিল তাদের মধ্যে।

-

চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ

পুষ্টিবিদরা চিয়া সিডকে সুপারফুড নামে ডাকতে ভালোবাসেন। কারণ এতে আছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও ক্যাফিক অ্যাসিড নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ।

সুপারফুড চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ ও খাওয়ার নিয়ম
চিয়া সিড দেখতে অনেকটা তিলের বীজের মতো।

চিয়া সিড পুষ্টিকর খাবার। এতে আছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি, পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন, কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম, মুরগির ডিম থেকে ৩ গুণ বেশি প্রোটিন, স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩।

পুষ্টিকর এই খাবারটি সপ্তাহের সাত দিনই খাওয়া যায়। তবে ৩-৪ দিন খেলেও শরীরে উপকারে আসে।

-

চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা

পুষ্টিবিদরা জানান, চিয়া সিডে থাকা ওমেগা-৩ হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করতে কাজ করে। দিনে দুই চা চামচ চিয়া সিড শরীরের শক্তি দেয় এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় চিয়া সিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে। মেটাবলিক সিস্টেমকে উন্নত করার মাধ্যমে এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে। এটি রক্তে চিনির প্রবাহ স্বাভাবিক রাখে বলে ডায়বেটিসের ঝুঁকি কমে।

হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় চিয়া সিড দারুণ কাজ করে। কারণ এতে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। চিয়া সিড কোলন পরিষ্কার রাখতে কাজ করে বলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

চিয়া সিড শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে আনে। দূর করে অ্যাসিডিটির সমস্যা।

চিয়া সিড ভালো ঘুম হতেও সাহায্য করে বলে বিশ্বাস করেন চিকিৎসকরা। শুধু কি তাই! হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা কমায়। সুন্দর রাখে ত্বক, চুল ও নখ।

-

চিয়া সিড খাওয়ার নিয়ম

চিয়া সিড স্বাদ ও গন্ধবিহীন একটি খাবার। এটা খাওয়ার জন্য রান্না করারও দরকার হয় না। পানিতে ভিজিয়ে সহজেই খাওয়া যায় চিয়া সিড। চাইলে ওটস, পুডিং, জুস, স্মুথি ইত্যাদির সঙ্গে মিশিয়ে খেয়ে নেয়া যায়। এ ছাড়া কেউ চাইলে টকদই, সিরিয়াল, রান্না করা সবজি বা সালাদের ওপরে ছড়িয়েও খেতে পারেন।

চিয়া সিড কুসুম গরম পানিতে ২০ থেকে ৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে অথবা রাতে ঘুমানোর আগে চিয়া সিডসহ পানীয়টি পান করুন।

সুপারফুড চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ ও খাওয়ার নিয়ম
ফ্রুট সালাদের সঙ্গে খাওয়া যায় চিয়া সিড।

চাইলে স্মুথি বানিয়ে খাওয়া যায়। টক দই, চিয়া সিড ও শসা দিয়ে স্মুথি বানিয়ে বিকেলে নাশতা হিসেবে খাওয়া যেতে পারে সুপারফুডটি।

২ কাপ নারকেলের পানির সঙ্গে পছন্দের ফলের রসের সঙ্গে ২ থেকে ৩ টেবিল চামচ চিয়া বীজ দিয়ে মিশ্রণ বানিয়ে নিন। প্রয়োজনে পানিও যোগ করতে পারেন। ২০ থেকে ৩০ মিনিট রেখে খেয়ে নিন।

আরও পড়ুন:
বৃষ্টির দিনে সময় কাটানোর ১০টি দারুণ আইডিয়া
শিশুর মোবাইল ফোনে আসক্তি কমানোর উপায়
সন্তান ধারণের আগে যেসব প্রস্তুতি নিতে হবে
এক রাতে মুখের ব্রণ দূর করার সেরা উপায়, যা না জানলেই নয়
ডেঙ্গু জ্বর সৃষ্টিকারী এডিস মশা সম্পর্কে এই তথ্যগুলো জেনে রাখুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sindalah is the future of luxury travel

বিলাসী ভ্রমণের আগামী ঠিকানা সৌদির ‘সিন্দালাহ’

