× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The progress of Bangabandhu Rail Bridge is 47 percent Hope for on time inauguration
hear-news
player
google_news print-icon

বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর অগ্রগতি ৪৭ শতাংশ, যথাসময়ে উদ্বোধনের আশা

বঙ্গবন্ধু-রেল-সেতুর-অগ্রগতি-৪৭-শতাংশ-যথাসময়ে-উদ্বোধনের-আশা
যমুনা নদীতে নির্মীয়মাণ বঙ্গবন্ধু রেল সেতু। ছবি: নিউজবাংলা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ৪৭ শতাংশ কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে যাতে কাজটি সম্পন্ন হয়- এ জন্য কাজ করছি আমরা।’

যমুনা নদীতে নির্মীয়মাণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর কাজ যথাসময়ে শেষ করার আশা প্রকাশ করেছে রেল মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে এই রেল সেতুর ৪৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়৷

যমুনার টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের দুই প্রান্তে বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার দূরে এ সেতুর নির্মাণকাজ চলছে।

বঙ্গবন্ধু সেতুর সমান্তরাল ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাকসহ প্রায় ৪ দশমিক ৮০ কিলোমিটার এই রেল সেতুর দুই পাশে ০.০৫ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট, ৭ দশমিক ৬৭ কিলোমিটার রেলওয়ে এপ্রোচ এমব্যাংকমেন্ট এবং লুপ, সাইডিংসহ মোট ৩০ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ করা হবে।

এই রেল সেতু চালু হলে ঢাকা ও উত্তরবঙ্গের ২২টি জেলার সঙ্গে ট্রেন চলাচল সহজ করবে। একই সঙ্গে আন্ত এশিয়া রেল যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ করিডর হিসেবে কাজ করবে। এ রেলসেতু দেশের উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

২০২০ সালের নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেল সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন।

বিদ্যমান বঙ্গবন্ধু সেতুতে ট্রেন চালানো ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পারাপারের সময় গতি অনেক কমিয়ে দেয়া হয়। সেতুর ওপর দিয়ে ব্রড গেজ পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল নিষিদ্ধ রয়েছে। এ জন্য নতুন স্বতন্ত্র রেল সেতু নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাপান সফরকালে সে দেশের সরকার এ প্রকল্পে অর্থায়নে সম্মত হয়। ২০১৭ সালের মার্চে পরামর্শক নিয়োগ করা হয়। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন শেষ হয়।

রেল মন্ত্রণালয় নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ৪৭ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এ প্রকল্পের মোট বরাদ্দ বেড়ে এখন ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। যার মধ্যে অর্থ ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ১৬৪ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৩৬ শতাংশ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ৪৭ শতাংশ কাজ বাস্তবায়িত হয়েছে। লক্ষমাত্রা অনুসারে যাতে কাজটি সম্পন্ন হয়- এ জন্য কাজ করছি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘এই রেল সেতুর কাজ করতে গিয়ে আমরা তেমন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হইনি। তবে করোনা পরিস্থিতিতে আমাদের অনেক স্টাফ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। এ কারণে সে সময় কাজে কিছুটা দেরি হয়।’

২০২৪ সালের আগস্টের মধ্যে এ প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা যাবে বলে আশাবাদী রেল মন্ত্রণালয়।

দেশের বৃহত্তম এ রেল সেতু তৈরির জন্য যা যা সরঞ্জাম প্রয়োজন ছিল তা আনা হয়েছে বলে জানান মাসুদুর রহমান। বলেন, ‘সেতু প্রকল্পের শুরুতে কিছুটা করোনা পরিস্থিতির কারণে দেরি হওয়ায় এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শ্রমিক এ প্রকল্পে কাজ করছে।’

রেল সেতুটির ৫০টি পিয়ারের মধ্যে ২৪টি পিয়ারের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। বাকিগুলোর কাজ চলছে। মোট ৪৯টি স্প্যানের মধ্যে ১৮টি প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে।

