× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
On December 10 Nayapaltan BNP wants an application to ensure bus movement
hear-news
player
google_news print-icon

১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টন চায় বিএনপি

১০-ডিসেম্বর-নয়াপল্টন-চায়-বিএনপি
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল মিন্টো রোডের ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে গিয়ে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে চিঠি দেন, পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: নিউজবাংলা
সমাবেশকে কেন্দ্র করে যাতে গণপরিবহন বন্ধ করে দেয়া না হয়, সে বিষয়েও ডিএমপি কমিশনারের কাছে জানানো হয়েছে: ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে আমান উল্লাহ আমান

আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুককে চিঠি দিয়েছে বিএনপি। সেই সঙ্গে এই সমাবেশের সময় যেন যান চলাচল বন্ধ না হয়, সেই দাবিও জানানো হয়েছে।

দলটি সমাবেশটি করতে চায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে। সেখানে আসতে যেন কাউকে বাধা দেয়া না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে অনুরোধ করা হয়েছে পুলিশকে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানের নেতৃত্বে ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল মিন্টো রোডের ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে গিয়ে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে চিঠি দেন। এরপর তারা বৈঠকও করেন।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার এবং নানা দাবিতে দেশের প্রতিটি বিভাগে সমাবেশ করছে বিএনপি। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সমাবেশ ঘিরে কথার লড়াই শুরু হয়েছে রাজনীতিতে।

এই সমাবেশের দিন থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ চলবে- বিএনপি নেতারা এমন ঘোষণা দেয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও পরে দলের শীর্ষ নেতাদের পক্ষ থেকে সেই বক্তব্য নাকচ করা হয়।

তারপরও এই সমাবেশকে ঘিরে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা স্পষ্ট। আওয়ামী লীগও দিনটিকে ঘিরে নানা পরিকল্পনা নিয়েছে। তারাও রাজপথে শক্তি দেখাচ্ছে নানা কর্মসূচিতে।

বিএনপি প্রথম সমাবেশ করে চট্টগ্রামে। এরপর ময়মনসিংহ, পরে খুলনা, রংপুর, বরিশাল ও সবশেষে ফরিদপুরে হয় সমাবেশ। সিলেটেও সমাবেশ আছে আগামী শনিবার।

এর মধ্যে চট্টগ্রামের সমাবেশটি নির্বিঘ্নে হলেও বাকি প্রতিটি সমাবেশের আগে পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয় নানা ইস্যুতে। বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে সমাবেশে যেন লোকসমাগম কম হয়, সে জন্য সরকারের নির্দেশে এই ধর্মঘট ডাকা হয়। তবে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিএনপির অতীতের কর্মসূচিকে সহিংসতা, বাসে আগুনের ঘটনায় দলটিকে ভয় পান বাস মালিক ও শ্রমিকরা। এখানে সরকারের করণীয় কিছু নেই।

বৈঠক শেষে বের হয়ে আমান উল্লাহ আমান সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ গণসমাবেশ করতে চায়। ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে বিএনপির নেতা-কর্মীদের যেন আসতে বাধা দেয়া না হয়, আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা যেন কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে সেই বিষয়টি তারা জানিয়েছেন কমিশনারকে।

তিনি বলেন, ‘সমাবেশকে কেন্দ্র করে যাতে গণপরিবহন বন্ধ করে দেয়া না হয়, সে বিষয়েও ডিএমপি কমিশনারের কাছে জানানো হয়েছে।’

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির নেতারা।

ডিএমপি কমিশনার কী বলেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আলোচনা করে আমাদের জানাবেন।’

বৈঠক শেষে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমরা লিখিত দরখাস্ত পেয়েছি, এখন সেটি বিবেচনা করে দেখব অনুমতি দেয়া যায় কি না। আমাদের যে গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে তাদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখব কোনো ধরনের ঝুঁকি রয়েছে কি না।’

