× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bangmata National Park is not being declared a hospital in CRB
hear-news
player
google_news print-icon

সিআরবিতে হাসপাতাল হচ্ছে না, ‘বঙ্গমাতা জাতীয় উদ্যান’ ঘোষণা

সিআরবিতে-হাসপাতাল-হচ্ছে-না-বঙ্গমাতা-জাতীয়-উদ্যান-ঘোষণা
চট্টগ্রামের 'ফুসফুস' খ্যাত সিআরবি। ছবি: নিউজবাংলা
নাগরিক সমাজের নেতারা জানান, চট্টগ্রামের সিআরবিতে আর হাসপাতাল প্রকল্প হচ্ছে না। সিআরবি প্রাকৃতিক ও ঐতিহ্যগত সম্পদ হিসেবে থাকবে।

সিআরবিতে হাসপাতাল হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রামের নেতারা। সেখানে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের নামে জাতীয় উদ্যান করার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

৪৮৩ দিনের আন্দোলন শেষে সিআরবি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শনিবার বিকেলে মহাসমাবেশ থেকে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

নাগরিক সমাজের নেতারা জানান, চট্টগ্রামের সিআরবিতে আর হাসপাতাল প্রকল্প হচ্ছে না। সিআরবি প্রাকৃতিক ও ঐতিহ্যগত সম্পদ হিসেবে থাকবে।

মহাসমাবেশ প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রামবাসী ৪৮৩ দিন ধরে আন্দোলন করছেন। সংসদ সদস্য হিসেবে একটা উদ্যোগ নিয়েছিলাম। চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য আমরা একটা দরখাস্ত লিখলাম রেলমন্ত্রীর উদ্দেশে।

‘সব এমপি-মন্ত্রী সিআরবিতে হাসপাতাল না করার জন সেই দরখাস্তে সই করেছেন। দরখাস্ত নিয়ে আমরা রেলমন্ত্রীর কাছে গেলাম। সঙ্গে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী নওফেলও ছিলেন। সেটা আমরা হস্তান্তর করি। রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন কথা দিয়েছেন, এখানে হাসপাতাল হবে না।’

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ টেলিফোনে যুক্ত হয়ে বলেন, ‘সিআরবিকে রক্ষা করার জন্য যারা আন্দোলন করেছেন তারা সবাই আছেন। আমরা রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলাম। রেলমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়গুলো অবহিত করার পর তিনি বলেছেন, পরিবেশ-প্রকৃতি নষ্ট করে কিছু হবে না।’

সভাপতির বক্তব্যে নাগরিক সমাজ চট্টগ্রামের আহ্বায়ক ড. অনুপম সেন বলেন, সংসদীয় কমিটি হাসপাতালের জন্য অন্যত্র জায়গা খুঁজছে। সিআরবিতে বঙ্গমাতার নামে উদ্যান করা হোক। আজ এখান থেকে সিআরবিকে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব উদ্যান ঘোষণা করছি। আমরা জয়ী হয়েছি। জয়ী থাকব। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ-কৃতজ্ঞতা নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে।’

আরও পড়ুন:
সিআরবি রক্ষায় চাটগাঁর ছবিয়ালের ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ
সিআরবিতে প্রকল্প বাতিল দাবিতে মশাল মিছিল
‘সিআরবি নিয়ে রেলমন্ত্রী মিথ্যাচার করছেন’
সিআরবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: রেলমন্ত্রী  
‘সিআরবি রক্ষা করতে হবে চট্টগ্রামের স্বার্থে’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Private sector working on eco friendly industrialization FBCCI

পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নে কাজ করছে বেসরকারি খাত: এফবিসিসিআই

পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নে কাজ করছে বেসরকারি খাত: এফবিসিসিআই সোমবার লন্ডনের ম্যানশন হাউসে গোলটেবিল আলোচনায় বক্তব্য দেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘বিশ্বের সর্বনিম্ন কার্বন নির্গমনকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও বৈশ্বিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ ৮৯ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন টন কমাতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শিল্পায়নে পরিবেশবান্ধব মান বজায় রাখতে বাংলাদেশের শিল্প-কারখানাগুলো উদ্ভাবনমূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।’

বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে বেসরকারি খাত কাজ করছে বলে জানিয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