এর আগে গত আগস্টে রেল মন্ত্রণালয়ের এক সভায় জানানো হয়েছিল, বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ৩৮টি ট্রেন চলাচল করে। নতুন রেল সেতু চালু হলে মালবাহীসহ ৬৮টি ট্রেন চলাচল করার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ট্রেন চলাচলের আন্তঃসংযোগ তৈরি হবে।

নির্মীয়মাণ বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু দিয়ে সাধারণ ট্রেন ছাড়াও দ্রুতগতির (হাইস্পিড) ট্রেনও চালানোর উপযুক্ত করে নির্মাণ করা হচ্ছে। ফলে সেতুতে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চালানো যাবে। তবে শুরুতে (উদ্বোধনের এক বছর) সাধারণত ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করবে।

এর আগে গত মে মাসে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) উদ্যোগে প্রকল্প এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে। পরে আইএমইডি প্রকল্পের নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণ প্রকল্পের বেশ কিছু দুর্বল দিক চিহ্নিত করা হয়েছে। তার মধ্যে প্রকল্পের কার্যক্রম যথাযথভাবে চিহ্নিত না করে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) অনুমোদন করা হয়।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে নেয়া প্রকল্পে চূড়ান্ত নকশা প্রণয়নসহ বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি সাত লাখ টাকা। জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) দেশের বৃহত্তম এ রেল সেতু নির্মাণে সাত হাজার ৭২৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ঋণ দেয়ার কথা ছিল। প্রথম দফা ডিপিপি সংশোধনের পর সেতুর নির্মাণ ব্যয় ৭ হাজার ৪৭ কোটি টাকা বেড়ে ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

রেল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রথমে প্রকল্পটি ৯০ মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের সময় বেঁধে দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে কাজ শুরু করতে দেরি হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ আরও ২৪ মাস বাড়িয়ে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের বাস্তবায়ণকাল নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মধ্যে ১২ মাস ত্রুটি দায়বদ্ধতার সময়কাল ধরা হয়েছে।

জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উজানে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ডুয়েল গেজ ডাবল লাইন রেল সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। এ জন্য পৃথকভাবে নদী শাসন করতে হচ্ছে না। যমুনা ইকো পার্কের পাশ দিয়ে এটা বিদ্যমান বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম অংশের রেলপথের সঙ্গে যুক্ত হবে। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব এবং বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম স্টেশন ভবন আধুনিকীকরণসহ ইয়ার্ড রিমডেলিং নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া নির্মাণ করা হবে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব এবং বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম স্টেশনের সিগন্যালিং ও টেলিকমিউনিকেশন ব্যবস্থার মডিফিকেশন, রেলওয়ে ব্রিজ মিউজিয়াম, সেতু রক্ষণাবেক্ষণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিস ও আবাসনও।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Momen wanted more investment from Canada

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রোববার ক্যানচ্যাম-এর নৈশভোজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস এবং স্ট্রাটেজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা
ক্যানচ্যাম আয়োজিত নৈশভোজ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কানাডা। আর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ওই বছরেরই ২০ মার্চ। শুরু থেকেই দুই দেশ বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন।’

বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে ঐতিহাসিক বর্ণনা করে বাংলাদেশের উন্নয়নে আরও বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার এটি একটি ভালো সময়।

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে রোববার রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই নৈশভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ক্যানচ্যাম)।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস, এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্ট্রাটেজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরী নাফিজ সরাফাত উপস্থিত ছিলেন।

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রোববার কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বার আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কানাডা। আর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ওই বছরেরই ২০ মার্চ। পরের বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় দেশটি দূতাবাস চালু করে।

‘সম্পর্কের শুরু থেকেই দুই দেশ বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন।’

তিনি বলেন, ‘কানাডা আয়তনে বাংলাদেশের ৬৭ গুণ বড়। তারা জি-৭ সদস্য। জনসংখ্যা মাত্র ৩ কোটি। তাদের প্রতি বর্গমাইলে ১০ জন বাস করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের জনসংখ্যা ১৬ কোটি আর প্রতি বর্গমাইলে এখানে ২৯ শ’ মানুষের বসবাস।’

