× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two and a half hours later the train started running on the Joydevpur Mymensingh route
hear-news
player
google_news print-icon

আড়াই ঘণ্টা পর জয়দেবপুর-ময়মনসিংহে ট্রেন চালু

আড়াই-ঘণ্টা-পর-জয়দেবপুর-ময়মনসিংহে-ট্রেন-চালু-
শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার শামীমা জাহান জানান, ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে রাজেন্দ্রপুর স্টেশনে যাত্রা বিরতি দেয়া মহুয়া এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন আলাদা করে বিকল হওয়া ট্রেনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ট্রেনটি শ্রীপুর স্টেশনে এনে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ ট্রেন লাইন ট্রেন চলাচল চালু করা হয়েছে।

প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে।

শ্রীপুরের সাতখামাইর স্টেশন ও কাওরাইদ স্টেশনের মাঝামাঝি মাইজপাড়া এলাকায় ইঞ্জিন বিকল হয়ে শনিবার সকাল ১০টা ২০মিনিটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। পরে ১২টা ৩৮ মিনিটে বিকল হওয়া ট্রেনটি মহুয়া ট্রেনের ইঞ্জিন দিয়ে শ্রীপুর স্টেশনে আনা হলে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার শামীমা জাহান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী জামালপুর কমিউটার ১০টার কিছু সময় পর কাওরাইদ রেলস্টেশন থেকে শ্রীপুর স্টেশনের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। ১০টা ২০মিনিটের দিকে ট্রেনটি কাওরাইদ রেলস্টেশন ও সাতখামাইর স্টেশনের মাঝামাঝি মাইজপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে।

এতে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এতে ময়মনসিংহগামী মহুয়া এক্সপ্রেস রাজেন্দ্রপুর স্টেশনে ও ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস কাওরাইদ স্টেশন এলাকায় আটকা পড়ে ট্রেনের কয়েক হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন।

তিনি আরও জানান, ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে রাজেন্দ্রপুর স্টেশনে যাত্রা বিরতি দেয়া মহুয়া এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন আলাদা করে বিকল হওয়া ট্রেনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ট্রেনটি শ্রীপুর স্টেশনে এনে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ ট্রেন লাইন ট্রেন চলাচল চালু করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রেললাইনে বিকল ভারতীয় ট্রাক, অল্পে রক্ষা
ট্রেনে কাটা পড়ে এনজিও কর্মকর্তার মৃত্যু
বাড়ি ফেরার কথা থাকলেও মরদেহ মিলল রেল লাইনে
গান গাইতে এসে ট্রেনের ধাক্কায় ৪ ভারতীয় আহত
লাইনে বিকল ট্রাক, গেটম্যানের চেষ্টায় থামল ট্রেন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
After 6 years who is coming to lead the conference of A League in Mymensingh

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা দীর্ঘ ৬ বছর পর আজ ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। পদপ্রত্যাশী নেতাদের তোরণ, ফেস্টুন আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। ইতিমধ্যে সম্মেলনস্থলে শেষ হয়েছে মঞ্চ নির্মাণের কাজ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এ সম্মেলন খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কমিটিতে যারা আসবেন, তাদের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে সর্বোচ্চ ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় রাখা। তাই নতুন কমিটিতে কারা পদ পাচ্ছেন, তা নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা।

২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছিল। ওই দিন সম্মেলনস্থলে কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। ওই বছর ১০ অক্টোবর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের নাম ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া মহানগর কমিটিতে সভাপতি পদে এহতেশামুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোহিত উর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়।

দীর্ঘ ৬ বছর পর আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নেতা-কর্মীরা উচ্ছ্বসিত। পদপ্রত্যাশী নেতাদের তোরণ, ফেস্টুন আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। ইতিমধ্যে সম্মেলনস্থলে শেষ হয়েছে মঞ্চ নির্মাণের কাজ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এ সম্মেলন খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কমিটিতে যারা আসবেন, তাদের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে সর্বোচ্চ ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় রাখা। তাই নতুন কমিটিতে কারা পদ পাচ্ছেন, তা নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা।