সোমবার লন্ডনের ম্যানশন হাউসে কমনওয়েলথ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২২-এ ‘ফিন্যান্সিয়াল অ্যান্ড প্রফেশনাল সার্ভিসেস- দ্য রোল অফ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড রেগুলেশনস অন দ্য রোড টু নেট জিরো’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘বিশ্বের সর্বনিম্ন কার্বন নির্গমনকারী দেশ বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস (জিএইচজি) নির্গমনে বাংলাদেশের বর্তমান অবদান মাত্র শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ। আর কার্বন নির্গমনের অংশ মাত্র শূন্য দশমিক ০৯ শতাংশ।

‘তা সত্ত্বেও বৈশ্বিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ ৮৯ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন টন কমাতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা ২১ দশমিক ৮৫ শতাংশ কার্বন ডাই অক্সাইডের সমান।’

তিনি বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ, পরিবহন, শিল্প, গৃহস্থালি, বাণিজ্যিক, কৃষি, ইটভাটা এবং ধাবমান নির্গমনের মতো জ্বালানি খাত থেকে ৯৬ দশমিক ১ শতাংশ নির্গমন কমাবে। অবশিষ্ট ৩ দশমিক ৯ শতাংশ কৃষি ও পশুসম্পদ, বনায়ন এবং নগরের কঠিন বর্জ্য থেকে কমানো হবে।’

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘শিল্পায়নে পরিবেশবান্ধব মান বজায় রাখতে বাংলাদেশের শিল্প-কারখানাগুলো উদ্ভাবনমূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।

‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে বাংলাদেশ একটি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে, যার মধ্যে ৯০টি উচ্চ-অগ্রাধিকারসহ মোট ১১৩টি পদক্ষেপ রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নে ২০৫০ সাল নাগাদ ২৩০ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।’

জসিম উদ্দিন জানান, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের ২৭তম (কপ-২৭) সম্মেলনে জলবায়ু অর্থায়নের ওপর বাংলাদেশ জোর দিয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতিকে কার্বন নিঃসরণের ক্ষেত্রে নেট-জিরোতে রূপান্তর করতে এবং জলবায়ু বিপর্যয় এড়াতে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ৫০ ট্রিলিয়ন ডলারের ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ প্রয়োজন।

সভাপতি বলেন, ‘বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ, সবুজ বা নীল বন্ডের মতো উদ্ভাবনী অর্থায়ন, ঝুঁকি স্থানান্তর প্রক্রিয়া বা বিমার সমন্বয়ের মাধ্যমে জলবায়ু অর্থায়নকে চালিত করা যেতে পারে। সবুজায়ন এবং বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়নে বহুপাক্ষিক তহবিল গঠন ভালো বিকল্প হতে পারে।’

প্যারিস চুক্তির (২০১৫) অনুচ্ছেদ ৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের মত উচ্চ জলবায়ু ঝুঁকিপ্রবণ দেশে জলবায়ু অর্থায়নের বৈষম্য কমিয়ে আনতে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড বা জিসিএফ-এর মতো আন্তর্জাতিক জলবায়ু তহবিলের বিশ্বস্ত মানগুলো পুনর্বিবেচনা করা এবং শিথিল করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন এফবিসিসিআই সভাপতি। পাশাপাশি সিম্পলিফাইড অ্যাপ্রোভাল প্রোসেস-এসএপি এবং বাজেট কাঠামোতে আন্তর্জাতিক তহবিলের জন্য একটি বর্ধিত কোটা কমনওয়েলথ-এর মাধ্যমে চালু ও জনপ্রিয় করা প্রয়োজন বলে মত দেন তিনি।

অবকাঠামো, প্রযুক্তি, দক্ষতা, এবং কার্যকরী ব্যবসায়িক মডেলগুলোর অনুসরণসহ ক্লিন এনার্জি সাপ্লাই চেইনের বিভিন্ন পর্যায়ে যৌথ অংশীদারত্বের জন্য কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা এবং সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

গোলটেবিল বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন ইস্ট অ্যান্ড কমিউনিটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং সিটি অফ লন্ডনের অল্ডারম্যান ব্রোনেক মাসোজ্যাডা।

ইউকে অ্যাক্রিডিটেশন সার্ভিসের চেয়ারম্যান লর্ড লিন্ডসে, ব্রিটিশ স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউশন- বিএসআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুজান টেইলর মার্টিন, ইনস্টিটিউট অফ এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড-এর ডিরেক্টর জেনারেল মার্কো ফরজিওন, এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, পরিচালক মো. জামাল উদ্দিন, মোহাম্মদ বজলুর রহমান, আবু হোসেন ভুঁইয়াসহ বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্য বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2500 dead seals on the beach

