× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Initiatives to reach diabetic services at marginal level
hear-news
player
google_news print-icon

প্রান্তিক পর্যায়ে ডায়াবেটিক সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ

প্রান্তিক-পর্যায়ে-ডায়াবেটিক-সেবা-পৌঁছানোর-উদ্যোগ
কুষ্টিয়ার রুরাল হেলথ কেয়ার সেন্টারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করছে। ছবি: নিউজবাংলা
কুষ্টিয়ায় গ্রামের মানুষের হাতের নাগালে নেয়া হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। বাড়ির পাশেই যেমন ‘ফি’ না দিয়েই তারা দেখাতে পারছেন ঢাকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, তেমনি বিনা মূল্যে পাচ্ছেন ইসিজি, সনোগ্রাফি, রক্ত পরীক্ষার সুযোগ।

গ্রামপর্যায়ে চিকিৎসাসেবা বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের সেবা দিতে কুষ্টিয়ায় যৌথ উদ্যোগে কাজ করছে বিভিন্ন সংস্থা। প্রায়ই গ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। সঙ্গে নেয়া হচ্ছে পোর্টেবল ইসিজি মেশিনসহ আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম। গ্রামে বসানো হচ্ছে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। চিকিৎসাসেবা ছাড়াও গ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করতে এসব উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

কুষ্টিয়ায় গ্রামের মানুষের হাতের নাগালে নেয়া হচ্ছে চিকিৎসাসেবা। বাড়ির পাশে যেমন ‘ফি’ না দিয়েই তারা দেখাতে পারছেন ঢাকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, তেমনি বিনা মূল্যে পাচ্ছেন ইসিজি, সনোগ্রাফি, রক্ত পরীক্ষার সুযোগ। কুষ্টিয়া ডায়াবেটিক হাসপাতাল, রুরাল হেলথ কেয়ার সেন্টারসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এ রকম বেশ কয়েকটি হেলথ ক্যাম্পের আয়োজন করেছে।

শহরে-গ্রামে প্রায়ই আয়োজন করা হয় সচেতনতা সভা ও সেমিনারের। সম্প্রতি এমন একটি সেমিনারে যুক্তরাষ্ট্রের ডায়াবেটিস রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. এস এ ওয়াজেদ এসেছিলেন কুষ্টিয়ায়। তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির এমন মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের চিকিৎসাবঞ্চিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ও সচেতনতা বাড়াতে তারা কাজ করছে। এটা বিশ্বের অনেক দেশের জন্যই একটি অনুকরণীয় উদাহরণ হতে পারে।’

তার দেয়া হিসাব অনুযায়ী, আফ্রিকার দেশগুলোর পর সবচেয়ে বেশি ৯ কোটি ডায়াবেটিক রোগী আছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়। এর মধ্যে বাংলাদেশেই আছে ১ কোটি। প্রান্তিক পর্যায়ে হাতের নাগালে ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানান তিনি। এসব আয়োজনে প্রায়ই আসেন বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির চেয়ারম্যান ও জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান।

গত মাসে কুষ্টিয়ার মিরপুরে এক আয়োজনে তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। আমাদের দেশও এর ব্যতিক্রম নয়। অসচেতনতা ও দীর্ঘমেয়াদি জটিলতায় মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ায় এ নিয়ে দুশ্চিন্তাও বাড়ছে। ডায়াবেটিসের হাত থেকে বাঁচতে সচেতনতার ওপর জোর দেওয়ার এখন সময় এসেছে। ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রান্তিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

‘এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি দেশের মানুষের চিকিৎসাসেবা ও সচেতনতা বাড়াতে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে রুরাল হেলথ কেয়ার মেডিক্যাল সার্ভিসের মাধ্যমে ‍কাজ শুরু করেছে। আশা করছি এর মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বড় একটা অংশ চিকিৎসাসেবা পাবে এবং ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতন হবে।’

সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর ও খোকসা উপজেলায় আধুনিক ডিজিটাল যন্ত্রপাতির মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে রুরাল হেলথকেয়ার মেডিক্যাল সার্ভিস সেন্টার। এ চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র চালুর ফলে গরিব মানুষের পাশাপাশি সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য গ্রামেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে আধুনিক চিকিৎসাসেবার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জাতীয় অধ্যাপক আজাদ খান নিজে গ্রামের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা দেন।

কুষ্টিয়া জেলা ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি মতিউর রহমান লাল্টু বলেন, ‘সরকারিভাবে যদি উদ্যোগ নিয়ে গ্রামে হেলথ সেন্টার করা হয়, তাহলে প্রান্তিক অনেক মানুষ উপকৃত হবেন। অনেকে জানেনই না তারা ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এবং প্রান্তিক পর্যায়ে ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা বাড়ানো গেলে প্রান্তিক মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠবে এবং তাদের সঠিক চিকিৎসা পাবে।’

গত সপ্তাহে খোকসা উপজেলার শোমসপুর ইউনিয়নের কাদিরপুর এলাকায় রুরাল হেলথ কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে।

এ সময় এটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আহসান নবাব বলেন, ‘প্রান্তিক পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সহযোগিতায় মেধাবী দক্ষ চিকিৎসক দ্বারা ডিজিটাল যন্ত্রপাতির মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। গ্রাম অঞ্চল থেকে যারা শহরে চিকিৎসা নিতে যান, তাদের আর কষ্ট করে দূর-দূরান্তের পথ পাড়ি দিতে হবে না। তারা সহজেই এখান থেকে চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন।’

দুই মাস আগে মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ানে রুহিনা মেমোরিয়াল হাসপাতাল নামে একটি হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এটির প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল্লাহ হিল কাফী বলেন, ‘গ্রামের মানুষ যাতে সচেতন হয়, ভালো স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে জন্য প্রফেসর আজাদ খানের আহ্বানে তিনি এটি করছেন।’

আরও পড়ুন:
করোনা থেকে সেরে ওঠা ১০ ভাগ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত
করোনায় বেড়েছে ডায়াবেটিস রোগীদের বিষণ্নতা
সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার ঘোষণার দাবি ইনুর
করোনায় বাড়ছে শিশুর ডায়াবেটিস
ইনসুলিনের বিকল্প পেলেন বিজ্ঞানীরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
25 children died in Mymensingh Medical in two days

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে দুই দিনে ২৫ শিশুর মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে দুই দিনে ২৫ শিশুর মৃত্যু ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বাড়ছে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা। ছবি: নিউজবাংলা
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. ওয়ায়েজ উদ্দিন ফরাজি বলেন, হাসপাতালের শিশু ও নবজাতক ওয়ার্ডে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ১১ নবজাতক এবং পরের ২৪ ঘণ্টায় ১৪ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। সব শিশুই শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল।

শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দুইদিনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত শিশু ওয়ার্ডে মারা যাওয়া শিশুগুলোর বয়স ১ থেকে ২৮ দিন।

হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. ওয়ায়েজ উদ্দিন ফরাজি নিউজবাংলাকে বলেন, হাসপাতালের শিশু ও নবজাতক ওয়ার্ডে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ১১ নবজাতক এবং পরের ২৪ ঘণ্টায় ১৪ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। সব শিশুই শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল।

তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন হাসপাতালের ওয়ার্ডে শীতজনিত শ্বাসকষ্ট এবং নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে ওয়ার্ডটিতে ৬২৩ নবজাতক ও শিশু ভর্তি আছে। বেশিরভাগই শীতজনিত সমস্যায় ভুগছে। নবজাতক ও শিশুর সুচিকিৎসায় চিকিৎসক-নার্স এবং অন্য কর্মচারীরা তৎপর রয়েছেন।

হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, এ সময়টাতে প্রতিবছরই শিশু ও নবজাতকরা শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়। প্রতিদিনই ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আমরাও যথাসম্ভব সেবা দিচ্ছি।

