× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
If the demand is not met stay in PSC from Sunday
hear-news
player
google_news print-icon

দাবি না মানলে রোববার থেকে পিএসসিতে অবস্থান

দাবি-না-মানলে-রোববার-থেকে-পিএসসিতে-অবস্থান
বিসিএস ননক্যাডার প্রার্থীরা শুক্রবার শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। ছবি: নিউজবাংলা
বিসিএস ননক্যাডার প্রার্থীরা শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ ও আলোক প্রজ্জ্বালন কর্মসূচি পালন করেন। দাবি মানা না হলে পিএসসির সামনে আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন তারা।

টানা পাঁচ দিন অবস্থান কর্মসূচির পর বিসিএস ননক্যাডার প্রার্থীরা শুক্রবার শহীদ মিনারে অবস্থান করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। তবে তাদের দেওয়া ছয় দফা না মানা হলে আগামী রোববার থেকে আবার বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি) এর সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন তারা।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিসিএস নন-ক্যাডার প্রার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ ও আলোক প্রজ্জ্বালন কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় প্রার্থীরা দুর্নীতিবিরোধী শপথ গ্রহণ করেন। শপথে প্রার্থীরা সকল প্রকার দুর্নীতি ও অন্যায়কে প্রতিহত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।

পিএসসি প্রার্থীদের ছয় দফা দাবি না মেনে নিলে আগামী রবিবার থেকে আবারও পিএসসির সামনে লাগাতার অবস্থান নিয়ে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কঠোর ও বৈচিত্র্যপূর্ণ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

আরও পড়ুন:
পিএসসিকে ‘মুলা’ দেখালেন নন ক্যাডার প্রার্থীরা
পিএস‌সির সদস্য হলেন আলী আজম‌
পিএসসির সামনে বিক্ষোভ অব্যাহত
পিএসসির গেটে বিসিএস উত্তীর্ণরা
একসঙ্গে পিএসসি পরীক্ষা দিয়ে সরকারি চাকরিতে মা-ছেলে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Fardins father is disappointed that the criminal has not been arrested even in a month

এক মাসেও অপরাধী গ্রেপ্তার না হওয়ায় হতাশ ফারদিনের বাবা

এক মাসেও অপরাধী গ্রেপ্তার না হওয়ায় হতাশ ফারদিনের বাবা ফারদিন নুর পরশ হত্যার প্রতিবাদ এবং দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মঙ্গলবার বুয়েট ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে কথা বলেন পরশের বাবা কাজী নূর উদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা
ফারদিন নুর পরশের বাবা বলেন, ‘তদন্ত সংস্থাগুলো মামলার কোনো অগ্রগতি করতে পারেনি, এটি হতাশার। তবে আস্থা রাখছি সংস্থাগুলো যথাযথভাবে কাজ করবে৷ আমি ছেলের হত্যাকারীদের বিচার চাই। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশ হত্যার এক মাস পার হলেও কোনো অপরাধীকে ধরতে না পারায় হতাশা প্রকাশ করেছেন তার বাবা কাজী নূর উদ্দিন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেছেন, ‘আজ বুয়েট ক্যাম্পাসে সবই আছে, শুধু আমার ছেলেটিই নেই। সন্তানহারা বাবা হয়ে আমার আর বলার কিছু নেই।’

ফারদিন নুর পরশ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে বুয়েটের শহীদ মিনারে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বুয়েটর সাধারণ ছাত্রবৃন্দের ব্যানারে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘নিরাপদ জীবনের নিশ্চয়তা চাই’, ‘ফারদিন হত্যার বিচার চাই’, ‘আমরা সবাই ভাই ভাই, ফারদিন হত্যার বিচার চাই’, ‘তদন্তে বিলম্ব কেন’ ইত্যাদি লেখা সংবলিত প্লাকার্ড তুলে ধরেন।

ফারদিনের বাবা বলেন, ‘এটা দুঃখজনক যে আমার ছেলেকে হারিয়েছি প্রায় এক মাস হলো। এ পর্যন্ত এই ঘটনার তদন্তে সুনির্দিষ্ট কোনো অগ্রগতি নেই। আমার সন্তানের সঙ্গে কী হয়েছে তা জানি না৷ এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কিন্তু এখন পর্যন্ত তদন্তে কেউ চিহ্নিত হয়নি।’

