× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
What is Sheikh Hasina running away from? BNPK Agriculture Minister
google_news print-icon

শেখ হাসিনা কি পালান: বিএনপিকে কৃষিমন্ত্রী

শেখ-হাসিনা-কি-পালান-বিএনপিকে-কৃষিমন্ত্রী
কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। ছবি: সংগৃহীত
তারা (বিএনপি) বলছে, 'সরকারের পতন ঘটাবে, শেখ হাসিনা পালানোর জায়গা পাবে না, পালানোর রাস্তা পাবে না। শেখ হাসিনা কি পালান? উল্টো দেশে আসেন। যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে আসতে দেবে না, কীভাবে চাপ দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে ইয়ে করে আমাদের নেত্রী দেশে ফিরে আসছেন। বঙ্গবন্ধুও কোনো দিন এ দেশ থেকে পালিয়ে যাননি।’

সরকার বা আওয়ামী লীগের কারও পালানোর কিছু নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক।

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশের ভয়ে সরকার ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ব্যাগ গোছাচ্ছেন বলে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুর বক্তব্যের পর দিন এই প্রতিক্রিয়া এলো আওয়ামী লীগ নেতার কাছ থেকে।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

বেশ কিছুদিন ধরেই রাজনীতি নিয়ে বক্তব্য দিয়ে আসা এই মন্ত্রী বলেন, ‘তারা (বিএনপি) বলছে, 'সরকারের পতন ঘটাবে, শেখ হাসিনা পালানোর জায়গা পাবে না, পালানোর রাস্তা পাবে না। শেখ হাসিনা কি পালান? উল্টো দেশে আসেন। যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে আসতে দেবে না, কীভাবে চাপ দিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে ইয়ে করে আমাদের নেত্রী দেশে ফিরে আসছেন। বঙ্গবন্ধুও কোনো দিন এ দেশ থেকে পালিয়ে যাননি।’

আগের দিন রাজধানীতে এক আলোচনায় বিএনপি নেতা দুদু বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর নিয়ে আপনারা, আওয়ামী লীগের নেতারা ভয়ে আছেন। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আমি শুনেছি কেউ কেউ নাকি ব্যাগ গোছাচ্ছেন। ১০ তারিখ নিয়ে পুলিশ প্রশাসন এমপি-মন্ত্রী অস্থির হয়ে আছেন। এত ভয় কীসের?’

আওয়ামী লীগের রাজ্জাক বলেন, ‘প্রতিদিন (বিএনপি) বলছে, শেখ হাসিনা পালাবার রাস্তা পাবে না। কেউ পালাবে না। জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে এবং ইনশাআল্লাহ জনগণকে নিয়ে রাজনৈতিকভাবেই যত হুমকি আসুক, আমরা সেটা মোকাবিলা করব।’

রাজধানীতে বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ নিয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা সরকার। আমাদের দায়িত্ব হলো দেশবাসীকে, সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে শাস্তি নিশ্চিত করা, তাদের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী অনেক সুশৃঙ্খল, অনেক দক্ষ। তারা সক্ষমতা অর্জন করেছে, দিয়েছি আমরা।

‘সংখ্যায়ও তারা অনেক বেশি। তারা এটা করবে। তার সঙ্গে আমরা যারা রাজনৈতিক কর্মী বা আমাদের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, আমাদের দায়িত্ব সরকারকে সমর্থন করা। সেটিই আমরা বলি।’

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের সময় বাস ধর্মঘট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাব দিতে রাজি হননি কৃষিমন্ত্রী। বলেন, ‘বাসের যারা মালিক, তারা হরতাল দেয়। এগুলো তো প্রাইভেট, ১০০ ভাগ প্রাইভেট। কাজেই তারা হরতাল করলে বা ধর্মঘট করলে তাদের কাছ থেকেই জবাব নিতে হবে৷ এ ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’

আরও পড়ুন:
১০ ডিসেম্বরের উত্তেজনায় ফখরুলের জল
বিএনপির সমাবেশ: সিলেটঘেরা তিন জেলাতেও চলবে না বাস
বিএনপির সমাবেশস্থলে সিলেট সিটির গাড়ি, মেয়রের দাবি ভাড়ার
সিলেটে ইজতেমা: সমাবেশের আগে ধর্মঘট দেখছে না বিএনপি
বিএনপির সমাবেশ, মৌলভীবাজারেও ২ দিনের পরিবহন ধর্মঘট