সৈকতে ২৫০০ মৃত সিল

সৈকতে ২৫০০ মৃত সিল কাস্পিয়ান সাগরের উপকূলে প্রায় ২৫০০ সিলের মরদেহ পাওয়া গেছে। ছবি: সংগৃহীত
কাস্পিয়ান এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন সেন্টারের প্রধান জ্যর গ্যাপিজভ এক বিবৃতিতে বলেছেন, উপকূলে ভেসে আসা এসব সিল সম্ভবত দুই সপ্তাহ আগে মারা গেছে।

রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে কাস্পিয়ান সাগরের উপকূলে প্রায় ২ হাজার ৫০০টি সিলের মরদেহ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো আঘাতের কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে এমন কোনো লক্ষণ তাদের শরীরে পাওয়া যায়নি।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে উপকূলে প্রায় ৭০০টি মৃত সিল পাওয়া গিয়েছিল বলে জানা যায়। তবে পরে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃত সিলের সংখ্যা বাড়তে থাকে। গণনা এখনও চলছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অফ নেচার (আইইউসিএন) ২০০৮ সাল থেকে কাস্পিয়ান সিলকে বিপন্ন প্রাণী হিসেবে লাল তালিকায় রেখেছে।

কাস্পিয়ান এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন সেন্টারের প্রধান জ্যর গ্যাপিজভ এক বিবৃতিতে বলেছেন, উপকূলে ভেসে আসা এসব সিল সম্ভবত দুই সপ্তাহ আগে মারা গেছে।

তিনি বলেন, সিলগুলোকে হত্যা করা হয়েছে বা মাছ ধরার জালে ধরা পড়ে তারা মারা গেছে- এমন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

সৈকতে ২৫০০ মৃত সিল

দাগেস্তান অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় টেলিগ্রামে লিখেছে, সুলাক ও শুরিঙ্কা নামের দুটি নদীর সংযোগস্থলে প্রচুর পরিমাণে সিল মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

বিশেষজ্ঞরা সিলগুলোর নমুনা সংগ্রহ করেছেন। মন্ত্রণালয় বলেছে, ল্যাবের ফলাফল পাওয়ার পরই তাদের মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

অত্যধিক শিকার এবং কারখানার বর্জ্যের দূষণের কারণে কয়েক দশক ধরে ক্যাস্পিয়ান সাগরের সিলের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমে গেছে।

ক্যাস্পিয়ান এনভায়রনমেন্টাল প্রোটেকশন সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ক্যাস্পিয়ান সাগরের সিলের সংখ্যা এখন মাত্র ৭০ হাজার। এক শতাব্দী আগে এর সংখ্যা ১০ লাখেরও বেশি ছিল।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The country including the capital was shaken by an earthquake of magnitude 51

রাজধানীসহ দেশ কাঁপল ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্পে

রাজধানীসহ দেশ কাঁপল ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্পে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ফাইল ছবি
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল ৯টা ২ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে ভূমিকম্প হয়েছে। এটার উৎপত্তিস্থল ছিল বে অফ বেঙ্গলে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা পরিমাপ করা হয় ৫ দশমিক ১।’

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সোমবার সকাল ৯টা ২ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১।

এ তথ্য নিশ্চিত করে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল ৯টা ২ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে ভূমিকম্প হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটার উৎপত্তিস্থল ছিল বে অফ বেঙ্গলে (বঙ্গোপসাগর)। ১৯ দশমিক ১৩ নর্থ (উত্তর) আর ৮৯ দশমিক ৮৪ পূর্বে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১।’

ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। দেশের কোথাও কেউ হতাহত হয়েছে এমন খবরও পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চল ও ঢাকায় এর প্রভাবে মৃদু কম্পন হয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের ইনচার্জ নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এটি মাঝারি মানের ভূমিকম্প। তাৎক্ষণিকভাবে এর প্রভাবে কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।’

ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল বা কেন্দ্রস্থল ছিল ঢাকা থেকে ৫২৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৩৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং চট্টগ্রাম থেকে ৩৯৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে। এটির উৎপত্তিস্থল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেশি কাছে ছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) একই সময়ে বঙ্গোপসাগরে একটি ভূমিকম্পের তথ্য দিয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ২। সাগরে এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

আরও পড়ুন:
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাত,পালাচ্ছে মানুষ
ধ্বংসস্তূপে ৪৮ ঘণ্টা থেকেও অক্ষত ৬ বছরের আজকা
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৮, বেশির ভাগই শিশু
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৬২
ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৪৬, আহত ৭০০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In the middle of December the severe cold will come in January

মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ মধ্য ডিসেম্বরে

মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ মধ্য ডিসেম্বরে
আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, ‘আমাদের শীতের প্রধান মাস হচ্ছে জানুয়ারি। এর আগে ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে শুরু হয় তাপমাত্রার পতন। এ সময় তাপমাত্রা কমে ১০ ডিগ্রির নিচে নামতে পারে। তবে সেটি ৮ থেকে ১০-এর মধ্যেই থাকবে। এরপর জানুয়ারিতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অনুভূত হতে পারে। তখন তাপমাত্রা নামবে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে।’

অগ্রহায়ণের ১৯ দিন কেটে গেলেও নগরীতে এখনও নামেনি শীতের প্রকোপ। তবে দেশের উত্তরাঞ্চল ও গ্রামগুলোতে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে শীতের আমেজ। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পৌষের শুরুতে (১৬ ডিসেম্বর) দেশের তাপমাত্রা কমতে থাকবে, জেঁকে বসবে শীত। তখন মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রোববার সকাল ৬টা পর্যন্ত ছিল তেঁতুলিয়ায় ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বোচ্চ ছিল কক্সবাজারে ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মধ্য ডিসেম্বরের পর থেকে অর্থাৎ পৌষের শুরু থেকে দেশের সব অঞ্চলের তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রির নিচে নামবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখনও দেশের সব অঞ্চলের তাপমাত্রা একসঙ্গে কমতে শুরু করেনি। তবে এই মাসেই দেশে মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ হতে পারে। ডিসেম্বরের ২০ তারিখের পর এই শৈত্যপ্রবাহ অনুভূত হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের শীতের প্রধান মাস হচ্ছে জানুয়ারি। এর আগে ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে শুরু হয় তাপমাত্রার পতন। এ সময় তাপমাত্রা কমে ১০ ডিগ্রির নিচে নামতে পারে। তবে সেটি ৮ থেকে ১০ এর মধ্যেই থাকবে। এরপর জানুয়ারিতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অনুভূত হতে পারে। তখন তাপমাত্রা নামবে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রির মধ্যে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক মাস মেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ডিসেম্বর সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক অপেক্ষা কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে ১টি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে। মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে পারে। তবে এ মাসে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে।

এ মাসের শেষার্ধে দেশের কোথাও কোথাও ১ থেকে ২টি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ মাসে দেশের নদী অববাহিকায় ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত মাঝারি থেকে ঘন এবং অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। ডিসেম্বর মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীসমূহে স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে।

আর জানুয়ারির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে দেশে ২ থেকে ৩টি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ও মাঝারি (৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে ২টি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে (৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস) রূপ নিতে পারে।

এ মাসে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি/ঘন কুয়াশা এবং অন্যত্র হালকা/মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গে শীতের আমেজ
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ
‘বেশি শীত হলে খড়-পাতা জ্বালায় দিন কাটামো’
হেমন্তে কলকাতায় শীতের আমেজ
নভেম্বরেও তৈরি হতে পারে ঘূর্ণিঝড়, শীত নামবে মধ্যভাগে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Loss of GDP due to air pollution is at least 4 and a half percent

বায়ুদূষণে জিডিপির ক্ষতি অন্তত সাড়ে ৪ শতাংশ

বায়ুদূষণে জিডিপির ক্ষতি অন্তত সাড়ে ৪ শতাংশ বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে ২০১৯ সালে প্রায় ৭৮ হাজার ১৪৫ থেকে ৮৮ হাজার ২২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফাইল ছবি
বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যান্ডান চেন বলেন, ‘বায়ুদূষণ শিশু থেকে বয়স্ক সবার জীবনকেই ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এ দূষণের কারণে এই দেশে ২০১৯ সালে প্রায় ৭৮ হাজার ১৪৫ থেকে ৮৮ হাজার ২২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে জিডিপিতে ক্ষতি হয়েছে ৩.৯ থেকে ৪.৪ শতাংশ।’

