× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Housewifes throat cut body found in Khulna
hear-news
player
google_news print-icon

খুলনায় গৃহবধূর গলাকাটা দেহ উদ্ধার

খুলনায়-গৃহবধূর-গলাকাটা-দেহ-উদ্ধার
প্রতীকী ছবি
২৭ বছর বয়সী নিহত গৃহবধূর নাম স্বপ্না খাতুন। ঘটনার পর থেকে স্বামী আবু বক্কর পলাতক আছেন।

খুলনা নগরীর কেডিএ এভিনিউ এলাকার একটি ঘরে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় গৃহবধূর বাক্সবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার রাতের কোনো একসময় হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহত ২৭ বছর বয়সী নারীর নাম স্বপ্না খাতুন। ঘটনার পর থেকে স্বামী আবু বক্কর পলাতক।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার সোনালী সেন বলেন, ‘আবু বক্কর একটি ট্রান্সপোর্ট কোম্পানিতে চাকরি করতেন। রোববার সকালে তিনি কর্মস্থলে না যাওয়ায় ও মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় সহকর্মীরা তাকে খুঁজতে বাসায় যায়।

‘বাসা তালাবদ্ধ দেখার একপর্যায়ে তারা জানালা দিয়ে বিছানায় একটি বাক্স ও আশপাশে রক্ত দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পলিথিনে মোড়ানো মাথা ও একটি কাঠের বাক্সের ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করে।’

আবু বক্করকে খোঁজা হচ্ছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর সাবেক স্বামীর ‘হাতুড়িপেটায়’ মৃত্যু
রূপগঞ্জে এক রাতে দুই গৃহবধূকে হত্যা
সাজেদা-পুত্রের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে চান মেয়র
তারাই আজ গণতন্ত্রের কথা বলছে: আমু
কুকুর লেলিয়ে হিমাদ্রী হত্যা: ৩ জনের ফাঁসি হাইকোর্টে বহাল

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
21 injured including gunshots in Nayapaltan clash

ঢামেকে চিকিৎসা নিয়েছেন সংঘর্ষে আহত ২১ জন

ঢামেকে চিকিৎসা নিয়েছেন সংঘর্ষে আহত ২১ জন বুধবার নয়াপল্টনে সংঘর্ষে পুলিশসহ বিএনপির বেশকিছু নেতাকর্মী আহত হন। ছবি: নিউজবাংলা
পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, পল্টনে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ২১ জন ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসা নিতে আসেন। এর মধ্যে পুলিশসহ তিন জন ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বুধবার বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অন্তত ২১ জন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে গ্রেপ্তারের ভয়ে তাদের অধিকাংশই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে দ্রুত হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বুধবার রাতে এসব তথ্য জানান।

ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক যাদেরকে ভর্তি করে নিয়েছেন তাদের একজন শামীম আহমেদ। তার বাম পা, পিঠ এবং মুখমণ্ডলে শটগানের অসংখ্য গুলির আঘাত রয়েছে। তিনি রূপনগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব।

চিকিৎসাধীন মোহাম্মদ মনির হোসেন রূপনগর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী। তার হাত, বাম পা ও পিঠে অসংখ্য গুলির চিহ্ন রয়েছে।

এ ছাড়া পুলিশ সদস্য কনস্টেবল মাহফুজ ১০০ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিএনপি কর্মীদের ছোড়া ইটে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান।

বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘পল্টনে বিএনপি কর্মীদের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে হাসপাতালে আসা ২১ জনের মধ্যে পুলিশসহ তিন জন ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান।’

এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, সংঘর্ষের পর ঢাকা মেডিক্যালে ১৮ জনের মতো আহত ব্যক্তি আসেন; যাদের প্রায় সবাই গুলিবিদ্ধ।

বুধবার বিকেলের দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিতে নিহত হন মকবুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি।

নিহত মকবুল হোসেনের বড় ভাই আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তার ভাই বিএনপির সমর্থক ছিলেন। তবে মকবুল কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেন তার স্ত্রী হালিমা বেগম।

