× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Quader requested to be careful in reporting the news of A League
google_news print-icon

আ.লীগের সংবাদ প্রকাশে সতর্ক থাকার অনুরোধ কাদেরের

আলীগের-সংবাদ-প্রকাশে-সতর্ক-থাকার-অনুরোধ-কাদেরের
বিআরটিএ কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি; নিউজবাংলা
কাদের বলেন, ‘আমাদের সম্পর্কে মিথ্যা খবর দেয়া থেকে বিরত থাকবেন। এটা আমার অনুরোধ। ইটস এ ফলস (মিথ্যা)। এটা ভুল। এখন আপনারা খবর নিতে পারেন। কী কারণে লোকটার মৃত্যু হয়েছে।’

দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের আওয়ামী লীগ সম্পর্কে মিথ্যা খবর দেয়া থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার খবরকে মিথ্যা দাবি করে এমন অনুরোধ জানান তিনি।

কাদের বলেন, ‘আমাদের সম্পর্কে মিথ্যা খবর দেয়া থেকে বিরত থাকবেন। এটা আমার অনুরোধ। ইটস এ ফলস (মিথ্যা)। এটা ভুল। এখন আপনারা খবর নিতে পারেন। কী কারণে লোকটার মৃত্যু হয়েছে।’

মঙ্গলবার রাজধানীর বনানী বিআরটিএর কার্যালয়ে জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলের ২৯তম সভায় সাংবাদিকদের উদেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গতকাল সোমবার সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনস্থলে দলের বিবদমান দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অর্ধশত ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সেখানে আজমল হোসেন চৌধুরী ওরফে আরমান নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে বলেছেন হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি।

আওয়ামী লীগও দাবি করেছে, তিনি কর্মসূচিতে ছিলেন না।

নিহত সেই ব্যক্তি সম্মেলনের ধারে কাছে ছিলেন না দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সে বাড়িতে ছিল। বাড়ি থেকে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। সে মৃত। এটাকে এখন বলা হচ্ছে, আমাদের সম্মেলনে মারামারি হয়ে একজন মারা গেছে।’

ক্ষমতাসীন দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমাদের একটা উপজেলা সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ওখানে ছোটখাটো একটা ঘটনা ঘটেছিল। বিদ্রোহীরা মঞ্চে বসা, কিন্তু পরবর্তীতে সম্মেলন সুন্দরভাবে শেষ হয়েছিল। সকালে পত্র-পত্রিকায় দেখলাম ১ জন মারা গেছে। এটা মৃত হওয়ার সুবাদে প্রথম পাতায় উঠে এসেছে। সম্মেলনের আশেপাশে কোথাও এ ধরনের ঘটনা ঘটে নাই। আমি পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেছি। এভাবে সম্মেলন নিয়ে নিউজ করা...।’

তিনি বলেন, ‘একটা ঘটনা ঘটেছে, একটা লোক দুবাই থাকে। সে দেশে আসছে৷ সে তার বাড়িতে ছিল। বাড়ি ওখান থেকে অনেক দূরে। সম্মেলনে ঘটনা ঘটেছে ১টায়৷ তিনটা বাজে ওর পরিবার ওকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। স্ট্রোক করে মারা গেছে, এর সাথে সম্মেলনের কোনো রিলেশন (সম্পর্ক) নাই। কোনোভাবেই সম্মেলনের সাথে এ ঘটনা যুক্ত নয়।’

সাংবাদিকদের বন্ধু আখ্যায়িত করে তাদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এভাবে যদি নিউজ করেন পুরোপুরি অবহিত না হয়ে। যদি কেউ মারা যায় সম্মেলনে সে ক্ষেত্রে তো প্রমাণ থাকবে। স্ট্রোক করেছে আপনারা (সাংবাদিক) খবর নেন।’

সম্প্রতি ছয়টি জেলা সম্মেলনে অংশ নেয়ার কথা জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কোথায় কোনো সম্মেলনে আমাদের এ প্রকার গোলমাল হয়েছে? একটা জেলা সম্মেলন কুমিল্লা যেটা হয়েছে সেটা সম্মেলন থেকে অনেক দূরে। ওই চৌরাস্তার মোড়। তাওতো সেখানে মারামারিও হয় নাই। কিছুই হয় নাই। পটকা-পাটকা ফুটাইছে। তাও সম্মেলন ভেন্যু থেকে দূরে। এগুলো আপনারা একটু খেয়াল রাখবেন।’

