× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Japa does not believe in the idea of ​​election under a caretaker
hear-news
player
google_news print-icon

‘তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচনের ধারণায় জাপা বিশ্বাস করে না’

তত্ত্বাবধায়কের-অধীনে-নির্বাচনের-ধারণায়-জাপা-বিশ্বাস-করে-না
রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মুজিবুল হক চুন্নু। ছবি: নিউজবাংলা
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘দলীয় অথবা কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না। বরং আনুপাতিক হারে নির্বাচন করলে তা সুষ্ঠু হবে।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজনের ধারণায় জাতীয় পার্টি বিশ্বাস করে না বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

বৃহস্পতিবার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের আয়োজনে গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে চুন্নু এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের কনসেপ্টে বিশ্বাস করে না। দলীয় অথবা কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হতে পারে না। বরং আনুপাতিক হারে নির্বাচন করলে তা সুষ্ঠু হবে।

তিনি বলেন, ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর সামরিক আইন তুলে দিয়ে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দেশে গণতন্ত্রের দুয়ার উন্মোচন করেন। তাই ১০ নভেম্বরকে গণতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করে জাতীয় পার্টি।

তিনি দাবি করেন, ‘১৯৯১ সালের পর দুটি দল গণতন্ত্রের নামে জনসাধারণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ৩২ বছর দেশ পরিচালনা করেছে। কিন্তু দেশে কোনো সুশাসন দিতে পারেনি। দুই দলই সব কিছু দলীয়করণ করেছে। সারা দেশে দুর্নীতি-দুঃশাসন কায়েম করেছে।’

চুন্নু বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। দেশে কোনো বাণিজ্যমন্ত্রী আছে তা মনে হয় না। এই সরকার দেশ পরিচালনায় সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। বিদ্যুতের ক্যাপাসিটি চার্জের নামে ৮৬ হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। সরকারি লোকেরা কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে।

‘দেশে ৫ কোটি যুবক বেকার। তাদের সমস্যা সমাধানে সরকার কোনো চিন্তা-ভাবনা করে না। দেশে চিকিৎসাব্যবস্থার অবস্থাও নাজুক।’

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, প্রেসিডিয়াম সদস্য এটিইউ তাজ রহমান, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, জহিরুল আলম রুবেলসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

আরও পড়ুন:
‘বিএনপির ভাইয়েরা, এ্যাহন কেমন লাগে’
‘ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা’ বলায় তাপসকে চুন্নুর চ্যালেঞ্জ
ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সঙ্গে জাপা চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ
উন্নয়নের গণতন্ত্র নামে জাতির সঙ্গে প্রতারণা চলছে : জি এম কাদের
জিএম কাদেরের বিরুদ্ধে তদন্ত আবেদনে সাড়া দেয়নি হাইকোর্ট

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The dream of the fall of the government in a silent march is false Kader

নীরব পদযাত্রায় সরকার পতনের স্বপ্ন ভুয়া: কাদের

নীরব পদযাত্রায় সরকার পতনের স্বপ্ন ভুয়া: কাদের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মাগুরা মার্কা ফ্রি-স্টাইলে নির্বাচন আর হবে না। আওয়ামী লীগের লোকদের সমর্থন দেয়ার সুযোগ আছে। আমরা সমর্থন দিয়েছি তার মানে এই নয় যে, নির্বাচন অন্যরকম হবে। মির্জা ফখরুল, বুধবারের নির্বাচন দেখুন।’

‘আপনাদের আন্দোলনের কী খবর? সবাই বলে ভুয়া। সরকার পতন, ১০ তারিখের লাল কার্ড, ৫৪ দল, বিএনপির ২৭ দফা, ১০ দফা, ১৪ দফা, অবশেষে পদযাত্রা। সবই ভুয়া। কেউ মারা গেলে যেমন নীরব পদযাত্রা হয়, আপনাদের পদযাত্রা অনেকটা সেরকম। এ দিয়ে সরকার পতনের স্বপ্ন ভুয়া।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ করে এসব কথা বলেছেন।

