× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Fertilizer and commodity imports should not be disrupted Prime Minister
hear-news
player
google_news print-icon

সার ও নিত্যপণ্য আমদানি যেন ব্যাহত না হয়: প্রধানমন্ত্রী

সার-ও-নিত্যপণ্য-আমদানি-যেন-ব্যাহত-না-হয়-প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে সমস্যা হলে দেশের ভেতরে জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়বে। যা প্রকারান্তরে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বাড়িয়ে দেবে।’

ডলার সংকট মোকাবিলায় পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র বা এলসি খোলার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রয়োজনে আমদানি নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর হওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

তবে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে সার ও খাদ্যশস্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি যেন ব্যাহত না হয়, সে জন্য বিশেষ সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী। রোববার দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে সমস্যা হলে দেশের ভেতরে জিনিসপত্রের দাম আরও বাড়বে। যা প্রকারান্তরে সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বাড়িয়ে দেবে।’

বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শেখ হাসিনা। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড.আহমেদ কায়কাউস, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর আব্দুর রউফ তালুকদার, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জেষ্ঠ্য সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, বাণিজ্য সচিব তপনকান্তি ঘোষসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে চলমান ডলার সংকট, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত, আমদানি-রপ্তানি পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে অর্থনীতির হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরা হয়। ডলার সংকটের কারণ জানতে চান প্রধানমন্ত্রী এবং তা মোকাবিলায় কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সে বিষয়ে জানতে চান তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে।

ডলার সংকট মোকাবিলায় সরকার নানা পদক্ষেপ নিলেও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হচ্ছেন না। বরং সংকট আরও গভীর হচ্ছে। এলসি খোলা কমিয়েছে ব্যাংকগুলো। ছোট কিছু ব্যাংক এখন কোনো ধরনের এলসি খুলছে না।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রপ্তানিকারকদের বাইরে কোনো ব্যাংক এলসি খুলতে চাচ্ছে না। খুললেও ২০ হাজার ডলারের বেশি এলসি নিচ্ছে না। এতে স্থানীয় শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকে আছেন বাইরে থেকে কাঁচামাল আমদানি করে শুধু দেশের বাজারে বিক্রি করেন। তাদের ঋণের বিপরীতে সুদ পরিশোধ করতে হচ্ছে, পরিচালন ব্যয় হচ্ছে। অথচ উৎপাদন করতে পারছেন না। ফলে তারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ বলেন, ‘শতভাগ এলসি মার্জিন দিয়ে এলসি খোলার ফলে এমনিতেই খরচ বেড়েছে। কেননা, আগে যেখানে পণ্য আসার পর টাকা দিতে হতো, এখন পণ্য আসার দুই থেকে তিন মাস আগে দিতে হচ্ছে। এর পরও অনেকে এলসি খুলতে পারছেন না।’

তবে ব্যাংক কর্মকর্তারা মনে করেন, ডলার সংকট উত্তরণে এখন রেমিট্যান্স বাড়ানোর ওপর জোর দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রণোদনার হার আড়াই শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা যেতে পারে। পাশাপাশি যেসব বাধা রয়েছে, তা দূর করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, কিছু কিছু খাদ্য পণ্য আমদানিতে এখনও কর-ভ্যাট আরোপ আছে। তা তুলে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন হলে তুলে নিতে হবে। এ জন্য এনবিআরকে পরীক্ষা করে দেখার কথা বলেছেন তিনি।

সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গরিব মানুষকে সাশ্রয়ী দামে চাল ও গম খাওয়াচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘এ সব খাতে যাতে কোন কাটছাঁট না করা হয়। এটা করা হলে গরিবের দুভোর্গ আরও বাড়বে।’

সম্প্রতি দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স আসায় ভাটা পড়ে। ব্যাকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ নিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী। বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এখন আমদানি, প্রবাসী আয়, রপ্তানিসহ বিভিন্ন খাতের জন্য আলাদা বিনিময় হার বা ডলার রেট নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘ডলারের রেটের মধ্যে যে তারতম্য বা ফারাক আছে তা কমিয়ে আনতে হবে।’