কানাডার প্রচুর জায়গা রয়েছে উল্লেখ করে দেশটিকে কিছু রোহিঙ্গাকে পুনর্বাসনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে কানাডার প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য কানাডার বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে ড. মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার সময় এসেছে। এটি একটি ভালো সময়।’

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রোববার কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বারের নৈশভোজে কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস এবং স্ট্রাটেজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

ক্যানচ্যাম সভাপতি মাসুদ রহমান কানাডা থেকে বাংলাদেশে এফডিআই প্রবাহের সুবিধার্থে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈদেশিক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি (ফিপা) স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাণিজ্যের প্রচার ও সম্প্রসারণের জন্য একটি দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরেরও গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

মাসুদ রহমান বলেন, ‘২০১৯ সালে বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) ৩ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এখানে এফডিআই প্রবাহ বছরে ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক দিক।’

ক্যানচ্যাম প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশ কানাডার প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার ভারত ও চীনের কাছাকাছি ভৌগোলিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। আর এসবই বাংলাদেশকে এফডিআই-এর একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় গন্তব্যে পরিণত করেছে। কানাডার জন্য সম্ভাব্য নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগের কেন্দ্র হতে পারে বাংলাদেশ।

‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) কানাডার জন্য একটি কান্ট্রি ডেস্কও প্রতিষ্ঠা করেছে। ওই ডেস্কের মূল উদ্দেশ্য হল কানাডা থেকে এফডিআই সম্পর্কিত সমস্যাগুলো মোকাবেলা করার জন্য বিনিয়োগের জীবনচক্র জুড়ে এন্ড-টু-এন্ড সমর্থন প্রসারিত করা।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের সামনে কানাডার আউটসোর্সিং বাজারের সুযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The son of the defeated candidate was not allowed to enter the examination hall

পরাজিত প্রার্থীর ছেলেকে ঢুকতে দেয়া হয়নি পরীক্ষার হলে

পরাজিত প্রার্থীর ছেলেকে ঢুকতে দেয়া হয়নি পরীক্ষার হলে হোসেন্দী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের গেটে ওত পেতে ছিলেন উপনির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী মিঠুর সমর্থকেরা। ছবি: সংগৃহীত
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খবিরুল আলম বলেন, ‘অষ্টম শ্রেণির শুধুমাত্র একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। শুনেছি পথে কি যেন একটা ঝামেলা হয়েছে। এর পেছনে কী কারণ, তা আমার জানা নেই।’

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে হোসেন্দেী ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী মনিরুল হক মিঠুর সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

হোসেন্দী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগ, তার বাবা নির্বাচনে পরাজিত হওয়ায় তাকে পরীক্ষার হলে ঢুকতে বাধা দেয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হোসেন্দী গ্রামের রোকন সরকারের ছেলে।

ওই শিক্ষার্থী জানায়, রোববার থেকে তাদের বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা দিতে সকালে সহপাঠীদের সঙ্গে বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশে বের হয় সে। পরে বিদ্যালয়ের সামনে আসলে ওত পেতে থাকা চেয়ারম্যান মিঠুর সমর্থকরা তাকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে প্রথমে হুমকি এবং পরে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খবিরুল আলম বলেন, ‘অষ্টম শ্রেণির শুধুমাত্র একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়নি। শুনেছি পথে কি যেন একটা ঝামেলা হয়েছে। এর পেছনে কী কারণ, তা আমার জানা নেই। তবে যে শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারেনি পুনরায় বিশেষভাবে তার পরীক্ষা নেয়া যায় কি-না এ বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটি সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে দেখবো।’

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানায় ওসি মোল্লা সোহেব আলী বলেন, ‘একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’