দেশব্যাপী রাজধানীর তেজগাঁওয়ে তিব্বত কলোনি বাজার সংলগ্ন রাস্তায় মঙ্গলবার বিকেলে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। ‘বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও অগ্নি সন্ত্রাসের’ প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ এই শান্তি সমাবেশের আয়োজন করে।

বুধবার দেশের ৬টি আসনে উপনির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘মাগুরা মার্কা ফ্রি-স্টাইলে নির্বাচন আর হবে না। নির্বাচন নির্বাচনের মতোই হবে। আওয়ামী লীগের লোকদের সমর্থন দেয়ার সুযোগ আছে। আমরা সমর্থন দিয়েছি তার মানে এই নয় যে, নির্বাচন অন্যরকম হবে। মির্জা ফখরুল, বুধবারের নির্বাচন দেখুন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মানুষের শক্তি যখন কমে আসে তার মুখের বিষ তখন উগরে ওঠে। বিএনপির নেতাদের শক্তি কমে আসছে, দম ফুরিয়ে আসছে। দম ফুরিয়ে গেছে বলে লাফালাফি বন্ধ করে এখন নীরব পদযাত্রা।’

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএম মান্নান কচি প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
পথ হারিয়ে বিএনপি পদযাত্রা শুরু করেছে: কাদের
পদযাত্রায় বিএনপির রাজনৈতিক মৃত্যু দেখছেন কাদের
শেখ হাসিনা সত্য ও সুন্দরের অভিসারী: কাদের
নতুন সড়ক আর না, পুরনোগুলোই সংস্কার হবে: কাদের
বিএনপির আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা নেই: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jagadish wants to become the president but the obstacle is the EC

রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ, ইসির ‘‌বাধা’

রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ, ইসির ‘‌বাধা’ রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম কিনতে ইসিতে ঘুরছেন জগদীশ বড়ুয়া পার্থ। ছবি: নিউজবাংলা
জগদীশ বড়ুয়া পার্থ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আমার আবেদন নিচ্ছে না। মনোনয়ন ফরমও দিচ্ছে না। প্রয়োজনে এ নিয়ে আমি হাইকোর্টে যাব।’

রাষ্ট্রপতি হতে চান জগদীশ বড়ুয়া পার্থ। দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বারান্দায় ঘুরছেন কক্সবাজারের এই বাসিন্দা।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের পাশে মঙ্গলবার দেখা গেছে তাকে। কয়েকদিন ধরে ঘুরলেও মনোনয়নপত্র কিনতে পারেননি তিনি। জগদীশ জানিয়েছেন, মনোনয়নপত্র পেতে প্রয়োজনে আইনি লড়াইয়ে যাবেন তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন। তফসিল অনুযায়ী, এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। যাচাই-বাছাই হবে ১৩ ফেব্রুয়ারি। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি। আর ভোটগ্রহণ হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি।

জগদীশ বড়ুয়া পার্থ এই নির্বাচনে প্রার্থী হতে ২৫ জানুয়ারির পর থেকেই মনোনয়নপত্র কেনার জন্য ইসিতে ঘুরছেন। মঙ্গলবার পর্যন্ত তার আবেদনপত্র গৃহীত হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হতে হলে বয়স ৩৫ বছরের বেশি হতে হবে। তার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। এছাড়া থাকতে হবে একজন করে প্রস্তাবক ও সমর্থক।

আবেদনপত্র হাতে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে জগদীশ বড়ুয়া বলেন, ‘আমাদের ২১তম রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। সে সুবাদে তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। কিন্তু দুর্ভাগ্য, এখানে ২৫ তারিখের পর বার বার আসছি। কিন্তু আমাকে মনোনয়ন ফরম দিচ্ছে না। তারা আমার আবেদন গ্রহণ করছে না। রাষ্ট্রপতি পদে আমি একজন প্রার্থী৷’