বায়ুদূষণজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুতে বছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩.৯ থেকে ৪.৪ শতাংশ ক্ষতি হয়, এমনটি উঠে এসেছে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানবিষয়ক ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যান্ডান চেন। বিশ্ব সংস্থাটির ওয়েব সাইটে এমন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্বের আর্থিক খাতের মোড়ল সংস্থার এই প্রতিনিধি বলেন, ‘বায়ুদূষণ শিশু থেকে বয়স্ক সবার জীবনকেই ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। এ দূষণের কারণে এই দেশে ২০১৯ সালে প্রায় ৭৮ হাজার ১৪৫ থেকে ৮৮ হাজার ২২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে জিডিপিতে ক্ষতি হয়েছে ৩.৯ থেকে ৪.৪ শতাংশ।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, উচ্চমাত্রার বায়ুদূষণের সংস্পর্শে আসায় শ্বাসকষ্ট, কাশি, শ্বাসনালির সংক্রমণসহ বিষণ্নতা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে গেছে।

পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু ও বয়স্ক, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা শ্বাসকষ্টে আক্রান্তরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের টেকসই এবং সবুজ উন্নয়নের জন্য বায়ুদূষণ মোকাবেলা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষণমূলক কাজ এবং নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে বায়ুদূষণ কমাতে সাহায্য করছে।’

দেশের ভেতরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্ষতিকর বস্তুকণার (পিএম-টু পয়েন্ট ফাইভ) ঘনত্ব ডব্লিউএইচওর সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে অনেক ওপরে। দেশে সবচেয়ে বেশি দূষিত বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে কম দূষণ সিলেট বিভাগে।

২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বিশ্বের দ্বিতীয় দূষিত শহর হিসেবে স্থান পায় ঢাকা। পশ্চিমাঞ্চলীয় খুলনা ও রাজশাহী বিভাগ পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট ও ​​চট্টগ্রাম বিভাগের চেয়ে বেশি দূষিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীতে মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে এমন সব জায়গায় এবং যেখানে যানজট বেশি যেসব স্থানে বায়ুদূষণ সবচেয়ে ভয়াবহ। ডব্লিউএইচওর সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে এসব স্থানে দূষণ ১৫০ শতাংশের বেশি।

এই মাত্রার দূষণযুক্ত স্থানে অবস্থান করলে তা মানব শরীরের জন্য প্রতিদিন অন্তত দুটি সিগারেট খাওয়ার সমান ক্ষতিসাধন করে।

গত ২১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রকাশিত সমীক্ষায় দেখানো হয়, বিশ্বের শীর্ষ দূষিত বায়ুর দেশ হিসেবে আবারও প্রথম অবস্থানে বাংলাদেশ। শহরগুলোর তালিকায় রাজধানী ঢাকা রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে।

বিশ্বের ১১৭টি দেশের ৬ হাজার ৪৭৫টি শহরের বায়ুমানের তথ্য বিশ্লেষণ করে এমন সমীক্ষা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কেবল ৩ শতাংশ শহর প্রত্যাশিত বায়ুমান বজায় রাখতে পারলেও সব দেশই সেই মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় বায়ুদূষণ রোধে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত
হর্নবিরোধী অভিযানে দুই নীতি নিয়ে তোপের মুখে ম্যাজিস্ট্রেট
নদী দূষণে বার্ষিক ক্ষতি ২৮৩ কোটি ডলার
বায়ুদূষণ: দিল্লির মানুষের আয়ু কমছে ১০ বছর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jabir NSCC Club Bajimat at Jabir Prajapati Mela

জাবির প্রজাপতি মেলায় জবির এনএসসিসি ক্লাবের বাজিমাৎ

জাবির প্রজাপতি মেলায় জবির এনএসসিসি ক্লাবের বাজিমাৎ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি মেলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এনএসসিসির সদস্য ও অন্যরা। ছবি: নিউজবাংলা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি মেলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাবের চারজন প্রজাপতি দৌড়ে, ছয়জন বারোয়ারি বিতর্কে, ছয়জন ছবি প্রদর্শনীতে ও ১৩ জন স্টল ডেকোরেশনে পুরস্কার পেয়েছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) অনুষ্ঠিত প্রজাপতি মেলায় প্রজাপতির ছবি প্রদর্শনে প্রথম এবং বারোয়ারী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাব’ (এনএসসিসি)।

‘প্রজাপতি প্রজাপতি... কোথায় পেলে ভাই এমন রঙিন পাখা?’ স্লোগানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শুক্রবার দিনব্যাপী ১২তম প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মেলায় ছিল নানা আয়োজন।

মেলায় প্রতিবারের মতো এবারও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাবের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের মধ্যে প্রজাপতির ছবি প্রদর্শনে ক্লাবটি প্রথম স্থান অর্জন করে। এছাড়াও বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ক্লাবটি।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ক্লাবের সদস্যরা ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন। তার মধ্যে প্রজাপতি দৌড়ে চারজন, বারোয়ারি বিতর্কে ছয়জন, ছবি প্রদর্শনীতে ছয়জন এবং স্টল ডেকোরেশনে ১৩ জন পুরস্কার পেয়েছেন।

