× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
3 more deaths in dengue hospital 767
hear-news
player
google_news print-icon

ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭৬৭

ডেঙ্গুতে-আরও-৩-মৃত্যু-হাসপাতালে-৭৬৭
ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন রোগীরা। ফাইল ছবি
এই জ্বরের প্রকোপ সাধারণত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকলেও নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহও শেষ। প্রতিদিনই মৃত্যুর খবর আসছে, সেই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে শত শত মানুষ। চলতি মাসে এমন একটি দিনও যায়নি যেদিন কোনো রোগী মারা যায়নি।

শীতের আগে আগে ডেঙ্গু ভীতি ছড়িয়েই যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হলো তিনজনের। এর আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ৮ জন।

বছরের যে সময় ডেঙ্গু রোগ সাধারণত দেখা যায় না, সেই সময়টাতেই এবার প্রকোপ বেশি। কেবল নভেম্বরের ১৬ দিনেই মারা গেল ৭৫ জন, যা অক্টোবরের এক মাসের রেকর্ড ৮৬ জনের কাছাকাছি।

চলতি বছর এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২১৬ তে। গত ২২ বছর ধরে রাখা পরিসংখ্যানে এর আগে কখনও এত বেশি মানুষ মারা যায়নি।

এই জ্বরের প্রকোপ সাধারণত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাকলেও নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহও শেষ। প্রতিদিনই মৃত্যুর খবর আসছে, সেই সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে শত শত মানুষ। চলতি মাসে এমন একটি দিনও যায়নি যেদিন কোনো রোগী মারা যায়নি।

এবার রোগটির প্রকোপ শুরু হয় সেপ্টেম্বরে, যা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। সেপ্টেম্বরে হাসপাতালে ভর্তি হয় ৯ হাজার ৯১১ জন, অক্টোবের এই সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়ায় ২১ হাজার ৯৩২ জনে। নভেম্বরের অর্ধেক পার হতেই সংখ্যাটি দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৭৩৫ জনে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৬৭ জন।

এদের মধ্যে ৪৬৪ জন ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এবং ৩০৩ জন ভর্তি হয়েছেন ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে।

বর্তমানে সারা দেশে ২ হাজার ৭২৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৫২৮ ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ১ হাজার ২০১ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫০ হাজার ৭৫৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩২ হাজার ৯৯৯ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৭৬০ জন।

আরও পড়ুন:
এডিস মশার চরিত্রকে বদলে দিয়েছে রাতের ঝলমলে শহর
ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, ১৫ দিনেই ৭২
ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু
‘ডেঙ্গু আক্রান্তরা সহজে ভালো হচ্ছেন না’
ডেঙ্গুতে মৃত্যু ছাড়াল দুই শ, ১৩ দিনেই ৬১

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Corona detection is near zero

করোনায় শনাক্ত শূন্যের কোঠায়

করোনায় শনাক্ত শূন্যের কোঠায় করোনার সংক্রমণ কমে আসছে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১১ জন ঢাকার বাসিন্দা।

করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ঘুরছে শূন্যের কোঠায়। কার্যত পঞ্চম ঢেউয়ে করোনার সংক্রমন নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সারা দেশে ২৪ ঘন্টায় ১৮ জনের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এসময় করোনা শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১১ জন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩৩ জনের।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৬৮ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩০ জন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ১১
করোনায় ফের মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৩৩
করোনায় ফের মৃত্যু, শনাক্ত তলানিতে
করোনায় শনাক্ত ১৯, মৃত্যু নেই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The role of health workers is important in maintaining the good health of refugees

‘কক্সবাজারে বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্প’

‘কক্সবাজারে বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্প’ মিডিয়া বিফ্রিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রস আধানম বলেন, ‘অভিবাসন এবং বাসস্থানের পরিবর্তন শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত পার্থক্য, আর্থিক বাধা এবং বৈষম্য সবই তাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা দানের পথকেও বাধাগ্রস্ত করতে পারে।’

বিশ্বে বর্তমানে আটজনের মধ্যে একজন অর্থাৎ ১০০ কোটির বেশি অভিবাসী রয়েছে। ২৮১ মিলিয়ন আন্তর্জাতিক অভিবাসীসহ কয়েক মিলিয়ন রাষ্ট্রহীন রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, বৈষম্য বেড়ে যাওয়া, পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, বাণিজ্য এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি এই সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলছে। শরণার্থী ও অভিবাসীদের সুস্বাস্থ্য রক্ষা এবং সব ধরনের চাহিদা পূরণে স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বনানী শেরাটনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), বাংলাদেশ আয়োজিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলা হয়। ডব্লিউএইচও ঢাকায় শরণার্থী এবং অভিবাসীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বার্ষিক গ্লোবাল স্কুলের তৃতীয় সংস্করণের আয়োজন করতে যাচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রস আধানম বলেন, ‘অভিবাসন এবং বাসস্থানের পরিবর্তন শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত পার্থক্য, আর্থিক বাধা এবং বৈষম্য সবই তাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা দানের পথকেও বাধাগ্রস্ত করতে পারে।’