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Nomination of 2 Awami League candidates canceled in Noakhali and Coxs Bazar

নোয়াখালী ও কক্সবাজারে ২ আওয়ামী লীগ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

নোয়াখালী ও কক্সবাজারে ২ আওয়ামী লীগ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল মামুনুর রশিদ কিরন (বাঁয়ে) ও সালাহউদ্দিন আহমেদ। ফাইল ছবি
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী ঋণ খেলাপি হওয়ায় তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

নোয়াখালী

নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান এ তথ্য জানান।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী ঋণ খেলাপি হওয়ায় মামুনুর রশিদ কিরনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

নোয়াখালী-৩ আসনে মোট ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এরমধ্যে নৌকার প্রার্থী মামুনুর রশিদ কিরনসহ চারজনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। অন্যরা হলেন জাসদের জয়নাল আবদীন, স্বতন্ত্র আবুল কাশেম ও মনিরুল ইসলাম।

এ আসনে বৈধ প্রার্থী জাকের পার্টির মো. বাহার উদ্দিন, স্বতন্ত্র মিনহাজ আহমেদ, স্বতন্ত্র ডা. এবিএম জাফর উল্যাহ, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. সুমন আল হোসাইন ভূঁইয়া।

এ ছাড়া বিভিন্ন কারণে তিনজনের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে। তারা হলেন স্বতন্ত্র আক্তার হোসেন ফয়সাল, জাতীয় পার্টির ফজলে এলাহী সোহাগ ও সাম্যবাদী দলের মহিউদ্দিন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, ৩০ নভেম্বর মনোনয়ন জমা দেয়ার শেষ দিনও বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) রিপোর্ট অনুযায়ী মামুনুর রশিদ কিরন একজন ঋণ খেলাপি ছিলেন। তাই তার মনোনয়নপত্র আইন অনুযায়ী অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মামুনুর রশিদ কিরন বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ হালনাগাদ করা আছে। সব কাগজপত্র দেয়ার পরও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়ন বাতিল করেছেন। আমি নির্বাচন কমিশন বরাবর আপিল করব।

কক্সবাজার

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদসহ পাঁচজনের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

রোববার দুপুর ১২টার দিকে যাচাই-বাচাইয়ের প্রথম পর্ব শেষে কক্সবাজারের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, জনতা ব্যাংকের লালদীঘি শাখা থেকে ফিস প্রিজারভারস নামের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে সালাহউদ্দিন আহমদসহ অন্য পরিচালকরা প্রায় অর্ধ শত কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। যা পরবর্তীতে খেলাপি হয়।

এরপর প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ পরিবর্তন হলেও ব্যাংকের শর্ত অনুযায়ী সালাহউদ্দিন আহমদ এখনো সেই ঋণের একজন জামিনদার।মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ৩০ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্ট অনুযায়ী সালাহ উদ্দিন আহমদ একজন ঋণখেলাপি ছিলেন।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, যে অজুহাতে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে সেটি আদালতের মাধ্যমে স্টে করা ছিল। কেন মনোনয়ন বাতিল করা হলো আমি জানি না। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করব।

এদিকে কক্সবাজার-১ আসনে ৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ সালাহউদ্দিন মাহমুদ, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, মহাসচিব আবদুল আউয়াল মামুন, ওয়ার্কার্স পার্টির মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ বশিরুল আলম, জাতীয় পার্টি (জাপা) মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য জাফর আলম ও জাফর আলমের ছেলে তানভীর আহমদ সিদ্দিকী তুহিন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, যাচাই-বাছাইয়ে শেষে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম, শাহনেওয়াজ চৌধুরী, কমেডিয়ান কমর উদ্দিন আরমান ও শামসুদ্দিন মুহাম্মদ ইলিয়াছের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কমেডিয়ান কমর উদ্দিন মুকুলসহ বাকি চারজনের মনোনয়ন কেন বাতিল করা হয়েছে সেটি তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শিমুল শর্মা বলেন, দ্বিতীয় পর্বে কক্সবাজার ৩ ও ৪ আসনের প্রার্থীদের মনোনয় যাচাই-বাচাই করা হবে। যাদের বিবেচনায় রাখা হয়েছে তাও জানানো হতে পারে।

এ ছাড়া কক্সবাজার- ২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ বাদশা ও কক্সবাজার-২ আসনের কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহীমের মনোনয়ন বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League will not expel independent candidates Who?

