× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A school spreading light for 138 years
google_news print-icon

১৩৮ বছর ধরে আলো ছড়ানো এক স্কুল

১৩৮-বছর-ধরে-আলো-ছড়ানো-এক-স্কুল
কৃষ্ণধন (কেডি) সরকারি উচ্চবিদ্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা
রাষ্ট্র ও সমাজে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী অনেকেই এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। ১৮৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যাপীঠটি ১৯৬০ সালে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অধীনে একটি বহুমুখী বিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলা হয়। চালু হয় বিজ্ঞান, মানবিক এবং কৃষি বিভাগ। ১৯৭০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।

কৃষ্ণধন (কেডি) সরকারি উচ্চবিদ্যালয় নওগাঁর সবচেয়ে পুরোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ১৩৮ বছরের পথচলায় সময়ের সঙ্গে শুধু জেলা শহরই নয়, প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়েছে এই বিদ্যালয়। এর আলোয় আলোকিত হয়ে দেশ-বিদেশে অবস্থান করছেন অনেকেই।

রাষ্ট্র ও সমাজে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী অনেকেই এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন।

১৯৭৭ সালে নওগাঁ মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়। কৃষিসমৃদ্ধ এই মহকুমার লোকজনের মোটা ভাত-কাপড়ের অভাব ছিল না বলেই তারা লেখাপড়া শেখায় তেমন তাগিদ অনুভব করেনি। স্থানীয় জমিদাররা উচ্চশিক্ষার জন্য তাদের সন্তানদের দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠাতেন। জনসাধারণের মধ্যেও শিক্ষা বিস্তারে উদাসীনতা ছিল।

এই পরিস্থিতিতে ১৮৮৪ সালে একটি উচ্চবিদ্যালয় (পরবর্তী সময়ে কেডি উচ্চবিদ্যালয় নামে খ্যাত) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন তৎকালীন সাব ডেপুটি কালেক্টর কৃষ্ণধন বাগচি। সহযোগিতায় এগিয়ে আসে মহকুমার জমিদার, বিত্তশালী মানুষ ও কৃষকরা। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর নামকরণ নিয়ে বিতণ্ডা দেখা দেয়। তবে এর নামকরণ করা হয় কৃষ্ণধন বাগচির নামেই। পরবর্তী সময়ে এই নামের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

১৯৬০ সালে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অধীনে বিদ্যালয়টিকে একটি বহুমুখী বিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকার অনুদান দেয়। তারপর নতুন ব্যবস্থা অনুযায়ী বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, মানবিক এবং কৃষি বিভাগের পড়াশোনা চালু করা হয়। ১৯৭০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।

১৩৮ বছর ধরে আলো ছড়ানো এক স্কুল
কৃষ্ণধন (কেডি) সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়

১৯৮৪ সালে নওগাঁ জেলা ঘোষণা হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এই বিদ্যালয়কে জিলা স্কুল নামকরণের প্রস্তাব পাঠানো হয়। সে সময় কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাবকে ফিরিয়ে দেয়। কারণ কেডি উচ্চবিদ্যালয় যদি জিলা স্কুলে পরিণত হতো, তাহলে কৃষ্ণধন বাগচির অবদান হারিয়ে যেত।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কেডি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সে সময়ের প্রাক্তন ও অধ্যয়নরত অনেক শিক্ষার্থীই যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। বেশ কয়েকজন মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন।

নওগাঁর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘একুশে পরিষদ নওগাঁ’র সহসভাপতি ও ‘নওগাঁর বরেণ্য ব্যক্তি’ শিরোনামের বইয়ের লেখক মোস্তফা-আল-মেহমুদ রাসেল বলেন, ‘আমি আমার লিখা নওগাঁর বরেণ্য ব্যক্তি বইতে এই বিদ্যালয়ের ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। সেখানে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের কথাও তুলে আনা হয়েছে। বিদ্যালয়টির অনেক শিক্ষার্থী মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাদের মধ্যে ১১ জন শহীদ হন। তারা হলেন নজমুল হক, কুদরত-ই-এলাহী, কাজী নুরুন নবী, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইদ্রীস আলী, ইব্রাহিম আলী খন্দকার, এস এম মতিউল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, সানা উল্লাহ, হিম্মত আলী এবং আব্দুর রাজ্জাক।’

