× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
There is a slight pressure another can be created
hear-news
player
google_news print-icon

একটি লঘুচাপ আছে, আরেকটি তৈরি হতে পারে

একটি-লঘুচাপ-আছে-আরেকটি-তৈরি-হতে-পারে
আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক মাস মেয়াদি জলবায়ুর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের পর চলতি নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। তবে সেটি মাসের কবে নাগাদ তৈরি হতে পারে বা ঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ কী, সে সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নন আবহাওয়াবিদরা।

বঙ্গোপসাগরে এখন একটি লঘুচাপ আছে, যেটির অবস্থান এখন শ্রীলঙ্কার উপকূলে। এর প্রভাব পড়বে না বাংলাদেশে। তবে কিছু দিনের মধ্যে আন্দামান সাগরে আর একটি লঘুচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির নিউজবাংলাকে জানান, সাগরে এখন যে লঘুচাপ আছে, সেটি আছে ভারতের উত্তর দিকে ও শ্রীলঙ্কার কাছে। তবে সেটি এখন দুর্বল হয়ে গেছে। সাধারণত এত দূরের লঘুচাপের প্রভাব এখানে আসে না।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক মাস মেয়াদি জলবায়ুর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের পর চলতি নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হতে পারে। তবে সেটি মাসের কবে নাগাদ তৈরি হতে পারে বা ঝড়ের সম্ভাব্য গতিপথ কী, সে সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নন আবহাওয়াবিদরা।

নভেম্বরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে একটি বা দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

অক্টোবরের শুরুতেই আবহাওয়া অধিদপ্তরের তিন মাস মেয়াদি পূর্বাভাসে অক্টোবরের সিত্রাংয়ের সম্ভাবনার কথা জানানো হয়। বঙ্গোপসাগরে এখন যে লঘুচাপটি আছে, সেটির প্রভাব এই অঞ্চলে না থাকলেও আর একটা লঘুচাপ কিছু দিনের মধ্যেই তৈরি হবে।

আবহাওয়াবিদ তরিফুল বলেন, ‘আন্দামানের আশেপাশেই সেটি হবে। এটা আজ থেকে চার পাঁচ দিন অথবা পাঁচ ছয় দিনের মধ্যে তৈরি হবে।’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ‘দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন তামিলনাড়ু উপকূলীয় এলাকার অদূরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে লঘুচাপ পরিণত হয়ে বর্তমানে উত্তর তামিলনাড়ু এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।’

দেশে এখন শীতের আভাস শুরু হয়েছে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, সারা দেশের গড় তাপমাত্রা বেশির ভাগ অঞ্চলে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি। দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে রাতের তাপমাত্রা গড়ে এখন ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, ‘এখন তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। দেশের অনেক অঞ্চলেই এখন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি বা তার কম।’

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আরও পড়ুন:
সাগরে লঘুচাপ, ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
সাগরে লঘুচাপ, তলিয়ে গেছে বরগুনার উপকূল
ঘের ভেসে ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি, নষ্ট ২০০ হেক্টর বীজতলা
লঘুচাপ: কক্সবাজারে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
লঘুচাপ: সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সংকেত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
In the middle of December the severe cold will come in January

মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ মধ্য ডিসেম্বরে

মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ মধ্য ডিসেম্বরে
আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, ‘আমাদের শীতের প্রধান মাস হচ্ছে জানুয়ারি। এর আগে ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে শুরু হয় তাপমাত্রার পতন। এ সময় তাপমাত্রা কমে ১০ ডিগ্রির নিচে নামতে পারে। তবে সেটি ৮ থেকে ১০-এর মধ্যেই থাকবে। এরপর জানুয়ারিতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অনুভূত হতে পারে। তখন তাপমাত্রা নামবে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে।’

