× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two people were killed when a motorcycle was hit by a truck
hear-news
player
google_news print-icon

মোটরসাইকেলে ট্রাকের ধাক্কায় দুজন নিহত

মোটরসাইকেলে-ট্রাকের-ধাক্কায়-দুজন-নিহত
প্রতীকী ছবি
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোখলেছুর রহমানকে মৃত বলে জানান।

গাজীপুরের শ্রীপুরে ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় দুজন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুর ১২টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জৈনাবাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মোটরসাইকেলচালক ৪৪ বছর বয়সী মোখলেছুর রহমান পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া থানার জয়গঞ্জ গ্রামের মো. মফিজুল হকের ছেলে। তিনি উপজেলার জৈনাবাজার এলাকায় ভাড়া থাকতেন। নিহত অন্যজন ১১ বছর বয়সী ফয়সাল আহমেদ তার ছেলে।

মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কংকন কুমার বিশ্বাস জানান, জৈনাবাজারে এসে মোটরসাইকেলটি ইউটার্ন নিচ্ছিল। এ সময় ঢাকাগামী একটি ডাম্প ট্রাক সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলচালক ও তার ছেলে গুরুতর আহত হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠালে চিকিৎসক মোখলেছুর রহমানকে মৃত বলে জানান।

আহত ফয়সালকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হলে সন্ধ্যার দিকে সে মারা যায়।

আরও পড়ুন:
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত বাইকের দুই আরোহী
ট্রাকচাপায় ছাত্রদল নেতাসহ বাইক আরোহী দুজন নিহত
ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল মাইক্রোবাস, বেঁচে যায় ১৬ শিশুশিক্ষার্থী
বাস-কাভার্ড ভ্যান সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৪
ঝিনাইদহে আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
22 councilor candidates got their nomination back on appeal
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন

আপিলে মনোনয়ন ফিরে পেলেন ২২ কাউন্সিলর প্রার্থী

আপিলে মনোনয়ন ফিরে পেলেন ২২ কাউন্সিলর প্রার্থী রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) ভবনের ফটক। ছবি: সংগৃহীত
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেয়া ৩৬ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন। এর মধ্যে ৩৩ জন তাদের মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করেন।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়া ২২ কাউন্সিলর প্রার্থী আপিলে তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। কাউন্সিলর প্রার্থীদের আবেদনের শুনানি শেষে বুধবার এই আদেশ দেয় কমিশন। তথ্য ঠিক না থাকায় একই সঙ্গে ১২ কাউন্সিলর প্রার্থীর আবেদন খারিজ করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে এই আদেশ দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার স্টাফ অফিসার আফতাব হোসেন।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ১ ডিসেম্বর থেকে রংপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়। নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়ন জমা দেয়া ৩৬ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন। এর মধ্যে ৩৩ জন তাদের মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আপিল শুনানি শেষে মেয়র পদে ১০, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৮৫ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৭ প্রার্থী বৈধ হলেন।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, ‘আজ (বুধবার) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। শুক্রবার প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। আমরা আশা করছি প্রার্থীরা নির্বাচনের আচরণবিধি মেনে প্রচারে অংশ নেবেন। কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ভয় পেলে চলবে না: ইসি রাশেদা
গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন: ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ইসির
আরপিও সংশোধন: মন্ত্রণালয়ের জবাব পেল ইসি
এনআইডিসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা ইসি কর্মকর্তাদের
ইসির প্রস্তাব উপেক্ষা: সরকারের একটি বক্তব্য চান সিইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Country is moving forward because people have voted for A League Prime Minister

আ.লীগকে দেয়া জনগণের ভোট বৃথা যায়নি: প্রধানমন্ত্রী

আ.লীগকে দেয়া জনগণের ভোট বৃথা যায়নি: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে শেখ কামাল স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের জনসভায় কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী বলেন- বিএনপি এ দেশকে মানি লন্ডারিং, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস এবং লুটপাট ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি। তারা তিন হাজার মানুষ আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। ৫০০ মানুষকে হত্যা করেছে।