এই বিদ্যালয় থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিরা হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ হোসেন তরফদার, আখতারুজ্জামান রঞ্জু, খন্দকার মকবুল হোসেন, আফজাল হোসেন, শফিকুল ইসলাম খান, মমিনুল হক ফুটি, তৌফিক এলাহী এবং আলতাফুল হক চৌধুরী আরব।

বিদ্যালয়ে গিয়ে কথা হয় ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রহমতুল্লাহ ও সপ্তম শ্রেণির সোহরাব হোসেনের সঙ্গে। তারা জানায়, জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে পড়তে পেরে তারা গর্বিত। এখান থেকে পাস করে অনেক শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছেন। ভবিষ্যতে ভালো ফলাফল অর্জন করে তারা দেশকে জানিয়ে দিতে চায়, তারা নওগাঁ কেডি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র।

বিদ্যালয়টির বর্তমান প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মামুন অর রশীদের সঙ্গে কথা হলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিদ্যালয়টি চালুর পর যোগেশ্বর, শ্রীনরেন্দ্রনাথ, শশীকিশোর চাকদারসহ অনেক নামকরা শিক্ষক এখানে শিক্ষকতা করেছেন। বিদ্যালয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রধান শিক্ষক ছিলেন ব্রজবল্লভ। তিনি ১৮৯৬ থেকে ১৯২৪ সালে মৃত্যুর আগপর্যন্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন। এরপর হাতেম আলী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব থাকাকালীন ১৯৪১ সালে স্কুলে প্রথম ম্যাগাজিন প্রকাশ পায়। তৎকালীন গভর্নর সার্জন হার্ডবাক বিদ্যালয়টি একবার পরিদর্শন করেছিলেন। প্রতিবছর বিদ্যালয়টি থেকে এসএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায় শতভাগ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়ে আসছে।’

এখন এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীসংখ্যা ১ হাজার ৯৮৫। ১৬টি কক্ষে পাঠদান চলে। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার জন্য প্রধান শিক্ষক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নিয়মিত সংস্কৃতি, ক্রীড়া, মানবিক গুণাবলি ও উন্নত মানসিকতা বিকাশে এটি যত্নশীল।

অবকাঠামোগত সমস্যার কথা তুলে ধরে প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘বিদ্যালয়টিতে চারটি ভবনে মোট ৪২টি কক্ষ থাকলেও ব্যবহার হয় ১৬টি। বাকিগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী। এ ছাড়া বিদ্যালয়টিতে রয়েছে সীমানাদেয়ালের সমস্যা, বেঞ্চ সংকট। একটি ছাত্রাবাস থাকলেও তা ব্যবহার হয় না।’

জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) আবু সাঈদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কেডি সরকারি উচ্চবিদ্যালয় অনেক পুরাতন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেখানে কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। স্কুল কর্তৃপক্ষ চাহিদাপত্র দিয়েছে। আমরা সেটা শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবহিত করেছি। বরাদ্দ পেলে অবশ্যই সমস্যাগুলোর সমাধান করা হবে।’

আরও পড়ুন:
নওগাঁবাসীর জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকরি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
After two years of disappearance it was found that Mofizul was murdered
মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল খুন হয়েছিলেন মফিজুল

নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল খুন হয়েছিলেন মফিজুল নাটোরের গুরুদাসপুরে রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাটি খুঁড়ে চাঁচকৈড় পুরানপাড়া মহল্লার একটি বালিকা মাদ্রাসার সেপটিক ট্যাংকের পাশ থেকে মফিজুলের পুঁতে রাখা দেহাবশেষ উদ্ধার করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত
নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘নিহত মফিজুলের স্বজনরা মনে করেছিলেন, অভিমান বা অন্য কোনো কারণে তিনি নিখোঁজ হয়েছেন। একসময় হয়ত বাড়িতে ফিরেও আসবেন। আশায় প্রতীক্ষার প্রহর গুণছিলেন তার স্বজনরা, কিন্তু দুই বছর পর সবাই জানতে পারলেন, খুন হয়েছেন তিনি।’

এ যেন সিনেমাকেও হার মানায়। স্বজনরা মনে করেছিলেন, মফিজুল একদিন ফিরে আসবেন; কিন্তু নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল তিনি খুন হয়েছেন; প্রেমের সম্পর্কের জেরে খুন হয়েছেন দুবছর আগেই।

এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে নাটোরের গুরুদাসপুরে। রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাটি খুঁড়ে চাঁচকৈড় পুরানপাড়া মহল্লার একটি বালিকা মাদ্রাসার সেপটিক ট্যাংকের পাশ থেকে মফিজুলের পুঁতে রাখা দেহাবশেষ উদ্ধার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনকে গেপ্তার করা হয়েছে।

নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাইনুল ইসলাম জানান, বিস্কুট ফ্যাক্টরিতে চাকরির সুবাদে গুরুদাসপুর উপজেলার খলিফাপাড়া মহল্লার এক সন্তানের পিতা মাফিজুলের সঙ্গে একই মহল্লার গৃহবধূ তানজিলা খাতুনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ নিয়ে তানজিলার সঙ্গে তার স্বামী আল হাবিবের দাম্পত্যে বিবাদ দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে তানজিলার বাবা আবু তাহের খলিফার কাছে অভিযোগ করেন হাবিব।

এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে জামাতা হাবিবকে সঙ্গে নিয়ে মফিজুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন আবু তাহের খলিফা। প্রেমিকের কারণে সংসারে অশান্তি হচ্ছে ভেবে তাদের পরিকল্পনায় শামিল হন তানজিলাও।

নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল খুন হয়েছিলেন মফিজুল

পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১৭ এপ্রিল কৌশলে মাফিজুলকে তারা চাঁচকৈড় বালিকা দাখিল মাদ্রাসার ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে মফিজুলের হাত-পা বেঁধে ও মুখে স্কচটেপ আটকে তারা তিনজনসহ আরও কয়েকজন মিলে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে তাকে হত্যা করেন। পরে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে মাফিজুলের মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখেন তারা।

ছেলে নিখোঁজ হয়েছে ভেবে মাফিজুলের মা গুরুদাসপুর থানায় ২০২২ সালের ৭ মে থানায় জিডি করেন।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর তানজিলা-হাবিব দম্পত্তির মধ্যে কলহ আরও বেড়ে যায়। এ কারণে ২০২২ সালের মে মাসে স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা করেন তানজিলা। ওই মামলায় নাটোর কারাগারে যান আল হাবিব।

নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল খুন হয়েছিলেন মফিজুল

এরপর দীর্ঘদিন কারাবাসে থাকায় গুরুদাসপুরের খলিফাপাড়া মহল্লার জাকির মুন্সি নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে কারাগারে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে আল হাবিবের। আলাপচারিতায় আল হাবিব হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জাকির মুন্সিকে জানান।

জাকির জামিনে মুক্তি পেয়ে নিহত মাফিজুলের পরিবারকে ঘটনাটি খুলে বলে। সবশেষ দুদিন আগে কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে আসেন আল হাবিব।

শুক্রবার রাতেই নিহত মাফিজুলের মা মাইনুর বেগম বাদী হয়ে গুরুদাসপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ ও র‌্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে আবু তাহের খলিফা, মেয়ে তানজিলা খাতুন, জামাই আল হাবিব সরকার ও তাদের প্রতিবেশী আশরাফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যার শিকার মাফিজুলের পুঁতে রাখা দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়।

নিখোঁজের দুই বছর পর জানা গেল খুন হয়েছিলেন মফিজুল

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ‘নিহত মফিজুলের স্বজনরা মনে করেছিলেন, অভিমান বা অন্য কোনো কারণে তিনি নিখোঁজ হয়েছেন। একসময় হয়ত বাড়িতে ফিরেও আসবেন।

‘আশায় প্রতীক্ষার প্রহর গুণছিলেন তার স্বজনরা, কিন্তু দুই বছর পর সবাই জানতে পারলেন, খুন হয়েছেন মাফিজুল।’

এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছেন স্থানীয়রা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Reception for more than 600 leaders and workers of Pabna BNP released from jail