তিনি বলেন, এই বাধাগুলো অতিক্রম করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শরণার্থী এবং অভিবাসীদের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় ‘ডব্লিউএইচও গ্লোবাল স্কুল’ স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্ষমতা তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যদিও সব শরণার্থী এবং অভিবাসীরা দুর্বল না। তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বৈষম্য থেকে দরিদ্র জীবনযাপন, আবাসন এবং কাজের পরিস্থিতির স্বীকার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্থানীয় পরিচালক পুনম ক্ষেত্রপাল সিং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘স্বাস্থ্য এমন একটি মানবাধিকার যা সবার জন্যই মৌলিক। বিশেষ করে শরণার্থী এবং অভিবাসীদের জন্য আরও বেশি। কারণ তাদের মধ্যে যারা ঝুঁকিতে রয়েছেন বা ইতিমধ্যেই পিছিয়ে রয়েছেন।’

প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল স্কুলের লক্ষ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং সেসব দেশের সরকারের সহযোগিতায় দেশগুলোর শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো।

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং বলেন, ‘এই বছর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ৭.১ মিলিয়নেরও বেশি বাংলাদেশি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। যা ২০৫০ সালের মধ্যে ১৩.৩ মিলিয়নে পৌঁছাতে পারে। ১৯৭৮ সাল থেকে দেশের কিছু মানুষকে বাস্তুচ্যুত করা হয়। পাশাপাশি মিয়ানমারের নাগরিকদের জোর করে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। যাদের প্রত্যেকের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন। আর কক্সবাজারকে বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পগুলির মধ্যে একটি চিহ্নিত করা হয়েছে।’

স্থানীয় পরিচালক বলেন, ‘বাংলাদেশ শুধুমাত্র তাদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবাই দেয়নি। এর মধ্যে সম্প্রতি কোভিড টিকাও দিয়েছে। তবে ডব্লিউএইচও গ্লোবাল স্কুল প্রধান সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং আইনি দুর্বলতাগুলি দূর তরতে সমন্বিত চেষ্টা করছে।’

আরও পড়ুন:
করোনার প্রথম দুই বছরে অতিরিক্ত দেড় কোটি মৃত্যু
২০৫০ নাগাদ ৪ জনে ১ জনের শ্রবণ সমস্যা: ডব্লিউএইচও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The dengue outbreak is decreasing the death toll was 100 in November

ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০

ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছেই। ফাইল ছবি
সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা গেলেও চলতি বছর সেপ্টেম্বর থেকেই এই রোগ বাড়তে থাকে। শীতের আগে আগে বছরের যে সময়ে রোগী দেখা যায় না, সেই সময়েই সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখছে মানুষ। অক্টোবর মাসও ছিল ভয়ঙ্কর, সে মাসে মৃত্যু হয় ৮৬ জনের। নভেম্বরের ২৫ দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৭ হাজার ২১২ জন।

প্রাণঘাতি দুটি মাস পেরিয়ে নভেম্বরের শেষে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে আসার ইঙ্গিত মিলেছে। রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে আসছে। সেই সঙ্গে কমছে মৃত্যু।

এই জ্বরে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজন মিলিয়ে নভেম্বরে মৃত্যু দাঁড়াল এই ১০১ জনে। সব মিলিয়ে চলতি বছর মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২৪২ জন।

এ নিয়ে টানা দুই দিন একজন করে মৃত্যু হলো। এর আগে ১ নভেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩ থেকে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালে এই সময়ে ভর্তি হয় ২২১ জন, যা আগের ২৪ ঘণ্টায় ছিল ৫১৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়।
এতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় যত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তার মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছেন ১৪১ জন আর ঢাকার বাইরে ৮০ জন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৬৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যা আগের দিন ছিল ২ হাজার ২২ জন।

এই রোগীদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে আছেন ১ হাজার ১৩৫ জন, যা আগের দিন ছিল ১ হাজার ১৪২। ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে এখন ভর্তি আছেন ৮৩৪ জন, যা আগের দিন ছিল ৮৮০ জন।

সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা গেলেও চলতি বছর সেপ্টেম্বর থেকেই এই রোগ বাড়তে থাকে।

