× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
BNP rally started in Faridpur
hear-news
player
google_news print-icon

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশ শুরু

ফরিদপুরে-বিএনপির-সমাবেশ-শুরু
গায়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি-সংবলিত লেখা নিয়ে সমাবেশে বিএনপির এক কর্মী। ছবি: নিউজবাংলা
অন্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো ফরিদপুরেও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য চেয়ার ফাঁকা রাখা হয়েছে। একই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্যও।

ফরিদপুর শহর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে আবদুল আজিজ ইনস্টিটিউট ময়দানে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয়েছে।

নির্ধারিত সময় বেলা ২টার বেশ আগে শনিবার বেলা ১১টার দিকে এই সমাবেশ শুরু হয়।

এর আগেই কানায় কানায় ভরে যায় সমাবেশস্থল। মাঠটিতে গত কয়েক দিন ধরে জড়ো হচ্ছিলেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

লোডশেডিং, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, গণপরিবহন ভাড়া বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে আয়োজিত সমাবেশের দিন শনিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে মাঠে আসেন তারা।

মঞ্চে বক্তব্য দিতে দেখা গেছে স্থানীয় নেতাদের। তাদের সামনে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু, ইকবাল মাহমুদ চৌধুরী ও ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর।

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশ শুরু

অন্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো ফরিদপুরেও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য চেয়ার ফাঁকা রাখা হয়েছে। একই ব্যবস্থা রাখা হয়েছে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্যও।

সমাবেশ চলা মাঠের পশ্চিম পাশে স্থাপন করা হয়েছে একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প।

সমাবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ বলেন, সমাবেশস্থলে ঢুকতে পথে পথে নেতা-কর্মীদের বাধা দেয়া হচ্ছে। এসব বাধা উপেক্ষা করে তারা সমাবেশে আসছেন।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
স্লোগানে মুখর বিএনপির সমাবেশ মাঠ, রাতে গানের আসর
সমাবেশের মাঠেই জুমার নামাজ বিএনপি নেতা-কর্মীদের
‘শিশু সন্তানকে নিয়ে কি হেঁটে হেঁটে বাড়ি যাব?’
খোলা আকাশের নিচে রাত কাটালেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা
বিএনপির সমাবেশকে ঘিরে ডিজিটাল ব্যানার বানানোর ধুম

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Russia Ukraine like debacle should be avoided Chinese ambassador

রাশিয়া-ইউক্রেনের মতো বিপর্যয় এড়িয়ে চলা উচিত: চীনের রাষ্ট্রদূত

রাশিয়া-ইউক্রেনের মতো বিপর্যয় এড়িয়ে চলা উচিত: চীনের রাষ্ট্রদূত সোমবার পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। ছবি: নিউজবাংলা
চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপ বিপর্যয়ে পড়েছে। বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের দেশগুলোর বিষয়টি মাথায় রেখে বিপর্যয় এড়িয়ে চলা উচিত।

এশিয়ার দেশগুলোকে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো অবস্থা এড়িয়ে চলা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। তিনি বলেন, ‘ইউরোপের উন্নত ও অর্থনৈতিক শক্তিসম্পন্ন দেশগুলো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিপর্যয়ে পড়েছে। বাংলাদেশসহ আমাদের অঞ্চলের দেশগুলোর বিষয়টি মাথায় রেখে বিপর্যয় এড়িয়ে চলা উচিত।’

সোমবার পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সঙ্গে দেখা করতে আসেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘৩ বছর চার মাস আগে আমি বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পাই। বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত থাকার সময়টা আমি খুব উপভোগ করেছি। বাংলাদেশ একটি অসাধারণ দেশ। বাংলাদেশের মানুষ খুবই বন্ধুবৎসল।

‘চীনা প্রেসিডেন্ট আমাকে বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক উন্নয়নের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আমি মনে করি গত ৩ বছর চার মাসে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে বেশ কিছু অর্জন আছে। করোনার সময় বাংলাদেশ-চীন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছে। দুই দেশ বেশকিছু প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। বেশ কিছু প্রকল্প শেষ হয়েছে। সামনে বেশ কিছু প্রকল্প শেষ হবে।’

