× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The pros and cons of Lavrovs visit to Dhaka
hear-news
player
google_news print-icon

ল্যাভরভের ঢাকা সফরে লাভ-ক্ষতি

ল্যাভরভের-ঢাকা-সফরে-লাভ-ক্ষতি
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। ছবি: সংগৃহীত
কূটনীতি বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) মন্ত্রীপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেয়ার পাশাপাশি ল্যাভরভের ঢাকা সফরের অন্য গুরুত্বও রয়েছে। এই সফর কিছু চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি সম্ভাবনার দ্বারও খুলে দেবে।  

ইউক্রেন ইস্যুতে বৈশ্বিক মেরুকরণের মাঝে তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ।

বাংলাদেশ স্বাধীনের ৫১ বছরের মধ্যে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন বা এখনকার রাশিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী সর্বোচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকের হিসেবে তিনি ঢাকা আসছেন।

বর্তমান বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ল্যাভরভের সফরের বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন কূটনীতি বিশ্লেষকেরা।

তারা মনে করছেন, ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) মন্ত্রীপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেয়ার পাশাপাশি ল্যাভরভের ঢাকা সফরের অন্য গুরুত্বও রয়েছে।

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ কেন্দ্র করে ছোট হয়েছে রাশিয়ার কূটনৈতিক জগত, এর সঙ্গে পশ্চিমা অবরোধে বিপুল চাপে পড়েছে দেশটির অর্থনীতি। এমন সময়ে বাংলাদেশ সফরে পুতিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করবেন। রাশিয়ার দুই বন্ধু দেশ ভারত ও চীনের মধ্যে সম্পর্কের শীতলতা দূর করার উদ্যোগও নিতে পারেন তিনি।

আইওআরএ সম্মেলনে যোগ দিতে ২৩ নভেম্বর বিকেলে তিন দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছাবেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশ সফরের শুরুর দিনেই দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠক হবে। সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতও করবেন ল্যাভরভ।

কূটনীতি বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, আইওআরএ সম্মেলনে যোগ দেয়ার বাইরে রাশিয়ার বন্ধু খুঁজবেন ল্যাভরভ। কারণ, এই সম্মেলনে ১৪ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যোগ দিচ্ছেন। অতি সম্প্রতি ল্যাভরভ এই অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশ সফর করেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, নোটভারবালের মাধ্যমে ঢাকায় কয়েকটি বৈঠকসহ কিছু বিষয়ে নিশ্চয়তা চেয়েছে মস্কো। তাতে সায় দিয়েছে ঢাকা।

পররাষ্ট মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ সম্মেলনে যোগ দিলে বাংলাদেশ ছাড়াও আইওআরএর অন্য সদস্য রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ থাকবে রাশিয়ার। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে চাপে রয়েছে দেশটি। জাতিসংঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রস্তাব আনছে পশ্চিমারা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সদস্য দেশগুলোর বড় অংশ তাদের বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছে। ফলে বৈশ্বিক চাপ সামলাতে বিভিন্ন দেশে গিয়ে সম্পর্ক ঝালাই করে নিচ্ছে মস্কো।

‘নিজেদের বিচ্ছিন্ন না রেখে বৈশ্বিক ফোরামে রাশিয়ার পক্ষে ভোটও চাচ্ছে মস্কো। পক্ষে ভোট দেয়া সম্ভব হলে দেশগুলো যাতে ভোটদানে বিরত থাকে- তেমন আহ্বান জানাচ্ছে তারা। ফলে বাংলাদেশের কাছেও একই ধরনের আহ্বান থাকবে তাদের।’

মেরুকরণ নিয়ে ঢাকাও সতর্ক

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা সফরের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোও নজর রাখছে। ফলে বিষয়টিতে সতর্ক অবস্থান রয়েছে বাংলাদেশের।

জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন নিউজবাংলাকে জানান, ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবে ঢাকা।

