× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Barisal will be BNP on November 5
hear-news
player
google_news print-icon

‘৫ নভেম্বর বরিশাল হবে বিএনপির’

৫-নভেম্বর-বরিশাল-হবে-বিএনপির
পিরোজপুরে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে জেলা বিএনপি। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘৫ নভেম্বর যত বাধাই আসুক না কেন, জীবন দিয়ে হলেও সমাবেশে যাবে পিরোজপুরের ১৫ হাজার নেতা-কর্মী। প্রয়োজনে হেঁটে সমাবেশে যাব কর্মীদের নিয়ে। এ সমাবেশ সফল হবেই। শুধু তাই নয়, ৫ নভেম্বর বরিশাল হবে বিএনপির।’

বরিশাল বিভাগীয় গণসমাবেশ সফল করতে পিরোজপুরে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো।

এ উপলক্ষে কয়েক দিন ধরে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন বাজার ও বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।

জেলার ৫৬টি ইউনিয়নে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে মাইকের মাধ্যমে প্রচার ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। তা ছাড়া জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সদস্যরা জেলার বিভিন্ন স্থানে গান পরিবেশন করে গণসমাবেশে যেতে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে পিরোজপুর পৌর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে লিফলেট বিতরণ করতে দেখা যায় জেলা বিএনপির নেতাদের।

‘৫ নভেম্বর বরিশাল হবে বিএনপির’সমাবেশ সফল করতে গত ২৭ অক্টোবর থেকে পিরোজপুর আছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিনসহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু।

বেগম সেলিমা বলেন, ‘বাস, লঞ্চসহ সব পরিবহন আওয়ামী লীগ সরকার বন্ধ করলেও দুই চাক্কার পা বন্ধ করবে কীভাবে? বিএনপির নেতা-কর্মীরা ঠিকই হেঁটে সমাবেশে যোগ দিবে এবং সফল করবে। এ জোয়ার আওয়ামী স্বৈরাচারী সরকার পতনের, এ জোয়ার নতুন সরকার গঠনের। আন্দোলন সফল না হওয়া পর্যন্ত বিএনপির একটি কর্মীও মাঠ ছাড়বে না।’

এ ছাড়া জেলার নেছারাবাদ উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ১১ কিলোমিটার গ্রাম মার্চ করেছেন বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন।

তিনি বলেন, ‘৫ নভেম্বর যত বাধাই আসুক না কেন, জীবন দিয়ে হলেও সমাবেশে যাবে পিরোজপুরের ১৫ হাজার নেতা-কর্মী। প্রয়োজন বোধে হেঁটে সমাবেশে যাব কর্মীদের নিয়ে। আমাদের প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রামে সমাবেশের প্রচার চলছে, মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। এ সমাবেশ সফল হবেই। শুধু তা-ই নয়, ৫ নভেম্বর বরিশাল হবে বিএনপির।’

আরও পড়ুন:
বাস বন্ধের আগেই গন্তব্যে রওনা বরিশালের যাত্রীদের
জিয়া পরিবার আক্রোশের শিকার: ডা. শাহাদাত
বিএনপির ৬৩ নেতা-কর্মীর জামিন হাইকোর্টে
লঞ্চ বন্ধ, স্পিডবোটে চড়া ভাড়ায় বিপাকে যাত্রী
বরিশালে গণপরিবহন বন্ধে সাধারণের ভোগান্তির আশঙ্কা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Anticipatory bail for 150 BNP activists

বিএনপির ১৫০ নেতাকর্মীর আগাম জামিন

বিএনপির ১৫০ নেতাকর্মীর আগাম জামিন
‘১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা হচ্ছে। যার মধ্যে নাশকতা, গাড়ি ভাঙচুর ও বিস্ফোরকের অভিযোগ রয়েছে। এসব মামলায় আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করি। আদালত ছয় সপ্তাহের জামিন দিয়েছে।’

নাশকতার অভিযোগে ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল জেলায় করা ৫ মামলায় বিএনপির ১৫০ নেতাকর্মী হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন।

সোমবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ জামিন তাদেরকে জামিন দেয়।

আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে জামিনপ্রাপ্তাদের বিচারিক আদালতের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন রুহুল কুদ্দুস কাজল, আব্দুল জব্বার ভূইয়া ও মাহবুবুর রহমান খান।