লি জিমিং বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। দেশটি অর্থনৈতিকভাবে ভালো করছে। সামনের দিনে বাংলাদেশ আরও অনেক ভালো করবে বলে আমি আশাবাদী।’

বিআরটি প্রকল্পে দুর্ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনায় চীনা কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের এখতিয়ার।’

বাংলাদেশের সঙ্গে চীন, ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক নিয়ে জানতে চাইলে লি জিমিং বলেন, ‘সবাই সবার বন্ধু হওয়া উচিত। এখানে কেউ কারও বিরুদ্ধে কৌশলে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়। আমরা যদি ইউরোপের দিকে তাকাই তাহলে বিষয়টি বোঝা যাবে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তারা বিপর্যয়ে পড়েছে। বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের দেশগুলোর বিষয়টি মাথায় রেখে বিপর্যয় এড়িয়ে চলা উচিত।’

বিদায়ের সময় চীনের রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পিঠা উপহার দেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
অর্থনৈতিক উন্নয়নে শৃঙ্খলা জরুরি: পরিকল্পনামন্ত্রী
অক্টোবর থেকেই ঘুরে দাঁড়াবে অর্থনীতি: এম এ মান্নান
বাংলাদেশকে ৫০ কোটি ডলার সহায়তা দেবে এডিবি
দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ শিগগির: পরিকল্পনামন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League Conference Avoid all the roads

ছাত্রলীগের সম্মেলন: এড়িয়ে চলবেন যেসব সড়ক

ছাত্রলীগের সম্মেলন: এড়িয়ে চলবেন যেসব সড়ক ছাত্রলীগের সম্মেলনস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশপাশের বিভিন্ন সড়ক এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপি।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম হবে। এ অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটরা রাজধানীতে সমবেত হতে শুরু করেছেন।

এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় প্রচুর জনসমাগম হবে। এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সম্মেলন ঘিরে নেয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা।

ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছাত্রলীগের সম্মেলন উপলক্ষে যানজট নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে রাজধানীর কাঁটাবন ক্রসিং, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, কাকরাইল চার্চ ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, ঢাবি মেডিক্যাল সেন্টার, জগন্নাথ হল ক্রসিং, ঢাবি ভাস্কর্য ক্রসিং, উপাচার্য ভবন ক্রসিং এলাকায় সম্মেলন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ট্রাফিক ডাইভারশন চলবে।

এ ক্ষেত্রে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশপাশের এলাকা দিয়ে চলাচলে নগরবাসীকে ভিন্ন রাস্তা ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।

এদিকে সম্মেলন ঘিরে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংগঠনটি। সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। আগে থেকে প্রস্তুত করা আছে মঞ্চ।

প্রসঙ্গত, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পর ছাত্রলীগের সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও এবার তা হচ্ছে প্রায় পাঁচ বছর পর। সর্বশেষ ২০১৮ সালের মে মাসে সম্মেলন হলেও কমিটি ঘোষণা করা হয় জুলাইয়ে। এতে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান রেজওয়ানুল হক চৌধুরী ও গোলাম রাব্বানী।

পরে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে পদ হারান দুজন। তাদের স্থলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় আল নাহিয়ান খান ও লেখক ভট্টাচার্যকে।

২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আল নাহিয়ান খান ও লেখক ভট্টাচার্যকে ‘ভারমুক্ত’ করা হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাদের বিরুদ্ধে কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ কর্মীদের অবরোধ প্রত্যাহার
জয়কে আটকে কমিটি দাবি ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের
ছাত্রলীগের দেয়াল লিখন মুছে দিল হল কর্তৃপক্ষ
ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন: নেতৃত্বের দৌড়ে যারা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A bike is not like a running garden

