× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
23 Lakhs in his pocket through fraud
hear-news
player
google_news print-icon

২৩ প্রতারণায় তার পকেটে লাখ লাখ টাকা

২৩-প্রতারণায়-তার-পকেটে-লাখ-লাখ-টাকা
পণ্য পেয়ে আরমান নামের ওই ব্যক্তি সেগুলো আরেকটি ইলেকট্রিক দোকানে ডিসকাউন্টে বিক্রি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ফোরজি লাইট হাউজের মালিক মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।

কখনো আরমান, কখনো মুশফিকুর রহমান পরিচয়ে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা, ঠিকাদার বা ব্যবসায়ী সেজে প্রতারণার অভিযোগে নাজমুল হোসেন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বাড়ি পিরোজপুরের আদর্শপাড়ায়।

নাজমুল এখন পর্যন্ত বিভিন্ন পরিচয়ে ২৩টির বেশি প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে জানিয়েছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, মোহাম্মদপুরের টাউনহলে ফোরজি লাইট হাউজের একটি ইলেক্ট্রনিক পণ্যের দোকানে আরমান নামের একব্যক্তি ঠিকাদারের পরিচয় দেন। পরে দুই-একদিনের মধ্যে ১১ লাখ টাকার পণ্য নেয়ার কথা বলেন। এর দুদিন বাদে সকালে তিনি ওই দোকানের মালিককে ফোন দিয়ে বেশকিছু পণ্য ভাষানটেকের ঠিকানায় সরবরাহের কথা বলেন। কথা মতো ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৩৪০ টাকার মালামাল দুইজন কর্মচারীসহ পিকআপে করে পাঠিয়ে দেন।

পণ্য পেয়ে আরমান নামের ওই ব্যক্তি সেগুলো আরেকটি ইলেকট্রিক দোকানে ডিসকাউন্টে বিক্রি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ফোরজি লাইট হাউজের মালিক মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় জড়িতকে শনাক্ত করে মিরপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি নম্বরবিহীন প্রাইভেটকার উদ্ধার করা হয়।

পরে ডিএমপির নিজস্ব আসামি শনাক্ত সফটওয়্যারে ফিঙ্গার দিলে তার প্রকৃত নাম নাজমুল হোসেন বলে জানা যায়। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ড্রাইভিং লাইসেন্সে তার নাম আবার মুশফিকুর রহমান।

প্রতারণার বর্ণনা দিয়ে ওসি বলেন, ‘তিনি কখনো জাতীয় পরিচয়পত্র, কখনো বা জন্মসনদ ব্যবহার করে ড্রাইভিং লাইসেন্স, বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, পাসপোর্ট ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করেছেন। এরপর পরিস্থিতি বুঝে কখনো সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা, কখনো ঠিকাদার বা কখনো ব্যবসায়ী সেজে প্রতারণা করেছেন। এ কাজে মানুষের বিশ্বাস অর্জনের জন্য সে প্রাইভেটকারটি ব্যবহার করে।’

এছাড়া নাজমুল ‘রয়েল এআরকে গ্রুপ’ নামে ভুয়া ফেসবুক পেইজে ইলেকট্রিক পণ্যের বিজ্ঞাপন দেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে বিভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে ২৩টির বেশি প্রতারণা করেছে বলে স্বীকার করেছেন।

মোহাম্মদপুর থানায় করা মামলায় গ্রেপ্তার নাজমুল এখন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের আদেশে হেফাজতে রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
প্রতারণায় গ্রেপ্তারের পর জানা গেল তিনি প্রাণদণ্ড পাওয়া খুনি
সুইস ব্যাংকের ঋণের টোপে লক্ষাধিক মানুষ
কাস্টমস কর্মকর্তা, কেমিস্ট সেজে প্রতারণা, ১১ কোটি টাকা আত্মসাৎ
রাতে গার্মেন্টস শ্রমিক, দিনে পুলিশের বেশে প্রতারণা
১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যাংকের এমডি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
21 injured including gunshots in Nayapaltan clash