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বহিষ্কার করবে না আওয়ামী লীগ: কাদের

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বহিষ্কার করবে না আওয়ামী লীগ: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
ওসি এবং ইউএনও রদবদল নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার প্রশাসনিক রদবদল করছে না, কর্মকর্তাদের বদলি করছে নির্বাচন কমিশন। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি নাই।’

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া কাউকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীতে দলটির সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া কাউকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে না।নির্বাচন জমে উঠেছে। কিছু বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দল ছাড়া সবাই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। এমনকি বিএনপির অনেক নেতাও দলটির ভুল দর্শন পরিত্যাগ করে নির্বাচনে এসেছেন। নির্বাচনে ভরাডুবির আশঙ্কা এবং নীল নকশা বাস্তবায়ন হবে না বলেই দু-একটি দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি। রাজনৈতিক আন্দোলনে ব্যর্থ বিএনপি নির্বাচনে আসতে ভয় পায়।’

ওসি এবং ইউএনও রদবদল নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার প্রশাসনিক রদবদল করছে না, কর্মকর্তাদের বদলি করছে নির্বাচন কমিশন। এ নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি নাই।’

বিএনপির আন্দোলন নিয়ে তিনি বলেন, ‘ভাড়া করা টোকাই দিয়ে চোরাগোপ্তা হামলা করছে বিএনপি। বিএনপি নেতা-কর্মী পাচ্ছে না। তাই ভাড়া করা টোকাই দিয়ে বোমা হামলা, পেট্রোল বোমা মারাসহ এসব অপকর্ম করছে। অনেকে বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতি থেকে বেরিয়ে সুস্থ রাজনীতিতে ফিরে এসেছেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ।’

আগামীতে বিএনপির আরও অনেকে স্বাভাবিক রাজনীতির ধারায় আসবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের সাহস থাকলে তারেক রহমানকে রাজপথে আসার আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি জনসমর্থনের অভাবে তাদের আন্দোলন মুখ থুবড়ে পড়েছে। সেই কারণে তারা সন্ত্রাস, অগ্নিসন্ত্রাস, হিংসা, চোরাগুপ্তা হামলা, নাশকতা করছে। স্বাভাবিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে তারা রাজনীতিটাকে সন্ত্রাসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন গাড়ি পোড়াচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি গণবিরোধী রাজনীতির সমর্থন না দিয়ে তারা জনগণকে শত্রু ভাবে। বেলাল হোসেনের মতো একজন নিরীহ বাস হেলপারকে ৮০ শতাংশ পুড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশের নির্বাচন এলেই কিছু মানুষ বা গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করে। জনসমর্থহীন এসব গোষ্ঠী নির্বাচনে হেরে যাবে। সবসময় তারা পেছনের দরজা খোলা রাখে। পেছনের দরজা দিয়ে তারা ক্ষমতায় আসার ষড়যন্ত্র করে।’

এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাপা, উপ দপ্তর সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য সাহাবুদ্দিন ফরাজীসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Writ in High Court for flogging Jessore Youth Dal leader

যশোর যুবদল নেতাকে ডান্ডাবেড়ি পরানোয় হাইকোর্টে রিট

যশোর যুবদল নেতাকে ডান্ডাবেড়ি পরানোয় হাইকোর্টে রিট ফাইল ছবি
রিট করার বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী গাজী কামরুল ইসলাম সজল বলেন, ‘রিটটি মাননীয় বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হবে।’

বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার যশোরের যুবদল নেতাকে হাসপাতালে চিকিৎসার সময় ডান্ডাবেড়ি পরানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়েছে।

যুবদল নেতা আমিনুর রহমান মধুর স্ত্রী হাইকোর্টে এ রিট করেন।

রিট করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী গাজী কামরুল ইসলাম সজল।