শীতের আগে আগে বছরের যে সময়ে রোগী দেখা যায় না, সেই সময়েই সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখছে মানুষ। অক্টোবর মাসও ছিল ভয়ঙ্কর, সে মাসে মৃত্যু হয় ৮৬ জনের।

নভেম্বরের ২৫ দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৭ হাজার ২১২ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৫ হাজার ১৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ হাজার ২৮৭ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৮৫৮ জন।

এ পর্যন্ত ডেঙ্গু থেকে সেরে উঠেছেন ৫২ হাজার ৯৩৪ জন। ঢাকা ৩৪ হাজার ৫ জন এবং ঢাকার বাইরে সুস্থ হয়েছেন ১৮ হাজার ৯২৯ জন।

আরও পড়ুন:
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে ২৩ দিনে ৯৭ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৫১৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
33 days without death detected in Corona

করোনায় ফের মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৩৩

করোনায় ফের মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৩৩ এক রোগীর করোনা পরীক্ষা হচ্ছে হাসপাতালে। ফাইল ছবি
দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩১ জনের। গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৬৫ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ১৫৩ জন।

সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৩ জনের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এই সময়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৩৯০টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২২জনই ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩১ জনের।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৬৫ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ১৫৩ জন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনায় ফের মৃত্যু, শনাক্ত তলানিতে
করোনায় শনাক্ত ১৯, মৃত্যু নেই
করোনায় আরও একজনের মৃত্যু, শনাক্ত হার ১.০৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 more deaths due to dengue

ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু ডেঙ্গু বিস্তারে দায়ী এডিস মশা। ফাইল ছবি
এ বছর অক্টোবর মাসে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখেছে দেশ। তবে নভেম্বর মাসে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। চলতি মাসের প্রথম ২০দিনে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯ জন। আগের মাসে একই সময়ে যা ছিল ৫৫ জন।

ডেঙ্গুর বিস্তার ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৪৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি মাসের প্রথম ২০দিনে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯ জন। আগের মাসে একই সময়ে যা ছিল ৫৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতি অনুযায়ী, রোববার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৪ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ৩২০ ও ঢাকার বাইরে ৩২৬ জন রোগী আছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ২ হাজার ৪৭৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ৩৮৬ ও ঢাকার বাইরে ১ হাজার ৯২ জন।

বছরের শুরু থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫২ হাজার ৮০৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২ হাজার ৫৪৮ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৭৩৬ জন।

গত অক্টোবর মাসে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখেছে দেশ। তবে নভেম্বর মাসে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা বছরের মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ।

এদিকে নভেম্বরের প্রথম ২০ দিনেই ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৮৯ জনের। আর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ৭৮৩ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫০ হাজার ৯৯ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩২ হাজার ৫৪৮ ও ঢাকার বাইরে ১৭ হাজার ৫৫১।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু
নভেম্বরে আরও ভয়ঙ্কর ডেঙ্গু
এডিস মশার চরিত্রকে বদলে দিয়েছে রাতের ঝলমলে শহর
ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, ১৫ দিনেই ৭২
‘ডেঙ্গু আক্রান্তরা সহজে ভালো হচ্ছেন না’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Aedes mosquito has changed the character of the glittering city at night

এডিস মশার চরিত্রকে বদলে দিয়েছে রাতের ঝলমলে শহর

এডিস মশার চরিত্রকে বদলে দিয়েছে রাতের ঝলমলে শহর আলোকিত শহরে এডিস মশা রাতেও মানুষকে কামড়াতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
কীটতত্ত্ববিদ ড. কবিরুল বাশার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা যদি দেখতাম এডিস মশা পুরোপুরি দিনে কামড়ায় তাহলে সবাইকে বলতে পারতাম অন্য সময়ে সেভাবে প্রটেকশন না নিলেও চলবে। সেই লক্ষ্যে আমরা গবেষণাটি করি। আর তা করতে গিয়ে দেখলাম সন্ধ্যার পর এমনকি রাতেও এডিস মশা কামড়াচ্ছে।’

ডেঙ্গুতে দেশে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছে চলতি বছর। চলতি বছরের হিসাবে মঙ্গলবার পর্যন্ত এই জ্বরে মৃতের সংখ্যা ২১৩-এ পৌঁছেছে। গত ২২ বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এর আগে কোনো বছরেই ডেঙ্গুতে এত বেশি মানুষ মারা যাননি।

প্রচলিত ধারণা হলো, ডেঙ্গু ভাইরাসের বাহক এডিস মশা দিনের বেলায় শুধু কামড়ায়, রাত তাই নিরাপদ।