শীতকালে বাড়িতে শিশুদের বাড়তি যত্ন নেয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
নিউমোনিয়া: শিশু ও বয়স্কদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি
বায়ুদূষণে বাড়ছে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি
নিউমোনিয়া: এক সপ্তাহে রোগী সহস্রাধিক শিশু
বাগেরহাটে এক মাসে হাসপাতালে ১০ হাজার শিশু
শীতের বিদায়বেলায় শিশুদের নিউমোনিয়ার প্রকোপ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dengue detected 351 on deathless days

মৃত্যুশূন্য দিনে ডেঙ্গু শনাক্ত ৩৫১

মৃত্যুশূন্য দিনে ডেঙ্গু শনাক্ত ৩৫১ হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্তদের অনেকে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বর্তমানে সারাদেশে ১ হাজার ৭১০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৯৩৩ ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ৭৭৭ জন।

এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও ৩৫১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে শনিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আক্রান্তদের কেউ মারা যাননি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৫১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত কারও মৃত্যু হয়নি।

ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২০৭ জন রোগী। একই সময়ে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪৪ জন ডেঙ্গু রোগী।

বর্তমানে সারাদেশে ১ হাজার ৭১০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৯৩৩ ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ৭৭৭ জন।

এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৫৪ জনের। যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ হাজার ২০৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৭ হাজার ১০ জন ও ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ১৯৯ জন।

এ পর্যন্ত ডেঙ্গু থেকে সেরে উঠেছেন ৫৬ হাজার ২৪৫ জন। ঢাকা ৩৫ হাজার ৯২২ জন এবং ঢাকার বাইরে সুস্থ হয়েছেন ২০ হাজার ৩২৩ জন।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে আরও চার মৃত্যু
মৃত্যুশূন্য একদিন পর ডেঙ্গুতে আবার ৩ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিন, শনাক্ত ৩৬৬
ডেঙ্গুতে ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ৫২৩ জন
ডেঙ্গুর জ্বরে আক্রান্ত গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona detection is near zero

করোনা শনাক্ত শূন্যের কোটায়

করোনা শনাক্ত শূন্যের কোটায় করোনার সংক্রমণ কমে আসছে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১১ জন ঢাকার বাসিন্দা।

করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ঘুরছে শূন্যের কোটায়। কার্যত পঞ্চম ঢেউয়ে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সারা দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জনের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এ সময় করোনা শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৩৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১১ জন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছে ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩৩ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছে ৬৮ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৮৩০ জন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনা জয় সদ্য মাতৃত্বের সুখের মতো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
করোনায় ১ মৃত্যু, শনাক্ত ১১
করোনায় ফের মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৩৩
করোনায় ফের মৃত্যু, শনাক্ত তলানিতে
করোনায় শনাক্ত ১৯, মৃত্যু নেই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The role of health workers is important in maintaining the good health of refugees

‘কক্সবাজারে বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্প’

‘কক্সবাজারে বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্প’ মিডিয়া বিফ্রিংয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রস আধানম বলেন, ‘অভিবাসন এবং বাসস্থানের পরিবর্তন শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত পার্থক্য, আর্থিক বাধা এবং বৈষম্য সবই তাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা দানের পথকেও বাধাগ্রস্ত করতে পারে।’

বিশ্বে বর্তমানে আটজনের মধ্যে একজন অর্থাৎ ১০০ কোটির বেশি অভিবাসী রয়েছে। ২৮১ মিলিয়ন আন্তর্জাতিক অভিবাসীসহ কয়েক মিলিয়ন রাষ্ট্রহীন রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন, বৈষম্য বেড়ে যাওয়া, পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, বাণিজ্য এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি এই সমস্যাকে বাড়িয়ে তুলছে। শরণার্থী ও অভিবাসীদের সুস্বাস্থ্য রক্ষা এবং সব ধরনের চাহিদা পূরণে স্বাস্থ্যকর্মীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বনানী শেরাটনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), বাংলাদেশ আয়োজিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলা হয়। ডব্লিউএইচও ঢাকায় শরণার্থী এবং অভিবাসীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বার্ষিক গ্লোবাল স্কুলের তৃতীয় সংস্করণের আয়োজন করতে যাচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রস আধানম বলেন, ‘অভিবাসন এবং বাসস্থানের পরিবর্তন শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত পার্থক্য, আর্থিক বাধা এবং বৈষম্য সবই তাদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা দানের পথকেও বাধাগ্রস্ত করতে পারে।’

