× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bhutan wants to use the Chilahati Mongla railway
google_news print-icon

চিলাহাটি-মোংলা রেলপথ ব্যবহার করতে চায় ভুটান

চিলাহাটি-মোংলা-রেলপথ-ব্যবহার-করতে-চায়-ভুটান
ভুটানের সরকারি প্রতিনিধিদল বৃহস্পতিবার সকালে চিলাহাটি রেলস্টেশন পরিদর্শন করে। ছবি: নিউজবাংলা
এডিবি কনসালট্যান্ট জানান, এই রেলপথ ব্যবহার করা গেলে মোংলা বন্দরে সহজে বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি হবে। আর চিলাহাটি স্থলবন্দর চালু করা গেলে বাড়বে বাণিজ্যের ক্ষেত্র।

বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও খরচ কমাতে চিলাহাটি থেকে মোংলা পর্যন্ত রেলপথ ব্যবহার করতে চায় ভুটান। বৃহস্পতিবার সকালে ভুটানের একটি সরকারি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ-ভুটান বাণিজ্যিক রুট পরিদর্শনের অংশ হিসেবে এডিবির একজন বিশেষজ্ঞকে সঙ্গে নিয়ে চিলাহাটি রেলস্টেশন পরিদর্শন করে।

এ সময় নির্মীয়মাণ দৃষ্টিনন্দন রেল ভবন, লুপ লাইনসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প ঘুরে দেখেন তারা। ভুটানের অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত কূটনৈতিক বিভাগের প্রধান শেরিং লাদন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান কারমা শোসার, ভুটান চেম্বার অব কমার্স ও ইন্ডাস্ট্রিজের ভাইস চেয়ারম্যান কমল প্রধানসহ বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তারা একটি বৈঠক করেন।

পরিদর্শন শেষে ভুটান প্রতিনিধিদলের পক্ষে সফরে আসা এডিবি কনসালট্যান্ট জানান, এই রেলপথ ব্যবহার করা গেলে মোংলা বন্দরে সহজে বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি হবে। আর চিলাহাটি স্থলবন্দর চালু করা গেলে বাড়বে বাণিজ্যের ক্ষেত্র।

এডিবি কনসালট্যান্ট ফিরোজ আহমেদ জানান, এটি প্রাথমিক একটি পরিদর্শন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে ভুটান প্রতিনিধিদল এসে দেখে গেল। আলোচনা হবে এ নিয়ে। বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের মধ্যে আলোচনা শেষে চিলাহাটি থেকে মোংলা পর্যন্ত রেলপথ ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে।

আরও পড়ুন:
৭৩ রেলক্রসিংয়ের ৬৫টিতেই নেই গেটম্যান
ঢাকা ঘিরে হবে বৃত্তাকার রেলপথ: রেলমন্ত্রী
রেলের বেহাত জায়গা উদ্ধার হবে: রেলমন্ত্রী
খয়রাত নগরে হবে ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো: রেলপথমন্ত্রী 
মহামারিতেও কক্সবাজারের পানে ছুটছে রেল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
How much is the price of electricity increasing in which sector?

কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম
দাম বাড়ালেও সমন্বয়টা বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ওপর দিয়ে বেশি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

এক বছরের মাথায় গ্রাহক পর্যায়ে ফের বাড়ছে বিদ্যুতের দাম। সরকারের নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম খুচরা পর্যায়ে সাড়ে আট শতাংশ ও পাইকারি পর্যায়ে ৫ দশমিক শূন্য ৭৪ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। নতুন দর অনুসারে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে গ্রাহককে অতিরিক্ত গুনতে হবে ৭০ পয়সা। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের বিল থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর করা হবে।

নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের নতুন দাম নির্ধারণ করে বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতে ভর্তুকিতে ডলারের তারতম্যটাই মূল বিষয়। গ্যাসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ফলে এবার বিদ্যুতের ভর্তুকি গিয়ে দাঁড়াবে ৪৩ হাজার কোটি টাকায়। সে কারণে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দাম সমন্বয়ে যেতে হবে। আমরা ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে মূল্য সমন্বয়ে যাব।’