এবারের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা আবারও প্রার্থী হয়েছেন। এ ছাড়াও সভাপতি প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন খান, হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ খানের প্রচারণা দেখা গেছে। এই তিনজনের বাইরেও গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, বর্তমান জেলা কমিটির সহসভাপতি সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ ও ফারুক আহমেদ খান আলোচনায় রয়েছেন।

আর সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী মহানগর কমিটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত, বর্তমান জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস, শওকত জাহান মুকুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ আলী আকন্দ।

অপরদিকে, মহানগরের সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগরের সহসভাপতি ইকরামুল হক টিটু। এ ছাড়াও বর্তমান সভাপতি এহতেশামুল আলম ও সাদেক খান মিল্কী টজু সভাপতি পদপ্রত্যাশী।

আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি অধ্যাপক গোলাম ফেরদৌস জিল্লু, যুগ্ম সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হক।

মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি এহতেশামুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত পাঁচ বছর ধরে আমি দলকে সুষ্ঠুভাবে চালিয়েছি। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ৩৩টি ওয়ার্ডে সমানতালে কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। বেশিরভাগ ওয়ার্ডে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি দিতে সক্ষম হয়েছি। আমি আশা করি, আমাকে আবারও সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হবে।’

মহানগরের সহসভাপতি ও সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে দলকে আগলে রাখার চেষ্টা করছি। দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে বিএনপি-জামায়াতবিরোধী আন্দোলন অব্যাহত রেখেছি।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি মহানগরের সভাপতি হিসেবে আমাকে সুযোগ দেন, তাহলে আমি নিজের সর্বশক্তি দিয়ে দলের জন্য কাজ করব। এতদিনের কাজ বিবেচনায় দল সঠিক মূল্যায়ন করবে বলে আশা করি।’

একই কথা জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক। তিনি বলেন, ‘স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চেষ্টা করেছি। তাই সভাপতি পদ পরিবর্তন হবে বলে আমার মনে হয় না।’

জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নৌকার আদলে মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। মঞ্চে ২০০ জনের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সমাবেশে কয়েক লাখ লোকের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছি।’

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বেশ কয়েকজন নেতা সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল।

আরও পড়ুন:
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
সড়কে আ.লীগের মঞ্চ, ক্ষোভ নগরবাসীর
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন
ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যবদ্ধের ডাক শেখ সেলিমের
আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য হচ্ছেন মতিয়র রহমান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP leaders and workers flooded the field at night

রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা

রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা মাদ্রাসামাঠ ভরে যাওয়ায় রাস্তায়ও অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘আমরা সকাল ৯টা থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চাই। সকালেই আমরা সাবেশস্থলে প্রবেশ করতে চাই।’

সকালেই রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ। একটু আগে-ভাগেই সমাবেশ শুরু করতে চান আয়োজকরা। কারণ সমাবেশস্থলের পার্শ্ববর্তী ঈদগাহ মাঠ ইতোমধ্যেই পূর্ণ হয়ে গেছে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে।

শুক্রবার রাত ১০টায় মাদ্রাসা মাঠের সামনের রাস্তা দিয়ে হাঁটারও সুযোগ নেই। মানুষে ঠাসা। সমাবেশস্থল ঘিরেও অসংখ্য মানুষ।

গত বুধবার থেকেই রাজশাহীতে নেতা-কর্মীরা আসতে শুরু করেছিলেন। তবে সমাবেশের আগের দিন তাদের ঢল নামে। দুপুরের পর বিভিন্ন জেলা থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করেও অনেকেই সভাস্থলের পাশে হাজির হন।

বাস ধর্মঘট চলার কারণে ট্রেনের ওপরই বেশি নির্ভর করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

গত তিনদিনে রাজশাহীতে যেসব ট্রেন ঢুকেছে সবগুলোতেই ছিল উপচেপড়া ভিড়। শুক্রবার সন্ধ্যার পর যেসব ট্রেন রাজশাহী এসেছে সেগুলোতে পা ফেলারও ঠাঁই ছিল না। গাদাগাদি করে আসা এসব মানুষের বেশিরভাগেরই গন্তব্য ছিল সমাবেশ।

