× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The distance between Dhaka and Sunamganj is 55 kilometers
google_news print-icon
‘রানীগঞ্জ সেতু’ উদ্বোধন

ঢাকা-সুনামগঞ্জের দূরত্ব কমল ৫৫ কিলোমিটার

ঢাকা-সুনামগঞ্জের-দূরত্ব-কমল-৫৫-কিলোমিটার
সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর উপর নির্মিত সিলেট বিভাগের সবচেয়ে বড় সেতু ‘দক্ষিণের দুয়ার’ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
৭০২ দশমিক ৩২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের এই সেতুটির উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ‘দক্ষিণের দুয়ার’ খুলে গেল। পাগলা-জগন্নাথপুর-আউশকান্দি সড়কে বিভাগের সবচেয়ে বড় সেতুটি চালু হওয়ায় রাজধানী ঢাকার সঙ্গে এ জেলার মানুষের বিকল্প সড়কের পাশাপাশি দূরত্ব কমেছে ৫৫ কিলোমিটার। সেতুটি নির্মাণ হওয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থার পাশাপাশি পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্য জোরদার হবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর ওপর নির্মিত সিলেট বিভাগের সবচেয়ে বড় সেতুটি উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে হাওর অধ্যুষিত জেলাটির যোগাযোগব্যবস্থায় যুক্ত হয়েছে নতুন মাইলফলক।

এই সেতুর ফলে সুনামগঞ্জ থেকে রাজধানী ঢাকায় আসতে হলে আর সিলেট ঘুরে নয়, সরাসরি হবিগঞ্জ হয়ে আসা যাবে, এতে রাজধানীর সঙ্গে সুনামগঞ্জের দূরত্ব কমেছে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার। এমনটি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অনেকে।

সোমবার সকালে জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর ওপর নির্মিত সেতুটিসহ ১০০ সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের সাত বিভাগে এসব সেতুর উদ্বোধন করেন সরকারপ্রধান।

৭০২ দশমিক ৩২ মিটার দৈর্ঘ্য ও ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্থের এই সেতুটির উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ‘দক্ষিণের দুয়ার’ খুলে গেল।

পাগলা-জগন্নাথপুর-আউশকান্দি সড়কে বিভাগের সবচেয়ে বড় সেতুটি চালু হওয়ায় রাজধানী ঢাকার সঙ্গে এ জেলার মানুষের বিকল্প সড়কের পাশাপাশি দূরত্ব কমেছে ৫৫ কিলোমিটার। সেতুটি নির্মাণ হওয়ায় যাতায়াতব্যবস্থার পাশাপাশি পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্য জোরদার হবে মনে করেন স্থানীয়রা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ১৫৫ কোটি টাকা ব্যয়ে রানীগঞ্জ সেতু নির্মিত হয়েছে। এলাকাবাসীর বহুদিনের দাবি ছিল রানীগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের।

২০১৬ সালের আগস্টে কার্যাদেশ দেয়ার পর ২০১৭ সালের ১৪ জানুয়ারি দীর্ঘ এই সেতুর নির্মাণকাজ যৌথভাবে উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এম মান্নান।

জগন্নাথপুরের স্থানীয় বাসিন্দা দিদার কোরশী বলেন, এই সেতুটি হওয়ায় আমাদের যাতায়াতব্যবস্থার বিরাট একটা উন্নয়ন হয়েছে, আগে আমাদের ঢাকা যেতে হলে সিলেট হয়ে যাওয়া লাগত, এই সেতু হওয়ায় এখন সরাসরি হবিগঞ্জ হয়ে যাওয়া যাবে, যার ফলে আমাদের অনেকটা সময় বেঁচে যাবে। এ ছাড়া আমরা যারা ব্যবসায়ী তাদেরও পণ্য আনা-নেয়া অনেকটা সহজ হবে।

সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাইফুর রহমান সিজান বলেন, ‘কুশিয়ারার ওপরে রানীগঞ্জ সেতু সুনামগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। সুনামগঞ্জবাসীর কাছে এই সেতু পদ্মা সেতুর সমতুল্য। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দূরত্ব কমানোর পাশাপাশি এই অঞ্চলে শিল্প-কারখানা গড়ে উঠবে। বিশেষ করে হাওরাঞ্চলের মাছ ও ধানকে কেন্দ্র করে কৃষিভিত্তিক শিল্প গোটা জেলার চেহারা বদলে দেবে। সুনামগঞ্জবাসীর কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। এ ছাড়া পর্যটনশিল্পেরও উন্নয়ন হবে যোগাযোগব্যবস্থা সহজতর হওয়ায়।’

সুনামগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম প্রাং বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১০০টি সেতুর মধ্যে আমাদের জেলায় সিলেট বিভাগের সবচেয়ে বড় রাণীগঞ্জ সেতুসহ আরো ১৭টি সেতু উদ্বোধন করেছেন। এ সেতুগুলো নির্মাণের ফলে এই অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন শুরু হয়েছে। যাতায়াতের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যও সম্প্রসারিত হবে।

টোল নির্ধারণ হলো সেতুটির

সিলেট বিভাগের এই সেতুটির জন্য যানবাহনের শ্রেণি ও টোল হার চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে সুনামগঞ্জ সড়ক বিভাগ জানায়, টোল হারে রিকশা-ভ্যান/রিকশা/বাইসাইকেল/ঠেলাগাড়ি ৫ টাকা, মোটরসাইকেল ১০ টাকা, অটোটেম্পো, সিএনজি অটোরিকশা, অটোভ্যান, ব্যাটারিচালিত ৩/৪ চাকার যেকোনো ধরনের মোটরাইজড যান ১৫ টাকা, ব্যক্তিগত গাড়ি এবং ভাড়ায়চালিত সব কার ৪০ টাকা, পিকআপ, কনভারশনকৃত জিপ, রেকার, ক্রেন ৬০ টাকা, চালক ছাড়া অন্যান্য ৮ জন এবং অনধিক ১৫ জন যাত্রী বহনকারী যান ৬০ টাকা।

এ ছাড়া চালক ব্যতীত অনধিক ৩০ জন যাত্রী বহনকারী যান ৭৫ টাকা, পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টর ৯০ টাকা, ৩ টন পর্যন্ত পে-লোড ধারণে সক্ষম যানবাহন ১১৫ টাকা, চালক ছাড়া ৩১ অথবা তদূর্ধ্ব আসনবিশিষ্ট মোটরযান ১৩৫ টাকা, দুই এক্সেল বিশিষ্ট বিজিট ট্রাক/বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টর এবং ট্রেইলার ১৫০ টাকা, তিন বা ততোধিক এক্সেল বিশিষ্ট ট্রাক, কাভার্ড ট্রাক/ভ্যান, কনটেইনারবাহী ট্রাক, অন্যান্য আর্টিকুলে ট্রেড যানবাহন ৩০০ টাকা, কনটেইনার, ভারী যন্ত্রপাতি, ভারী মালামাল/ সরঞ্জাম ৩৭৫ টাকা।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুর ভায়াডাক্ট পর্যন্ত চলল পরীক্ষামূলক ট্রেন
যমুনার বুকে দৃশ্যমান রেলসেতু
‘এটা শুধু সেতু না, স্বপ্ন’
মধুমতী সেতুতে বাসের টোল ২০৫, বাইক ১০ টাকা
মধুমতী সেতু পেয়ে উচ্ছ্বসিত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Waltons Gold Trophy win at Dhaka International Trade Fair

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ওয়ালটনের গোল্ড ট্রফি জয়

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ওয়ালটনের গোল্ড ট্রফি জয় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর কাছ থেকে গোল্ড ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি। ছবি: ওয়ালটন

শেষ হয়েছে মাসব্যাপী ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৪। এবারের মেলাতেও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ক্যাটাগরিতে সেরা হয়েছে দেশের ইলেকট্রনিক জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। পেয়েছে প্রথম পুরস্কারের গোল্ড ট্রফি।

মেলায় সুদৃশ্য স্টল নির্মাণ, উদ্ভাবনী ও গুণগতমানের পণ্য প্রদর্শন ইত্যাদি বিবেচনায় ওয়ালটনকে এই পুরস্কার দেয় মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ডিআইটিএফ-২০২৪-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজকে গোল্ড ট্রফি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম (টিটু) এর কাছ থেকে গোল্ড ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেকের পরিচালক এবং ওয়ালটন মাইক্রো-টেক কর্পোরেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) নিশাত তাসনিম শুচি।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলমসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জেষ্ঠ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং ইপিবির ভাইস-চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান উপস্থিত ছিলেন।