নিচের দিকে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওপরের দিকে ৭০ পয়সা বাড়বে। অর্থাৎ নিচের দিকে ৫ শতাংশ ও ওপরের দিকে দাম বাড়বে সাড়ে ৮ শতাংশের মতো। ফলে মাসশেষে হয়ত ১০০ টাকায় ৫ থেকে ৮ টাকা বাড়তি দিতে হতে পারে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, ডলারের দামের তারতম্যের কারণে বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ প্রায় ১২ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে, যা আগে ৭ থেকে ৮ টাকা ছিল। বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৭ টাকায় বিক্রি করছে সরকার।

তবে দাম বাড়ালেও সমন্বয়টা বেশি ব্যবহারকারীদের ওপর দিয়ে বেশি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের কারণে জনজীবনে এর প্রভাব কেমন পড়বে- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিশেষজ্ঞদের কথায় মনে হচ্ছে, অত বেশি পরিবর্তন ঘটবে না। খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।’

নতুন মূল্য কার্যকরের সময় জানাতে তিনি বলেন, ‘ডায়নামিক প্রাইসে (পরিবর্তিত মূল্যে) তেলের দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ১ মার্চ থেকে সেটি কার্যকর করা শুরু হবে। আর বিদ্যুতের দাম যেটা বেড়েছে, সেটা ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমরা জ্বালানির দাম সমন্বয় করেছি বিদ্যুতে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো যে দামে গ্যাস নিত, সেখানে আমরা ৭০ পয়সার মতো সমন্বয় করেছি। আর তেলের দামও ডায়নামিক প্রাইসে নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘কয়লা, তেল ও গ্যাসসহ জ্বালানি আমরা যে দামে কিনতাম, সেখানে একটা ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। গত বছরে মারাত্মকভাবে এ পরিবর্তন এসেছে, যে কারণে ডলারের সঙ্গে জ্বালানির দাম সমন্বয় করার চিন্তাভাবনা করছিলাম। জ্বালানির ব্যাপারেও একটা ডায়নামিক প্রাইসের দিকে যাচ্ছি, যেটা পয়লা মার্চ থেকে শুরু হবে। কাল-পরশুর মধ্যেই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

ডায়নামিক প্রাইসের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বে যদি জ্বালানির দাম বাড়ে, তাহলে আমাদের দেশেও সেটার সঙ্গে সমন্বয় করে বাড়বে। আবার বিশ্বে যদি কমে, আমাদের দেশেও কমবে।

‘এটা প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে করা হবে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ প্রতিদিন এটা করে। যেমন কলকাতার কথা যদি বলি, সেখানে এক লিটার ডিজেলের দাম ১৩৩ টাকা। আমাদের দেশে ডিজেলের দাম ১০৯ টাকা।’

এভাবে গ্যাসের দামও সরকারকে ডলারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘গ্যাস আমদানি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। আমরা যদি তা সারের সঙ্গে যদি মিক্স করি, তাহলে ২৪ টাকার ওপরে পড়ে যায়। সারকে এ গ্যাস দিচ্ছি ১৬ টাকা রেটে, বিদ্যুতকে দিচ্ছি ১৪ টাকা রেটে। যে কারণে গ্যাসের দাম ১৪ টাকা ৭০ পয়সা করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The electricity price hike is effective from February not March

মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘সব ধরনের গ্রাহকের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা থেকে ৭০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানো হবে। আর শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম প্রতি ইউনিটে ৭৫ পয়সা বাড়বে।’

বিদ্যুতের দাম খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ও পাইকারি পর্যায়ে ৫ দশমিক শূন্য ৭৪ শতাংশ বাড়ছে। আর বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর হবে। অর্থাৎ মার্চ মাস থেকেই গ্রাহকদের বাড়তি বিল দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেছেন, বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে আজই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। প্রতিমন্ত্রী এর আগে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, মার্চ থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘বিদ্যুতের এই দাম বৃদ্ধির পরিমাণ খুবই অল্প। কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের কম আর বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের বেশি দাম দিতে হবে।

‘সব ধরনের গ্রাহকের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা থেকে ৭০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানো হবে। আর শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম প্রতি ইউনিটে ৭৫ পয়সা বাড়বে।’

তিনি জানান, ১ মার্চ থেকে গ্রাহক পর্যায়ে জ্বালানির নতুন মূল্য চালু করা হবে। এর অধীনেই আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পেট্রোলিয়ামের দাম বাড়ানো বা কমানো হবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি মাসে গ্রাহকদের জন্য জ্বালানি তেলের দাম ঘোষণা করা হবে। প্রতিবেশী দেশ ভারত প্রতিদিনই এটি করছে।’