স্টেশন থেকে নেমেই দল বেঁধে হেঁটে শ্লোগান দিতে দিতে সমাবেশস্থলের দিকে যাচ্ছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সমাবেশের আগের রাতে উৎসবের আমেজ মাদ্রাসামাঠ এলাকাজুড়ে। খোশগল্প, ছুটাছুটি আর ক্ষণে ক্ষণে দলীয় শ্লোগান দিয়ে সময় পার করছেন নেতা-কর্মীরা। কেউ তুলছেন সেলফি, কেউ ভিডিও। অনেককে ফেসবুক লাইভ করতেও দেখা গেছে। কখনও কখনও বসছে গানের আসর।

সকাল থেকেই সমাবেশ শুরুর পরিকল্পনা

সকাল থেকেই রাজশাহীর সমাবেশ শুরু করতে চান বিএনপি নেতারা। তারা দাবি করছেন, অনুমতি পেতে দেরি হওয়ার কারণে মঞ্চ প্রস্তুত হতে সময় লেগেছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওই সময় পুলিশ আমাদের কাজ করতে দেয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরু হয়। এ কারণে কিছুটা সময় লেগেছে।’

দুলু বলেন, ‘আমরা সকাল ৯টা থেকে সমাবেশ শুরু করতে চাই। সকালেই আমরা সাবেশস্থলে প্রবেশ করতে চাই।’

ফাঁকা থাকবে খালেদা-তারেকের আসন

আয়োজকরা বলছেন, অনান্য বিভাগীয় সমাবেশর মত রাজশাহীর মঞ্চেও ফাঁকা থাকবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আসন। শনিবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুলু বলেন, ‘শনিবার সকাল ৯টার দিকে মঞ্চে আসন গ্রহণ শুরু হবে। প্রতিবারের মতো এবারও সমাবেশ মঞ্চে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য একটি করে দুটি চেয়ার ফাঁকা রাখা হবে।’

নগরীর সব প্রবেশপথে পুলিশের চেকপোস্ট

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশ ঘিরে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। শহরের সবগুলো প্রবেশমুখে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। এ ছাড়া নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে থাকছে পুলিশের অবস্থান।

শুক্রবার বিকেল থেকেই মাদ্রাসা মাঠ ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে এখানে অল্প কিছু পুলিশ সদস্য অবস্থান করলেও বিকেল থেকে এই সংখ্যা কয়েকগুন বেড়েছে।

সমাবেশ ঘিরে প্রায় দুই সপ্তাহ জুড়েই রাজশাহী ও আশপাশের জেলাগুলোতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। সমাবেশের আগ মুহুর্তে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিশও। নগরীর সবকটি প্রবেশপথে তল্লাশি চৌকি বসিয়েছে তারা।

নগরীর আমচত্বর, নওদাপাড়া, রেলগেট, কাশিয়াডাঙ্গা মোড়, তালাইমারী মোড়, কাটাখালী বাজার এবং বেলপুকুরে পুলিশের চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। বাইরে থেকে আসা যানবাহনগুলোতে তাদের বাড়তি নজরদারি।

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘সমাবেশকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে সহিংস কিছু ঘটাতে না পারে, বিশৃঙ্খলা ঘটাতে না পারে সে জন্য আমরা সতর্ক আছি। গোটা শহরেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সাদা পোশাকেও মাঠে পুলিশ রয়েছে। গোয়েন্দা শাখার সদস্যরাও কাজ করছেন। সমাবেশে সার্বক্ষণিক নজর রাখতে মাদ্রাসা মাঠে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরাও।

বাসের পর সিএনজি ধর্মঘট

রাজশাহীতে বাস ধর্মঘটের মাঝে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে সড়কে ধর্মঘট শুরু করে সিএনজি ও থ্রি-হুইলার মালিকরাও। তারা বলছেন, অবাধ চলাচল ও হয়রানিমুক্ত রেজিস্ট্রেশনের দাবিতে তারা এই ধর্মঘট শুরু করেছেন।

সিএনজি টেম্পু মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিদার হোসেন ভুলু বলেন, ‘সরকার বৈধভাবে সিএনজি আমাদানী করে। সেই সিএনজি বিক্রি করে সরকার লাভও করে। তবে আমাদের লাইসেন্স পেতে কেন ভোগান্তি হবে? মহাসড়ক বাদে আমাদের তো সব সড়কেই চলাচলে অনুমতি আছে, তবে কেন আমাদের হয়রানি করা হবে? আমরা আমাদের লাইসেন্স ও হয়রানি মুক্তির দাবিতে সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছি।’