ঢামেকে চিকিৎসা নিয়েছেন সংঘর্ষে আহত ২১ জন

ঢামেকে চিকিৎসা নিয়েছেন সংঘর্ষে আহত ২১ জন বুধবার নয়াপল্টনে সংঘর্ষে পুলিশসহ বিএনপির বেশকিছু নেতাকর্মী আহত হন। ছবি: নিউজবাংলা
পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, পল্টনে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে ২১ জন ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসা নিতে আসেন। এর মধ্যে পুলিশসহ তিন জন ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বুধবার বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অন্তত ২১ জন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে গ্রেপ্তারের ভয়ে তাদের অধিকাংশই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে দ্রুত হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বুধবার রাতে এসব তথ্য জানান।

ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক যাদেরকে ভর্তি করে নিয়েছেন তাদের একজন শামীম আহমেদ। তার বাম পা, পিঠ এবং মুখমণ্ডলে শটগানের অসংখ্য গুলির আঘাত রয়েছে। তিনি রূপনগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব।

চিকিৎসাধীন মোহাম্মদ মনির হোসেন রূপনগর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী। তার হাত, বাম পা ও পিঠে অসংখ্য গুলির চিহ্ন রয়েছে।

এ ছাড়া পুলিশ সদস্য কনস্টেবল মাহফুজ ১০০ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিএনপি কর্মীদের ছোড়া ইটে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান।

বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘পল্টনে বিএনপি কর্মীদের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হয়ে হাসপাতালে আসা ২১ জনের মধ্যে পুলিশসহ তিন জন ভর্তি রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান।’

এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, সংঘর্ষের পর ঢাকা মেডিক্যালে ১৮ জনের মতো আহত ব্যক্তি আসেন; যাদের প্রায় সবাই গুলিবিদ্ধ।

বুধবার বিকেলের দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিতে নিহত হন মকবুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি।

নিহত মকবুল হোসেনের বড় ভাই আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তার ভাই বিএনপির সমর্থক ছিলেন। তবে মকবুল কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেন তার স্ত্রী হালিমা বেগম।

এদিকে সংঘর্ষের পর দলীয় কার্যালয় থেকে পরোয়ানা থাকায় বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ১০ ডিসেম্বরের বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে আমান উল্লাহ আমান ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মো. হারুন অর রশীদ জানান, বিএনপি কার্যালয় থেকে ৩০০ নেতা-কর্মী ও সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ১৫টি ককটেল উদ্ধারের দাবি করেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই পাশের রাস্তা ধরে পুলিশ হঠাৎ বাঁশি বাজিয়ে টিয়ার শেল ছুড়ে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করা নেতা-কর্মীদের দিকে এগিয়ে আসে। এ পর্যায়ে দলটির নেতা-কর্মীরা পিছু হটেন। মূল সড়কের পাশের অলি-গলিতেও লাঠিপেটা করে পুলিশ।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে নয়াপল্টন এলাকায় একাধিক সাঁজোয়া যান, প্রিজন ভ্যান ও পুলিশের অতিরিক্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করা হয়।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হায়াতুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘১০ তারিখের সমাবেশের এখনও চার-পাঁচ দিন বাকি আছে। কিন্তু বিএনপির নেতা-কর্মীরা আজকে নয়াপল্টনে রাস্তা বন্ধ করে মিছিল-মিটিং শুরু করেছিল।

‘আমরা তাদের এসব বন্ধ করতে বলায় তারা পুলিশের ওপর হামলা করে। এরপর আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিয়েছি। বিএনপি কর্মীদের চারপাশ থেকে হামলার কারণে বাড়তি ফোর্স আনাই। বাড়তি সতর্কতার জন্য সোয়াট সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ করেন।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির কার্যালয় থেকে খিচুড়ি জব্দ
পল্টনে হামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি আইনজীবীদের
সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর নয়াপল্টন ছাড়লেন ফখরুল
ভাইয়ের দাবি নিহত মকবুল বিএনপি সমর্থক, স্ত্রীর ‘না’
শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
15 cocktails recovered from BNP office DB