তিনি বলেন, ‘অবশ্যই এখন যে মেরুকরণ চলছে সেটা তো আছে। তারপরেও রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের ঐতিহ্যবাহী যে সম্পর্ক আছে, সেটার আলোকে আমরা তাকে স্বাগত জানাব। আমাদের পক্ষ থেকে যে অগ্রাধিকার ও চ্যালেঞ্জগুলো আছে সেগুলো আরও স্পষ্ট করে বলতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘ইন্ডিয়ান ওশেন রিম অ্যাসোসিয়েশনে এই প্রথমবারের মতো তারা (রাশিয়া) অবজারভার দেশ হিসেবে অংশ নিচ্ছে। এখানে তারা কীভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে সেটা তুলে ধরবে। সেটাই হয়তো তাদের একটি মূল লক্ষ্য। এই সংস্থা নিয়ে যদি তাদের কোনো বক্তব্য থাকে সেটি আমরা শুনব।

‘এছাড়া অফকোর্স পোলারাইজেশন যা আছে, তা তো আছেই। তারপরেও রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক সম্পর্কের আলোকে আমরা তাকে সম্মান জানাব।’

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘রাশিয়া নানাভাবে বিভিন্ন ইস্যুতে চাপের মধ্যে আছে। সুতরাং সের্গেই ল্যাভরভ এলে অবশ্যই তা নিয়ে আলোচনা হবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর (এম এ মোমেন) সঙ্গে দেখা হবে। সেখানে দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে আলোচনা করার সুযোগ হবে। বর্তমান যে পরিস্থিতি, সেখানে জ্বালানি সংকটের মতো বিষয়ে কোনো ধরনের সম্ভাবনা আছে কিনা, তা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

‘নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার ফলে আমাদের চলমান যে প্রকল্পগুলো আছে, সেগুলোর যাতে কোনো সমস্যা না হয়, তা নিয়ে আলোচনা হবে। এর সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা রাশিয়াকে আরও কাছে পেতে চাই। এছাড়া দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আমরা আলোচনা করব।’

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের যে প্রজেক্ট আছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। যেমন রূপপুর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। সে প্রকল্পটি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও আমরা কথা বলব।’

‘বন্ধু হলেও ভুল ভুলই, এমন বার্তা দিতে হবে’

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ও সাবেক রাষ্ট্রদূত ওয়ালিউর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সের্গেই ল্যাভরভের ঢাকা আসাটা অবশ্যই বড় খবর। এমন একটি সময়ে তিনি আসছেন, যার আগেই তিনি জি-২০ সম্মেলনে অংশ নিতে বালি যাবেন।

‘১৯৭১ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন আমাদের স্বাধীনতায় জন্য জাতিসঙ্ঘে পরপর দুইবার ভেটো দিয়েছিল। এটি আমাদের স্বাধীনতাকে ত্বরান্বিত করেছিল এবং পাকিস্তানকে সারেন্ডার করতে বাধ্য করেছিল। এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। এই মূল্যায়নটা আমাদের করতে হবে।’

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এই বিশ্লেষক বলেন, ‘একইসঙ্গে এটাও বলতে হবে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ ইউক্রেনকে রাশিয়া যেভাবে আক্রমণ করল, আমি ব্যক্তিগতভাবে এটা মেনে নিতে পারি না। একটা বন্ধু দেশ হিসেবে রাশিয়াকে এটা অনানুষ্ঠানিকভাবে আমাদের বলা উচিত। কারণ, আমি মনে করি কোনো বন্ধু রাষ্ট্র যদি ভুল করে অপর বন্ধু রাষ্ট্রের উচিত তা ধরিয়ে দেয়া। জাতিসংঘেও আমাদের উচিত ছিল এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভোট দেয়া।’

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর নিয়ে বাংলাদেশের সামনে কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছেন না তিনি। বর্ষীয়ান এই কূটনীতিক বলেন, ‘বরং তাদের বন্ধু হিসেবে আরও কাছে যাওয়ার এটা একটা অপরচুনিটি। আমাদের মনে রাখতে হবে রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের স্থায়ী কোনো বন্ধুও নেই, শত্রুও নেই। কিন্তু আমাদের দেশের স্বার্থটি পার্মানেন্ট। এটাকেই সবার আগে প্রাধান্য দিতে হবে।’