বিলাসী ভ্রমণের আগামী ঠিকানা সৌদির ‘সিন্দালাহ’ সিন্দালাহ দ্বীপটি লোহিত সাগরের প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করবে। ছবি: সংগৃহীত
সৌদি প্রেস এজেন্সি অনুসারে, দ্বীপটি লোহিত সাগরের একটি প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করবে। ২০২৪ সালের প্রথম দিকে পর্যটকদের এখানে স্বাগত জানানো শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘স্বপ্নের’ নিওম সিটির বিলাসবহুল দ্বীপ সিন্দালাহ’র সুপারইয়ট এবং টপ-অ্যান্ড অ্যাপার্টমেন্ট পর্যটকদের আতিথেয়তায় প্রস্তুত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সৌদি আরবের পরবর্তী বাদশাহ মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি বলেছেন, প্রকল্পটি সৌদির পর্যটনশিল্পকে অনেক দূর এগিয়ে নেবে। ২০২৪ সালের প্রথম দিকে পর্যটকদের এখানে স্বাগত জানানো শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে

আনুমানিক ৮ লাখ ৪০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত সিন্দালাহ দ্বীপ। গিগা-প্রকল্পের অধীনে দ্বীপটি চালু হলে, পর্যটন খাতে সাড়ে ৩ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি অনুসারে, দ্বীপটি লোহিত সাগরের একটি প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করবে। ২০২৪ সালের প্রথম দিকে পর্যটকদের এখানে স্বাগত জানানো শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ক্রাউন প্রিন্স সালমান বলেছেন, ‘এটি নিওমের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। ভিশন ২০৩০’র অধীনে পর্যটন উচ্চাকাঙ্ক্ষার দিক বিবেচনায় বড় একটি পদক্ষেপ এটা।

‘সিন্দালাহ লোহিত সাগরে নিওমের প্রথম বিলাসবহুল দ্বীপ এবং ইয়ট ক্লাবের গন্তব্য হবে; যা লোহিত সাগরের একটি সুন্দর প্রবেশদ্বার প্রদান করবে। এটি অঞ্চলের রোমাঞ্চকর এবং আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠবে।

‘এটি এমন একটি গন্তব্য হবে যেখানে ভ্রমণকারীরা পানির নিচ কিংবা ওপর দুই দিক থেকেই নিওম এবং সৌদি আরবের প্রকৃত সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবে। সিন্দালাহ হবে বিলাসবহুল ভ্রমণের ভবিষ্যৎ।’

সিন্দালাহ-এ একটি ৮৬ সামদ্রিক ঘাট (বার্থ মেরিনা) থাকবে। এ ছাড়া ৩৩৩টি টপ-অ্যান্ড সার্ভিসড অ্যাপার্টমেন্টের পাশাপাশি ৪১৩টি আল্ট্রা-প্রিমিয়াম হোটেল রুম থাকবে।

দ্বীপটির অন্যান্য আকর্ষণগুলোর মধ্যে আছে বিলাসবহুল বিচক্লাব, ইয়ট ক্লাব এবং ৩৮ ধরনের অনন্য খাবার; এগুলো লোহিত সাগরে একটি অতুলনীয় অভিজ্ঞতা প্রদান করবে ভ্রমণ পিয়াসীদের।

এ ছাড়া বিশ্বমানের ৬ হাজার ৪৭৪ গজের (৫ হাজার ৯২০ মিটার) পার ৭০ কোর্সের অভিজ্ঞতার সুযোগ দেয়ার মাধ্যমে সিন্দালাহ একটি জনপ্রিয় গলফ গন্তব্য হয়ে উঠবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

৫০০ বিলিয়ন ডলারের স্মার্ট সিটি নিওম। মোহাম্মদ বিন সালমান এটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানও। প্রকল্পটি সৌদি আরবের জাতীয় পর্যটনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে।

