× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Discipline for creating public nuisance in the name of programme Home Minister
hear-news
player
google_news print-icon

কর্মসূচির নামে জনদুর্ভোগ তৈরি করলে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কর্মসূচির-নামে-জনদুর্ভোগ-তৈরি-করলে-ব্যবস্থা-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
গত ২১ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর এলাকায় বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সঙ্গে নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে পুলিশ, সংবাদমাধ্যমকর্মীসহ আহত হন অন্তত ৫০ জন। ছবি: নিউজবাংলা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যদি যদি কেউ রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে কিংবা গাড়িঘোড়া ভাঙচুর করে কিংবা জনগণের দুর্ভোগ তৈরি করার জন্য তারা যদি কিছু করে, তাহলে তো আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসে থাকবে না।’

রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে জনদুর্ভোগ তৈরি করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যেকোনো দল তার কর্মকাণ্ড করবে। তাতে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু তারা যদি জনদুর্ভোগ তৈরি করেন, রাস্তাঘাট আটকিয়ে দেয়…।

‘আজকে আমি দেখলাম একজন সংসদ সদস্য বলছেন তার তিন ঘণ্টা সময় লেগেছে কোনো এক জায়গায় যেতে। তিন ঘণ্টা লাগে কেন, হয় রাস্তার মধ্যে কোনো মিটিং হয় তখন, কিংবা খোঁড়াখুঁড়িসহ কিছু ডেভেলপমেন্টের কাজ হয়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘যদি যদি কেউ রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে কিংবা গাড়িঘোড়া ভাঙচুর করে কিংবা জনগণের দুর্ভোগ তৈরি করার জন্য তারা যদি কিছু করে, তাহলে তো আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসে থাকবে না। তাদের অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে, এটাই স্বাভাবিক। এটা পৃথিবীর সব দেশেই হয়ে থাকে, আমাদের বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম নয়।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী মনে করেন কেউ তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড যদি স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করে, তারা মিটিং করবে তাদের দাবি-দাওয়ার কথা বলবে, তাতে আমাদের সরকারের কোনো রকম বাধা দেওয়ার ইচ্ছা নেই এবং আমরা বাধা দিচ্ছিও না।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সব সময় মনে করে যে সংবিধান অনুযায়ী ৫ বছর পর পর নির্বাচনের মাধ্যমে পাবলিক ম্যান্ডেটে সরকার বদল হবে। আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা অনেক কিছুই দেখেছি, ষড়যন্ত্র দেখেছি। এগুলোর মাধ্যমেও ক্ষমতা বদল হয়ে গিয়েছিল।

‘নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলো একটু সক্রিয় হয়ে যায় কিংবা নানান ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, যাতে একটা বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয় কিংবা উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। নির্বাচনের সময় এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়, আমরা দেখেছি নির্বাচনের সময়ে যার যার দলের কথা, ব্যক্তিগত প্রচারণা নিয়ে অনেক সময় অনেক কিছু হয়ে থাকে।’

বিএনপির সমাবেশের দিকে ইঙ্গিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, কোনো এক দলের নেতা বলছেন- আপনারা আসবেন, লাঠিটা নিয়ে আসবেন। লাঠিটা নিয়ে আসার সময় দেশের ফ্ল্যাগটা বেঁধে নেবেন, তাহলে কেউ কিছু বলতে পারবে না। ইনটেনশনটা কী সেখানে আপনাদের? দেখলাম পুলিশের ওপর লাঠিপেটা শুরু করেছে।

‘এই সমস্ত কিছু হলে তখন তো নিরাপত্তা বাহিনী তার অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে। আমরা সব সময় বলে আসছি, আমরা বিশ্বাস করি জনগণের ম্যান্ডেটের মাধ্যমে আসতে হবে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যদি কিছু ঘটায়, চেষ্টা করে কিংবা করে তাহলে নিরাপত্তা বাহিনী সেটার ব্যবস্থা নেবে।’

তিনি বলেন, ‘কোনো ভাঙচুর হলে মামলা হবেই। এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কালকে একজন বিচারপতির গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। বিচারপতি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় মামলা করেছেন। এই মামলা তো হবেই। এখানে রাজনীতির গন্ধ আনা উচিত নয়। বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে যদি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় না যেয়ে তারা ভাঙচুর করেন, তারা যদি জনদুর্ভোগ তৈরি করেন তাহলে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী তার অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে।’