বিদ্যুতের কারণে গ্যাস সংকট এখন চরমে পৌঁছেছে। এতে দেশে পণ্য উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, উৎপাদন অব্যাহত রাখতে বেশি দামে হলেও গ্যাস সরবরাহ করতে হবে।

বৈঠকে গ্যাস সংকট সমাধানের পথ খুঁজে বের করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী। বেশি দামে এলএনজি গ্যাস আনা যায় কি না তা পর্যালোচনা করতে বলেন তিনি।

আরও পড়ুন:
রাজনীতির নামে মানুষের ওপর আঘাত এলে রক্ষা নেই: প্রধানমন্ত্রী
সন্তানহারা মায়ের অশ্রু ঝরল প্রধানমন্ত্রীর বুকে
পারস্পরিক অংশীদারত্ব বাড়াতে টোকিও যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Momen wanted more investment from Canada

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রোববার ক্যানচ্যাম-এর নৈশভোজে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস এবং স্ট্রাটেজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা
ক্যানচ্যাম আয়োজিত নৈশভোজ অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কানাডা। আর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ওই বছরেরই ২০ মার্চ। শুরু থেকেই দুই দেশ বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন।’

বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে ঐতিহাসিক বর্ণনা করে বাংলাদেশের উন্নয়নে আরও বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার এটি একটি ভালো সময়।

দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে রোববার রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই নৈশভোজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ক্যানচ্যাম)।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস, এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. খলিলুর রহমান। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে স্ট্রাটেজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরী নাফিজ সরাফাত উপস্থিত ছিলেন।

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রোববার কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বার আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ছবি: নিউজবাংলা

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কানাডা। আর দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় ওই বছরেরই ২০ মার্চ। পরের বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকায় দেশটি দূতাবাস চালু করে।

‘সম্পর্কের শুরু থেকেই দুই দেশ বৈশ্বিক শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও কানাডার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন।’

তিনি বলেন, ‘কানাডা আয়তনে বাংলাদেশের ৬৭ গুণ বড়। তারা জি-৭ সদস্য। জনসংখ্যা মাত্র ৩ কোটি। তাদের প্রতি বর্গমাইলে ১০ জন বাস করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। আমাদের জনসংখ্যা ১৬ কোটি আর প্রতি বর্গমাইলে এখানে ২৯ শ’ মানুষের বসবাস।’

কানাডার প্রচুর জায়গা রয়েছে উল্লেখ করে দেশটিকে কিছু রোহিঙ্গাকে পুনর্বাসনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। একইসঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে কানাডার প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য কানাডার বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে ড. মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার সময় এসেছে। এটি একটি ভালো সময়।’

কানাডার আরও বিনিয়োগ চাইলেন মোমেন

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে রোববার কানাডা-বাংলাদেশ চেম্বারের নৈশভোজে কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস এবং স্ট্রাটেজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

ক্যানচ্যাম সভাপতি মাসুদ রহমান কানাডা থেকে বাংলাদেশে এফডিআই প্রবাহের সুবিধার্থে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈদেশিক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি (ফিপা) স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাণিজ্যের প্রচার ও সম্প্রসারণের জন্য একটি দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরেরও গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।

মাসুদ রহমান বলেন, ‘২০১৯ সালে বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) ৩ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এখানে এফডিআই প্রবাহ বছরে ৩৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি ইতিবাচক দিক।’

ক্যানচ্যাম প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘বাংলাদেশ কানাডার প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার ভারত ও চীনের কাছাকাছি ভৌগোলিকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। আর এসবই বাংলাদেশকে এফডিআই-এর একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় গন্তব্যে পরিণত করেছে। কানাডার জন্য সম্ভাব্য নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগের কেন্দ্র হতে পারে বাংলাদেশ।

‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) কানাডার জন্য একটি কান্ট্রি ডেস্কও প্রতিষ্ঠা করেছে। ওই ডেস্কের মূল উদ্দেশ্য হল কানাডা থেকে এফডিআই সম্পর্কিত সমস্যাগুলো মোকাবেলা করার জন্য বিনিয়োগের জীবনচক্র জুড়ে এন্ড-টু-এন্ড সমর্থন প্রসারিত করা।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের সামনে কানাডার আউটসোর্সিং বাজারের সুযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corruption weakens foundation of state Chief Justice

দুর্নীতি রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করে: প্রধান বিচারপতি

দুর্নীতি রাষ্ট্রের ভিত্তি দুর্বল করে: প্রধান বিচারপতি রোববার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত আলোচনায় সভায় বক্তব্য দেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘দুর্নীতি জনগণকে বিক্ষুব্ধ করে, জন্ম দেয় ক্রোধের। এজন্য দুর্নীতিকে নির্মূল করতে হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গের প্রতি জনগণের আস্থা দৃঢ় করতে সবাইকে সামান্যতম দুর্নীতি থেকেও দূরে থাকতে হবে। সামান্যতম দুর্নীতিও আস্থার জায়গা ধ্বংস করে দেয়।’

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, দুর্নীতি এমন একটি ক্যান্সার যা গণতন্ত্রকে নষ্ট করে, দেশকে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়, রাষ্ট্রের ভিত্তিকে দুর্বল করে দেয়।

সংবিধান দিবস উপলক্ষে রোববার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি আয়োজিত এক আলোচনায় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, দুর্নীতি জনগণকে বিক্ষুব্ধ করে, জন্ম দেয় ক্রোধের। এজন্য দুর্নীতিকে নির্মূল করতে হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গের প্রতি জনগণের আস্থা দৃঢ় করতে সবাইকে সামান্যতম দুর্নীতি থেকেও দূরে থাকতে হবে। সামান্যতম দুর্নীতিও আস্থার জায়গা ধ্বংস করে দেয়।

আগামী প্রজন্মকে দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র উপহার দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পতাকাবাহীদের জন্য আমরা একটি দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রযন্ত্র রেখে যাই, যাতে তারা আরও উজ্জ্বল আলোয় প্রজ্বলিত হয়।

আইনজীবীদের আন্দোলনের গৌরবময় অধ্যায় তুলে ধরে বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, অগণতান্ত্রিক সামরিক শাসন আমলে এ দেশে বিচার বিভাগ নিয়ে অশুভ ও অবাস্তব অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছিল। এরই অংশ হিসেবে অসাংবিধানিক উপায়ে হাইকোর্ট বিভাগকে খণ্ড খণ্ড করে দেশের বিভিন্ন জেলায় বেঞ্চ স্থাপন করা হয়েছিল। গণতন্ত্র নস্যাতের সেই সময়ে আইনজীবীরা তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।

তিনি বলেন, আমাদের সংবিধানের ধারক ও বাহক হিসেবে দেশের সব আইন ও আইনগত কার্যক্রমে সাংবিধানিক চেতনার প্রতিফলন নিশ্চিত করার সুমহান দায়িত্ব বিচার বিভাগের। একটি শক্তিশালী বিচার বিভাগ বাংলার মানুষের আজন্ম লালিত স্বপ্ন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল তারা এবং তাদের বংশধররা চায় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মানুষকে যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তা বাস্তবায়ন না হোক। তারা চান, এদেশের মানুষ আবার তাদের প্রজা হয়ে থাক।

খুনিরা সামরিক শাসনের বোঝা চাপিয়ে দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে এদেশের মানুষের মন থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক ও অবিচ্ছেদ্য। তাই এই দুটোকে যেমন বিচ্ছিন্ন করে ফেলা যাবে না, তেমনি ভোলাও যাবে না।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরে এসেছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমরা যদি সেই চেষ্টায় সহযোগিতা করি, তাহলে শুধু বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন পূরণ হবে না, সেই সোনার বাংলায় যে মানুষ থাকবে তারাও উপকৃত হবেন।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান, বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় রফিক উল হকের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য: প্রধান বিচারপতি
এসব মৃত্যুর শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়: প্রধান বিচারপতি
রাসুল (সা.)-এর দেখানো পথেই আমাদের চলতে হবে: প্রধান বিচারপতি
বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনের চক্রকে চিহ্নিত করতে হবে: প্রধান বিচারপতি
বিচারপ্রার্থীরা আস্থা হারালে বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে: প্রধান বিচারপতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The fall of the government is inevitable Fakhrul