বিএনপির ৩০০ নেতা-কর্মী আটক, ককটেল নিষ্ক্রিয়

বিএনপির ৩০০ নেতা-কর্মী আটক, ককটেল নিষ্ক্রিয় বিএনপি কার্যালয় থেকে উদ্ধার করা ককটেল নিষ্ক্রিয় করে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশ সঙ্গে করে ককটেল নিয়ে গেছে- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন বক্তব্যের জবাবে ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ বলেন, ‘ককটেল কোথা থেকে এসেছে তা সাংবাদিকরা নিজ চোখেই দেখেছেন। এখন ওনারা তো কত কিছুই বলবেন।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও আশপাশ এলাকা থেকে দলটির ৩০০ নেতা-কর্মী ও সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ। একই সময়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ১৫টি ককটেল উদ্ধারের দাবি করা হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মো. হারুন অর রশীদ বুধবার রাতে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে তাজা ১৫টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে নয়াপল্টন সড়কের ওপর দুই দফায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।

‘এর আগে দুপুরে সংঘর্ষের সময় পুলিশের ওপর ককটেল হামলা চালায় বিএনপির সমর্থকরা। এতে অন্তত ৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হন। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

তিনি বলেন, ‘আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি দিয়েছিল ডিএমপি। ১০ তারিখ আসতে এখনও ৩-৪ দিন বাকি। তারা আজ সকালেই নয়াপল্টনে লোক জড়ো করে রান্নার আয়োজন করে মিটিং শুরু করেছে। এতে রাস্তা বন্ধ হয়ে সাধারণের চলাচলে সমস্যা হয়েছে।

‘পুলিশ রাস্তা ছেড়ে দিতে বললে তারা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল ছুড়ে মারে এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এরপর আমরা তাদের দমন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি।’

হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আমরা তাদের কার্যালয়ে অভিযান চালাতে গিয়ে ১৫টি ককটেল উদ্ধার করেছি। সে সঙ্গে নগদ দুই লাখ টাকা, ১৬০ বস্তা চাল, খিচুড়িসহ রান্নার অনেক সরঞ্জাম জব্দ করেছি। এর পাশাপাশি তাদের কার্যালয় ও আশপাশ থেকে ৩০০ জন বিএনপি সমর্থককে আমরা আটক করেছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বিএনপির ৩০০ নেতা-কর্মী আটক, ককটেল নিষ্ক্রিয়
নয়াপল্টনে অভিযানকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ। ছবি: নিউজবাংলা

ডিবিপ্রধান বলেন, ‘তাদের এই আয়োজন দেখে আমার বুঝলাম যে তারা এখানে বিপুলসংখ্যক লোক সমাগম করে অপ্রত্যাশিত কোনো ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা করছিল। এজন্য শান্তিপূর্ণ সমাবেশের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি দেয়া হলেও নয়াপল্টনের রাস্তায় এমন জমায়েত করতে চাচ্ছিল। পাশাপাশি তাদের কাছে মজুদ ককটেল পাওয়ায় প্রমাণ হল তারা সমাবেশের নামে নাশকতার পাঁয়তারা করছিল।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল দাবি করেছেন যে এসব ককটেল পুলিশই সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে হারুন অর রশীদ বলেন, ‘ককটেল কোথা থেকে এসেছে তা আপনারা সাংবাদিকরা নিজ চোখেই দেখেছেন; এখন ওনারা তো কত কিছুই বলবেন।’

আরও পড়ুন:
নয়াপল্টনে পুলিশি হামলার নিন্দা বাম জোটের
১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
বিএনপিকে ডিএমপির হুঁশিয়ারি
দরজা ভেঙে বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ, রিজভী গ্রেপ্তার, আটক বহু
রাজধানীতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মিছিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Summons Noor the mediator in the case of cheating the court

আদালতের সঙ্গে প্রতারণা. মামলার তদবিরকারক নুরকে তলব

আদালতের সঙ্গে প্রতারণা. মামলার তদবিরকারক নুরকে তলব
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, তথ্য গোপন করে আদালতের সঙ্গে প্রতারণাকারী চট্টগ্রামের আবু আহাম্মদ ওরফে আবুর মামলার তদবিরকারক নুর মোহাম্মদকে তলব করেছে আদালত। ১২ ডিসেম্বর তাকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

হুন্ডি, স্বর্ণ চোরাচালানসহ বিভিন্ন অভিযোগে দুই শতাধিক কোটি টাকা পাচারের অভিযোগের মামলায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির আবু আহাম্মদ ওরফে আবুকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তারের আদেশের একদিন পর মামলার তদবিরকারক নুর মোহাম্মদকে তলব করেছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়।

আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, তথ্য গোপন করে আদালতের সঙ্গে প্রতারণাকারী চট্টগ্রামের আবু আহাম্মদ ওরফে আবুর মামলার তদবিরকারক নুর মোহাম্মদকে তলব করেছে আদালত। ১২ ডিসেম্বর তাকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

এদিকে মঙ্গলবার আদালতের সঙ্গে প্রতারণা করায় মামলার আসামি আবুকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

এদিনে আদালতে আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ফারিয়া বিনতে আলম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশীদ আলম খান।

মামলা থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৮ মার্চ সিআইডির উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. হারুন উর রশীদ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির জাপতনগর এলাকার ফয়েজ আহম্মদ ওরফে বালী সওদাগরের ছেলে আবু আহাম্মদ ওরফে আবুসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে আসামিরা সংঘবদ্ধ হুন্ডি (অর্থ পাচার), স্বর্ণ চোরাচালান, চোরাই ও অন্যান্য দ্রব্যের অবৈধ ব্যবসার মোট দুই শ’ চার কোটি ৩৭ লাখ ৪৫ হাজার আট শ’ ৬৭ টাকা জমা ও দুই শ’ ৪০ কোটি পাঁচ লাখ ১২ হাজার ১৬০ টাকা উত্তোলন করে মানিলন্ডারিং অর্থাৎ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে নামে-বেনামে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

এছাড়া চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ, চান্দগাঁও, ফতেহনগর, রাউজান, ফটিকছড়িতে জমি ও বাড়ির মালিক হয়েছেন। দুবাইতেও ২/৩টি দোকান রয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় স্বর্ণ চোরাচালানের মামলা রয়েছে।

এ মামলায় চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আগাম জামিন চান আবু আহাম্মদ। হাইকোর্ট তিন সপ্তাহের মধ্যে তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়।

এই নির্দেশের পর ২২ ফেব্রুয়ারি আসামি আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন দাখিল করেন। এই আবেদনের পর চট্টগ্রামের সিনিয়র স্পেশাল জজ নথি তলব করে ৫ মে জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য রাখেন।

কিন্তু চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে নথি না আসায় জামিন শুনানি হয়নি। এরপর ১৩ জুলাই দিন ধার্য রাখা হলেও নথি না আসায় জামিন শুনানি হয়নি।

পরবর্তীতে ধার্য তারিখে নথি না আসায় ৩১ আগস্ট নথি উপস্থাপনপূর্বক ৫ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন ধার্য করে আদালত।

এভাবে আরও কয়েকবার শুনানির জন্য সময় প্রার্থনা করেন আসামি। এসব আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। ১৩ নভেম্বর আসামির সময় আবেদন না-মঞ্জুর করে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

বিশেষ আদালতের আদেশে বলা হয়, গত ৯ মাস ধরে জামিন শুনানি না করে আসামি সময়ের দরখাস্ত দিয়ে আসছেন। এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং উচ্চ আদালতের আদেশ অবমাননার শামিল।

এরপরই ওই আসামি পুনরায় হাইকোর্টে হাজির হয়ে আগাম জামিন চান। জামিন আবেদনের তথ্য গোপন করে আদালতের সঙ্গে প্রতারণা করায় তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন:
ক্ষতিপূরণ না দেয়ায় শ্যামলী ট্রাভেলসকে হাইকোর্টের ভর্ৎসনা 
আদালতের বক্তব্য প্রকাশে সতর্ক করল হাইকোর্ট
ইসলামী ব্যাংকের ‘অর্থ লোপাট’ নিয়ে রিটের পরামর্শ হাইকোর্টের
চেক ডিজঅনার মামলা নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত হয়নি
ব্যাংক কেলেঙ্কারি নিয়ে হাইকোর্ট, আমরা শুধু চেয়ে দেখব?

