× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
If peoples government is established terrorism will be punished by fire Amir Khusrau
hear-news
player
google_news print-icon

জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হলে আগুন সন্ত্রাসের বিচার হবে: আমীর খসরু

জনগণের-সরকার-প্রতিষ্ঠা-হলে-আগুন-সন্ত্রাসের-বিচার-হবে-আমীর-খসরু
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত মহিলা দলের সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন আমীর খসরু। ছবি: সংগৃহীত
আগুন সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে বিএনপির গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সভা সমাবেশে লাখ লাখ মানুষ যোগ দিতে রাস্তায় নেমেছে, সমাবেশে যোগ দিচ্ছে, সেখানে আমরা কেন সন্ত্রাস করব? সন্ত্রাসী তারা, তাদের একমাত্র পথই হচ্ছে সহিংসতা ও সন্ত্রাস।’

দেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হলে আগুন সন্ত্রাসীদের বিচার করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

নয়াপল্টনে মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আমীর খসরু বলেন, ‘জনগণ আওয়ামী লীগের সঙ্গে নেই। তাই তারা রাষ্ট্রযন্ত্র ও তাদের দলীয় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে আগুন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটায়। কারা আগুন সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত, আমাদের আগুন সন্ত্রাসের সব তথ্যপ্রমাণ আছে। এই দেশে যেদিন জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে তখন ওই সব আগুন সন্ত্রাসীদের বিচারের সম্মুখীন করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি কোনো সন্ত্রাসী দল নয়। লগি-বৈঠা খুন-গুম হত্যা, পুলিশ হেফাজতে হত্যা, পঙ্গু করে দেয়ার রেকর্ড এই দলের নেই। এটা আছে জোর করে ক্ষমতায় বসে থাকা আওয়ামী লীগের।’

আগুন সন্ত্রাসের মধ্য দিয়ে বিএনপির গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, ‘আমাদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সভা সমাবেশে লাখ লাখ মানুষ যোগ দিতে রাস্তায় নেমেছে, সমাবেশে যোগ দিচ্ছে, সেখানে আমরা কেন সন্ত্রাস করব? সন্ত্রাসী তারা, তাদের একমাত্র পথই হচ্ছে সহিংসতা ও সন্ত্রাস।’

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ যখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তখনই জয়ী হয়েছে। এখন একদিকে বাংলাদেশের মানুষ, অন্যদিকে ফ্যাসিস্ট সরকার। বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়ে রাস্তায় নেমেছে এই সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না, নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।

বর্তমান সরকারের অধীনে তার দল নির্বাচনে যাবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপিও সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না, নির্বাচনে যাবে না। বরং গণ-আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাই এটাকে দমন করার শক্তি কারও নাই।’

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস। এ সময় মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খানসহ মহিলা দলের নেতারা বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
কামাল হত্যা: অবস্থান পাল্টাল সিলেট বিএনপি
পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষে পণ্ড সভা
লড়াইকে আমরা আরও এগিয়ে নেব: ফখরুল
বিএনপির দুলুর নামে দুর্নীতির মামলা চলবে: হাইকোর্ট
বিএনপি নেতা কামাল হত্যায় ৫ জন: পুলিশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
BNP leaders and workers flooded the field at night

রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা

রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা মাদ্রাসামাঠ ভরে যাওয়ায় রাস্তায়ও অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘আমরা সকাল ৯টা থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চাই। সকালেই আমরা সাবেশস্থলে প্রবেশ করতে চাই।’

সকালেই রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ। একটু আগে-ভাগেই সমাবেশ শুরু করতে চান আয়োজকরা। কারণ সমাবেশস্থলের পার্শ্ববর্তী ঈদগাহ মাঠ ইতোমধ্যেই পূর্ণ হয়ে গেছে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে।

শুক্রবার রাত ১০টায় মাদ্রাসা মাঠের সামনের রাস্তা দিয়ে হাঁটারও সুযোগ নেই। মানুষে ঠাসা। সমাবেশস্থল ঘিরেও অসংখ্য মানুষ।

গত বুধবার থেকেই রাজশাহীতে নেতা-কর্মীরা আসতে শুরু করেছিলেন। তবে সমাবেশের আগের দিন তাদের ঢল নামে। দুপুরের পর বিভিন্ন জেলা থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করেও অনেকেই সভাস্থলের পাশে হাজির হন।