বাইক তো নয়, যেন ছুটন্ত বাগান

বাইক তো নয়, যেন ছুটন্ত বাগান সবুজে সাজানো বাইকে হাবিবুর রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
রংমিস্ত্রি হাবিবুরের সঙ্গে দেখা হয় রাজধানীর মগবাজার রেলগেটে, এক মোটরবাইক সারাইয়ের দোকানে।

হঠাৎ করে কারো নজরে এলে এটিকে বাইক না ভেবে অন্য কিছুও ভেবে বসতে পারেন। কারও মাথায় আসতে পারে ছোট্ট এক সবুজ বাগানের কথাও। আর সেই বাগানের মাঝখানে বসে থেকেও যিনি রাজধানীজুড়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনি হাবিবুর রহমান।

পেশায় রংমিস্ত্রি হাবিবুরের কাজই হলো দেয়াল থেকে দেয়াল নানা রঙে রঙিন করে তোলা। তবে নিজের বাইকটিকে তিনি এমনভাবে সাজিয়েছেন যেন সবুজ এক তৃণভূমি।

সবুজের প্রতি সবাইকে আকৃষ্ট করতেই হাবিবুরের এমন কাজ। বাইক ছেয়ে থাকা সবুজ ঘাসগুলো প্লাস্টিকের হলেও এর মধ্য দিয়ে প্রকৃতিকে সবুজ করার আহ্বান তার।

বাইকের উইন্ডশিল্ড থেকে হেডলাইট, মাডগার্ড, কভার সবই সবুজ ঘাসের আদলে ঢাকা। শুধু তা-ই নয়, হেলমেট থেকে ব্যাক লাইট, সবকিছুতেই জড়িয়ে আছে সবুজ ঘাস। আছে লতা-পাতা, ফুলও!

বাইক তো নয়, যেন ছুটন্ত বাগান

বাইকের তেলের ট্যাঙ্কি, কার্বোরেটর, ইঞ্জিন, পাদানি, হ্যান্ডেল, লুকিং গ্লাস কোনো কিছুই আর আগের মতো নেই। সবুজ ঘাস জড়িয়ে আছে হাবিবুরের জুতাজোড়াতেও!

রংপুরের লালমনিরহাটে বাড়ি হলেও হাবিবুর থাকেন ঢাকার উত্তরায়। বর্তমানে রঙের ঠিকাদারির কাজও করেন তিনি। পড়াশোনার দৌড় পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত।

সবুজ ঘাস আর লতা-পাতায় সাজানো বাইকের বিষয়ে তিনি নিউজবাংলাকে বলছিলেন, ‘সবুজকে ভালোবাসি। তাই সবুজের বার্তা দিতেই আমার এই চেষ্টা। সবাই গাছ-পালা ভালোবাসুক। পৃথিবীটাকে ভালো রাখুক। কেবল এই মেসেজটাই দিতে চাই সবাইকে।’

তিনি বলেন, ‘গাছপালা বেশি থাকলে, পৃথিবী যে ভালো থাকবে ৯০ ভাগ মানুষই তা জানে। আমার এই উদ্যোগকে তাই অনেকে স্বাগত জানিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
কালবৈশাখীতে ঝরেছে আম, ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মাঠও
তেঁতুলতলায় ফিরেছে প্রাণ
মাঠ ফিরে পেয়ে রত্না বললেন ‘লাভ ইউ বুবু’
আপাতত থানা নয় তেঁতুলতলায়
খেলার জায়গা দরকার, থানাও প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Human chain demanding an end to harassment of CNG powered auto rickshaw drivers

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন হয়রানি ও জুলুমের অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা। ছবি: নিউজবাংলা
বক্তারা বলেন, সিএনজিচালিত অটোরিকশার মালিকরা অতি মুনাফার লো‌ভে চালকদের ওপর জুলুম করছেন। এ কারণে যাত্রীদের যথাযথভাবে সেবা দিতে পারছে না চালকরা। আর চালকদের জুলুম-নির্যাতনের কারখানায় পরিণত হয়েছে বিআরটিএ।