‘যুদ্ধ বন্ধের তাগিদ দেয়া জরুরি’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নেয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার মনে হয় একটা সম্মেলন কেন্দ্র করে এই সফর হলেও আমাদের উচিত হবে যুদ্ধ কীভাবে বন্ধ করা যায় তা নিয়ে আলোচনায় জোর দেয়া। রাশিয়ার সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক, তাতে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বের নতুন করে পরীক্ষা দেয়ার কিছু নেই।

‘তারা সেই ১৯৭১ সালের থেকেই তারা আমাদের সঙ্গে আছে। এছাড়া আমাদের কিছু চুক্তি আছে। পারমাণবিক চুক্তি আছে। তা নিয়েও আলোচনা হওয়া দরকার। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি, সবার সঙ্গে বন্ধুত্বের বিষয়টি নিশ্চয়ই রাশিয়ার জানা আছে। তাই আমার মনে হয় না এ ক্ষেত্রে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে।

‘এর বাইরে আমরা যেটা চাইব সেটা হলো, রাশিয়ার সঙ্গে মিয়ানমারের যেহেতু একটি ভালো সম্পর্ক হয়েছে, অ্যাটলিস্ট আমরা তারা যেন রোহিঙ্গা ইস্যুতে সক্রিয় হয়।’

তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার ইদানিং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে শক্ত করেছে, তাদের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা মস্কো ঘুরে এসেছেন। তাই সেই সুযোগটা আমাদের কাজে লাগাতে হবে।

‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমরা সরাসরি রাশিয়ার মতামত জানতে চাইতে পারি। আবার রাশিয়াও হয়ত জানতে চাইবে জিওপলিটিক্সে আমাদের মতামত। সারা বিশ্ব এ ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসায় রাশিয়ারও এখন বাংলাদেশকে প্রয়োজন। একই ভাবে আবার বাংলাদেশের প্রয়োজন রাশিয়াকে। তবে এই প্রয়োজনের ক্ষেত্রে অন্য দেশের সঙ্গে আমাদের যে সম্পর্ক তাও গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়াও সেটা জানে।’

আরও পড়ুন:
রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত, আমেরিকাকে চীন
ইউক্রেনের খেরসন থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে রাশিয়া
রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনার জন্য যে শর্ত দিলেন জেলেনস্কি
রাশিয়াকে ড্রোন দেয়ার কথা স্বীকার ইরানের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Momen wanted more investment from Canada

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রোববার ক্যানচ্যাম-এর নৈশভোজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস এবং স্ট্রাটেজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা
ক্যানচ্যাম আয়োজিত নৈশভোজ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কানাডা। আর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ওই বছরেরই ২০ মার্চ। শুরু থেকেই দুই দেশ বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন।’

বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে ঐতিহাসিক বর্ণনা করে বাংলাদেশের উন্নয়নে আরও বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার এটি একটি ভালো সময়।

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে রোববার রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই নৈশভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ক্যানচ্যাম)।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস, এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্ট্রাটেজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরী নাফিজ সরাফাত উপস্থিত ছিলেন।

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রোববার কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বার আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কানাডা। আর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ওই বছরেরই ২০ মার্চ। পরের বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় দেশটি দূতাবাস চালু করে।

‘সম্পর্কের শুরু থেকেই দুই দেশ বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন।’

তিনি বলেন, ‘কানাডা আয়তনে বাংলাদেশের ৬৭ গুণ বড়। তারা জি-৭ সদস্য। জনসংখ্যা মাত্র ৩ কোটি। তাদের প্রতি বর্গমাইলে ১০ জন বাস করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের জনসংখ্যা ১৬ কোটি আর প্রতি বর্গমাইলে এখানে ২৯ শ’ মানুষের বসবাস।’

কানাডার প্রচুর জায়গা রয়েছে উল্লেখ করে দেশটিকে কিছু রোহিঙ্গাকে পুনর্বাসনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে কানাডার প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য কানাডার বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে ড. মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার সময় এসেছে। এটি একটি ভালো সময়।’

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রোববার কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বারের নৈশভোজে কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস এবং স্ট্রাটেজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