ভুলু দাবি করেন, বিএনপির সমাবেশের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে, বাস বন্ধের পর সিএনজিচালিত টেম্পুর ওপরই ছিল যাত্রীদের ভিড়। শহরের ভেতরে অটোরিকশায় চলাচল করলেও রাজশাহীর উপজেলা পর্যায়ে বা আশপাশের জেলার সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল সিএনজি। শুক্রবার সকাল থেকে সেই পরিবহনও বন্ধ থাকায় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে রাজশাহী।

মির্জা ফখরুল রাজশাহী

বিভাগীয় গণসমাবেশে অংশ নিতে ইতোমধ্যেই রাজশাহী পৌঁছেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকেলে বিমানযোগে তিনি রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান।

বিকেল ৫টায় বিমানবন্দরে পৌঁছালে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপষ্টো মিজানুর রহমান মিনুসহ স্থানীয় স্থানীয় নেতারা তাকে স্বাগত জানান। পরে তিনি রাজশাহীর কাজিহাটা এলাকার একটি হোটেলে যান।

আরও পড়ুন:
বিএনপির খবর আছে: কাদের
রাজশাহীর সব প্রবেশপথে পুলিশের চেকপোস্ট
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল, আহত পুলিশ
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন
জামিন পেলেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি নাদিম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chabi injured in BCL clash again

ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত চবি, আহত ৮

ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত চবি, আহত ৮ চবিতে এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের বগি ভিত্তিক দুই উপগ্রুপের সদস্যরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে
দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হলে ছাত্রলীগের বগি ভিত্তিক উপগ্রুপ বিজয় ও ভিএক্সের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হলে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ছাত্রলীগের বগি ভিত্তিক উপগ্রুপ বিজয় ও ভিএক্সের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়; রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তা চলছিল। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আট জন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

একপর্যায়ে বিজয় গ্রুপের কর্মীদের বের করে দিয়ে ভিএক্স গ্রুপের কর্মীরা হলে অবস্থান নেন। তখন বিজয় গ্রুপের কর্মীরা হলের মাঠে অবস্থান নেয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যেই ইট-পাটকেল নিক্ষেপ চলে, হলের কক্ষও ভাঙচুর করা হয়।

বিবদমান ভিএক্স গ্রুপ সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দিনের এবং বিজয় গ্রুপ শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

বর্তমানে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল টিম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারের প্রধান কর্মকর্তা ডা. মো. আবু তৈয়ব নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সংঘর্ষে আহত হয়ে আট জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে চার জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

বিজয় গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এত জায়গা থাকতেও গতকাল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ এফ রহমান হলের বিজয়গ্রুপের দেয়াল লিখনের ওপর ভিএক্স গ্রুপ তাদের প্রচার চালায়। বিষয়টি প্রভোস্টকে জানিয়েছি।’

সংঘর্ষের জন্য ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘চবিতে প্রক্টরের ইশারা ছাড়া গাছের পাতাও পড়ে না। উনার ইশারা ছাড়া এ এফ রহমান হলে কেন দেয়াল লিখন হবে? আজ এ ইস্যুকে কেন্দ্র করেই তারা (ভিএক্স) অস্ত্র নিয়ে হলে হামলা চালায়। হল দখলসহ সব কিছুর জন্য প্রক্টরই দায়ী। প্রক্টর স্যার চাচ্ছেন ছাত্রলীগের মধ্যে তার গ্রুপ থাকুক। নেতারা ছাত্রলীগ কন্ট্রোল করলে কোনো সমস্যা থাকে না, তবে এখানে প্রক্টরই ছাত্রলীগকে কন্ট্রোল করতে চাইছেন।’

ভিএক্স গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয় বলেন, ‘ভিএক্সের কর্মীরা দেয়াল লিখন করেছে, বিজয়ের কর্মীরা সেটা মুছে ফেলে। হলতো কারো একার সম্পত্তি না, যে কারো লেখার ওপর অন্য কেউ লিখবে। এ জন্য ভিক্সের কর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংঘর্ষ যেন বড় না হয় সেজন্য দুইপক্ষ কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