ওয়ালটনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেজর জেনারেল (অব.) ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার দিদারুল আলম খান।

২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বঙ্গবন্ধু টানেলের আদলে দৃষ্টিনন্দন মেগা স্টল স্থাপন করেছিল ওয়ালটন, যেখানে এক ছাদের নিচে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারসমৃদ্ধ স্মার্ট ফ্রিজ, এসি, টিভি, লিফট, ওয়াশিং মেশিন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ইলেকট্রিক বাইক, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সেসসহ অসংখ্য ধরণের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্যসামগ্রী প্রদশর্ন করা হয়েছে। মেলায় আগত ক্রেতা-দর্শনার্থীদের কাছে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে ওয়ালটনের স্মার্ট প্রযুক্তিপণ্য।

উল্লেখ্য, মেলার উদ্বোধনী দিনে ওয়ালটনের সুদৃশ্য মেগা স্টল পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে সময় প্রধানমন্ত্রী ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ওয়ালটনের পণ্য সামগ্রী ও দেশীয় প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে ওয়ালটনের অগ্রগতি দেখে অভিভূত হন। বিশেষ করে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ, স্মার্ট ফ্রিজ, এয়ারকন্ডিশনার, টেলিভিশন, লিফট ও এনার্জি সেভিং হোম এ্যাপ্লায়েন্সেস দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসব পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Team Pharmaceuticals Annual Sales and Marketing Conference 2024 held

টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

দেশের সম্ভাবনাময় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের হোটেল সি প্যালেসে তাদের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের মাদার কনসার্ন দেশের অন্যতম বড় শিল্প গ্রুপ টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ হিল রাকিব।

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ হিল নকীব, টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের ডিরেক্টর ও সিওও এম এ মনসুর, সেলস এন্ড ডিস্ট্রিবিউশনের ডিরেক্টর মো. আব্দুল ওয়াহাব, মার্কেটিং বিভাগের নির্বাহী পরিচালক দীপক কুমার সাহাসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ ছাড়া সারা দেশ থেকে টিম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সকল আঞ্চলিক প্রতিনিধিরা তাদের স্থানীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

আবদুল্লাহ হিল রাকিব বিগত বছরগুলোতে টিম ফার্মার বিভিন্ন সাফল্য ও চ্যালেঞ্জের কথা স্মরণ করে প্রতিষ্ঠানকে আরও এগিয়ে নিতে নিজের পরিকল্পনার কথা আলোকপাত করেন এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবসায়িক সাফল্য ও গুণগত মান ধরে রেখে অংশগ্রহণকারীদের বাজার দখল করার বিষয়ে উৎসাহিত করেন।

পাশাপাশি বিগত ২০২৩ সালের বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য তিনি সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাধুবাদ জানান।

এরপর প্রতিষ্ঠানের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ২০২৪ সালের জন্য বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণের সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করনীয় পরিকল্পনা সম্পর্কে জোর দিয়ে তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

এ ছাড়াও টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের সিওও এম. এ. মনসুর ২০২৪ সালের জন্য প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সকল প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে তার পরামর্শমুলক বক্তব্য প্রদান করেন।

অন্যদিকে, বিক্রয় ও বিপনন বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল ওয়াহাব তার বক্তব্যে গেলো বছরের চ্যালেঞ্জ এবং আগামী বছরের বিক্রয় পরিকল্পনা আলোচনা করেন।

তাদের এই পরিকল্পনায় সহায়ক হিসেবে কাজ করার জন্য প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং বিভাগের নির্বাহী পরিচালক দীপক কুমার সাহা ২০২৪ সালে বিপনন বিভাগের কৌশলগুলো সম্পর্কে বিশ্লেষণ করেন।

এছাড়া টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এম মাসউদ হাসান সামনের বছরে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে মানবসম্পদ বিভাগের কার্যক্রমের রোডম্যাপ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিক্রয় ও বিপনন প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২০২৩ সালের সেরা পারফরমারদের পুরস্কৃত করা হয়।

সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ঐশীর সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Action as per Manifesto against Market Manipulation External Affairs Minister

বাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে ইশতেহার অনুযায়ী ব্যবস্থা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে ইশতেহার অনুযায়ী ব্যবস্থা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার দুপুরে রাজধানীতে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে এলডি হল চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেশে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রোজার আগেই কিছু পেঁয়াজ বাজারে ঢুকবে, কাজেই বাজার মোটামুটি স্থিতিশীল আছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘নির্বাচনি ইশতেহারে আমরা বলেছিলাম, দ্রব্যমূল্য যেন মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে, সেটি আমাদের অগ্রাধিকার। এই সরকারের যাত্রার শুরু থেকে সেই অগ্রাধিকার নিয়ে আমরা কাজ করছি এবং বাজারের অসাধু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকার সবরকম ব্যবস্থা নেবে।’

ভারত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেশে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রোজার আগেই কিছু পেঁয়াজ বাজারে ঢুকবে, কাজেই বাজার মোটামুটি স্থিতিশীল আছে।’

শনিবার দুপুরে রাজধানীতে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে এলডি হল চত্বরে ‘রাঙ্গুনিয়া সমিতি, ঢাকা’ আয়োজিত সংবর্ধনা, মেজবান ও মিলনমেলা-২০২৪ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাজারের অসাধু লোভাতুর সিন্ডিকেট কারণে-অকারণে নানা অজুহাতে বিভিন্ন পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করে। আমরা দেখেছি, একটি কোল্ড স্টোরেজের ভেতর থেকে দেড় লাখ ডিম উদ্ধার করা হয়েছে। অতীতে পেঁয়াজের সংকট তৈরি করা হয়েছিল। আবার যখন বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হলো, বাজার পেঁয়াজে সয়লাব হয়ে গেল; তখন স্টোরেজ থেকে জমিয়ে রাখা পচা পেঁয়াজ ফেলে দেয়া হয়েছে। এই ধরনের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমাদের সরকার সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যারা সরকারকে টেনে নামাতে চায়, এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে তারাও যে যুক্ত, সেটিও সঠিক। তবে আপনারা দেখছেন, বাজার মোটামুটি স্থিতিশীল আছে।’

বাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে ইশতেহার অনুযায়ী ব্যবস্থা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কেবল পাইকারি বিক্রেতারা নয়, খুচরা বিক্রেতাদের মধ্যেও বেশি মুনাফা করার প্রবণতা দেখা দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এটির বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন হতে বলেছি। সরকারও সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেবে।’

‘বর্তমান সরকার পরিবর্তন হবেই’ বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খানের এ মন্তব্যের বিষয়ে সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার তো অবশ্যই পাঁচ বছর পর পরিবর্তন হবে। তখন দেশে নির্বাচন হবে, তারপর নতুন সরকার গঠন করা হবে। আশা করি, জনগণের ভোটে সেই সরকারেরও প্রধান হবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

এর আগে, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘রাঙ্গুনিয়া সমিতি, ঢাকা’র সেবামূলক কার্যক্রম ও বিভিন্ন নিয়মিত আয়োজনের প্রশংসা করেন।

‘রাঙ্গুনিয়া সমিতি, ঢাকা’র সভাপতি মো. গিয়াস উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের হুইপ সাইমুম সরওয়ার কমল, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, ‘চট্টগ্রাম সমিতি-ঢাকা’র সভাপতি মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার উজ্জ্বল মল্লিক বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

রাঙ্গুনিয়া সমিতির নেতারা এ সময় রাঙ্গুনিয়ার সন্তান চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের হাতে সংবর্ধনা স্মারক তুলে দেন। পরে আয়োজক ও অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে সমিতির ‘গুমাই’ স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে, প্রশ্ন কাদেরের
বিএনপি রোজা রমজান ঈদ কোনোটাই মানে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Infinix laptops are different for those three reasons

যে তিন কারণে আলাদা ইনফিনিক্স ল্যাপটপ

যে তিন কারণে আলাদা ইনফিনিক্স ল্যাপটপ ইনফিনিক্স ল্যাপটপের সঙ্গে থাকছে ১০০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি। ছবি: সংগৃহীত
স্পেসিফিকেশনস এবং ওয়ারেন্টি সুবিধার পাশাপাশি ইনফিনিক্স ল্যাপটপের দাম বাজেট-বান্ধব। এক্স২ ডিভাইসটির দাম ৬১ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ওয়াই২ প্লাস-এর দাম ৫৮ হাজার ৯৯০ টাকা। 