মাহবুবুর রহমান জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা হচ্ছে। যার মধ্যে নাশকতা, গাড়ি ভাঙচুর ও বিস্ফোরকের অভিযোগ রয়েছে। এসব মামলায় আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করি। আদালত ছয় সপ্তাহের জামিন দিয়েছে।’

জামিনপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে-ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতা সাবেক কমিশনার আনোয়ার পারভেজ বাদল, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এম এইচ মামুন ও মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সজলসহ চার জেলার প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী।

আরও পড়ুন:
প্রধান বিচারপতির কাছে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের নালিশ
১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব: ফখরুল
সড়কে সমাবেশের অনুমতি পাচ্ছে না বিএনপি
রিজভীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ
সোহরাওয়ার্দীর বিকল্প পূর্বাচল: বিএনপিকে তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League Conference Avoid all the roads

ছাত্রলীগের সম্মেলন: এড়িয়ে চলবেন যেসব সড়ক

ছাত্রলীগের সম্মেলন: এড়িয়ে চলবেন যেসব সড়ক ছাত্রলীগের সম্মেলনস্থল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশপাশের বিভিন্ন সড়ক এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপি।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম হবে। এ অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম জাতীয় সম্মেলন মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটরা রাজধানীতে সমবেত হতে শুরু করেছেন।

এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় প্রচুর জনসমাগম হবে। এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়সহ আশপাশের এলাকা এড়িয়ে চলার নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সম্মেলন ঘিরে নেয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা।

ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছাত্রলীগের সম্মেলন উপলক্ষে যানজট নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে রাজধানীর কাঁটাবন ক্রসিং, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, কাকরাইল চার্চ ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং, হাইকোর্ট ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, ঢাবি মেডিক্যাল সেন্টার, জগন্নাথ হল ক্রসিং, ঢাবি ভাস্কর্য ক্রসিং, উপাচার্য ভবন ক্রসিং এলাকায় সম্মেলন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ট্রাফিক ডাইভারশন চলবে।

এ ক্ষেত্রে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশপাশের এলাকা দিয়ে চলাচলে নগরবাসীকে ভিন্ন রাস্তা ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে ডিএমপি।

এদিকে সম্মেলন ঘিরে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে সংগঠনটি। সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। আগে থেকে প্রস্তুত করা আছে মঞ্চ।

প্রসঙ্গত, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি দুই বছর পর ছাত্রলীগের সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও এবার তা হচ্ছে প্রায় পাঁচ বছর পর। সর্বশেষ ২০১৮ সালের মে মাসে সম্মেলন হলেও কমিটি ঘোষণা করা হয় জুলাইয়ে। এতে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান রেজওয়ানুল হক চৌধুরী ও গোলাম রাব্বানী।

পরে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে পদ হারান দুজন। তাদের স্থলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় আল নাহিয়ান খান ও লেখক ভট্টাচার্যকে।

২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আল নাহিয়ান খান ও লেখক ভট্টাচার্যকে ‘ভারমুক্ত’ করা হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাদের বিরুদ্ধে কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ কর্মীদের অবরোধ প্রত্যাহার
জয়কে আটকে কমিটি দাবি ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের
ছাত্রলীগের দেয়াল লিখন মুছে দিল হল কর্তৃপক্ষ
ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন: নেতৃত্বের দৌড়ে যারা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After Rizvi Ishrak was also ordered to be arrested

রিজভীর পর ইশরাককেও গ্রেপ্তারের নির্দেশ

রিজভীর পর ইশরাককেও গ্রেপ্তারের নির্দেশ রুহুল কবির রিজভী (বাঁয়ে) ও ইশরাক হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
গত ৬ এপ্রিল সকালে মতিঝিল এলাকায় লিফলেট বিতরণের সময় শাপলা চত্বরের পাশ থেকে ইশরাককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বিকেলে তাকে আদালতে নিলে জামিন আবেদন নাকচ হয়। তাকে পাঠানো হয় কারাগারে। ছয় দিন পর ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালত বিএনপি নেতাকে জামিন দিলে তিনি মুক্তি পান।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পর এবার দলটির আলোচিত নেতা ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে জারি হলো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। দুই বছর আগে নাশকতার এক মামলায় হাজিরা না দেয়ায় এই পরোয়ানা জারি হয়েছে।

রিজভীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল এক দশক আগে। সেটিতেও তিনি জামিনে ছিলেন এবং আদালতে হাজিরা না দেয়ায় তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়া হয়।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরীর আদালতে হাজিরার কথা থাকলেও যাননি ইশরাকসহ ১৩ জন। তারা সময়ের আবেদন করলেও না গ্রহণ করেননি বিচারক।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২০ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচন বানচাল করার জন্য আসামিরা একত্র হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিপরীত পাশে অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পুড়িয়ে মারার উদ্দেশে গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।

এ ঘটনায় পুলিশের তৎকালীন উপপরিদর্শক আতাউর রহমান ভুইয়া ইশরাকসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মামলা করেন।

গত ৬ এপ্রিল সকালে মতিঝিল এলাকায় লিফলেট বিতরণের সময় শাপলা চত্বরের পাশ থেকে ইশরাককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বিকেলে তাকে আদালতে নিলে জামিন আবেদন নাকচ হয়। তাকে পাঠানো হয় কারাগারে।

ছয় দিন পর ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালত বিএনপি নেতাকে জামিন দিলে তিনি মুক্তি পান।

ইশরাককে গ্রেপ্তারের নির্দেশ আসার দিনই জানাজানি হয় রিজভীকে গ্রেপ্তারের পরোয়ানার বিষয়টি, যদিও তার বিরুদ্ধে পরোয়ানাটি জারি হয় ১ ডিসেম্বর।

২০১২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সিটি করপোরেশনের একটি ময়লার গাড়িতে আগুন দেয়ার ঘটনায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও রুহুল কবির রিজভীসহ বেশ কয়েকজকে আসামি করে মামলা করা হয়।

১ ডিসেম্বর মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ ছিল। সেদিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ তিনজন হাজিরা দেন। কিন্তু রিজভীসহ তিনজন হাজির হননি। এরপর বিচারক তাদের জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

আরও পড়ুন:
হঠাৎ অসুস্থ ইশরাক
ইশরাকদের বরিশাল যাত্রা ঠেকাতে ফেরি বন্ধ
ইশরাকের খালাসের বিরুদ্ধে দুদকের আপিল
ইশরাকের বাসায় হামলা
বাংলাদেশে থাকতে হলে জিয়াকে মানতে হবে: গয়েশ্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The whole world is watching the rally on December 10 Fakhrul

১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব: ফখরুল

১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব: ফখরুল গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সোমবার বিকেলে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
‘১০ ডিসেম্বরের দিকে শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বের মানুষ তাকিয়ে আছে। যেকোনো মূল্যে আমাদের সমাবেশ সফল করতে হবে। মামলা-হামলা গ্রেপ্তার উপেক্ষা করে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। পেশাজীবীদের এগিয়ে আসতে হবে। সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমাদের আন্দোলন বেগবান করতে হবে।’

১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে বিএনপি যে সমাবেশ ডেকেছে, তাতে কেবল বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বেরই চোখ থাকবে বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ফিরে পেতে চাইলে যেকোনো মূল্যে এই গণসমাবেশ সফল করতে হবে।

সোমবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক মতবিনিময়ে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী শনিবার বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশ সফল করতে বিএনপিপন্থি বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সঙ্গে বসে দলটি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরের দিকে শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বের মানুষ তাকিয়ে আছে। যে কোনো মূল্যে আমাদের সমাবেশ সফল করতে হবে। মামলা-হামলা গ্রেপ্তার উপেক্ষা করে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। পেশাজীবীদের এগিয়ে আসতে হবে। সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমাদের আন্দোলন বেগবান করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এখন শুধু তারেক রহমান বা বিএনপির অস্তিত্বের প্রশ্ন নয়, আজকে গোটা জাতির জন্য অস্তিত্বের লড়াই।

দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে জানিয়ে বিএনপি নেতা বলেন, ‘এটা আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিপন্ন। আওয়ামী লীগ দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো ধ্বংস করে দেশে লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করেছে।’

ফখরুলের দাবি, ক্ষমতায় এলেই আওয়ামী লীগ লুটপাট করে। তারা ভয় দেখিয়ে শাসন করে। তারা জনগণের সঙ্গে থাকে না বরং প্রতারণা করে। ভুল বুঝিয়ে ভোট নেয়। এখন তাদের আসল চেহারা বের হয়ে গেছে।

সারা দেশে মানুষ জেগে উঠেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিগত ৯টি বিভাগীয় গণসমাবেশে লাখ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। নদী সাঁতরে, হেঁটে, সাইকেলে চড়ে, চিড়া-মুড়ি গুড় নিয়ে সমাবেশে অংশ নিয়েছে।