আওয়ামী লীগ সরকার দেশ ও মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার কক্সবাজারে শেখ কামাল স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এ দেশের মানুষ বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে বলেই দেশের জন্য কাজ করতে পারছি। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভোট বৃথা যায়নি।’

কক্সবাজারে শেখ কামাল স্টেডিয়ামে বুধবার বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি এ দেশকে মানি লন্ডারিং, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস এবং লুটপাট ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি। তারা ৩ হাজার মানুষ আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। ৫০০ মানুষকে হত্যা করেছে।’

বিএনপির খালেদা জিয়া এবং জাতীয় পার্টির হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকার দেশকে কিছুই দেয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘২০২৪ এর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন।’

জনসভায় যোগ দেয়ার আগে কক্সবাজারে ২৯টি প্রকল্প উদ্বোধন এবং চারটির ভিত্তিপ্রস্তর করেন সরকার প্রধান।

বঙ্গবন্ধুকন্যা কক্সবাজার ও মহেশখালীতে আরও দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠারও প্রতিশ্রুতি দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। বাবা-মা-ভাই-আত্মীয়-স্বজন হারিয়ে আমি রিক্ত, নিঃস্ব। কিন্তু যে বাংলাদেশের মানুষের জন্য তারা প্রাণ দিয়ে গেছেন, তাদের জন্য কাজ করব। এদেশের মানুষের মাঝেই খুঁজে নেব প্রয়াত আত্মীয়-স্বজনকে।

‘বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। এ দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধশীল দেশে নিয়ে যেতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৪ সালের ২৪ আগস্ট আমাদের শান্তি র‌্যালিতে দিনেদুপুরে গ্রেনেড হামলা করে তারেক-খালেদা জিয়া গং। যুদ্ধের ময়দানের গ্রেনেড আমাদের ওপর ছোড়া হয়েছিল। আইভী রহমানসহ ২২ জন নেতা-কর্মী মারা যান। আল্লাহর রহমতে আমি বেঁচে গিয়েছিলাম।

‘জামায়াত-বিএনপি এদেশের মানুষকে কী দিয়েছে? অগ্নিসন্ত্রাস, খুন, মানি লন্ডারিং এগুলো দিয়েছে। আর তাদের আন্দোলন মানেই মানুষকে পুরিয়ে মারা।’

জনসভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ‌এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও বক্তব্য দেন। প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়াসহ কেন্দ্রীয় এবং জেলা পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে ছিলেন।

পাঁচ বছর পর কক্সবাজার সফরে এক হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে উদ্বোধন করা ২৯ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে- কক্সবাজার গণপূর্ত উদ্যান, বাহারছড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঠ, কুতুবদিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ভবন, উপজেলা ভূমি অফিস ভবন, পেকুয়া; কক্সবাজার জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় ভবন, শেখ হাসিনা জোয়ারিয়ানালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা অ্যাকাডেমিক ভবন, আবদুল মাবুদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা অ্যাকাডেমিক ভবন, মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা অ্যাকাডেমিক ভবন।

কক্সবাজার জেলার লিঙ্ক রোড-লাবণী মোড় সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ; রামু-ফতেখাঁরকুল-মরিচ্যা জাতীয় মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ; টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ জেলা মহাসড়কের হাড়িয়াখালী থেকে শাহপরীর দ্বীপ অংশ পুনর্নির্মাণ, প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ; বাঁকখালী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, সেচ ও ড্রেজিং প্রকল্প (প্রথম পর্যায়), শাহপরীর দ্বীপে সি ডাইক অংশে বাঁধ পুনর্নির্মাণ ও প্রতিরক্ষা কাজও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ডারের পুনর্বাসন প্রকল্প, রামু কলঘর বাজার-রাজারকুল ইউনিয়ন সড়কে বাঁকখালী নদীর ওপর ৩৯৯ মিটার দীর্ঘ সাংসদ ও রাষ্ট্রদূত ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী সেতু, কক্সবাজার জেলায় নবনির্মিত ছয়টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস ভবন, চারটি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন (রামু, টেকনাফ, মহেশখালী ও উখিয়া), কক্সবাজার পৌরসভার এয়ারপোর্ট রোড আরসিসিকরণ ও অন্যান্য; শহীদ সরণি আরসিসিকরণ ও অন্যান্য; বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম সড়ক আরসিসিকরণ; নাজিরারটেক শুঁটকিমহাল সড়ক আরসিসিকরণ; টেকপাড়া সড়ক আরসিসিকরণ ; সি বিচ রোড আরসিসিকরণ; মুক্তিযোদ্ধা সরণি আরসিসিকরণ; সৈকত-স্মরণ আবাসিক এলাকা সড়ক আরসিসিকরণ ও অন্যান্য এবং আইনজীবী সমিতির নতুন ভবনও প্রকল্পও রয়েছে।