নেচার স্টাডি অ্যান্ড কনজারভেশন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তানজিলুর রহমান খান বলেন, ‘বাগান সুরক্ষিত রাখা, বাস্তুতন্ত্ৰ রক্ষা, জলবায়ু বুঝতে সাহায্য করার ক্ষেত্রে প্রজাপতির ভূমিকা অনস্বীকার্য। প্রজাপতি আমাদের জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। প্রজাপতি সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত। আমাদের ক্লাব এই উদ্দেশ্যে নিরলস কাজ করে আসছে।’

এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাসুদসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Zabir Prajapati Mela is vibrant with childrens colors

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতির মেলায় প্রজাপতি দেখছে শিশুরা। ছবি: নিউজবাংলা
২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

কেউ জীবন্ত প্রজাপতি দেখছে, কেউ বা আবার শরীরে আঁকছে প্রজাপতির আল্পনা। কেউ কেউ রং-তুলিতে আঁকছে প্রজাপতির রঙিন ছবি। এভাবেই শিশুদের পদচারণায় প্রাণবন্ত ছিল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজাপতি মেলা।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আয়োজনে জহির রায়হান অডিটোরিয়ামের সামনে শুরু হওয়া এ মেলা চলে বিকেল পর্যন্ত।

মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শেখ মনজুরুল হক। তিনি বলেন, ‘প্রজাপতি সংরক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে এই ক্যাম্পাসে প্রজাপতির সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে বলেও শোনা যাচ্ছে। আমরা চিন্তা করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা নির্দিষ্ট জায়গাকে শুধুমাত্র প্রজাপতির জন্য নির্দিষ্ট করে দেয়া যায় কি-না।’

জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু

এবারের মেলায় ছিল জীবন্ত প্রজাপতি প্রদর্শনী, প্রজাপতির হাট দর্শন, শিশু-কিশোরদের জন্য প্রজাপতি নিয়ে ছবি আঁকা ও কুইজ প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি বিষয়ক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী, প্রজাপতি চেনা প্রতিযোগিতা, প্রজাপতির আদলে তৈরি ঘুড়ি ওড়ানোর প্রতিযোগিতা, বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি বিষয়ক তথ্যচিত্র প্রদর্শন ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

প্রকৃতি সংরক্ষণে সার্বিক অবদানের জন্য এবারের প্রজাপতি মেলায় ‘তরুপল্লব’ সংগঠনকে ‘বাটারফ্লাই অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ দেয়া হয়। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী দীপ্ত বিশ্বাসকে দেয়া হয় ‘বাটারফ্লাই ইয়াং ইনথুজিয়াস্ট’ অ্যাওয়ার্ড।

বাবার সঙ্গে রাজধানীর শ্যামলী থেকে মেলা দেখতে আসা নার্সারিতে পড়া আদিন আহমেদ। সে নিউজবাংলাকে বলে, ‘বাবার সঙ্গে মেলায় ঘুরতে এসেছি। অনেক রঙের প্রজাপতি দেখেছি, চিত্র এঁকেছি। মেলায় এসে আমার ভাল্লাগছে।’

মেলার আহ্বায়ক প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘একটা সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রজাপতি ছিল ১১০ প্রকার। এখন সে সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৫২টিতে। প্রাণ-প্রকৃতির প্রতি গণসচেতনতা বাড়ানো এবারের প্রজাপতি মেলার অন্যতম উদ্দেশ্য। মানুষের প্রকৃতির প্রতি, প্রজাপতির প্রতি সচেতন হওয়া উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রজাপতি মেলাকে ঘিরে প্রকৃতিপ্রেমীদের তীর্থক্ষেত্র হয়ে উঠেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা উঁচুতে তুলে ধরবে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বাড়াতে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে ঢুকলে জাবি অধ্যাপককে জীবন বিপন্নের হুমকি
জাবি প্রশাসনের বিরুদ্ধে দুদকে সাবেক অধ্যাপকের অভিযোগ
জাবিতে গাড়িচালকদের প্রাথমিক চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ
জাবির সাবেক ভিসির গাড়িচালকের ঘরে মদভর্তি ট্রাংক
জাবি ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে অর্ণব-অমর্ত্য

মন্তব্য

p
উপরে