বিএনপি তাদের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের যে অভিযোগ এনেছে, সে বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে কাউকে গ্রেপ্তার করিনি। যাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই তাদের বিরুদ্ধে এ রকম কোনো গ্রেপ্তার অভিযানও চলছে না। তবে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা আছে তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তার করব।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, উত্তরের সদস্যসচিব আমিনুল হক, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম, প্রচার সম্পাদক ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্যসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আ.লীগের সংবাদ প্রকাশে সতর্ক থাকার অনুরোধ কাদেরের
সিলেটের সব কমিউনিটি সেন্টারে বিএনপির বুকিং
কানাডীয় দূতের সঙ্গে বৈঠক, কিছু জানাবে না বিএনপি
খালেদা জিয়ার কাছে মাফ চান: আ.লীগকে বিএনপি নেতা
সিলেটে ধর্মঘট চান না শ্রমিকরা, দোটানায় মালিকরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Students killed in Badda

বাড্ডায় শিক্ষার্থী খুন

বাড্ডায় শিক্ষার্থী খুন নিহত শিক্ষার্থী আসফাকুর রহমান চৌধুরী শাতিন। ছবি: সংগৃহীত
‘দুদিন আগের তর্কের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তুই বলে সম্বোধন করায় স্থানীয় রকি ও রুপম হুমকি দিয়েছিল শাতিনকে। রোববার সন্ধ্যায় বাসা থেকে বের হতেই রুপমসহ কয়েকজন ঘিরে ধরে এবং শাতিনসহ তিনজনকে ছুরিকাঘাত করে বলে শুনেছি।’

রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আসফাকুর রহমান চৌধুরী শাতিন নামে এইচএসসি পরীক্ষার্থী খুনের শিকার হয়েছেন। একই ঘটনায় সোয়াইব হোসেন ও রোকন দত্ত নামে দুজন ছুরিকাঘাতে জখম হয়েছেন। তাদের সকলের বয়স আনুমানিক ১৯ বছর।

এলাকার কিশোর গ্রুপের বিরোধে রোববার সন্ধ্যায় এ ছুরিকাঘাতের ঘটনা বলে পুলিশ জানিয়েছে। জখম দুজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। শাতিনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

শাতিন তেজগাঁও বিএন কলেজের শিক্ষার্থী বলে জানান তার পিতা মনিরুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে আমার ছেলে বাসা থেকে বের হয়। আধাঘণ্টা পর শুনতে পাই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। স্থানীয় একটি হাসপাতাল থেকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রাত পৌনে দশটায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

শাতিনের বিরোধ ও ছুরিকাঘাতের বিষয়ে তিনি ধারণা দিতে পারেননি। তবে শাতিনের চাচা আজিমুজ্জামান চৌধুরী ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন স্থানীয় কিশোর গ্রুপের রুপম, রকিসহ কয়েকজনকে।

তিনি বলেন, ‘দুদিন আগের তর্কের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তুই বলে সম্বোধন করায় স্থানীয় রকি ও রুপম হুমকি দিয়েছিল শাতিনকে। রোববার সন্ধ্যায় বাসা থেকে বের হতেই রুপমসহ কয়েকজন ঘিরে ধরে এবং শাতিনসহ তিনজনকে ছুরিকাঘাত করে বলে শুনেছি।’

স্বজনরা জানান, নিহত শাতিনের বাড়ি ঢাকা জেলার দোহার জয়পাড়া গ্রামে। ঢাকায় মধ্যবাড্ডা ডিআইটি প্রজেক্টে তাদের বাসা। আহতরা একই এলাকার বাসিন্দা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, শাতিনের বাম পায়ে ছুরিকাঘাত করা হলে রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। সোয়াইবের বুকে ও পেটে এবং রোকনের পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে।

বাড্ডা থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ নওশাদ আলী বলেন, ‘ছুরিকাঘাতের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না। খবর পেয়ে সরাসরি হাসপাতালে চলে এসেছি। থানা থেকে ঘটনার সংবাদ নেয়া হচ্ছে, অপরাধী আটকের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
কু‌মিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত
বড় ভাই খুন, অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rally demanding protection of Bahadur Shah Park