বিরোধী দল বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে এই সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী কাদের বলেন, ‘বিরোধী দল হলে চারদিন আগে আসতেছে, লঞ্চে আসতেছে, নৌকায় আসতেছে হেঁটে আসতেছে। দেন এটা আপনাদের ইচ্ছা। আমাদের এগুলো বারণ নাই। এগুলো আপনাদের ব্যাপার। পত্রিকার পলিসির ব্যাপার। কিন্তু আমাদের সম্পর্কে মিথ্যা খবর দেয়া থেকে বিরত থাকবেন। এটা আমার অনুরোধ। ইটস এ ফলস(মিথ্যা)। এটা ভুল। এখন আপনারা খবর নিতে পারেন। কী কারণে লোকটার মৃত্যু হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাজাহান খান, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার কাছে মাফ চান: আ.লীগকে বিএনপি নেতা
সিলেটে ধর্মঘট চান না শ্রমিকরা, দোটানায় মালিকরা
সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত জনগণ রাজপথেই থাকবে: ফখরুল
জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ নেতাকে অব্যাহতি
শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেখে ওদের এখন জ্বালা: কাদের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Reception for more than 600 leaders and workers of Pabna BNP released from jail

জেল থেকে ছাড়া পাওয়া পাবনা বিএনপির ৬ শতাধিক নেতা-কর্মীকে সংবর্ধনা

জেল থেকে ছাড়া পাওয়া পাবনা বিএনপির ৬ শতাধিক নেতা-কর্মীকে সংবর্ধনা ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ওইসব নেতা-কর্মীকে ফুলের মালা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতারা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন সময় কারাবরণ করা ছয় শতাধিক নেতা-কর্মীকে সংবর্ধনা দিয়েছে পাবনা জেলা বিএনপি। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ওইসব নেতা-কর্মীকে ফুলের মালা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতারা।

রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পাবনা শহরের লাহেড়ী পাড়াস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল মিন্টু বলেন, ‘দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রেও আমাদের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ছিল। যার কারণে হাজার চেষ্টা করেও দলকে ভাঙতে পারে নাই।’

তিনি বলেন, ‘যে কারণে আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম, সেই উদ্দেশ্য আজ ধূলিসাৎ হতে চলেছে। মানুষের অধিকার আজ লুন্ঠিত। সেই অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের সংগ্রাম চলবেই।

‘বিএনপির সংগ্রাম না করলে কেউ সংগ্রাম করবে না। কারণ বিএনপিই দেশের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় দল। এ জন্যই চলমান আন্দোলনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’

জেল থেকে ছাড়া পাওয়া পাবনা বিএনপির ৬ শতাধিক নেতা-কর্মীকে সংবর্ধনা

নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে চালিয়ে চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান বক্তা বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী ও পাবনা জেলা বিএনপির সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বলেন, ‘দেশনায়ক তারেক রহমানের ডাকে যে ভোট বর্জনের ডাক দেয়া হয়েছিল, জনগণ সেই ডাকে সাড়া দিয়ে ভোট বর্জনের মাধ্যমে তারেক রহমানকে নৈতিক সমর্থন দিয়েছে।

‘আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। আন্দোলন সফল করে তোলার আগে আমরা ঘরে ফিরে যাব না। এজন্য সবার আগে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

নিজেদের মধ্যে বিভেদ ভুলে যেতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে হাতে হাত মিলিয়ে দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। যে লড়াই তারেক রহমান শুরু করেছেন, সেই লড়াইয়ে বিজয়ী না হয়ে আমরা শান্ত হব না।’

জেল থেকে ছাড়া পাওয়া পাবনা বিএনপির ৬ শতাধিক নেতা-কর্মীকে সংবর্ধনা

পাবনা জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকারের পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন ও কৃষক দলের আহ্বায়ক কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য কে এম আনোয়ারুল হক, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবু, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান, যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক বাবু, আবু ওবায়দা শেখ তুহিন, নুর মোহাম্মদ মাসুম বগা, জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সন্টু সরদার, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেহানুল ইসলাম বুলাল প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
বিএনপি নেতা হাবিবের সাজা আপিলেও বহাল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
No one has to go without food now Agriculture Minister

কাউকে এখন না খেয়ে থাকতে হয় না: কৃষিমন্ত্রী

কাউকে এখন না খেয়ে থাকতে হয় না: কৃষিমন্ত্রী ফাইল ছবি
মন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাক আওয়ামী লীগ সরকার সেটা চায় না। তাই বর্তমান সরকার হতদরিদ্র অসচ্ছল মানুষদের সুচিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করে যাচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, কাউকে এখন না খেয়ে থাকতে হয় না। দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের আমলে খাদ্য নিরাপত্তায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার রাজঘাট ইউনিয়নের বর্মা ছড়া চা বাগানে চা শ্রমিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাক আওয়ামী লীগ সরকার সেটা চায় না। তাই বর্তমান সরকার হতদরিদ্র অসচ্ছল মানুষদের সুচিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করে যাচ্ছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন দেশের মানুষ যেন শান্তিতে থাকে। তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সবার কাজ হচ্ছে মানুষের ভালো মন্দ দেখা। মানুষের কল্যাণ হয় এমন কাজ খুঁজে বের করা।