এদিকে আব্দুল্লাহ আল নাদিম নামে বিরোধী প্রার্থীর আরেক সমর্থককে রোববার সকালে অফিসে যাওয়ার পথে হোসেন্দী বাজার এলাকায় সিএনজি থেকে নামিয়ে মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে মিঠুর কর্মীদের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন:
গোপালগঞ্জে পৌর নির্বাচন থেকে সরলেন মেয়র প্রার্থী আজম
‘ভোটারের কাছে প্রার্থী খাটো কী, লম্বা কী?’
ঢাকা-১৪ আসন: আওয়ামী লীগের প্রার্থী কে?
কালিয়ায় সরে দাঁড়ালেন আ. লীগের বিদ্রোহী মুশফিকুর
চট্টগ্রামে কাউন্সিলর প্রার্থীর বাসায় হামলার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 5 days of disappearance the businessman was rescued and arrested 6

নিখোঁজের ৫ দিন পর ব্যবসায়ী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬

নিখোঁজের ৫ দিন পর ব্যবসায়ী উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬
এজাহার অনুযায়ী, গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে মেহেদী ও তার কর্মচারী ইউসুফ আলী দোকানেই ছিলেন। এ সময় ৬ থেকে ৭ জন সাদা হায়েস মাইক্রোবাসে করে সেখানে আসে। ৫ জন গাড়ি থেকে নেমে মেহেদীকে টেনেহিঁচড়ে তুলে নেয়।

ঢাকার সাভারে নিখোঁজের ৫ দিন পর ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৬ জনকে।

এসব তথ্য রোববার নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল মামুন কবির।

তিনি জানান, আশুলিয়ার ইউনিক এলাকায় নাম্বান ওয়ান স্মার্ট ফার্নিচার অ্যান্ড ডোর নামে নিজ দোকান থেকে গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় তুলে নেয়া হয় ব্যবসায়ী মেহেদী হাসানকে। পুরো ঘটনা রেকর্ড হয় দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরায়। পরদিন মেহেদীকে অপহরণের অভিযোগে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন তার স্ত্রী মোরশেদা খাতুন।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন- যশোর জেলার মনিরামপুর থানার কেরতপুর গ্রামের কেরামুন হোসেন সম্রাট, টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার ধাউরা নয়াপাড়ার আব্দুল আউয়াল, একই থানার আন্দুরার বাবুল মিয়া, পেকুরা গ্রামের রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মোছা. খাদিজা এবং একই জেলার বাসাইল থানার রাসেল মিয়া।

এজাহারে বলা হয়েছে, ৩৫ বছর বয়সী মেহেদী হাসান মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর উপজেলার পশ্চিম কলিয়া গ্রামের পান্নু মিয়ার ছেলে। দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে তিনি আশুলিয়ার শিমুলতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। উত্তর গাজীরচট এলাকার মনির মন্ডলের বাড়ির নিচতলায় দোকান ভাড়া নিয়ে ফার্নিচারের ব্যবসা করেন।

এজাহার অনুযায়ী, গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি ও তার কর্মচারী ইউসুফ আলী দোকানেই ছিলেন। এ সময় ৬ থেকে ৭ জন সাদা হায়েস মাইক্রোবাসে করে সেখানে আসে। ৫ জন গাড়ি থেকে নেমে মেহেদীকে টেনেহিঁচড়ে তুলে নেয়। পরদিন সন্ধ্যায় তার স্ত্রীকে কল করে মেহেদী জানান, তাকে অপরিচিত স্থানে আটকে রাখা হয়েছে।

এসআই আল মামুন কবির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ব্যবসায়ীকে অপহরণের ঘটনায় গতকাল (শনিবার) রাতে ৬ জনকে টাঙ্গাইল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপহৃতকে উদ্ধারসহ একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
অপহরণ মামলায় খালাস সিরিয়াল কিলার রসু খাঁ
অপহরণের অভিযোগ পেয়ে ঘণ্টার মধ্যে যুবককে উদ্ধার
৬ মামলার আসামির উৎপীড়নে বন্ধ স্কুলছাত্রীর পড়ালেখা
র‍্যাব পরিচয়ে অটোরিকশাচালককে অপহরণ, গ্রেপ্তার ২
জুয়ায় হেরে নিজেকে ‘অপহরণ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
71 gd for loss of mobile at BNP rally in Comilla

কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে মোবাইল হারানোর ৭১ জিডি

কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে মোবাইল হারানোর ৭১ জিডি নেতা-কার্মীদের ভিড়েই ঘাপটি মেরে ছিল মোবাইল চোরের দল। ছবি: নিউজবাংলা
সমাবেশে অংশ নেয়া চিত্রনায়ক হেলাল খান বলেন, ‘আমি অভিনেতা। আমাকে দেখে অনেকেই ছবি তুলেছে। সেলফি তুলেছে। আমি কি জানতাম- মোবাইলটা নিয়ে যাবে!’

শনিবার অনুষ্ঠিত কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে শতাধিক মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটেছে।

সমাবেশের পর থেকে রোববার রাত ৯টা পর্যন্ত কোতোয়ালি মডেল থানায় ৭১ জন সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তাদের মধ্যে বিএনপির আর্ন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও চিত্রনায়ক হেলাল খানও রয়েছেন।

এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আহম্মদ সনজুর মোর্শেদ।

ওসি বলেন, ‘প্রতিদিনই মোবাইল হারানোসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাধারন ডায়েরি হয়। তবে গতকাল শনিবার ও আজ এ দুদিনেই শুধু মোবাইল হারানোর জন্য ৭১টি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে।’

চিত্রনায়ক হেলাল খান তার মোবাইল হারিয়ে শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে জিডি করেন। তিনি বলেন, ‘আমি অভিনেতা। আমাকে দেখে অনেকেই ছবি তুলেছে। সেলফি তুলেছে। আমি কি জানতাম- মোবাইলটা নিয়ে যাবে!’

সমাবেশের আগের দিন শুক্রবার রাত ৯টার কিছু আগে কান্দিরপাড় লিবার্টি মোড়ে এসে গাড়ি থেকে নামেন বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা।

এ সময় তিনি হেটে সমাবেশস্থলের দিকে যান। সেখানে সমাবেশের প্রস্তুতি দেখে ফিরে পূবালী চত্বরে আসার সময় খেয়াল করেন তার মোবাইলটি নেই। পরে তিনি তার ব্যাগেও খুঁজে দেখেন।

বিষয়টি জানতে পেরে বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা ও কুমিল্লা নগরীর সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু তার এক কর্মীকে দিয়ে সমাবেশস্থলে হ্যান্ড মাইকে মোবাইলটির খোঁজ দিতে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আহ্বান জানান। এমনকি মোবাইলটি উদ্ধার করে দিতে পারলে ২০ হাজার টাকা পুরষ্কার দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়।

তবে রোববার রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রুমিন ফারহানা ও চিত্রনায়ক হেলাল খানের মোবাইল উদ্ধারের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

কেন এত মোবাইল চুরি এমন প্রশ্নে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াছিন বলেন, ‘এত কর্মীর সমাবেশ। তার মধ্যে চোরেরাও ঘাপটি মেরে ছিল।’

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, ‘আমি ৩৩ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতি করি। বিভিন্ন সময় মঞ্চে বক্তব্য দিতে হয়। একবার এক মঞ্চে উঠলাম বক্তব্য দিতে। বক্তব্য দেয়ার সময় আমার গলা শুকিয়ে আসে। সেজন্য পকেটে একটি কমলা রেখেছিলাম। যেন গলা শুকিয়ে গেলে এক কোষ কমলা খেয়ে স্বাভাবিক থাকতে পারি। কিন্তু বক্তব্যের সময় পকেটে হাত দিয়ে দেখি- কে যেন আমার কমলাটাও চুরি করে নিয়ে গেছে!’

