× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
NSU trustee Kashem Rehana granted bail on two conditions
hear-news
player
google_news print-icon

এনএসইউর সাবেক ট্রাস্টি কাশেম-রেহানাকে দুই শর্তে জামিন

এনএসইউর-সাবেক-ট্রাস্টি-কাশেম-রেহানাকে-দুই-শর্তে-জামিন
বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একাংশ। ফাইল ছবি
আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, দুটি শর্তে কাশেম ও রেহানাকে আদালত আজ জামিন দিয়েছেন। শর্ত দুটির মধ্যে একটি হলো দেশের বাইরে যেতে পারবেন না এবং অনুমতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তারা যেতে পারবেন না।

অর্থ আত্মসাতের মামলায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক দুই সদস্য এম এ কাশেম ও রেহানা রহমানকে দুটি শর্তে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়।

আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক ও সাঈদ আহমেদ রাজা। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

পরে আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুটি শর্তে তাদের আদালত আজকে জামিন দিয়েছেন। শর্ত দুটির মধ্যে একটি হলো দেশের বাইরে যেতে পারবেন না এবং অনুমতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তারা যেতে পারবেন না।’

এম এ কাশেম ও রেহানা রহমানকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে গত ২ আগস্ট রুল জারি করেছিল বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ। ওই রুল নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার রায় হয়।

চলতি বছরের ৫ মে মামলাটি করে দুদক। মামলায় আসামি করা হয় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চার সদস্য এম এ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান ও মোহাম্মদ শাহজাহানকে।

নর্থ সাউথের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দীন আহমেদ, আশালয় হাউজিংয়ের আমিন মো. হিলালীকেও আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হলো বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেমোরেন্ডাম অফ অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড আর্টিকেলস (রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনস) অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় একটি দাতব্য, কল্যাণমুখী, অবাণিজ্যিক ও অলাভজনক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষা মন্ত্রণালয় তথা সরকারের সুপারিশ বা অনুমোদনকে পাশ কাটিয়ে বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের কিছু সদস্যের অনুমোদন বা সম্মতির মাধ্যমে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডেভেলপমেন্টের নামে ৯ হাজার ৯৬.৮৮ শতাংশ জমির ক্রয়মূল্য বাবদ ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা অতিরিক্ত অর্থ অপরাধজনকভাবে প্রদান বা গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের টাকা আত্মসাতের হীন উদ্দেশ্যে কম দামে জমি কেনা সত্ত্বেও বেশি দাম দেখিয়ে প্রথমে বিক্রেতার নামে টাকা দেন আসামিরা।

পরবর্তী সময়ে বিক্রেতার কাছ থেকে নিজেদের লোকজনের নামে নগদ চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আবার নিজেদের নামে এফডিআর করে রাখেন তারা। সে এফডিআরের অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

আরও পড়ুন:
নর্থ-সাউথের ট্রাস্টি বোর্ডের ৪ সদস্য কারাগারে
নর্থ-সাউথের চার ট্রাস্টিকে পুলিশে দিল হাইকোর্ট
নর্থ-সাউথের বিলাসবহুল ১০ গাড়ি বিক্রির নির্দেশ
নর্থ-সাউথে অনিয়ম: রেহেনা ও বেনজীরকে দুদকে তলব
‘দুর্নীতি-জঙ্গিবাদের কবল’ থেকে নর্থ সাউথকে রক্ষার দাবি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Militant robbery Order to send 10 accused to jail after remand

জঙ্গি ছিনতাই: রিমান্ড শেষে ১০ আসামি কারাগারে

জঙ্গি ছিনতাই: রিমান্ড শেষে ১০ আসামি কারাগারে সিসিটিভি ফুটেজে জঙ্গিদের পালানোর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলায় ১০ আসামিকে দ্বিতীয় দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

ঢাকার বিচারিক আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলায় ১০ আসামিকে দ্বিতীয় দফার রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

বুধবার দ্বিতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে তাদের ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিমের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

১ ডিসেম্বর ওই ১০ আসামিকে দ্বিতীয় দফায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিন।