বাস ধর্মঘট চলার কারণে ট্রেনের ওপরই বেশি নির্ভর করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

গত তিনদিনে রাজশাহীতে যেসব ট্রেন ঢুকেছে সবগুলোতেই ছিল উপচেপড়া ভিড়। শুক্রবার সন্ধ্যার পর যেসব ট্রেন রাজশাহী এসেছে সেগুলোতে পা ফেলারও ঠাঁই ছিল না। গাদাগাদি করে আসা এসব মানুষের বেশিরভাগেরই গন্তব্য ছিল সমাবেশ।

স্টেশন থেকে নেমেই দল বেঁধে হেঁটে শ্লোগান দিতে দিতে সমাবেশস্থলের দিকে যাচ্ছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সমাবেশের আগের রাতে উৎসবের আমেজ মাদ্রাসামাঠ এলাকাজুড়ে। খোশগল্প, ছুটাছুটি আর ক্ষণে ক্ষণে দলীয় শ্লোগান দিয়ে সময় পার করছেন নেতা-কর্মীরা। কেউ তুলছেন সেলফি, কেউ ভিডিও। অনেককে ফেসবুক লাইভ করতেও দেখা গেছে। কখনও কখনও বসছে গানের আসর।

সকাল থেকেই সমাবেশ শুরুর পরিকল্পনা

সকাল থেকেই রাজশাহীর সমাবেশ শুরু করতে চান বিএনপি নেতারা। তারা দাবি করছেন, অনুমতি পেতে দেরি হওয়ার কারণে মঞ্চ প্রস্তুত হতে সময় লেগেছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওই সময় পুলিশ আমাদের কাজ করতে দেয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরু হয়। এ কারণে কিছুটা সময় লেগেছে।’

দুলু বলেন, ‘আমরা সকাল ৯টা থেকে সমাবেশ শুরু করতে চাই। সকালেই আমরা সাবেশস্থলে প্রবেশ করতে চাই।’

ফাঁকা থাকবে খালেদা-তারেকের আসন

আয়োজকরা বলছেন, অনান্য বিভাগীয় সমাবেশর মত রাজশাহীর মঞ্চেও ফাঁকা থাকবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আসন। শনিবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুলু বলেন, ‘শনিবার সকাল ৯টার দিকে মঞ্চে আসন গ্রহণ শুরু হবে। প্রতিবারের মতো এবারও সমাবেশ মঞ্চে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য একটি করে দুটি চেয়ার ফাঁকা রাখা হবে।’

নগরীর সব প্রবেশপথে পুলিশের চেকপোস্ট

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশ ঘিরে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। শহরের সবগুলো প্রবেশমুখে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। এ ছাড়া নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে থাকছে পুলিশের অবস্থান।

শুক্রবার বিকেল থেকেই মাদ্রাসা মাঠ ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে এখানে অল্প কিছু পুলিশ সদস্য অবস্থান করলেও বিকেল থেকে এই সংখ্যা কয়েকগুন বেড়েছে।

সমাবেশ ঘিরে প্রায় দুই সপ্তাহ জুড়েই রাজশাহী ও আশপাশের জেলাগুলোতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। সমাবেশের আগ মুহুর্তে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিশও। নগরীর সবকটি প্রবেশপথে তল্লাশি চৌকি বসিয়েছে তারা।

নগরীর আমচত্বর, নওদাপাড়া, রেলগেট, কাশিয়াডাঙ্গা মোড়, তালাইমারী মোড়, কাটাখালী বাজার এবং বেলপুকুরে পুলিশের চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। বাইরে থেকে আসা যানবাহনগুলোতে তাদের বাড়তি নজরদারি।

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘সমাবেশকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে সহিংস কিছু ঘটাতে না পারে, বিশৃঙ্খলা ঘটাতে না পারে সে জন্য আমরা সতর্ক আছি। গোটা শহরেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সাদা পোশাকেও মাঠে পুলিশ রয়েছে। গোয়েন্দা শাখার সদস্যরাও কাজ করছেন। সমাবেশে সার্বক্ষণিক নজর রাখতে মাদ্রাসা মাঠে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরাও।

বাসের পর সিএনজি ধর্মঘট

রাজশাহীতে বাস ধর্মঘটের মাঝে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে সড়কে ধর্মঘট শুরু করে সিএনজি ও থ্রি-হুইলার মালিকরাও। তারা বলছেন, অবাধ চলাচল ও হয়রানিমুক্ত রেজিস্ট্রেশনের দাবিতে তারা এই ধর্মঘট শুরু করেছেন।