তিনি বলেন, ‘রিটটি মাননীয় বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হবে।’

এর আগে গত ২৯ নভেম্বর যুবদল নেতাকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়ার ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদের বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হয়। ওই দিন বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী। তিনি আদালতের কাছে সুয়োমোটো (স্বতঃপ্রণোদিত) আদেশ প্রার্থনা করেন।

তখন হাইকোর্ট বলেছিলেন, ‘জঙ্গি সম্পৃক্ততাসহ হিনিয়াস ক্রাইমের (জঘন্য অপরাধের) ক্ষেত্রে সাধারণত অপরাধীকে ডান্ডাবেড়ি পরানো হয়। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের একাধিক সিদ্ধান্তও রয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে ডান্ডাবেড়ি পরানো যাবে, সে বিষয়ে গাইডলাইন আছে।’

তখন আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে আদেশ দেবেন না বলে রিট করার পরামর্শ দেন। তার প্রেক্ষিতেই মধুর স্ত্রী এ রিট দায়ের করেন।

গত ২ নভেম্বর যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের আমদাবাদ গ্রাম থেকে পুলিশ মধুকে আটক করে। এরপর ১২ নভেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা অবস্থায় আমিনুর রহমান মধু হৃদরোগে আক্রান্ত হন।

কারাগার থেকে তার দুই পায়ে ডান্ডাবেড়ি ও হাতকড়া লাগিয়ে প্রথমে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ওই রাতেই তাকে কেরানীগঞ্জ কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। পরদিন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

আমিনুর রহমান মধুর দুই পায়ে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে ও ডান হাতে হাতকড়া লাগানো অস্থায় হাসপাতালের মেঝেতে রেখে তার চিকিৎসা দেয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nomination of Mahi B Chowdhury cancelled

মাহি বি চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল

মাহি বি চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল ফাইল ছবি
নানা অনিয়মের কারণে এই আসনের ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র ঘোষণা করেছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুজাফর রিপন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রার্থী মাহি বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।

রোববার সকালে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম পর্বে ঋণ খেলাপি হওয়ার কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর ছেলে মাহি বি চৌধুরী (মাহি বদরুদ্দোজা চৌধুরী) বিকল্পধারা বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব।

নানা অনিয়মের কারণে এই আসনের ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুজাফর রিপন।

বাকি দুজনের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সারোয়ার কবিরের ভোটার তালিকা গরমিল থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। আর বিএনএম প্রার্থী ফরিদ হোসেনের মনোনয়নপত্রে সমর্থনকারী স্থানীয় না হওয়ার কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

এ ছাড়া অন্য ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mirza Fakhrul sought bail in the High Court

হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন মির্জা ফখরুল

হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন মির্জা ফখরুল ফাইল ছবি
এর আগে গত ২২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) ফয়সাল আতিক বিন কাদেরের আদালতে ফখরুলের এই মামলা জামিন আবেদনের শুনানি হয়। তবে আদালতে তখন তার জামিন হয়নি। 

২৮ অক্টোবরের সমাবেশকে কেন্দ্র করে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি সাহেদ নুর উদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদন করা হয় বলে রোববার জানিয়েছেন বিএনপির আইনজীবী কামরুল ইসলাম সজল।

তিনি বলেন, জামিন আবেদন বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি সাহেদ নুর উদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়েছে। আশা করি সেখানেই শুনানি হবে।

এর আগে গত ২২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) ফয়সাল আতিক বিন কাদেরের আদালতে ফখরুলের এই মামলা জামিন আবেদনের শুনানি হয়। তবে আদালতে তখন তার জামিন হয়নি।

সরকার পতনের একদফা আন্দোলনে গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করছিল বিএনপি। ওই সমাবেশ চলাকালে এক পর্যায়ে দৈনিক বাংলা মোড়, কাকরাইল ও পল্টনসহ আশপাশের এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান দলটির নেতা-কর্মীরা। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনেও হামলা হয়।