ক্যানচ্যাম সভাপতি মাসুদ রহমান কানাডা থেকে বাংলাদেশে এফডিআই প্রবাহের সুবিধার্থে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈদেশিক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি (ফিপা) স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাণিজ্যের প্রচার ও সম্প্রসারণের জন্য একটি দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরেরও গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

মাসুদ রহমান বলেন, ‘২০১৯ সালে বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) ৩ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এখানে এফডিআই প্রবাহ বছরে ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক দিক।’

ক্যানচ্যাম প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশ কানাডার প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার ভারত ও চীনের কাছাকাছি ভৌগোলিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। আর এসবই বাংলাদেশকে এফডিআই-এর একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় গন্তব্যে পরিণত করেছে। কানাডার জন্য সম্ভাব্য নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগের কেন্দ্র হতে পারে বাংলাদেশ।

‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) কানাডার জন্য একটি কান্ট্রি ডেস্কও প্রতিষ্ঠা করেছে। ওই ডেস্কের মূল উদ্দেশ্য হল কানাডা থেকে এফডিআই সম্পর্কিত সমস্যাগুলো মোকাবেলা করার জন্য বিনিয়োগের জীবনচক্র জুড়ে এন্ড-টু-এন্ড সমর্থন প্রসারিত করা।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের সামনে কানাডার আউটসোর্সিং বাজারের সুযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corruption weakens foundation of state Chief Justice

দুর্নীতি রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করে: প্রধান বিচারপতি

দুর্নীতি রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করে: প্রধান বিচারপতি রোববার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত আলোচনায় সভায় বক্তব্য দেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘দুর্নীতি জনগণকে বিক্ষুব্ধ করে, জন্ম দেয় ক্রোধের। এজন্য দুর্নীতিকে নির্মূল করতে হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গের প্রতি জনগণের আস্থা দৃঢ় করতে সবাইকে সামান্যতম দুর্নীতি থেকেও দূরে থাকতে হবে। সামান্যতম দুর্নীতিও আস্থার জায়গা ধ্বংস করে দেয়।’

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, দুর্নীতি এমন একটি ক্যান্সার যা গণতন্ত্রকে নষ্ট করে, দেশকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়, রাষ্ট্রের ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়।

সংবিধান দিবস উপলক্ষে রোববার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত এক আলোচনায় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, দুর্নীতি জনগণকে বিক্ষুব্ধ করে, জন্ম দেয় ক্রোধের। এজন্য দুর্নীতিকে নির্মূল করতে হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গের প্রতি জনগণের আস্থা দৃঢ় করতে সবাইকে সামান্যতম দুর্নীতি থেকেও দূরে থাকতে হবে। সামান্যতম দুর্নীতিও আস্থার জায়গা ধ্বংস করে দেয়।

আগামী প্রজন্মকে দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র উপহার দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পতাকাবাহীদের জন্য আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রযন্ত্র রেখে যাই, যাতে তারা আরও উজ্জ্বল আলোয় প্রজ্বলিত হয়।

আইনজীবীদের আন্দোলনের গৌরবময় অধ্যায় তুলে ধরে বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, অগণতান্ত্রিক সামরিক শাসন আমলে এ দেশে বিচার বিভাগ নিয়ে অশুভ ও অবাস্তব অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছিল। এরই অংশ হিসেবে অসাংবিধানিক উপায়ে হাইকোর্ট বিভাগকে খণ্ড খণ্ড করে দেশের বিভিন্ন জেলায় বেঞ্চ স্থাপন করা হয়েছিল। গণতন্ত্র নস্যাতের সেই সময়ে আইনজীবীরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।

তিনি বলেন, আমাদের সংবিধানের ধারক ও বাহক হিসেবে দেশের সব আইন ও আইনগত কার্যক্রমে সাংবিধানিক চেতনার প্রতিফলন নিশ্চিত করার সুমহান দায়িত্ব বিচার বিভাগের। একটি শক্তিশালী বিচার বিভাগ বাংলার মানুষের আজন্ম লালিত স্বপ্ন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল তারা এবং তাদের বংশধররা চায় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মানুষকে যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তা বাস্তবায়ন না হোক। তারা চান, এদেশের মানুষ আবার তাদের প্রজা হয়ে থাক।