আরও পড়ুন:
লাঠি নিয়ে বিএনপিকর্মীদের কর্মসূচিতে আসা আইনসিদ্ধ নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সংস্কার নিয়ে র‍্যাব ডিজির উল্টো কথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিএনপির ওপর হামলাকারী ‘অতি উৎসাহীদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার প্রস্তাব যাচাই করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
BNP rally started in Rajshahi

রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ শুরু

রাজশাহীতে বিএনপির সমাবেশ শুরু রাজশাহীর বিভাগীয় সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন স্থানীয় নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
সকাল ৬টার দিকে সমাবেশের মাঠের গেট খুলে দেয়া হলে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সমাবেশে যোগ দিতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। অনেকের হাতেই দেখা যায় প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত এবং জাতীয় ও দলীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ শুরু হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর ফায়ার সার্ভিস মোড়সংলগ্ন হাজী মুহম্মদ মুহসীন স্কুলের মাঠে (মাদ্রাসা মাঠ) এই সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

সমাবেশের শুরুতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর দলের স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেয়া শুরু করেন। দুপুরে বক্তব্য দেবেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

অন্য গণসমাবেশর মত রাজশাহীতেও সমাবেশের মঞ্চে বিএনপির চেয়ারপাসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে।

এর আগে সকাল ৬টার দিকে সমাবেশের মাঠের গেট খুলে দেয়া হলে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সমাবেশে যোগ দিতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। অনেকের হাতেই দেখা যায় প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন।

রাজশাহী মহানগর বিএনপিার আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈশার সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রথান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দেবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, পরিবহন ধর্মঘটের কারণে সমাবেশে যোগ দিতে বেগ পেতে হয়েছে অনেককে। রাস্তায় পুলিশি তল্লাশিও চালানো হয়েছে।

বিভাগীয় এই সমাবেশে যোগ দিতে গত বুধবার থেকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী রাজশাহীতে আসতে শুরু করেন। সমাবেশস্থলের পাশের ঈদগাহ মাঠ ও সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন অনেকে।

এক সপ্তাহ ধরে সমাবেশস্থল মাদ্রাসা মাঠে অবস্থান নিয়ে ছিল পুলিশ। মাঠের সব গেট বন্ধ করে পালাক্রমে পাহারা দেয় তারা। পরে শনিবার সকাল ৬টার দিকে মাঠ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

বিএনপির এই বিভাগীয় সমাবেশের আগে বাস ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়। পরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, লেগুনা ও থ্রি-হুইলার যানবাহনেরও ধর্মঘট ডাকে রাজশাহী জেলা মিশুক-সিএনজি মালিক সমিতি।

গত ৮ অক্টোবর থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে (সাংগঠনিক বিভাগ) গণসমাবেশের কর্মসূচি শুরু করে বিএনপি। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় তাদের সমাবেশের কথা রয়েছে।

জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, দলীয় নেতা-কর্মীকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদ, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীন সংসদ নির্বাচনের দাবিতে এই সমাবেশ করছে বিএনপি।

আরও পড়ুন:
সমাবেশের মাঠে বিএনপি নেতা-কর্মীরা
রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা
সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Pakistans foreign minister called the defeat of 1971 a military failure

একাত্তরের পরাজয়কে ‘সামরিক ব্যর্থতা’ বললেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

একাত্তরের পরাজয়কে ‘সামরিক ব্যর্থতা’ বললেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি (বাঁয়ে); ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারতীয় জেনারেল জে এস অরোরার কাছে পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজীর আত্মসমর্পণ; পাকিস্তানের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পাকিস্তান পিপলস পার্টির প্রতিষ্ঠাতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর নাতি বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, ‘সেই বিপর্যস্ত সময়ে যখন জুলফিকার আলী ভুট্টো দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তখন গোটা জাতি মানসিকভাবে অনেক ভেঙে পড়েছিল, সব আশা হারিয়ে ফেলেছিল। সেই সব চ্যালেঞ্জ সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন জুলফিকার আলী ভুট্টো।’

