× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Unidentified body recovered in Paltan
hear-news
player
google_news print-icon

পল্টনে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার

পল্টনে-অজ্ঞাত-মরদেহ-উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত
পল্টন থানার এসআই মোহাম্মদ আলী জানান, সন্ধ্যার দিকে খবর পেয়ে ফুটপাতের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর পল্টনে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী জানান, সন্ধ্যার দিকে খবর পেয়ে স্টেডিয়াম মশাল গেট সংলগ্ন ফুটপাতের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। এলাকার লোকজনের কাছ থেকে জানতে পেরেছি, ওই ব্যক্তি ওইখানেই থাকতেন। সিআইডি ক্রাইম সিনকে খবর দিয়েছি। তারা ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করলে তার পরিচয় জানা যেতে পারে।’

আরও পড়ুন:
কাকরাইলে গাড়ির ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
ধানমন্ডি লেকে প্রকৌশলীর মরদেহ
বেলকুচিতে মা ও ২ সন্তানের মরদেহ উদ্ধার
বস্তাবন্দি মরদেহ মরিয়ম মান্নানের মায়ের কি না সংশয়
সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্ল্যাটে স্বামী-স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A case involving the death of a woman who was dragged by a private car

প্রাইভেট কারে টেনেহিঁচড়ে নেয়া নারী নিহতের ঘটনায় মামলা

প্রাইভেট কারে টেনেহিঁচড়ে নেয়া নারী নিহতের ঘটনায় মামলা প্রাইভেট কারের নিচে ফেলে রুবিনাকে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজহার জাফর শাহ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সড়ক পরিবহন আইনে মামলা হয়েছে জানিয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, প্রাইভেট কারের চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মোহাম্মদ আজহার জাফর শাহকে মামলায় আসামি করা হয়েছে, যিনি ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রাইভেট কারের নিচে ফেলে টেনেহিঁচড়ে নেয়া নারী নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।

রুবিনা আক্তারের ভাই জাকির হোসেন বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন।

সড়ক পরিবহন আইনের ৯৮ ও ১০৫ ধারায় মামলা হয়েছে জানিয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, প্রাইভেট কারের চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আজহার জাফর শাহকে মামলায় আসামি করা হয়েছে, যিনি ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন। সুস্থ হলে তাকে আদালতে হাজির করা হবে।

কী ঘটেছিল

প্রতি সপ্তাহে রাজধানীর তেজকুনিপাড়ার বাসা থেকে হাজারীবাগে যেতেন গৃহবধূ রুবিনা আক্তার। অন্যান্য সপ্তাহের মতো শুক্রবার ননদের স্বামীর মোটরসাইকেলে চড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে হাজারীবাগ যাচ্ছিলেন তিনি।

বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারুকলা অনুষদের বিপরীতে পাশের রাস্তা ধরে যাওয়ার সময় একটি প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পড়ে যান রুবিনা। চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ অবস্থায় টিএসসি, ভিসি চত্বর হয়ে মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের কাছাকাছি পর্যন্ত রুবিনাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় গাড়িটি।

এরপর লোকজন গাড়িটি আটকে নিচ থেকে রুবিনাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

গাড়িচালক আজহার জাফর শাহকে মারধর করেন পথচারীরা। শাহবাগ থানার পুলিশ পরে জানতে পারে, আজহার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

‘এটা হত্যাকাণ্ড’

রুবিনার মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ উল্লেখ করে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মো. শহিদুল্লাহ বলেন, ‘এটা অবশ্যই একটি হত্যাকাণ্ড।’

তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, নিহত মহিলা দেবরের সঙ্গে বাইকে করে শ্বশুরবাড়ি থেকে তার বাপের বাড়ি হাজারীবাগে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তারা যখন শাহবাগ থেকে টিএসসির আগে কাজী নজরুলের মাজারের উল্টো দিকের রাস্তায় পৌঁছান, তখন প্রাইভেট কারটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে তিনি পড়ে প্রাইভেট কারের সঙ্গে আটকে যান।

‘এরপরও উনি গাড়িটি না থামিয়ে টেনেহিঁচড়ে চলে যান। তাকে থামানোর অনেক চেষ্টা করা হয়। উনি টিএসসি পৌঁছালে আমাদের মোবাইল টিমও তাকে থামানোর চেষ্টা করে। তার পরও উনি না থামিয়ে আরও জোরে গাড়ি চালিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে গেলে উত্তেজিত জনতা তাকে থামতে বাধ্য করে। এই সম্পূর্ণ সময় সেই নারীটি গাড়ির সঙ্গে ছেঁচড়ে গেছেন।’