বর্তমান তরুণদের জীবন অনেকাংশেই যোগাযোগ নির্ভর এবং এর প্রযুক্তিও নিয়ত পরিবর্তনশীল। ফলে তাদের ডিভাইসগুলোকে হতে হয় আপ-টু-ডেট। এমন প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি ইনবুক সিরিজের নতুন ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে তরুণদের প্রিয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স।

তবে নানা ধরনের ও নানা ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ এখন বাজারে আছে। তাই প্রশ্ন আসতেই পারে- এই ভিড়ে ইনফিনিক্স ল্যাপটপ কীভাবে আলাদা?

ইনবুক সিরিজের এক্স২ এবং ওয়াই২ প্লাস মডেল দুটি ইতোমধ্যেই বাজারে সাড়া ফেলেছে। মূলত তিনটি ব্যতিক্রমী বৈশিষ্ট্য এই সিরিজের ল্যাপটপগুলোকে অনন্য করে তুলেছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে আধুনিক জীবনের প্রয়োজন মেটাতে পারে এমন সব স্পেসিফিকেশন, রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি এবং বাজারমূল্য।

প্রথমত, নজরকাড়া মেটালিক ফিনিশে তৈরি এক্স২ এবং ওয়াই২ প্লাস মডেল দুটিতে আছে ১১ প্রজন্মের ইন্টেল কোর আই৫ প্রসেসর। ফলে স্বচ্ছন্দেই করা যাবে মাল্টিটাস্কিং, রয়েছে প্রি-ইনস্টলড উইন্ডোজ ১১ হোম অপারেটিং সিস্টেম। কুলিং সিস্টেম হিসেবে ইনবুক সিরিজের ল্যাপটপে আছে আইস স্টর্ম ১.০। এই কুলিং সিস্টেমেরে বিশেষত্ব হচ্ছে, এটি ডিভাইসের প্রসেসরকে দ্রুত ঠান্ডা করতে পারে। তাই আর পোর্টেবল কুলিং ফ্যানের ঝামেলা পোহাতে হয় না।

এ ছাড়াও ইনফিনিক্স ল্যাপটপে আছে ৮ জিবি র‍্যাম এবং ৫১২ জিবি এনভিএমই এসএসডি। ফলে ব্যাটারি লাইফ উন্নত হওয়ার পাশাপাশি পারফর্ম্যান্স আরও ভালো পাওয়া যায়। এই সমন্বয়ের ফলে কোনো ঝামেলা ছাড়াই ব্যবহারকারীরা একইসঙ্গে বেশ কয়েকটি অ্যাপ্লিকেশন, ট্যাব ও প্রোগ্রাম ওপেন করে কাজ করতে পারবেন।

একটানা দীর্ঘসময় ধরে কাজ করার নিশ্চয়তা দিতে ল্যাপটপগুলোতে আছে ৫০ ওয়াট-আওয়ার ব্যাটারি এবং ৪৫ ওয়াট সি-টাইপ চার্জার। যার ফলে ডিভাইসগুলো সহজে ও নিশ্চিন্তে বহনযোগ্য।

ইনবুক সিরিজের দুটি ল্যাপটপেই আছে দারুণ, প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল ডিসপ্লে। ইনবুক এক্স২ মডেলটিতে আছে চিকন বেজেলের ১৪ ইঞ্চি ফুল এইচডি আইপিএস ডিসপ্লে। ঘরে ও বাইরে কাজ করতে হয় এমন চাকুরিজীবীদের জন্য ১ দশমিক ২৪ কেজি ওজনের এই হালকা ল্যাপটপটি মানানসই হবে।

আর ইনবুক ওয়াই২ প্লাস ল্যাপটপে আছে ১৫.৬ ইঞ্চির এফএইচডি প্লাস ডিসপ্লে। বড় স্ক্রিনের এই মডেলটি শিক্ষার্থী ও নতুন কর্পোরেট এক্সিকিউটিভদের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হবে।

দ্বিতীয়ত, ইনফিনিক্স ল্যাপটপের সঙ্গে থাকছে ১০০ দিনের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি এবং দুই বছরের প্রোডাক্ট ওয়ারেন্টি। ডিভাইস কেনার প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে কোনো সমস্যা দেখা দিলে বাড়তি কোনো খরচ ছাড়াই ব্যবহারকারীরা সেই ডিভাইসটি পাল্টাতে পারবেন।