নিজেকে বাংলাদেশ মঙ্গল পার্টির চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে জগদীশ দাবি করেন, তিনি এর আগে জেলা পরিষদ নির্বাচন করেছেন। ঢাকা-৮ আসনে সংসদ সদস্য পদেও নির্বাচন করেছেন।

নির্বাচন কমিশন থেকে অনলাইনে আবেদনের জন্য বলা হয়েছে উল্লেখ করে জগদীশ বলেন, ‘অনলাইনে গিয়ে দেখছি ভুয়া। তফসিলে যে টিঅ্যান্ডটি নম্বর দিয়েছে, সেই নম্বরে অনেক ফোন দিয়েছি। পাওয়া যায় না। আজকে আসছি আবেদন নিয়ে।’

এই মনোনয়নপ্রত্যাশী বলেন, ‘(নির্বাচন কমিশনের) জনসংযোগ শাখার (সহকারী পরিচালক) আশাদুল হককে কল দিলে তিনি বলেন বাইরে থাকেন। সবসময় মিটিংয়ে থাকেন। একবার বাইরের অভ্যর্থনা কক্ষে পাঠায়, একবার ভেতরের অভ্যর্থনা কক্ষে পাঠায়। এদিকে ফোনও রিসিভ করছে না তারা। রিসিভ করলে সমস্যা কোথায়? আমি কি নির্বাচিত হয়ে যাচ্ছি?’

প্রতিবেশী দেশ ভারতে দলিত সম্প্রদায় থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে জগদীশ বলেন, ‘আমি বড়ুয়া সম্প্রদায়ের। এই বাঙালি জাতিকে রক্ষা করার জন্য মঙ্গল ধর্মের প্রবর্তক হিসেবে আমার অধিকার আছে ভালো কথা বলার। আমি নিজের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি। কারও ধার ধারি না।’

কতিপয় এমপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘দেশ স্বাধীনের পর থেকে তারা আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছেন। সে রকম ভোট একটাও লাগবে না। আমাকে যে ভোট দেবে এরকম ভোট আমি দেখছি না।

‘এরা যদি রিসিভ না করে, তাহলে আমি হাইকোর্টে যাব। আমার আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেছি, আমি মামলার পর্যায়ে যাব। যেমন হিরো আলম একতারা প্রতীক নিয়ে (বগুড়া-২ আসন) উপনির্বাচনে গেছে। ঠিক তেমনিভাবে আমি যাব।’

নিজেকে নির্বাচনপ্রিয় মানুষ উল্লেখ করে জগদীশ বলেন, ‘আমি ২০১১ সাল থেকে নির্বাচন করি। আইনি জটিলতা যেটা আছে, এজন্য অবশ্যই আমি লড়াই করব।’

নির্বাচনে নিজের তৈরি করা ইশতেহার তুলে ধরে জগদীশ বলেন, ‘বাংলাদেশে ১০ কোটি টাকার ওপরে যারা মালিক আছেন, তাদের টাকা বাজেয়াপ্ত করার কথা থাকবে আমার ইশতেহারে। বাংলাদেশে যত খাস জমি আছে, সেগুলো মাথাপিছু ৫ শতাংশ করে দান করব।’

ইসির জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক আশাদুল হক এ বিষয়ে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উনি আমার কাছে এলে তো হবে না। এ জন্য নির্বাচনী কর্মকর্তা সিইসির দপ্তরে যেতে হবে। আমার কাছে চাইলে তো হবে না। আমার সঙ্গে ওনার দেখা হয়নি। আমি নির্বাচনী শাখায় যোগাযোগ করতে বলেছি।’

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ‘বিষয়টি আমার নলেজে নেই। কাল অফিসে গেলে খোঁজ নেব- কে বা কারা বাধার সৃষ্টি করেছে। তবে আইনগতভাবে কোনো বাধা নেই। আইন অনুযায়ী হলে যে কেউ মনোনয়ন ফরম কিনতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট ১৯ ফেব্রুয়ারি
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বুধবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is walking in Dum Furnoi Information Minister