১৯৭১ সালে গ্লানিকর পরাজয়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ নামের নতুন রাষ্ট্রের জন্ম হওয়াকে ‘সামরিক ব্যর্থতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া পাকিস্তান ভেঙে যাওয়ার জন্য রাজনৈতিক ব্যর্থতাকে দায়ী করার এক সপ্তাহ পর এমন মন্তব্য করেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রতিষ্ঠাতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর নাতি বিলাওয়াল ভুট্টো।

স্থানীয় সময় বুধবার করাচির নিশতার পার্কে পিপিপির ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এই মন্তব্য করেন দলটির বর্তমান চেয়ারম্যান বিলাওয়াল।

তিনি বলেন, ‘সেই বিপর্যস্ত সময়ে যখন জুলফিকার আলী ভুট্টো দেশের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তখন গোটা জাতি মানসিকভাবে অনেক ভেঙে পড়েছিল, সব আশা হারিয়ে ফেলেছিল। সেই সব চ্যালেঞ্জ সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন জুলফিকার আলী ভুট্টো।’

বিলাওয়াল আরও বলেন, ‘তিনি (জুলফিকার আলী ভুট্টো) পাকিস্তান জাতিকে পুনর্গঠন করেছেন, জনগণের মধ্যে সাহস ফিরিয়ে এনেছিলেন। অবশেষে, আমাদের ৯০ হাজার সেনাকে দেশে ফিরিয়ে আনেন। ‘সামরিক ব্যর্থতার’ কারণে যে ৯০ হাজার সেনা সদস্য যুদ্ধবন্দি হয়েছিলেন তারা পরিবারের সঙ্গে পুনরায় মিলিত হতে পেরেছিলেন। আর এসবই সম্ভব হয়েছিল রাজনীতিতে আশা ছড়িয়ে দিয়ে ঐক্য আর অন্তর্ভুক্তির সমন্বয়ে।’

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর কন্যা ও দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন।

দেশটির অন্যতম সংবাদমাধ্যম ডনের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে দ্য হিন্দু।

অবসর নেয়ার ৬ দিন আগে দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তান আলাদা হয়ে যাওয়ার জন্য তখনকার রাজনৈতিক নেতাদের ব্যর্থতাকে দায়ী করেন। সেই সঙ্গে তিনি সেই বিপর্যয়ে সেনাবাহিনীর ত্যাগ ও অবদানকে হেয় করারও তীব্র সমালোচনা করেন।

১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে নিহত সেনাদের আত্মত্যাগ স্মরণে গত ২৩ নভেম্বর রাওয়ালপিন্ডিতে জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত প্রতিরক্ষা ও শহীদ দিবস অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় জেনারেল বাজওয়া এমন মন্তব্য করেন। সেই সময় সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে ১৯৭১ সালের ‘গৃহযুদ্ধে’ সেনাবাহিনীর অবস্থান নিয়েও কথা বলেন।

জেনারেল বাজওয়া বলেন, ‘আমি কিছু তথ্য সংশোধন করতে চাই। প্রথমত, সাবেক পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ছিল ইসলামাবাদের রাজনৈতিক ব্যর্থতা, সামরিক ব্যর্থতা নয়।

‘যুদ্ধরত সেনার সংখ্যা ৯২ হাজার ছিল না। যুদ্ধ করেছেন ৩৪ হাজার সেনা। বাকিরা ছিল বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের লোকজন। এই ৩৪ হাজার সেনা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ২ লাখ ৫০ হাজার সেনা সদস্য এবং মুক্তিবাহিনীর ২ লাখ যোদ্ধার মুখোমুখি হয়েছিল।

‘এই কঠিন প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে আমাদের সেনাবাহিনী সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেছে। ত্যাগ স্বীকার করেছে, যা ভারতের তৎকালীন সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল মানেকশ স্বীকার করেছিলেন।’

জাতি এখনও এই ত্যাগকে যথেষ্ট সম্মান জানাতে পারেনি দাবি করে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান বাজওয়া বলেন, ‘এটা অবিচার। আজকের আয়োজনে বক্তব্য রাখার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আমি এই শহীদদের অভিবাদন জানাই। এটা অব্যাহত থাকবে। তারা আমাদের নায়ক। তাদের নিয়ে জাতির গর্ব করা উচিত।’