সরকারের পতন অনিবার্য: ফখরুল

সরকারের পতন অনিবার্য: ফখরুল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
মির্জা ফখরুল বলেন, জনবিস্ফোরণ দেখে আওয়ামী লীগ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। বিএনপি এবং বিরোধী দলগুলোর সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও মানবিক কর্মসূচির ওপর বেপরোয়া হামলা শুরু করেছে।

সরকার জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে জনবিস্ফোরণ ঠেকাতে পারবে না। তাদের পতন অনিবার্য বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুর সই করা বিবৃতি রোববার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান সরকার বিরোধী দলহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েমের মাধ্যমে নিজেদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘকাল ভোগ করার বাসনায় লিপ্ত। তাই তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে লাগামহীনভাবে বাধা দিচ্ছে। নির্যাতন চালিয়ে সরকার ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনকে দমাতে পারবে না।

জনবিস্ফোরণ দেখে আওয়ামী লীগ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। বিএনপি এবং বিরোধী দলগুলোর সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও মানবিক কর্মসূচির ওপর বেপরোয়া হামলা শুরু করেছে।

অবৈধ সরকারের লুটেরা বাহিনী বিদেশে বিপুল অর্থবিত্তের পাহাড় গড়ছে। অন্যদিকে দেশের কৃষক যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ফসল উৎপাদন করছে তাদের ওপর চলছে সীমাহীন জুলুম ও অত্যাচার। কৃষকরা এখন অভাব ও দেনার দায়ে জর্জরিত। ক্ষোভ-হতাশা ও বঞ্চনায় তারা আত্মহত্যাও করছে।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলায় কৃষকদল নেতাদের ওপর হামলা চালিয়েছে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা। বারহাট্টা উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল আলম, কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক সুধীন্দ্র চন্দ্র দাসসহ অনেকে আহত হন এ ঘটনায়।

এছাড়া পাবনার ইশ্বরদী উপজেলায় ঋণ নিয়ে ফেরত না দেয়ার অভিযোগে ৩৭ জন কৃষকের নামে মামলা হয়েছে। ১২ কৃষককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঝামেলা না করে নয়াপল্টন দিন: পুলিশকে ফখরুল
রিজার্ভ লুট করে এখন ডিফেন্সিভ পজিশনে: ফখরুল
জনগণের উত্তাল তরঙ্গে আ.লীগ ভেসে যাবে: ফখরুল
ভোট নিয়ে জাপানি দূতের বক্তব্য চরম সত্য কথা: ফখরুল
১০ ডিসেম্বরের উত্তেজনায় ফখরুলের জল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MasterCard Excellence Award Received Cash

মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল নগদ

মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল নগদ
স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়নে অবদান রাখা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়েছে মাস্টারকার্ড। এটি মাস্টারকার্ডের চতুর্থ আয়োজন। এ বছর ১৫টি বিভাগে মোট ২৩টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশের আর্থিক খাতে ডিজিটাল উদ্ভাবনে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ পেয়েছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ। পাশাপাশি মার্চেন্ট ব্যবসায় অনলাইন ক্যাটাগরিতে অবদান রাখায় আরেকটি পুরস্কার পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সম্প্রতি ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘টুওয়ার্ডস আ স্মার্ট ট্রান্সফরমেশন’ শিরোনামে ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২২’-এর আয়োজন করে ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সংস্থা মাস্টারকার্ড। সেখানে দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে নগদ।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নগদ এ তথ্য জানায়।