জেল থেকে ছাড়া পাওয়া পাবনা বিএনপির ৬ শতাধিক নেতা-কর্মীকে সংবর্ধনা

জেল থেকে ছাড়া পাওয়া পাবনা বিএনপির ৬ শতাধিক নেতা-কর্মীকে সংবর্ধনা ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ওইসব নেতা-কর্মীকে ফুলের মালা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতারা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন সময় কারাবরণ করা ছয় শতাধিক নেতা-কর্মীকে সংবর্ধনা দিয়েছে পাবনা জেলা বিএনপি। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ওইসব নেতা-কর্মীকে ফুলের মালা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন কেন্দ্রীয় ও জেলা বিএনপির নেতারা।

রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পাবনা শহরের লাহেড়ী পাড়াস্থ জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান আব্দুল আওয়াল মিন্টু বলেন, ‘দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রেও আমাদের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ছিল। যার কারণে হাজার চেষ্টা করেও দলকে ভাঙতে পারে নাই।’

তিনি বলেন, ‘যে কারণে আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলাম, সেই উদ্দেশ্য আজ ধূলিসাৎ হতে চলেছে। মানুষের অধিকার আজ লুন্ঠিত। সেই অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের সংগ্রাম চলবেই।

‘বিএনপির সংগ্রাম না করলে কেউ সংগ্রাম করবে না। কারণ বিএনপিই দেশের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় দল। এ জন্যই চলমান আন্দোলনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’

জেল থেকে ছাড়া পাওয়া পাবনা বিএনপির ৬ শতাধিক নেতা-কর্মীকে সংবর্ধনা

নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে চালিয়ে চাওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধান বক্তা বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী ও পাবনা জেলা বিএনপির সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বলেন, ‘দেশনায়ক তারেক রহমানের ডাকে যে ভোট বর্জনের ডাক দেয়া হয়েছিল, জনগণ সেই ডাকে সাড়া দিয়ে ভোট বর্জনের মাধ্যমে তারেক রহমানকে নৈতিক সমর্থন দিয়েছে।

‘আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। আন্দোলন সফল করে তোলার আগে আমরা ঘরে ফিরে যাব না। এজন্য সবার আগে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

নিজেদের মধ্যে বিভেদ ভুলে যেতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে হাতে হাত মিলিয়ে দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। যে লড়াই তারেক রহমান শুরু করেছেন, সেই লড়াইয়ে বিজয়ী না হয়ে আমরা শান্ত হব না।’

জেল থেকে ছাড়া পাওয়া পাবনা বিএনপির ৬ শতাধিক নেতা-কর্মীকে সংবর্ধনা

পাবনা জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ খান মন্টুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকারের পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুর রহমান চন্দন ও কৃষক দলের আহ্বায়ক কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য কে এম আনোয়ারুল হক, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য জহুরুল ইসলাম বাবু, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মান্নান, যুগ্ম আহ্বায়ক আনিসুল হক বাবু, আবু ওবায়দা শেখ তুহিন, নুর মোহাম্মদ মাসুম বগা, জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক জহুরুল ইসলাম, ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সন্টু সরদার, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেহানুল ইসলাম বুলাল প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
বিএনপি নেতা হাবিবের সাজা আপিলেও বহাল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Life sentence for 5 people in Jhenaidah fish farmer killing

ঝিনাইদহে মাছচাষী হত্যায় ৫ জনের যাবজ্জীবন

ঝিনাইদহে মাছচাষী হত্যায় ৫ জনের যাবজ্জীবন ফাইল ছবি
রোববার সকালে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. বাহাউদ্দিন আহমেদ এ দণ্ড দেন।

ঝিনাইদহে মাছ চাষী শরিফুল ইসলাম টুলু হত্যা মামলায় ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রোববার সকালে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. বাহাউদ্দিন আহমেদ এ দণ্ড দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমাইল হোসেন জানান, ২০০৯ সালের ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে সদর উপজেলার লাউদিয়া গ্রামের একটু পুকুরে মাছের খাবার দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন ওই গ্রামের শফিকুল ইসলাম টুলু। সে সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে একই গ্রামের জাহিদুল ইসলাম, জসিম, খোকনসহ আরও কয়েকজন তাকে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

তিনি জানান, সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও পরে খুলনা মেডিক্যালে ভর্তি করা হলে পরদিন মারা যান। এ ঘটনায় ৯ সেপ্টেম্বর নিহতের ভাই সরফুদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

ইসমাইল হোসেন জানান, মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আসামি জাহিদুল, খোকন, ইলিয়াস, জসিম ও সেলিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন বিচারক।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Where did the skeleton go from the grave?