এর আগে ২০ নভেম্বর একই আদালত তাদের ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেয়।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন- শাহীন আলম ওরফে কামাল, শাহ আলম ওরফে সালাউদ্দিন, বি এম মজিবুর রহমান, সুমন হোসেন পাটোয়ারী, আরাফাত রহমান, খাইরুল ইসলাম ওরফে সিফাত, মোজাম্মেল হোসেন, শেখ আব্দুল্লাহ, আ. সবুর, রশিদুন্নবী ভূঁইয়া প্রমুখ।

গত ২০ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করেন পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়।

সেদিন সকালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার ১২ আসামিকে কাশিমপুর-২ কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে ঢাকার আদালতে আনা হয়। সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার প্রসিকিউশন বিভাগে আসামিদের হাজিরা দেয়ার জন্য সিজেএম আদালত ভবনে সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল ৮-এ নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার শুনানি শেষে জামিনে থাকা দুই আসামি মো. ঈদী আমিন ও মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি আদালত থেকে বের হয়ে যান।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোর্টের শুনানি শেষে প্রথমে চারজনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। দুটি হাতকড়া দিয়ে দু’জনকে আটকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাকি আসামিরা তখন উপরে ছিলেন।

চার জনের মধ্যে মইনুল হাসান ও আবু সিদ্দিককে জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে মো. আরাফাত ও মো. সবুরকে নিতে পারেনি। জঙ্গিরা পিপার স্প্রে ব্যবহার করে। এতে একজন সিকিউরিটি গার্ড, একজন পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গি আরাফাতকে ছিনিয়ে নেয়াই ছিল মূল লক্ষ্য
জামিনে থাকা জঙ্গি অমি গ্রেপ্তার
পলাতক জঙ্গিরা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত ঝুঁকি: পুলিশ
জঙ্গি ছিনতাইয়ের মূল হোতার পরিচয় পেয়েছে সিটিটিসি
আদালতপাড়ায় জঙ্গি ছিনতাই নাটক: রিজভী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 members of Ansar Al Islam remanded for seven days

জঙ্গি ছিনতাই: আনসার আল ইসলামের ৫ সদস্য ৭ দিনের রিমান্ডে

জঙ্গি ছিনতাই: আনসার আল ইসলামের ৫ সদস্য ৭ দিনের রিমান্ডে সিএমএম আদালত/ফাইল ছবি
ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গত ২০ নভেম্বর দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করেন পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়।

ঢাকার বিচারিক আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলায় ৫ আসামিকে ৭ দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

যাত্রাবাড়ী থানার ২০১৪ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আলাদা একটি মামলায় তাদের রিমান্ডে পাঠায় আদালত।

ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালত বুধবার রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

পাঁচ আসামির মধ্যে রয়েছে খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল, মোজাম্মেল হোসেন সাইমন, আরাফাত রহমান, শেখ আব্দুল্লাহ ও আ. সবুর। তারা সবাই জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য।

এই ৫ আসামিকে যাত্রাবাড়ী থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনসহ ১৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিটিটিসির উপ-পরিদর্শক মুহাম্মদ মুসাদ্দিমুল হক।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গত ২০ নভেম্বর দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করেন পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়।

সেদিন সকালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার ১২ আসামিকে কাশিমপুর-২ কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে ঢাকার আদালতে আনা হয়।

সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ঢাকার প্রসিকিউশন বিভাগে আসামিদের হাজিরা দেয়ার জন্য সিজেএম আদালত ভবনে সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনাল-৮-এ নিয়ে যাওয়া হয়। মামলার শুনানি শেষে জামিনে থাকা দুই আসামি মো. ঈদী আমিন ও মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি আদালত থেকে বের হয়ে যান।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোর্টের শুনানি শেষে প্রথমে চারজনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। দুটি হাতকড়া দিয়ে দুজনকে আটকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাকি আসামিরা তখন ওপরে ছিলেন।