সিএনজি টেম্পু মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিদার হোসেন ভুলু বলেন, ‘সরকার বৈধভাবে সিএনজি আমাদানী করে। সেই সিএনজি বিক্রি করে সরকার লাভও করে। তবে আমাদের লাইসেন্স পেতে কেন ভোগান্তি হবে? মহাসড়ক বাদে আমাদের তো সব সড়কেই চলাচলে অনুমতি আছে, তবে কেন আমাদের হয়রানি করা হবে? আমরা আমাদের লাইসেন্স ও হয়রানি মুক্তির দাবিতে সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছি।’

ভুলু দাবি করেন, বিএনপির সমাবেশের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে, বাস বন্ধের পর সিএনজিচালিত টেম্পুর ওপরই ছিল যাত্রীদের ভিড়। শহরের ভেতরে অটোরিকশায় চলাচল করলেও রাজশাহীর উপজেলা পর্যায়ে বা আশপাশের জেলার সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল সিএনজি। শুক্রবার সকাল থেকে সেই পরিবহনও বন্ধ থাকায় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে রাজশাহী।

মির্জা ফখরুল রাজশাহী

বিভাগীয় গণসমাবেশে অংশ নিতে ইতোমধ্যেই রাজশাহী পৌঁছেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকেলে বিমানযোগে তিনি রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান।

বিকেল ৫টায় বিমানবন্দরে পৌঁছালে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপষ্টো মিজানুর রহমান মিনুসহ স্থানীয় স্থানীয় নেতারা তাকে স্বাগত জানান। পরে তিনি রাজশাহীর কাজিহাটা এলাকার একটি হোটেলে যান।

আরও পড়ুন:
বিএনপির খবর আছে: কাদের
রাজশাহীর সব প্রবেশপথে পুলিশের চেকপোস্ট
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল, আহত পুলিশ
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন
জামিন পেলেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি নাদিম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chabi injured in BCL clash again

ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত চবি, আহত ৮

ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত চবি, আহত ৮ চবিতে এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের বগি ভিত্তিক দুই উপগ্রুপের সদস্যরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে
দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হলে ছাত্রলীগের বগি ভিত্তিক উপগ্রুপ বিজয় ও ভিএক্সের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

দেয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হলে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ছাত্রলীগের বগি ভিত্তিক উপগ্রুপ বিজয় ও ভিএক্সের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়; রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত তা চলছিল। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আট জন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

একপর্যায়ে বিজয় গ্রুপের কর্মীদের বের করে দিয়ে ভিএক্স গ্রুপের কর্মীরা হলে অবস্থান নেন। তখন বিজয় গ্রুপের কর্মীরা হলের মাঠে অবস্থান নেয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যেই ইট-পাটকেল নিক্ষেপ চলে, হলের কক্ষও ভাঙচুর করা হয়।

বিবদমান ভিএক্স গ্রুপ সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দিনের এবং বিজয় গ্রুপ শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

বর্তমানে পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল টিম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারের প্রধান কর্মকর্তা ডা. মো. আবু তৈয়ব নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সংঘর্ষে আহত হয়ে আট জন চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে চার জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

বিজয় গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এত জায়গা থাকতেও গতকাল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ এফ রহমান হলের বিজয়গ্রুপের দেয়াল লিখনের ওপর ভিএক্স গ্রুপ তাদের প্রচার চালায়। বিষয়টি প্রভোস্টকে জানিয়েছি।’

সংঘর্ষের জন্য ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘চবিতে প্রক্টরের ইশারা ছাড়া গাছের পাতাও পড়ে না। উনার ইশারা ছাড়া এ এফ রহমান হলে কেন দেয়াল লিখন হবে? আজ এ ইস্যুকে কেন্দ্র করেই তারা (ভিএক্স) অস্ত্র নিয়ে হলে হামলা চালায়। হল দখলসহ সব কিছুর জন্য প্রক্টরই দায়ী। প্রক্টর স্যার চাচ্ছেন ছাত্রলীগের মধ্যে তার গ্রুপ থাকুক। নেতারা ছাত্রলীগ কন্ট্রোল করলে কোনো সমস্যা থাকে না, তবে এখানে প্রক্টরই ছাত্রলীগকে কন্ট্রোল করতে চাইছেন।’