কবর থেকে কঙ্কাল গেল কোথায়

কবর থেকে কঙ্কাল গেল কোথায় ছবি: নিউজবাংলা
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। তারা জানান, এই কবরস্থানে তাদের পূর্বপুরুষদের দাফন করা হয়েছে। অনেক সময় তাদের কথা মনে পড়লে কবর জিয়ারত করেন তারা, কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘মরেও শান্তি নাই’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

মানিকগঞ্জের জান্নাতুল বাকি কবরস্থান থেকে ১৮টি কঙ্কাল চুরির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার রাতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের শিবালয় উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়নের নবগ্রাম এলাকায় অবস্থিত ওই কবরস্থানে এ ঘটনা ঘটে।

মহাদেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘রোববার সকালে স্থানীয়রা কবরস্থানের পাশের রাস্তা দিয়ে কাজে যাওয়ার পথে কবরের মাটি খোড়া দেখে কবরস্থান কমিটির লোকজনকে জানান। পরে তারা গিয়ে দেখেন, রাতের আঁধারে কারা ১৮টি কঙ্কাল চুরি করে নিয়ে গেছে। এরপর বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।’

এর আগেও এই কবরস্থান থেকে কয়েকবার কঙ্কাল চুরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। তারা জানান, এই কবরস্থানে তাদের পূর্বপুরুষদের দাফন করা হয়েছে। অনেক সময় তাদের কথা মনে পড়লে কবর জিয়ারত করেন তারা, কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘মরেও শান্তি নাই’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

শিবালয় থানার ওসি আব্দুর রউফ সরকার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রাতের আঁধারে কারা কী উদ্দেশ্যে কঙ্কাল চুরি করেছে, তা তদন্ত করে বের করা হবে।

জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন:
দাফনের পর মরদেহ মিলল বাঁশঝাড়ে
কঙ্কাল চোর চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার
কবরস্থান থেকে ৫ নারীর কঙ্কাল চুরি
‘একেকটি কঙ্কাল বিক্রি হয় সাড়ে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকায়’
কবরস্থান থেকে রাতারাতি ১১ কঙ্কাল উধাও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death of uncle nephew due to alcohol consumption at Gaye Turan event

গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে ‘মদ্যপানে’ মামা-ভাগ্নের মৃত্যু

গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে ‘মদ্যপানে’ মামা-ভাগ্নের মৃত্যু নিহত দীপু সরকার (বাঁয়ে) ও প্রসেনজিৎ সরকার। কোলাজ: নিউজবাংলা
নিহত দীপুর মামাতো ভাই সঞ্জয় সরকার বলেন, ‘শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর এলাকায় আমার বোনের গায়ে হলুদ ছিল। এ উপলক্ষে দীপু ও প্রসেনজিৎসহ ৬/৭ জন যুবক দেশীয় মদ্যপান করে আনন্দ করেন।’

মানিকগঞ্জ সদরে বিয়ের অনুষ্ঠানে দেশীয় মদ্যপানে দীপু সরকার ও প্রসেনজিৎ সরকার নামের দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত দুই যুবক সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে বলে জানা গেছে।

শনিবার রাতে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও মানিকগঞ্জ মুন্নু মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে তাদের মৃত্যু হয়।

২১ বছর বয়সী প্রসেনজিৎ মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের বয়রা ইউনিয়নের দাসকান্দি বয়ড়া এলাকার বাসিন্দা এবং ২৯ বছর দীপু সরকার গাজীপুরের ভাওয়াল কলেজ পাড়া এলাকার সতীশ সরকারের ছেলে।

নিহত দীপুর মামাতো ভাই সঞ্জয় সরকার বলেন, ‘শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর এলাকায় আমার বোনের গায়ে হলুদ ছিল। এ উপলক্ষে দীপু ও প্রসেনজিৎসহ ৬/৭ জন যুবক দেশীয় মদ্যপান করে আনন্দ করেন।’