নভেম্বরে ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিল গ্লোবাল সামিটে বক্তৃতা দেয়ার সময় নিওম-এর প্রধান নির্বাহী নাদমি আল-নাসর বলেছিলেন, ‘স্মার্ট সিটিতে ঝুলন্ত স্টেডিয়ামগুলো ভবিষ্যতকে নতুন করে কল্পনা করতে সাহায্য করবে পর্যটকদের৷’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই মানুষ এসে দেখুক কীভাবে স্পোর্টস স্টেডিয়াম তৈরি হয়… কোথায় তৈরি হয়। নিওমের স্পোর্টস স্টেডিয়ামগুলো ৩০০ মিটার লম্বা এবং সেগুলো শূন্যে ঝুলে আছে।’

নিওমের শিল্পনগরী অক্সাগন নিয়েও ব্যাপক আশাবাদী সৌদি আরব। তারা বলছে, এটিরও বিশ্বমানের পর্যটন গন্তব্য হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। দর্শনার্থীরা এখানে এসে দেখতে পারবেন, ভবিষ্যৎ কেমন হবে।

‘অক্সাগনে সব ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান থাকবে। এটি নিওমের বন্দর হলেও৷ তবুও আমরা দেখতে চাই পর্যটকরা অক্সাগনে এক বা দুই দিন কাটাচ্ছেন। তারা অক্সাগনে শিল্পের ভবিষ্যৎ দেখতে পাবেন। নিওমের সবকিছুই আসলে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করা হয়েছে। আমরা চাই, সবাই এসে দেখুক ভবিষ্যতে সমুদ্রবন্দরগুলো কীভাবে কাজ করবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The International Tourism Expo starts on December 1

ট্যুরিজম এক্সপো শুরু ১ ডিসেম্বর

ট্যুরিজম এক্সপো শুরু ১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার নয়াপল্টনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এক্সপো সম্পর্কে বিস্তারিত জানান আটাব নেতৃবৃন্দ। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে এক্সপো। তিন দিনে পর্যটন ও বিনিয়োগ বিষয়ে ৩টি বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

রাজধানী ঢাকার বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে (বিআইসিসি) ১ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এন্ড ট্যুরিজম এক্সপো। অ্যাসোসিয়েশন অফ ট্রাভেল এজেন্টস অফ বাংলাদেশ (আটাব) এই আয়োজন করতে যাচ্ছে।

রাজধানীর নয়াপল্টনে আটাব কার্যালয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আটাব সভাপতি এস. এন. মঞ্জুর মোর্শেদ মাহবুব।

তিনি জানান, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এক্সপো। এক্সপোতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ট্রাভেল এজেন্ট ও ট্যুর অপারেটরদের মধ্যে ব্যবসায়িক সংযোগ ও সম্পর্ক তৈরি হবে। পাশাপাশি দেশের জনসাধারণ বিশ্বব্যাপী ভ্রমণের তথ্য, প্যাকেজ ও এয়ার টিকিট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবে।

মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন,‘বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিছু কার্যক্রম যেমন-প্রোডাক্ট ব্র্যান্ডিং, বিদেশি মুদ্রা অর্জনে দেশের পর্যটন সেবার মানোন্নয়ন ও বাজার সৃষ্টি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ফ্যাম ট্যুর, পর্যটন শিল্পের প্রচার-প্রসার, ঐতিহ্যবাহী খাদ্য প্রদর্শন, বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, হাইকমিশনগুলোর সঙ্গে সু-সম্পর্ক স্থাপন, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর ও এয়ারলাইন্সগুলোর মধ্যে দৃঢ় ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশে এই আন্তর্জাতিক মানের ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম প্রদর্শনী আয়োজ হচ্ছে।’

আটাবের মহাসচিব আবদুস সালাম আরেফ বলেন, ‘ইতোমধ্যে ভারত, মালয়েশিয়া, ভুটান, নেপাল, মালদ্বীপ, ওমান, শ্রীলংকা, তুরস্ক, আজারবাইজান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ১৫টির বেশি দেশের এয়ারলাইন্স, হসপিটাল, ট্যুরিজম বোর্ড, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, হোটেল, রিসোর্ট, ক্রুজ লাইনার, ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এবং অন্যান্য ট্রাভেল ও ট্যুরিজম খাত-সংশ্লিষ্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এক্সপোতে প্রদর্শক হিসেবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে এক্সপো। তিন দিনে পর্যটন ও বিনিয়োগ বিষয়ে ৩টি বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Air Astra flew

