× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Three militants were arrested on the information of a woman who returned from militancy
hear-news
player
google_news print-icon
ব্রিফিংয়ে র‌্যাব

জঙ্গিবাদ থেকে ফেরা নারীর তথ্যে তিন জঙ্গি গ্রেপ্তার

জঙ্গিবাদ-থেকে-ফেরা-নারীর-তথ্যে-তিন-জঙ্গি-গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার তিন সদস্য। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাব জানায়, জঙ্গিবাদ থেকে ফিরে আসা আম্বিয়া সুলতানা এমিলি স্বনামধন্য এয়ারলাইনসে চাকরি করতেন। আল-আমিন নামের এক শিক্ষক তার ছেলেকে পড়াতেন। সেই আল-আমিনের মাধ্যমেই তিনি ও তার ছেলে আবু বক্কর ২০২১ সালের প্রথম দিকে জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ায় যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে আবু বক্কর ২০২২ সালের মার্চে আল আমিনের নির্দেশনায় প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে হিজরতের নামে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।

জঙ্গিবাদে দীক্ষিত হয়ে সে পথ থেকে ফিরে আসা এক নারীর তথ্যের ভিত্তিতে নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার তিন সদস্যকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র‌্যাব।

নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই তিনজন হলেন আবদুল হাদি সুমন ওরফে জন, আবু সাঈদ ওরফে শের মোহাম্মদ এবং রনি মিয়া। তাদের দুজন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার অন্যতম অর্থ সরবরাহকারী বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

তিনজনের কাছ থেকে তিনটি উগ্রবাদী বই, ৯টি লিফলেট ও ২টি ব্যাগ উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে বাহিনীটি।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বুধবার দুপুরে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জ থেকে চলতি বছরের মার্চে নিরুদ্দেশ হন আবু বক্কর ওরফে রিয়াসাদ রাইয়ান নামের এক তরুণ। এ ঘটনায় তার পরিবার সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করে। নিরুদ্দেশ ৫৫ জনের তালিকায় আবু বক্করের নাম রয়েছে। এর আগের অভিযানে সংগঠনটির মহিলা শাখা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পায় র‌্যাব। বাহিনীটি জানতে পারে, একজন মা উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ হন এবং একই ধরনের মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ হওয়া নিজ সন্তানকে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে তথাকথিত হিজরতে পাঠান।

র‌্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, নিজ সন্তানকে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে তথাকথিত হিজরতে পাঠানো মাকে ৫ নভেম্বর থেকে পরিবারের সান্নিধ্যে রেখে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর থেকে তিনি তার ভুল বুঝতে পেরে ছেলেকে ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে ওঠেন।

র‌্যাব জানায়, আম্বিয়া সুলতানা এমিলি নামের ওই নারী স্বনামধন্য এয়ারলাইনসে চাকরি করতেন। আল-আমিন নামের এক শিক্ষক তার ছেলেকে পড়াতেন। সেই আল-আমিনের মাধ্যমেই তিনি ও তার ছেলে আবু বক্কর ২০২১ সালের প্রথম দিকে জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ায় যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে আবু বক্কর ২০২২ সালের মার্চে আল আমিনের নির্দেশনায় প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে হিজরতের নামে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।

অন্যান্য প্রশিক্ষণ শেষে গত সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝিতে আল আমিনের নির্দেশনায় পাহাড়ে প্রশিক্ষণের জন্য আবু বক্করকে বান্দরবানে দিয়ে যান গ্রেপ্তার রনি। আম্বিয়া সুলতানা এমিলি তার ছেলে নিরুদ্দেশ হওয়ার কারণ ও অবস্থান সম্বন্ধে জানলেও পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে তা গোপন রাখেন। পরবর্তী সময়ে নিজ ভুল বুঝতে পেরে এমিলি ছেলেকে ফিরে পেতে রনি সম্পর্কে র‌্যাবের কাছে তথ্য দেন। সে অনুযায়ী গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে রনিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারদের নিয়ে কী জানা গেল

গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন সম্পর্কে খন্দকার আল মঈন জানান, আবদুল হাদি সুমন ওরফে জন সুনামগঞ্জের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। তিনি দেড় বছর আগে শুরা সদস্য সৈয়দ মারুফ ওরফে মানিকের মাধ্যমে জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হন। তিনি ছিলেন সংগঠনের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত অর্থদাতা।