ছয় বছর ধরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন জেনারেল বাজওয়া। ২৯ নভেম্বর অবসরে যান তিনি।

২০১৬ সালে তিন বছরের জন্য সেনাপ্রধান নিযুক্ত হন বাজওয়া। পরে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে তার মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়ে।

সেনাপ্রধান হিসেবে জনগণের উদ্দেশে নিজের শেষ ভাষণের একটি বড় অংশে ছিল রাজনৈতিক ইস্যু।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারতীয় জেনারেল জে এস অরোরার নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন পাকিস্তানি জেনারেল নিয়াজী।

আরও পড়ুন:
রাজনৈতিক ব্যর্থতায় পাকিস্তান ভেঙেছে: সেনাপ্রধান বাজওয়া
রাজাপুর পাকহানাদার মুক্ত দিবস
‘সেনাপ্রধান নিয়োগের পর ইমরানকে দেখে নেব’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Passengers continue to suffer on third day of transport strike in Rajshahi

রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটের তৃতীয় দিনেও যাত্রীদের দুর্ভোগ

রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটের তৃতীয় দিনেও যাত্রীদের দুর্ভোগ ধর্মঘটের কারণে টার্মিনাল থেকে কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘রাজশাহীতে বিএনপির মহাসমাবেশকে বাধাগ্রস্থ করতেই সরকারের সহযোগী হিসাবে বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্ঠরা।

মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল বন্ধসহ ১১ দফা দাবিতে রাজশাহী বিভাগে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট চলছে। ধর্মঘটের তৃতীয় দিনেও নাটোরে যাত্রীদের ভোগান্তির চিত্র দেখা গেছে।

শনিবার সকাল থেকেই শহরের পশ্চিম বাইবাস, বড়হরিশপুর বাইপাস, মাদ্রাসা মোড়, বনপাড়া বাইপাস থেকে কোনো বাস চলাচল করেনি। বাস চলাচল না করায় ভোগান্তিতে পড়েছে কর্মজীবী মানুষ ও বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী যাত্রীরা। জরুরি প্রয়োজনেও অনেকেই গন্তব্যে যেতে পারছেন না।

হানিফ মোল্লা নামে এক যাত্রী জানান, তিনি পাবনার দাশুরিয়া থেকে নাটোরে আসবেন বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছেন। যেহেতু অফিস করতেই হবে তাই অটোরিক্সা দিয়ে এসেছেন। ৫০ টাকার ভাড়া জায়গায় দেড়শ টাকা খরচ হয়েছে।

আনোয়ার হোসেন নামে আরেক যাত্রী বলেন, ‘বাস বন্ধ থাকাতে আমাদের অনেক দুর্ভোগ হচ্ছে। কীভাবে গন্তব্যে যাব তা নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় আছি। আদৌ যেতে পারবো কিনা বলতে পারছি না।’

গত ২৬ নভেম্বর রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলায় সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধান করাসহ হাইকোর্টের নির্দেশানুযায়ী মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে থ্রি হুইলার, সিএনজি ও ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চলাচল বন্ধ ও জ্বালানি তেলসহ যন্ত্রাংশের মূল্য হ্রাস করাসহ ১১ দফা বাস্তবায়নে পরিবহন ধর্মঘটের ঘোষণা দেয় রাজশাহী বিভাগীয় সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক পরিষদ।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘রাজশাহীতে বিএনপির মহাসমাবেশকে বাধাগ্রস্থ করতেই সরকারের সহযোগী হিসাবে বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন পরিবহন সংশ্লিষ্ঠরা। তারপরেও সরকার রাজশাহীর মহাসমাবেশের গণজোয়ার থামাতে পারেনি। ধর্মঘটের কারণে তিন চারদিন আগেই নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছেন।’

নাটোর বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি লক্ষণ পোদ্দার জানান, তাদের দীর্ঘদিনের দাবি আদায়ে আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই ব্যাপারে কোনও ঘোষণা না আসায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশের সাথে এই কর্মসূচির কোন সম্পর্ক নেই।

আরও পড়ুন:
নৌ-শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার
নৌযান শ্রমিক ধর্মঘটে সুনসান সদরঘাট
নৌযান ধর্মঘটে বরিশালে চরম ভোগা‌ন্তি
এবার রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক
বাস থানায় নেয়ার প্রতিবাদে ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A case involving the death of a woman who was dragged by a private car