উড়াল দিলো এয়ার অ্যাস্ট্রা

উড়াল দিলো এয়ার অ্যাস্ট্রা আগামী বছরের মধ্যে এয়ারলাইনসটির বহরে মোট ১০টি উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। ছবি: নিউজবাংলা
প্রাথমিকভাবে দুটি এটিআর ৭২ মডেলের উড়োজাহাজ দিয়ে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করবে এয়ার অ্যাস্ট্রা। একই মডেলের আরও দুটি উড়োজাহাজ চলতি বছরের মধ্যেই দেশে আসবে।

দেশের ১১তম বেসরকারি এয়ারলাইনস হিসেবে উড়াল শুরু করল এয়ার অ্যাস্ট্রা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এয়ার অ্যাস্ট্রার প্রথম বাণিজ্যিক ফ্লাইট সকাল ৮টায় কক্সবাজারের পথে উড়াল দেয়।

এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিদিন ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ৩টি ও ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে ২টি করে ফ্লাইট পরিচালনা করবে এয়ার অ্যাস্ট্রা। পর্যায়ক্রমে দেশের সব অভ্যন্তরীণ রুটেই ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারের ওয়ানওয়ে সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮০০ টাকা। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের ওয়ানওয়ে সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬৯৫ টাকা।

প্রাথমিকভাবে দুটি এটিআর ৭২ মডেলের উড়োজাহাজ দিয়ে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। একই মডেলের আরও দুটি উড়োজাহাজ চলতি বছরের মধ্যেই দেশে আসবে। আগামী বছরের মধ্যে এয়ারলাইনসটির বহরে মোট ১০টি উড়োজাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

৩ নভেম্বর বেবিচকের এয়ার অপারেটর সার্টিফিকেট (এওসি) পায় এয়ার অ্যাস্ট্রা। এওসি হলো বেবিচকের চূড়ান্ত অনুমোদন, যার মাধ্যমে এয়ার অ্যাস্ট্রা বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করার অনুমতি পায়। এয়ারলাইনসটি ফ্লাইট শুরু করলে এটি হবে দেশের তৃতীয় সচল বেসরকারি এয়ারলাইনস।

উড়াল দিলো এয়ার অ্যাস্ট্রা

বেবিচকের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো এয়ারলাইনস ফ্লাইট শুরুর পর প্রথম এক বছর আবশ্যিকভাবে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক বছর পর আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি চাইতে পারে এয়ারলাইনসটি।

আরও পড়ুন:
বিমানের সারচার্জ মওকুফ ঠিক হবে না: বেবিচক
তানজানিয়ার উড়োজাহাজ হ্রদে পড়ে নিহত ১৯
বিমানের ৩,৪৪৯ কোটি টাকার সারচার্জ মওকুফ
বিমানের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় এমডির কক্ষ থেকে
ঢাকা-তাসখন্দ বিমান চলাচলে কোড শেয়ারিং চায় উজবেকিস্তান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Three nights hotel free if you fly from Jessore to Coxs Bazar

যশোর থেকে কক্সবাজার উড়ে গেলে তিন রাত হোটেল ফ্রি

যশোর থেকে কক্সবাজার উড়ে গেলে তিন রাত হোটেল ফ্রি ফাইল ছবি
কক্সবাজারে তিন রাতের হোটেল ফ্রি অফার নিতে হলে দুই জনের রিটার্ন টিকেট কিনতে হবে। তখন তিন রাত হোটেলে ফ্রি থাকার সুবিধা রয়েছে। যাত্রীরা কক্সবাজারের সিগাল হোটেল, লং বিচ হোটেল, নিসর্গ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, উইন্ডি ট্যারেস হোটেল, গ্রেস কক্স স্মার্ট হোটেল এবং হোটেল সি প্যালেসে এই অফারের আওতায় থাকতে পারবেন। তবে হোটেল ভেদে প্যাকেজের মূল্য উঠানামা করবে।

যশোর থেকে সরাসরি কক্সবাজার ফ্লাইট শুরু করছে বেসরকারি এয়ারলাইনস নভোএয়ার। আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে রুটটিতে ফ্লাইট শুরু হবে।