এ সময় চারটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (দ্বিতীয় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প; কুতুবদিয়া উপজেলার ধুরুং জিসি মিরাখালী সড়কে ধুরুংঘাটে ১৫৩ দশমিক ২৫ মিটার জেটি এবং আকবর বলী ঘাটে ১৫৩ দশমিক ২৫ মিটার জেটি নির্মাণ; মহেশখালী উপজেলার গোরকঘাটা ঘাটে জেটি নির্মাণ; বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদ বরাবর পোল্ডারসমূহের (৬৭/এ, ৬৭, ৬৭/বি এবং ৬৮) পুনর্বাসন প্রকল্প।

আরও পড়ুন:
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি যেন কখনও ক্ষমতায় আসতে না পারে: শেখ হাসিনা
অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে স্বাস্থ্য-শিক্ষায় গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী
ছাত্রদের হাতে খালেদা দেন অস্ত্র, আমি দিয়েছি বই খাতা: প্রধানমন্ত্রী
কারও কথায় বিভ্রান্ত হবেন না, অর্থনীতি স্থিতিশীল: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
20 detained on charges of plotting to overthrow the government

সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে আটক ২০

সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে আটক ২০
চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা জানান, ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশ হওয়ার কথা রয়েছে। সরকার উৎখাতের অংশ হিসেবে সেই সমাবেশে হামলার পরিকল্পনা ছিল আটকদের।

সরকার উৎখাতের অংশ হিসেবে ঢাকায় বিএনপির সমাবেশে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে কুমিল্লায় ২০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা জানান, ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশ হওয়ার কথা রয়েছে। সরকার উৎখাতের অংশ হিসেবে সেই সমাবেশে হামলার পরিকল্পনা ছিল। নাশকতার পরিকল্পনার তথ্য ও বেশ কিছু জিহাদি বই জব্দসহ ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি।

আরও পড়ুন:
১৫০০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ বিএনপির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 people including a couple were killed in a road accident

সড়ক দুর্ঘটনায় দম্পতিসহ ৩ জন নিহত

সড়ক দুর্ঘটনায় দম্পতিসহ ৩ জন নিহত প্রতীকী ছবি
দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিরা হলেন ২৮ বছর বয়সী সেলিমা বেগম, ৩৮ বছর বয়সী সোহেল রানা ও ৫৬ বছর বয়সী হযরত আলী। সেলিমা বেগম দিনাজপুর সদর উপজেলার নিমনগর বালুবাড়ীর সিপাহিপাড়ার বাসিন্দা, সোহেল রানা একই উপজেলার রেলওয়ে কলোনি এলাকার এবং হযরত আলী পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার প্রধানবাদ এলাকার বাসিন্দা। সোহেল রানা ও সেলিমা বেগম স্বামী-স্ত্রী।

দিনাজপুরের বিরামপুরে ও বীরগঞ্জে আলাদা দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় দম্পতিসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।

বিরামপুর উপজেলার টাটকপুর নামক স্থানে বুধবার সকাল ৯টা ও বীরগঞ্জ উপজেলার বড় করিমপুর এলাকায় সকাল ৭টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিরা হলেন ২৮ বছর বয়সী সেলিমা বেগম, ৩৮ বছর বয়সী সোহেল রানা ও ৫৬ বছর বয়সী হযরত আলী। সেলিমা বেগম দিনাজপুর সদর উপজেলার নিমনগর বালুবাড়ীর সিপাহিপাড়ার বাসিন্দা, সোহেল রানা একই উপজেলার রেলওয়ে কলোনি এলাকার এবং হযরত আলী পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার প্রধানবাদ এলাকার বাসিন্দা। সোহেল রানা ও সেলিমা বেগম স্বামী-স্ত্রী।

বিরামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বাবুল ইসলাম জানান, দিনাজপুর থেকে একটি মোটরসাইকেলে সোহেল রানা ও সেলিমা বেগম ঘোড়াঘাটের দিকে যাচ্ছিলেন। একই সময় নওগাঁ জেলার সাপাহার থেকে বিআরটিসির একটি বাস বিরামপুরের দিকে আসছিল। পথে টাটকপুর নামক স্থানে মোটরসাইকেলের সঙ্গে বিআরটিসির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে দুজন নিহত হন।

দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়েছে। বিআরটিসি বাসটি ফুলবাড়ী থানায় জব্দ রয়েছে।

বীরগঞ্জ থানার এসআই আশরাফুল ইসলাম জানান, সকালে হযরত আলী দেবীগঞ্জের নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বীরগঞ্জ শহরের দিক যাচ্ছিলেন। পথে বীরগঞ্জের বড় করিমপুর নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে যাওয়া কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে হযরত আলী মারা যান। দুর্ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছেন। নিহতের পরিবারকে খবর দেয়া হয়েছে। তারা এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
কুকুরকে চাপা দিয়ে ছিটকে বাইকের ২ আরোহী নিহত
অটোরিকশায় ট্রাকের ধাক্কা, চালক নিহত
ভটভটিতে বাসের ধাক্কায় নিহত ৩
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত
বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, চালক আহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Stepfather arrested on charges of impregnating child

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎবাবা গ্রেপ্তার

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎবাবা গ্রেপ্তার
ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ময়মনসিংহের ভালুকায় সৎবাবার ধর্ষণে শিশু অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার মামলায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

উপজেলার সিডস্টোর এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাত সোয়া ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ৪৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি একই উপজেলার বাসিন্দা। ওই মেয়েটির বয়স ১২ বছর।

ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪ কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘শিশুটির মা ৭ বছর আগে ওই ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। তখন থেকেই শিশুটিও তার মায়ের সঙ্গে সৎবাবার বাড়িতেই ছিল। মা স্থানীয় গার্মেন্টসে চাকরি করেন।

চলতি বছরে ৩ মার্চ রাত ১১টার দিকে মা কাজে যাওয়ার সুযোগে সৎবাবা শিশুটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের ঘটনা মেয়েটি তার মাকে জানায়নি। সম্প্রতি মেয়েটির শারীরিক ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনায় ৬ ডিসেম্বর ওই শিশুর মা তার স্বামীকে আসামি করে ভালুকা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

এরপর থেকেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান সৎবাবা। ঘটনাটি র‌্যাব জানতে পেরে উপজেলার সিডস্টোর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন।

আরও পড়ুন:
‘ধর্ষণের কথা গোপন রাখতেই বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে হত্যা’
শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা: একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার
ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় সংগীত শিক্ষকের কারাদণ্ড
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
7 thousand naval workers of Faridpur are unemployed due to naval crisis

নাব্যতা সংকটে বেকার ফরিদপুরের ৭ হাজার নৌশ্রমিক

নাব্যতা সংকটে বেকার ফরিদপুরের ৭ হাজার নৌশ্রমিক নাব্যতা সংকটে নৌযান চলাচলে বিঘ্ন হওয়ায় কাজ হারিয়েছেন অনেক শ্রমিক। ছবি: নিউজবাংলা
ফরিদপুর নৌবন্দরের পণ্য খালাসে নিযুক্ত প্রতিষ্ঠান টাইগার ট্রান্সপোর্টের ম্যানেজার মো. আ. হাকিম বলেন, ‘প্রায় ৮ হাজার শ্রমিক এই বন্দরে কাজ করতেন। এর মধ্যে অনেক ট্রান্সপোর্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীও আছেন। জাহাজ, কার্গো না আসায় তারা বেকার হয়ে পড়ছেন।’