ডলারের দর বৃদ্ধির কারণে সরকারের যে ক্ষতি হয়েছে তা কমিয়ে আনতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘এ বছর কম দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করায় সরকারের ৪৩ হাজার কোটি টাকা লোকসান হবে।

‘বিদ্যুৎ খাতে এখন যে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে তা থেকে বেরিয়ে আসার সরকারি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’

বিপিডিবির ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯৮ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৭ হাজার ২৪ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে।

প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ১১ টাকা ৩৩ পয়সা এবং প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রি করতে খরচ হয়েছে ৬ টাকা ৭০ পয়সা। এতে ইউনিটপ্রতি লোকসান হয়েছে প্রায় ৪ টাকা ৬৩ পয়সা।

এই ভারসাম্যহীনতার কারণে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪৭ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কারণ বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে অতি উচ্চ মূল্যে বিদ্যুৎ কিনেছে সরকার।

বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে ৮২ হাজার ৭৭৮ কোটি টাকার বিদ্যুৎ কিনে ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়েছে সরকার। একই সময়ে নিজস্ব কেন্দ্রে ১৩ হাজার ৩০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে।

বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিপিডিবির নিজস্ব কেন্দ্রগুলো থেকে গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ৭ টাকা ৬৩ পয়সা। সেখানে স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী বা আইপিপির (বেসরকারি খাত) বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ পড়েছে ১৪ টাকা ৬২ পয়সা। এ ছাড়া রেন্টাল প্ল্যান্টে প্রতি ইউনিটে খরচ হয়েছে ১২ টাকা ৫৩ পয়সা, পাবলিক প্লান্টে ৬ টাকা ৮৫ পয়সা এবং ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের খরচ ৮ টাকা ৭৭ পয়সা।

প্রসঙ্গত, সরকার বেসরকারি খাত ও ভারত থেকে ডলারে বিদ্যুৎ কিনে থাকে।

আরও পড়ুন:
বিশ্ববাজারের সঙ্গে ওঠানামা করবে জ্বালানি তেলের দাম: প্রতিমন্ত্রী
দাম বাড়ছে বিদ্যুতের, মার্চের প্রথম সপ্তাহে কার্যকরের চিন্তা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The new price of soybean oil comes into effect on Friday

সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার

সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার
খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৩ টাকায়। আর প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৪৯ টাকায়। এ ছাড়া বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ৮০০ টাকা।

সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার (১ মার্চ)। এদিন থেকে খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৩ টাকায়। আর প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৪৯ টাকায়। এ ছাড়া বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ৮০০ টাকা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ক টাস্কফোর্সের সভায় সয়াবিন তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। সেদিনই বলা হয়, ১ মার্চ থেকে সয়াবিন তেলের নতুন এই দর কার্যকর হবে।

সভায় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভোজ্যতেল আমদানির ওপর লিটারে ৫ টাকা শুল্ক কমিয়েছে। অর্থাৎ সরকার লিটারে ৫ টাকা ছাড় দিয়েছে। রমজান সামনে রেখে এখন আপনারাও ৫ টাকা ছাড় দেন।’

সভায় উপস্থিত মিল মালিক ও তেল পরিশোধনকারীরা তা মেনে নেন। সে হিসাবে প্রতি লিটারে সয়াবিন তেলের দাম কমছে ১০ টাকা।

সয়াবিন তেলের দাম কমানো নিয়ে প্রতিমন্ত্রী টিটু বলেন, ‘রমজানে প্রতি লিটার বোতলের সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ১৬৩ টাকা করার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। আগে এর মূল্য ছিল ১৭৩ টাকা এবং তার আগের বছরে ছিল ১৮৫ টাকার মতো।’

তিনি বলেন, ‘ভোজ্যতেলের সঙ্গে অনেক কিছু সম্পৃক্ত। সেহেতু এতে ভোক্তা পর্যায়ে কিছুটা স্বস্তি আসবে এবং খুচরায় আমরা যৌক্তিক পর্যায়ে দাম কমিয়ে আনব। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি খোলা সয়াবিনের সর্বোচ্চ মূল্য থাকবে ১৪৯ টাকা। আর ৫ লিটারের বোতল ৮০০ টাকায় বিক্রি হবে।’