এদিকে সংঘর্ষের পর দলীয় কার্যালয় থেকে পরোয়ানা থাকায় বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ১০ ডিসেম্বরের বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে আমান উল্লাহ আমান ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মো. হারুন অর রশীদ জানান, বিএনপি কার্যালয় থেকে ৩০০ নেতা-কর্মী ও সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ১৫টি ককটেল উদ্ধারের দাবি করেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই পাশের রাস্তা ধরে পুলিশ হঠাৎ বাঁশি বাজিয়ে টিয়ার শেল ছুড়ে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করা নেতা-কর্মীদের দিকে এগিয়ে আসে। এ পর্যায়ে দলটির নেতা-কর্মীরা পিছু হটেন। মূল সড়কের পাশের অলি-গলিতেও লাঠিপেটা করে পুলিশ।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে নয়াপল্টন এলাকায় একাধিক সাঁজোয়া যান, প্রিজন ভ্যান ও পুলিশের অতিরিক্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করা হয়।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হায়াতুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘১০ তারিখের সমাবেশের এখনও চার-পাঁচ দিন বাকি আছে। কিন্তু বিএনপির নেতা-কর্মীরা আজকে নয়াপল্টনে রাস্তা বন্ধ করে মিছিল-মিটিং শুরু করেছিল।

‘আমরা তাদের এসব বন্ধ করতে বলায় তারা পুলিশের ওপর হামলা করে। এরপর আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিয়েছি। বিএনপি কর্মীদের চারপাশ থেকে হামলার কারণে বাড়তি ফোর্স আনাই। বাড়তি সতর্কতার জন্য সোয়াট সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ করেন।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির কার্যালয় থেকে খিচুড়ি জব্দ
পল্টনে হামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি আইনজীবীদের
সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নয়াপল্টন ছাড়লেন ফখরুল
ভাইয়ের দাবি নিহত মকবুল বিএনপি সমর্থক, স্ত্রীর ‘না’
শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Navanna festival with pitha puli and dance song

পিঠা-পুলি আর নাচ-গানে নবান্ন উৎসব

পিঠা-পুলি আর নাচ-গানে নবান্ন উৎসব ছবি: নিউজবাংলা
উৎসবে প্রধান অতিথি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘আমাদের দেশীয় অনেক ঐতিহ্য রয়েছে, তা আমাদের লালন করতে হবে। নিজেদের সংস্কৃতিকে অস্বীকার করা যাবে না।’

নতুন ধানের মৌ মৌ গন্ধে শুরু হয় নবান্ন। ঘরে ঘরে পিঠা-পুলির নানা আয়োজন। এমন আনন্দ আর উৎসব গ্রাম বাংলায় চিরন্তন।

এবার নতুন ধানের ভাপা পিঠা, রস পিঠা, তিল পিঠা, আন্ধাসা, চিতই পিঠা, খেজুর গুড়ের পিঠাসহ হরেক রমকের খাবার প্রদর্শনী এবং লোকজ সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মধ্য দিয়ে চাঁদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে নবান্ন উৎসব।

চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে বুধবার গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন।

পিঠা-পুলি আর নাচ-গানে নবান্ন উৎসব

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশীয় অনেক ঐতিহ্য রয়েছে, তা আমাদের লালন করতে হবে। নিজেদের সংস্কৃতিকে অস্বীকার করা যাবে না।’

জেলা প্রশাসক কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল।

আরও পড়ুন:
ওয়ানগালায় মুখরিত গারো পাহাড়
নবান্নের আয়োজনে মেতেছে নওগাঁ
শিল্পকলায় নাচে গানে নবান্ন উৎসব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP called for protest

বিক্ষোভের ডাক দিল বিএনপি

বিক্ষোভের ডাক দিল বিএনপি   কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভে ডেকেছে বিএনপি। ছবি: নিউজবাংলা
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান এবং দলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার মহানগর ও জেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ ডেকেছে বিএনপি।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশের অভিযান এবং দলের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার মহানগর ও জেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ ডেকেছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার রাত ১১টা ১২ মিনিটে এ তথ্য জানানো হয় গণমাধ্যমে।