আরও পড়ুন:
বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত
মেয়েকে মাদ্রাসায় দিতে গিয়ে বাসচাপায় মা-বাবাও নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় এসআই ও এক নারীর মৃত্যু
কুকুরকে বাঁচাতে অটোর সঙ্গে সংঘর্ষ, বাইকআরোহী ২ তরুণ নিহত
দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Speech impaired girl burnt to death Accused arrested

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা: একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা: একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, পরিকল্পিতভাবেই মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন আসামি। এরপর বিয়ে করার কথা বলে তাকে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সুভাড্যা এলাকায় নিয়ে যান।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ওই তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। আসামি বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেছিলেন।

আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান। তবে আসামির পরিচয় বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তিনি দেননি। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

কেরানীগঞ্জের সুভাড্যা সাবান ফ্যাক্টরির গলি চিতা খোলা এলাকা থেকে গত সোমবার রাত ১১টার দিকে দগ্ধ ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বাদল্লাপুর এলাকায়।

শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া ওই তরুণীকে সোমবার রাতেই শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

তরুণীর ছোট বোনের অভিযোগ ছিল, হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় তরুণীর ছোট ভাই হত্যা মামলা করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ওই তরুণীর সঙ্গে ঘটনার ১০ থেকে ১২ দিন আগে আলাপ হয় আসামির। পরিকল্পিতভাবেই মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। এরপর বিয়ে করার কথা বলে তাকে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সুভাড্যা এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন।

আরও পড়ুন:
ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় সংগীত শিক্ষকের কারাদণ্ড
বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা: কাশিমপুর কারাগারে একজনের ফাঁসি কার্যকর
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড
এবার উদ্ধার আয়াতের মাথা
৯৪ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The driver claimed that he did not know that anyone was trapped in the car

ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার ‘জানতেন না’ গাড়িতে কেউ আটকে আছে

ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার ‘জানতেন না’ গাড়িতে কেউ আটকে আছে পেছন থেকে ধাওয়া করে থামানো হয় আজাহার জাফরের প্রাইভেটকার। ছবি: নিউজবাংলা
জনতার পিটুনিতে আহত গাড়িচালক ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি পুলিশকে বলেছেন, কেউ তার গাড়ির সঙ্গে আটকে আছেন, সেটা তার জানা ছিল না। তবে পুলিশ বলছে, তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ির নিচে চাপা পড়ে নিহত গৃহবধূ রুবিনা আক্তারকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফর শাহ। পুলিশের কাছে তার দাবি, গাড়িতে একজন আটকে থাকার বিষয়টি টেরই পাননি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থানা পুলিশের কাছে তিনি এ দাবি করেন বলে জানিয়েছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ। তবে পুলিশ বলছে, গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি থামেননি, বরং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

গাড়িটি আটকের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফরকে পিটুনি দেয় জনতা। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ওসি নূর মোহাম্মদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কিনা সে বিষয়ে কোনো তথ্য আমরা পাইনি। গাড়িতে লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো কাগজ ছিল না।’

প্রতি সপ্তাহে নিজ বাসা তেজগাঁও তেজকুনি পাড়া থেকে হাজারিবাগে যেতেন গৃহবধূ রুবিনা আক্তার। অন্যান্য সপ্তাহের মতো শুক্রবার ননদের স্বামীর মোটরসাইকেল চড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে হাজারিবাগে যাচ্ছিলেন।

বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারুকলা অনুষদের বিপরীতে পাশের রাস্তা ধরে যাওয়ার সময় একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় পড়ে যান রুবিনা। চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

টিএসসি, ভিসি চত্বর হয়ে মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের কাছাকাছি পর্যন্ত রুবিনাকে এভাবেই টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় গাড়িটি।