এ সময় শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অর্ধেন্দু কুমার দেব, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক উম্মে ফারজানা, রাজঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিজয় ব্যানার্জী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এর আগে মন্ত্রী কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Power sector in deep crisis Rizvi

বিদ্যুৎ খাত গভীর সংকটে: রিজভী

বিদ্যুৎ খাত গভীর সংকটে: রিজভী রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: ফোকাস বাংলা
রিজভী বলেন, ‘তাপমাত্রা এখনও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে, অথচ দেশের মানুষ সকাল-সন্ধ্যা লোডশেডিংয়ে ভুগছে।’

দেশের বিদ্যুৎ খাত গভীর সংকটে নিমজ্জিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে এ কথা বলেন তিনি। খবর ইউএনবির

রিজভী বলেন, ‘বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

‘কাদের দাবি করেছেন, দেশের মানুষ শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছেন। অথচ তার কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশে স্বল্প পরিসরে হলেও লোডশেডিং থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘তাপমাত্রা এখনও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে, অথচ দেশের মানুষ সকাল-সন্ধ্যা লোডশেডিংয়ে ভুগছে।’

‘বিএনপি দেশের মানুষকে উপেক্ষা করে বিদেশি প্রভুর কাছে ধরনা দিচ্ছে’ ওবায়দুল কাদেরের এ বক্তব্যের নিন্দা করেন রিজভী।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের সম্ভবত স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছে। কারণ তিনি ২০১৪ সালের নির্বাচন ভুলে গিয়েছিলেন, যখন ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুজাতা সিং আওয়ামী লীগকে তাদের সমর্থন করতে এবং এইচএম এরশাদকে নির্বাচনে যোগদান করানোর জন্য বাংলাদেশ সফর করেছিলেন।’

এটি একটি সার্বভৌম দেশে হস্তক্ষেপের স্পষ্ট লক্ষণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন ফারুক, জয়নাল আবেদীন (ভিপি জয়নাল), সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, সহ-অর্থনৈতিক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম
আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে: রিজভী
মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1300 buildings were identified as dangerous but could not be demolished
সংসদে সাবেক গণপূর্তমন্ত্রীর আক্ষেপ

১৩০০ ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করেও ভাঙতে পারিনি

১৩০০ ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করেও ভাঙতে পারিনি
সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা ১৩০০ ভবনকে চিহ্নিত করেছিলাম, যেগুলো গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী তৈরি করা হয়নি। কিন্তু সেগুলো ভাঙা সম্ভব হয়নি। এটাও এক প্রকার দায়মুক্তি দেয়া।’

নিজের মন্ত্রিত্বের আমলে এক হাজার তিনশ’ ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করেও সেগুলো ভাঙতে না পারার আক্ষেপ জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। তিনি বলেছেন, ওইসব ভবন মন্ত্রণালয় অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী তৈরি করা হয়নি। তারপরও সেই ভবনগুলো ভাঙা সম্ভব হয়নি।

শনিবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘শেখ হাসিনার হাতে দায়মুক্তির সংস্কৃতি ধ্বংস হয়েছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বড় বড় অপরাধীদের বিচার হয়েছে। সেক্ষেত্রে দায়মুক্তির সংস্কৃতি থেকে আমরা বেরিয়ে এসেছি। কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় আরও কঠিন পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

‘২০১৯ সালে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগার পর গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ে কাজ করেছিলাম। তদন্ত করে ৬২ জনের বিরুদ্ধে আমরা রিপোর্ট দিয়েছিলাম। দুর্ভাগ্য, সর্বোচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি রিপোর্ট দেয়ার পরও সবার বিরুদ্ধে মামলা হয়নি। তারপর চার্জশিট দেয়ার সময় অনেককে বাদ দেয়া হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, আজ পর্যন্ত সে মামলার অভিযোগ গঠন হয়নি।’

সরকারি দলের এই সদস্য বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জে একটি ফ্যাক্টরিতে ৫২ জন লোককে পুড়িয়ে হত্যা করা হলো (২০২১ সালে)। সে মামলার আসামিরা জেলে গেছে। সে বিচার আজ পর্যন্ত শুরু হয়নি। এরকম অনেক ঘটনা আছে।