দম ফুরনোয় হাঁটছে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

দম ফুরনোয় হাঁটছে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ বিএনপিতো আগে মিছিল করত। এখন মিছিলের পরিবর্তে হাঁটা শুরু করেছে। দম ফুরিয়ে গেছে সম্ভবত।’

দম ফুরিয়ে যাওয়ায় বিএনপি হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

চট্টগ্রামে আরবান ট্রান্সপোর্টেশন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং মেট্রোরেলের প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই কার্যক্রম শুরুর অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ বিএনপিতো আগে মিছিল করত। এখন মিছিলের পরিবর্তে হাঁটা শুরু করেছে। দম ফুরিয়ে গেছে সম্ভবত।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি যে পদযাত্রা শুরু করেছে, কারও কাছ থেকে নকল করছে সম্ভবত। আপনারা চোখ মেলে দেখুন, কারও কাছ থেকে নকল করছে কি না। তবে পদযাত্রা করুক আর যে যাত্রাই করুক, তাদের এই যাত্রায় তাদের কর্মীরাও নাই। জনগণ তো দূরের কথা, সাধারণ কর্মীরাও এই যাত্রায় শামিল হননি।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৫ সালে মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করেছে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে, মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। আবার জনগণের কাছে যদি যেতে হয়, তাহলে সেগুলোর জন্য মানুষের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’

বিএনপির নির্বাচনে না আসলে এতে কোনো প্রভাব পড়বে কি না জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘আমি আশা করি, তারা (বিএনপি) নির্বাচনে অংশ নেবে। আমরা চাই বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ আগামী দিনের সরকার পছন্দ করুক, সেটি আমরা চাই।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির আন্দোলন পুরোনো গাড়ি স্টার্ট নেয়ার মতো: তথ্যমন্ত্রী
গুজব রোধে ডিসিদের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থার নির্দেশ তথ্যমন্ত্রীর
বিএনপি আওয়ামী লীগকে দেখে ভয় পাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
জামায়াত ও হেফাজতের সঙ্গে সমঝোতার প্রশ্ন অবান্তর: তথ্যমন্ত্রী
ভোটে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে বিএনপিকে পরামর্শ তথ্যমন্ত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Home Minister Tarek if he dares come home

তারেককে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সাহস থাকলে দেশে আসুন

তারেককে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সাহস থাকলে দেশে আসুন মঙ্গলবার তেঁজগাওয়ে এক সমাবেশে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। ছবি: নিউজবাংলা
বিরোধী দলকে উদ্দেশ করে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘রাস্তা বন্ধ করে যদি জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করেন, আবার ভাংচুর করেন, আবার যদি নৈরাজ্য সৃষ্টি করেন তাহলে নিরাপত্তা বাহিনীর দরকার হবে না, আমাদের নেতাকর্মীরাই জবাব দিয়ে দেবে।’

‘ইংল্যান্ডে বসে ষড়যন্ত্র না করে দেশে আসুন। সাহস থাকলে দেশে এসে মামলা ফেস করুন৷ এদেশের মানুষ দেখতে পারবে কী করেছিলেন আপনি। আমাদের নেতারা কখনও পালায়নি, আমাদের নেত্রী কখনও পালাননি।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে এসব কথা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর তেঁজগাওয়ে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ‘দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও অগ্নি-সন্ত্রাসের’ প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ এই শান্তিপূর্ণ সমাবেশের আয়োজন করে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল অনেক কথা বলে। বিরোধী দল তো নয়, বিএনপি ক্যান্টনমেন্ট থেকে তৈরি হয়েছিল; যারা জাতির পিতাকে হত্যার দিনে জন্মদিনের কেক কাটে, জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিদেশে প্রতিষ্ঠা করে।

‘সেই দল আবার ভোট চায় জনগণের কাছে। ভোট চায় ভালো কথা, জনগণ যদি ভোট দেয় তারা আবার ক্ষমতায় আসবে। এতো ফালাফালির কি দরকার আছে?’