ভিএক্স গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি প্রদীপ চক্রবর্তী দুর্জয় বলেন, ‘ভিএক্সের কর্মীরা দেয়াল লিখন করেছে, বিজয়ের কর্মীরা সেটা মুছে ফেলে। হলতো কারো একার সম্পত্তি না, যে কারো লেখার ওপর অন্য কেউ লিখবে। এ জন্য ভিক্সের কর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়েছে। সংঘর্ষ যেন বড় না হয় সেজন্য দুইপক্ষ কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

সহকারী প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে আছি, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।’

এ বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়াকে একাধিকবার কল দিয়েও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে
ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সম্মেলন আজ
ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা
ছাত্রলীগের সম্মেলন ৬ ডিসেম্বর: কাদের
দুধ দিয়ে গোসল করে ভাইরাল ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে জখম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Shishu Ayats father is also threatened to be cut into 6 pieces

হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ আয়াতের বাবার

হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ আয়াতের বাবার শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে আয়াত হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী। ছবি: নিউজবাংলা
আয়াতের বাবা সোহেল বলেন, “একমাত্র মেয়েকে হারিয়েছি। অচেনা নম্বর থেকে আমাকে টেক্সট দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। ওই নম্বর থেকে এসএমএস দিয়ে সে বলছে- ‘তোর মেয়েকে ছয় টুকরো করেছি, তোকেও করব।’ আমি পুলিশকে জানাইছি। সে ভয়েস বার্তাও দিছে।”

চট্টগ্রামে শিশু আয়াতকে হত্যায় কেবল আসামি আবির নয়, একটি চক্র জড়িত বলে দাবি করেছেন আয়াতের বাবা সোহেল রানা।

তার অভিযোগ, আয়াতের মতো তাকেও হত্যার পর ৬ টুকরো করা হবে বলে হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি দেয়া হয়েছে। পুলিশকে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন।

আয়াত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এসব অভিযোগ জানান সোহেল।

তিনি বলেন, “একমাত্র মেয়েকে হারিয়েছি। অচেনা নম্বর থেকে আমাকে টেক্সট দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। ওই নম্বর থেকে এসএমএস দিয়ে সে বলছে- ‘তোর মেয়েকে ছয় টুকরো করেছি, তোকেও করব।’ আমি পুলিশকে জানাইছি। সে ভয়েস বার্তাও দিছে।”

সোহেল আরও বলেন, ‘আমার মেয়েকে এমন নৃশংসভাবে শুধু কি আবির আলীই হত্যা করেছে? এখানে একটা চক্রও থাকতে পারে। তারা মিলেমিশে এ ঘটনা ঘটিয়েছে কিনা তা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

‘তা না হলে আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাওয়া থেকে সরে যেতে কারা হুমকি দিচ্ছে?’

হোয়াটসঅ্যাপে পাওয়া বার্তা প্রসঙ্গে সোহেল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাকে মেসেজ দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। আবার ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে বলছে, আবিরকে নাকি সে (হুমকিদাতা) পালিয়ে যেতে বলেছিল। পালিয়ে না যাওয়ায় পুলিশ ধরে ফেলছে। আমার মেয়েকে ছয় টুকরো করছে, আমাকেও নাকি ছয় টুকরো করবে। তাছাড়া মারার আগে আয়াতকে নাকি ধর্ষণ করা হয়েছিল।

‘২৮ তারিখ প্রথম ম্যাসেজ দিয়েছিল। তখন তেমন গুরুত্ব দেইনি। কিন্তু পরে দেখি আরও মেসেজ পাঠিয়েছে। সকালে ভয়েস ম্যাসেজ দিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছে। আমরা পুলিশকে জানাইছি।’

আয়াত হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মনোজ কুমার দে বলেন, ‘আমাকে মঞ্জুর সাহেব (আয়াতের দাদা) ফোন করেছিলেন। আমি আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছি। স্থানীয় থানায় ডায়েরি করারও পরামর্শ দিয়েছি।’

নগরীর ইপিজেড থানার বন্দরটিলা নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিস এলাকার বাসা থেকে গত ১৫ নভেম্বর নিখোঁজ হয় আলিনা ইসলাম আয়াত। পরদিন ইপিজেড থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন তার বাবা সোহেল রানা।

এর ৯ দিন পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িত সন্দেহে আয়াতের পরিবারের ভাড়াটিয়া আবির আলীকে আটকের কথা জাানায় পিবিআই।