‘দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার, খালেদা জিয়াকে মুক্ত এবং তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে শরিক হয়েছিলেন। তারা সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে যুক্ত হয়েছিলেন। তারা কিছুই চাননি। শুধু মুক্তি চান’- বলেন ফখরুল।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘বিএনপির সমাবেশ ঘিরে একটি গোষ্ঠী হামলা-মামলা চালাচ্ছে। ইনশা আল্লাহ আমাদের ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ মহাসমাবেশে রূপ লাভ করবে। ইতোমধ্যে অনেক লোক ঢাকা আসা শুরু করেছে। পল্টন এলাকায় গেলেই দেখা যাবে লোকে লোকারণ্য। আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই সরকারের পতন হবে। অতীতেও তা-ই হয়েছে।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম বলেন, ‘নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি না দিলে গোটা ঢাকায় সমাবেশ হবে। তা না সেটা কিন্তু ঠেকানো যাবে না।’

বিএনপিপন্থি চিকিৎসক নেতা ফরহাদ হালিম ডোনার জানান, বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় গণসমাবেশে বিনা মূল্যে অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সেবা দেবেন তারা।

বিএসপিপির আহ্বায়ক এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্ব ও সদস্যসচিব কাদের গনি চৌধুরীর পরিচালনায় সভায় পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রকৌশলী আখতার হোসেন, অধ্যাপক সদরুল আমিন, অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, চিকিৎসক মামুন আহমেদ ও সেলিম ভুঁইয়া।

চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ লুট করে এখন ডিফেন্সিভ পজিশনে: ফখরুল
জনগণের উত্তাল তরঙ্গে আ.লীগ ভেসে যাবে: ফখরুল
ভোট নিয়ে জাপানি দূতের বক্তব্য চরম সত্য কথা: ফখরুল
১০ ডিসেম্বরের উত্তেজনায় ফখরুলের জল
আন্দোলন ভিন্ন খাতে নিতে আ.লীগ আগুন সন্ত্রাসের কথা বলছে: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dont be afraid of election duty EC Rasheda Sultana

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ভয় পেলে চলবে না: ইসি রাশেদা

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ভয় পেলে চলবে না: ইসি রাশেদা নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে কমিশনার রাশেদা সুলতানা। ফাইল ছবি
‘আগের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ১২৬ প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে নতুন করে ভোটের দায়িত্বে আনার সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে ওই উপজেলায় না হলে পাশের উপজেলা থেকে কর্মকর্তা আনতে হবে।’

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাহসের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আমি সরকারি কর্মচারী। এটা আমার রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। আমাকে ভয় পেলে চলবে না। ভয়ের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করতে হবে।’

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘আমার মেসেজ একটাই। আপনারা সাহস নিয়ে কাজ করেন। ভয় পাওয়ার তো কারণ দেখি না৷ ভয় পাবেন কেন?’

এর আগে ১ ডিসেম্বর গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের পাঁচ উপ-পরিদর্শকসহ ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাদের মধ্যে ১২৬ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রয়েছেন।

১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে চরম অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ভোট শেষের দেড় ঘণ্টা আগে তা বন্ধ ঘোষণা করে কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন।

সে ক্ষেত্রে নতুন করে যারা এই ভোটের দায়িত্ব নেবেন তাদের ভয়ের ঊর্ধ্বে থাকার পরামর্শ দেন কমিশনার রাশেদা সুলতানা।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘গাইবান্ধার নির্বাচন খুব দ্রুতই হবে। এ সপ্তাহের শেষ দিকে তফসিল ঘোষণা হবে। ১৫ জানুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে।’

‘আগের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ১২৬ প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে ভোটে দায়িত্ব দেয়ার প্রশ্নই আসে না। যারা দোষী হয়েছে তাদের আনার আর সুযোগ নেই। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগে আইনে যা বলা আছে, সে অনুযায়ী কর্মকর্তা নিয়োগ হবে। এক্ষেত্রে ওই উপজেলায় না হলে পাশের উপজেলা থেকে কর্মকর্তা আনতে হবে।’

রিটার্নিং কর্মকর্তা কে হবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কমিশন বৈঠক করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। আর রিটার্নিংয়ের দায়িত্ব দেয়ার মতো আমাদের বহু কর্মকর্তা আছেন।’