বিরোধী দলকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘রাস্তা বন্ধ করে যদি জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করেন, আবার ভাংচুর করেন, আবার যদি নৈরাজ্য সৃষ্টি করেন তাহলে নিরাপত্তা বাহিনীর দরকার হবে না, আমাদের নেতাকর্মীরাই জবাব দিয়ে দেবে।’

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Internal combustion of a class of intellectuals to stop illegal seizure of power Prime Minister

অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল বন্ধে এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবীর অন্তর্জ্বালা: প্রধানমন্ত্রী

অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল বন্ধে এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবীর অন্তর্জ্বালা: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার তার কার্যালয়ে রংপুর সিটির নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: পিআইডি
শেখ হাসিনা বলেন, ‘সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী আনার ফলে এবং দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখায় দেশে স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। তাই এখন কোনো অনির্বাচিত ব্যক্তি অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে পারছে না।’

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পথ বন্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, কারা ক্ষমতায় যাবে সে সিদ্ধান্ত নিতে এই সংশোধনী জনগণকে ক্ষমতা দিয়েছে। দেশে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে। যদিও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল বন্ধ হওয়াটা দেশের তথাকথিত এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীর অর্ন্তজ্বালার কারণ।

বার্তা সংস্থা বাসস জানায়, প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার তার কার্যালয়ে রংপুর সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ও ওয়ার্ড কাউন্সিলরসহ সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী আনার ফলে এবং দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখায় দেশে স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। তাই এখন কোনো অনির্বাচিত ব্যক্তি অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করতে পারছে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে মার্শাল ল জারি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকে সর্বোচ্চ আদালত অবৈধ ঘোষণা করেছে। ‌এর ফলে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত হয়েছে।

‘আমরা এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের সংবিধানে পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে এসে গণতন্ত্রকে সুসংহত করেছি। এই গণতন্ত্র হচ্ছে জনগণের শক্তিকে আরও দৃঢ় করা এবং ক্ষমতায় কে যাবে না যাবে জনগণই যেন তা নির্ধারণ করতে পারে তা নিশ্চিত করা।’

সরকার প্রধান বলেন, পঞ্চদশ সংশোধনী আনয়নের ফলে দেশে একটা স্থিতিশীলতা এসেছে কারণ দীর্ঘদিন গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে। এখন আর অনির্বাচিত কেউ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করতে পারছে না। যদিও সেটা দেশের তথাকথিত এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীর অন্তর্জ্বালার কারণ।

‘তারা কোনোদিন ভোটে জিততে পারবে না। রাজনীতি করতে পারবে না বা জনগণের মুখোমুখি দাঁড়ানোর মতো সাহস তাদের নেই। কোনোমতে ক্ষমতায় কীভাবে যাবে সেজন্য তারা সবসময় এই গণতান্ত্রিক ধারা ব্যর্থ করার চেষ্টা করে। তাদের এই প্রচেষ্টা আমরা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৬ থেকে ২০০১ মেয়াদে একুশ বছর পর সরকারে এসে আওয়ামী লীগ ৫ বছর দেশ পরিচালনার পর শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল। তা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরের একমাত্র ঘটনা। এছাড়া অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল, জরুরি অবস্থা জারি বা মার্শাল ল- নানা ধরনের ঘটনায় বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তনই হয়নি।

‘আওয়ামী লীগ সরকারের গত তিন মেয়াদের টানা শাসনের ফলে বাংলাদেশ বদলে গেছে। ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই সময়ে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের প্রস্তাবে নির্বাচন পদ্ধতিতে সংস্কার, ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার বাদ দিয়ে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনে নির্বাচন কমিশন আইন পাসসহ নির্বাচন কমিশনের ব্যয় নির্বাহের বিষয়টিও স্বাধীন করে দেয়া হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী রংপুর সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাকে শপথবাক্য পাঠ করান। আর নবনির্বাচিত কাউন্সিলরদের শপথবাক্য পাঠ করান এলজিআরডি ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