পিবিআইয়ের দাবি, আটকের পর আয়াতকে খুন ও লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেছে আবির। ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের জন্য আয়াতকে অপহরণ চেষ্টার সময় শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

এরপর শনিবার প্রথমবার আবিরকে দুই দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ। পরে তাকে নিয়ে আয়াতের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারে সাগরপাড়ে অভিযান চালায় পিবিআই। এরপর সোমবার আবিরকে দ্বিতীয় দফায় সাত দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ। দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের প্রথম দিন মঙ্গলবার আবিরের মা-বাবার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে আকমল আলী সড়ক এলাকার সাগরপাড় স্লুইজ গেটের পাশ থেকে আয়াতের খণ্ডিত দুই পা উদ্ধার করে পিবিআই। পরদিন একই এলাকা থেকে আয়াতের টুকরো মাথা উদ্ধার করা হয়।

আয়াত নিখোঁজের ১৭তম দিন শুক্রবারও মরদেহের বাকি অংশের খোঁজে সাগরপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছে পিবিআই।

আরও পড়ুন:
শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ বস্তায়
আলামত নষ্ট করার বিদ্যা ‘ক্রাইম পেট্রল’ দেখে
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ: বাবা আটক
শিশু আয়াতকে হত্যার পর ৬ টুকরা করেন সাবেক ভাড়াটিয়া
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ, মিলছে না বাবার খোঁজ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Speech impaired girl burnt to death Accused arrested

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা: একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা: একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, পরিকল্পিতভাবেই মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন আসামি। এরপর বিয়ে করার কথা বলে তাকে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সুভাট্টা এলাকায় নিয়ে যান।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ওই তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। আসামি বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেছিলেন।

আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান। তবে আসামির পরিচয় বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তিনি দেননি। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

কেরানীগঞ্জের সুবাড্ডা সাবান ফ্যাক্টরির গলি চিতা খোলা এলাকা থেকে গত সোমবার রাত ১১টার দিকে দগ্ধ ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বাদল্লাপুর এলাকায়।

শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া ওই তরুণীকে সোমবার রাতেই শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

তরুণীর ছোট বোনের অভিযোগ ছিল, হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় তরুণীর ছোট ভাই হত্যা মামলা করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ওই তরুণীর সঙ্গে ঘটনার ১০ থেকে ১২ দিন আগে আলাপ হয় আসামির। পরিকল্পিতভাবেই মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। এরপর বিয়ে করার কথা বলে তাকে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সুভাট্টা এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন।

আরও পড়ুন:
ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় সংগীত শিক্ষকের কারাদণ্ড
বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা: কাশিমপুর কারাগারে একজনের ফাঁসি কার্যকর
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড
এবার উদ্ধার আয়াতের মাথা
৯৪ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A Bangladeshi youth was killed in an explosion in Saudi Arabia

সৌদিতে বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক নিহত

সৌদিতে বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবক নিহত ফয়সাল আহমেদ রানা। ছবি: সংগৃহীত
ফয়সালের বাবা ইদু মিয়া জানান, শুক্রবার ফয়সাল তার মামার সঙ্গে দেখা করতে যান। তখন তার মামার দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ফয়সাল উড়ে গিয়ে সড়কে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে দোকানের ভেতর সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ফয়সাল আহমেদ রানা নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় এ ঘটনা ঘটে। ৩২ বছর বয়সী ফয়সাল কুমিল্লা নগরীর হযরতপাড়া এলাকার ইদু মিয়ার ছেলে।

ইদু মিয়া জানান, তার এক মেয়ে এক ছেলের মধ্যে ফয়সাল বড়। ২০০৮ সালের দিকে ফয়সাল সৌদিতে যান। সেখানে তার মামারাও থাকেন। শুক্রবার ফয়সাল তার নিজের দোকান থেকে মামার দোকানে যান দেখা করতে। তখন তার মামার দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ফয়সাল উড়ে গিয়ে সড়কে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

তিনি বলেন, ‘ফয়সালের এক ছেলে এক মেয়ে। আমার নাতি-নাতিন এতিম হয়ে গেল। আমি সন্তান হারা হয়ে গেলাম।’