সহকারী প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে আছি, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।’

এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়াকে একাধিকবার কল দিয়েও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে
ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সম্মেলন আজ
ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা
ছাত্রলীগের সম্মেলন ৬ ডিসেম্বর: কাদের
দুধ দিয়ে গোসল করে ভাইরাল ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League leaders shoes to rule

‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা

‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি করায় নিজ কর্মীদের মারধর করেন ছাত্রলীগ নেতা
বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের বিরুদ্ধে কর্মী‌দের জুতা দি‌য়ে পেটানোর অ‌ভি‌যোগ উঠে‌ছে। পার্বত্য শা‌ন্তিচু‌ক্তির রজতজয়ন্তী উপল‌ক্ষে আওয়ামী লী‌গের শোভাযাত্রায় অংশ নিতে আসার সময় এ ঘটনা ঘটে।

বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের বিরুদ্ধে কর্মী‌দের জুতাপেটা করার অ‌ভি‌যোগ উঠে‌ছে। পার্বত্য শা‌ন্তিচু‌ক্তির রজতজয়ন্তী উপল‌ক্ষে আওয়ামী লী‌গের শোভাযাত্রায় ছাত্রলীগের কর্মীরা অংশ নিতে আসার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভি‌ডিও ফুটেজ নিউজবাংলার হাতে পৌঁছেছে। ত‌বে ওই ছাত্রলীগ নেতার দাবি, তি‌নি কর্মীদের ‌কেবল শাসন ক‌রে‌ছেন।

শুক্রবার বিকেলের পর নগর ভব‌নের সাম‌নে সমাবেশের আয়োজন করে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। সমা‌বেশ শে‌ষে শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। এ সময় ব‌রিশাল জেলা ছাত্রলী‌গের সাংগঠ‌নিক সম্পাদক রাজীব হোসেন খানের নেতৃ‌ত্বে এক‌টি খণ্ড মিছিল নগর ভব‌নের সাম‌নে আস‌ছি‌ল।

নিউজবাংলার হাতে আসা ভি‌ডিও‌তে দেখা যায়, রাজীব হো‌সে‌নের নেতৃ‌ত্বে মিছিলটি ফজলুল হক অ্যাভি‌নিউ এলাকা অ‌তিক্রম করার সময় দ্বিতীয় সা‌রিতে থাকা কর্মী‌দের দি‌কে জুতা হাতে ছু‌টে যান তিনি। এরপর তিনি কয়েক কর্মী‌কে মারধর ক‌রেন‌। প‌রে আবার মিছিলটি নগর ভব‌নের দি‌কে চ‌লে যায়।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজীব হো‌সে‌নের মিছিলে কিছু কর্মী বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি করে। এতে রাজীব ক্ষিপ্ত হ‌য়ে কর্মী‌দের জুতাপেটা করেছেন।

এ বিষ‌য়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলী‌গের সাংগঠ‌নিক সম্পাদক রাজীব হো‌সেন খান ব‌লেন, ‘আমি কর্মীদের একটু শাসন ক‌রে‌ছি। আমা‌দের নেতারাও তো আমা‌দের শাসন ক‌রে। এটা তেমন কিছু না।’

ব‌রিশাল নগর ভব‌নের সাম‌নে সমা‌বেশের পর শোভাযাত্রার উ‌দ্বোধন ক‌রেন সি‌টি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক সের‌নিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহ। তবে সমা‌বেশ উপল‌ক্ষে নগর ভব‌নের সাম‌নের মঞ্চ তৈরি করায় বুধবার গভীর রাত থে‌কে গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়ক‌টিতে যান চলাচল বন্ধ ছি‌ল। এ‌তে নগরীর সাধারণ মানুষকে ভোগা‌ন্তি‌ পোহাতে হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A Bangladeshi youth was killed in an explosion in Saudi Arabia