তিনি বলেন, এই বাধাগুলো অতিক্রম করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শরণার্থী এবং অভিবাসীদের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় ‘ডব্লিউএইচও গ্লোবাল স্কুল’ স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্ষমতা তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যদিও সব শরণার্থী এবং অভিবাসীরা দুর্বল না। তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বৈষম্য থেকে দরিদ্র জীবনযাপন, আবাসন এবং কাজের পরিস্থিতির স্বীকার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্থানীয় পরিচালক পুনম ক্ষেত্রপাল সিং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘স্বাস্থ্য এমন একটি মানবাধিকার যা সবার জন্যই মৌলিক। বিশেষ করে শরণার্থী এবং অভিবাসীদের জন্য আরও বেশি। কারণ তাদের মধ্যে যারা ঝুঁকিতে রয়েছেন বা ইতিমধ্যেই পিছিয়ে রয়েছেন।’

প্রতি বছর বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত গ্লোবাল স্কুলের লক্ষ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং সেসব দেশের সরকারের সহযোগিতায় দেশগুলোর শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো।

পুনম ক্ষেত্রপাল সিং বলেন, ‘এই বছর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ৭.১ মিলিয়নেরও বেশি বাংলাদেশি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। যা ২০৫০ সালের মধ্যে ১৩.৩ মিলিয়নে পৌঁছাতে পারে। ১৯৭৮ সাল থেকে দেশের কিছু মানুষকে বাস্তুচ্যুত করা হয়। পাশাপাশি মিয়ানমারের নাগরিকদের জোর করে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। যাদের প্রত্যেকের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন। আর কক্সবাজারকে বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পগুলির মধ্যে একটি চিহ্নিত করা হয়েছে।’

স্থানীয় পরিচালক বলেন, ‘বাংলাদেশ শুধুমাত্র তাদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবাই দেয়নি। এর মধ্যে সম্প্রতি কোভিড টিকাও দিয়েছে। তবে ডব্লিউএইচও গ্লোবাল স্কুল প্রধান সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং আইনি দুর্বলতাগুলি দূর তরতে সমন্বিত চেষ্টা করছে।’

আরও পড়ুন:
করোনার প্রথম দুই বছরে অতিরিক্ত দেড় কোটি মৃত্যু
২০৫০ নাগাদ ৪ জনে ১ জনের শ্রবণ সমস্যা: ডব্লিউএইচও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The dengue outbreak is decreasing the death toll was 100 in November

ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০

ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে, নভেম্বরে মৃত্যু ছাড়াল ১০০ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছেই। ফাইল ছবি
সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা গেলেও চলতি বছর সেপ্টেম্বর থেকেই এই রোগ বাড়তে থাকে। শীতের আগে আগে বছরের যে সময়ে রোগী দেখা যায় না, সেই সময়েই সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখছে মানুষ। অক্টোবর মাসও ছিল ভয়ঙ্কর, সে মাসে মৃত্যু হয় ৮৬ জনের। নভেম্বরের ২৫ দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৭ হাজার ২১২ জন।

প্রাণঘাতি দুটি মাস পেরিয়ে নভেম্বরের শেষে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে আসার ইঙ্গিত মিলেছে। রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে আসছে। সেই সঙ্গে কমছে মৃত্যু।

এই জ্বরে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও একজন মিলিয়ে নভেম্বরে মৃত্যু দাঁড়াল এই ১০১ জনে। সব মিলিয়ে চলতি বছর মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ২৪২ জন।