আরও পড়ুন:
কুমিল্লা সমাবেশ: বিএনপির ভেতরে ক্ষোভের আগুন
কুমিল্লায় সমাবেশ নিয়ে সাক্কু-কায়সারের রাজ্যের হতাশা
সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ কুমিল্লার সমাবেশ
ভালোয় ভালোয় কেটে পড়ুন: সরকারকে ফখরুল
চব্বিশে আমরা ক্ষমতায়: রুমিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DNCC is making birth registration easier

জন্মনিবন্ধন সহজ করছে ডিএনসিসি

জন্মনিবন্ধন সহজ করছে ডিএনসিসি নগরভবনে ডিএনসিসির ১৮তম করপোরেশন সভা। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র আতিকুল জানান, প্রস্তাবের অনুমোদন পাওয়া গেলে জন্মনিবন্ধন দিতে স্থানীয় কাউন্সিলর হবেন নিবন্ধক, আর সহকারী নিবন্ধক হবেন কাউন্সিলর দপ্তরের সচিব। ফলে কাউকে আর কষ্ট করে আঞ্চলিক কার্যালয়ে যেতে হবে না।

জনদুর্ভোগ কমাতে জন্মনিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজতর করতে চায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। কাউন্সিলর অফিস থেকেই নাগরিকদের জন্মনিবন্ধন দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে তারা। এ বিষয়ে অনুমোদনের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন এ তথ্য।

রোববার ডিএনসিসির প্রধান কার্যালয় নগরভবনে ১৮তম করপোরেশন সভা হয়।

সভায় মেয়র আতিকুল জানান, প্রস্তাবের অনুমোদন পাওয়া গেলে জন্মনিবন্ধন দিতে স্থানীয় কাউন্সিলর হবেন নিবন্ধক, আর সহকারী নিবন্ধক হবেন কাউন্সিলর দপ্তরের সচিব। ফলে কাউকে আর কষ্ট করে আঞ্চলিক কার্যালয়ে যেতে হবে না। মানুষের দুর্দশা আর ভোগান্তির কথা চিন্তা করে এটি ওয়ার্ড পর্যায়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে।

সভায় মশা নিধন ও জলাশয় পরিষ্কার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া গোরস্থানের জন্য জমি কেনা, বৃক্ষরোপনসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। মিরপুর ১৩ ও ১৪ নম্বরের তিনটি সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত হয়েছে সভায়।

ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিকের সঞ্চালনায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহ. আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, ডিএনসিসির কাউন্সিলর ও কর্মকর্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করল ডিএনসিসি
এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৯ লাখ টাকা জরিমানা ডিএনসিসির
দ্বিতীয়বার লার্ভা, দুটি ভবনের নির্মাণকাজ বন্ধ
৫৪টি কমিউনিটি ক্লিনিক করবে ডিএনসিসি
নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স দিন, সুবিধা বাড়বে: মেয়র আতিক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sheikh Hasina is our only commander Amu

শেখ হাসিনা আমাদের একমাত্র সেনাপতি: আমু

শেখ হাসিনা আমাদের একমাত্র সেনাপতি: আমু রোববার পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বক্তব্য দেন আমির হোসেন আমু। ছবি: নিউজবাংলা
পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে আমির হোসেন আমু বলেন, ‘আবার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

আওয়ামী লীগ উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা আমাদের একমাত্র সেনাপতি। তার নির্দেশ অনুযায়ী আমরা চলব। তিনি যেভাবে নির্দেশ দেবেন সেভাবেই কমিটি ঘোষণা করা হবে। কে সভাপতি আর কে সাধারণ সম্পাদক এটা আমাদের দেখার বিষয় নয়।’

রোববার পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমির হোসেন আমু এসব কথা বলেন।

পিরোজপুর শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ চত্বরে এই সম্মেলন ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আমির হোসেন আমু বলেন, ‘শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে ঘোষণা দিয়েছিলেন- বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচার করে বাংলাদেশকে পাপমুক্ত করবো। তিনি অসীম সাহসিকতার সঙ্গে সে কাজটি করেছেন।

‘শেখ হাসিনার প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল কণ্টকাকীর্ণ। প্রতিটি পদক্ষেপে ছিল মৃত্যুর ঝুঁকি। ১৯বার তার প্রাণনাশের চেষ্টা হয়েছে। তিনি পিছপা হননি। অকুতোভয়ে এগিয়ে গেছেন। আজ তিনি সফলতা এনেছেন।’