স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়নে অবদান রাখা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়েছে মাস্টারকার্ড। এটি মাস্টারকার্ডের চতুর্থ আয়োজন। এ বছর ১৫টি বিভাগে মোট ২৩টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এরমধ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠান একাধিক শ্রেণিতে পুরস্কার পেয়েছে। ২০২১-২২ সালের কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ পুরস্কার দেয়া হয়।

এবার মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ড বিল পেমেন্টের জন্য এক্সিলেন্স ইন ডিজিটাল ইনোভেশন ২০২১-২২ অর্জন করেছে নগদ। এছাড়া এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড বিজনেস (মার্চেন্ট) অনলাইন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায় নগদ।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, গেস্ট অব অনার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. খুরশীদ আলম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাস্টারকার্ডের সাউথ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার বিকাশ ভার্মা, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামালসহ পার্টনার ব্যাংক, ফিনটেক ও মার্চেন্ট পার্টনারগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মাস্টারকার্ড সাউথ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার বিকাশ ভার্মা বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখছে এমন সব প্রয়োজনীয় ও অভিনব ডিজিটাল পেমেন্ট সল্যুশন উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুরস্কৃত করতে পেরে মাস্টারকার্ড আনন্দিত।’

নগদ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘নগদ শুরু থেকে প্রযুক্তিগতভাবে একটি ডিজিটাল পেমেন্ট সল্যুশন হিসেবে সবার কাছে স্বীকৃত। সেই স্বীকৃতির সাথে প্রাপ্তি হিসেবে যোগ হলো মাস্টারকার্ডের এই পুরস্কার। আমরা চাই নগদ-এর মাধ্যমে এ দেশের ব্যাংকিং খাতের বাইরে থাকা জনগোষ্ঠী আর্থিক খাতে যুক্ত হোক। কারণ প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক ও সাশ্রয়ী একটি সেবা ডাক বিভাগের নগদ।’

এর আগে বাংলাদেশে প্রথম ই-কেওয়াইসি উদ্ভাবনের জন্য বেস্ট ইনোভেশন ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড, বিশ্ব সেরা ফিনটেক উদ্যোগ হিসেবে ইনক্লুসিভ ফিনটেক ফিফটি অ্যাওয়ার্ড, বেস্ট ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাওয়ার্ড, উইটসা গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড, ডিজিটাল বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড, ই-কমার্স মুভার অ্যাওয়ার্ড, বেস্ট মার্কেটিং কমিউনিকেশন অ্যাওয়ার্ডসহ আরও অনেক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে নগদ।

আরও পড়ুন:
হাত মেলাল ‘নগদ’ ও ইসলামী ব্যাংক
রপ্তানি আয় নগদায়নে সনদ ইস্যু করতে পারবে এডি শাখা
স্তন ক্যানসার সচেতনতা বাড়াতে ‘নগদ’-এর কর্মশালা
বিজনেস ডিরেক্টর অব দ্য ইয়ার হলেন নগদের সিবিও
ডাক বিভাগকে সাড়ে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব দিল ‘নগদ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A set of instructions to the secretaries including the militant issue of the Prime Minister

জঙ্গি ইস্যুসহ সচিবদের একগুচ্ছ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

জঙ্গি ইস্যুসহ সচিবদের একগুচ্ছ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর রোববার সচিব সভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
সচিবদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সভায় জঙ্গি ইস্যু ছাড়াও খাদ্য নিরাপত্তা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে করণীয়, আমদানি ব্যয় সংকোচন, রেমিট্যান্স, বাজার দর ও সুশাসনসহ বেশকিছু বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

জঙ্গি ইস্যুতে সতর্ক থাকাসহ সচিবদের একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রোববার অনুষ্ঠিত সচিব সভায় এসব নির্দেশনা দেন তিনি।

সভা শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রীর অন্য নির্দেশগুলো হলো- খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে করণীয় নির্ধারণ, আমদানি ইস্যুতে ব্যয় সংকোচন, প্রকল্প বাস্তবায়নে ফিজিবিলিটি স্টাডি ঠিকভাবে করা, কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, তথ্য-প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে আয় বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স বাড়ানোর বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ, বাজার দর নিয়ন্ত্রণ, ভূমির ই-রেজিট্রেশন ইস্যু ও সুশাসনের ওপর জোর দেয়া।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বিশেষ করে জঙ্গি বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কারণ পার্বত্য চট্টগ্রামে পুলিশ কিছু জঙ্গিকে ডিটেক্ট করেছে এবং তার মধ্যে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি কিছুসংখ্যক পালিয়ে গেছে।