চারজনের মধ্যে মইনুল হাসান ও আবু সিদ্দিককে জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে মো. আরাফাত ও মো. সবুরকে নিতে পারেনি। জঙ্গিরা পেপার স্প্রে ব্যবহার করে। এতে একজন সিকিউরিটি গার্ড, একজন পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গি ছিনতাইয়ের আসামি ঈদী আমিনের ৩ আশ্রয়দাতা কারাগারে
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় ১০ আসামি আরও ৫ দিনের রিমান্ডে
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় একজনের আত্মসমর্পণ, চার দিনের রিমান্ড
২৯ বছর ধরে ঝুলে থাকা মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ
‘কারাবন্দি জঙ্গি ও ছিনতাই টিম সমন্বয় করেন অমি’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After Rizvi Ishraq the arrest warrant for Sohail

রিজভী, ইশরাকের পর এবার সোহেলকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

রিজভী, ইশরাকের পর এবার সোহেলকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী, ইশরাক হোসেন ও হাবিব-উন-নবী খান সোহেল। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
আগের দিন ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে এবং ১ ডিসেম্বর দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তারে আলাদা আদেশ জারি হয়।

প্রায় সাড়ে নয় বছর আগে রাজধানীতে হেফাজতে ইসলামের অবস্থানের দিন নাশকতার এক মামলায় এবার বিএনপি নেতা হাবিব-উন-নবী খান সোহেলসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের আগে দলটির পক্ষ থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগের মধ্যে এক সপ্তাহে তিন কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেপ্তারের এই নির্দেশ এলো।

বুধবার বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী সোহেলসহ ১৩ নেতার বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করেন।

আগের দিন ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে এবং ১ ডিসেম্বর দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তারে আলাদা আদেশ জারি হয়।

রিজভীর বিরুদ্ধে মামলা ছিল ২০১২ সালে বিএনপির কর্মসূচির দিন সিটি করপোরেশনের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায়। এই মামলার আসামি দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও। ১ ডিসেম্বর ফখরুল হাজিরা দিলেও আদালতে যাননি রিজভী। সেদিনই জারি হয় পরোয়ানা।

অন্যদিকে ইশরাকের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ১২ নভেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের বিপরীতে অগ্রণী ব্যাংকের কর্মীদের গাড়িতে আগুন দেয়ার অভিযোগে হয় মামলা। সোমবার এই মামলায় তার আদালতে হাজিরার কথা ছিল কিন্তু তিনি যাননি।

সোহেলের বিরুদ্ধে মামলাটিও প্রায় ১০ বছর আগের। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে ধর্মভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের অবস্থানের দিন সহিংসতার ঘটনায় পল্টন থানায় অভিযোগটি করা হয়।

বুধবার এই মামলায় সোহেল ও আরও ১২ জন হাজির না হয়ে তাদের আইনজীবীর মাধ্যমে করেন সময় আবেদন। তবে সে আবেদন নাকচ করেন বিচারক।

মামলায় বলা হয়, সে হেফাজত ইসলাম, জামায়াত-শিবির ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনের অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ নেতা-কর্মী বিভিন্ন সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে থাকে। বেআইনি অস্ত্রশস্ত্রে, ইটপাটকেল, বাঁশের লাঠি, লোহার রড, হকিস্টিক নিয়ে রাস্তায় যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, পুলিশের ওপর হামলা করে। তারা হত্যার উদ্দেশে ককটেল ও হাতবোমা নিক্ষেপ করে। এতে অনেক পুলিশ সদস্যসহ অনেকে আহত হয়।

পল্টন মডেল থানার এসআই সঞ্চয় কুমার দাসের করা মামলায় বিএনপি নেতা সোহেলসহ আসামি করা হয় ৬৯ জনকে।

আরও পড়ুন:
১৫০০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ বিএনপির
রিজভী-ইশরাকের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আদালতের বিষয়: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
High Court reprimands Shyamoli Travels for not paying compensation

ক্ষতিপূরণ না দেয়ায় শ্যামলী ট্রাভেলসকে হাইকোর্টের ভর্ৎসনা 

ক্ষতিপূরণ না দেয়ায় শ্যামলী ট্রাভেলসকে হাইকোর্টের ভর্ৎসনা  ফাইল ছবি
শ্যামলী এনআর ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শুভঙ্কর ঘোষ রাকেশকে উদ্দেশ্য করে জ্যেষ্ঠ বিচারক কেএম কামরুল কাদের বলেন, ‘মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় একটি পরিবারের উপার্জনক্ষম লোকটি মারা গেল, পরিবারের বাকি সদস্যরা পঙ্গু হয়েছে। আপনারা একটি বারের জন্য খোঁজ-খবরও নিলেন না। আপনারা মানুষের পর্যায়ে নেই।’