দৈনিক জমা বৃদ্ধিসহ নানাভাবে হয়রানি ও জুলুমের অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকরা। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে বাংলাদেশ অটোরিকশা-হালকা যান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সিএনজিচালিত অটোরিকশার মালিকরা অতি মুনাফার লো‌ভে চালকদের ওপর জুলুম করছেন। তাদের এই জুলুম আর অতিরিক্ত জমা আদায়ের কারণে যাত্রীদের যথাযথভাবে সেবা দিতে পারছে না চালকরা। দীর্ঘদিন ধরে চালকরা এর প্রতিবাদ করে আসছে। মালিকদের জুলুমের কারণে এই পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা বন্ধ করা যায়নি।

মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে অটোরিক্সা-হালকা যান পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শিকদার বেনজির বলেন, ‘বিআরটিএ এখন আর সেবামূলক প্রতিষ্ঠান নয়। এটা এখন চালকদের জুলুম ও নির্যাতনের কারখানায় পরিণত হয়েছে। বিআরটিএ অবৈধ ও অননুমোদিত শ্রমিক সংগঠন নিয়ে চালকদের ওপর কোনো সিদ্ধান্ত চাপানোর চেষ্টা করলে আইনি কর্মসূচির মাধ্যমে তা প্রতিহত করা হবে।’

ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক বলেন, ‘আমরা মালিকদের অতিরিক্ত জমা আদায় ও জুলুম বন্ধের দাবিতে বিআরটিএ-তে শ্রমিক-মালিক বৈঠকের জন্য লিখিত আবেদন করেছি। তারা সেটা স্থগিত করে দিয়েছে।

‘আমরা জানতে পেরেছি ৬ ডিসেম্বর মালিকদের দৈনিক গাড়ির জমা বৃদ্ধির জন্য অনিবন্ধিত ও অননুমোদিত শ্রমিক সংগঠনকে নিয়ে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছে। শ্রম আইনে নিবন্ধনহীন সংগঠন কোন আইনি সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। আমরা মনে করি এটি অন্যায়, বিধিবহির্ভূত। শ্রমিকরা ওই অবৈধ সভার সিদ্ধান্ত মানবে না।’

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন রফিকুল ইসলাম, মো. নোয়াব আলী, ফারুক চৌধুরী, বাচ্চু মিয়া, আনোয়ার আলী, আকরাম হোসেন মন্টু প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ চিকিৎসক, কলেজছাত্রকে ফেরত চাইলেন স্বজনরা 
মানুষের নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই: দুদু
গৃহবধূ হত্যার ঘটনায় ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
বীর মুক্তিযোদ্ধার ছেলেকে হত্যাচেষ্টার বিচারের দাবি
শিক্ষক হত্যা-লাঞ্ছনার প্রতিবাদ জাবি শিক্ষক সমিতির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Alternative to Suhrawardy BNPK Information Minister

সোহরাওয়ার্দীর বিকল্প পূর্বাচল: বিএনপিকে তথ্যমন্ত্রী

সোহরাওয়ার্দীর বিকল্প পূর্বাচল: বিএনপিকে তথ্যমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি
‘বিকল্প প্রস্তাব পেলে তারা ভাববে বলে তারা বলছে। বিকল্প তো আছে। …সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিকল্প হতে পারে পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলার মাঠ বা টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার মাঠ হতে পারে। জনসভা তো হয় ময়দানে, ব্যাস্ত রাস্তায় হয় না। গাড়ি ঘোড়া বন্ধ করে মানুষকে আতঙ্কে রেখে জনসভা করা কি কোনো দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের কাজ?’