গাইবান্ধায় সুষ্ঠু ভোট হবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘গাইবান্ধার পরে যে কয়টা ভোট করেছি, কোথাও কোনো ঝামেলা হয়নি। আশা করি এবারও হবে না। একটা ভালো নির্বাচন করতে পারব৷’

গাইবান্ধা-৫ আসনের ১৪৫ ভোটকেন্দ্রেই ভোট হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে নতুন প্রার্থী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই৷ আইনে সেভাবে বলা আছে।’

গাইবান্ধার তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে কোনো আলোচনার দরকার নেই বলে মনে করেন এই কমিশনার। বলেন, ‘যথারীতি সিসি ক্যামেরা থাকবে, আমরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করব। আমাদের অধীন যত নির্বাচন হবে, সেখানে ভোটাররা আসবেন, সুষ্ঠুভাবে ইচ্ছামতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এটাই আমাদের চাওয়া।’

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে আরপিও বিধান সংশোধনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে এই কমিশনার বলেন, ‘যাচাই-বাছাই চলছে। খুব দ্রুত অগ্রগতি জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
এইচএসসি পাসে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকরি
গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন: ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ইসির
গাইবান্ধা ‍উপনির্বাচনের প্রতিবেদন: হঠকারী সিদ্ধান্ত নেবেন না সিইসি
গাইবান্ধা ভোটে অনিয়ম: দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আগামী সপ্তাহে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Barisal Bhola speedboat closed on Mayors orders

ব‌রিশাল-ভোলা স্পিডবোট বন্ধ ‘মেয়রের নির্দেশে’

ব‌রিশাল-ভোলা স্পিডবোট বন্ধ ‘মেয়রের নির্দেশে’
স্পিডবোট মালিকরা আরও জানান, সোমবার রাতেই ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক শেখর দাস স্পিডবোট চালুর কথা বলার জন্য মা‌লিকদের নিয়ে মেয়রের বাড়িতে যান। তবে তাতে কোনো সুরাহা হয়‌নি। পরদিন শেখর দাসকে দলীয় পদ থেকে সাম‌য়িক অব্যাহ‌তি দেয় মহানগর আওয়ামী লীগ।

ব‌রিশাল ভোলা নৌপথে এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ হয়ে আছে স্পিডবোট চলাচল। জরুরি কাজে চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে বলে জানান ক্ষুব্ধ এই রুটের যাত্রীরা। স্থানীয় লোকজন ও স্পিডবোট মালিকরা জানিয়েছেন, ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সা‌দিক আব্দুল্লাহ স্পিডবোট বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

ভোলার ভেদু‌রিয়া ঘাটের যাত্রী ফাহাদ হোসেন বলেন, ‘পি‌রোজপুর যেতে হবে খুব জরুরি কাজে। এত‌দিন ধ‌রে স্পিডবোট বন্ধ তা জানতাম না। এখন কয়েক ঘণ্টা লঞ্চ জা‌র্নি ক‌রে যেতে হ‌বে ব‌রিশাল, তারপর পি‌রোজপুর।’

বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যালে ডাক্তার দেখাতে স্বামীকে নিয়ে ঘাটে এসেছেন সু‌মিত্রা রানী।

তিনি বলেন, ‘স্বামী‌ হঠাৎ অসুস্থ হ‌য়ে প‌ড়ে‌ছে বু‌কে ব‌্যথা নি‌য়ে। দ্রুত শের-ই-বাংলায় নি‌তে ব‌লে‌ছে ভোলা হাসপাতাল থে‌কে। ঘা‌টে এসে দেখি সরাস‌রি না‌কি স্পিডবোট যা‌বে না। এই স্পিডবোট লাহারহাট যা‌বে, সেখান থে‌কে মে‌ডিক‌্যা‌লে। এত ভোগা‌ন্তি কেন পোহা‌ব আমরা‌।’

ব‌রিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার ফজলু রহমান জানান, ব্যবসার কাজে প্রায়ই ভোলা যাওয়ার প্রয়োজন হয় তার। সময় কম লাগে বলে স্পিডবোটই ব্যবহার করেন তিনি।