সৌদিতে বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক নিহত

সৌদিতে বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক নিহত ফয়সাল আহমেদ রানা। ছবি: সংগৃহীত
ফয়সালের বাবা ইদু মিয়া জানান, শুক্রবার ফয়সাল তার মামার সঙ্গে দেখা করতে যান। তখন তার মামার দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ফয়সাল উড়ে গিয়ে সড়কে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে দোকানের ভেতর সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ফয়সাল আহমেদ রানা নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় এ ঘটনা ঘটে। ৩২ বছর বয়সী ফয়সাল কুমিল্লা নগরীর হযরতপাড়া এলাকার ইদু মিয়ার ছেলে।

ইদু মিয়া জানান, তার এক মেয়ে এক ছেলের মধ্যে ফয়সাল বড়। ২০০৮ সালের দিকে ফয়সাল সৌদিতে যান। সেখানে তার মামারাও থাকেন। শুক্রবার ফয়সাল তার নিজের দোকান থেকে মামার দোকানে যান দেখা করতে। তখন তার মামার দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ফয়সাল উড়ে গিয়ে সড়কে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তিনি বলেন, ‘ফয়সালের এক ছেলে এক মেয়ে। আমার নাতি-নাতিন এতিম হয়ে গেল। আমি সন্তান হারা হয়ে গেলাম।’

কুমিল্লা জনশক্তি রপ্তানি অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ বলেন, ‘আমরা ঘটনা শুনেছি। নিহতের পরিবার যেন ক্ষতিপূরণ পায় সে জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
গাংনীতে বিস্ফোরণে মামলা, বিএনপির ২০ নেতা-কর্মী আসামি
গাংনীতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ: বোমার মতো ৩টি বস্তু উদ্ধার
বোমা বিস্ফোরণের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
বেলুনে হাইড্রোজেন গ্যাস, ঝুঁকিতে শিশুরা
নওগাঁর নিয়ামতপুরে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৪

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dont scare A League by showing rally Farooq Khan

স‌মাবেশ দেখিয়ে আ.লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না: ফারুক খান

স‌মাবেশ দেখিয়ে আ.লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না: ফারুক খান টঙ্গী সরকারি ক‌লেজ মাঠে শুক্রবার বি‌কে‌লে টঙ্গী পূর্ব ও প‌শ্চিম থানা আওয়ামী লী‌গের স‌ম্মেল‌ন উদ্বোধন করেন কর্নেল (অব.) ফারুক খান। ছবি: নিউজবাংলা
ফারুক খান বলেন, ‘বিএনপি জামায়াত দেশব্যাপী যে গুজব রটানোর চেষ্টা করছে তা আপনাদের বন্ধ করতে হবে। সঠিক তথ্য জানাতে হবে। কোনভাবেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অগ্রগতি তা যেন বিএনপি জামায়াতের গুজব, মিথ্যাচারে থমকে না যায়।’

বিএন‌পি‌ নেতাদের উ‌দ্দেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেছেন, ‘স‌মাবেশ দেখিয়ে আওয়ামী লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না। আওয়ামী লীগ জা‌নে কীভা‌বে স‌মাবেশের মাধ্যমে, নির্বাচনের মাধ্যমে জিততে হয়। দেশকে এগিয়ে নিতে হয়।’

শুক্রবার বি‌কে‌লে গাজীপু‌রের টঙ্গী সরকারি ক‌লেজ মাঠে টঙ্গী পূর্ব ও প‌শ্চিম থানা আওয়ামী লী‌গের ত্রি-বা‌র্ষিক স‌ম্মেল‌নে প্রধান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ফারুক খান বলেন, ‘ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি জামায়াত দেশব্যাপী যে গুজব রটানোর চেষ্টা করছে তা আপনাদের বন্ধ করতে হবে। সঠিক তথ্য জানাতে হবে। কোনভাবেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অগ্রগতি তা যেন বিএনপি জামায়াতের গুজব, মিথ্যাচারে থমকে না যায়।’

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে এখনই কমিটি গঠন করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফারুক খান।

সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক মতিউর রহমান মতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লা খান, সাধারণ সম্পাদক আতাউল্লাহ মণ্ডল।

নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই দুই থানায় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানান আজমত উল্লাহ খান।

বিএনপি সূত্র জানায়, নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে ৮ অক্টোবর থেকে প্রতি শনিবার দেশজুড়ে বিভাগীয় সমাবেশ করছে বিএনপি। এ পর্যন্ত আটটি সমাবেশ হয়েছে। শনিবার নবম সমাবেশটি হচ্ছে রাজশাহীতে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People cannot walk freely in the mountains