এলজিআরডি ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহাম্মদ ইব্রাহিম।

২৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী মোস্তফা টানা দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র পদে জয়ী হন।

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের নিবেদিতপ্রাণ হয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

তাঁর সরকারের ভুমিহীন-গৃহহীনকে ঘর করে দেয়ার কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভূমিহীন-গৃহহীণ মানুষকে ঘর করে দেয়ার সময় কে কোন দলের তা দেখিনি। মানুষকে মানুষ হিসেবেই দেখেছি। মুজিবের এই বাংলায় একটি মানুষও গৃহহীণ-ভূমিহীন থাকবে না, তা তাঁর সরকার নিশ্চিত করবে।

জনগণ যাতে সরকারের সেবা পায় তা নিশ্চিত করার জন্যই তিনি রংপুর বিভাগ করে দিয়েছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারি, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা এবং রংপুর অঞ্চল সবসময়ই ছিল দুর্ভিক্ষ বা মঙ্গা পীড়িত। সে জন্যই আমি চেয়েছি যে এখানে যদি একটা বিভাগ হয় এবং সেবা যদি জনগণের দোরগোড়ায় আমরা পৌঁছে দিতে পারি তাহলে মানুষ ভাল থাকবে। এরপর রংপুর সিটি কর্পোরেশন করে দিয়ে তাঁর সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পেরও একটি খতিয়ান তিনি তুলে ধরেন।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৮টি প্রকল্পে মোট ১১৭৩ দশমিক ৮৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে বলেও জানান শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘কে কোন দলের মেয়র সেটা কিন্তু দেখি নাই। আমরা কিন্তু মানুষের জন্যই কাজ করেছি। এটাই হলো বাস্তব কথা।’

তিনি এ সময় করোনা পরবর্তী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দেশের প্রতি ইঞ্চি অনাবাদি জমিকে চাষাবাদের আওতায় আনার জন্য দেশবাসীর প্রতি তাঁর আহবান পুনর্ব্যক্ত করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Brahmanbaria candidate in disguise EC Anich

আত্মগোপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রার্থী: ইসি আনিছ

আত্মগোপনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রার্থী: ইসি আনিছ আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইসি আনিছুর রহমান। ফাইল ছবি
বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য হওয়া ৬ আসনে উপনির্বাচন আগামী বুধবার। ভোটের এক দিন আগেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনের প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদ আত্মগোপনে আছেন বলে মনে করছেন নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমনটি বলেন

বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগে শূন্য হওয়া ৬ আসনে উপনির্বাচন আগামী বুধবার। ভোটের এক দিন আগেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, শুক্রবার রাত থেকে আসিফের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা। বিএনপির দলছুট নেতা উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়ার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ আহমেদ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া অডিও ক্লিপের প্রসঙ্গ টেনে এই কমিশনার বলেন, 'মনে হয়, এ রকম একটা পরিকল্পনা আগেই করা ছিল। অডিওতে তার স্ত্রীর কণ্ঠে একজন নির্দেশনা দিচ্ছিলেন কী নিয়ে যেতে হবে। ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বন্ধ করে দিতে বলেছে। ১০ মিনিট পরে বের হয়ে গেলে চালু করতে তার মানে কী?'