বাহাদুর শাহ পার্ক রক্ষার দাবিতে সমাবেশ

বাহাদুর শাহ পার্ক রক্ষার দাবিতে সমাবেশ
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল পুরান ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. সেলিমের মাধ্যমে মেয়র বরাবর স্মারকলিপি দেয়।

ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ পার্কের ভেতরে স্থাপনা নির্মাণ এবং গ্যাসের আগুন জ্বালিয়ে রেস্তোরাঁ চালুর বিরোধীতা করে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে পার্কের ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংগ্রাম পরিষদ। তাদের দাবি, এসবের ফলে গাছ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে; ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পার্কে চলাফেরার পরিবেশ।

পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্লো শহীদ বেদিতে রোববার বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে এ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।

১৮৫৭ সালে ভারতবর্ষের ব্রিটিশবিরোধী প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মৃতি বিজড়িত এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি কবি নজরুল কলেজ, সোহরাওয়ার্দি কলেজসহ বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ পুরান ঢাকার বাসিন্দাদের অবসর, বিনোদন, প্রাতঃভ্রমণ, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের একমাত্র স্থান এই বাহাদুর শাহ পার্ক।

প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন পার্কের ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মো.আব্দুল মান্নান। সমাবেশটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব আক্তারুজ্জামান খান।

বক্তব্য রাখেন বাহাদুর শাহ্ পার্ক সান্ধ্য ভ্রমণকারী সমিতির উপদেষ্টা এ কে রিয়াজউদ্দীন, মো. কামাল হোসেন, বাহাদুর শাহ পার্ক ও পার্কের ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংগ্রাম পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুল সাত্তার, আনোয়ার হোসেন, মো. মীরুজ্জামান খান মীর, সদস্য মো. শাহ্ আলম ভূঁইয়া, বাহাদুর শাহ্ পাক প্রাতঃ ভ্রমণকারী সংঘের সদস্য কাজী খসরু, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সদস্য অ্যাডভোকেট ইলিয়াছ এবং মহিলা সম্পাদিকা সামছুন নাহার।

এ ছাড়া সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব শাহাজানুর রহমান সাজু, শিল্পী ঢালী মোহাম্মদ দেলোয়ার, জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট ঢাকা মহানগর কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী প্রকাশ দত্ত, দপ্তর সম্পাদক আতিকুল ইসলাম এবং ছাত্র প্রতিনিধি সোয়েবুর রহমান।

সমাবেশে বক্তাদের ভাষ্য, ‘জনস্বার্থ বিরোধী এ সিদ্ধান্ত বাতিল করার জন্য তারা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রের প্রতি অনুরোধ করেছে। স্থানীয় কাউন্সিলরদের মাধ্যমে মেয়র, ঢাকা জেলা প্রশাসক, ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান সম্পদ কর্মকর্তার কাছে গণস্বাক্ষরের অনুলিপিসহ স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে।

‘এরই ধারাবাহিকতায় ১০ নভেম্বর সংগ্রাম পরিষদ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট ঢাকা মহানগরের ১৬ প্রতিনিধি মেয়রের আমন্ত্রণে তার সঙ্গে দেখা করেন।’

বক্তারা জানান, প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে পার্কের ভেতর রেস্তোরাঁ নির্মাণের কাজ বন্ধ, ‘১৮৫৭ সালের শহীদদের স্মরণে’ লেখাটি পুনঃস্থাপন এবং পার্কের নিরাপত্তার খাতিরে পার্কের সীমানা বেষ্টনী দেয়ার দাবি জানানো হয়েছে। মেয়র ন্যায়সঙ্গত দাবিগুলোর যৌক্তিকতা স্বীকার করে সেগুলো বাস্তবায়নে জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

ঐতিহাসিক বাহাদুর শাহ পার্ক ও পার্কের ঐতিহ্য সংরক্ষণ সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব আক্তারুজ্জামান খান বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদ বেদীর মর্যাদা বিনষ্ট করে স্মৃতিস্তম্ভের সামনেই চুলা জানিয়ে খাদ্যদ্রব্য তৈরি করে তা বিক্রি শুরু করেছে। এতে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে, পার্কের গাছের পাতা শুকিয়ে যাচ্ছে।’