র‌্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, ৩ মাস আগে সংগঠনের শুরা সদস্য ও অর্থ শাখার প্রধান রাকিবকে সাংগঠনিক কার্যক্রমের জন্য ৯ লাখ টাকা দেন জন। ইংল্যান্ডে অবস্থানরত তার দুই ভাইয়ের কাছ থেকে বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসায় দান করার কথা বলে এই টাকা সংগ্রহ করেন তিনি। এ ছাড়াও তিনি প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা সংগঠনে চাঁদা দিতেন।

র‌্যাবের ভাষ্য, জন দুই মাস আগে হিজরতের উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হন এবং অন্যান্য প্রশিক্ষণ নিয়ে পাহাড়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেন, কিন্তু পাহাড়ে র‌্যাবের অভিযান চলতে থাকায় তিনি চট্টগ্রামসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় কিছুদিন অবস্থান করে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ডে এসে রনির মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলে হিজরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর থানায় তার বিরুদ্ধে একটি সন্ত্রাসবিরোধী মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তিনি ১০ দিন কারাভোগ করেছেন।

কমান্ডার মঈন জানান, আবু সাঈদ ওরফে শের মোহাম্মদ অনলাইন শরীয়াহ গ্র্যাজুয়েশন ইনস্টিটিউট নামের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। তিনি দেড় বছর আগে শুরা সদস্য ও অর্থ শাখার প্রধান রাকিবের মাধ্যমে উগ্রবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে সংগঠনে যোগ দেন। তিনিও সংগঠনের একজন ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত অর্থদাতা। তিনি ২ মাস আগে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রাকিবের কাছে ৭ লাখ টাকা দেন। এ ছাড়াও প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দিতেন।

র‌্যাবের ভাষ্য, শের মোহাম্মদ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে তার শরীয়াহ ইনস্টিটিউট, মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সহায়তার কথা বলে অর্থ সংগ্রহ করতেন। তিনি এক মাস আগে পাহাড়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হন, কিন্তু পাহাড়ে অভিযান চলমান থাকায় তিনি রনির মাধ্যমে বিভিন্ন কৌশলে পার্বত্য অঞ্চলে যাওয়ার জন্য একত্রিত হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গ্রেপ্তার রনি মিয়া স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি নারায়ণগঞ্জে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যবসা করতেন।

রনি এক বছর আগে ছোটবেলার বন্ধু আল আমিন ওরফে আবদুল্লাহর মাধ্যমে জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হন। এই আল আমিনই আম্বিয়ার সন্তান আবু বক্করের শিক্ষক ছিলেন। আল আমিনের নির্দেশে রনি গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে আবু বক্করকে বান্দরবানে পৌঁছে দেন। তিনি সংগঠনের দাওয়াতী কার্যক্রম ও হিজরতকৃত সদস্যদের বান্দরবানসহ বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দেয়ার কাজে জড়িত ছিলেন।

পার্বত্য অঞ্চলে র‌্যাবের অভিযান চলমান থাকায় গ্রেপ্তার আবদুল হাদি সুমন ওরফে জন ও আবু সাঈদ ওরফে শের মোহাম্মদ পাহাড়ে যেতে না পারায় বিভিন্ন কৌশলে পার্বত্য অঞ্চলে পৌঁছে দেয়ার জন্য রনির শরণাপন্ন হন। তারা নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় একত্রিত হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:
জঙ্গিদের চেয়ে স্মার্ট র‍্যাব: ডিজি
বিমানবন্দরে ৩০০ জনকে অজ্ঞান করা আমির এবার ধরা
বাধ্য না হলে র‌্যাব গুলি ছোড়ে না: বিদায়ী ডিজি
নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আয়ুর্বেদিক ওষুধের নামে মাদক বিক্রি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
College student killed by gang of teenagers in Comilla

কু‌মিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত

কু‌মিল্লায় কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত কলেজ শিক্ষার্থী মো. পাবেল। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, কলেজ ছাত্র পাবেল সঙ্গীদের নিয়ে রাতে ব্যাডমিন্টন খেলতে যান। এ সময় একদল কিশোর তাদেরকে মাঠ থেকে উঠে যেতে বলে। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা পাবেলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মো. পাবেল নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী খুন হয়েছেন।

চৌদ্দগ্রামের আলকরায় রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভরঞ্জন চাকমা।

নিহত পাবেল উপজেলার গুণবতী এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ফেনী মহিপাল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, পাবেল নিজ বাড়ি গুণবতী থেকে পাশের আলকরা ইউনিয়নে নানা বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে স্থানীয় কিশোরদের সঙ্গে রাতে ব্যাডমিন্টন খেলতে যান তিনি। এ সময় একদল কিশোর নিজেরা খেলবে বলে পাবেল ও তার সঙ্গীদের মাঠ থেকে উঠে যেতে বলে। ওইসময় কিশোরদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা এলোপাতাড়ি পাবেলকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আরও দুজন আহত হন। তারা বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