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Khichuri seized from BNP office

বিএনপির কার্যালয় থেকে খিচুড়ি জব্দ

বিএনপির কার্যালয় থেকে খিচুড়ি জব্দ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশের অভিযানের পর জব্দ করা হয় কয়েক ডেকচি খিচুড়ি। ছবি: নিউজবাংলা
দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত সংঘর্ষ শেষে পুলিশ নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে অভিযান চালানোর সময় রান্নার চাল-ডাল, তেল, মশলা, পানি যেমন পাওয়া যায়, তেমনি পাওয়া যায় রান্না করা খিচুড়িও। সেগুলো গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যায় বাহিনীটি। এগুলো দিয়ে কী করা হবে, সে প্রশ্নের জবাব আপাতত মেলেনি।

রাজধানীর নয়াপল্টনে সংঘর্ষের পর বিএনপির কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ বেশ কয়েকজনকে আটকের পাশাপাশি ককটেল উদ্ধার, এক ট্রাক চালসহ খাদ্য উপকরণ এমনকি কয়েক ডেকচি খিচুড়ি জব্দ করেছে পুলিশ।

জব্দ করা এসব খাদ্য ও খাদ্যপণ্য নিয়ে কী করা, হবে, সে প্রশ্নের জবাব অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আগামী শনিবার ঢাকায় দলটির বিভাগীয় সমাবেশে যোগ দিতে গত কয়েক দিন ধরে নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে অবস্থান করছিলেন। সময় যত গড়াচ্ছিল, নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিও বাড়ছিল তত। ঢাকার বাইরে থেকে আসতে থাকা নেতা-কর্মীদের খাওয়াদাওয়া নিশ্চিতের ব্যবস্থাও করেছিল বিএনপি। সেজন্য আয়োজন করা হয় রান্নারও।

বিএনপির কার্যালয় থেকে খিচুড়ি জব্দ
নয়াপল্টন থেকে পুলিশ জব্দ করে ট্রাকভর্তি চাল-ডাল ও পানিসহ বিভিন্ন মালামাল। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ অভিযান চালানোর সময় রান্নার চাল-ডাল, তেল, মশলা, পানি যেমন পাওয়া যায়, তেমনি পাওয়া যায় রান্না করা খিচুড়িও। সেগুলো গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।

পুলিশ বলছে, তাদের অনুমতি ছাড়াই নয়াপল্টনে সমাবেশ করার চেষ্টা করছিল বিএনপি। এ জন্যই এগুলো মজুদ করা হচ্ছিল।

বাহিনীটি জানায়, পার্টি অফিসের সামনে থেকে এক ট্রাক চালের বস্তা ও পার্টি অফিসের নিচতলার অস্থায়ী রান্নাঘর থেকে খিচুড়ি জব্দ করা হয়।

জানতে চাইলে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ কমিশনার হায়াতুল ইসলাম বলেন, ‘তারা গত কয়েকদিন ধরেই এখানে কর্মী জমায়েত করে রান্নার আয়োজন করে খাওয়াচ্ছিল। কিন্তু আজকে যে আয়োজন দেখলাম তাতে স্পষ্ট তারা আমাদের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও নয়াপল্টনেই সমাবেশের প্রস্ততি নিচ্ছিল।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে গত ৮ অক্টোবর থেকে বিএনপি বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ থেখে ১০ ডিসেম্বর রাজধানীকে জমায়েতের ঘোষণা দেয়।

তবে এই সমাবেশ কোথায় হবে এ নিয়ে তৈরি হয়েছে বিরোধ। বিএনপি সেদিন জমায়েত হতে চায় নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, যেখানে যেতে আপত্তি আছে দলটির।

নয়াপল্টন না পেলে আরামবাগে অনুমতি দিতে বিএনপির মৌখিক অনুরোধ মৌখিকভাবেই ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বুধবার বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হয়েছে, গ্রহণযোগ্য বিকল্প স্থানের প্রস্তাব দেয়া না হলে সমাবেশ হবে নয়াপল্টনেই।

দুপুরের আগে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাস ঘোষণা দেন, তাদের সমাবেশ হবে নয়াপল্টনেই। পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, তাদের কাজ তারা করবেন।

আগের রাত থেকেই সেই এলাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিতে থাকেন। দুটি ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চ বানিয়ে নেতাদের বক্তব্য চলছিল সকাল ১০টা থেকেই। সেই সঙ্গে বিতরণ করা হচ্ছিল লিফলেট। তাতে শনিবারের সমাবেশে যোগ দেয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছিল।

দুপুরের পর থেকে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, পরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পুলিশের অভিযানের পর পরিস্থিতি অনেকটাই পাল্টে গেছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, আইন অমান্য করলে বিএনপির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সেই সঙ্গে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করলে নিরাপত্তার দায়িত্বও নেন তিনি।