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল পুরান ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. সেলিমের মাধ্যমে মেয়র বরাবর স্মারকলিপি দেয়।

আরও পড়ুন:
বাহাদুর শাহ পার্কে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ বন্ধের দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jai Bangla slogan attack on journalists injured 2

জয় বাংলা স্লোগানে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা, আহত ২

জয় বাংলা স্লোগানে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা, আহত ২ হামলায় আহত হন দৈনিক ইত্তেফাকের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার হাসিব প্রান্ত ও মানবজমিনের আব্দুল্লা আল মারুফ। ছবি: নিউজবাংলা
দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদক হাসিব প্রান্ত বলেন, ‘তারা আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ওরা আমার আইফোন ইলেভেন প্রো, মানিব্যাগে ১০ হাজার ৮০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। পুলিশের সামনে এই হামলার ঘটনা হলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করেছে।’

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহক অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের মানববন্ধন চলাকালে সংবাদকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে দৈনিক ইত্তেফাকের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার হাসিব প্রান্ত ও মানবজমিনের আব্দুল্লা আল মারুফ আহত হয়েছেন। এ সময় হামলাকারীরা তাদের তিনটি মোবাইল ফোন ও মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগ করেছেন হামলার শিকার দুই সংবাদকর্মী।

রোববার বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার দৈনিক মানবজমিনের প্রতিবেদক আব্দুল্লা আল মারুফ বলেন, ‘প্রেস ক্লাব এলাকায় আমরা নিউজ কাভার করতে আসি। এ সময় ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডারদের একটি মানববন্ধন কর্মসূচি চলছিল। আমরা সেখানে উপস্থিত হলে প্রায় একশ’ যুবক জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে হামলা চালায়। সাংবাদিক পরিচয় দেয়ার পরও তারা আমাদের মারধর করে। এ সময় তারা আমার দুটি মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, আইডি কার্ড নিয়ে যায়।’

ইত্তেফাকের প্রতিবেদক হাসিব প্রান্ত বলেন, ‘তারা আমার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ওরা আমার আইফোন ইলেভেন প্রো, মানিব্যাগে ১০ হাজার ৮০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। পুলিশের সামনে এই হামলার ঘটনা হলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করেছে।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘প্রেস ক্লাব এলাকায় হামলার ঘটনায় আহত দুই সাংবাদিককে ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়।’

আরও পড়ুন:
সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ইউএনও অফিসের জিডি
রোজিনার অব্যাহতি শুনানি ১৫ জানুয়ারি
সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার ৮৬ ভাগেরই বিচার হয় না
আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ সাংবাদিকের
ফটোসাংবাদিক বিপ্লব দিক্ষিতের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Strict action if cleanliness is neglected Mayor Atiqul

পরিচ্ছন্নতায় অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা: মেয়র আতিকুল

পরিচ্ছন্নতায় অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা: মেয়র আতিকুল রোববার গুলশান-২ এ নগর ভবনে শুষ্ক মৌসুমে মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়ক সমন্বয় সভায় কথা বলেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকদের প্রতিটি এলাকা পরিদর্শন করে কোন কোন ড্রেনে ময়লা বেশি তার তালিকা করতে হবে। কোন কোন ড্রেনে ও নালায় কচুরিপানা ও অন্যান্য ময়লা বেশি সেগুলোও চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।

পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধনে কর্মীদের অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

রোববার গুলশান-২ এ নগর ভবনের হল রুমে শুষ্ক মৌসুমে মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় বিষয়ে অনুষ্ঠিত সমন্বয় সভায় মেয়র এ হুঁশিয়ারি দেন।

মেয়র বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও তৎপর হতে হবে। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শকদের প্রতিটি এলাকা পরিদর্শন করে কোন কোন ড্রেনে ময়লা বেশি তার তালিকা তৈরি করতে হবে। কোন কোন ড্রেনে ও নালায় কচুরিপানা ও অন্যান্য ময়লা বেশি সেগুলোও চিহ্নিত করে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। মাঠে কাজের ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশক নিধনে কর্মীদের অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দশটি অঞ্চলে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে কাউন্সিলরদের অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা কমিটি গঠন করে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পাঁচটি ওয়ার্ডে প্রাথমিকভাবে ক্র‍্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে পুরো এলাকায় এই সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’