ফ্লাইটের টিকিট কিনলে কক্সবাজারে তিন রাতের হোটেল ফ্রি প্যাকেজও ঘোষণা হয়েছে।

সরাসরি ফ্লাইটটি যশোর থেকে প্রতি সপ্তাহে বুধবার সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে কক্সবাজারে দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে পৌঁছাবে। কক্সবাজার থেকে প্রতি সপ্তাহে শনিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে ছেড়ে যশোরে সকাল ১১টায় পৌঁছাবে। এই রুটে ওয়ানওয়ে সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯০০ টাকা।

কক্সবাজারে তিন রাতের হোটেল ফ্রি অফার নিতে হলে দুই জনের রিটার্ন টিকেট কিনতে হবে। তখন তিন রাত হোটেলে ফ্রি থাকার সুবিধা রয়েছে।

যাত্রীরা কক্সবাজারের সিগাল হোটেল, লং বিচ হোটেল, নিসর্গ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, উইন্ডি ট্যারেস হোটেল, গ্রেস কক্স স্মার্ট হোটেল এবং হোটেল সি প্যালেসে এই অফারের আওতায় থাকতে পারবেন। তবে হোটেল ভেদে প্যাকেজের মূল্য উঠানামা করবে।

নভোএয়ার বর্তমানে ঢাকা থেকে প্রতিদিন চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সৈয়দপুর, রাজশাহী, সিলেট, যশোর এবং আন্তর্জাতিক গন্তব্যে কলকাতা ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

বেসরকারি বিমান সংস্থাটির একজন কর্মকর্তা জানান, ঢাকা থেকে কক্সবাজার রুটেও টিকিন কিনলে বিনা মূল্যে হোটেল সুবিধা পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
রাজশাহী-কক্সবাজার রুটে চালু নভোএয়ার
অন টাইম পারফরম্যান্সে সেরা নভোএয়ার
নভোএয়ারের টিকিটে কক্সবাজারের থাকা ফ্রি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Japanese ice cream brand Moishi is now in Dhaka

জাপানি আইসক্রিম ব্র্যান্ড 'মইশি' এখন ঢাকায়

জাপানি আইসক্রিম ব্র্যান্ড 'মইশি' এখন ঢাকায়
জাপানিজ আইসক্রিমটির বিশেষত্ব হলো এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি। এর মধ্যে কোনো রকম কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না।

ঢাকায় যাত্রা শুরু করল জাপানের জনপ্রিয় আইসক্রিম ব্র্যান্ড মইশি। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বহুল জনপ্রিয় এই প্রিমিয়াম জাপানি আইসক্রিমের স্বাদ এখন ঢাকার আইসক্রিমপ্রেমীরাও পাবেন।

এরই মধ্যে শেফ'স টেবিলের গুলশান-২ ও ধানমন্ডি শাখা এবং গুলশান-১-এর বসফরাস রেস্তোরাঁয় এর শাখা চালু হয়েছে।

মইশি বাংলাদেশের ব্যাবসায়িকপ্রধান মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম সাদী বলেন, ‘বাংলাদেশে ভোজনরসিকরা এখন নিত্যনতুন খাবারের স্বাদ নিতে পছন্দ করেন। একই সঙ্গে তারা এখন স্বাস্থ্যকর বা কেমিক্যালমুক্ত খাবার খোঁজেন। এসব বিষয় মাথায় রেখেই বাংলাদেশে মইশির যাত্রা হলো।

জাপানিজ আইসক্রিমটির বিশেষত্ব হলো এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি। এর মধ্যে কোনো রকম কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। বাংলাদেশে যে তিনটি শাখা আমরা চালু করেছি, এতে যে আইসক্রিম ডেজার্ট এবং পার্ল টি পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাতে তৈরি করে তা ফ্রিজিং অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। এর কারণ হলো মইশির মূল স্বাদ এবং ঐতিহ্য বাংলাদেশের ভোজনরসিকদের কাছে পৌঁছে দেয়া।