ওসি শুভরঞ্জন চাকমা জানান, বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তারা পাবেলকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেছে বলে স্থানীয়রা জা‌নি‌য়ে‌ছে। জড়িত সবাই স্থানীয় কিশোর। ঘটনার পর থে‌কে তারা পলাতক। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কু‌মিল্লা মে‌ডি‌কেল ক‌লেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বীমার টাকার জন্য স্ত্রীকে খুন
বড় ভাই খুন, অভিযোগ ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে
আফতাবকে বহনকারী পুলিশ ভ্যানে তরবারি হামলা
সন্তানকে নিয়ে স্বামীকে ১০ টুকরা করে ফ্রিজে
শ্রদ্ধার মরদেহ ফ্রিজে রেখেই ডেটিংয়ে আফতাব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police in 15 day special operation

১৫ দিনের বিশেষ অভিযানে পুলিশ

১৫ দিনের বিশেষ অভিযানে পুলিশ
আবাসিক হোটেল, মেস, হোস্টেল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টারসহ অপারাধীদের লুকিয়ে থাকার সম্ভাব্য স্থানগুলোতে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করতে হবে বলে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পলাতক জঙ্গিসহ অপরাধী গ্রেপ্তারে দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া অভিযান চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

পুলিশ সদর দপ্তর থেকে ২৯ নভেম্বর চিঠি দিয়ে বিভিন্ন ইউনিটকে ১ ডিসেম্বর থেকে এ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেয়া হয়।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হাসানুজ্জামানের সই করা চিঠিতে বলা হয়, মহান বিজয় দিবস, বড়দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উদযাপন নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে সারাদেশে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশনা দেয়া হলো।

দেশের সব পুলিশ ইউনিটের প্রধান ও সব জেলার পুলিশ সুপারকে এ চিঠি দেয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ২০ নভেম্বর ঢাকা সিএমএম আদালত এলাকায় পুলিশ হেফাজত থেকে দণ্ডপ্রাপ্ত ২ জঙ্গি ছিনিয়ে নেয়ার প্রেক্ষাপট বিবেচনা, মহান বিজয় দিবস, বড়দিন এবং থার্টিফাস্ট নাইট উদযাপন নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে চলমান অভিযানের পাশাপাশি ১-১৫ ডিসেম্বর বিশেষ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আবাসিক হোটেল, মেস, হোস্টেল, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কমিউনিটি সেন্টারসহ অপারাধীদের লুকিয়ে থাকার সম্ভাব্য স্থানগুলোতে কার্যকর অভিযান পরিচালনা করতে হবে বলে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিশেষ এ অভিযানে জঙ্গি, সন্ত্রাসী, মাদকসেবী ও কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী, ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি গ্রেপ্তারসহ মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা।

বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ও মামলার বিস্তারিত তথ্য নির্ধারিত ছকের মাধ্যমে একীভূত করে প্রতিদিনের তথ্য পরের দিন সকাল ১০টার মধ্যে ফ্যাক্সযোগে এবং ই-মেইলে পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের।

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
মেয়ের বান্ধবীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রামপুলিশ আটক
ছাত্রদল নেতা নয়ন হত্যা: পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নেয়নি আদালত
বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে মামলা, ৬৬ নেতা-কর্মী আসামি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dependence on technology is reducing book reading Chief Justice

প্রযুক্তিনির্ভরতায় বই পড়া কমছে: প্রধান বিচারপতি

প্রযুক্তিনির্ভরতায় বই পড়া কমছে: প্রধান বিচারপতি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘অতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভরতা আমাদের বই পড়ার অভ্যাসকে অবিরত বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। বর্তমানে বইয়ের থেকে বেশি স্মার্টফোনের ছোঁয়া। বর্তমান প্রজন্ম বই থেকে অনেকটা দূরে।’

মানুষের জীবনে অতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভরতায় বই পড়া কমছে বলে মনে করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির অডিটরিয়ামে অ্যাডভোকেট আবুল খায়েরের লেখা তিনটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘অতিরিক্ত প্রযুক্তিনির্ভরতা আমাদের বই পড়ার অভ্যাসকে অবিরত বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। বর্তমানে বইয়ের থেকে বেশি স্মার্টফোনের ছোঁয়া। বর্তমান প্রজন্ম বই থেকে অনেকটা দূরে।