অ্যাম্বুলেন্সে স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সবজি বিক্রেতা আয়নালের পরিবারকে দীর্ঘদিন পরও কোনো আর্থিক সহায়তা না করায় শ্যামলী এন আর পরিবহনকে ভর্ৎসনা করেছে হাইকোর্ট।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিতে জারি করা রুলের শুনানিকালে বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ ভর্ৎসনা করে।

শ্যামলী এনআর ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শুভঙ্কর ঘোষ রাকেশকে উদ্দেশ্য করে জ্যেষ্ঠ বিচারক কেএম কামরুল কাদের বলেন, ‘মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় একটি পরিবারের উপার্জনক্ষম লোকটি মারা গেল, পরিবারের বাকি সদস্যরা পঙ্গু হয়েছে। আপনারা একটি বারের জন্য খোঁজ-খবরও নিলেন না। আপনারা মানুষের পর্যায়ে নেই।’

বিচারক বলেন, ‘আপনারা আইন বাস্তবায়ন করতে দিচ্ছেন না। সড়কে যা ইচ্ছা তাই করছেন। আর কত? টাকা লুট করছেন। আপনারা কোনো মানুষের পর্যায়ে নেই।’

এ সময় বিচারক রিটকারিদের আইনজীবী শিশির মনিরকে ডেকে বলেন, ‘তারা (বাস কর্তৃপক্ষ) কি কোনো টাকা দিয়েছেন?’

তখন আইনজীবী বলেন, ‘না, মাই লর্ড কোনো টাকা দেয়নি। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের তিন সন্তান পঙ্গু হয়েছেন।’

তখন বিচারক শ্যামলী এনআরের এমডি রাকেশকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার অথচ এখানে আপনার অবহেলা দেখা যায়। আপনারা কি মানুষের পর্যায়ে আছেন। লাশ নিতে গিয়ে মানুষ মারা গেল, আপনারা একজন দেখতেও গেলেন না। আপনাদের কি মানবিকতা নেই।’

তিনি বলেন, ‘আপানারা চালকদের কোনো শিক্ষা দেন না। আপনাদের চালকেরা কোনো কিছুর তোয়াক্কা করে না। কাউকে পরোয়া করে না। যত্রতত্র গাড়ি চালান। এটা ঠিক না। পুলিশও এসব দেখে না। ভাবখানা যেন পুলিশের থেকেও আপনারা পাওয়ারফুল।’

গাড়ি চালকদের পর্যাপ্ত ঘুমের সুযোগ দেয়া উচিত বলেও মন্তব্য করে আদালত।

পরে আদালত দুই পক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে বসে অবিলম্বের টাকা দিতে নির্দেশ দিয়ে আগামী ১৪ ডিসেম্বর বুধবার ফের আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়।

আদালতে রিটকারিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির, আর শ্যামলী এনআর ট্রাভেলেসের পক্ষে ছিলেন তাজুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

অ্যাম্বুলেন্সে করে স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সবজি বিক্রেতা আয়নালের পরিবারে সদস্য ও আহতদের জন্য ১ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে গত ৭ আগস্ট রুল জারি করে হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে সড়ক পরিবহন আইনের অধীনে গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের ফান্ড গঠনে কি অগ্রগতি হয়েছে তা আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আদালতকে জানাতে বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেয়া হয়।

আদালতের নোটিসে সাড়া না দেয়ায় শ্যামলী এনআর ট্রাভেলেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে তলব করে হাইকোর্ট। বুধবার তিনি হাজির হন।

আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ‘ঢাকার রূপনগরের সবজি বিক্রেতা আয়নাল হোসেন নিহতের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিস দেয়া হয়েছিল। শ্যামলী পরিবহনের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তারা এ বিষয়ে কোনো আগ্রহ দেখায়নি। পরে বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়।’

চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল স্ত্রীর মরদেহ নিয়ে অ্যাম্বেুলেন্সে গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন। বগুড়ার শেরপুরে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ঘোগা সেতুর পাশে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সচটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে আয়নাল হোসেনের মৃত্যু হয়। পর অ্যাম্বুলেন্সের চালকেরও মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হন আয়নাল হোসেনের তিন ছেলে ফরিদ হোসেন, ফরহাদ হোসেন ও ফিরোজ হোসেন।

আরও পড়ুন:
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত
ঢাবিতে নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে বিক্ষোভে ১১ দফা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Robbery panic in Barisal

বরিশালে ডাকাত আসা নিয়ে মসজিদে মাইকিং, পুলিশ বলছে গুজব

বরিশালে ডাকাত আসা নিয়ে মসজিদে মাইকিং, পুলিশ বলছে গুজব বরিশাল নগরীতে ডাকাত আতঙ্কে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
বিএমপি ক‌মিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, মধ্যরাতে মসজিদের মাইকে ডাকাত পড়ার যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, তার ভিত্তি নেই। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে একটি চক্র স্রেফ গুজব র‌টিয়েছে। এতে কান দিয়ে নগরবাসী যেন আতঙ্কিত না হয়।

ডাকাত আসার খবর জানিয়ে মঙ্গলবার মধ্যরাতে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন মসজিদে মাইকিং করা হয়েছে, তবে পুলিশ বলছে, ডাকাতির কোনো খবর বাহিনীর কাছে নেই। এ ধরনের গুজব রটানো ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে কাজ চলছে।

বিভিন্ন এলাকার মসজিদ থেকে মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ডাকাত আসার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

নগরীর প‌শ্চিম কাউ‌নিয়া এলাকার বা‌সিন্দা শামসুল আলম জানান, মস‌জিদের মাইক থেকে রাত ২টার দিকে এলাকায় ডাকা‌ত প্রবেশের খবর প্রচার করা হয়। এতে কিছুক্ষণের মধ্যে আতঙ্ক ছ‌ড়িয়ে পড়ে। আশপাশের মস‌জিদের মাইক থেকেও একই ঘোষণা দেয়া হয়।

ওই এলাকার আরেক বা‌সিন্দা মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘সোয়া দুইটা থেকে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেয়া হয় ডাকাত এলাকায় প্রবেশ করেছে; সবাই যেন সতর্ক থাকে। এতে কিছুক্ষণের মধ্যে এলাকায় হইচই পড়ে যায়। শহরে এমন খবর তো প্রথম শুনলাম।’

স্থানীয়দের ভাষ্য, নগরীর ভা‌টিখানা, নতুন বাজার, কাউ‌নিয়া, মহাবাজ, কালুশাহ সড়ক, নথুল্লাবাদ, আলেকান্দা, লুৎফর রহমান সড়ক, কা‌শিপুর, বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা, দেহেরগ‌তি, সদর উপজেলার রায়পাশা কড়াপুর, ষোলনা, লাকু‌টিয়াসহ নগরীর সব এলাকার মস‌জিদ থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়, তবে এ ঘোষণা শুরু হয় বাবুগঞ্জের দেহেরগ‌তি থেকে।

নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ মসজিদের মাইকে ডাকাতের কথায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন তারা। অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাহায্য চাওয়াসহ স্বজন, প্রতিবেশীদের খোঁজখবর নেন।

জানতে চাইলে ব‌রিশা‌ল মহানগরীর কাউ‌নিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহমান মুকুল জানান, ডাকাতির খবর তাদের কাছে নেই। বিষয়‌টি সম্পূর্ণ গুজব।

কোতোয়ালি মডেল থানার ও‌সি আজিমুল করিম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত বরিশাল নগরীতে ডাকাতির বিষয়ে তেমন কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। অনেকে আতঙ্কিত হয়ে ফেসবুকে পোস্ট করছেন।

‘আমরা শুনেছি কেউ কেউ মসজিদে মাইকিং করছেন। সর্বত্র পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) অ‌তি‌রিক্ত উপক‌মিশনার ফজলুল ক‌রিম বলেন, ‘সম্ভবত গুজব ছড়ানো হয়েছে। প্রতি‌টি এলাকায় টহল দিচ্ছে পু‌লিশ। গুজব থেকে সকলে সতর্ক থাকুন।’