পরদিন গুলশানের বাসা থেকে আটক করা হয় বিএনপি মহাসচিবকে। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জন্য নেয়া হয় গোয়েন্দা কার্যালয়ে। পরে বিএনপি মহাসচিবকে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League rally on December 10 in Dhaka

ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সমাবেশ

ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সমাবেশ ফাইল ছবি
মহানগর আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, সমাবেশ সফল করতে ইতোমধ্যে মৌখিকভাবে ঢাকা মহানগরের ওয়ার্ড-থানা পর্যায়ের নেতাদের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রাজধানী ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর বড় আকারের সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেইটে এ সমাবেশ আয়োজন করবে বলে জানিয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবার রাতে মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

৭ জানুয়ারি ভোটের দিন রেখে তফসিল ঘোষণার পর ঢাকায় এটি হবে আওয়ামী লীগের প্রথম সমাবেশ। ভোট বর্জন করে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো এক দফা আন্দোলনের অংশ হিসেবে হরতাল ও অবরোধ করছে। আর আওয়ামী লীগ ও তার শরিকসহ জাতীয় পার্টি ও অন্য দলগুলো নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে।

বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসন্ত্রাস ও পেট্রোল বোমা হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে এ সমাবেশ ডাকা হয়েছে। নিহত ও আহত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে সমাবেশ দ্রুত বিচার চাওয়া হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগ।

২০২২ সালের এ দিনে নয়া পল্টনে সমাবেশের ডাক দিয়েছিল বিএনপি। দলটির ওই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনীতিতে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। নয়া পল্টনে সমাবেশের অনুমতি না পেয়ে পরে সায়েদাবাদের গোলাপবাগে সমাবেশ করেছিল বিএনপি।

মহানগর আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, সমাবেশ সফল করতে ইতোমধ্যে মৌখিকভাবে ঢাকা মহানগরের ওয়ার্ড-থানা পর্যায়ের নেতাদের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সমাবেশে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি এ দিন রাজধানীর মূল সড়ক ও প্রবেশমুখগুলোতে সর্তক অবস্থান নেবে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতাকর্মীরা। ঢাকার প্রবেশমুখ যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, বুড়িগঙ্গা নদীতে থাকা দুই সেতুর মুখে অবস্থানে নেতাকর্মীরা থাকবেন বলে জানা যায়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The 48 hour blockade of BNP and like minded people begins today

বিএনপি ও সমমনাদের ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ শুরু আজ

বিএনপি ও সমমনাদের ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ শুরু আজ
৩১ অক্টোবর থেকে এটি বিরোধী দলগুলোর নবম দফা অবরোধ কর্মসূচি। এই দফার কর্মসূচি শেষ হবে মঙ্গলবার সকাল ৬টায়।

বিএনপি ও সমমনা বিরোধী দলগুলোর ডাকা দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার সড়ক, রেল ও নৌপথ অবরোধ শুরু হচ্ছে আজ রোববার। ৩১ অক্টোবর থেকে এটি বিরোধী দলগুলোর নবম দফা অবরোধ কর্মসূচি। এই দফার কর্মসূচি শেষ হবে মঙ্গলবার সকাল ৬টায়।

নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের নেতা-কর্মীদের মুক্তি দিতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার রাতে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী দেশবাসী এবং বিএনপি ও অন্যান্য বিরোধী দলের সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

সংবাদপত্র বা গণমাধ্যমের যানবাহন, অ্যাম্বুলেন্স এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার ও ওষুধ পরিবহনকারী যানবাহন অবরোধের আওতার বাইরে থাকবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিরোধী দলের দিনব্যাপী হরতাল শেষ হওয়ার প্রায় তিন ঘণ্টা আগে নতুন করে অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেন রিজভী।

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য বিরোধী দল যারা দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করে আসছে, তারাও একই ধরনের কর্মসূচি পালন করবে।’

নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশে হামলার প্রতিবাদে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো ২৯ অক্টোবর দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করে।

২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে বিএনপির বহুল আলোচিত মহাসমাবেশ শুরুর আধ ঘণ্টা পর কাকরাইলে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। দ্রুতই তা নয়াপল্টনের চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে এবং মাঝপথে সমাবেশ বন্ধ হয়ে যায়।

মন্তব্য

p
উপরে