‘পাহাড়ে মানুষ ইচ্ছেমতো চলতে পারে না’

‘পাহাড়ে মানুষ ইচ্ছেমতো চলতে পারে না’ পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি চুক্তির ২৫ বছরেও হয়নি চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন। ফাইল ছবি
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাঙ্গামাটিতে এক গণসমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, পার্বত্য তিন জেলা সামরিক শাসনের মতো পরিচালিত হচ্ছে। সাধারণ জনগণ নিজের ইচ্ছেমতো চলতে পারে না। রাতে টর্চলাইটের আলোতেও চলাফেরা করা যায় না।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার বলেছেন, ‘পাবর্ত্য অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীকে বিতারণের চেষ্টায় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। এই বাহিনী, সেই বাহিনী, পঞ্চম বাহিনী গড়ে তোলে সমাধান নয়। যাদের সাথে চুক্তি করেছেন, তাদের সঙ্গে আরও বসেন।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার সকালে কুমার সুমিত রায় জিমনেসিয়াম মাঠ প্রাঙ্গণে এক গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন উষাতন তালুকদার।

তিনি আরও বলেন,‘সন্তু লারমাকে বলা হচ্ছে দেশদ্রোহী। তিনি দেশপ্রেমিক। দেশপ্রেমিক বলে ২৫ বছর ধরে চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য অপক্ষো করে আছেন। সরকারকে বুঝতে হবে। সন্তু লারমা হয়তো মান অভিমান, ক্ষোভ, দুঃখ-বেদনার দুই-একটি কথা বলেছেন বলে কি উনি আপনাদের শত্রু হয়ে গেলেন নাকি?

‘পাহাড়ের মানুষ বাংলাদেশকে ক্ষতি করবে না। বরং আদিবাসীরা বাংলাদেশের সুনাম বয়ে আনছে। নারী ফুটবল খেলোয়ার রিতুপর্ণা চাকমা, গোলরক্ষক রূপনা চাকমা, মনিকা চাকমা, আনুচিং, আনাই, ময়মনসিংহের মারিয়া মান্ডা ও বক্সার সুরকৃষ্ণ চাকমা– এরা দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির রাঙামাটি জেলা কমিটির আয়োজনে রাঙামাটিতে পালিত হয় দিনটি।

গণসমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির রাঙ্গামাটি জেলা কমিটির সভাপতি ডাক্তার গঙ্গা মানিক চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের পার্বত্য অঞ্চলের সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, এম এন লারমা মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিজয় কেতন চাকমা, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক খান আসাদুজ্জামান মামুন, পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি সুমন মারমা ও যুব হিল উইমেন্স ফেডারেশনের নেত্রী শান্তি দেবী তনচংগ্যা।

‘পাহাড়ে মানুষ ইচ্ছেমতো চলতে পারে না’

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, পার্বত্য তিন জেলা সামরিক শাসনের মতো পরিচালিত হচ্ছে। সাধারণ জনগণ নিজের ইচ্ছেমতো চলতে পারে না। রাতে টর্চলাইটের আলোতেও চলাফেরা করা যায় না।

তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে আওয়ামী লীগের লোকজনকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি পায়তারা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এত বড় শক্তিশালী নয় যে তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেবে। বরং আওয়ামী লীগের নেতারা নিজেরে স্বার্থ আদায় করে যাচ্ছেন। জেলা পরিষদের নির্বাচন না করে নিজেদের দলীয় আওয়ামী লীগ কর্মীদের চেয়ারে বসানো হচ্ছে। সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা আওয়ামী লীগের লোকেরা ভোগ করছেন। সরকার চাইলে এসব কিছু সমাধান দিতে পারত। ভূমি কমিশন আইন হলেও সরকারের সদিচ্ছা না থাকায় এ কমিশনের বিধিমালা প্রণয়ন হচ্ছে না। ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান ভূমি সমস্যা নিরসন হচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
২৫ বছরে শান্তি কি ফিরেছে পাহাড়ে?
পাহাড়ে শান্তির কপোত কি অধরা?

মন্তব্য

p
উপরে