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সোহেল মারুফ বলেন, ‘জেলা পু‌লিশের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা মোড়ে মোড়ে টহল দিচ্ছে।

‘মাইকিং সম্পর্কে পুলিশের কাছে পরিষ্কার মেসেজ নেই, তবে মাইকিং হচ্ছে বলে তারা জানিয়েছেন। মাইকিংয়ের বিষয়টি পরিকল্পিত হতে পারে।’

বিএমপি ক‌মিশনার সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘মধ্যরাতে মসজিদের মাইকে ডাকাত পড়ার যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে একটি চক্র স্রেফ গুজব র‌টিয়েছে। এতে কান দিয়ে নগরবাসী যেন আতঙ্কিত না হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। যারা এই গুজব ছড়িয়েছে তাদের চিহ্নিত করার জন্য পুলিশ কাজ করছে। পাশাপাশি নগরীতে রাতে পুলিশ টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
আদালত চত্বরে হাতকড়া ভেঙে পালাল আসামি
স্বর্ণালংকার নিয়ে পালানোর সময় এলাকাবাসীর হাতে আটক ডাকাত
দিনে নানা পেশায়, রাতে ডিবির বেশে ডাকাতি
গাজীপুরে ৯ ডাকাত গ্রেপ্তার, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
এক্সপ্রেসওয়েতে পিকআপ ভ্যানে ডাকাতি, পুলিশের ধাওয়ায় একজনের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mother arrested for the death of 2 children in a locked room

তালাবদ্ধ ঘরে পুড়ে ২ শিশুর মৃত্যুতে মা গ্রেপ্তার

তালাবদ্ধ ঘরে পুড়ে ২ শিশুর মৃত্যুতে মা গ্রেপ্তার
ওসি মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘শিশুদের বাবা মানিক বৈদ্য ৪ থেকে ৫টি মামলার আসামি। একটি মামলায় তিনি এখন কারাগারে। তার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই কলহ চলছিল স্ত্রী পূর্ণিমার। তিনি অভিমানে ঘরে আগুন দিয়ে পালিয়ে যান।’

মাদারীপুর সদরে তালাবদ্ধ ঘরে পুড়ে দুই ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় তাদের মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সন্তানদের হত্যার কথা তিনি স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন ওসি।

রাজধানীর কাকরাইল এলাকা থেকে মঙ্গলবার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী।

গ্রেপ্তার পূর্ণিমা বৈদ্য সদর উপজেলার শিরখাড়া ইউনিয়নের শ্রীনদী এলাকার মানিক বৈদ্যর স্ত্রী। সদর উপজেলার ঝিকরহাটি এলাকার টিনশেড ঘরে দুই সন্তানকে নিয়ে তারা ভাড়া থাকতেন।

ওই ঘরে গত সোমবার দুপুরে হঠাৎ আগুন জ্বলতে দেখে প্রতিবেশীরা। বাইরে থেকে তালা দেয়া দরজা ভেঙে পানি দিয়ে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। ততক্ষণে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিভিয়ে ভেতরে দুই শিশুকে পুড়ে যাওয়া অবস্থায় পায়। এর মধ্যে দেড় বছরের মানদ ঘটনাস্থলেই মারা যায়। আড়াই বছরের রুদ্রকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর থেকেই লাপাত্তা ছিলেন শিশুদের মা।

ওসি মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘শিশুদের বাবা মানিক বৈদ্য ৪ থেকে ৫টি মামলার আসামি। একটি মামলায় তিনি এখন কারাগারে। তার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই কলহ চলছিল স্ত্রী পূর্ণিমার। তিনি অভিমানে ঘরে আগুন দিয়ে পালিয়ে যান।

‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পূর্ণিমা সন্তানদের হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। শিশু দুটির চাচি রত্মা রানী থানায় পূর্ণিমার নামে মামলা করেছেন।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের সামনে থেকে ধরে নিয়ে যুবলীগ নেতাকে হত্যা
কিশোরকে হত্যার অভিযোগ প্রেমিকার পরিবারের বিরুদ্ধে
রায়পুরায় কলাবাগানে দুই মরদেহ: একজনের পরিচয় শনাক্ত
ঘুমন্ত অবস্থায় আগুন লেগে কনস্টেবলের মৃত্যু
সগিরা মোর্শেদ হত্যা: সাক্ষ্য গ্রহণ ১২ ডিসেম্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
ACC is investigating allegations of irregularities in Taksim and WASA