অগ্রহায়ণের ১৯ দিন কেটে গেলেও নগরীতে এখনও নামেনি শীতের প্রকোপ। তবে দেশের উত্তরাঞ্চল ও গ্রামগুলোতে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে শীতের আমেজ। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পৌষের শুরুতে (১৬ ডিসেম্বর) দেশের তাপমাত্রা কমতে থাকবে, জেঁকে বসবে শীত। তখন মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত ছিল তেঁতুলিয়ায় ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বোচ্চ ছিল কক্সবাজারে ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মধ্য ডিসেম্বরের পর থেকে অর্থাৎ পৌষের শুরু থেকে দেশের সব অঞ্চলের তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নিচে নামবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখনও দেশের সব অঞ্চলের তাপমাত্রা একসঙ্গে কমতে শুরু করেনি। তবে এই মাসেই দেশে মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। ডিসেম্বরের ২০ তারিখের পর এই শৈত্যপ্রবাহ অনুভূত হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের শীতের প্রধান মাস হচ্ছে জানুয়ারি। এর আগে ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে শুরু হয় তাপমাত্রার পতন। এ সময় তাপমাত্রা কমে ১০ ডিগ্রির নিচে নামতে পারে। তবে সেটি ৮ থেকে ১০ এর মধ্যেই থাকবে। এরপর জানুয়ারিতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অনুভূত হতে পারে। তখন তাপমাত্রা নামবে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক মাস মেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে ১টি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে পারে। তবে এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।

এ মাসের শেষার্ধে দেশের কোথাও কোথাও ১ থেকে ২টি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ মাসে দেশের নদী অববাহিকায় ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ডিসেম্বর মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীসমূহে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে।

আর জানুয়ারির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে দেশে ২ থেকে ৩টি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ও মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে ২টি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে (৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) রূপ নিতে পারে।

এ মাসে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি/ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা/মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ
‘বেশি শীত হলে খড়-পাতা জ্বালায় দিন কাটামো’
হেমন্তে কলকাতায় শীতের আমেজ
নভেম্বরেও তৈরি হতে পারে ঘূর্ণিঝড়, শীত নামবে মধ্যভাগে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Loss of GDP due to air pollution is at least 4 and a half percent

বায়ুদূষণে জিডিপির ক্ষতি অন্তত সাড়ে ৪ শতাংশ

বায়ুদূষণে জিডিপির ক্ষতি অন্তত সাড়ে ৪ শতাংশ বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে ২০১৯ সালে প্রায় ৭৮ হাজার ১৪৫ থেকে ৮৮ হাজার ২২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফাইল ছবি
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যান্ডান চেন বলেন, ‘বায়ুদূষণ শিশু থেকে বয়স্ক সবার জীবনকেই ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এ দূষণের কারণে এই দেশে ২০১৯ সালে প্রায় ৭৮ হাজার ১৪৫ থেকে ৮৮ হাজার ২২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে জিডিপিতে ক্ষতি হয়েছে ৩.৯ থেকে ৪.৪ শতাংশ।’

বায়ুদূষণজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুতে বছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩.৯ থেকে ৪.৪ শতাংশ ক্ষতি হয়, এমনটি উঠে এসেছে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যান্ডান চেন। বিশ্ব সংস্থাটির ওয়েব সাইটে এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্বের আর্থিক খাতের মোড়ল সংস্থার এই প্রতিনিধি বলেন, ‘বায়ুদূষণ শিশু থেকে বয়স্ক সবার জীবনকেই ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এ দূষণের কারণে এই দেশে ২০১৯ সালে প্রায় ৭৮ হাজার ১৪৫ থেকে ৮৮ হাজার ২২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে জিডিপিতে ক্ষতি হয়েছে ৩.৯ থেকে ৪.৪ শতাংশ।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, উচ্চমাত্রার বায়ুদূষণের সংস্পর্শে আসায় শ্বাসকষ্ট, কাশি, শ্বাসনালির সংক্রমণসহ বিষণ্নতা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে গেছে।

পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু ও বয়স্ক, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা শ্বাসকষ্টে আক্রান্তরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের টেকসই এবং সবুজ উন্নয়নের জন্য বায়ুদূষণ মোকাবেলা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষণমূলক কাজ এবং নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে বায়ুদূষণ কমাতে সাহায্য করছে।’