এরপর লোকজন গাড়িটি আটকে নিচ থেকে রুবিনা আক্তারকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাড়ির চালকক আজাহার জাফর শাহকে মারধর করেন পথচারীরা। শাহাবাগ থানার পুলিশ পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক। আহত অবস্থায় বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে কথা হয় রুবিনার ভাগ্নে আশিকুর রহমান রাতুলের সঙ্গে। তিনি জানান, রুবিনার স্বামী মারা গেছেন দু বছর আগে। তাদের এক ছেলে রয়েছে। সে ক্লাস এইটে পড়ে।

রাতুল বলেন, ‘আমরা মামলা করব। আমার খালাকে হত্যা করা হয়েছে। থানায় যাচ্ছি।’

রুবিনার মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মো. শহিদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘এটা অবশ্যই একটি হত্যাকাণ্ড।’

শহিদুল্লাহ্ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, নিহত মহিলা দেবরের সঙ্গে বাইকে করে শ্বশুর বাড়ি থেকে তার বাপের বাড়ি হাজারিবাগে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তারা যখন শাহবাগ থেকে টিএসসির আগে কাজী নজরুলের মাজারের উল্টো দিকের রাস্তায় পৌঁছান, তখন প্রাইভেট কারটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে তিনি পড়ে প্রাইভেট কারের সঙ্গে আটকে যান।

‘এরপরও উনি গাড়িটি না থামিয়ে টেনে-হিঁচড়ে চলে যান। তাকে থামানোর অনেক চেষ্টা করা হয়। উনি টিএসসি পৌঁছলে আমাদের মোবাইল টিমও তাকে থামানোর চেষ্টা করে। তারপরও উনি না থামিয়ে আরও জোরে গাড়ি চালিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে গেলে উত্তেজিত জনতা তাকে থামতে বাধ্য করে। এই সম্পূর্ণ সময় সেই নারীটি গাড়ির সঙ্গে ছেঁচড়ে গেছেন।’

তিনি বলেন, ‘গাড়ির চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে তার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা তাই আমরা একটা মামলা নেব। উনার গাড়িটা সিজ করেছি। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

কোন আইনে মামলা করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটানোর শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা সেই শিক্ষকের নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। একটা নম্বর পেয়েছি। সম্ভবত ওনার স্ত্রীর নম্বর। তিনি ওনার অবস্থা জানার পর মোবাইল বন্ধ করে দিয়েছেন। তাদের কারো সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেলে তিনি গাড়ি চালানোর সময় সুস্থ নাকি অসুস্থ ছিলেন সেগুলোসহ আমরা বিস্তারিত জানতে পারব।’

আরও পড়ুন:
এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা
টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি
মতিঝিলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
বাবা-ছেলেকে পিষ্ট করে হোটেলে কাভার্ড ভ্যান, নিহত ৫
বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Metrorail recruitment exam postponed due to nepotism allegations

স্বজনপ্রীতির অভিযোগে মেট্রোরেলের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

স্বজনপ্রীতির অভিযোগে মেট্রোরেলের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত মেট্রোরেলের নিয়োগ পরীক্ষায় স্বজনপ্রীতির অভিযোগ করেন চাকরিপ্রার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, ৩০ মিনিট দেরিতে পরীক্ষা শুরু হলেও ৫ মিনিট পরই ওএমআর শিট নিয়ে যাওয়া হয়। কিছু কিছু কক্ষে দরজা আটকে অনেকের পরীক্ষা নেয়া হয়।

স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি প্রার্থীদের বিক্ষোভের মুখে মেট্রোরেলের টিকিট মেশিন অপরাটের পদে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

শুক্রবার মেট্রোরেলের স্বত্বাধিকারী সরকারি মালিকানাধীন ‘ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড’ পরীক্ষা স্থগিতের এ সিদ্ধান্ত নেয়।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ১০টায় ঢাকার মিরপুর ক্যান্টনম্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেট্রোরেলের টিকেট মেশিন অপারেটর পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

প্রবেশপত্রে উল্লেখ করা ছিল, পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষার হলে উপস্থিত থাকতে হবে। নিয়ম মেনে পরীক্ষার্থীরাও উপস্থিত হয়েছিলেন।

ডিএমটিসিএল-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কথা ছিল পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়। পরীক্ষার জন্য সময় নির্ধারিত ছিল ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট। কিন্তু পরীক্ষা শুরু হয় ৩০ মিনিট দেরিতে।

বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, ৩০ মিনিট দেরিতে পরীক্ষা শুরু হলেও ৫ মিনিট পরই ওএমআর শিট নিয়ে যাওয়া হয়। কোনো কোনো কক্সে মাত্র এক মিনিট পরও তা নিয়ে যাওয়া হয়।