এতে বলা হয়, বিনা উসকানিতে ১০ ডিসেম্বর ঢাকা বিভাগীয় গণ-সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের অহেতুক, অযাচিত ও কাপুরুষোচিত গুলিবর্ষণ, হামলা এবং পুলিশের গুলিতে পল্লবী থানার ৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মকবুল হোসেনের মৃত্যু, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহ্বায়ক আবদুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিশেষ সহকারী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, দলের প্রচার সম্পাদ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীসহ সহস্রাধিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার, হয়রানি এবং আহত করার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী মহানগর ও জেলা পর্যায়ে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি হবে।

বিক্ষোভের ডাক দিল বিএনপি

রাজধানীর নয়াপল্টনে বুধবার বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও এর আশপাশে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তাদের সঙ্গে বিএনপি কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। গ্রেপ্তার হন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আটক করা হয় বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিসহ অন্তত ৩০০ নেতা-কর্মী।

এমন প্রেক্ষাপটে বুধবার রাত ৮টায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন দলের স্থায়ী কমিটির ১০ সদস্য।

মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম আলমগীর, সেলিমা রহমান এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর অংশগ্রহণে সভায় বিক্ষোভ কর্মসূচির সিদ্ধান্ত হয়।

আরও পড়ুন:
সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নয়াপল্টন ছাড়লেন ফখরুল
ভাইয়ের দাবি নিহত মকবুল বিএনপি সমর্থক, স্ত্রীর ‘না’
শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই: ফখরুল
নয়াপল্টনে পুলিশি হামলার নিন্দা বাম জোটের
১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Discussion in DU on the occasion of the founding anniversary of Revolutionary Student Alliance

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাবিতে আলোচনা

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাবিতে আলোচনা বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার লেকচার হলে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন আনু মুহাম্মদ। ছবি: নিউজবাংলা
আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘আমাদের খাদ্য উৎপাদন ১৯৭৪ সালের তুলনায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর জনসংখ্যা বেড়েছে প্রায় আড়াই গুণ। সে হিসাবে দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হওয়ার কথা না। অথচ প্রধানমন্ত্রী নিজেই দুর্ভিক্ষের কথা বলেছেন। মুদ্রাস্ফীতি এবং জিনিসের দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। সে কারণে সংকট ঘনীভূত হচ্ছে।’

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘উন্নয়ন ও দুর্ভিক্ষের রাজনীতি: কোথায় যাচ্ছে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার লেকচার হলে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ছাত্র মৈত্রীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

সভায় আলোচক ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, লেখক-গবেষক ড. মাহা মির্জা ও বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদেকুল ইসলাম সোহেল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি জাবির আহমেদ জুবেলের সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন ঢাবি শাখার সদস্য সাইফ আল রিদওয়ান।

আলোচনায় আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘১৯৪৩ ও ১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষে খাদ্য উৎপাদনে কোনো ঘাটতি ছিল না। সে সময় সাপ্লাই চেইন ভেঙে গিয়েছিল এবং মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গিয়েছিল। কৃত্রিম সংকট তথা গুদামজাতকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতাও দুর্ভিক্ষের জন্য দায়ী ছিল।

‘বর্তমানে আমাদের খাদ্য উৎপাদন ১৯৭৪ সালের তুলনায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু জনসংখ্যা বেড়েছে প্রায় আড়াই গুণ। সে হিসাবে দেশে খাদ্য সংকট তথা দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হওয়ার কথা না। অথচ আমাদের প্রধানমন্ত্রী নিজেই দুর্ভিক্ষের কথা বলেছেন। মুদ্রাস্ফীতি এবং জিনিসের দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। সে কারণে সংকট ঘনীভূত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, বর্তমানে ৬৫ ভাগ মানুষ কখনো না কখনো অনাহারে থাকছে। দেশে একটা নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে। বাংলাদেশের ক্যাপিটালিস্ট শ্রেণী গত কয়েক দশকে সংঘবদ্ধ হয়েছে। তারা এদেশকে মুনাফা ও সম্পদ সংগ্রহের স্থান হিসেবে ব্যবহার করছে। তাদের কাছে আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বলে কিছু নেই।’

আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার এতো বছর পরও এদেশে পাবলিক ইন্টারেস্টের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো কিছুরই উন্নতি হয়নি। সরকার মেট্রোরেল, ছয় লেন, আট লেনে বেশি আগ্রহী। কেননা এগুলোতে লুটপাট চালানো যায়। কিন্তু রেলওয়ের উন্নতিতে তাদের কোনো মনোযোগ নেই। গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল মার্কেট তথা আইএমএফ, ডব্লিউএইচও-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটা আশীর্বাদ। এদের এমন একটা ব্যবস্থা দরকার যেখানে কোনো ট্রান্সপারেন্সি থাকবে না।’