দেশের ভেতরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্ষতিকর বস্তুকণার (পিএম-টু পয়েন্ট ফাইভ) ঘনত্ব ডব্লিউএইচওর সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে অনেক ওপরে। দেশে সবচেয়ে বেশি দূষিত বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে কম দূষণ সিলেট বিভাগে।

২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিশ্বের দ্বিতীয় দূষিত শহর হিসেবে স্থান পায় ঢাকা। পশ্চিমাঞ্চলীয় খুলনা ও রাজশাহী বিভাগ পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট ও ​​চট্টগ্রাম বিভাগের চেয়ে বেশি দূষিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীতে মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে এমন সব জায়গায় এবং যেখানে যানজট বেশি যেসব স্থানে বায়ুদূষণ সবচেয়ে ভয়াবহ। ডব্লিউএইচওর সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে এসব স্থানে দূষণ ১৫০ শতাংশের বেশি।

এই মাত্রার দূষণযুক্ত স্থানে অবস্থান করলে তা মানব শরীরের জন্য প্রতিদিন অন্তত দুটি সিগারেট খাওয়ার সমান ক্ষতিসাধন করে।

গত ২১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রকাশিত সমীক্ষায় দেখানো হয়, বিশ্বের শীর্ষ দূষিত বায়ুর দেশ হিসেবে আবারও প্রথম অবস্থানে বাংলাদেশ। শহরগুলোর তালিকায় রাজধানী ঢাকা রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে।

বিশ্বের ১১৭টি দেশের ৬ হাজার ৪৭৫টি শহরের বায়ুমানের তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন সমীক্ষা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কেবল ৩ শতাংশ শহর প্রত্যাশিত বায়ুমান বজায় রাখতে পারলেও সব দেশই সেই মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় বায়ুদূষণ রোধে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত
হর্নবিরোধী অভিযানে দুই নীতি নিয়ে তোপের মুখে ম্যাজিস্ট্রেট
নদী দূষণে বার্ষিক ক্ষতি ২৮৩ কোটি ডলার
বায়ুদূষণ: দিল্লির মানুষের আয়ু কমছে ১০ বছর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jabir NSCC Club Bajimat at Jabir Prajapati Mela

জাবির প্রজাপতি মেলায় জবির এনএসসিসি ক্লাবের বাজিমাৎ

জাবির প্রজাপতি মেলায় জবির এনএসসিসি ক্লাবের বাজিমাৎ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি মেলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এনএসসিসির সদস্য ও অন্যরা। ছবি: নিউজবাংলা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি মেলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাবের চারজন প্রজাপতি দৌড়ে, ছয়জন বারোয়ারি বিতর্কে, ছয়জন ছবি প্রদর্শনীতে ও ১৩ জন স্টল ডেকোরেশনে পুরস্কার পেয়েছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) অনুষ্ঠিত প্রজাপতি মেলায় প্রজাপতির ছবি প্রদর্শনে প্রথম এবং বারোয়ারী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাব’ (এনএসসিসি)।

‘প্রজাপতি প্রজাপতি... কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা?’ স্লোগানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শুক্রবার দিনব্যাপী ১২তম প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মেলায় ছিল নানা আয়োজন।

মেলায় প্রতিবারের মতো এবারও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাবের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের মধ্যে প্রজাপতির ছবি প্রদর্শনে ক্লাবটি প্রথম স্থান অর্জন করে। এছাড়াও বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ক্লাবটি।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ক্লাবের সদস্যরা ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন। তার মধ্যে প্রজাপতি দৌড়ে চারজন, বারোয়ারি বিতর্কে ছয়জন, ছবি প্রদর্শনীতে ছয়জন এবং স্টল ডেকোরেশনে ১৩ জন পুরস্কার পেয়েছেন।

নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তানজিলুর রহমান খান বলেন, ‘বাগান সুরক্ষিত রাখা, বাস্তুতন্ত্ৰ রক্ষা, জলবায়ু বুঝতে সাহায্য করার ক্ষেত্রে প্রজাপতির ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রজাপতি আমাদের জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রজাপতি সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত। আমাদের ক্লাব এই উদ্দেশ্যে নিরলস কাজ করে আসছে।’

এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাসুদসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Zabir Prajapati Mela is vibrant with childrens colors

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতির মেলায় প্রজাপতি দেখছে শিশুরা। ছবি: নিউজবাংলা
২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

কেউ জীবন্ত প্রজাপতি দেখছে, কেউ বা আবার শরীরে আঁকছে প্রজাপতির আল্পনা। কেউ কেউ রং-তুলিতে আঁকছে প্রজাপতির রঙিন ছবি। এভাবেই শিশুদের পদচারণায় প্রাণবন্ত ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি মেলা।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আয়োজনে জহির রায়হান অডিটোরিয়ামের সামনে শুরু হওয়া এ মেলা চলে বিকেল পর্যন্ত।

মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শেখ মনজুরুল হক। তিনি বলেন, ‘প্রজাপতি সংরক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে এই ক্যাম্পাসে প্রজাপতির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে বলেও শোনা যাচ্ছে। আমরা চিন্তা করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা নির্দিষ্ট জায়গাকে শুধুমাত্র প্রজাপতির জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া যায় কি-না।’

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু

এবারের মেলায় ছিল জীবন্ত প্রজাপতি প্রদর্শনী, প্রজাপতির হাট দর্শন, শিশু-কিশোরদের জন্য প্রজাপতি নিয়ে ছবি আঁকা ও কুইজ প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি বিষয়ক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী, প্রজাপতি চেনা প্রতিযোগিতা, প্রজাপতির আদলে তৈরি ঘুড়ি ওড়ানোর প্রতিযোগিতা, বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি বিষয়ক তথ্যচিত্র প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

প্রকৃতি সংরক্ষণে সার্বিক অবদানের জন্য এবারের প্রজাপতি মেলায় ‘তরুপল্লব’ সংগঠনকে ‘বাটারফ্লাই অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ দেয়া হয়। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী দীপ্ত বিশ্বাসকে দেয়া হয় ‘বাটারফ্লাই ইয়াং ইনথুজিয়াস্ট’ অ্যাওয়ার্ড।

বাবার সঙ্গে রাজধানীর শ্যামলী থেকে মেলা দেখতে আসা নার্সারিতে পড়া আদিন আহমেদ। সে নিউজবাংলাকে বলে, ‘বাবার সঙ্গে মেলায় ঘুরতে এসেছি। অনেক রঙের প্রজাপতি দেখেছি, চিত্র এঁকেছি। মেলায় এসে আমার ভাল্লাগছে।’

মেলার আহ্বায়ক প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘একটা সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রজাপতি ছিল ১১০ প্রকার। এখন সে সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৫২টিতে। প্রাণ-প্রকৃতির প্রতি গণসচেতনতা বাড়ানো এবারের প্রজাপতি মেলার অন্যতম উদ্দেশ্য। মানুষের প্রকৃতির প্রতি, প্রজাপতির প্রতি সচেতন হওয়া উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রজাপতি মেলাকে ঘিরে প্রকৃতিপ্রেমীদের তীর্থক্ষেত্র হয়ে উঠেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা উঁচুতে তুলে ধরবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে ঢুকলে জাবি অধ্যাপককে জীবন বিপন্নের হুমকি
জাবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুদকে সাবেক অধ্যাপকের অভিযোগ
জাবিতে গাড়িচালকদের প্রাথমিক চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ
জাবির সাবেক ভিসির গাড়িচালকের ঘরে মদভর্তি ট্রাংক
জাবি ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে অর্ণব-অমর্ত্য

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The beach is covered with jellyfish

সমুদ্রসৈকত ছেয়ে গেছে জেলিফিশে

সমুদ্রসৈকত ছেয়ে গেছে জেলিফিশে সৈকতের শৈবাল পয়েন্ট ছেয়ে গেছে অসংখ্য জেলিফিশে। ছবি: নিউজবাংলা
সৈকতকর্মী বেলাল হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে, টানা জালে আটকে মারা পড়েছে জেলিফিশগুলো। জেলেদের ফেলে দেয়া মৃত জেলিফিশ ভাসতে ভাসতে সৈকতে চলে আসে।