কর্মীদের প্রতি ডিএনসিসি মেয়র নির্দেশনা দেন- ‘বর্জ্য বিভাগ প্রতিটি এলাকার ড্রেন, খাল, নালা ও জলাশয় নিয়মিত পরিষ্কার করবে। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। কোনো খাল, নালা ও জলাশয়ে কচুরিপানা জমতে দেয়া যাবে না। প্রতিদিন পরিষ্কার করে ছবি তুলে সেগুলোর প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।’

এ ছাড়া ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন ডোবা ও জলাশয়ের মালিকদের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে চিঠি দেয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সমন্বয় সভায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় মশার বর্তমান পরিস্থিতি এবং মশা নিধনে করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় ডিএনসিসি মেয়র বুধবার থেকে ১৫ দিনের জন্য পাঁচটি ওয়ার্ডে (ওয়ার্ড নম্বর- ১, ১৭, ৪৯, ৫০ ও ৫২) মশার প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সব বিভাগের সমন্বিত ক্র‍্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনার নির্দেশ দেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রি. জে. মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রি. জে. মুহ. আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, পরিছন্নতা পরিদর্শক ও মশক সুপারভাইজারসহ অন্যরা।

আরও পড়ুন:
জন্মনিবন্ধন সহজ করছে ডিএনসিসি
বিশ্বকাপের খেলা দেখাচ্ছে ডিএনসিসি
শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করল ডিএনসিসি
এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৯ লাখ টাকা জরিমানা ডিএনসিসির
দ্বিতীয়বার লার্ভা, দুটি ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fakhrul said what will happen on December 10

১০ ডিসেম্বর কী হবে, জানালেন ফখরুল

১০ ডিসেম্বর কী হবে, জানালেন ফখরুল প্রেস ক্লাবে ডিসেম্বরের সমাবেশ নিয়ে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। ছবি: নিউজবাংলা
‘আমরা ইতিমধ্যে অনেকগুলো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা ন্যূনতম বিষয়ে একমত হয়েছি। আশা করি এই বিষয়গুলোকে আমরা সামনে নিয়ে আসব। আমাদের পুরো দাবিদাওবা, রূপরেখা জনগণের সামনে নিয়ে আসব।’

১০ ডিসেম্বর ঢাকার বিভাগীয় সমাবেশ থেকে সরকারবিরোধী সব দল মিলে কর্মসূচি দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন তথ্য জানান।

২০-দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ওই সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দলটির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম।

ফখরুল বলেন, ‘আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ সম্পর্কে পরিষ্কার করে নিই। এটা কিন্তু আমাদের বিভাগীয় সমাবেশের শেষ সমাবেশ। এখানে আমরা ভবিষ্যতে সব দল মিলে যেই কর্মসূচি, সেই কর্মসূচি নিয়ে সামনে আসব৷

‘আমরা ইতিমধ্যে অনেকগুলো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা ন্যূনতম বিষয়ে একমত হয়েছি। আশা করি এই বিষয়গুলোকে আমরা সামনে নিয়ে আসব। আমাদের পুরো দাবিদাওবা, রূপরেখা জনগণের সামনে নিয়ে আসব।’

গত ৮ অক্টোবর থেকে প্রতি শনিবার বিএনপি দেশের বিভিন্ন বিভাগে সমাবেশ করে আসছে। এর অংশ হিসেবে ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় জমায়েতের ডাক দেয়া হয়েছে। এই সমাবেশের স্থান নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

বিএনপি সমাবেশ করতে চায় নয়াপল্টনে। তবে সরকার অনুমতি দিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, যেখানে সমাবেশে রাজি নয় বিএনপি। ফখরুল সোহরাওয়ারাদী ও তুরাগ তীর ছাড়া অন্য কোথাও সমাবেশ করার প্রস্তাব চেয়েছেন।