আগামী ১০ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে জনসভা করতে না চাইলে বিএনপি টঙ্গীর তুরাগ তীরের ইজতেমা মাঠ বা পূর্বাচলে সমাবেশ করবে কি না, জানতে চেয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। অবশ্য বিএনপি আগেই জানিয়েছে, তুরাগ তীরে তারা সমাবেশ করতে রাজি নয়।

বিএনপির পক্ষ থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিকল্প প্রস্তাব দেয়ার বিষয়টি জানানোর পরদিন সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী। তার মতে, নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ করতে চাওয়া দুরভিসন্ধিমূলক।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে গত ৮ অক্টোবর থেকে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে বিএনপির ধারাবাহিক যে সমাবেশ হচ্ছে, তা শেষ হচ্ছে ১০ ডিসেম্বর ঢাকার সমাবেশের মধ্য দিয়ে।

এই সমাবেশ কোথায় হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিরোধ। বিএনপি নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করতে চায় । তবে সরকার তাদেরকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দিয়েছে, যেখানে যেতে চায় না দলটি।

রোববার সংবাদ সম্মেলনে এসে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সরকার ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশের স্থানের অনুমতি নিয়ে টালবাহানা করছে। তারা যেসব স্থানের কথা প্রস্তাব করেছে সেসব স্থানে আমরা কমফোর্ট ফিল করছি না। তাই ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও তুরাগ নদীর তীর ছাড়া বিএনপির গণসমাবেশের জন্য পুলিশ বিকল্প প্রস্তাব দিলে আমরা বিবেচনা করব।’

তথ্যমন্ত্রী বিএনপিকে দুই বিকল্প স্থানের কথা বলেন, যার একটি দলটির আগেই না বলে দেয়া তুরাগ তীর। তিনি বলেন, ‘বিকল্প প্রস্তাব পেলে তারা ভাববে বলে তারা বলছে। বিকল্প তো আছে। …সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিকল্প হতে পারে পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলার মাঠ বা টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমার মাঠ হতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘জনসভা তো হয় ময়দানে, ব্যস্ত রাস্তায় হয় না। গাড়ি ঘোড়া বন্ধ করে মানুষকে আতঙ্কে রেখে জনসভা করা কি কোনো দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের কাজ?

‘আওয়ামী লীগের জনসভায় একটু ভোগান্তি হলেই তো কয়েকটি পত্রিকা লিখে যে জনসভায় মানুষ হয়েছে কিন্তু ভোগান্তি হয়েছে। সেই পত্রিকাগুলো তো রাস্তায় জনসভা নিয়ে কিছু লিখতে দেখছি না। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বড় জনসভা ইতিহাসে হয়েছে। তাদের এটা পছন্দ নয়।’

বিএনপির সড়কে সমাবেশ করার ইচ্ছার পেছনে অন্য কারণ রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। বলেন, ‘তাদের শুধু রাস্তাঘাট পছন্দ। এটি কেন পছন্দ? এটি পছন্দ এ কারণে যে, এখানে গাড়ি ঘোড়া ভাঙচুর করা যাবে। ২০১৩-১৪ সালের মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আগুন দেয়া যাবে। সেটির জন্য এটি পছন্দ।

‘মাঠের বিকল্প মাঠ হতে পারে, এর বিকল্প তো রাস্তা হতে পারে না। এটি দুরভিসন্ধিমূলক।’

সমাবেশকে সামনে রেখে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের যে অভিযোগ দলটি এনেছে, সেটিও নাকচ করেন হাছান। বলেন, ‘সরকার ১ ডিসেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিজয় দিবস এবং একই সঙ্গে নিউ ইয়ার উপলক্ষে প্রতিবছরই অভিযান পরিচালনা করে। এটা নতুন কিছু নয়।

‘বিএনপির মধ্যে আছে আগুন সন্ত্রাসীরা। ২০১৩ সালে যারা আগুন সন্ত্রাস চালিয়েছিল, মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছিল। তারা তো বিএনপির নেতাকর্মী। তাদের কাউকে যদি গ্রেপ্তার করা হয় সেটা তো আইনগত বিষয়।

‘এটা তো আসামি গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এখনও যারা আগুন সন্ত্রাসের জন্য হুকুম দিয়েছিল, অর্থ দিয়েছিল তাদের তো গ্রেপ্তার করা হয়নি। মানুষ মনে করে তাদেরও গ্রেপ্তার করা উচিত।’