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগের এই বর্ষীয়াণ নেতা বলেন, ‘আজ আবার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আপনাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম আউয়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্ত্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার, সংসদ সদস্য আমিরুল আলম মিলন ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান মালেক।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় ভাগে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে কাউন্সিলে এ কে এম আউয়ালকে সভাপতি ও এম এ হাকিম হাওলদারকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

আরও পড়ুন:
আমরা অনেক ভালো আছি: আমু
তারা দেশপ্রেমিক নয়: আমু
সামরিক স্বৈরশাসনের অনুসারীরা আজ গণতন্ত্র শেখাতে চায়: আমু
সংবিধান মেনেই নির্বাচন হবে: আমু 

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Beating and arresting the farmer by tying his hands and feet 2

কৃষককে হাত-পা বেঁধে মারধর, আটক ২

কৃষককে হাত-পা বেঁধে মারধর, আটক ২ কৃষককে মারধরের ভিডিও থেকে নেয়া ছবি। ছবি: নিউজবাংলা
গাজীকে মারধরের অভিযোগ স্বীকার করেছেন আবুল কালাম আজাদের পুত্রবধূ হাছনা হেনা। তিনি বলেন, ‘গাজী আমাদের অত্যাচার করছে, তাই তারে বাইন্দা রাইখে কিছু মাইরপিট করা হইছে।’

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জমির বিরোধের জেরে কৃষককে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়েছে ফেসবুকে। এরপর পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার ও দুইজনকে আটক করে।

ঝিনাইগাতীর ধানশাইল ইউনিয়নের মাধারপুর গ্রামে রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার কৃষকের নাম আবু রাইহান গাজী।

ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া এসব নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় লোকজন ও কৃষক গাজীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেকদিন ধরেই প্রতিবেশী মো. শাহজাদা, আবুল কালাম আজাদ ও মো. সামিউলের সঙ্গে গাজীর বিরোধ চলছিল। দুই পক্ষই অপর পক্ষের জমির উপর দিয়ে চলাচল করত। এ নিয়ে তাদের মধ্যে অনেকবার তর্কাতর্কি হয়েছিল। এরই জেরে রোববার প্রতিপক্ষের লোকজন রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে গাজীকে মারধর করে।

গাজীর স্ত্রী রাণী বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীরে ওরা ধইরা নিয়া বাইন্দা মাইরপিট করে। কত ডাকচিৎকার পারলো। ওগোরে ডরে কেউ ফিরাবার যাবার সাহস পাই নাই। আমি এর বিচার চাই।’

গাজীর ভাই জালাল জানান ফেসবুকে মারধরের ভিডিও দেখে তিনি ৯৯৯ এ কল দিয়েছিলেন। এরপর পুলিশ গিয়ে গাজীকে উদ্ধার করে।

গাজীকে মারধরের অভিযোগ স্বীকার করেছেন আবুল কালাম আজাদের পুত্রবধূ হাছনা হেনা। তিনি বলেন, ‘গাজী আমাদের অত্যাচার করছে, তাই তারে বাইন্দা রাইখে কিছু মাইরপিট করা হইছে।’

ঝিনাইগাতী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গাজী আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি হয়েছিলেন জানিয়ে চিকিৎসা কর্মকর্তা তাসনুভা হোসেন বলেন, ‘এখন তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে।’

ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে আহত অবস্থায় গাজীকে উদ্ধার করেছি। অভিযান চালিয়ে দুই জনকে আটক করেছি।’

আরও পড়ুন:
‘নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নারী নির্যাতনের কারণ’
নারী-শিশু নির্যাতন মামলা ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির দাবি
মহাসড়কের জমি বন্ধক: তদন্ত করে ব্যবস্থা চায় হাইকোর্ট
লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে পর্চা দেয়ার অভিযোগ
হোটেলে ঢুকে ছবি তোলায় সাংবাদিককে লাঞ্ছনার অভিযোগ

মন্তব্য

p
উপরে