স্পেসিফিকেশনস এবং ওয়ারেন্টি সুবিধার পাশাপাশি ইনফিনিক্স ল্যাপটপের দাম বাজেট-বান্ধব। এক্স২ ডিভাইসটির দাম ৬১ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ওয়াই২ প্লাস-এর দাম ৫৮ হাজার ৯৯০ টাকা।

রুপালি ও ধূসর রঙে এবং সম্পূর্ণ মেটাল বডি ডিজাইনে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে এক্স২ এবং ওয়াই২ প্লাস ল্যাপটপ দুটি। এমন বাজেটে বর্তমান বাজারে এই দুটি ল্যাপটপই সবচেয়ে আকর্ষণীয়। ইনবুক এক্স২ এবং ইনবুক ওয়াই২ প্লাস ল্যাপটপ দুটি পাওয়া যাচ্ছে স্টারটেক ও রায়ানস-এর মতো ইনফিনিক্সের অনুমোদিত রিটেইলার এবং দেশের বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজে।

আরও পড়ুন:
বাজারে এলো ইনফিনিক্সের গেমিং স্মার্টফোন হট ৪০ প্রো
ফ্ল্যাশ লাইট বনাম রিং লাইট: কোনটি বেশি উপযোগী
দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের ইনবুক সিরিজের দুই ল্যাপটপ
সিইএস ২০২৪: স্মার্ট ডিভাইস চার্জ হবে ৮ ইঞ্চি দূর থেকেই
নতুন গেমিং ফোন নিয়ে এলো ইনফিনিক্স

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Corporate Futsal Cup went to the home of the Asian group

এশিয়ান গ্রুপের ঘরেই গেল করপোরেট ফুটসাল কাপ

এশিয়ান গ্রুপের ঘরেই গেল করপোরেট ফুটসাল কাপ
ফাইনালে ম্যাফ সুজ ফুটবল দলকে ৬-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে জয় পায় এশিয়ান গ্রুপ ফুটবল দল।

গায়ে রঙ-বেরঙের টি-শার্ট, মুখে ভুভুজেলা বাঁশির সুর। শত শত ফুটবল সমর্থক গলা ফাটাচ্ছেন এক নাগাড়ে, সঙ্গে ছন্দ মিলিয়ে হাততালি আর ড্রাম বাজানো তো আছেই। আর যাদের ঘিরে এত এত আবেগের বিস্ফোরণ টার্ফের সবুজ গালিচায়, তারা লড়ছেন বুক চিতিয়ে। এর মাঝে এক ঘণ্টার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে জয় তুলে নেয় এশিয়ান গ্রুপ ফুটবল দল।

এশিয়ান গ্রুপ স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ফুটসাল টার্ফের বৃহস্পতিবার রাতের চিত্র এটি। এশিয়ান গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় হওয়া ‘করপোরেট ফুটসাল কাপ’ টুর্নামেন্টের ফাইনাল ছিল এদিন।

ফাইনালে ম্যাফ সুজ ফুটবল দলকে ৬-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে জয় পায় এশিয়ান গ্রুপ ফুটবল দল।

২৪ করপোরেট প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয় এই করপোরেট টুর্নামেন্ট। আট গ্রুপে ২৪ করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ফুটবল দল অংশ নেয়। বৃহস্পতিবার ফাইনাল ম্যাচের মধ্যে দিয়ে পর্দা নামল এই টুর্নামেন্টের।

ফাইনাল ম্যাচ শেষে আয়োজন করা হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের।

এশিয়ান গ্রুপের ঘরেই গেল করপোরেট ফুটসাল কাপ

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউর করিম চৌধুরী।

মেয়র তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘সুন্দর এই আয়োজনের জন্য এশিয়ান গ্রুপকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই খেলার মধ্যে দিয়ে এশিয়ান গ্রুপ প্রমাণ করেছে মাদক-মোবাইলের নেশা থেকে খেলার নেশায় ফিরিয়ে আনা যায়। এই প্রতিযোগিতা বারবার হোক, তরুণ সমাজও উদ্বুদ্ধ হোক। খেলায় যে উদ্দীপনা দেখছি যেন গণজোয়ার ফিরে আসছে।’