আরও পড়ুন:
‘বিএনপি বিশৃঙ্খলা করতে পারে’
স্বাধীনতার ডাক আসে বলে সোহরাওয়ার্দী বিএনপির অপছন্দ: তথ্যমন্ত্রী
বিএনপির আট সমাবেশের সমান জমায়েত পলোগ্রাউন্ডে: কাদের
১০ ডিসেম্বর কী হবে, জানালেন ফখরুল
নয়াপল্টন ছাড়তে পারে বিএনপি, তবে…

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Murder of Sagira Morshed Testimony on 12 December

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: সাক্ষ্য গ্রহণ ১২ ডিসেম্বর

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: সাক্ষ্য গ্রহণ ১২ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন সগিরা মোর্শেদ। ছবি: সংগৃহীত
সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে। মামলায় এখন পর্যন্ত ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।

রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে ৩২ বছর আগে দুর্বৃত্তের গুলিতে সগিরা মোর্শেদ নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ পিছিয়েছে। আদালত আগামী ১২ ডিসেম্বর নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক রফিকুল ইসলামের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য্য ছিল। কিন্তু এদিন সগিরা মোর্শেদের মেয়ে সাদিয়া চৌধুরী অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। পরে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ নির্ধারণ করে। মামলায় এখন পর্যন্ত ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।

আলোচিত এ মামলায় ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। গত বছরের ১৬ জানুয়ারি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম আদালতে মামলাটির অভিযোগপত্র জমা দেন।

৩২ বছর আগের আলোচিত এই মামলার আসামিরা হলেন সগিরা মোর্শেদের ভাশুর ডা. হাসান আলী চৌধুরী, হাসান আলীর স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা ওরফে শাহিন, শ্যালক আনাছ মাহমুদ রেজওয়ান ও ভাড়াটে অপরাধী মারুফ রেজা। তাদের মধ্যে সায়েদাতুল মাহমুদা জামিনে আছেন। বাকি তিনজন কারাগারে।

গত বছরের ২ ডিসেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেয়।

মামলায় বলা হয়েছে, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সগিরা মোর্শেদ বাসা থেকে বের হয়ে তার দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়া বড় মেয়ে সারাহাত সালমাকে নিতে স্কুলের দিকে যাচ্ছিলেন। স্কুলের সামনে পৌঁছামাত্রই দুষ্কৃতকারীরা তার হাতের বালা ধরে টান দেয়। বালা দিতে অস্বীকার করায় সগিরাকে গুলি করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত বলে জানান।

ওই দিনই রমনা থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন সগিরার স্বামী সালাম চৌধুরী। প্রত্যক্ষদর্শী রিকশাচালক ঘটনায় জড়িত দুজনকে শনাক্ত করলেও গোয়েন্দা পুলিশ মন্টু ওরফে মরণ নামে একজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

পরে আদালতের নির্দেশে পুনরায় তদন্তে বর্তমান আসামিদেরও নাম আসে।

১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি আসামি মন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু বকর সিদ্দীক। সাক্ষ্য নেয়া হয় সাতজনের।

সাক্ষ্যে বাদীপক্ষ থেকে বলা হয়, তদন্তের সময় আসামি মন্টু এবং তৎকালীন (১৯৮৯) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের নিকটাত্মীয় মারুফ রেজা গ্রেপ্তার হন। কিন্তু মারুফ রেজার নাম বাদ দিয়েই অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

সাক্ষ্য গ্রহণ চলার সময় মারুফ রেজার নাম আসায় রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে ১৯৯১ সালের ২৩ মে মামলার অধিকতর তদন্তের আদেশ দেয় ঢাকার বিচারিক আদালত। ওই আদেশের বিরুদ্ধে মারুফ রেজা রিভিশন আবেদন করেন।