প্রাইভেট কারে টেনেহিঁচড়ে নেয়া নারী নিহতের ঘটনায় মামলা

প্রাইভেট কারে টেনেহিঁচড়ে নেয়া নারী নিহতের ঘটনায় মামলা প্রাইভেট কারের নিচে ফেলে রুবিনাকে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজহার জাফর শাহ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সড়ক পরিবহন আইনে মামলা হয়েছে জানিয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, প্রাইভেট কারের চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মোহাম্মদ আজহার জাফর শাহকে মামলায় আসামি করা হয়েছে, যিনি ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রাইভেট কারের নিচে ফেলে টেনেহিঁচড়ে নেয়া নারী নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে।

রুবিনা আক্তারের ভাই জাকির হোসেন বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন।

সড়ক পরিবহন আইনের ৯৮ ও ১০৫ ধারায় মামলা হয়েছে জানিয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ বলেন, প্রাইভেট কারের চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আজহার জাফর শাহকে মামলায় আসামি করা হয়েছে, যিনি ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন। সুস্থ হলে তাকে আদালতে হাজির করা হবে।

কী ঘটেছিল

প্রতি সপ্তাহে রাজধানীর তেজকুনিপাড়ার বাসা থেকে হাজারীবাগে যেতেন গৃহবধূ রুবিনা আক্তার। অন্যান্য সপ্তাহের মতো শুক্রবার ননদের স্বামীর মোটরসাইকেলে চড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে হাজারীবাগ যাচ্ছিলেন তিনি।

বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারুকলা অনুষদের বিপরীতে পাশের রাস্তা ধরে যাওয়ার সময় একটি প্রাইভেট কারের ধাক্কায় পড়ে যান রুবিনা। চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ অবস্থায় টিএসসি, ভিসি চত্বর হয়ে মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের কাছাকাছি পর্যন্ত রুবিনাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় গাড়িটি।

এরপর লোকজন গাড়িটি আটকে নিচ থেকে রুবিনাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

গাড়িচালক আজহার জাফর শাহকে মারধর করেন পথচারীরা। শাহবাগ থানার পুলিশ পরে জানতে পারে, আজহার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

‘এটা হত্যাকাণ্ড’

রুবিনার মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ উল্লেখ করে পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার মো. শহিদুল্লাহ বলেন, ‘এটা অবশ্যই একটি হত্যাকাণ্ড।’

তিনি বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, নিহত মহিলা দেবরের সঙ্গে বাইকে করে শ্বশুরবাড়ি থেকে তার বাপের বাড়ি হাজারীবাগে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তারা যখন শাহবাগ থেকে টিএসসির আগে কাজী নজরুলের মাজারের উল্টো দিকের রাস্তায় পৌঁছান, তখন প্রাইভেট কারটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে তিনি পড়ে প্রাইভেট কারের সঙ্গে আটকে যান।

‘এরপরও উনি গাড়িটি না থামিয়ে টেনেহিঁচড়ে চলে যান। তাকে থামানোর অনেক চেষ্টা করা হয়। উনি টিএসসি পৌঁছালে আমাদের মোবাইল টিমও তাকে থামানোর চেষ্টা করে। তার পরও উনি না থামিয়ে আরও জোরে গাড়ি চালিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে গেলে উত্তেজিত জনতা তাকে থামতে বাধ্য করে। এই সম্পূর্ণ সময় সেই নারীটি গাড়ির সঙ্গে ছেঁচড়ে গেছেন।’

আরও পড়ুন:
বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত
মেয়েকে মাদ্রাসায় দিতে গিয়ে বাসচাপায় মা-বাবাও নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় এসআই ও এক নারীর মৃত্যু
কুকুরকে বাঁচাতে অটোর সঙ্গে সংঘর্ষ, বাইকআরোহী ২ তরুণ নিহত
দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The rally ground has opened and BNP leaders and workers are entering by pushing

সমাবেশের মাঠে বিএনপি নেতা-কর্মীরা

সমাবেশের মাঠে বিএনপি নেতা-কর্মীরা সমাবেশের মাঠ খুলে দেয়ার পরই ঢুকতে শুরু করেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন নেতা-কর্মীরা। অনেকের হাতেই দেখা যায় প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন। গেট খোলার পরপরই ঠেলাঠেলি করে মাঠে ঢুকতে শুরু করেন তারা।

খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশের মাঠে উপস্থিত হচ্ছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। সমাবেশের মাঠের গেট খোলার পরপরই ঠেলাঠেলি করে ঢুকতে শুরু করেন তারা।

শনিবার সকাল ৬টার দিকে সমাবেশস্থল নগরীর ফায়ার সার্ভিস মোড়সংলগ্ন হাজী মুহম্মদ মুহসীন স্কুলের মাঠের (মাদ্রাসা মাঠ) গেট খুলে দেয়া হলে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সমাবেশে যোগ দিতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। অনেকের হাতেই দেখা যায় প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন।

বেলা ১১টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সমাবেশের মূল আনুষ্ঠানিকতা। রাজশাহী মহানগর বিএনপিার আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈশার সভাপতিত্বে এতে প্রথান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দেবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, পরিবহন ধর্মঘটের কারণে সমাবেশে যোগ দিতে বেগ পেতে হয়েছে অনেককে। রাস্তায় পুলিশি তল্লাশিও চালানো হয়েছে।

বিভাগীয় এই সমাবেশে যোগ দিতে গত বুধবার থেকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী রাজশাহীতে আসতে শুরু করেন। সমাবেশস্থলের পাশের ঈদগাহ মাঠ ও সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন অনেকে।

এক সপ্তাহ ধরে সমাবেশস্থল মাদ্রাসা মাঠে অবস্থান নিয়ে ছিল পুলিশ। মাঠের সব গেট বন্ধ করে পালাক্রমে পাহারা দেয় তারা। পরে শনিবার সকাল ৬টার দিকে মাঠ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

বিএনপির এই বিভাগীয় সমাবেশের আগে বাস ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়। পরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, লেগুনা ও থ্রি-হুইলার যানবাহনেরও ধর্মঘট ডাকে রাজশাহী জেলা মিশুক-সিএনজি মালিক সমিতি।

গত ৮ অক্টোবর থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে (সাংগঠনিক বিভাগ) গণসমাবেশের কর্মসূচি শুরু করে বিএনপি। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় তাদের সমাবেশের কথা রয়েছে।

জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, দলীয় নেতা-কর্মীকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদ, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীন সংসদ নির্বাচনের দাবিতে এই সমাবেশ করছে বিএনপি।

আরও পড়ুন:
রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা
সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল
২০০ মোটরসাইকেল নিয়ে রাজশাহীতে বগুড়ার নেতা-কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Argentina beat Brazil in Sherpur

শেরপুরে ব্র‍াজিলকে হারাল আর্জেন্টিনা

শেরপুরে ব্র‍াজিলকে হারাল আর্জেন্টিনা ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশের ফটোসেশন। ছবি: নিউজবাংলা
শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলে আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশ। শেষের দিকে শাহরিয়ার শাকিরের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এরপর ব্রাজিল সমর্থক একাদশের খেলোয়াড়রা গোল শোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশ জয়ী হয়।

শেরপুরে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল দল সমর্থনকারীদের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ হয়েছে। এতে ব্রাজিল সমর্থক একাদশকে ১-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশ।

শেরপুর পৌরসভার কালিগঞ্জ হাসেম ব্র‍িকস মাঠে শুক্রবার বিকেলে ম্যাচটি হয়।

আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরির লক্ষ্যে খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর স্পোর্টিং ক্লাব ম্যাচের আয়োজন করে।

খেলায় শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশ। শেষের দিকে শাহরিয়ার শাকিরের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। পরে ব্রাজিল সমর্থক একাদশের খেলোয়াড়রা গোল পরিশোধ করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠেন। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশ জয়ী হয়।

খেলা শেষে আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশের স্কোরার শাকির বলেন, ‘গোল দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। শেষ মুহূর্তে এসে গোলটা করেছি।

‘আজকে আমরা যেভাবে জিতলাম, তেমনি আর্জেন্টিনাও ফাইনাল জিতে বিশ্বকাপ নেবে; মেসির হাতেই এবারের কাপটা উঠবে।’