ড. মাহা মির্জা বলেন, ‘দুর্ভিক্ষ একদিনে হয় না। দীর্ঘদিনের ধারাবাহিকতায় আজকের এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আমাদের অর্থনীতিবিদরা এগুলো নিয়ে কখনও কথা বলেননি। যা কিছু ঘটছে এগুলোর পেছনে আইএমএফ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ইনভেস্টমেন্ট সংগঠনের ম্যানিপুলেটেড ইনফরমেশন ও মিডিয়া ট্রায়াল সবচেয়ে বেশি দায়ী।’

সাদিকুল ইসলাম সোহেল বলেন, ‘শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রীয় সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে। দ্রব্যমূল্যের দাম লাগামহীন। তবু তারা ক্ষমতা থেকে নামবে না। ফ্যাসিবাদী সরকার ক্ষমতায় থাকায় যা হওয়ার তাই হচ্ছে। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে টেনে নামাতে হবে।’

আরও পড়ুন:
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী ঢাবি শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত
ঢাকা মহানগরে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর আহ্বায়ক কমিটি গঠন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP office as it is now after the police raid

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন সংঘর্ষ ও অভিযানের পর বুধবার রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ছিল লণ্ডভণ্ড অবস্থা। ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার রাত ৯টার দিকে নয়াপল্টন এলাকায় গিয়ে সুনসান নীরবতা দেখা যায়। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়টি যেন পরিণত হয়েছে ভূতের বাড়িতে। কার্যালয়ের ভেতরে যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আসবাবপত্র। ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে কিছু কক্ষের দরজা। এছাড়া অসংখ্য পানির বোতল, পেঁয়াজ, রসুনও পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

রাজধানীর নয়াপল্টন বুধবার দুপুরের পর থেকে যেন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে চলা সংঘর্ষ ও পুলিশের অভিযানে একজন নিহত ও অন্তত ১৮ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১০ ডিসেম্বরের বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে আমান উল্লাহ আমান ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। দিন শেষে পুলিশ জানায়, অন্তত ৩০০ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে রাত ৯টার দিকে কার্যালয় এলাকায় গিয়ে সুনসান নীরবতা দেখা যায়। কার্যালয়টি যেন পরিণত হয়েছে ভূতের বাড়িতে। কার্যালয়ের ভেতরে যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আসবাবপত্র। ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে কিছু কক্ষের দরজা। এছাড়া অসংখ্য পানির বোতল, পেঁয়াজ, রসুনও পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

বুধবার রাত ৯টার দিকে বিএনপি কার্যালয়ে প্রবেশ করার সুযোগ পান গণমাধ্যমকর্মীরা। কলাপসেবল গেট পেরিয়ে ভেতরে যেতে মোবাইলের আলো ব্যবহার করতে হয়েছে।

নিচতলায় প্রবেশমুখেই জিয়াউর রহমানের একটি ভাস্কর্য রয়েছে, যেটি কাঁচ দিয়ে ঘেরা ছিল। তবে তা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়।

নিচতলা থেকে সিঁড়ি ভেঙে উপরে উঠতে চোখে-নাকে অনুভূত হয় টিয়ারশেলের ঝাঁজ। ছয়তলা ভবনটি ছিল জনমানবশূন্য।

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন

দ্বিতীয় তলায় আছে মহিলা দলের কার্যালয়। সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে চেয়ার-টেবিলসহ অন্যান্য সরঞ্জাম। একটি কক্ষে স্তূপ করে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায় অসংখ্য পানির বোতল।

তৃতীয় তলায় জেনারেল সেক্রেটারির কক্ষ। সেটির দরজাও ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়।

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন
বুধবার রাত ৯টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কের চিত্র। ছবি: নিউজবাংলা

চতুর্থ তলার ছাত্রদল, যুবদল ও কৃষকদলের কার্যালয়ে আসবাবপত্র এলোমেলা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। মেঝেতে কিছু কাপড়ের পোড়া অংশ পাওয়া গেছে।