তিনি বলেন, ‘সারা রাত আনন্দ করার পর শনিবার সকালে দীপু ও প্রসেনজিৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। বাড়িতে বিশ্রামের পর অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় শনিবার সন্ধ্যায় তাদের হরিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে রেফার করেন, কিন্তু পরিবারের লোকজন দীপুকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে না নিয়ে মানিকগঞ্জ কর্ণেল মালেক মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে এবং প্রসেনজিৎকে মুন্নু মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে দুই হাসপাতাল থেকেই চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি জানান, দীপুর মরদেহ বলড়া শ্মশানে দাহ করা হয়েছে। আর প্রসেনজিতের মরদেহ মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া আহত আরও চারজন নবাবগঞ্জের বান্দুরা হেলাল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. হাবিল হোসেন বলেন, ‘নিহত প্রসেনজিত সরকারের মরদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। এ বিষয়ে হরিরামাপুর থানা পুলিশকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

‘প্রাথমিক অবস্থায় ধারণা করা হচ্ছে, তারা বিষক্রিয়ায় মারা গেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
কালিয়াকৈরে একদিনে চার যুবকের মৃত্যু
শিক্ষাসফরে ‘মদ্যপান’: দুই শিক্ষক বরখাস্ত, তদন্তে কমিটি
শিক্ষাসফরে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মদ্যপান, ভিডিও ভাইরাল
হাজারীবাগে প্রেমিকের বন্ধুর বাসায় তরুণীর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
No one has to go without food now Agriculture Minister

কাউকে এখন না খেয়ে থাকতে হয় না: কৃষিমন্ত্রী

কাউকে এখন না খেয়ে থাকতে হয় না: কৃষিমন্ত্রী ফাইল ছবি
মন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাক আওয়ামী লীগ সরকার সেটা চায় না। তাই বর্তমান সরকার হতদরিদ্র অসচ্ছল মানুষদের সুচিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করে যাচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, কাউকে এখন না খেয়ে থাকতে হয় না। দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের আমলে খাদ্য নিরাপত্তায় অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার রাজঘাট ইউনিয়নের বর্মা ছড়া চা বাগানে চা শ্রমিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাক আওয়ামী লীগ সরকার সেটা চায় না। তাই বর্তমান সরকার হতদরিদ্র অসচ্ছল মানুষদের সুচিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করে যাচ্ছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন দেশের মানুষ যেন শান্তিতে থাকে। তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করছি বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সবার কাজ হচ্ছে মানুষের ভালো মন্দ দেখা। মানুষের কল্যাণ হয় এমন কাজ খুঁজে বের করা।

এ সময় শ্রীমঙ্গল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অর্ধেন্দু কুমার দেব, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক উম্মে ফারজানা, রাজঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিজয় ব্যানার্জী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এর আগে মন্ত্রী কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After four months the girl returned to her mothers arms

চার মাস পর মায়ের কোলে ফিরল মেয়ে

চার মাস পর মায়ের কোলে ফিরল মেয়ে রোববার আদালতের নির্দেশে পুলিশ মেয়েটিকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করে। ছবি: নিউজবাংলা
শিপা বেগম বলেন, ‘মেয়েকে ফিরে পেতে গত ২৯ অক্টোবর সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা করি। মামলার চার মাস পর আজ আমি আমার বুকের ধনকে ফিরে পেয়েছি।’

চার মাসের আইনি লড়াই শেষে অবশেষে মেয়েকে নিজের জিম্মায় ফিরে পেয়েছেন সুনামগঞ্জের এক নারী।

রোববার দুপুরে সুনামগঞ্জ আদালতের নির্দেশে পুলিশ ওই শিশুকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করে।

মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, ৬ বছর আগে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের মোস্তফা কামালের ছেলে ঈসা খানের সঙ্গে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের মৃত হাবিজ মিয়ার মেয়ে শিপা বেগমের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ৫ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ২৯ অক্টোবর শিপা বেগমকে তার স্বামী মারধর করলে তিনি ৩১ অক্টোবর স্বামীর নামে আদালতে মামলা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিপা বেগমের শ্বশুরবাড়ির লোকজন মেয়েটিকে আটকে রাখে।

এ বিষয়ে শিপা বেগম বলেন, ‘মেয়েকে ফিরে পেতে গত ২৯ অক্টোবর সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা করি। মামলার চার মাস পর আজ আমি আমার বুকের ধনকে ফিরে পেয়েছি।’

জগন্নাথপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর শিশুটিকে তার বাবার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে তার মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

মন্তব্য

p
উপরে