তারা আরও অভিযোগ করেন, কিছু কিছু কক্ষে দরজা আটকে অনেকের পরীক্ষা নেয়া হয়।

এ অবস্থায় ১১টার পর পরীক্ষার্থীরা বাইরে এসে স্লোগান দিতে থাকেন। তাদের পরীক্ষার্থীদের অনেকেই রংপুর, কুমিল্লা, ময়মনসিংহসহ দূর-দুরান্ত থেকে এসেছেন। তারা অভিযোগ করেন, মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ তাদের পরীক্ষা নেয়ার নামে হয়রানি করেছে।

এক পর্যায়ে স্থগিত না করা পর্যন্ত পরীক্ষার হল ত্যাগ না করার সিদ্ধান্ত নেন চাকরিপ্রার্থীরা। তারা বলেন, ‘এর আগেও এমন অনেক পরীক্ষা হয়েছে। পরে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।’

পরীক্ষার্থীদের অনেকে জানান, ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ না নিয়ে তারা মেট্রোরেলের পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন।

বিক্ষোভের এক পর্যায়ে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) এক কর্মকর্তা এসে পরীক্ষার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে পরীক্ষা স্থগিতে সিদ্ধান্তের কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘টিকিট মেশিন অপারেটর পদে ১৬২৫ আবেদনকারী ছিল। সবার পরীক্ষা এক জায়গায় হওয়ার কথা ছিল। টোটাল পরীক্ষাটা আমরা এই পরিস্থিতির কারণে স্থগিত করেছি।’

স্বজনপ্রীতির অভিযোগে মেট্রোরেলের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত
নিয়োগ পরীক্ষাটি বাতিল সিদ্ধান্তের কথা জানান ডিএমটিসিএল কর্মকর্তা

এ সময় বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা পরবর্তী সময়ে আবারও নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন কি-না জানতে চান ওই কর্মকর্তার কাছে। তিনি আশ্বস্ত করেছেন, সবাই আবারও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

তিনি বলেন, ‘১৬ ডিসেম্বরের পরে মেট্রোরেলের উদ্বোধন হবে। তখন থেকেই যেসব কাজ করবেন তাদের জন্যই এই পরীক্ষা। যেহেতু একটা ঘটনা ঘটেছে, আপনাদের মনে প্রশ্ন এসেছে, এটাকে নিশ্চিত করার জন্য কর্তৃপক্ষ পরীক্ষাটা স্থগিত করেছে।’

দ্রুত পরীক্ষার নেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা খুব দ্রুতই আপনাদের জানাব। আপনাদের সব আবেদন আমাদের কাছে রেডি করা আছে।’

কর্তৃপক্ষের এমন আশ্বাসে পরীক্ষার হল ছাড়েন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা।

আরও পড়ুন:
২০৩০ সালের মধ্যে মেট্রোরেলের ৬ লাইন
মেট্রোরেলের দুই স্টেশনে যাত্রী উঠবে কীভাবে
মেট্রোরেল: কলকাতায় ১০ বাড়িতে ফাটল, ঘরছাড়া শতাধিক
রেলে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগের বিরোধিতায় অস্থায়ী শ্রমিকেরা
মেট্রোরেলের দ্বাদশ চালান নিয়ে মোংলায় ট্রাম্প

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Para festival in the capital to recognize neighbors

প্রতিবেশীকে চিনতে রাজধানীতে ‘পাড়া উৎসব’

প্রতিবেশীকে চিনতে রাজধানীতে ‘পাড়া উৎসব’ গুলশানে পাড়া উৎসবে যোগ দিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজ সাপ্তাহিক ছুটির দিনে গুলশানের সবার বাসায় বসে থাকার কথা ছিল। কিন্ত আজ সবাই বাসা হতে বেরিয়ে এসে এ উৎসবে যোগ দিয়েছে। তারা একে অন্যকে জিজ্ঞেস করছে- তুমি কই থাকো?’