নাব্যতা সংকটের কারণে ফরিদপুরে পদ্মা নদীর সিঅ্যান্ডবি ঘাট নৌবন্দর এলাকায় জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। নদীর মাঝে জেগে ওঠা ডুবোচরে আটকে দূরদূরান্ত থেকে আসা পণ্যবাহী জাহাজ বন্দরে ভিড়তে পারছে না। কার্গো, বলগেট ও বড় ট্রলারের চলাচলও ব্যাহত হচ্ছে। এতে ঘাটের প্রায় ৭ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন।

নৌবন্দরের শুঙ্ক আদায়ও কমেছে। এসব নৌযান থেকে পণ্য খালাস করতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সেপ্টেম্বর মাসের শেষ দিক থেকে পদ্মা নদীর পানি কমতে শুরু করে। তখন থেকেই এসব নৌযান নাব্যতা সংকটের কারণে ঘাটে ভিড়তে পারছে না।

নাব্যতা সংকট রক্ষায় কমপক্ষে ১০-১৫ স্থানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ড্রেজিং মেশিন বসিয়ে খনন জরুরি হয়ে পড়েছে। তবে খনন পরিকল্পিতভাবে না হলে, অল্প দিনের মধ্যেই নতুন বালু এসে নৌ চ্যানেলগুলো ভরাট হয়ে যাবে বলে মনে করছেন নৌযান মালিকরা।

দক্ষিণবঙ্গসহ ফরিদপুরের পণ্য আনা-নেয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌবন্দরটি শত বছরের প্রাচীন। ২০১৫ সালে সরকার এটিকে তৃতীয় শ্রেণির নৌবন্দর হিসেবে ঘোষণা দিয়ে গেজেট প্রকাশ করে। চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দর এবং সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নৌপথে এই বন্দরে পণ্য আনা-নেয়া করা হয়। কিন্তু নাব্যতা সংকটের কারণে সৃষ্ট ডুবোচরে আটকে পণ্যবাহী নৌযান বন্দরে আসতে পারছে না। যেগুলো মাল খালাস করেছে সেগুলো ঘাটে আটকা পড়েছে।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, নৌবন্দরে ভিড়তে না পেরে অনেক দূরে ডিক্রীচর, ভূঁইয়াবাড়ি ঘাট, খুশির বাজার, পিয়াজখালী ঘাট, হাজিগঞ্জের চরহাজীগঞ্জের এলাকা, চরভদ্রাসনের এমপিডাঙি ও গোপালপুরসহ বিভিন্ন স্থানে নদীর তীরে পণ্যবাহী জাহাজ, কার্গো বলগেট ও বড় ট্রলার ভেড়ানো হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জের মেঘনা ঘাট থেকে সিমেন্ট নিয়ে এসেছেন মো. সাকিল শেখ। কিন্তু ডুবোচরে আটকে গেছে তার জাহাজ। তিনি বলেন, ‘চরে এসে ঠেকে গেছি। আমার জাহাজে ১২ হাজার বস্তা সিমেন্ট আনা যায়। কিন্তু পর্যাপ্ত গভীরতা নেই বলে ৮ হাজার বস্তা এনেছি। ৪ হাজার বস্তা সিমেন্ট কম আনতে হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে ফরিদপুর ঘাটে আসতে প্রায় দুই কিলোমিটার চর। তিন দিনের পথ আসতে পাঁচ দিন লেগেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এতে আমাদের পণ্যের আগ্রহ কমে গেছে। নৌবন্দরে ভিড়তে পারলে প্রতি বস্তা থেকে ১৪ টাকা করে বাড়তি পেতাম। কিন্তু এখন এই ভাড়ার অর্ধেক দিয়ে আরেকটি ট্রলার ভাড়া করে মাল খালাস করতে হচ্ছে। এসব কারণে স্টাফ খরচ এবং অন্যান্য ভাড়াও বেড়েছে।’

নাব্যতা সংকটে বেকার ফরিদপুরের ৭ হাজার নৌশ্রমিক

‘এমভি শতনীড়’ জাহাজের মাস্টার মো. কামাল বলেন, ‘নদীতে পানি না থাকায় জাহাজের ইঞ্জিনের পাখা ডুবোচরে ঠেকে যায়। এতে চালু অবস্থায় জাহাজের অনেক ক্ষতি হয়।’