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা আমাদের এটুকু নিশ্চিত করেছেন যে আগামী রমজানে যে পরিমাণ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বাজারে থাকা দরকার বা মজুদ থাকা দরকার বা পাইপলাইনে থাকা দরকার, তার সবই মোটামুটি পর্যাপ্ত আছে।’

পাম তেলের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একটি বিষয় জানিয়ে রাখা দরকার, এই প্রথম আন্তর্জাতিক বাজারে পাম তেলের দাম সয়াবিনের থেকে বেশি। সুতরাং এটি যদি আমরা এখন পুনঃনির্ধারণ করতে যাই, তা ভোক্তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে যাবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘১ মার্চ থেকে সয়াবিন তেলের নতুন নির্ধারিত দাম কার্যকর হবে। আমাদের এই ট্যারিফ ১৫ তারিখ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর আমরা বসে প্রতি মাসে যেমন তেলের দাম আমাদের ট্যারিফ ঠিক করে, প্রতিমাসে আমাদের যারা মিলমালিক আছে তাদের সঙ্গে বসে দাম রেগুলার বেসিসে পুনঃনির্ধারণ করে দেব। কারণ ব্যবসায়ীরা যদি ব্যবসা না করতে পারেন তাহলে পণ্য সরবরাহে সংকট দেখা দেবে।’

প্রসঙ্গত, ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিত্যপ্রয়োজনীয় চারটি পণ্যের শুল্ক কমানোর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব পণ্য হলো চাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুর। এরপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) শুল্ক কমানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।

আরও পড়ুন:
বাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে ইশতেহার অনুযায়ী ব্যবস্থা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে, প্রশ্ন কাদেরের
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে কমল ১০ টাকা, ১ মার্চ থেকে কার্যকর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
TCB is buying 10 million liters of oil and 10 thousand tons of pulses

এক কোটি ১০ লাখ লিটার তেল ও ১০ হাজার টন ডাল কিনছে টিসিবি

এক কোটি ১০ লাখ লিটার তেল ও ১০ হাজার টন ডাল কিনছে টিসিবি ফাইল ছবি
বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়।

ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি) তাদের খোলা বাজারে বিক্রয় (ওএমএস) কর্মসূচির মাধ্যমে বিক্রির জন্য এক কোটি ১০ লাখ লিটার ভোজ্যতেল ও ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে।

বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় টিসিবির পক্ষে প্রস্তাবগুলো পেশ করে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে খোলা দরপত্রের মাধ্যমে ১৭৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল আমদানি করবে টিসিবি। এতে প্রতি লিটারে খরচ হবে ১৬৫ দশমিক ২৫ টাকা।

টিসিবি নাবিল নব ফুড লিমিটেড থেকে প্রতি কেজি ১০৩ দশমিক ০৯ টাকা দরে ৮৩ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে।

আরও পড়ুন:
টিসিবির সিল তুলে বেশি দামে তেল বিক্রির চেষ্টা, জরিমানা
ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য: জানুয়ারির বিক্রি শুরু
রাজধানীতে সবার জন্য খোলা ট্রাকে আলু-পেঁয়াজ মঙ্গলবার থেকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The language of womens protest is the curved tip selfie

নারীর প্রতিবাদের ভাষা বাঁকা টিপের সেলফি

নারীর প্রতিবাদের ভাষা বাঁকা টিপের সেলফি ফেসবুকজুড়ে কপালের টিপ সরিয়ে হচ্ছে প্রতিবাদ। ছবি: সংগৃহীত
অপি করিম বলেন, ‘পরিবারে নারীর প্রতি সহিংসতা যেমন বাড়ছে তেমনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনলাইনে এই হয়রানির মাত্রা বেড়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে নারীদের কপালের বাঁকা টিপের সেলফি। না, এটি কোনো ট্রেন্ড নয়। চলছে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ‘অড ডট সেলফি’।

বাঙালি নারীর সাজসজ্জায় টিপের ব্যবহার কারও অজানা নয়। নারীর চিরাচরিত এই টিপই এবার হয়ে উঠেছে নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা। ‘আমার প্রতিবাদের ভাষা #odddotselfie’ স্লোগানে রেডিও স্বাধীনের উদ্যোগে চলছে এই অভিনব প্রতিবাদ, যাতে সাড়া দিয়েছেন দেশখ্যাত অভিনয় শিল্পী ও ইনফ্লুয়েন্সাররা।