জেলিফিশে ভরে গেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। প্রতিবছর এই সময় সৈকতে জেলিফিশের দেখা মেলে। এবার অনেক বেশি আসছে দফায় দফায়।

শনিবার সৈকতের শৈবাল পয়েন্ট ছেয়ে গেছে অসংখ্য জেলিফিশে। সকালে জোয়ারের পানিতে জেলিফিশগুলো ভেসে আসে।

দায়িত্বরত সৈকতকর্মী বেলাল হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে, টানা জালে আটকে মারা পড়েছে জেলিফিশগুলো। জেলেদের ফেলে দেয়া মৃত জেলিফিশ ভাসতে ভাসতে সৈকতে চলে আসে।

বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার জানান, কক্সবাজারের কাছাকাছি সমুদ্রে জেলিফিশের জন্ম হয় বেশি। জেলেদের কাছে এই মাছের কোনো গুরুত্ব না থাকায় তারা মেরে ফেলেন। মরা মাছগুলো একপর্যায় কূলে ভেসে আসে। সৈকতে জেলিফিশে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

তিনি আরও জানান, জেলিফিশের সংস্পর্শে কোনো ধরনের ক্ষতি হয় না, বরং প্রক্রিয়া করা গেলে খাদ্য হিসেবে বেশ উপযোগী। এ নিয়ে গবেষণা চলছে।

স্থানীয় ভাষায় জেলিফিশকে নুইন্না বলা হয়। হাবিবুর রহমান নামের এক জেলে বলেন, 'কক্সবাজারের মানুষ জেলিফিশ খায় না। এগুলো বেচাকেনাও হয় না। ফলে এসব আমাদের কোনো কাজে আসে না। কিছু প্রজাতির জেলিফিশ গায়ে লাগলে বেশ চুলকায়। তাই এসব জালে আটকা পড়লে আমরা ফেলে দিই।'

গত ৩ ও ৪ আগস্ট এবং ১১ নভেম্বর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বিপুল পরিমাণে জেলিফিশ ভেসে আসে। এসব জেলিফিশের নমুনা নিয়ে গবেষণা করছেন বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিওআরআইর) বিজ্ঞানীরা।

আরও পড়ুন:
সৈকতে শত শত মৃত জেলিফিশ
মৃত্যুকে হার মানিয়ে ‘অমর’ যে জেলিফিশ
মৃত জেলিফিশের দখলে কুয়াকাটার সৈকত
সৈকতে একঝাঁক মৃত জেলিফিশ, তবু এটি ‘অমর’ কেন?
ঘরে এলো জেলিফিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 37 years Bangladesh is free from the dreaded DDT

৩৭ বছর পর ভয়ংকর ডিডিটি মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ

৩৭ বছর পর ভয়ংকর ডিডিটি মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ
বাংলাদেশে ডিডিটি ধ্বংস করা সম্ভব নয়। এর ধ্বংস প্রক্রিয়া সম্পর্কে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল জানান, ডিডিটি পুড়িয়ে যে ছাই হবে সেটিও সাবধানে সংরক্ষণ করতে হবে। শুধু তাই নয়, পুড়ানোর সময় যে গ্যাস বের হবে সেটিও সংরক্ষণ করতে হবে।

নিষিদ্ধের তিন দশক পর ক্ষতিকর রাসায়নিক ডাইক্লোরোডিফেনাইলট্রিক্লোরোইথেন (ডিডিটি)-এর সবচেয়ে বড় মজুত ধ্বংসের জন্য চট্টগ্রাম থেকে পাঠানো হচ্ছে ফ্রান্সে।

শুক্রবার ২৪টি কন্টেইনারে ৫২০ টন ডিডিটি নিয়ে ফ্রান্সের উদ্দেশে চট্টগ্রাম ছেড়ে যাবে বহনকারী জাহাজ।