ধারণা করা হয়, টিয়ার শেলের ঝাঁজ থেকে মুক্তি পেতে কাপড় পোড়ানো হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি কক্ষের টেবিলে ছড়িয়ে ছিল কাগজপত্র।

পঞ্চম তলায় জাসাসের কার্যালয় এবং ষষ্ঠ তলায় জিয়া স্মৃতি পাঠাগার। অন্যান্য তলার মতো এই দুই তলাতেও আসববাবপত্র ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় পাওয়া যায়।

কার্যালয় বা সড়কে বিএনপির কাউকে দেখা না গেলেও নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। রয়েছে রায়ট কার ও ব্যারিকেড। থমথমে পরিস্থিতি রিরাজ করছে পুরো নয়াপল্টন এলাকায়।

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন

বুধবার বিকেলের দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিতে নিহত হন মকবুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি।

নিহত মকবুল হোসেনের বড় ভাই আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তার ভাই বিএনপির সমর্থক ছিলেন। তবে মকবুল কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেন তার স্ত্রী হালিমা বেগম। সংঘর্ষে অন্তত ১৮ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে সংঘর্ষের পর দলীয় কার্যালয় থেকে পরোয়ানা থাকায় বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ১০ ডিসেম্বরের বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে আমান উল্লাহ আমান ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মো. হারুন অর রশীদ জানান, বিএনপি কার্যালয় থেকে ৩০০ নেতা-কর্মী ও সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ১৫টি ককটেল উদ্ধারের দাবি করেন তিনি।

বুধবার বিকেলে এ সংঘর্ষের পর পুরো এলাকায় তৈরি হয় থমথমে পরিবেশ।

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই পাশের রাস্তা ধরে পুলিশ হঠাৎ বাঁশি বাজিয়ে টিয়ার শেল ছুড়ে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করা নেতা-কর্মীদের দিকে এগিয়ে আসে। এ পর্যায়ে দলটির নেতা-কর্মীরা পিছু হটেন। মূল সড়কের পাশের অলি-গলিতেও লাঠিপেটা করে পুলিশ।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে নয়াপল্টন এলাকায় একাধিক সাঁজোয়া যান, প্রিজন ভ্যান ও পুলিশের অতিরিক্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করা হয়।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হায়াতুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘১০ তারিখের সমাবেশের এখনও চার-পাঁচ দিন বাকি আছে। কিন্তু বিএনপির নেতা-কর্মীরা আজকে নয়াপল্টনে রাস্তা বন্ধ করে মিছিল-মিটিং শুরু করেছিল।

‘আমরা তাদের এসব বন্ধ করতে বলায় তারা পুলিশের ওপর হামলা করে। এরপর আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিয়েছি। বিএনপি কর্মীদের চারপাশ থেকে হামলার কারণে বাড়তি ফোর্স আনাই। বাড়তি সতর্কতার জন্য সোয়াট সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ করেন।’

আরও পড়ুন:
ভাইয়ের দাবি নিহত মকবুল বিএনপি সমর্থক, স্ত্রীর ‘না’
শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই: ফখরুল
নয়াপল্টনে পুলিশি হামলার নিন্দা বাম জোটের
১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
বিএনপিকে ডিএমপির হুঁশিয়ারি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A fire broke out in a chemical shop in Khulna

খুলনায় মার্কেটে আগুন

খুলনায় মার্কেটে আগুন
খুলনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক ফারুক হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে খুলনার বিভিন্ন স্টেশনের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেছে। এখন ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে।’

খুলনা মহানগরীর বড়বাজারের হকার্স মার্কেটের একটি কেমিক্যাল এর দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিটের প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।

ক্লে রোডে অবস্থিত ওই মার্কেটে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

খুলনা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক ফারুক হোসেন রাত ১২টার দিকে বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে খুলনার বিভিন্ন স্টেশনের ৫টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেছে। এখন ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে।

‘হকার্স মার্কেটের একটি কসমেটিকের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। সেখান থেকে আরও দুটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। ধারণা করা হয়েছিল দোকানগুলিতে কেমিক্যাল রয়েছে। পরে দেখা গেছে সেখানে রং, পারফিউম ও কসমেটিকের বিভিন্ন পণ্য ছিল।’