তিনি বলেন, তদন্ত সংস্থাগুলো মামলার কোনো অগ্রগতি করতে পারেনি, এটি হতাশার। তবে আস্থা রাখছি সংস্থাগুলো যথাযথভাবে কাজ করবে৷ আমি ছেলের হত্যাকারীর বিচার চাই। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দোষীদের খুঁজে বের করা হোক, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হোক।’

কাজী নূর উদ্দিন বলেন, ‘এই বুয়েট থেকে আর কোনো সন্তান যেন এভাবে আর তার মায়ের বুক খালি করে না যায়। এটি এখন নিরাপত্তাহীনতার চাদরে ঢেকে ফেলেছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। সবাই একটি অনিশ্চয়তার ভেতরে আছেন। দ্রুত সময়ে ফারদিন হত্যার বিচার হলে অন্যরা আস্থা ফিরে পাবেন।’

ফারদিন হত্যার ঘটনায় বুয়েট কর্তৃপক্ষ নির্লিপ্ত উল্লেখ করে তিনি এর সমালোচনা করেন। বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের বন্ধু ও সহপাঠীকে হারিয়ে এখানে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো উদ্যোগ নিয়ে পাশে দাঁড়ায়নি।

‘আমি ফারদিনের পরিবারের অবিভাবক। কিন্তু বুয়েট কর্তৃপক্ষও তো আমার ছেলের অভিভাবক ছিল। এক্ষেত্রে তারা যদি মামলার অগ্রগতি ইত্যাদি বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন এবং তদন্তকারী সংস্থাকে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করেন তাহলে বিচার কাজ দ্রুত এগিয়ে যাব বলে বিশ্বাস করি।’

বুয়েট শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডের তদন্তে দ্রুত অগ্রগতি দাবি করে মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, ফারদিনের মরদেহ উদ্ধারের প্রায় এক মাস অতিবাহিত হতে যাচ্ছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত এই হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়নি; হত্যাকারীরাও চিহ্নিত হয়নি।

‘আমরা প্রথম থেকেই এই হত্যাকাণ্ড দ্রুত তদন্তের জন্য দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজ ফারদিনের মরদেহ প্রাপ্তির ২৯তম দিনে এসেও আমরা জানি না কী কারণে আমাদের বন্ধু ফারদিনকে হত্যা করা হলো। তদন্তের এই দীর্ঘসূত্রতায় আমরা বুয়েট শিক্ষার্থীরা আশাহত।’

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ‘ফারদিন হত্যা মামলার তদন্তকারী সংস্থা ডিবি ও ছায়া-তদন্তকারী সংস্থা র‍্যাবের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে আসা পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে আমরা বিভ্রান্ত। আমরা বুয়েট শিক্ষার্থীরা ফারদিন নুর পরশের খনিদের শনাক্ত করে দ্রুততম সময়ে গ্রেপ্তার এবং তাদেরকে বিচারের আওতায় আনার জন্য পুনরায় জোর দাবি জানাচ্ছি।

‘হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত হত্যাকারীদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ফারদিনের পরিবারের পাশে আছি এবং থাকব। আমরা আশা করি ভবিষ্যতে ফারদিনের মতো আর কোনো মেধাবী প্রাণ এভাবে নৃশংস হত্যার শিকার হবে না।’

আরও পড়ুন:
ফারদিন হত্যার তদন্তে অগ্রগতির দাবি র‌্যাবের
বুশরার জামিন চায় পরিবার, অনিশ্চয়তায় শিক্ষাজীবন
চনপাড়ার বজলুর ৬ দিনের রিমান্ডে
চনপাড়ার বজলুর মেম্বার গ্রেপ্তার
ফারদিন অটোরিকশায় যান চনপাড়ায়, গুম প্রাইভেট কারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Directorate of Consumer Affairs is interested in monitoring dining canteens of DU

ঢাবির ডাইনিং-ক্যান্টিন তদারকিতে আগ্রহী ভোক্তা অধিদপ্তর

ঢাবির ডাইনিং-ক্যান্টিন তদারকিতে আগ্রহী ভোক্তা অধিদপ্তর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাইনিং এ ক্যান্টিনগুলোতে খাবারের মান নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে। সেখানে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবার রান্না ও পরিবেশন হয় কি না তা তদারকি করতে চাই আমরা।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রাবাসের ডাইনিং ও ক্যান্টিনগুলো তদারকি করতে চায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ মিলনায়তনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ বিষয়ে একটি সেমিনারে এ নিয়ে আলোচনা হয়।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাইনিং এ ক্যান্টিনগুলোতে খাবারের মান নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে। সেখানে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবার রান্না ও পরিবেশন হয় কি না তা তদারকি করতে চাই আমরা।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করারও প্রস্তাব দেন তিনি। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল একমত হন। তারা একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের খাবারে কোনো মূল্য তালিকা নেই। মঙ্গলবারের মধ্যে সেখানে মূল্য তালিকা টানানোরও সিদ্ধান্ত হয় সেমিনারে।