খুনিরা সামরিক শাসনের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে এদেশের মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অবিচ্ছেদ্য। তাই এই দুটোকে যেমন বিচ্ছিন্ন করে ফেলা যাবে না, তেমনি ভোলাও যাবে না।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসেছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমরা যদি সেই চেষ্টায় সহযোগিতা করি, তাহলে শুধু বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণ হবে না, সেই সোনার বাংলায় যে মানুষ থাকবে তারাও উপকৃত হবেন।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান, বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রফিক উল হকের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য: প্রধান বিচারপতি
এসব মৃত্যুর শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়: প্রধান বিচারপতি
রাসুল (সা.)-এর দেখানো পথেই আমাদের চলতে হবে: প্রধান বিচারপতি
বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনের চক্রকে চিহ্নিত করতে হবে: প্রধান বিচারপতি
বিচারপ্রার্থীরা আস্থা হারালে বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে: প্রধান বিচারপতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The fall of the government is inevitable Fakhrul

সরকারের পতন অনিবার্য: ফখরুল

সরকারের পতন অনিবার্য: ফখরুল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
মির্জা ফখরুল বলেন, জনবিস্ফোরণ দেখে আওয়ামী লীগ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। বিএনপি এবং বিরোধী দলগুলোর সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও মানবিক কর্মসূচির ওপর বেপরোয়া হামলা শুরু করেছে।

সরকার জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে জনবিস্ফোরণ ঠেকাতে পারবে না। তাদের পতন অনিবার্য বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুর সই করা বিবৃতি রোববার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকার বিরোধী দলহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েমের মাধ্যমে নিজেদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘকাল ভোগ করার বাসনায় লিপ্ত। তাই তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে লাগামহীনভাবে বাধা দিচ্ছে। নির্যাতন চালিয়ে সরকার ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে দমাতে পারবে না।

জনবিস্ফোরণ দেখে আওয়ামী লীগ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। বিএনপি এবং বিরোধী দলগুলোর সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও মানবিক কর্মসূচির ওপর বেপরোয়া হামলা শুরু করেছে।

অবৈধ সরকারের লুটেরা বাহিনী বিদেশে বিপুল অর্থবিত্তের পাহাড় গড়ছে। অন্যদিকে দেশের কৃষক যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল উৎপাদন করছে তাদের ওপর চলছে সীমাহীন জুলুম ও অত্যাচার। কৃষকরা এখন অভাব ও দেনার দায়ে জর্জরিত। ক্ষোভ-হতাশা ও বঞ্চনায় তারা আত্মহত্যাও করছে।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলায় কৃষকদল নেতাদের ওপর হামলা চালিয়েছে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা। বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল আলম, কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক সুধীন্দ্র চন্দ্র দাসসহ অনেকে আহত হন এ ঘটনায়।

এছাড়া পাবনার ইশ্বরদী উপজেলায় ঋণ নিয়ে ফেরত না দেয়ার অভিযোগে ৩৭ জন কৃষকের নামে মামলা হয়েছে। ১২ কৃষককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঝামেলা না করে নয়াপল্টন দিন: পুলিশকে ফখরুল
রিজার্ভ লুট করে এখন ডিফেন্সিভ পজিশনে: ফখরুল
জনগণের উত্তাল তরঙ্গে আ.লীগ ভেসে যাবে: ফখরুল
ভোট নিয়ে জাপানি দূতের বক্তব্য চরম সত্য কথা: ফখরুল
১০ ডিসেম্বরের উত্তেজনায় ফখরুলের জল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MasterCard Excellence Award Received Cash

মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল নগদ

মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল নগদ
স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়নে অবদান রাখা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়েছে মাস্টারকার্ড। এটি মাস্টারকার্ডের চতুর্থ আয়োজন। এ বছর ১৫টি বিভাগে মোট ২৩টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশের আর্থিক খাতে ডিজিটাল উদ্ভাবনে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ পেয়েছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ। পাশাপাশি মার্চেন্ট ব্যবসায় অনলাইন ক্যাটাগরিতে অবদান রাখায় আরেকটি পুরস্কার পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সম্প্রতি ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘টুওয়ার্ডস আ স্মার্ট ট্রান্সফরমেশন’ শিরোনামে ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২২’-এর আয়োজন করে ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সংস্থা মাস্টারকার্ড। সেখানে দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে নগদ।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নগদ এ তথ্য জানায়।