এরপর বিএনপি মহাসচি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারা ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ করতে চান। এর ব্যবস্থা করতে হবে সরকারকেই।

আরও পড়ুন:
নয়াপল্টনে পুলিশি হামলার নিন্দা বাম জোটের
১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
বিএনপিকে ডিএমপির হুঁশিয়ারি
দরজা ভেঙে বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ, রিজভী গ্রেপ্তার, আটক বহু
বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে কাঁদানে গ্যাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bomb attack on Chhatra League bus case against half a hundred leaders of BNP

ছাত্রলীগের বাসে বোমা হামলা, বিএনপির অর্ধশত নেতার বিরুদ্ধে মামলা

ছাত্রলীগের বাসে বোমা হামলা, বিএনপির অর্ধশত নেতার বিরুদ্ধে মামলা মঙ্গলবার বাসে বোমা বিস্ফোরণের পর বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
ঝালকাঠিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বহনকারী দুটি বাসে বোমা হামলার ঘটনায় বুধবার সদর থানায় মামলা করা হয়। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগের বর্তমান আহ্বায়ক পৌর কাউন্সিলর রেজাউল করিম জাকির এ মামলা করেন।

বরিশাল-পিরোজপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির কৃষ্ণকাঠি ব্রাকমোড় ব্রিজে মঙ্গলবার রাত ৯টায় জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বহনকারী দুটি বাসে বোমা হামলার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনার পরদিন বুধবার অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে ঝালকাঠি সদর থানায় মামলা করা হয়। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগের বর্তমান আহ্বায়ক পৌর কাউন্সিলর রেজাউল করিম জাকির মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২৫/৩০ জনকে আসামি করা হয়।

এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন- জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো.মনিরুল ইসলাম নুপুর, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামিম তালুকদার, পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান তাপু, সাদ্দাম হোসেন, সরদার এনামুল হক এলিন, আনিসুর রহমান, গোলাম কিবরিয়া, শফিকুল ইসলাম লিটন, সরদার সফায়েত হোসেন, মো.নাছির উদিন খানন, আরিফুর রহমান খান, কেশব সুমন, জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাড. শহাদাৎ হোসেন ও মো. জাহিদ হাসেন।

মামলার বাদী রেজাউল করিম জাকির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিএনপিতে কে সাবেক এবং কে বর্তমান সেটা মুখ্য বিষয় না। কারা বোমা হামলা করেছে, কারা পরিকল্পনা করেছে, কারা উসকানি দিয়েছে সেটাই মুখ্য বিষয়। আমি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এই মামলা করেছি।’

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্মেলনে শেষে ঝালকাঠি ফেরার পথে রাত ৯টায় জেলা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বহনকারী দুটি বাস ঝালকাঠি ব্রাকমোড় ব্রিজের ওপর এলে কে বা কারা পরপর পাঁচটি বোমা ছোড়ে। এতে ছাত্রলীগের ছয় নেতা-কর্মী আহত হন। তাদের সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে দ্রুতই অভিযান চালানো হবে বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন ঝালকাঠির পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীদের বায়োডাটা গণভবনে
২৪ ডিসেম্বরের মধ্যেই ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা
বড় ভাইকে মেইনটেইন করা ছাত্রলীগের কাজ নয়: কাদের
ছাত্রলীগের কর্মীদের মুখে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে জল্পনা
ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্বে আসছেন কারা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The former DCK of Khulna has been summoned to the High Court

খুলনার সাবেক ডিসিকে হাইকোর্টে তলব

খুলনার সাবেক ডিসিকে হাইকোর্টে তলব
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘ইউনাইটেড দে কিল রিভার্স’ শিরোনামে গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রা ও হরি নদীর জায়গার অবৈধ স্থাপনা নিয়ে করা এই প্রতিবেদন যোগ করে ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে রিট করা হয়। এরপর ২৫ ফেব্রুয়ারি আদালত রুলসহ আদেশ দেয়।

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের আদেশ প্রতিপালন না করায় খুলনার সাবেক জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার ও ডুমুরিয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমানকে তলব করেছে হাইকোর্ট।

বুধবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘ইউনাইটেড দে কিল রিভার্স’ শিরোনামে গত বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। ডুমুরিয়া উপজেলার ভদ্রা ও হরি নদীর জায়গার অবৈধ স্থাপনা নিয়ে করা এই প্রতিবেদন যোগ করে ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি জনস্বার্থে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে রিট করা হয়। এরপর ২৫ ফেব্রুয়ারি আদালত রুলসহ আদেশ দেয়।

খুলনার জেলা প্রশাসক ও ডুমুরিয়ার এসি ল্যান্ডকে সিএস/আরএস অনুসারে জরিপ করে ভদ্রা ও হরি নদীর সীমানা নির্ধারণ করে ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেয় আদালত। জেলা প্রশাসন জরিপ করে ১৪টি ইটভাটার তালিকা আদালতে দাখিল করে। এরপর ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করা হয়।

আদালত গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর ৬০ দিনের মধ্যে ১৪টি স্থাপনা অপসারণ করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়। কিন্তু আদেশ প্রতিপালন না করায় আদালত অবমাননার অভিযোগ দায়ের হয়। এরপর ২৫ অক্টোবর আদালত রুল জারি করে। এরপরও ইটভাটা উচ্ছেদ না করায় এইচআরপিবির পক্ষে বিবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত হাজিরার আবেদন দাখিল করা হয়।

আবেদনের শুনানি শেষে আদালত জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার ও ডুমুরিয়ার ইউএনও শরীফ আসিফ রহমানকে তলব করেছে। আগামী ১০ জানুয়ারি তাদের হাজির হতে বলা হয়।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার খুলনা থেকে বদলি হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
ভবিষ্যতে বিচারকের সঙ্গে বিতণ্ডা করলে ক্ষমা নয়: হাইকোর্ট
দিনমজুরকে দণ্ড: ইউএওর বিচারিক ক্ষমতা স্থগিত
হাইকোর্টের নির্দেশে হেমা-শ্যামের মিলন
সাংবাদিকরা সংবাদের সোর্স প্রকাশে বাধ্য নন : হাইকোর্ট
সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তার নিয়ে আপিলের শুনানি ৩০ অক্টোবর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP office as it is now after the police raid

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন সংঘর্ষ ও অভিযানের পর বুধবার রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ছিল লণ্ডভণ্ড অবস্থা। ছবি: নিউজবাংলা
বুধবার রাত ৯টার দিকে নয়াপল্টন এলাকায় গিয়ে সুনসান নীরবতা দেখা যায়। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়টি যেন পরিণত হয়েছে ভূতের বাড়িতে। কার্যালয়ের ভেতরে যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আসবাবপত্র। ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে কিছু কক্ষের দরজা। এছাড়া অসংখ্য পানির বোতল, পেঁয়াজ, রসুনও পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

রাজধানীর নয়াপল্টন বুধবার দুপুরের পর থেকে যেন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে চলা সংঘর্ষ ও পুলিশের অভিযানে একজন নিহত ও অন্তত ১৮ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১০ ডিসেম্বরের বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে আমান উল্লাহ আমান ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। দিন শেষে পুলিশ জানায়, অন্তত ৩০০ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে রাত ৯টার দিকে কার্যালয় এলাকায় গিয়ে সুনসান নীরবতা দেখা যায়। কার্যালয়টি যেন পরিণত হয়েছে ভূতের বাড়িতে। কার্যালয়ের ভেতরে যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আসবাবপত্র। ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গেছে কিছু কক্ষের দরজা। এছাড়া অসংখ্য পানির বোতল, পেঁয়াজ, রসুনও পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

বুধবার রাত ৯টার দিকে বিএনপি কার্যালয়ে প্রবেশ করার সুযোগ পান গণমাধ্যমকর্মীরা। কলাপসেবল গেট পেরিয়ে ভেতরে যেতে মোবাইলের আলো ব্যবহার করতে হয়েছে।

নিচতলায় প্রবেশমুখেই জিয়াউর রহমানের একটি ভাস্কর্য রয়েছে, যেটি কাঁচ দিয়ে ঘেরা ছিল। তবে তা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়।

নিচতলা থেকে সিঁড়ি ভেঙে উপরে উঠতে চোখে-নাকে অনুভূত হয় টিয়ারশেলের ঝাঁজ। ছয়তলা ভবনটি ছিল জনমানবশূন্য।