ফজুল বলেন, ‘সপ্তাহে দুই দিন ব‌্যবসার কাজে ভোলা যেতে হয়। এখন এক সপ্তাহ ধ‌রে স্পিডবোট বন্ধ। গত বুধবার এসে‌ছিলাম, আজ (সোমবার) আবারও আসলাম। আজকেও বন্ধ। মেয়রের প্রতি আহ্বান থাকবে, জনগণের ভোগা‌ন্তি কমাতে না পারলে ভোগা‌ন্তি না বাড়ানোই ভা‌লো।

‘কিছু ভা‌লো করতে পারলে করুন, না হ‌লে কোনো কিছু কইরেন না। আপনার কাছ থে‌কে আমরা কিছু আশা ক‌রি না।’

কী কারণে এই রুটে স্পিডবোট ঘোষণা ছাড়া এতদিন ধরে বন্ধ, তা জানতে স্পিডবোট মালিকদের সঙ্গে কথা বলে নিউজবাংলা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানান, স্পিডবোট ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখানকার লাইনম‌্যান তারেক শাহের সঙ্গে ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগ কর্মীদের দ্বন্দ্ব ছি‌ল। ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক শেখর দাসের বেশ নিয়ন্ত্রণ ছি‌ল ঘাটে।

এ নিয়ে দীর্ঘদিন দ্বন্দ্বের পর সি‌টি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহর নির্দেশে শিল্প ও বা‌ণিজ‌্যবিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল গত সোমবার ঘাটে এসে স্পিডবোট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন, তি‌নি না বলা পর্যন্ত স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখ‌তে ব‌লেন।

ব‌রিশাল-ভোলা স্পিডবোট বন্ধ ‘মেয়রের নির্দেশে’

স্পিডবোট মালিকরা আরও জানান, সোমবার রাতেই ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক শেখর দাস স্পিডবোট চালুর কথা বলার জন‌্য মা‌লিকদের নিয়ে মেয়রের বাড়িতে যান। তবে তাতে কোনো সুরাহা হয়‌নি। পরদিন শেখর দাসকে দলীয় পদ থেকে সাম‌য়িক অব‌্যা‌হ‌তি দেয় মহানগর আওয়ামী লীগ।

স্পিডবোট মালিকরা এসব জানালেও মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এসব তথ্য নাকচ করেছেন।

তিনি জানান, সব স্পিডবোট ভোলায় আটকে আছে। ব‌রিশালে এলেই চ‌লবে। কেন আটকে আছে জানতে চাইলে তিনি কোনো সদুত্তর দেননি।

ঘাট এলাকার স্থানীয় শাহ আলম ফ‌কির বলেন, ‘স্পিডবোট ঘাটে ভালো টাকা ইনকাম আছে। যে কারণে এই ঘাট নিয়ন্ত্রণে নিতে সবার মাথাব‌্যথা। আর এই নিয়ন্ত্রণ নিয়েই যত দ্বন্দ্ব। এবার এর নিয়ন্ত্রণ নি‌তে চাইছেন মেয়র মহোদয়। তি‌নি য‌দি নিয়ন্ত্রণে নিতে না চাইতেন, তাহলে তো ঘাট বন্ধ করাতেন না লোক পা‌ঠিয়ে। ঘাট বন্ধ রেখে সাধারণ মানুষকে ভোগা‌ন্তিতে রাখার কোনো মানে হয় না।’

এ বিষয়ে জানতে ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখর দাসকে কল করা হলে তিনি কোনো মন্তব‌্য করতে রাজি হননি। ব‌রিশাল স্পিডবো‌ট ঘাটের লাইনম‌্যান তারেক শাহ্ও কিছু বলতে রা‌জি হননি।

আর একাধিকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি মহানগর আওয়ামী লী‌গের শিল্প ও বা‌ণিজ‌্যবিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল‌ এবং সি‌টি মেয়র সা‌দিক আব্দুল্লাহকে।

ব‌রিশাল-ভোলা রুটে ২০০টি স্পিডবোট চলাচল করে। প্রতি‌দিন কয়েক হাজার যাত্রী স্পিডবোটে যাতায়াত করেন। চলাচল বন্ধের নির্দেশনার পর ঘাট থেকেও বে‌শির ভাগ স্পিডবোট স‌রিয়ে অন‌্যত্র রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পদ্মায় লঞ্চ-স্পিডবোট সার্ভিসের কী হবে
নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে সক্রিয় সরকার, দাবি প্রতিমন্ত্রীর
বন্দরে ডুবে গেল ইয়ট, পরিবেশদূষণের শঙ্কা
পদ্মায় স্পিডবোটডুবি, সবাই উদ্ধার
স্পিডবোটডুবি: মিলল নিখোঁজ সৈকতের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Farmers League conference over cocktails