শহরে বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায় একই ভবনে দীর্ঘদিন বাস করেও একে অপরকে চেনেন না অনেক বেশিরভাগ প্রতিবেশী। কোনো ধরনের আন্তঃসম্পর্ক কিংবা কোনো যোগাযোগও থাকে না তাদের।

এই পরিস্থিতির পরিবর্তন চান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। এ জন্য রাজধানীয় পাড়ায় পাড়ায় উৎসব আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

মেয়রের ভাষায়, ‘সবার সঙ্গে পরিচিত হতে এবং সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে এই পাড়া উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। পাড়া উৎসব প্রতিবেশীদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

পাড়া উৎসবকে ছড়িয়ে দেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে ঢাকা শহরের সব এলাকাতেই এ উৎসব আয়োজন করা হবে।’

শুক্রবার সকালে রাজধানীর গুলশানের ৬০, ৬১ ও ৬২ নম্বর সড়কে ‘পাড়া উৎসব’ উদ্বোধন করতে এসে এসব কথা বলেন মেয়র।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী তাজুল ইসলাম এমপি।

ডিএনসিসি এর সহযোগিতায় দ্বিতীয় বারের মতো এই পাড়া উৎসবের আয়োজন করে গুলশান সোসাইটি এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিরোস ফর অল।

শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ উৎসবে ছিল দেশীয় পিঠার স্টল, বায়োস্কোপ, পুতুল নাচ, ম‌্যাজিক শো, স্বাস্থ‌্যসেবা স্টল, পাটের তৈরি পণ‌্য।

এ ছাড়াও ছিল উইশ বোর্ড, শিশুদের ছবি আঁকার ক্যানভাস ও রং তুলি, ক্যারম বোর্ড, দাবাসহ নানা ধরনের খেলার সামগ্রী।

রাত ৮টা পর্যন্ত এ উৎসবে স্থানীয়দের পাশাপাশি অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতেরাও।

ডিএনসিসি মেয়র এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন ও বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বিভিন্ন খেলায়ও অংশ নেন মেয়র এবং গান গেয়ে নগরবাসীর সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘আজ সাপ্তাহিক ছুটির দিনে গুলশানের সবার বাসায় বসে থাকার কথা ছিল। কিন্ত আজ সবাই বাসা হতে বেরিয়ে এসে এ উৎসবে যোগ দিয়েছে। তারা একে অন্যকে জিজ্ঞেস করছে- তুমি কই থাকো?’

ডিএনসিসি মেয়র আরও বলেন, ‘আমরা ঠিকই জাতীয় সংগীত গাই আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি। অথচ ময়লাটা রাস্তায় ফেলে দেই, লালবাতি জ্বলার পরেও আমরা রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে দেই। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখেই এ পাড়া উৎসব।’

নগরবাসীর উদ্দেশে মেয়র বলেন, ‘আসুন সবাই শহরকে ভালোবাসি। শহরের পরিবেশ রক্ষায় অযথা হর্ন বাজানো বন্ধ করি। গুলশান থেকেই এ চর্চা শুরু হোক।’

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘উন্নত বিশ্বের মতো ঢাকায়ও সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। এ আয়োজনটি গ্রামের উৎসব। ঢাকা শহরে ফিরে এসেছে৷ এখানে কোনো প্রতিযোগিতা নেই আছে শুধু হৃদ্যতা।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য নাহিদ ইজাহার খান, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহ. আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মফিজুর রহমানসহ অনেকেই।

আরও পড়ুন:
‘গাড়ির সংখ্যা কম, আমার আর নিয়ন্ত্রণ করা লাগছে না’
ঈদের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবসে ফাঁকা রাজধানী
বনশ্রীতে জুতার কারখানায় আগুন
ফিরিয়ে দাও খেলার মাঠ
কলাবাগানে ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ কার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh NGO Foundation Day celebrated with various arrangements

নানা আয়োজনে পালিত বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন দিবস

নানা আয়োজনে পালিত বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন দিবস ফাউন্ডেশনের ঢাকাস্থ কার্যালয়ে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান কার্যালয়ের পাশাপাশি সহযোগী সংস্থাগুলো সারা দেশে ৬৪ জেলায় জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে এ দিবস পালন করে।

নানা আয়োজনে সাড়ম্বড়ে পালিত হলো ১৮তম বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন দিবস।