স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়নে অবদান রাখা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়েছে মাস্টারকার্ড। এটি মাস্টারকার্ডের চতুর্থ আয়োজন। এ বছর ১৫টি বিভাগে মোট ২৩টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এরমধ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠান একাধিক শ্রেণিতে পুরস্কার পেয়েছে। ২০২১-২২ সালের কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ পুরস্কার দেয়া হয়।

এবার মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ড বিল পেমেন্টের জন্য এক্সিলেন্স ইন ডিজিটাল ইনোভেশন ২০২১-২২ অর্জন করেছে নগদ। এছাড়া এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড বিজনেস (মার্চেন্ট) অনলাইন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায় নগদ।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, গেস্ট অব অনার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. খুরশীদ আলম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাস্টারকার্ডের সাউথ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার বিকাশ ভার্মা, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামালসহ পার্টনার ব্যাংক, ফিনটেক ও মার্চেন্ট পার্টনারগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মাস্টারকার্ড সাউথ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার বিকাশ ভার্মা বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখছে এমন সব প্রয়োজনীয় ও অভিনব ডিজিটাল পেমেন্ট সল্যুশন উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুরস্কৃত করতে পেরে মাস্টারকার্ড আনন্দিত।’

নগদ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘নগদ শুরু থেকে প্রযুক্তিগতভাবে একটি ডিজিটাল পেমেন্ট সল্যুশন হিসেবে সবার কাছে স্বীকৃত। সেই স্বীকৃতির সাথে প্রাপ্তি হিসেবে যোগ হলো মাস্টারকার্ডের এই পুরস্কার। আমরা চাই নগদ-এর মাধ্যমে এ দেশের ব্যাংকিং খাতের বাইরে থাকা জনগোষ্ঠী আর্থিক খাতে যুক্ত হোক। কারণ প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক ও সাশ্রয়ী একটি সেবা ডাক বিভাগের নগদ।’

এর আগে বাংলাদেশে প্রথম ই-কেওয়াইসি উদ্ভাবনের জন্য বেস্ট ইনোভেশন ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড, বিশ্ব সেরা ফিনটেক উদ্যোগ হিসেবে ইনক্লুসিভ ফিনটেক ফিফটি অ্যাওয়ার্ড, বেস্ট ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাওয়ার্ড, উইটসা গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড, ডিজিটাল বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড, ই-কমার্স মুভার অ্যাওয়ার্ড, বেস্ট মার্কেটিং কমিউনিকেশন অ্যাওয়ার্ডসহ আরও অনেক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে নগদ।

আরও পড়ুন:
হাত মেলাল ‘নগদ’ ও ইসলামী ব্যাংক
রপ্তানি আয় নগদায়নে সনদ ইস্যু করতে পারবে এডি শাখা
স্তন ক্যানসার সচেতনতা বাড়াতে ‘নগদ’-এর কর্মশালা
বিজনেস ডিরেক্টর অব দ্য ইয়ার হলেন নগদের সিবিও
ডাক বিভাগকে সাড়ে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব দিল ‘নগদ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A set of instructions to the secretaries including the militant issue of the Prime Minister

জঙ্গি ইস্যুসহ সচিবদের একগুচ্ছ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

জঙ্গি ইস্যুসহ সচিবদের একগুচ্ছ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর রোববার সচিব সভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
সচিবদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সভায় জঙ্গি ইস্যু ছাড়াও খাদ্য নিরাপত্তা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে করণীয়, আমদানি ব্যয় সংকোচন, রেমিট্যান্স, বাজার দর ও সুশাসনসহ বেশকিছু বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

জঙ্গি ইস্যুতে সতর্ক থাকাসহ সচিবদের একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রোববার অনুষ্ঠিত সচিব সভায় এসব নির্দেশনা দেন তিনি।