এ অবস্থায় ১৯৯১ সালের ২ জুলাই হাইকোর্ট মামলাটির অধিকতর তদন্তের আদেশ ও বিচারকাজ ছয় মাসের জন্য স্থগিতের পাশাপাশি অধিকতর তদন্তের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দেয়।

পরের বছর ২৭ আগস্ট জারি করা রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার বিচারকাজ স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

এ মামলার সবশেষ তদন্ত কর্মকর্তা গত বছর বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের নজরে আনলে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেয় রাষ্ট্রপক্ষ।

এরপর বিষয়টি বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে তোলা হয়। আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিলে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।

আরও পড়ুন:
গফরগাঁওয়ে যুবক খুন, আটক ৩
হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ আয়াতের বাবার
৯৪ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার
নায়িকা শিমু হত্যা মামলায় স্বামীসহ দুইজনের বিচার শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RAB demands progress in the investigation of Fardins murder

ফারদিন হত্যার তদন্তে অগ্রগতির দাবি র‌্যাবের

ফারদিন হত্যার তদন্তে অগ্রগতির দাবি র‌্যাবের বুয়েট ছাত্র ফারদিন নূর পরশ। ছবি: সংগৃহীত
র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আর মঈন বলেন, ‘ফারদিন হত্যায় প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছি। মামলার তদন্তে আমাদের অগ্রগতি আছে। আমরা প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র ফারদিন নূর পরশ হত্যার ঘটনার তদন্তে অগ্রগতি আছে বলে দাবি করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তবে কী অগ্রগতি আছে তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আর মঈন বলেন, ‘ফারদিন হত্যায় তদন্তে আমাদের অগ্রগতি আছে। আমরা প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

সোমবার দুপুরে কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে ফারদিন হত্যার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে এ তথ্য জানান মঈন।

ফারদিন হত্যার তদন্তে অগ্রগতির দাবি র‌্যাবের
ফারদিন হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে র‌্যাবের সংবাদ সম্মেলন

মঈন বলেন, ‘ফারদিন হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত ফুটেজ পেয়েছি তথ্যপ্রযুক্তিগত সহায়তায়। হত্যার আগে তার (ফারদিনের) যেসব জায়গায় বিচরণ ছিল সেসব স্থানে যারা ছিলেন তাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছি। ফারদিন হত্যার মোটিভ কী তা উদঘাটনে আমরাসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। আমরা এই হত্যায় প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছি। ফারদিন হত্যা মামলার তদন্তে আমাদের অগ্রগতি আছে। আমরা প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

বুয়েট ছাত্র ফারদিন নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর ৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

আরও পড়ুন: ফারদিন হত্যার পর মরদেহ সরানো হয় প্রাইভেট কারে

ফারদিন রাজধানীর ডেমরা থানার শান্তিবাগ এলাকার সাংবাদিক কাজী নূর উদ্দিন রানার ছেলে। তিনি বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে, ৪ নভেম্বর গভীর রাতে ফারদিনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক অনুযায়ী তার সবশেষ অবস্থান শনাক্ত হয় রূপগঞ্জের চনপাড়া বস্তি এলাকায়।

চনপাড়া বস্তি এলাকা পুরোটাই মাদক বিক্রির এলাকা হিসেবে পরিচিত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, ফারদিনকে চনপাড়া বস্তি এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় হত্যা করা হয়। এরপর একটি প্রাইভেট কারে তুলে তার মরদেহ শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেন মাদক কারবারিরা।

আরও পড়ুন:
মাথায় ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতে ফারদিনের মৃত্যু
যাত্রাবাড়ীতে ফারদিনের উপস্থিতি শনাক্তের দাবি ডিবির
তদন্তে কোথাও একটা ফাঁকি আছে: ফারদিনের বাবা
ফারদিন হত্যায় গ্রেপ্তার বুশরার জামিন মেলেনি
ফারদিন হত্যায় বুশরার যোগসাজশ মিলছে না

মন্তব্য

p
উপরে