আগুন লাগার কারণ তদন্তের পর জানা যাবে বলেও জানান তিনি।

খুলনায় মার্কেটে আগুন

পুরো মার্কেটে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘খুলনার বড়বাজারটি মারাত্মক অগ্নিঝুঁকিতে আছে। আমরা বারবার চেষ্টা করেও এখানের ব্যবসায়ীদের নিয়ে মহড়া দিতে পারিনি। ব্যবসায়ীর আমাদের কথা শুনেন না।’

আরও পড়ুন:
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ
তুলার গুদামে আগুন
তিন ঘণ্টা পুড়িয়ে নিভল মার্কেটে লাগা আগুন
ভৈরবে মার্কেটে আগুন
অটোরিকশায় আগুন দেয়ার অভিযোগে বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 14 years Awami League woke up BNP Mirza Azam

১৪ বছর পর আওয়ামী লীগের ঘুম ভাঙাল বিএনপি: মির্জা আজম

১৪ বছর পর আওয়ামী লীগের ঘুম ভাঙাল বিএনপি: মির্জা আজম মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মির্জা আজম। ছবি: নিউজবাংলা
মির্জা আজম বলেন, ‘বাংলাদেশ ছিল বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্রতম দেশ ও একটা ভিক্ষুকের জাতি। গত ১৪ বছরে সেই জাতি আজ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছেছে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগের নেতারা ১৪ বছর ঘুমিয়েছিলেন। সেই ঘুম ভাঙিয়ে দিয়েছে ফখরুল ইসলাম আলমগীররা।

এভাবে নেতা-কর্মীদের ঘুম ভাঙিয়ে দেয়ার জন্য বিএনপির নেতাদের তাই ধন্যবাদ জানিয়েছেন মির্জা আজম।

বুধবার সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মির্জা আজম বলেন, ‘১৪ বছরের ক্ষমতার আমলে আওয়ামী লীগের সকল নেতা ঘুমিয়েছিল। সেই ঘুম ভাঙিয়ে দিয়েছে ফখরুল ইসলাম আলমগীররা (বিএনপি)। তারা বলেছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বরের পর থেকে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ চলবে এবং ১১ ডিসেম্বর তারেক জিয়া বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসবেন। এসব কথা বলে তারা আওয়ামী লীগের ঘুম ভাঙিয়ে দিয়েছে।’

এ সময় সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে মির্জা আজম বলেন, ‘বাংলাদেশ ছিল বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্রতম দেশ ও একটা ভিক্ষুকের জাতি। গত ১৪ বছরে সেই জাতি আজ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছেছে। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আরও এগিয়ে যাবে। শেখ হাসিনার লক্ষ্য আগামী ৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমেরিকা ও ইউরোপ বানাবেন এবং উন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে বিশ্বের মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা করবেন।’

এ সময় তিনি সংগঠনের গঠনতন্ত্র মেনে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটিগুলোকে প্রত্যেক মাসে নির্বাহী সভা, তিনমাস পর বর্ধিত সভা ও ছয় মাস পর পর কর্মীসভা এবং বছর শেষে একবার করে জনসভা করার আহ্বান জানান।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইস্রাফিল হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মমতাজ বেগম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবিএম রিয়াজুল কবির কাওসার, শাহাবুদ্দিন ফরাজী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মহীউদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালামসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলন শেষে দলীয় নেতা-কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে আগামী তিন বছরের জন্য মানিকগঞ্জ সদরে মো. ইস্রাফিল হোসেনকে সভাপতি ও আফসার উদ্দিন সরকারকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

এ ছাড়াও মানিকগঞ্জ পৌরসভায় আরশেদ আলী বিশ্বাসকে সভাপতি ও মো. জাহিদুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
২০২৪-এর প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন, ভোট চাইলেন শেখ হাসিনা
বিএনপি কার্যালয় ঘিরে পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট
দ্বিধা নয়, ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ হবেই: ফখরুল
১০ ডিসেম্বর সংঘাতের শঙ্কায় যুক্তরাজ্যের ভ্রমণ সতর্কতা
সমাবেশ নিয়ে সমঝোতায় আসবে বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

p
উপরে