‘তাদেরকে ট্রাক করে ধরা ও জনগণকে সতর্ক করে দেয়া এবং তারা যেন কোনোভাবেই কারও কোনো শেল্টার বা সহায়তা বা কোনো আর্থিক বেনিফিট নিতে না পারে সেদিকে সবাইকে দৃষ্টি রাখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

সম্প্রতি আদালত চত্বর থেকে দুই জঙ্গি পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বুধবার ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সভায় বিষয়টি আলোচনা করে অনেক ইনিশিয়েটিভ নেয়া হয়েছে।

‘এগুলো তো আর ওপেনলি আলাপ করা যাবে না। বুধবার আমরা সব সংস্থাসহ সবাই বসে কীভাবে কী করা যায়, অনেক ইনফরমেশন তারা অনেক কাছাকাছি নিয়ে এসেছেন।’

সরকারি কর্মচারীদের আর আলাদা করে সম্পদের হিসাব সরকারকে দিতে হবে না বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, ‘এনবিআর, আমি ও জনপ্রশাসন সচিব বসেছিলাম। বিষয়টি ক্লিয়ার করে দিয়েছি, সম্পদের হিসাব আর আলাদা করে দেয়ার দরকার নেই। প্রতি বছর আমরা যে রিটার্ন দেই সেখানে একটি পৃষ্ঠার মধ্যে সম্পত্তির হিসাব দিতে হয়। ওই পেজটা জনপ্রশাসনকে দিয়ে দেব।

‘এনবিআর বলেছে তাদের কোনো আপত্তি নেই। এখন সার্কুলার হয়ে যাবে। আমরা ওই পেজটাই অনলাইনে জনপ্রশাসনকে জমা দিয়ে দেব।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর সফর স্থগিত ‘জাপানে রাজনৈতিক অস্থিরতায়’
সংকট মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা চান প্রধানমন্ত্রী
খাদ্য মজুত ১৫ লাখ টনের নিচে না নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী
সঞ্চয় বাড়ান, মিতব্যয়ী হোন: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Japans Ambassador Good Man Misunderstood as Villain Momen

জাপানের দূত ভালো মানুষ, ভুল বুঝিয়েছে দুষ্টু লোক: মোমেন

জাপানের দূত ভালো মানুষ, ভুল বুঝিয়েছে দুষ্টু লোক: মোমেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি।
‘ওকে (ইতো নাওকি) কোনো দুষ্টু লোক ভুল তথ্য দিয়েছে। তিনি সাধাসিধে মানুষ, বাংলাদেশের ভালো বন্ধু। তাকে বলা হয়েছে পুলিশ এসে ভোট দিয়েছে। সেই কথা সে বলে ফেলেছে। তিনি ভালো মানুষ। এটা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকির বক্তব্যে সরকারের পক্ষ থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এখন বলেছেন, তারা উদ্বিগ্ন নন। তার দৃষ্টিতে জাপানি দূত একজন ভালো মানুষ। তাকে কিছু দুষ্টু লোক ভুল বুঝিয়েছে।

রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ঘুম’ বিষয়ক চিকিৎসকদের এক ওয়ার্কশপ শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ওকে (ইতো নাওকি) কোনো দুষ্টু লোক ভুল তথ্য দিয়েছে। তিনি সাধাসিধে মানুষ, বাংলাদেশের ভালো বন্ধু। তাকে বলা হয়েছে পুলিশ এসে ভোট দিয়েছে। সেই কথা সে বলে ফেলেছে। তিনি ভালো মানুষ। এটা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই।’

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে রাতে ভোট নিয়ে ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাও‌কির সাম্প্রতিক বক্তব্যে নিয়ে ঢাকা উদ্বিগ্ন নয় বলেও জানান মন্ত্রী।