তিনি বলেন, ‘অন্তত গড়ে ১০ হাত গভীর পানি থাকা প্রয়োজন। কিন্তু সেখানে কোথাও কোথাও দুই-তিন হাত পানি রয়েছে। এখন জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং করা দরকার। পরিকল্পিতভাবে ড্রেজিং না করলে ফের পলি পড়ে গভীরতা কমে যায়।’

পদ্মায় নাব্যতাতা ফিরছে না কেন জানতে চাইলে সেখানে ড্রেজিংয়ের কাজে নিযুক্ত বিআইডব্লিউটিএ-এর শ্রমিক আলাওল হাওলাদার বলেন, ‘ড্রেজিংয়ের পরপরই আবার নতুন পলি ও বালু এসে ভরে যায়। পানিতে প্রচুর পলি থাকায় এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।’

ফরিদপুর নৌবন্দরের পণ্য খালাসে নিযুক্ত প্রতিষ্ঠান টাইগার ট্রান্সপোর্টের ম্যানেজার মো. আ. হাকিম বলেন, ‘প্রায় ৮ হাজার শ্রমিক এই বন্দরে কাজ করতেন। এর মধ্যে অনেক ট্রান্সপোর্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীও আছেন। জাহাজ, কার্গো না আসায় তারা বেকার হয়ে পড়ছেন, কাজ পাচ্ছেন না।’

পদ্মা ট্রান্সপোর্টের মালিক রহমান জানান, বছরের ৫ মাস এখানে পানি কম থাকে বলে পণ্য খালাসে সমস্যা হয়।

ঘাটের শ্রমিকদের নেতা মো. তারা মিয়া জানান, এই ঘাটের ১১টি সেক্টরে প্রায় ৮ হাজার শ্রমিক ছিলেন। পদ্মার যৌবন থাকা অবস্থায় এই বন্দরে প্রতিদিন ৩/৪ শত নৌযান ভিড়ত। এখন নাব্যতা সংকটের কারণে সপ্তাহ ১০/১৫ টি বলগেট ও ৩/৪ টি জাহাজ আসে। কাজ না থাকায় কমপক্ষে ৭ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন।

ফরিদপুরের সিঅ্যান্ডবি ঘাট থেকে শুল্ক আদায়কারী বিআইডব্লিউটিএ কর্মচারী মো. রবিউল ইসলাম জানান, বন্দরে জাহাজ, কার্গো, বলগেট, বড় ট্রলার ভিড়তে না পারায় শুল্ক আদায়ও কমে গেছে।

তিনি জানান, আগে ঘাটটি ইজারা দেয়া হতো। তবে এখন সরাসরি বিআইডব্লিউটিএ-এর লোকেরা শুল্ক আদায় করেন।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক বিআইডব্লিউটিএ-এর সংশ্লিষ্ট একজন পোর্ট অফিসার বলেন, ‘নৌবন্দরটিকে সচল করতে নৌচ্যানেলে ড্রেজিং চলছে। তবে এই ঘাটের পথটি এখনও বড় নৌযান চলাচলের উপযুক্ত হয়নি। আশা করছি চলতি মৌসুমেই ঘাট পয়েন্টে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু হবে। এতে সংকট কেটে যাবে।’

আরও পড়ুন:
কচা নদীতে ডুবোচরে ফেরি চলাচল ব্যাহত
নাব্যসংকটে পদ্মা-যমুনার কার্গো জাহাজ
নাব্যতা বাড়াতে ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ে গুরুত্ব
বিশ্বমানের ১৭টি টাগ বোট নির্মাণ চুক্তি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Standard farmers affected by the effects of chemicals in the cultivation of poison free dragons