ভোক্তা অধিকারের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। আইনটি ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণে কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে সে বিষয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

পরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। পরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এবিএম শহিদুল ইসলাম, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মীজানুর রহমানও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি পূরণে সময় নিলেন ঢাবি উপাচার্য
উৎসবমুখরতায় শেষ হলো ঢাবি’র ৫৩তম সমাবর্তন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Government Secondary Admission Lottery Date Change

সরকারি মাধ্যমিকে ভর্তি লটারির তারিখ পরিবর্তন

সরকারি মাধ্যমিকে ভর্তি লটারির তারিখ পরিবর্তন
প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সারা দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির লটারি ১২ ডিসেম্বর বেলা ২টায় এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির লটারি ১৩ ডিসেম্বর বেলা ৩টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে।

দেশের সরকারি মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে ভর্তির লটারির নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ ডিসেম্বর। এর আগে ১০ ডিসেম্বর এই লটারি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। তবে বেসরকারি স্কুলের লটারি আগের ঘোষণা অনুযায়ী ১৩ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার মাউশির উপ-পরিচালক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ আজিজ উদ্দিনের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আদেশে বলা হয়, ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত সারাদেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির লটারি ১২ ডিসেম্বর বেলা ২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মহানগরী ‌এবং জেলা সদর ও উপজেলা পর্যায়) ১৩ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ২০২১ ও ২০২২ সালে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম অনলাইন ও লটারির মাধ্যমে করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় সরকারি ও বেসরকারি (মহানগর, জেলা সদর ও উপজেলা সদর) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেয় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর।

আগামী বছরের জন্য অনলাইনে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয় ১৬ নভেম্বর, যা চলবে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর আবেদন ফি ১১০ টাকা, পরিশোধ করতে হবে রাষ্ট্রীয় মোবাইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটকের মাধ্যমে।

সারা দেশে ২ হাজার ৯৬১টি বেসরকারি স্কুলে আসন রয়েছে ৯ লাখ ৪০ হাজার ৮৭৬টি। আর সরকারি ৪০৫টি স্কুলে আসন সংখ্যা ৮০ হাজার ৯১টি।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা ফের চালু
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল ১৪ ডিসেম্বর
স্কুলে ভর্তির আবেদন শুরু হচ্ছে
১৬ নভেম্বর থেকে স্কুলে ভর্তির আবেদন শুরু
একই শিফট হচ্ছে সব সরকারি প্রাথমিকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Temporarily empaneled workers demand job permanence in Jabi

জাবিতে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে মানববন্ধন

জাবিতে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে মানববন্ধন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে সোমবার মানববন্ধন করেন দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কর্মরত অস্থায়ী কর্মচারীরা। ছবি:নিউজবাংলা
শেখ হাসিনা হলের মালি শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ৯ বছর ধরে এই হলে কাজ করছি। আমাদের এক দফা এক দাবি, চাকরি স্থায়ীকরণ করা হোক।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কর্মরত অস্থায়ী কর্মচারীরা। সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে মানববন্ধন শেষে দাবি আদায়ে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা।

মানববন্ধনে সুফিয়া কামাল হলের ডাইনিং-এর কাজে সহায়তাকারী নুরুন্নাহার বলেন, ‘কারও বিরুদ্ধে আমাদের অভিযোগ নেই। আমাদের একটাই দাবি- আমাদের চাকরি স্থায়ীকরণ করতে হবে। আমরা যেন পরিবার নিয়ে চলতে পারি। ডেইলি বেসিসে কাজ করে বর্তমান সময়ে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায় পরিবার নিয়ে চলতে পারছি না। বাচ্চাদের লেখাপড়ার খরচ ঠিকমতো চালাতে পারছি না।

‘আমি প্রীতিলতা হলে ১৯ বছর এবং সুফিয়া কামাল হলে ৭ বছর ধরে ডাইনিং-এর কাজ করছি। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই কাজ করি। বিনিময়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কি আমরা কিছুই পাব না?’