ককটেল ফাটিয়ে কৃষক লীগের সম্মেলন পণ্ড

ককটেল ফাটিয়ে কৃষক লীগের সম্মেলন পণ্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষক লীগের সম্মেলনে চেয়ার ছোড়াছুড়ির পর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মুসফিকুর রহমান টিটো বলেন, ‘মঞ্চে প্রথম সারিতে কেন্দ্রীয় নেতারা বসবেন, এমন সিদ্ধান্ত হয়েছিল। দ্বিতীয় সারিতেও কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা বসেছিলেন। প্রথম সারিতে কয়েকজন নেতার বসা নিয়েই ঝামেলা সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত প্রথম অধিবেশন স্থগিত হয়েছে।’

চাঁপাইনবাবগঞ্জে কৃষক লীগের সম্মেলনে মঞ্চে বসা নিয়ে চেয়ার ছোড়াছুড়ির পর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শেষ পর্যন্ত সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন পণ্ড হয়ে গেছে। পুলিশ পাহারায় সম্মেলনস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগ নেতারা।

সোমবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা পার্কে এ ঘটনা ঘটে।

দলীয় নেতা-কর্মীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরপার্কে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। দলের কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন। প্রথম সারিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি জেলা আওয়ামী লীগ নেতারাও বসেন। এ সময় প্রথম সারি থেকে পৌর মেয়র মোখলেসুর রহমানকে মঞ্চে পেছনের সারিতে যেতে বলা হয়। এ ঘটনায় মেয়রের সমর্থকদের প্রতিবাদের একপর্যায় শুরু হয় হট্টগোল।

কিছুক্ষণ পর দুপুর ১২টার দিকে সম্মেলনস্থলের পাশে বড় ইন্দারা মোড়ে চারটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। ককটেল বিস্ফোরণের পর সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন স্থগিত করে পুলিশি পাহারায় স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা সার্কিট হাউসে চলে যান।

পরে আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগ নেতারা রাজশাহীর মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।

কৃষক লীগের সম্মেলন ঘিরে সার্কিট হাউসসহ শহরের মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।

প্রথম অধিবেশন স্থগিত হওয়ার বিষয়ে জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক মুসফিকুর রহমান টিটো বলেন, ‘মঞ্চে প্রথম সারিতে কেন্দ্রীয় নেতারা বসবেন, এমন সিদ্ধান্ত হয়েছিল। দ্বিতীয় সারিতেও কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতা বসেছিলেন। প্রথম সারিতে কয়েকজন নেতার বসা নিয়েই ঝামেলা সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত প্রথম অধিবেশন স্থগিত হয়েছে।’

এ বিষয়ে পৌর মেয়র মোখলেসুর রহমান জানান, মঞ্চে তিনি পেছনের সারিতেই বসেছিলেন, জেলার জ্যেষ্ঠ আরও কয়েকজন নেতাকে পেছনের সারিতে বসতে বলা হয়। এ নিয়ে কিছুটা ঝামেলা হয়েছিল। সেটা অনেকটা মিটিয়ে এনেছিলেন নেতারা, হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণের পর সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন স্থগিত করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি আলমগীর জাহান জানান, কৃষক লীগের সম্মেলনের মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। সম্মেলনের বাইরে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনো হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বকুল সভাপতি, রতন সাধারণ সম্পাদক

আব্দুস সামাদ বকুলকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও কামাল ইব্রাহিম রতনকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়েছে।

সার্কিট হাউসে আওয়ামী লীগ ও কৃষক লীগ নেতাদের কয়েক দফা আলোচনার পর সন্ধ্যায় কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ এ ঘোষণা দেন।

এ সময় রাজশাহীর মেয়র লিটন বলেন, দলে বিএনপি-জামায়াত থেকে অনুপ্রেবেশকারীরা সম্মেলনে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের বহরে বিস্ফোরণ: যুবদল নেতাসহ ১২ জনের নামে মামলা
ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল বহরে ককটেল হামলা
উত্তরায় ফ্ল্যাটের রান্নাঘরে ৬ ককটেল বিস্ফোরণ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পত্রিকা অফিসে ‘ককটেল’ বিস্ফোরণ
ককটেল বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণ, মা সহ যুবলীগ নেতা আহত

মন্তব্য

p
উপরে