‘যারা আগামী দিনে আমাদের দেশ গড়ার কারিগর, তাদের বইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া জরুরি। নতুন প্রজন্মকে সৎ, উদার, সহনশীল খাঁটি মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সকলের। একটি বই জাতিকে পরিবর্তন করে দিতে পারে। মানুষের মধ্যে সৃজনশীল ও মননশীল গুণাবলি তৈরির জন্য বইয়ের কোনো তুলনা নেই।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য আগরতলা মামলার প্রেক্ষাপট অপরিসীম জানিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আগরতলা মামলা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা, এটা নিয়ে একটি মনুমেন্ট তৈরি করা যেতে পারে। স্বাধীনতার সূতিকাগার বলা যায় ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা আন্দোলন, আগরতলা মামলা এবং উনসত্তরের অভ্যুত্থানকে।’

৭০ বছর বয়সেও বই লেখার প্রবণতা নিয়ে অ্যাডভোকেট আবুল খায়েরেকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রশংসা করেন প্রধান বিচারপতি।
অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ছাড়াও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকিরসহ আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক আব্দুন নূর দুলাল।

আরও পড়ুন:
দুর্নীতি রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করে: প্রধান বিচারপতি
ধর্মের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো অজ্ঞতা: প্রধান বিচারপতি
ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষায় চাই শক্তিশালী বিচার বিভাগ: প্রধান বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্টে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারে নতুন দিগন্ত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mothers life sentence for killing her child

সন্তানকে হত্যার দায়ে মায়ের যাবজ্জীবন

সন্তানকে হত্যার দায়ে মায়ের যাবজ্জীবন
আসামি সাদিয়ার স্বামী এরশাদ আলী কাজের সুবাদে ঢাকায় থাকেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ লেগে থাকত। ২০১৭ সালের ৬ জুলাই রাতে মেয়ে মাইমুনা আক্তারকে নিয়ে ঘুমাতে যান সাদিয়া। পরদিন শাশুড়ি রেজিয়া বেগম তাদের ডাকতে যান। দরজা খুলে দেখেন সাদিয়া ও মাইমুনা মেঝেতে পড়ে আছে।

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে দাম্পত্য কলহের জেরে ৬ বছরের শিশু মাইমুনাকে হত্যার দায়ে তার মাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ যাবিদ হোসেন বৃহস্পতিবার দুপুরে এই রায় দেন।

আসামি ২৫ বছর বয়সী সাদিয়া আক্তার আশার বাড়ি পার্বতীপুরের হরিরামপুরে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রবিউল ইসলাম এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আসামি সাদিয়ার স্বামী এরশাদ আলী কাজের সুবাদে ঢাকায় থাকেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ লেগে থাকত। ২০১৭ সালের ৬ জুলাই রাতে মেয়ে মাইমুনা আক্তারকে নিয়ে ঘুমাতে যান সাদিয়া। পরদিন শাশুড়ি রেজিয়া বেগম তাদের ডাকতে যান। দরজা খুলে দেখেন সাদিয়া ও মাইমুনা মেঝেতে পড়ে আছে। স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মাইমুনাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

সাদিয়ার বাঁ হাত ও ডান পায়ের কবজি কাটা ছিল। এ ঘটনায় পরদিন মাইমুনার চাচা ইব্রাহিম সাদিয়াকে আসামি করে পার্বতীপুর থানায় মামলা করেন।

আইনজীবী রবিউল আরও জানান, সাদিয়া জবানবন্দিতে পারিবারিক কলহের কারণেই সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনা প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় ১০ বছরের কারাদণ্ড
জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে হিসাবরক্ষকের ঝুলন্ত দেহ
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িতকে খুঁজছে পুলিশ
সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death penalty for killing ex wife

সাবেক স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড

সাবেক স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মোহছেনার রক্তাক্ত মরদেহ তার ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সেখানেই পাওয়া যায় শরিফুলকে। নিহতের ছোট ভাই মো. সাদ্দাম হোসেন এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

গাজীপুরে সাবেক স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ মমতাজ বেগমের আদালত বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় দেন।

দণ্ড পাওয়া আসামি হলেন মো. সাইফুল ইসলাম শরিফুল। তার বাড়ি নীলফামারী সদর থানার রামকলা এলাকায়।

গাজীপুর আদালতের ভারপ্রাপ্ত পিপি মকবুল হোসেন কাজল এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, একই কারখানায় চাকরি করার সুবাদে পরিচয়ের পর বিয়ে হয় মোছা. মোহছেনা ও শরিফুলের। তবে বিয়ের পর মোহছেনা জানতে পারেন, শরিফুলের আগেই বিয়ে হয়েছে। ওই সংসারে চার সন্তানও আছে। এসব নিয়ে কলহের পর শরিফুলকে তিনি তালাক দেন। এরপর থেকে মোহছেনাকে শরিফুল হুমকি দিয়ে আসছিলেন।