সভা শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রীর অন্য নির্দেশগুলো হলো- খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে করণীয় নির্ধারণ, আমদানি ইস্যুতে ব্যয় সংকোচন, প্রকল্প বাস্তবায়নে ফিজিবিলিটি স্টাডি ঠিকভাবে করা, কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, তথ্য-প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আয় বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স বাড়ানোর বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ, বাজার দর নিয়ন্ত্রণ, ভূমির ই-রেজিট্রেশন ইস্যু ও সুশাসনের ওপর জোর দেয়া।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বিশেষ করে জঙ্গি বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামে পুলিশ কিছু জঙ্গিকে ডিটেক্ট করেছে এবং তার মধ্যে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি কিছুসংখ্যক পালিয়ে গেছে।

‘তাদেরকে ট্রাক করে ধরা ও জনগণকে সতর্ক করে দেয়া এবং তারা যেন কোনোভাবেই কারও কোনো শেল্টার বা সহায়তা বা কোনো আর্থিক বেনিফিট নিতে না পারে সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি রাখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

সম্প্রতি আদালত চত্বর থেকে দুই জঙ্গি পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বুধবার ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সভায় বিষয়টি আলোচনা করে অনেক ইনিশিয়েটিভ নেয়া হয়েছে।

‘এগুলো তো আর ওপেনলি আলাপ করা যাবে না। বুধবার আমরা সব সংস্থাসহ সবাই বসে কীভাবে কী করা যায়, অনেক ইনফরমেশন তারা অনেক কাছাকাছি নিয়ে এসেছেন।’

সরকারি কর্মচারীদের আর আলাদা করে সম্পদের হিসাব সরকারকে দিতে হবে না বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, ‘এনবিআর, আমি ও জনপ্রশাসন সচিব বসেছিলাম। বিষয়টি ক্লিয়ার করে দিয়েছি, সম্পদের হিসাব আর আলাদা করে দেয়ার দরকার নেই। প্রতি বছর আমরা যে রিটার্ন দেই সেখানে একটি পৃষ্ঠার মধ্যে সম্পত্তির হিসাব দিতে হয়। ওই পেজটা জনপ্রশাসনকে দিয়ে দেব।

‘এনবিআর বলেছে তাদের কোনো আপত্তি নেই। এখন সার্কুলার হয়ে যাবে। আমরা ওই পেজটাই অনলাইনে জনপ্রশাসনকে জমা দিয়ে দেব।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর সফর স্থগিত ‘জাপানে রাজনৈতিক অস্থিরতায়’
সংকট মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা চান প্রধানমন্ত্রী
খাদ্য মজুত ১৫ লাখ টনের নিচে না নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী
সঞ্চয় বাড়ান, মিতব্যয়ী হোন: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Japans Ambassador Good Man Misunderstood as Villain Momen

জাপানের দূত ভালো মানুষ, ভুল বুঝিয়েছে দুষ্টু লোক: মোমেন

জাপানের দূত ভালো মানুষ, ভুল বুঝিয়েছে দুষ্টু লোক: মোমেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি।
‘ওকে (ইতো নাওকি) কোনো দুষ্টু লোক ভুল তথ্য দিয়েছে। তিনি সাধাসিধে মানুষ, বাংলাদেশের ভালো বন্ধু। তাকে বলা হয়েছে পুলিশ এসে ভোট দিয়েছে। সেই কথা সে বলে ফেলেছে। তিনি ভালো মানুষ। এটা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকির বক্তব্যে সরকারের পক্ষ থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এখন বলেছেন, তারা উদ্বিগ্ন নন। তার দৃষ্টিতে জাপানি দূত একজন ভালো মানুষ। তাকে কিছু দুষ্টু লোক ভুল বুঝিয়েছে।

রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ঘুম’ বিষয়ক চিকিৎসকদের এক ওয়ার্কশপ শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ওকে (ইতো নাওকি) কোনো দুষ্টু লোক ভুল তথ্য দিয়েছে। তিনি সাধাসিধে মানুষ, বাংলাদেশের ভালো বন্ধু। তাকে বলা হয়েছে পুলিশ এসে ভোট দিয়েছে। সেই কথা সে বলে ফেলেছে। তিনি ভালো মানুষ। এটা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই।’