‘এ জাতীয় অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত প্রয়োজনে আইন পরিবর্তন করে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল করে তাদের বিচার করতে হবে। নাহলে অন্যদের কাছে একটা মেসেজ যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সে সময় ১৩০০ ভবনকে চিহ্নিত করেছিলাম, যেগুলো গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী তৈরি করা হয়নি। কিন্তু সেগুলো ভাঙা সম্ভব হয়নি। এটাও এক প্রকার দায়মুক্তি দেয়া।’

আরও পড়ুন:
সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর বিচার চান আ.লীগের এমপি কামাল মজুমদার
শপথ নিলেন সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের এমপি
চাঁদাবাজি সমাজে সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে
ডেঙ্গুতে দেশে এক বছরে ১৭২১ জনের মৃত্যু হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Former land minister Javed admitted about wealth abroad

বিদেশে সম্পদের কথা স্বীকার করলেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাভেদ

বিদেশে সম্পদের কথা স্বীকার করলেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাভেদ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন চট্রগ্রাম-১৩ আসনের এমপি সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ। ছবি: ফোকাস বাংলা
তবে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর দাবি, বিদেশের সম্পদ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে কোনো টাকা নেননি তিনি।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে নিজের ব্যবসা ও সম্পদ থাকার কথা স্বীকার করেছেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ। তবে তার দাবি, বিদেশের সম্পদ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে কোনো টাকা নেননি তিনি।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে চট্রগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলি) আসন থেকে নির্বাচিত এ সংসদ সদস্য এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আমার বাবা ১৯৬৭ সাল থেকে লন্ডনে ব্যবসা করেছেন। আমি নিজে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করে ১৯৯১ সাল থেকে সেখানে ব্যবসা করছি। এরপর আমি লন্ডনে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছি।’

নির্বাচনী হলফনামায় বিদেশে সম্পদ থাকার কথা গোপন করার বিষয়ে সাবেক এ ভূমিমন্ত্রী বলেন, ‘হলফনামা পুরোপুরি বাংলাদেশের আয়কর রিটার্নের ওপর ভিত্তি করে দেয়া হয়। এতে বিদেশে সম্পদের তথ্য দেয়ার আলাদা কোনো ছক নেই।’

তিনি বলেন, ‘বিদেশে আমার আলাদা আয়কর নথি আছে। আর বিদেশে যে সম্পদ আছে, এর পেছনে ব্যাংক ঋণও আছে।’

মন্ত্রী থাকার সময় লন্ডনে ব্যবসার ব্যাপক সম্প্রসারণের বিষয়ে সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘করোনা মহামারি আমার জন্য সুযোগ হয়ে আসে। সে সময় লন্ডনে বাড়ির দাম পড়ে যায়। ব্যাংক ঋণের সুদও কমে যায়। সেসময় ঝুঁকি নিয়ে আমি লাভবান হয়েছি।’

‘মন্ত্রী থাকার সময় তার মন্ত্রণালয়ে এক টাকার দুর্নীতিও হয়নি’ দাবি করে তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত দল গঠন করে তদন্ত হতে পারে।’

তার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

নিজেকে ‘আগে ব্যবসায়ী, পরে রাজনীতিক’ উল্লেখ করে সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘নিজের নামে সম্পদ করেছি জেনেবুঝে। কারণ, আমার সন্তানদের তখন মালিক হওয়ার মতো বয়স ছিল না। আমার বিদেশের সম্পদের পরম্পরা (ট্রেইল আছে) আছে। সুতরাং, নিজের নামে সম্পদ করেছি জেনেই।’

আরও পড়ুন:
ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The movement has not ended but has begun Amir Khusrau

আন্দোলন শেষ হয়নি বরং শুরু হয়েছে: আমীর খসরু

আন্দোলন শেষ হয়নি বরং শুরু হয়েছে: আমীর খসরু চট্টগ্রাম নগরীর কাজির দেউরীতে দলীয় কার্যালয়ের মাঠে শনিবার বিএনপির মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা
‘জনগণের ভোট কেড়ে নেয়া এই রেজিমের বিরুদ্ধে, কিছু সুবিধাবাদী লোক যারা জনগণের সব অধিকার ও ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। বাংলাদেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ এই আন্দোলন করছে। এটা বাস্তবায়িত হবেই।’

জনগণের আন্দোলন শেষ হয়নি বরং শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপির আন্দোলন সরকারের ১৫ বছরের অপশাসনের বিরুদ্ধে। দেশপ্রেমী জনগণের অংশগ্রহণে এক বিশাল আন্দোলনের সূচনা হয়েছে। শেষ নয়, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্টদের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন অব্যাহত আছে।’