রাসায়নিকের প্রভাবে বিষমুক্ত ড্রাগন চাষে ক্ষতি

রাসায়নিকের প্রভাবে বিষমুক্ত ড্রাগন চাষে ক্ষতি ফুলবাড়িয়ায় চাষ হচ্ছে ড্রাগন ফল । ছবি: নিউজবাংলা
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফুলবাড়িয়া উপজেলা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘এ উপজেলায় ২৬ একর জমিতে ড্রাগনের চাষ হচ্ছে। ড্রাগনে রাসায়নিক স্প্রে না করতে চাষিদের পরামর্শ দিচ্ছি। তবুও গোপনে কেউ এটি করছে কিনা আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে এর প্রমাণ মিললে প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ড্রাগন ফল চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন অনেক চাষি।

কিছু অসাধু চাষি রাসায়নিক ব্যবহার করায় তাদের চাষ করা ফল আকারে বড় হচ্ছে, অথচ জৈব সার দিয়ে চাষ ফল হচ্ছে তুলনামূলকভাবে ছোট আকারের।

এ অবস্থায় ছোট ফলগুলো বিক্রিতে লাভ হচ্ছে না। তাই ওই চাষিরা ড্রাগন চাষ বন্ধ করে দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

ফুলবাড়িয়া উপজেলার ড্রাগন চাষি অধ্যাপক আবু বক্কর সিদ্দিক প্রিন্স ‘কিষাণ সমন্বিত কৃষি উদ্যোগ’ নামে ৮ একর জায়গায় কৃষি খামার করেছেন।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, দেশি-বিদেশি গাছের বাগানগুলো থাকলেও ড্রাগন ফলের বাগানের অসংখ্য গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। এ সময় শ্রমিকরা অন্য জাতের গাছগুলোতে পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকলেও ড্রাগন গাছ পরিচর্যায় কাউকে দেখা যায়নি।

আবু বক্কর সিদ্দিক প্রিন্স বলেন, ‘অসাধু ড্রাগন চাষিরা ফুলে ড্রাগন টনিক নামের একটি রাসায়নিক স্প্রে করে। এ কারণে ফল বেশ বড় হয় এবং এক পাশে লাল থাকলেও আরেক পাশে থাকে সবুজ। আর জৈব সার দিয়ে পরিচর্যা করা বিষমুক্ত ড্রাগন ফল তুলনামূলকভাবে ছোট হয়। বাজারে দামও পাওয়া যায় খুব কম।

‘এতে প্রতিবছর লোকসান গুনতে হচ্ছে। তাই ৬ হাজার গাছের মধ্যে ইতোমধ্যে ৮ শতাধিক গাছ কেটে ফেলেছি। অন্য গাছগুলোও ধীরে ধীরে কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ টাকা দিয়ে বিষ কিনে খাচ্ছে। অথচ প্রশাসনের নজরদারি নেই। ফলে আমাদের মতো বিষমুক্ত ফল চাষ করা ব্যক্তিরা লোকসানের মুখে পড়ছে। অনেক আদর্শ খামারি বিষমুক্ত ফল চাষ করে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে তারাও মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। আবার অনেকে বেশি লাভের আশায় ক্ষতিকর রাসায়নিক স্প্রে করছেন।’

উপজেলা কৃষি অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, সাধারণত মে থেকে নভেম্বর পর্যন্ত গাছে ফল আসে। বছরে ছয় থেকে সাত বার পাকা ড্রাগন সংগ্রহ করা যায়। ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ড্রাগন ফল হজমে সহায়তা করে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ছাড়াও হার্টের জন্য উপকারী ড্রাগন ফল। বর্তমানে বাংলাদেশে ড্রাগন ফলের চাহিদা বাড়ার কারণে উৎপাদনও বাড়ছে।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফুলবাড়িয়া উপজেলা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘এ উপজেলায় ২৬ একর জমিতে ড্রাগনের চাষ হচ্ছে। ড্রাগনে রাসায়নিক স্প্রে না করতে চাষিদের পরামর্শ দিচ্ছি। তবুও গোপনে কেউ এটি করছে কিনা আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে এর প্রমাণ মিললে প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
ভয়কে জয় করে নাছিমার ড্রাগন বাগান
ইউটিউব দেখে ফয়েজের ড্রাগন ফল চাষ
ড্রাগন ফল চাষে আকরাম গাজীর সাফল্য

মন্তব্য

p
উপরে