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে রাতে ভোট নিয়ে ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাও‌কির সাম্প্রতিক বক্তব্যে নিয়ে ঢাকা উদ্বিগ্ন নয় বলেও জানান মন্ত্রী।

১৪ নভেম্বর রাজধানীতে একটি ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’ অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে বৈশ্বিক মতামতের একটা গুরুত্ব আছে। জাপান ২০১৮ সালের নির্বাচনের পরপর উদ্বেগ জানিয়েছিল। আমরা নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভরে রাখার কথা শুনেছি, যা পৃথিবীর আর কোথাও শুনিনি। আমি আশা করব, এবার তেমন সুযোগ থাকবে না বা এমন ঘটনা ঘটবে না।’

দুই দিন পর মেহেরপুরে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। সেদিন সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘জাপান কেন, কোনো রাষ্ট্রদূতই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে নাক গলাবেন, এটা আমরা কখনোই মেনে নিতে পারি না।

‘তাদের আবারও সতর্ক করা হবে। বাংলাদেশ স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা এ দেশকে স্বাধীন করেছি। ফলে কারও কাছে পদানত হওয়া বা দেশের আত্মমর্যাদা রক্ষায় আমরা কাউকে ছাড় দেব না।’

মন্ত্রী এই বক্তব্য রাখার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইতোকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তলব করেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। সেখানেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ১৪ নভেম্বর এক অনুষ্ঠানে দেয়া রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

‘রিজার্ভ নিয়ে গণমাধ্যমের বক্তব্যে তাজ্জব হই’

বাংলাদেশের রিজার্ভ নিয়ে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের গণমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনাও করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আপনারা (গণমাধ্যম) মাঝেমধ্যে উল্টাপাল্টা বলেন, আমাদের রিজার্ভ নাই, আমি তাজ্জব হই।

‘আপনারা মাঝেমধ্যে উল্টাপাল্টা বলেন, আমাদের রিজার্ভ নাই। আমি তাজ্জব হই। আগে আমাদের তিন থেকে চার বিলিয়ন রিজার্ভ হলে আপনারা খুশিতে থাকতেন। আর এখন আমার ৩৪ থেকে ৩৭ বিলিয়ন রিজার্ভ, তারপরও আপনারা বলেন। এগুলো পাগলের প্রলাপ না হয় তো কী!

মোমেন বলেন, ‘আপনি (গণমাধ্যম) বলেন, ব্যাংকে টাকা নাই। আমার ট্রিলিয়ন টাকা ব্যাংকে আছে। আপনারা বিভিন্ন রকমের প্রোপাগান্ডা করেন ব্যাংকে টাকা নাই। বাড়িতে নিয়ে রাখেন তখন চুরি করতে পারবে।’

বাংলাদেশ জাপানের কাছে বাজেট সহায়তা হিসেবে ঋণ চেয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এসব আমি জানি না। এগুলো আপনারাই জানেন। আমাদের কোনো প্রয়োজন নাই। ইউ আর ভেরি সলিড ইকোনমি।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচন নিয়ে জাপানি দূতের বক্তব্যে মর্মাহত পুলিশ
কূটনীতিকদের আরও ভেবেচিন্তে কথা বলা উচিত: ইসি আনিছুর
জাপানি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
রাতের ভোট: জাপানি দূতের বক্তব্যে নাখোশ সরকার
রাতে ব্যালট বাক্স ভরার কথা আর কোথাও শুনিনি: জাপানি রাষ্ট্রদূত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona detection reduced to 16

করোনা: শনাক্ত কমে ১৬

করোনা: শনাক্ত কমে ১৬ কমছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৩৯৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ সময় ১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১০ জনই ঢাকার বাসিন্দা। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ।

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনা শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সকালের পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৩৯৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ সময় ১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১০ জনই ঢাকার বাসিন্দা। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৫২৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৭৯ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৮ জন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণে সারা দেশে এ পর্যন্ত ২৯ হাজার ৪৩১ জন মারা গেছেন। বর্তমানে শনাক্ত কমে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনায় শনাক্ত ২৩
করোনা: শনাক্ত কমে ২০
করোনা শনাক্ত শূন্যের কোঠায়

মন্তব্য

p
উপরে