চট্টগ্রাম নগরীর কাজির দেউরী নাসিমন ভবনে দলীয় কার্যালয়ের মাঠে শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব বলেন।

তিনি বলেন, ‘জনগণ বিএনপির পক্ষে রায় দিয়েছে। দেশের মানুষের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি। তারা এখনও ভোটাধিকার প্রয়োগের অপেক্ষায় আছে।

‘জনগণের ভোট কেড়ে নেয়া এই রেজিমের বিরুদ্ধে, কিছু সুবিধাবাদী লোক যারা জনগণের সব অধিকার ও ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। বাংলাদেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ এই আন্দোলন করছে। এটা বাস্তবায়িত হবেই।’

আমীর খসরু বলেন, বিএনপি রাজনৈতিক দল হিসেবে অনেক শক্তিশালী। নির্বাচনের পর আরও শক্তিশালী হয়েছে। আমার ব্যক্তিগতভাবে মনোবল আগে থেকে আরও শক্তিশালী হয়েছে। এটাই রাজনীতি, রাজনীতির জয়। এটাই বিএনপির সফলতা।

‘বিএনপি অনেক শক্তিশালী অবস্থানে আছে তারেক রহমানের নেতৃত্বে। কর্মীরা কর্মসূচির অপেক্ষায় আছে। সামনে রমজান মাস আসছে। আমরা রোজা রাখবো, নামাজ পড়ব। সঙ্গে সঙ্গে বিএনপির সব কর্মসূচিকে সফলভাবে পালন করতে হবে। এতে সবাই যেমন চাঙ্গা থাকবে তেমনি জনগণের কাছে যেতে পারবে।

‘ইফতার পার্টি না করে ওই টাকা দিয়ে জনগণের কাছে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করবো। বাংলাদেশের মানুষ বিএনপির রাজনীতির শক্তি। মানুষের কাছে যেতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্করের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, এস এম ফজলুল হক, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম, শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, উপজাতি বিষয়ক সম্পাদক ম্যা মা চিং প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফেরানোর আন্দোলন চলবে: ফখরুল
মির্জা ফখরুল ও আমীর খসরুর জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই
আরও দুই মামলায় জামিন পেলেন আমীর খসরু
আমীর খসরুকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে রোববার হরতাল
এবার বিএনপি নেতা আমির খসরু আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kusik mayoral candidate Sakkur courtyard meeting attacked and vandalized

কুসিক মেয়র প্রার্থী সাক্কুর উঠান বৈঠকে হামলা ভাঙচুর

কুসিক মেয়র প্রার্থী সাক্কুর উঠান বৈঠকে হামলা ভাঙচুর কুসিক উপনির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর উঠান বৈঠকে শুক্রবার বিকেলে হামলা চালিয়ে চেয়ার ও টেবিল ভাঙচুর করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ হোসেন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর উঠান বৈঠকে বাস প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে (কুসিক) উপনির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর উঠান বৈঠকে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগের দুই নেতার বিরুদ্ধে।

নগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের গদার মার কলোনিতে শুক্রবার বিকেল পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

টেবিল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়া সাক্কুর ব্যক্তিগত সহকারী কবির মজুমদারের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের এক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আরেক যুবলীগ নেতার কর্মী-সমর্থকরা সাক্কুর উঠান বৈঠকে চেয়ার ও টেবিল ভাঙচুর করেন।

কবির বলেন, ‘আগে থেকে ঠিক করে রাখা কর্মসূচি অনুযায়ী আমাদের গদারমা কলোনিতে উঠান বৈঠকের প্রস্তুতি চলছিল। বৈঠকের আগে চেয়ার, টেবিল সাজানোর কাজ চলছিল।’

তিনি আরও বলেন, হঠাৎ করে ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাইফুল বিন জলিল ও যুবলীগ নেতা রোকন উদ্দীনের নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল এসে চেয়ার ও টেবিল ভাঙচুর করেন। ওই সময় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে।

কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ হোসেন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর উঠান বৈঠকে বাস প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা হামলা চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় মেয়র প্রার্থী সাক্কুর উঠান বৈঠকে হামলা, ভাংচুর
রাজশাহী বার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপিপন্থিদের ‘হাতাহাতি’
কুসিক উপনির্বাচনে অনিয়মের সুযোগ নেই: ইসি আনিছুর
মাদক ও অস্ত্র উদ্ধারে দেশসেরা কুমিল্লা জেলা পুলিশ 
বনের জমি উদ্ধারে গিয়ে হামলায় কর্মকর্তা হাসপাতালে

মন্তব্য

p
উপরে