এ নিয়ে টানা দুই দিন একজন করে মৃত্যু হলো। এর আগে ১ নভেম্বর থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩ থেকে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালে এই সময়ে ভর্তি হয় ২২১ জন, যা আগের ২৪ ঘণ্টায় ছিল ৫১৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়।
এতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় যত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তার মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছেন ১৪১ জন আর ঢাকার বাইরে ৮০ জন।

বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৯৬৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যা আগের দিন ছিল ২ হাজার ২২ জন।

এই রোগীদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে আছেন ১ হাজার ১৩৫ জন, যা আগের দিন ছিল ১ হাজার ১৪২। ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে এখন ভর্তি আছেন ৮৩৪ জন, যা আগের দিন ছিল ৮৮০ জন।

সাধারণত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা গেলেও চলতি বছর সেপ্টেম্বর থেকেই এই রোগ বাড়তে থাকে।

শীতের আগে আগে বছরের যে সময়ে রোগী দেখা যায় না, সেই সময়েই সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখছে মানুষ। অক্টোবর মাসও ছিল ভয়ঙ্কর, সে মাসে মৃত্যু হয় ৮৬ জনের।

নভেম্বরের ২৫ দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৭ হাজার ২১২ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৫ হাজার ১৪৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ হাজার ২৮৭ ও ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৮৫৮ জন।

এ পর্যন্ত ডেঙ্গু থেকে সেরে উঠেছেন ৫২ হাজার ৯৩৪ জন। ঢাকা ৩৪ হাজার ৫ জন এবং ঢাকার বাইরে সুস্থ হয়েছেন ১৮ হাজার ৯২৯ জন।

আরও পড়ুন:
নভেম্বরে ডেঙ্গুতে এক শ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে ২৩ দিনে ৯৭ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ৫১৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
33 days without death detected in Corona

করোনায় ফের মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৩৩

করোনায় ফের মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত ৩৩ এক রোগীর করোনা পরীক্ষা হচ্ছে হাসপাতালে। ফাইল ছবি
দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩১ জনের। গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৬৫ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ১৫৩ জন।

সারাদেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৩৩ জনের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এই সময়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৩৯০টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২২জনই ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩১ জনের।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৬৫ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ১৫৩ জন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনায় ফের মৃত্যু, শনাক্ত তলানিতে
করোনায় শনাক্ত ১৯, মৃত্যু নেই
করোনায় আরও একজনের মৃত্যু, শনাক্ত হার ১.০৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 more deaths due to dengue

ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু ডেঙ্গু বিস্তারে দায়ী এডিস মশা। ফাইল ছবি
এ বছর অক্টোবর মাসে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখেছে দেশ। তবে নভেম্বর মাসে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। চলতি মাসের প্রথম ২০দিনে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯ জন। আগের মাসে একই সময়ে যা ছিল ৫৫ জন।

ডেঙ্গুর বিস্তার ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৪৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি মাসের প্রথম ২০দিনে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯ জন। আগের মাসে একই সময়ে যা ছিল ৫৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতি অনুযায়ী, রোববার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৪ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ৩২০ ও ঢাকার বাইরে ৩২৬ জন রোগী আছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ২ হাজার ৪৭৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ১ হাজার ৩৮৬ ও ঢাকার বাইরে ১ হাজার ৯২ জন।

বছরের শুরু থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫২ হাজার ৮০৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩২ হাজার ৫৪৮ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৭৩৬ জন।

গত অক্টোবর মাসে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখেছে দেশ। তবে নভেম্বর মাসে সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা বছরের মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ।

এদিকে নভেম্বরের প্রথম ২০ দিনেই ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৮৯ জনের। আর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ৭৮৩ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫০ হাজার ৯৯ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩২ হাজার ৫৪৮ ও ঢাকার বাইরে ১৭ হাজার ৫৫১।

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু
নভেম্বরে আরও ভয়ঙ্কর ডেঙ্গু
এডিস মশার চরিত্রকে বদলে দিয়েছে রাতের ঝলমলে শহর
ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, ১৫ দিনেই ৭২
‘ডেঙ্গু আক্রান্তরা সহজে ভালো হচ্ছেন না’

মন্তব্য

p
উপরে