শেখ হাসিনা হলের মালি মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ৯ বছর ধরে শেখ হাসিনা হলে কাজ করছি। আমাদের এক দফা এক দাবি, চাকরি স্থায়ীকরণ করা হোক। আগে ট্রেজারার ম্যাম বলেছিলেন, নতুন হল চালু করার সময় আমাদের সিনিয়রিটির ওপর ভিত্তি করে নিয়োগ দেয়া হবে। কিন্তু বর্তমানে আমাদের নতুন হলে চাকরি দেয়া হবে না।

‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই বাজারে সন্তানের পড়ালেখার খরচ যোগানো এমনকি সংসারটা টেনে নেয়াই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আবার ডেইলি বেসিসের কর্মচারী হওয়ায় ঈদ বোনাস, বিশেষ বিশেষ দিনে ছুটিও পাই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ২৪ নভেম্বরও দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে স্মারকলিপি দেয়া হয়। এর আগে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি একই দাবিতে মানববন্ধন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক রাশেদা আখতার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমাদের চাকরি স্থায়ীকরণের আশ্বাস দেন। কিন্তু তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি।'

আরও পড়ুন:
উন্নয়ন পরিবেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে
জাবিতে প্রথম নারী উপাচার্যের ৮ বছর
খাবারের দাম নিয়ে ভোগান্তিতে জাবি শিক্ষার্থীরা
৭ ফেব্রুয়ারি থেকে জাবিতে সশরীরে ব্যাবহারিক ক্লাস-পরীক্ষা
করোনা: জাবিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সাক্ষাৎকার স্থগিত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Highway blocked in protest of Madrasa girls hanging body

মাদ্রাসার মেয়েশিশুর ঝুলন্ত মরদেহ, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

মাদ্রাসার মেয়েশিশুর ঝুলন্ত মরদেহ, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ
মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণিপড়ুয়া মেয়েশিশুকে হত্যা করা হয়েছে এমন দাবি করে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নরসিংদীর মাধবদী থানার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের মাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে শত শত মানুষ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
নরসিংদীর মাধবদী থানার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের কুঁড়েরপাড় গ্রামের জামিয়া ক্বওমিয়া মহিলা মাদ্রাসায় দ্বিতীয় শ্রেণিপড়ুয়া এক মেয়েশিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে। এত ছোট শিশু আত্মহত্যা করতে পারে না অভিযোগ করে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।

দ্বিতীয় শ্রেণিপড়ুয়া মেয়েশিশু মাদ্রাসার শৌচাগারে আত্মহত্যা করেছে, শিক্ষকদের এমন দাবি মেনে নিচ্ছেন না শিশুটির স্বজন ও এলাকাবাসী। এ ঘটনাটিকে হত্যা দাবি করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন তারা।

এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে খুনের মামলাও করেছেন। পুলিশ বলছে, এই অভিযোগ আমলে নিয়ে তদন্তও শুরু হয়েছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নরসিংদীর মাধবদী থানার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের মাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে শত শত মানুষ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তারা ঘটনার সঠিক তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

মেয়েটির নাম মাইশা। নরসিংদী সদর উপজেলা মাধবদীর মেহেরপাড়া ইউনিয়নের ভগীরথপুর গ্রামের নেছার উদ্দিন তার বাবা। একই ইউনিয়নের কুঁড়েরপাড় গ্রামের জামিয়া ক্বওমিয়া মহিলা মাদ্রাসায় ভর্তি করা হয় তাকে।

এই মাদ্রাসার আবাসিক শাখার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল মেয়েটি। ১ ডিসেম্বর বিকেলে শৌচাগার থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মাদ্রাসার মেয়েশিশুর ঝুলন্ত মরদেহ, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ

মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণিপড়ুয়া মেয়েশিশুকে হত্যা করা হয়েছে এমন দাবি করে নরসিংদীর মাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শত শত মানুষ বিক্ষোভ করেন। ছবি: নিউজবাংলা

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, মেয়েটি আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু পরিবার বলছে, নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে।

মেয়েটির বাবা নেছারউদ্দিন জানান, মাইশার গায়ে মারধরের দাগ পাওয়া গেছে। তাই এটা অবশ্যই হত্যা।