চলমান আন্দোলন নিয়ে নিজে আশাবাদী বলেও জানান বিএনপি নেতা। বলেন, ‘মানুষ যেভাবে উঠে দাঁড়িয়েছে, যেভাবে কথা বলছে, রাস্তায় নেমে আসছে, তাতে করে আশাবাদী হবার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের পড়ন্ত জীবনে, জীবনসায়াহ্নে বলা যেতে পারে, আমরা আবার আশার আলো দেখতে পাচ্ছি।’

সরকারবিরোধী সব রাজনৈতিক দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের এই আন্দোলন সঠিক পথে নিয়ে যাওয়া। আর কোনো বিকল্প পথ নেই। কারণ, আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় এলে দেশের অস্তিত্ব থাকবে না।

‘আরেকটি দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমাদের জাতির মুক্তি সম্ভব হবে।’

আন্দোলনে জনগণ সরাসরি সম্পৃক্ত হয়েছে বলে দাবি করেন বিএনপি নেতা। বলেন, ‘মানুষের মুখের ভাষা, তাদের আগ্রহ, নিষ্ঠা এগুলো দেখলেই বোঝা যায় মানুষ এখন পরিবর্তন চায়৷ সেই পরিবর্তন হচ্ছে সত্যিকার অর্থে একটা কল্যাণকর রাষ্ট্র মানুষ দেখতে চায়। আমরা মানুষের চাওয়া-পাওয়া পূরণ করে সত্যিকারের একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র উপহার দিতে চাই।’

ক্ষমতাসীন দলের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ পুরোপুরি জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তারা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গেছে। তারা এখন আমলা আর গোয়েন্দার ওপর নির্ভরশীল। বিরোধী দলের আন্দোলন শুরু হলেই আওয়ামী লীগ মনে করে দুটি ধুয়া তুলতে হবে। একটি অগ্নি সন্ত্রাস আরেকটি জঙ্গি। দুটোই কিন্তু এখন মাটি হয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন ২টায়
ঢাকার গণসমাবেশ বানচালে খুলনায় গণগ্রেপ্তার: বিএনপি
যুবদল সভাপতি টুকু আটক
বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলায় ৪ পুলিশ আহত
জঙ্গি-পৃষ্ঠপোষক বিএনপির হাতে দেশ তুলে দেব না: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11 points in the protest demanding a safe campus in DU

ঢাবিতে নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে বিক্ষোভে ১১ দফা

ঢাবিতে নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে বিক্ষোভে ১১ দফা রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য-এর পাদদেশ থেকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শুরু হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বিক্ষোভ শেষে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ক্যাম্পাসের কয়েকটি প্রবেশমুখে বাঁশের ব্যারিকেড বসিয়ে দেয়। ক্যাম্পাসের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কারো গাড়ি তারা ক্যাম্পাসের ভেতর ঢুকতে দিচ্ছে না। হ্যান্ড মাইক দিয়ে শিক্ষার্থীরা ঘোষণা করছে, টিএসসিতে কোন বহিরাগত থাকতে পারবে না। আজকের টিএসসি হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য।

গাড়িচাপায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) এক নারীর নিহতের ঘটনার পর নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা।

রোববার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্য-এর পাদদেশ থেকে শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভে বিভিন্ন বিভাগ ইনিস্টিটিউটের কয়েকশ শিক্ষার্থী অংশ নেন।

রাজু ভাস্কর্যে এ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করার পর তারা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আরও কিছুক্ষণ অবস্থান নেন। পরে তারা ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সব সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।

এই সম্পূর্ণ সময় শিক্ষার্থীরা ‘দাবি মোদের একটাই নিরাপদ ক্যাম্পাস চাই’, ‘অনিয়মের ঠাঁই নাই, নিরাপদ ক্যাম্পাস চাই’, ‘ক্যাম্পাসে রক্ত ঝরে, প্রশাসন কী করে?’, ‘বিবেকের প্রশ্ন করি, এবার যদি আমরা মরি’, ‘নীলক্ষেতে রক্ত কেন প্রশাসন জবাব চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