নিখোঁজ প্রার্থীকে খুঁজে বের করার নির্দেশ ছিল জানিয়ে ইসি আনিছ বলেন, গণমাধ্যমের সামনে এসে সে বলবে কোথায় কীভাবে গিয়েছিল। আমাদের কাছে এটুকু তথ্য আছে যে, সরকারি কোনো বাহিনী এ কাজটি করেনি।

আনিছুর রহমান বলেন, একটা লোক যদি কেউ লুকিয়ে থাকে ইচ্ছা করে তাহলে তাকে খুঁজে বের করা একটু কঠিন।

প্রার্থী খুজে না পাওয়ায় ভোটের মাঠে প্রভাব পড়বে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন,' আমার মনে হয় না তেমন কিছু হবে। খুব বেশি যে প্রভাব পড়বে এরকম কিছু না। কারণ তার স্ত্রী তার পক্ষে সব কাজ করে যাচ্ছেন।'

ছয় আসনে উপনির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসি আনিছ বলেন, ' যথারীতি সব প্রস্তুতি আছে। সিসি ক্যামেরা থাকছে না। বাকি সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্নভাবে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট চলবে। ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট নেয়ার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।'

আরও পড়ুন:
ইভিএম নিয়ে ধোঁয়াশায় ইসি
ভোটের পরিবেশ অনুকূলে নয়: সিইসি
ইইউর ১১ প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে ইসি
এমপি গোলাপের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার এখতিয়ার ইসির নেই: কমিশনার আলমগীর
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটার বাড়ছে প্রায় ৫৮ লাখ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Waiting to see the end of Sattas surprise

সাত্তার চমকের শেষটা দেখার অপেক্ষা

সাত্তার চমকের শেষটা দেখার অপেক্ষা উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঞা ও আবু আসিফ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগের সমর্থক প্রার্থীরা সরে দাঁড়ানোয় উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঞার জয়ের বিষয়টি এক প্রকার নিশ্চিতই হয়ে যায়। তবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন লাঙ্গল প্রতীকের আব্দুল হামিদ ভাসানী, গোলাপফুল মার্কা পাওয়া জহিরুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা আবু আসিফ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে ভোট বুধবার। একই দিনে হচ্ছে আরও ৫টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচন। তবে এর মধ্যে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন। এর মূল কারণ সংসদ থেকে পদত্যাগ করা ও বিএনপির দলছুট নেতা উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঞা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া।

তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন সংগ্রহ থেকে শুরু করে সোমবার দুপুর ১২টা প্রচারণার শেষ সময় পর্যন্ত সাত্তার নির্বাচন করাকে কেন্দ্র করে নানা চমক দেখেছে সাধারণ ভোটাররা। বিএনপির সাবেক এই নেতার পক্ষে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা মরিয়া হয়ে মাঠে নেমে প্রকাশ্যে ভোট চাওয়ায় ভোটারদের মনে জেগেছে নানা প্রশ্ন।

আওয়ামী লীগ আসনটিতে নৌকার প্রার্থী দেয়নি। তবে দলটি সমর্থিত তিন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির সাবেক এই নেতাকে জেতাতে সেই তিন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। আবার প্রত্যাহার না করেও সাবেক সাংসদ জিয়াউল হক মৃধা এক বিবৃতিতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

হেভিওয়েট প্রতিদ্বন্দ্বীরা সরে দাঁড়ানোয় উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঞার জয়ের বিষয়টি এক প্রকার নিশ্চিতই হয়ে যায়। তবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন লাঙ্গল প্রতীকের আব্দুল হামিদ ভাসানী, গোলাপফুল মার্কা পাওয়া জহিরুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা আবু আসিফ।

নির্বাচনী সমীকরণ মিলিয়ে যখন ভোটাররা সাত্তারের বিপক্ষে কোনো হেভিওয়েট প্রার্থী পাচ্ছিলেন না তখনই প্রচার ও প্রসারে আলোচনায় আসেন আবু আসিফ। সাত্তারের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতারা প্রচারণা চালালেও বিএনপির সাবেক নেতা আবু আসিফের প্রচারণায় দলের কোনো প্রভাবশালী নেতা ছিলেন না। তবে অনুসারীদের নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে সাত্তারের বিপক্ষে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আসেন তিনি।