তাকসিমসহ ওয়াসার অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক

তাকসিমসহ ওয়াসার অনিয়মের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান। ফাইল ছবি
হাইকোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক বলেছে, ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খানসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে সেসব বিষয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খানের ব্যাংক হিসাবসহ ওয়াসায় অনিয়মের যে অভিযোগ উঠেছে সে বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান করছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক এ তথ্য জানিয়েছে।

দুদক জানায়, ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খানসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে দুদক অনুসন্ধান করছে।

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে তাকসিম এ খানের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমনের দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক এ রিপোর্ট দাখিল করে।

ওয়াসার এমডি নিয়ে আরেকটি কোর্টে রুল বিচারাধীন। এদিকে দুদকও অনুসন্ধান করছে। তাই পৃথক করে রুল জারির প্রয়োজনীয়তা নেই উল্লেখ করে সুমনের রিটটি নিষ্পত্তি করে দেয় হাইকোর্ট।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারি আইনজীবী সায়েদুল হক সুমন নিজেই। ওয়াসার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এম মাসুম। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মাহসিব হোসেন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি।

দুদকের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়, পদ্মা জশলদিয়া প্রকল্পের প্রায় ১১শ’ কোটি, গন্ধবপুর পানি শোধনাগার প্রকল্পের প্রায় এক হাজার কোটি, দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগার প্রকল্পের প্রায় এক হাজার কোটি, গুলশান-বারিধারা লেক দূষণ প্রকল্পের প্রায় ৫০ কোটি, সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার ফেজ-২ এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে প্রায় ১৫ কোটি টাকার দুর্নীতি এবং ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। এছাড়া তাকসিম এ খানের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও এসব হিসাবের কাগজপত্র সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হয়েছে।

ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সদস্য নয় এমন লোকদের দিয়ে ২০১১ সালের ৩০ মে কমিটি গঠন করে এই কমিটির মাধ্যমে সমিতির ঠিকাদারি বিলের ৪১ কোটি ৭০ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তাকসিম এ খানের বিরুদ্ধে।

এছাড়া প্রায় ৩৫ কোটি টাকা মূল্যের ৬২ হাজার ৪৮১টি পানির মিটার সমিতির অনুমতি না নিয়ে অন্যত্র স্থানান্তর ও ২০১২ সালের ১৭ জানুয়ারি চিঠি পাঠিয়ে সমিতির জনতা ব্যাংকের কারওয়ান বাজার শাখার হিসাবের সব লেনদেন স্থগিতের অভিযোগও দুদকের অনুসন্ধানে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

অবৈধ নিয়োগ ও পদোন্নতির বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাতজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে নিয়োগ ও পদোন্নতি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এসব কর্মকর্তাকে নোটিস পাঠানোর পর জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের বক্তব্য নেয়া হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান।

ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে তাকসিম এ খানের নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে দাবি করে তা অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে ৪ ডিসেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

নিয়োগ প্রবিধানের শর্ত না মেনে ২০০৯ সালের ১৪ অক্টোবর ঢাকা ওয়াসার এমডি পদে তাকসিম এ খানের নিয়োগ কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আর্জি জানানো হয়। মঙ্গলবা দুদক প্রতিবেদন দাখিল করলে আদালত রিটটি নিষ্পত্তি করে দেয়।

আরও পড়ুন:
ওয়াসায় তাকসিমের নিয়োগ বৈধ কি না, আদেশ মঙ্গলবার
ওয়াসার এমডি পদে তাকসিমের নিয়োগ চ্যালেঞ্জ করে রিট
ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরে বেতন ভাতা ৫ কোটি ৮০ লাখ
বিদ্যুতের চেয়ে পানির দাম বেশি
ঢাকা ওয়াসা এমডির বেতন-ভাতার হিসাব দিতেই হবে

মন্তব্য

p
উপরে