১৪ নভেম্বর রাজধানীতে একটি ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’ অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে বৈশ্বিক মতামতের একটা গুরুত্ব আছে। জাপান ২০১৮ সালের নির্বাচনের পরপর উদ্বেগ জানিয়েছিল। আমরা নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভরে রাখার কথা শুনেছি, যা পৃথিবীর আর কোথাও শুনিনি। আমি আশা করব, এবার তেমন সুযোগ থাকবে না বা এমন ঘটনা ঘটবে না।’

দুই দিন পর মেহেরপুরে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। সেদিন সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘জাপান কেন, কোনো রাষ্ট্রদূতই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে নাক গলাবেন, এটা আমরা কখনোই মেনে নিতে পারি না।

‘তাদের আবারও সতর্ক করা হবে। বাংলাদেশ স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা এ দেশকে স্বাধীন করেছি। ফলে কারও কাছে পদানত হওয়া বা দেশের আত্মমর্যাদা রক্ষায় আমরা কাউকে ছাড় দেব না।’

মন্ত্রী এই বক্তব্য রাখার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইতোকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তলব করেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন। সেখানেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ১৪ নভেম্বর এক অনুষ্ঠানে দেয়া রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

‘রিজার্ভ নিয়ে গণমাধ্যমের বক্তব্যে তাজ্জব হই’

বাংলাদেশের রিজার্ভ নিয়ে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের গণমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনাও করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আপনারা (গণমাধ্যম) মাঝেমধ্যে উল্টাপাল্টা বলেন, আমাদের রিজার্ভ নাই, আমি তাজ্জব হই।

‘আপনারা মাঝেমধ্যে উল্টাপাল্টা বলেন, আমাদের রিজার্ভ নাই। আমি তাজ্জব হই। আগে আমাদের তিন থেকে চার বিলিয়ন রিজার্ভ হলে আপনারা খুশিতে থাকতেন। আর এখন আমার ৩৪ থেকে ৩৭ বিলিয়ন রিজার্ভ, তারপরও আপনারা বলেন। এগুলো পাগলের প্রলাপ না হয় তো কী!

মোমেন বলেন, ‘আপনি (গণমাধ্যম) বলেন, ব্যাংকে টাকা নাই। আমার ট্রিলিয়ন টাকা ব্যাংকে আছে। আপনারা বিভিন্ন রকমের প্রোপাগান্ডা করেন ব্যাংকে টাকা নাই। বাড়িতে নিয়ে রাখেন তখন চুরি করতে পারবে।’

বাংলাদেশ জাপানের কাছে বাজেট সহায়তা হিসেবে ঋণ চেয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এসব আমি জানি না। এগুলো আপনারাই জানেন। আমাদের কোনো প্রয়োজন নাই। ইউ আর ভেরি সলিড ইকোনমি।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচন নিয়ে জাপানি দূতের বক্তব্যে মর্মাহত পুলিশ
কূটনীতিকদের আরও ভেবেচিন্তে কথা বলা উচিত: ইসি আনিছুর
জাপানি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
রাতের ভোট: জাপানি দূতের বক্তব্যে নাখোশ সরকার
রাতে ব্যালট বাক্স ভরার কথা আর কোথাও শুনিনি: জাপানি রাষ্ট্রদূত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona detection reduced to 16

করোনা: শনাক্ত কমে ১৬

করোনা: শনাক্ত কমে ১৬ কমছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৩৯৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ সময় ১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১০ জনই ঢাকার বাসিন্দা। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ।

সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে করোনা শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সকালের পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৩৯৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ সময় ১৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১০ জনই ঢাকার বাসিন্দা। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৫২৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৭৯ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৮ জন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণে সারা দেশে এ পর্যন্ত ২৯ হাজার ৪৩১ জন মারা গেছেন। বর্তমানে শনাক্ত কমে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনায় শনাক্ত ২৩
করোনা: শনাক্ত কমে ২০
করোনা শনাক্ত শূন্যের কোঠায়

মন্তব্য

p
উপরে