স্থানীয় একজন বলেন, দ্বিতীয় শ্রেণিপড়ুয়া শিশু কোনোভাবে আত্মহত্যা করতে পরে না। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ যা বলেছে তা বানোয়াট, মিথ্যা।

প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করতে সরকারের কাছে দাবিও জানানো হয় বিক্ষোভে।

মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আহসান উল্লাহ জানান, মাইশা শৌচাগারে ঝুলে থাকলেও তার পা ফ্লোরের কাছাকাছিই ছিল।

যে শৌচাগারে মেয়েটির মরদেহ পাওয়া গেছে, সেটি চতুর্থ তলায়। কিন্তু মাইশার শ্রেণিকক্ষ ছিল তিন তলায়। আবার তার গলায় যে ওড়না আর পানির পাইপে যে গামছা বাঁধা ছিল, তা-ও মাইশার নিজের নয়।

মাইশার বাবার করা মামলায় বলা হয়েছে, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় অজ্ঞাত আসামিরা শিশুটিকে হত্যা করে চারতলায় শৌচাগারে পানির পাইপের সঙ্গে ওড়না ও গামছা দিয়ে ঝুলিয়ে রাখে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রকিবুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাইশার বাবার দেয়া অভিযোগটি আমরা আমলে নিয়ে মামলায় নথিভুক্ত করেছি। তদন্ত চলছে।’

আরও পড়ুন:
মাদ্রাসার শৌচাগারে দেড় মাসের ব্যবধানে আরেক মেয়ের ঝুলন্ত দেহ
শিশু পর্নোগ্রাফি: গুগলের তথ্যে ধরা বরগুনার মাদ্রাসাছাত্র

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hundreds of students are deprived of education as the school is shifted to another union

বিদ্যানন্দে বিদ্যা নেই

 বিদ্যানন্দে বিদ্যা নেই কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা
বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাইজুল ইসলাম জানান, তার ইউনিয়নের চর বিদ্যানন্দ এলাকায় ৯৯ শতক জামিতে স্কুলটি স্থাপন করা হয়। ২০১৭ সালে ভাঙনের কারণে জায়গা নির্ধারণ করার আগেই কয়েকজন সেটি নাজিম খাঁ ইউনিয়নে স্থানান্তর করেন।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নে স্থাপন করা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি নদী ভাঙনের কারণে পাশের ইউনিয়নে নিয়ে যান কয়েকজন শিক্ষক। বারবার অনুরোধ করলেও স্কুলটি আগের ইউনিয়নে ফিরিয়ে আনা হয়নি। সেই ইউনিয়নে কয়েকটি প্রাথমিক স্কুল থাকলেও ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির কোনো সুযোগ নেই।

নদী ভাঙনের কারণে কুড়িগ্রামে একটি ইউনিয়নে পাঁচ বছর ধরে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ২০১৭ সালে রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের একমাত্র স্কুলের জায়গাটি নদীগর্ভে চলে যায়।

এরপর সেটিকে স্থানান্তর করা হয় পাশের একটি ইউনিয়নে। কিন্তু সেখানে কয়েকটি স্কুল রয়েছে। বিন্দানন্দে এখন নেই একটিও।

নতুন জায়গায় গিয়ে স্কুলটিরও কোনো লাভ হয়েছে এমন নয়, সেখানে ছাত্র সংখ্যা ১১৬ জন জানানো হলেও বার্ষিক পরীক্ষায় গিয়ে দেখা যায় পরীক্ষা দিচ্ছে কেবল ১৬ জন। এদিকে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের শত শত শিশু স্কুল পাচ্ছে না।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির নাম বিদ্যানন্দ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এখানে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ানো হয়। স্কুলটি স্থাপন হয় ১৯৯১ সালে, ওই বছরেই হয় এমপিওভুক্তি।

২০১৭ সালে স্কুলটি নদী ভাঙনের শিকার হলে সেটি ওই ইউনিয়নের তৈয়ব খাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থানান্তর করা হয়। পরে নতুন জায়গা না পাওয়ায় প্রধান শিক্ষক লোকনাথ বর্মনসহ কয়েকজন স্কুলটিকে পাশের নাজিম খাঁ ইউনিয়নের তালতলা রঞ্জিতসর গ্রামে স্থানান্তর করেন।

তখন থেকে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চরসহ আাশেপাশের নিম্ন মাধ্যমিক পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