ঢাবিতে নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে বিক্ষোভে ১১ দফা

বিক্ষোভ শেষে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ ক্যাম্পাসের কয়েকটি প্রবেশমুখে বাঁশের ব্যারিকেড বসিয়ে দেয়। ক্যাম্পাসের সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কারো গাড়ি তারা ক্যাম্পাসের ভেতর ঢুকতে দিচ্ছে না। হ্যান্ড মাইক দিয়ে শিক্ষার্থীরা ঘোষণা করছে, টিএসসিতে কোন বহিরাগত থাকতে পারবে না। আজকের টিএসসি হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য।

এর আগে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে শিক্ষার্থীদের পক্ষে নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতের দাবিতে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আনিকা তাহসিনা ১১-দফা দাবি উত্থাপন করেন।

দাবি হলো-

বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল যানবাহনের গতিসীমা নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ, শব্দ দূষণ প্রতিরোধে ব্যবস্থা ও শাস্তির বিধান নিশ্চিত করা।

রুবিনা আক্তার হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের সর্বোচ্চ সমর্থন ও সহযোগিতা আদায় করা।

ক্যাম্পাসে যানচলাচল নিয়ন্ত্রণের লক্ষে প্রধান প্রবেশদ্বারগুলোতে দ্রুত চেকপোস্ট বসানো ও গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শুধুমাত্র নিবন্ধিত রিকশা চলাচল এবং রিকশাচালকদের জন্য ইউনিফর্ম ও ভাড়ার চার্ট প্রস্তুত করা।

ভ্রাম্যমান দোকানের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ ও প্রশাসন কর্তৃক যথাযথ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত করা এবং ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখতে নূন্যতম ৩০০ ডাস্টবিন স্থাপনের ব্যবস্থা করা।

প্রথম বর্ষ থেকে সকল শিক্ষার্থীর আইডি কার্ড প্রদান করা এবং ক্যাম্পাসের কিছু স্থানে সংরক্ষিত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা।

মাদকাসক্ত ও ভবঘুরে ব্যক্তিদের ক্যাম্পাস থেকে স্থায়ী উচ্ছেদ করা।

সম্পূর্ণ ক্যাম্পাসকে সিসিটিভির আওতায় আনা এবং ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত ল্যাম্পপোস্ট স্থাপন করা।

প্রক্টর অফিসে জমে থাকা সকল অভিযোগ নিষ্পত্তি করা।

নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করার লক্ষে প্রক্টোরিয়াল অফিসের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিগুলো বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা।

দাবি উত্থাপন শেষে আনিকা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষ পার করেছে, সেই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে যুক্ত হয়েছে শত শত সমস্যাও। এই সমস্যাগুলোর সংমিশ্রণে আজ ক্যাম্পাসে আমাদের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হওয়ার সাথে সাথে জীবনের শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। প্রতিনিয়ত নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ভুগছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আমাদের এই শিক্ষাঙ্গণ নিরাপদ করার লক্ষ্যে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ১১ দফা দাবি উপস্থাপন করেছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর ১১ দাবিতে স্মারকলিপি দেয়া হবে জানিয়ে আানিকা বলেন, ‘যদি আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়নের স্বপক্ষে যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়া হয়, তাহলে ১১ ডিসেম্বর থেকে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা কঠোর থেকে কঠোরতর কর্মসূচি নিয়ে দিতে বাধ্য হব।’

এর আগে গত শুক্রবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারুকলা অনুষদের বিপরীতে পাশের রাস্তা ধরে যাওয়ার সময় একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় পড়ে যান রুবিনা। চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

টিএসসি, ভিসি চত্বর হয়ে মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের কাছাকাছি পর্যন্ত রুবিনাকে এভাবেই টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় গাড়িটি।