কুমিল্লা জনশক্তি রপ্তানি অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ বলেন, ‘আমরা ঘটনা শুনেছি। নিহতের পরিবার যেন ক্ষতিপূরণ পায় সে জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
গাংনীতে বিস্ফোরণে মামলা, বিএনপির ২০ নেতা-কর্মী আসামি
গাংনীতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ: বোমার মতো ৩টি বস্তু উদ্ধার
বোমা বিস্ফোরণের মামলায় সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
বেলুনে হাইড্রোজেন গ্যাস, ঝুঁকিতে শিশুরা
নওগাঁর নিয়ামতপুরে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৪

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League leaders shoes to rule

‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা

‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি করায় নিজ কর্মীদের মারধর করেন ছাত্রলীগ নেতা
বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের বিরুদ্ধে কর্মী‌দের জুতা দি‌য়ে পেটানোর অ‌ভি‌যোগ উঠে‌ছে। পার্বত্য শা‌ন্তি চু‌ক্তির রজতজয়ন্তী উপল‌ক্ষে আওয়ামী লী‌গের শোভাযাত্রায় অংশ নিতে আসার সময় এ ঘটনা ঘটে।

বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের বিরুদ্ধে কর্মী‌দের জুতাপেটা করার অ‌ভি‌যোগ উঠে‌ছে। পার্বত্য শা‌ন্তি চু‌ক্তির রজতজয়ন্তী উপল‌ক্ষে আওয়ামী লী‌গের শোভাযাত্রায় ছাত্রলীগের কর্মীরা অংশ নিতে আসার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভি‌ডিও ফুটেজ নিউজবাংলার হাতে পৌঁছেছে। ত‌বে ওই ছাত্রলীগ নেতার দাবি, তি‌নি কর্মীদের ‌কেবল শাসন ক‌রে‌ছেন।

শুক্রবার বিকেলের পর নগর ভব‌নের সাম‌নে সমাবেশের আয়োজন করে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। সমা‌বেশ শে‌ষে শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। এ সময় ব‌রিশাল জেলা ছাত্রলী‌গের সাংগঠ‌নিক সম্পাদক রাজীব হোসেন খানের নেতৃ‌ত্বে এক‌টি খণ্ড মিছিল নগর ভব‌নের সাম‌নে আস‌ছি‌ল।

নিউজবাংলার হাতে আসা ভি‌ডিও‌তে দেখা যায়, রাজীব হো‌সে‌নের নেতৃ‌ত্বে মিছিলটি ফজলুল হক অ্যাভি‌নিউ এলাকা অ‌তিক্রম করার সময় দ্বিতীয় সা‌রিতে থাকা কর্মী‌দের দি‌কে জুতা হাতে ছু‌টে যান তিনি। এরপর তিনি কয়েক কর্মী‌কে মারধর ক‌রেন‌। প‌রে আবার মিছিলটি নগর ভব‌নের দি‌কে চ‌লে যায়।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজীব হো‌সে‌নের মিছিলে কিছু কর্মী বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি করে। এতে রাজীব ক্ষিপ্ত হ‌য়ে কর্মী‌দের জুতাপেটা করেছেন।

এ বিষ‌য়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলী‌গের সাংগঠ‌নিক সম্পাদক রাজীব হো‌সেন খান ব‌লেন, ‘আমি কর্মীদের একটু শাসন ক‌রে‌ছি। আমা‌দের নেতারাও তো আমা‌দের শাসন ক‌রে। এটা তেমন কিছু না।’

ব‌রিশাল নগর ভব‌নের সাম‌নে সমা‌বেশের পর শোভাযাত্রার উ‌দ্বোধন ক‌রেন সি‌টি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক সের‌নিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহ। তবে সমা‌বেশ উপল‌ক্ষে নগর ভব‌নের সাম‌নের মঞ্চ তৈরি করায় বুধবার গভীর রাত থে‌কে গুরুত্বপূর্ণ ওই সড়ক‌টিতে যান চলাচল বন্ধ ছি‌ল। এ‌তে নগরীর সাধারণ মানুষকে ভোগা‌ন্তি‌ পোহাতে হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The driver claimed that he did not know that anyone was trapped in the car

ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার ‘জানতেন না’ গাড়িতে কেউ আটকে আছে

ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার ‘জানতেন না’ গাড়িতে কেউ আটকে আছে পেছন থেকে ধাওয়া করে থামানো হয় আজাহার জাফরের প্রাইভেটকার। ছবি: নিউজবাংলা
জনতার পিটুনিতে আহত গাড়িচালক ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি পুলিশকে বলেছেন, কেউ তার গাড়ির সঙ্গে আটকে আছেন, সেটা তার জানা ছিল না। তবে পুলিশ বলছে, তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ির নিচে চাপা পড়ে নিহত গৃহবধূ রুবিনা আক্তারকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফর শাহ। পুলিশের কাছে তার দাবি, গাড়িতে একজন আটকে থাকার বিষয়টি টেরই পাননি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থানা পুলিশের কাছে তিনি এ দাবি করেন বলে জানিয়েছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ। তবে পুলিশ বলছে, গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি থামেননি, বরং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

গাড়িটি আটকের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফরকে পিটুনি দেয় জনতা। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ওসি নূর মোহাম্মদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কিনা সে বিষয়ে কোনো তথ্য আমরা পাইনি। গাড়িতে লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো কাগজ ছিল না।’

প্রতি সপ্তাহে নিজ বাসা তেজগাঁও তেজকুনি পাড়া থেকে হাজারিবাগে যেতেন গৃহবধূ রুবিনা আক্তার। অন্যান্য সপ্তাহের মতো শুক্রবার ননদের স্বামীর মোটরসাইকেল চড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে হাজারিবাগে যাচ্ছিলেন।

বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারুকলা অনুষদের বিপরীতে পাশের রাস্তা ধরে যাওয়ার সময় একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় পড়ে যান রুবিনা। চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

টিএসসি, ভিসি চত্বর হয়ে মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের কাছাকাছি পর্যন্ত রুবিনাকে এভাবেই টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় গাড়িটি।

এরপর লোকজন গাড়িটি আটকে নিচ থেকে রুবিনা আক্তারকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাড়ির চালকক আজাহার জাফর শাহকে মারধর করেন পথচারীরা। শাহাবাগ থানার পুলিশ পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক। আহত অবস্থায় বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে কথা হয় রুবিনার ভাগ্নে আশিকুর রহমান রাতুলের সঙ্গে। তিনি জানান, রুবিনার স্বামী মারা গেছেন দু বছর আগে। তাদের এক ছেলে রয়েছে। সে ক্লাস এইটে পড়ে।

রাতুল বলেন, ‘আমরা মামলা করব। আমার খালাকে হত্যা করা হয়েছে। থানায় যাচ্ছি।’

রুবিনার মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মো. শহিদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘এটা অবশ্যই একটি হত্যাকাণ্ড।’

শহিদুল্লাহ্ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, নিহত মহিলা দেবরের সঙ্গে বাইকে করে শ্বশুর বাড়ি থেকে তার বাপের বাড়ি হাজারিবাগে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তারা যখন শাহবাগ থেকে টিএসসির আগে কাজী নজরুলের মাজারের উল্টো দিকের রাস্তায় পৌঁছান, তখন প্রাইভেট কারটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে তিনি পড়ে প্রাইভেট কারের সঙ্গে আটকে যান।

‘এরপরও উনি গাড়িটি না থামিয়ে টেনে-হিঁচড়ে চলে যান। তাকে থামানোর অনেক চেষ্টা করা হয়। উনি টিএসসি পৌঁছলে আমাদের মোবাইল টিমও তাকে থামানোর চেষ্টা করে। তারপরও উনি না থামিয়ে আরও জোরে গাড়ি চালিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে গেলে উত্তেজিত জনতা তাকে থামতে বাধ্য করে। এই সম্পূর্ণ সময় সেই নারীটি গাড়ির সঙ্গে ছেঁচড়ে গেছেন।’

তিনি বলেন, ‘গাড়ির চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে তার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা তাই আমরা একটা মামলা নেব। উনার গাড়িটা সিজ করেছি। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

কোন আইনে মামলা করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটানোর শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা সেই শিক্ষকের নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। একটা নম্বর পেয়েছি। সম্ভবত ওনার স্ত্রীর নম্বর। তিনি ওনার অবস্থা জানার পর মোবাইল বন্ধ করে দিয়েছেন। তাদের কারো সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেলে তিনি গাড়ি চালানোর সময় সুস্থ নাকি অসুস্থ ছিলেন সেগুলোসহ আমরা বিস্তারিত জানতে পারব।’

আরও পড়ুন:
এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা
টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি
মতিঝিলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
বাবা-ছেলেকে পিষ্ট করে হোটেলে কাভার্ড ভ্যান, নিহত ৫
বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত

মন্তব্য

p
উপরে