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন

দ্বিতীয় তলায় আছে মহিলা দলের কার্যালয়। সেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে চেয়ার-টেবিলসহ অন্যান্য সরঞ্জাম। একটি কক্ষে স্তূপ করে রাখা অবস্থায় পাওয়া যায় অসংখ্য পানির বোতল।

তৃতীয় তলায় জেনারেল সেক্রেটারির কক্ষ। সেটির দরজাও ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়।

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন
বুধবার রাত ৯টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কের চিত্র। ছবি: নিউজবাংলা

চতুর্থ তলার ছাত্রদল, যুবদল ও কৃষকদলের কার্যালয়ে আসবাবপত্র এলোমেলা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। মেঝেতে কিছু কাপড়ের পোড়া অংশ পাওয়া গেছে।

ধারণা করা হয়, টিয়ার শেলের ঝাঁজ থেকে মুক্তি পেতে কাপড় পোড়ানো হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি কক্ষের টেবিলে ছড়িয়ে ছিল কাগজপত্র।

পঞ্চম তলায় জাসাসের কার্যালয় এবং ষষ্ঠ তলায় জিয়া স্মৃতি পাঠাগার। অন্যান্য তলার মতো এই দুই তলাতেও আসববাবপত্র ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় পাওয়া যায়।

কার্যালয় বা সড়কে বিএনপির কাউকে দেখা না গেলেও নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। রয়েছে রায়ট কার ও ব্যারিকেড। থমথমে পরিস্থিতি রিরাজ করছে পুরো নয়াপল্টন এলাকায়।

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন

বুধবার বিকেলের দিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় গুলিতে নিহত হন মকবুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি।

নিহত মকবুল হোসেনের বড় ভাই আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তার ভাই বিএনপির সমর্থক ছিলেন। তবে মকবুল কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেন তার স্ত্রী হালিমা বেগম। সংঘর্ষে অন্তত ১৮ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে সংঘর্ষের পর দলীয় কার্যালয় থেকে পরোয়ানা থাকায় বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ১০ ডিসেম্বরের বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে আমান উল্লাহ আমান ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মো. হারুন অর রশীদ জানান, বিএনপি কার্যালয় থেকে ৩০০ নেতা-কর্মী ও সমর্থককে আটক করা হয়েছে। একই সময়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ১৫টি ককটেল উদ্ধারের দাবি করেন তিনি।

বুধবার বিকেলে এ সংঘর্ষের পর পুরো এলাকায় তৈরি হয় থমথমে পরিবেশ।

পুলিশি অভিযানের পর বিএনপি কার্যালয় এখন যেমন

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই পাশের রাস্তা ধরে পুলিশ হঠাৎ বাঁশি বাজিয়ে টিয়ার শেল ছুড়ে বিএনপির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করা নেতা-কর্মীদের দিকে এগিয়ে আসে। এ পর্যায়ে দলটির নেতা-কর্মীরা পিছু হটেন। মূল সড়কের পাশের অলি-গলিতেও লাঠিপেটা করে পুলিশ।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে নয়াপল্টন এলাকায় একাধিক সাঁজোয়া যান, প্রিজন ভ্যান ও পুলিশের অতিরিক্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করা হয়।

ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হায়াতুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘১০ তারিখের সমাবেশের এখনও চার-পাঁচ দিন বাকি আছে। কিন্তু বিএনপির নেতা-কর্মীরা আজকে নয়াপল্টনে রাস্তা বন্ধ করে মিছিল-মিটিং শুরু করেছিল।

‘আমরা তাদের এসব বন্ধ করতে বলায় তারা পুলিশের ওপর হামলা করে। এরপর আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নিয়েছি। বিএনপি কর্মীদের চারপাশ থেকে হামলার কারণে বাড়তি ফোর্স আনাই। বাড়তি সতর্কতার জন্য সোয়াট সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ করেন।’

আরও পড়ুন:
ভাইয়ের দাবি নিহত মকবুল বিএনপি সমর্থক, স্ত্রীর ‘না’
শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে চাই: ফখরুল
নয়াপল্টনে পুলিশি হামলার নিন্দা বাম জোটের
১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
বিএনপিকে ডিএমপির হুঁশিয়ারি

মন্তব্য

p
উপরে