নারীর প্রতিবাদের ভাষা বাঁকা টিপের সেলফি

মঙ্গলবার ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে সেলফি পোস্ট করে এই প্রতিবাদ শুরু করেন তারা। কপালের মাঝখান থেকে টিপ একটু সরিয়ে সেলফি তুলে হ্যাশট্যাগ odddotselfie দিয়ে পোস্ট করেন নিজ নিজ প্রোফাইলে। তারা নারীদের আহ্বান জানান সেলফি ও হ্যাশট্যাগসহ প্রতিবাদে যোগ দিতে। এরপর এটি ছড়িয়ে যেতে থাকে সাধারণ মানুষের মাঝেও।

ইনফ্লুয়েন্সাররা বলেন, আমরা নারীরা মন ভালো থাকলে টিপ পরি। এটি আমাদের কালচার। কপালের সেই টিপ সরিয়ে দিয়ে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমরা এবার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী সারা যাকের বলেন, ‘আমাদের দেশের নারীরা প্রতিদিন ঘরে বাইরে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। কিন্তু সেই অনুপাতে এটা নিয়ে কোনো প্রতিবাদই হচ্ছে না। সবাই মিলে সোচ্চার হওয়ার এখনই সময়। শুধু নিজের জন্য নয়, আশেপাশে কোনো নারীকে নির্যাতিত হতে দেখা মাত্র প্রতিবাদ করা উচিত।’

অপি করিম বলেন, ‘পরিবারে নারীর প্রতি সহিংসতা যেমন বাড়ছে তেমনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনলাইনে এই হয়রানির মাত্রা বেড়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না।’

যেকোনো নির্যাতনের শিকার হলে নারীরা বেশিরভাগ সময় তা মুখ বুজে সহ্য করে নেন। কিন্তু নারীর প্রতি সহিংসতা নারীরা মুখ খুললেই বন্ধ হবে। সেই লক্ষ্যেই ‘আমার প্রতিবাদের ভাষা #odddotselfie’ স্লোগানে চলছে এই প্রতিবাদ।

আরও পড়ুন:
সংরক্ষিত নারী আসনে সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা
জামানত হারানো প্রার্থীকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন জাপার
সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা
অভিনেত্রীদের ফরম কেনা নিয়ে আওয়ামী লীগে ক্ষোভ
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ১৫৪৯ নারী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
All Supreme Court Bar fees are in cash

সুপ্রিম কোর্ট বারের সব ফি নগদ-এ

সুপ্রিম কোর্ট বারের সব ফি নগদ-এ
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এখন থেকে আরো সহজে কোনো ধরনের লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা ছাড়া নগদের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা তাদের যাবতীয় ফি জমা দিতে পারবেন। এর মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেনে যুক্ত হলেন বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।

সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চুক্তিতে নগদ লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম ও সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুন নুর দুলাল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকির, নগদ লিমিটেডের চিফ এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার শেখ শাবাব আহমেদসহ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ ও নগদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাথে চুক্তির বিষয়ে নগদ লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম বলেন, ‘সরকারের ক্যাশলেস সোসাইটি গঠনের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে নগদ কাজ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আমরা সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাথে চুক্তি করেছি। এখন বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিত সদস্যরা চাইলেই মুহূর্তে তাদের যেকোনো ফি নগদের মাধ্যমে যেকোনো জায়গা থেকে প্রদান করতে পারবেন। ফলে একদিকে যেমন সময় সাশ্রয় হবে অপরদিকে ক্যাশলেস লেনদেনও বৃদ্ধি পাবে।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The union won 25 of the 29 directors in the rehab elections

রিহ্যাব নির্বাচনে ২৯ পরিচালক পদের ২৫টিতেই ঐক্যপরিষদের জয়

রিহ্যাব নির্বাচনে ২৯ পরিচালক পদের ২৫টিতেই ঐক্যপরিষদের জয়
মো. ওয়াহিদুজ্জামান ও লিয়াকত আলী ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন প্যানেল ‘আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্যপরিষদ’ ঢাকায় ২৬টি পরিচালক পদের মধ্যে ২৩টিতে জয় পেয়েছে। আর চট্টগ্রামের তিনটি পরিচালক পদের মধ্যে দুটিতে জয় তুলে নিয়েছে এই প্যানেল।

আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (রিহ্যাব) নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্যপরিষদ। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মিলে ২৯টি পরিচালক পদের বিপরীতে ২৫টি পদেই জয় পেয়েছে এই প্যানেল।

মঙ্গলবার ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণা করেন রিহ্যাব নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুব্রত কুমার দে।

রিহ্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জাপান গার্ডেন সিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওয়াহিদুজ্জামান এবং লিয়াকত আলী ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন প্যানেল ‘আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্যপরিষদ’ ঢাকায় ২৬টি পরিচালক পদের মধ্যে ২৩টিতে জয় পেয়েছে। আর চট্টগ্রামের তিনটি পরিচালক পদের মধ্যে দুটিতে জয় পেয়েছে তারা।

প্রায় এক যুগ পর মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশে (কেআইবি) ২০২৪-২৬ মেয়াদের এই দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় ভোটগ্রহণ। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচিতদের মধ্যে রয়েছেন ঐক্যপরিষদের নেতৃত্বে থাকা ওয়াহিদুজ্জামান ও লিয়াকত আলী ভূঁইয়া।

এ ছাড়া বিজয়ী হয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল লতিফ, মো. আক্তার বিশ্বাস, মহসিন মিয়া, আব্দুর রাজ্জাক, শেখ সাদী, হারুনুর রশিদ, লাবিব বিল্লাহ, মিরাজ মুক্তাদির, আইয়ুব আলী, শোয়েব উদ্দিন, লায়ন এম এ আউয়াল, কামরুল ইসলাম, মোবারক হোসেন, এএফএম ওবায়দুল্লাহ, ইন্তেখাবুল হামিদ, দেওয়ান নাসিরুল হক, সেলিম রাজা পিন্টু, ফারুক আহমেদ, শেখ কামাল, ইমদাদুল হক, আরিশ হায়দার, সুরুজ সরদার, ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল ফরহাদ ও ডা. এন জোহা।

এদের মধ্যে ইন্তেখাবুল হামিদ (জয়ধারা), আরশি হায়দার (ডেভেলপার্স ফোরাম) ও ডা. এন জোহা (জয়ধারা) ছাড়া সবাই ঐক্যপরিষদের সদস্য।

বিজয়ী প্যানেলের চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত দুজন হচ্ছেন হাজী দেলোয়ার হোসেন ও মোরশেদুল হাসান। এখানে জয়ধারা প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

নির্বাচনে ঢাকার ২৯ পরিচালক পদের বিপরীতে লড়েছেন ৮৬ জন প্রার্থী। আর চট্টগ্রামের তিনটি পরিচালক পদের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন ৭ জন। মোট ৪৭৬ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৪০৯ জন বা ৮৫ দশমিক ৯২ শতাংশ।

নির্বাচনে চারটি প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন প্রার্থীরা। এগুলো হলো- মো. ওয়াহিদুজ্জামানের নেতৃত্বাধীন ‘আবাসন ব্যবসায়ী ঐক্যপরিষদ’, সেঞ্চুরি রিয়্যালটির চেয়ারম্যান এম জি আর নাসির মজুমদারের নেতৃত্বে ‘ডেভেলপার্স ফোরাম’, রিহ্যাবের সাবেক সহ-সভাপতি নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ‘নবজাগরণ প্যানেল’ এবং সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও হামিদ রিয়েল এস্টেট কনস্ট্রাকশনের এমডি ইন্তেখাবুল হামিদের নেতৃত্বে ‘জয়ধারা প্যানেল’।

রিহ্যাবের এই নির্বাচন গত বছরের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সেই নির্বাচনের কমিশন গঠন এবং ভোটার তালিকায় অনিয়ম নিয়ে পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে নির্বাচন স্থগিত হয়। উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত হয় সংগঠনটির সব ব্যাংক হিসাব।

একইসঙ্গে নভেম্বরের শেষ দিকে রিহ্যাবের তৎকালীন কমিটির বর্ধিত মেয়াদ স্থগিত করে প্রশাসক বসায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। প্রশাসক পদে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব জান্নাতুল ফেরদৌস দায়িত্ব নেন। তারপর নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন ও তফসিল ঘোষণা করা হয়।

আদালতের ঘোষণার পর ২৪ ফেব্রুয়ারি সংগঠনটির নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। তবে ইতোমধ্যে একবার সময় পেছানো হয়। নতুন সূচি অনুযায়ী মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

মন্তব্য

p
উপরে