এ উপলক্ষে শুক্রবার বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের (বিএনএফ) ঢাকাস্থ কার্যালয়ে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ফাউন্ডেশন দিবসের উদ্বোধন করেন বিএনএফ চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব রেজাউল আহসান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনএফ এর পরিচালনা পরিষদের সদস্য মুনতারিন মহল আমিনুজ্জামান ও কাজী আবু মোহাম্মাদ মোর্শেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জিল্লুর রহমান এনডিসি, পরিবীক্ষণ উপদেষ্টা, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।

এ দিবস পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা, পারফরমেন্স ক্যাটাগরি, উদ্ভাবনী/বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন বিষয়ক ক্যাটাগরি এবং নির্বাহী প্রধান নারী ও নারীর ক্ষমতায়ন ক্যাটগরিতে ৯টি সহযোগী সংস্থাকে পুরস্কার প্রদান, ১১টি সহযোগী সংস্থার অনুকূলে ৩১.২৫ লক্ষ টাকার অনুদানের চেক প্রদান এবং কেক কাটা হয়। দ্বিতীয় পর্বে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নানা আয়োজনে পালিত বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন দিবস

প্রধান কার্যালয়ের পাশাপাশি সহযোগী সংস্থাগুলো সারা দেশে ৬৪ জেলায় জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে এ দিবস পালন করে।

২০০৪ সালের ২ ডিসেম্বর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে সরকার। পরবর্তীতে কোম্পানি আইনে নিবন্ধিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন সরকারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে একটি স্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান।

প্রতিষ্ঠানটি সরকারি অর্থে পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণের দারিদ্র্যবিমোচন ও জীবনমান উন্নয়নে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে আঞ্চলিক ও স্থানীয় পর্যায়ের সহস্রাধিক সহযোগী সংস্থার (এনজিও) মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে। বিএনএফ এসডিজি এর ৯টি গোল বাস্তবায়ন ছাড়াও বিভিন্ন সেবামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

আরও পড়ুন:
দেশে কমছে জাপানি এনজিও
পেয়ারা বাগানে পড়ে ছিল এনজিও কর্মকর্তার মরদেহ
প্রতারণা: এনজিওর চেয়ারম্যান সস্ত্রীক গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Car fire in Asadgate driver owner burnt

আসাদগেটে গাড়িতে আগুন, চালক-মালিক দগ্ধ

আসাদগেটে গাড়িতে আগুন, চালক-মালিক দগ্ধ দগ্ধ দুইজনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়েছে। ফাইল ছবি
রুবেলের আত্মীয় নয়ন বিশ্বাস বলেন, ‘রুবেলের বাসা গ্রিন রোডে। উত্তরায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মার্চেন্ডাইজার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন তিনি। রাতে অফিস থেকে নিজের প্রাইভেটকারে বাসায় ফিরছিলেন। পথে আসাদগেটে তার গাড়িতে গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে নিয়ে আসা হয় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে।’

রাজধানীর আসাদগেটে গাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালক ও মালিক দগ্ধ হয়েছেন।

চালক ৩৫ বছর বয়সী উজ্জ্বল কুমার এবং গাড়ির মালিক ৪৫ বছরের রুবেল দত্ত দগ্ধ হন। রুবেল দত্তের শরীরের ৬০ শতাংশ এবং উজ্জলের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের দুজনের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।

স্থানীয় মানুষ ও পথচারীরা তাদের উদ্ধার করে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যান।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধদেরকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়েছে।

তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা রুবেলের ভায়রা ভাই নয়ন বিশ্বাস বলেন, ‘রুবেলের বাসা গ্রিন রোডে। উত্তরায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মার্চেন্ডাইজার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন তিনি। রাতে অফিস থেকে নিজের প্রাইভেটকারে বাসায় ফিরছিলেন। পথে আসাদগেটে তার গাড়িতে গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে নিয়ে আসা হয় শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে।’

শেখ হাসিনা বার্ন হাসপাতালের চিকিৎসক (ইএমও) ইমারজেন্সি মেডিক্যাল অফিসার বলেন, ‘আসাদগেটে গাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুজন শেখ হাসিনা বার্নে চিকিৎসা নিতে এসেছেন তাদের দুজনেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। রুবেল দত্তের শরীরে ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং উজ্জলের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের দুজনের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।’

আরও পড়ুন:
ঘরের আগুনে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু, মা-ভাই দগ্ধ
গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গিয়ে বাবার মৃত্যু, আশঙ্কায় ছেলে

মন্তব্য

p
উপরে