১৯৮৫ সালে ম্যালেরিয়ার জীবাণু বহনকারী মশা নিধনের উদ্দেশে পাকিস্তান থেকে ৫০০ টন ডিডিটি আমদানি করে সরকার। কিন্তু ওই ডিডিটি নিম্নমানের হওয়ায় সে সময় তা ব্যবহার করা যায়নি। এরপর থেকেই এ রাসায়নিক চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের গুদামে রাখা হয়।

এ অবস্থায় জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক হওয়ায় ১৯৯১ সালে দেশে ডিডিটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। ২০০১ সালে স্টকহোম সম্মেলনের চুক্তি অনুযায়ীও সারাবিশ্বে নিষিদ্ধ এই রাসায়নিক।

ক্ষতিকর এই রাসায়নিক অবিরাম দূষক বা প্রেসিসটেন্ট অর্গানিক পলিউটেন্ট (পপস) প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতিসাধন করে। ক্ষতিকর এই রাসায়নিকের ফলে ক্যান্সারের ঝুঁকি, আয়ুষ্কাল কমে যাওয়া, বংশবৃদ্ধিতে অস্বাভাবিকতা, স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি, শিশুর বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত, প্রজননতন্ত্রের ক্ষতিসাধন সহ নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।

আমদানির ৩৭ বছর পর অবশেষে এই ক্ষতিকর রাসায়নিকটি বাংলাদেশ থেকে ধ্বংসের জন্য ফ্রান্সে পাঠানো হচ্ছে।

সম্প্রতি ৩ দফায় ২৪টি কন্টেইনারে এসব রাসায়নিক শিপিংয়ের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠানো হয়েছে।

৩৭ বছর পর ভয়ংকর ডিডিটি মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ
২৪টি কন্টেইনারে এসব রাসায়নিক শিপিংয়ের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে পাঠানো হয়েছে

বুধবার নগরীর পাঁচ তারকা হোটেল ‘রেডিসন ব্লু’ এর মোহনা হলে এই ডিডিটি অপসারণ প্রকল্পের সমাপ্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘উপকূলীয় অঞ্চলে ক্যান্সার বেড়ে যাওয়া সরকারের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই এলাকায় ক্যান্সার নিয়ে যে চিকিৎসক কাজ করতেন তিনিও ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। আমরা এও জেনেছি, মায়ের দুধেও ডিডিটির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এই ডিডিটি এত বছর এখানে কেন পড়েছিল এটা একটা প্রশ্ন!’

ডিডিটি ধ্বংসের দীর্ঘ প্রক্রিয়াকে ‘ডিডিটি মুক্তিযুদ্ধ’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘যারা কাজ করেছেন আমি তাদের অভিনন্দন জানাই। পরিবেশ অধিদপ্তরে যে কোনো অনুষ্ঠানে আপনাদের স্মরণ করা হবে। এটার যে ইতিহাস লেখা হবে, সেখানে যারা কাজ করেছেন তাদের নামও থাকা উচিত। কারণ তাদের ক্ষতি হতে পারে। যদি তাদের নামের তালিকা থাকে তাহলে কাজের কারণে কোনো রোগে আক্রান্ত হলে সরকার ও রাষ্ট্র দায়িত্ব নেবে।’

এ সময় সীমান্ত দিয়ে ডিডিটি কিংবা এর মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক যেন দেশে প্রবশে করতে না পারে সেজন্য বিজিবি ও জননিরাপত্তা বিভাগকে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেন সচিব।

এ সময় তিনি শুটকিতে ক্ষতিকর কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে কি-না তা খতিয়ে দেখতেও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান রাখেন মোস্তফা কামাল।

বাংলাদেশে ডিডিটি ধ্বংস করা সম্ভব নয়। এর ধ্বংস প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচিব জানান, ডিডিটি পুড়িয়ে যে ছাই হবে সেটিও সাবধানে সংরক্ষণ করতে হবে। শুধু তাই নয়, পুড়ানোর সময় যে গ্যাস বের হবে সেটিও সংরক্ষণ করতে হবে।