জাপানি আইসক্রিম ব্র্যান্ড 'মইশি' এখন ঢাকায়

আরব আমিরাতে যেখানে এগুলো প্রস্তুত করা হয় সেখানে এগুলো তৈরির মূল উপাদানগুলো নিয়ে আসা হয় জাপান থেকে। সব কিছু মিলিয়ে বলা যেতে পারে জাপানি প্রিমিয়াম আইসক্রিমের এই ব্র্যান্ডটি বাংলাদেশের আইসক্রিমপ্রিয়দের জন্য একটি দারুণ আকর্ষণ হবে।'

তিনি আরও জানান, মিল্ক চকলেট, ভ্যানিলা, পেস্তা, পিচ, স্ট্রবেরি, স্যাফরন, সি সল্টেড ক্যারামেল চকলেট, হোয়াইট চকলেট স্ট্রবেরি, ইউজু, ওয়াটারমেলন, লিচি, নিউটেলা, আলমন্ড চকলেট ট্রাফলসহ ৩০টি ফ্লেভারের মইশি আইসক্রিম পাওয়া যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
আইসক্রিম খেলা এখন ঢাকায়
নেচে-গেয়ে মাত করা কে এই আইসক্রিমওয়ালা?

মন্তব্য

বাংলাদেশ
NovoAir launched on Rajshahi Coxs Bazar route

রাজশাহী-কক্সবাজার রুটে চালু নভোএয়ার

রাজশাহী-কক্সবাজার রুটে চালু নভোএয়ার
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ অফারও ঘোষণা করেছে নভোএয়ার। কর্তৃপক্ষ জানায়, অফার পেতে দুই জনের রাজশাহী থেকে কক্সবাজারের রিটার্ন টিকেট কিনতে হবে। এতে মিলবে কক্সবাজারে নির্ধারিত হোটেলে ৩ রাত বিনামূল্যে থাকার সুবিধা রয়েছে।

রাজশাহী-কক্সবাজার রুটে ফ্লাইট চালু করেছে বেসরকারি এয়ারলাইনস নভোএয়ার। রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ৭০ আসনে যাত্রী নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় ছেড়ে গেছে প্রথম ফ্লাইটটি।

ফ্লাইট উদ্বোধনে শাহমখদুম বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে আসেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, নভোএয়ার এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমানসহ অনেকে।

নভোএয়ার কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী থেকে ছেড়ে কক্সবাজারে ফ্লাইট পৌঁছাবে দুপুর ১২টায়। আর কক্সবাজার থেকে প্রতি সপ্তাহে রোববার বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে ছেড়ে রাজশাহীতে বিকেল ৫টা ৫মিনিটে পৌঁছাবে। এই রুটে ওয়ানওয়ে সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ হাজার ৯০০ নির্ধারণ করা হয়েছে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ অফারও ঘোষণা করেছে নভোএয়ার। কর্তৃপক্ষ জানায়, অফার পেতে দুই জনের রাজশাহী থেকে কক্সবাজারের রিটার্ন টিকেট কিনতে হবে। এতে মিলবে কক্সবাজারে নির্ধারিত হোটেলে ৩ রাত বিনামূল্যে থাকার সুবিধা রয়েছে।

ভ্রমণপিপাসুদের এ সুবিধা দিতে নভোএয়ার কক্সবাজারের ৭টি হোটেলের সঙ্গে চুক্তি করেছে। সেগুলো হলো হোটেল দ্যা কক্স টুডে, সিগাল হোটেল, লং বিচ হোটেল, নিসর্গ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, উইন্ডি টেরেস হোটেল, গ্রেস কক্স স্মার্ট হোটেল এবং হোটেল সি প্যালেস।

আরও পড়ুন:
পর্যটনের বিকাশে থাইল্যান্ডের সহায়তা চাইলেন মোমেন
পর্যটনে আতিথেয়তা বাড়ানোয় জোর দেয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
হোটেল-রিসোর্টের নিবন্ধন দেয়ার ক্ষমতা পাচ্ছে বিটিবি
মামলায় আটকা ১৩ কোটি টাকার মোটেল
সম্ভাবনা থাকলেও পর্যটনে পিছিয়ে বাগেরহাট

মন্তব্য

p
উপরে