এরপর লোকজন গাড়িটি আটকে নিচ থেকে রুবিনা আক্তারকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাড়ির চালকক আজাহার জাফর শাহকে মারধর করেন পথচারীরা। শাহাবাগ থানার পুলিশ পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক। আহত অবস্থায় বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ওই ঘটনার পর সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনের সামনে মশাল হাতে বিক্ষোভ করে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও অংশ নিতে দেখা যায়। এছাড়া রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ।

এসব কর্মসূচি থেকে বিক্ষোভকারীরা গাড়ি চাপায় ওই নারীর মৃত্যুর বিচারের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ, অবাধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে প্রবেশ পথগুলোতে পাহারা চৌকি বসানোসহ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
প্রাইভেট কারে টেনেহিঁচড়ে নেয়া নারী নিহতের ঘটনায় মামলা
ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার ‘জানতেন না’ গাড়িতে কেউ আটকে আছে
এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা
টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
At the behest of Bangabandhu Sheikh Moni brought talent into politics Tapas

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে শেখ মণি মেধাবীদের রাজনীতিতে এনেছিলেন: তাপস

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে শেখ মণি মেধাবীদের রাজনীতিতে এনেছিলেন: তাপস শেখ ফজলুল হক মণির কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর কথা বলছেন মেয়র তাপস। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র তাপস বলেন, ‘শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে শেখ মণি আন্দোলন করেছেন। তিনি মেধাবী ছাত্রদের রাজনীতিতে নিয়ে এসেছেন। মুক্তির সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রামে তাদের সম্পৃক্ত করেছেন।’

বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে শেখ ফজলুল হক মণি মেধাবী ছাত্রদের রাজনীতিতে নিয়ে এসেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন শেখ মণির ছোট ছেলে ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

রোববার সকালে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে ৮৪তম জন্মদিন উপলক্ষে শহীদ শেখ ফজলুল হক মণির কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে এই মন্তব্য করেন দক্ষিণের মেয়র।

মেয়র তাপস বলেন, ‘শেখ ফজলুল হক মণি বিদ্যালয় জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে তিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে পদার্পণ করেন। বাংলাদেশব্যাপী তার ওপর হুলিয়া ছিল। দীর্ঘ জীবন তার কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়েছে। তারপরও বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে সারা দেশে তিনি ছাত্রলীগকে সুসংগঠিত করেছেন।

‘শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে শেখ মণি আন্দোলন করেছেন। তিনি মেধাবী ছাত্রদের রাজনীতিতে নিয়ে এসেছেন। মুক্তির সংগ্রাম, স্বাধীনতার সংগ্রামে তাদের সম্পৃক্ত করেছেন।’

বঙ্গবন্ধুর ডাকে শেখ মণি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন উল্লেখ করে তাপস বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনী গঠন করে পাকহানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে রণাঙ্গনে নিজেই যুদ্ধ করেছেন, নেতৃত্ব দিয়েছেন। পরে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে জাতি গঠনে তিনি যুবলীগ গঠন করেছেন।’

শেখ মণি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন জানিয়ে তাপস বলেন, ‘তিনটি পত্রিকা তিনি চালু করেছিলেন- দৈনিক বাংলার বাণী, দ্য ডেইলি বাংলাদেশ টাইমস এবং বিনোদনমূলক সাপ্তাহিক সিনেমা। ত্যাগ এবং তিতিক্ষার মাধ্যমে জাতির জন্য তিনি নিবেদিতভাবে কাজ করেছেন।’

মেয়র তাপস এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে হত্যাকাণ্ডের শিকার সবার প্রতি শ্রদ্ধা জানান ও তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর সিতওয়াত নাঈম, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহমেদ, পরিবহন মহাব্যবস্থাপক মো. হায়দর আলী, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবিরসহ করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ও আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, কাউন্সিলরসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
মেয়র তাপসের নামে মামলা: ফের পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন
ফার্মেসি খোলা ২৪ ঘণ্টা, তাপসের নির্দেশ নাকচ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
রাত ২টার পর ওষুধের দোকানের দরকার নেই: তাপস
মেয়র তাপসের মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় পেছাল
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সরাতে বললেন মেয়র তাপস

মন্তব্য

p
উপরে