বর্তমানে যেখানে স্কুলটি আছে, তার তিন কিলোমিটারের মধ্যে কালিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়, ডাংরারহাট উচ্চ বিদ্যালয়, নাজিম খাঁ উচ্চ বিদ্যালয় এবং বাছড়া আজিজিয়া আলিম মাদ্রাসা নামে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে। ফলে বিদ্যানন্দ ছাত্রও পাচ্ছে না।

বিদ্যানন্দ ইউনিয়নে আছে বেশ কিছু প্রাথমিক স্কুল। এগুলো হলো বিদ্যানন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম চর বিদ্যানন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর তৈয়ব খাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রতিদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর রতিদেব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

চর তৈয়ব খাঁ ও হয়বত খাঁতে এনজিও পরিচালিত আরও দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। সেখান থেকে পাস করে শিশুরা পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে। কারণ, এসব স্কুলের ৬ থেকে ৭ কিলোমিটারের মধ্যেও কোনো নিম্ন বা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই।

তৈয়ব খাঁ গ্রামের বাসিন্দা আজাহার আলী বলেন, ‘হামার চরের এলাকায় কোনো স্কুল না থাকায় প্রাইমারি পাস করে মেয়েদের বাল্য বিয়ে দেয় অভিভাবকরা। আর ছেলেরা চরের মধ্যে কামলা দেয়, ঢাকা যায়। এই এলাকার সন্তানদের শিক্ষার জন্য স্কুলটি আমাদের এখানে পুনরায় আনা হোক।’

শ্রীমতি কমলা রাণী বলেন, ‘বর্তমান হামার ইউনিয়নের স্কুলটি অন্য ইউনিয়নে থাকায় শিক্ষার্থীর চেয়ে শিক্ষকের সুযোগ সুবিধা হইছে। তারা বসে বসে সরকারের বেতন ভাতা তুলছে। অথচ আমাদের এখানে স্কুল না থাকায় বাচ্চাদের পাশের স্কুলগুলোতে ভর্তি করানো হচ্ছে। আমাদের চর ও গ্রামের সন্তানদের পড়ালেখা নিশ্চিত করতে সরকার দ্রুত স্কুলটি ফিরিয়ে দিক।’

বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাইজুল ইসলাম জানান, তার ইউনিয়নের চর বিদ্যানন্দ এলাকায় ৯৯ শতক জামিতে স্কুলটি স্থাপন করা হয়। ২০১৭ সালে ভাঙনের কারণে জায়গা নির্ধারণ করার আগেই কয়েকজন সেটি নাজিম খাঁ ইউনিয়নে স্থানান্তর করেন।

তিনি জানান, তারা অনেক চেষ্টা তদবির করেও স্কুলটিকে তাদের ইউনিয়নে ফেরাতে পারেননি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লোকনাথ বর্মন ফোনে বলেন, ‘আপনাদেরকে তথ্য দেয়া হবে না।’ এটুকু বলেই লাইন কেটে দেন তিনি।

এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরে তাসনিম জানান, বিদ্যানন্দ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি বিদ্যানন্দ ইউনিয়নে নিয়ে যাবার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি।

ছাত্রসংখ্যা বাড়িয়ে বলে স্কুল কর্তৃপক্ষ

বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যানন্দ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন শিক্ষক রোদ পোহাচ্ছেন আর সপ্তম শ্রেণিতে ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রে পাঁচ জন ছেলে ও দুই জন মেয়ে এবং অষ্টম শ্রেণিতে শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে ছয় জন ছেলে এবং তিন জন মেয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। ছষ্ঠ শ্রেণিতে কোনো পরীক্ষার্থীই নেই।

অথচ বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতা অনুযায়ী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৩২ জন, সপ্তম শ্রেণিতে ৪০ জন এবং অষ্টম শ্রেণিতেও ৪০জন শিক্ষার্থী রয়েছে।

তবে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মো. নাঈম বলে, ‘আমাদের শ্রেণিতে ১৫ জন ছিল। এর মধ্যে ঢাকায় কাজ করতে গিয়ে তিন জন মারা গেছে। দুই জন ঢাকায় কাজ করছে এবং একজন বাড়িতে আছে। আর আমরা পরীক্ষা দিচ্ছি নয় জনে।’

আরেক ছাত্র বলেন, ‘করোনার পর কেউ ঢাকা গেছে, কেউ বাড়িতে আছে আবার অনেকেই অন্য স্কুলে ভর্তি হওয়ায় এখানে শিক্ষার্থী কম।’