তবে কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. কবিরুল বাশারের গবেষণায় দেখা গেছে, এই ধারণাটি একদম ভুল। এডিস মশা মানুষকে কামড়াতে পারে দিন-রাতের যেকোনো সময়।

রাজধানীর উত্তরা, আশকোনা, নিকুঞ্জ এলাকায় গত বছর থেকে তিন দফায় গবেষণা চালিয়েছেন ড. কবিরুল বাশার। এতে দেখা গেছে রাতের বেলাতেও মানুষের রক্ত শুষে নিতে বেপরোয়া এডিস মশা।

ড. কবিরুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এডিস মশার দুটি প্রজাতি আছে। একটি এলবোপিকটাস, আরেকটি এডিস ইজিপটাই। এডিস ইজিপটাই হচ্ছে ডেঙ্গুর প্রধান বাহক। শুধু বাংলাদেশে নয়, বিশ্বের প্রায় সব উষ্ঞ আদ্রীয় দেশের নগরেই এই মশা জন্মায়। নগরের বাড়ির আশপাশে, বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানিতে এরা ডিম পাড়ে।

এডিস মশা কেবল দিনের বেলায় মানুষকে কামড়ায় এমন ধারণা যাচাইয়ে গত বছর গবেষণা শুরু করেন কীটকত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার।

এডিস মশার চরিত্রকে বদলে দিয়েছে রাতের ঝলমলে শহর

তিনি বলেন, ‘গবেষণায় একজন মানুষের শরীরের অনেকটা অংশ অনাবৃত রেখে বিভিন্ন সময়ে মশার ল্যান্ডিং পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। মশা শরীরে বসার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাসপিরেটর দিয়ে তা ধরা হয়েছে। এভাবে মশা ধরার এক্সপার্ট আছেন।

‘মশা ধরে ধরে আমরা প্রতি ঘণ্টায় কোন মশার কখন পিক আওয়ার বা একটা মশা কোন সময়ে অ্যাকটিভ থাকে সেটি আমরা ক্যালকুলেট করেছি।’

আরও পড়ুন: বদলে গেছে ঢাকার মশা

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি দেখতাম এডিস মশা পুরোপুরি দিনে কামড়ায় তাহলে সবাইকে বলতে পারতাম অন্য সময়ে সেভাবে প্রটেকশন না নিলেও চলবে। সেই লক্ষ্যে আমরা গবেষণাটি করি। আর তা করতে গিয়ে দেখলাম সন্ধ্যার পর এমনকি রাতেও এডিস মশা কামড়াচ্ছে।’

গবেষণার পদ্ধতি জানিয়ে তিনি বলেন, সন্ধ্যা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত একটা টিম কাজ করেছে। রাত ২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত ছিল আরেকটি টিম। গত বছর থেকে তিন দফায় টানা কয়েক দিন ধরে চলেছে গবেষণা।

ড. কবিরুল মনে করছেন একসময়ে এডিস মশা শুধু দিনের বেলায় কামড়ালেও এখন এই বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন এসেছে। এর কারণ হিসেবে তিনি শহুরে জীবনে আলোয় ভাসা রাত দায়ী বলে মনে করছেন।

তিনি বলেন, 'পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশেই এখন রাতের বেলায় লাইটের প্রচুর ব্যবহার হচ্ছে। কোথাও কোথাও প্রচুর পরিমাণে লাইট থাকে। একে বলা হয় লাইট পলিউশন বা আলো দূষণ। এই আলো দুষণের ফলে মশার আচরণে পরিবর্তন আসতে পারে।

‘ঢাকার ক্ষেত্রে হয়তো সেটাই হয়েছে। ফলে এডিস মশা এখন দিনের পাশাপাশি রাতের বেলাতেও কামড়াচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আগে রাতের বেলায় এত আলো ছিল না। ইলেকট্রিসিটির ব্যবহার কিন্তু আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। নগরে দেখা যায় পুরো নগরী সন্ধ্যার পরে আলোকিত। একটা আগে এতটা ছিল না।

‘এত ঘনবসতিও ছিল না, এত ইলেকট্রিসিটি ছিল না। ফলে হয়তো ধীরে ধীরে এডিস মশার মধ্যে অ্যাডাপটেশনটা হয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে মৃত্যু ছাড়াল দুই শ, ১৩ দিনেই ৬১
দূষিত বাতাসে থমকে যেতে পারে হৃদযন্ত্র
রামেক হাসপাতালে ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু
শুধু বাংলাদেশে নয়, পুরো এশিয়ায় ডেঙ্গু রোগী বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ডেঙ্গুতে দেশে আরও ৬ মৃত্যু

মন্তব্য

p
উপরে