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘এতদিন টেলিভিশনে ফুটবল দেখেছি। আজকে প্রথম সামনে সামনে দেখলাম। সত্যি আমি আনন্দিত। ছেলেমেয়েরা মোবাইল-মাদক নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। আমাদের ছেলেমেয়েরা যদি ভালো সুযোগ পায় তাহলে তারা ভালোভাবে গড়ে উঠবে।

‘যে দেশ খেলাধুলায় উন্নত, সেই দেশ এগিয়েও। সেজন্য আমাদের খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে হবে। এশিয়ান গ্রুপকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্যে এশিয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ সালাম বলেন, ‘এশিয়ান গ্রুপ তরুণদের ভালো উদ্যোগের সঙ্গে, খেলাধুলার সঙ্গে সবসময় আছে। সামনের দিনগুলোতেও থাকবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- এশিয়ান গ্রুপের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ সালাম, পরিচালক ওয়াসিফ সালাম, তরুণ উদ্যোক্তা বোরহানুল হাসান চৌধুরী, তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা আরশেদুল আলম বাচ্চু, কাউন্সিলর মোরশেদুল আলম প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The third death anniversary of Khondkar Ibrahim Khaled

খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী কাল

খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী কাল
কর্মজীবনে অগ্রণী ব্যাংক, সোনালী, কৃষি ও পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেনখোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। দীর্ঘদিন তিনি কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর, ব্যাংকিং অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও শিশু সংগঠক খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি)।

কর্মজীবনে অগ্রণী ব্যাংক, সোনালী, কৃষি ও পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেনখোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। দীর্ঘদিন তিনি কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি শিশু-কিশোর সংগঠন কচিকাঁচার মেলার সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া তিনি বিপিএমআই, এমবিএ অ্যাসোসিয়েশন, অর্থনীতি সমিতি, বিএসটিডি, ইনস্টিটিউট অফ ব্যাংকার্স, গবেষণা প্রতিষ্ঠান সমন্বয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।

মৃত্যুদিবস উপলক্ষে মরহুমের জন্মস্থান গোপালগঞ্জের ব্যাংকপাড়ায় খোন্দকার মঞ্জিলে পারিবারিকভাবে দুই দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
India has given permission to export 50000 tons of onions to Bangladesh

বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি ভারতের

বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি ভারতের ফাইল ছবি
ভারতের ভোক্তাবিষয়ক অধিদপ্তরের সচিব রোহিত কুমার সিং বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ, মরিশাসে এক হাজার ২০০ টন, বাহরাইনে তিন হাজার টন এবং ভুটানে ৫৬০ টন পেঁয়াজ অবিলম্বে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছি।’

বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে ভারত।

রপ্তানিকারকরা ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই পেঁয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানি করতে পারবেন। দ্রুতই রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে। খবর বাসসের

ভারতের ভোক্তাবিষয়ক অধিদপ্তরের সচিব রোহিত কুমার সিং বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ, মরিশাসে এক হাজার ২০০ টন, বাহরাইনে তিন হাজার টন এবং ভুটানে ৫৬০ টন পেঁয়াজ অবিলম্বে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই পরিমাণ রপ্তানি করার অনুমতি দেয়া হয়েছে এবং এই লক্ষ্যে কাজ চলছে।

সিং সংবাদ সংস্থাকে বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ভারতের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বাড়াতে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে গত বছরের ডিসেম্বরে পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেশটি।

এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এ মাসের শুরুর দিকে ভারত সফরের সময় পবিত্র রমজান মাসের আগে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে তাদের দাম স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশে পেঁয়াজসহ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্কর এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠকের সময় ড. হাছান ওই পণ্যগুলো বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য আবেদন করেন।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে কমছে পেঁয়াজের দাম
বাংলাদেশে সীমিত আকারে পেঁয়াজ রপ্তানি করবে ভারত
ভারতের চিনি-পেঁয়াজ আসতে পারে রোজার আগেই
ভারত থেকে দেড় লাখ টন পেঁয়াজ চিনি কিনতে চায় সরকার
বেনাপোলে পেঁয়াজের দামে আগুন কেন

মন্তব্য

p
উপরে