আরেকটি বিষয় হলো- বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সে ডিডিটি নিয়ে যেতে বিভিন্ন দেশের অন্তত ১৩টি বন্দরের অনুমতি নিতে হয়েছে। শুরুতে কয়েকটা দেশ আপত্তিও জানিয়েছে যে, এসব দূষিত জিনিস তাদের বন্দর দিয়ে যেতে দেয়া হবে না। পরে তাদেরকে রাজি করানো সম্ভব হয়েছে।

৩৭ বছর পর ভয়ংকর ডিডিটি মুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ
ডিডিটি অপসারণ প্রক্রিয়ায় কাজ করা ব্যক্তিরাও ঝুঁকির মধ্যে আছেন

জাতিসংঘের ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার অরগানাইজেশন (এফএও) এর কীটনাশক বিশেষজ্ঞ মার্ক ডেভিস বাংলাদেশে ডিডিটির এই মজুদকে ‘অত্যন্ত অস্বাভাবিক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ডেভিস বলেন, ‘আমার জানামতে, আর কোথাও একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে এই পরিমাণ কীটনাশক অপসারণের ঘটনা ঘটেনি। এটি অত্যন্ত অস্বাভাবিক যে, একটি শহরের প্রাণকেন্দ্রে এত দীর্ঘ সময় ধরে এটি সংরক্ষণ করা ছিল!’

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ জানান, গ্লোবাল অ্যানভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটি (জিইএফ) ও জলবায়ু ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মাধ্যমে ডিডিটি ধ্বংসের প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এটা ফ্রান্সে পাঠিয়ে ধ্বংস করতে হচ্ছে। কারণ আমারদের সক্ষমতা নেই। আশা করছি, এফএও সঠিক সময় এটি বাস্তবায়ন করবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এফএও এর জ্যেষ্ঠ প্রযুক্তি কর্মকর্তা সাসো মার্টিনোভ, প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ, এফএও রিপ্রেজেনটেটিভ নূর আহমেদ খন্দকার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক আব্দুল হামিদসহ আরও অনেকেই।

আরও পড়ুন:
নিউজিল্যান্ডের ৭৫ শতাংশ মাছে প্লাস্টিক কণা
আ.লীগের কনফারেন্সে পরিবেশ রক্ষায় ১১ সুপারিশ
পাহাড় কাটার অভিযোগে কাউন্সিলর ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
আর নিরাপদ নয় বৃষ্টির পানি
দাবদাহে বিপর্যস্ত ইউরোপ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Butterfly Fair in Jabi is on December 2

জাবিতে ‘প্রজাপতি মেলা’ এবার ২ ডিসেম্বর

জাবিতে ‘প্রজাপতি মেলা’ এবার ২ ডিসেম্বর ২০১০ সাল থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রজাপতি মেলা। ছবি: নিউজবাংলা
২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প্রজাপতি মেলা’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

‘উড়লে আকাশে প্রজাপতি, প্রকৃতি পায় নতুন গতি’- এই স্লোগানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে প্রজাপতি মেলা-২০২২।

বুধবার মেলার আহ্বায়ক ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবছরের মতো এবারও মেলায় থাকবে প্রজাপতি প্রদর্শন, শিশু-কিশোরদের জন্য প্রজাপতি-বিষয়ক ছবি আঁকা ও কুইজ প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি-বিষয়ক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি চেনা প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি-বিষয়ক তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ঘুড়ি ওড়ানোসহ নানা আয়োজন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় প্রকৃতি সংরক্ষণে সার্বিক অবদানের জন্য ‘তরুপল্লব’ সংগঠনকে এবার ‘বাটারফ্লাই অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ দেয়া হবে। আর ‘বাটারফ্লাই ইয়াং ইনথুজিয়াস্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী দীপ্ত বিশ্বাসকে।

২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন:
জাবিতে গাড়িচালকদের প্রাথমিক চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ
জাবির সাবেক ভিসির গাড়িচালকের ঘরে মদভর্তি ট্রাংক
জাবি ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে অর্ণব-অমর্ত্য
জাবির ভিসি হতে এগিয়ে আমির
জাবি ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ 

মন্তব্য

p
উপরে