এই বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফ-উজ-জামান সরকার বলেন, ‘আমি পরিদর্শনে গিয়ে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ২০ থেকে ২২ জন শিক্ষার্থী পেয়েছি। এই বিষয়ে অনেক লেখালেখি হয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে সমস্যার সমাধান হয়নি।’

আরও পড়ুন:
শিশুদের অতিরিক্ত পানি পান করিয়ে শাস্তি: শিক্ষক বরখাস্ত
মোটরসাইকেল আরোহী শিক্ষার্থীর গলায় বাঁশ ঢুকে মৃত্যু
হোমওয়ার্ক না করায় শিশুদের অতিরিক্ত পানি পান করিয়ে শাস্তি
প্রধান শিক্ষককে ছোড়া বল্লমে ছাত্রের মৃত্যুতে দুই মামলা
প্রধান শিক্ষককে ছোড়া বল্লমে প্রাণ গেল ছাত্রের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Blocking the victory the committee demanded a blockade of Dhaka College Chhatra League

জয়কে আটকে কমিটি দাবি ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের

জয়কে আটকে কমিটি দাবি ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটির দাবিতে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা রোববার রাতে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
রোববার রাতে নীলক্ষেত এলাকায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের পথ রোধ করে কমিটির দাবি জানান ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে তারা নীলক্ষেত থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত সব সড়ক অবরোধ করেন। রাত সাড়ে ১২টায় অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

নতুন কমিটির দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সায়েন্স ল্যাব মোড়, নিউমার্কেট, নীলক্ষেতসহ ঢাকা কলেজের আশপাশের সব সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন তারা। কমিটি না দেয়া পর্যন্ত তারা সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। অবশ্য রাত সাড়ে ১২টায় অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

রোববার রাতে এ ঘটনার আগে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের অবরোধের মুখে পড়েন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। নীলক্ষেত এলাকার বাসায় ফেরার পথে তারা জয়কে থামিয়ে কমিটির দাবি জানান। এ সময় জয় তাদেরকে কমিটি দেয়ার আশ্বাস দেন। পরে উপস্থিত সিনিয়রদের হস্তক্ষেপে জয় বাসায় ফিরে যান।

জয়কে আটকে কমিটি দাবি ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের
রাত সাড়ে ১২টায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সড়ক থেকে সরে গেলে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। ছবি: নিউজবাংলা

জয় চলে যাওয়ার পর ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা নীলক্ষেত থেকে সায়েন্স ল্যাব পর্যন্ত সব সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় পুরো এলাকার সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। পুলিশ প্রশাসন ও ছাত্রলীগ নেতাদের হস্তক্ষেপে রাত সাড় ১২টায় নেতাকর্মীরা সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল শুরু হয়।

ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ছাত্রলীগ সভাপতি নীলক্ষেত হয়ে নিউ মার্কেটের পাশে তার বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় নীলক্ষেতে অবস্থানরত ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী তাকে থামান। অন্যান্য কলেজে কমিটি দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তারা ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি দেয়ার দাবি জানান। জয় তাদের কমিটি দেয়ার আশ্বাস দেন। পরে সিনিয়রদের হস্তক্ষেপে জয় নিজ বাসায় চলে যান। এরপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করেন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিউমার্কেট জোনের সহকারী কমিশনার শরীফ মোহাম্মদ ফারুকুজ্জামান বলেন, ‘ছাত্ররা সবদিকের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। তারা বলছেন, দাবি মেনে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি দেয়া না হলে অবরোধ প্রত্যাহার হবে না।’

অবশ্য পরে নেতাকর্মীরা অবরোধ তুলে নিলে যান চলাচল শুরু হয়।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সম্মেলন। কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগেই অন্যান্য শাখার সম্মেলন এবং পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ কারণে ঢাকার বিভিন্ন কলেজে এরই মধ্যে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিও দেয়া হয়েছে। কিন্তু গত ৬ বছর ধরে ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি নেই।

আরও পড়ুন:
‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা
ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে
সম্মেলনে বিশৃঙ্খলায় ছাত্রলীগ, ক্ষোভ কাদেরের
ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সম্মেলন আজ
‘বিএনপিকে সুযোগ দিতে এগোনো হয়েছে ছাত্রলীগের সম্মেলন’

মন্তব্য

p
উপরে