তবে সেখানে আরেক চমক। হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে গেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু আসিফ। নির্বাচনে দায়িত্বরত কর্তৃপক্ষসহ স্বজনরাও জানেন না তিনি কোথায় আছেন। তবে প্রথমে কোনো অভিযোগ না দিলেও মঙ্গলবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর একটি অভিযোগ দেন আবু আসিফের স্ত্রী মেহেরুন্নিছা মেহরিন। এ ঘটনায় নতুন করে বিরূপ আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।

আবু আসিফ নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টিকে ক্ষমতাসীন দলের ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে বিএনপি। তারা বলছে, উকিল সাত্তারের জয় নিশ্চিতে আসিফের ওপর চাপ ছিলো। তাই আসিফকে সরিয়ে ফেলে সাত্তারের পথ পরিষ্কার করতে চেয়েছে আওয়ামী লীগ।

এদিকে আবু আসিফ স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে গেছেন-এমন প্রচারও আছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসিফের স্ত্রী ও বাসার দারোয়ানের একটি অডিও কথোপকথন ছড়িয়ে পড়েছে, যা এমন প্রচারের পক্ষে হাওয়া দিচ্ছে। যদিও ওই অডিও টেপের বক্তাদের পরিচয় নিয়ে পুলিশও পুরোপুরি নিশ্চিত নয়।

একাধিক সূত্রে জানা যায়, দলছুট নেতা উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঞাকে জেতাতে আওয়ামী লীগের এমন মরিয়া হওয়ার কারণ বিএনপি ও ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বিএনপিকে জনগণের কাছে বিতর্কিত করতে আওয়ামী লীগের এমন প্রয়াস বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী। তাছাড়া ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রেখেই সাত্তারের পক্ষে মরিয়া হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মাঠে নেমেছেন।

এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জয়ের প্রতাশা করছেন জাতীয় পার্টির মনোনীয়ত প্রার্থী আব্দুল হামিদ ভাসানী ও জাকের পার্টির জহিরুল ইসলাম ভূঞা। তারা বলছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তারা জয়ী হবেন।

এসব চমকের সমাপ্তি ঘটছে বুধবার। তবে নির্বাচনটি একতরফা হিসেবেই দেখছেন ভোটাররা। নিজের ভোট নিজে না দিতে পারার শঙ্কাও প্রকাশ করছেন অনেকে।

সাত্তার চমকের শেষটা দেখার অপেক্ষা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণের জন্য মঙ্গলবার বেলা ২টা থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয় ইভিএমসহ ভোটের সরঞ্জামাদি। ছবি: নিউজবাংলা

ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন

অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রশাসন। মঙ্গলবার বেলা ২টা থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে ইভিএমসহ ভোটের সরঞ্জামাদি। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, দুই উপজেলায় রয়েছে ১৭টি ইউনিয়ন। এর মধ্যে সরাইল উপজেলায় ৯টি ও আশুগঞ্জ উপজেলায় ৮টি ইউনিয়ন। মোট ভোট কেন্দ্র ১৩২টি। মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩১৩ জন। এর মধ্যে সরাইলে ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৯ ও আশুগঞ্জে ১ লাখ ৩২ হাজার।

ভোটে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ১১ শ’ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে। এছাড়াও থাকছে ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য, র‌্যাবের ৯টি টিম, পুলিশের ৯টি মোবাইল টিম ও ৪টি স্ট্রাইকিং টিম। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবে ৩জন পুলিশ, অস্ত্রধারী ২জন আনসার, লাঠিধারী ১০জন আনসার ও ২জন গ্রামপুলিশ।

১৭টি ইউনিয়নে ১৭ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন।

পুলিশ সুপার মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘উপনির্বাচন উপলক্ষে আমরা ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিয়েছি। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না। কেউ বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
আশুগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০
আওয়ামী লীগের ৩ সমর্থকের মনোনয়ন প্রত্যাহারে কপাল খুলছে সাত্তারের
বিচারককে গালির ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি নারী বিচারকদের
চাঁপাইয়ে আওয়ামী লীগের ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে সাত্তার-চমকের কী প্রভাব

মন্তব্য

p
উপরে