২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে মোহছেনার রক্তাক্ত মরদেহ তার ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। সেখানেই পাওয়া যায় শরিফুলকে। নিহতের ছোট ভাই মো. সাদ্দাম হোসেন এ ঘটনায় কাশিমপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে হিসাবরক্ষকের ঝুলন্ত দেহ
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িতকে খুঁজছে পুলিশ
সাড়ে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় আসামির মৃত্যুদণ্ড
আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার
বরিশালে অভিমান করে স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP leader former MP Nadeem got bail

জামিন পেলেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি নাদিম

জামিন পেলেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি নাদিম জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট নাদিম মোস্তফা। ছবি: নিউজবাংলা
২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি পুঠিয়ার বানেশ্বরের মজির উদ্দীন হত্যা মামলায় নাদিম মোস্তফার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। গত মার্চে উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পান। তবে উচ্চ আদালত নাদিম মোস্তফাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলেও তিনি হাজির হননি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ও রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাদিম মোস্তফাকে জামিন দিয়েছে আদালত।

রাজশাহীর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল হালিম বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে জামিন দিয়েছেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের পরিদর্শক পরিমল চক্রবর্তী।

এর আগে গত ২৩ নভেম্বর দুপুরে নগরীর পাঠানপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হন এই বিএনপি নেতা। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি পুঠিয়ার বানেশ্বরের মজির উদ্দীন হত্যা মামলায় নাদিম মোস্তফার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। গত মার্চে উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পান। তবে উচ্চ আদালত নাদিম মোস্তফাকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিলেও তিনি হাজির হননি।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন:
সমাবেশে সরকারকে লাল কার্ড দেখাল জনগণ: সেলিমা
পরিবহন ধর্মঘটে তিন জেলায় ভোগান্তি
রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটে ভোগান্তি
পরিবহন ধর্মঘটের আগেই রাজশাহীর সমাবেশে নেতা-কর্মীরা
ভুয়া চাকরির নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
ACC is investigating the irregularities of three banks

তিন ব্যাংকের অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক

তিন ব্যাংকের অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক বৃহস্পতিবার দুদক কার্যালয়ে অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিং-এ বক্তব্য দেন দুদক সচিব মাহবুব হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
দুদক সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংবাদটি পাওয়ার পর অনুসন্ধান শুরুর লক্ষ্যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হবে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’

ঋণ দেয়া নিয়ে তিন ব্যাংকের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এছাড়া আদালতের নির্দেশনা মেনে বেসিক ব্যাংকের তদন্ত তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুদক কার্যালয়ে এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিং-এ দুদক সচিব মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘দুদক ইতোমধ্যে ওই তিন ব্যাংকের (ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক) তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।’

ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপের ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার ঘটনায় অর্থ পাচার হয়েছে কিনা সে বিষয়ে দুদক ও বিএফআইইউ-এর তদন্ত চেয়ে চিঠি দিয়েছেন পাঁচজন আইনজীবী।

এ বিষয়ে দুদকের পদক্ষেপ সম্পর্কে সচিব বলেন, ‘চিঠি আমার হাতে এখনও পৌঁছেনি। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংবাদটি পাওয়ার পর যাতে অনুসন্ধান শুরু করা যায় সে লক্ষ্যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হলে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হবে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’

দুদক সচিব বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা মেনে বেসিক ব্যাংকের ৫৬টি মামলার তদন্ত কাজ নির্ধারিত তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা থাকবে।

‘বেসিক ব্যাংকের ৫৬টি মামলার প্রতিটির সঙ্গে অনেক বিষয় জড়িত। অনেক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে হয়। সে কারণেই সময় লাগছে। আমরা আমাদের কর্মকর্তাদের আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলেছি।’

২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার ঋণ অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগ ওঠার পরপরই অনুসন্ধানে নামে দুদক।

ঋণপত্র যাচাই না করে জামানত ছাড়া, জাল দলিলে ভুয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ঋণদানসহ নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ অনুমোদনের অভিযোগ ওঠে ব্যাংকটির তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন:
দুদকের দণ্ডিত এনামুল বাছিরের জামিন
সেই শরীফের বিরুদ্ধে ‘অসততার’ অভিযোগ
প্রাণীদের সেবার পেশা বেছে নিলেন দুদকের চাকরিচ্যুত শরীফ
দুই লাখ টাকার চাকরি নয়, শরীফের চাওয়া দেশপ্রেমমূলক কাজ
‘ওরা বলছিল রাস্তার ফকির বানাবে, বানাইছে’

মন্তব্য

p
উপরে