আর্জেন্টিনা সমর্থক একাদশের অধিনায়ক সোহেল বলেন, ‘আমাদের দলের সদস্যরা কেউ নিয়মিত খেলোয়াড় নয়। তবুও আমরা জিতেছি। রাতে বিরিয়ানির আয়োজন আছে। আজ সবাইকে নিয়ে উৎসব হবে।’

ব্র‍াজিল সমর্থক একাদশের অধিনায়ক তাজউদ্দিন দিপু বলেন, ‘খেলায় হার-জিত থাকবেই। ভাগ্য সহায় ছিল না বলে ভালো খেলার পরেও আমরা হেরেছি। ব্র‍াজিল টিম এবার কাপের দাবিদার।’

খোয়ারপাড় শাপলাচত্বর স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন বলেন, ‘প্রতি বছর আমরা এ ধরনের আয়োজন করব। আমরা চাই সবাই মাদক ছেড়ে খেলাধুলায় মন দিক। এতে সমাজটা সুন্দর হবে।’

আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপের ঢেউ আছড়ে পড়েছে দেশে
ডিআরইউ ফুটবলের শিরোপা জিতল চ্যানেল আই
বিশ্বকাপ: টিভিতে ২২ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়
মিডিয়া কাপ প্রীতি ম্যাচে জিতল নগদ
অ্যাকাউন্টিং দিবসে আয়োজিত হলো ফুটবল ফেস্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 6 years who is coming to lead the conference of A League in Mymensingh

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা ছয বছর পর আজ ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। পদপ্রত্যাশী নেতাদের তোরণ, ফেস্টুন আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। ইতিমধ্যে সম্মেলনস্থলে শেষ হয়েছে মঞ্চ নির্মাণের কাজ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এ সম্মেলন খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কমিটিতে যারা আসবেন, তাদের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে সর্বোচ্চ ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় রাখা। তাই নতুন কমিটিতে কারা পদ পাচ্ছেন, তা নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা।

২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছিল। ওই দিন সম্মেলনস্থলে কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। ওই বছর ১০ অক্টোবর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের নাম ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া মহানগর কমিটিতে সভাপতি পদে এহতেশামুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোহিত উর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়।

দীর্ঘ ৬ বছর পর আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নেতা-কর্মীরা উচ্ছ্বসিত। পদপ্রত্যাশী নেতাদের তোরণ, ফেস্টুন আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। ইতোমধ্যে সম্মেলনস্থলে শেষ হয়েছে মঞ্চ নির্মাণের কাজ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এ সম্মেলন খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কমিটিতে যারা আসবেন, তাদের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে সর্বোচ্চ ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় রাখা। তাই নতুন কমিটিতে কারা পদ পাচ্ছেন, তা নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা।

এবারের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা আবারও প্রার্থী হয়েছেন। এ ছাড়াও সভাপতি প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন খান, হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ খানের প্রচারণা দেখা গেছে। এই তিনজনের বাইরেও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, বর্তমান জেলা কমিটির সহসভাপতি সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ ও ফারুক আহমেদ খান আলোচনায় রয়েছেন।

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা

আর সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী মহানগর কমিটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত, বর্তমান জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুস, শওকত জাহান মুকুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ আলী আকন্দ।

অন্যদিকে মহানগরের সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগরের সহসভাপতি ইকরামুল হক টিটু। এ ছাড়া বর্তমান সভাপতি এহতেশামুল আলম ও সাদেক খান মিল্কী সভাপতি পদপ্রত্যাশী।

আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি অধ্যাপক গোলাম ফেরদৌস জিল্লু, যুগ্ম সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হক।

মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি এহতেশামুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত পাঁচ বছর ধরে আমি দলকে সুষ্ঠুভাবে চালিয়েছি। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ৩৩টি ওয়ার্ডে সমানতালে কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। বেশির ভাগ ওয়ার্ডে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি দিতে সক্ষম হয়েছি। আমি আশা করি, আমাকে আবারও সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হবে।’

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা

মহানগরের সহসভাপতি ও সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে দলকে আগলে রাখার চেষ্টা করছি। দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে বিএনপি-জামায়াতবিরোধী আন্দোলন অব্যাহত রেখেছি।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি মহানগরের সভাপতি হিসেবে আমাকে সুযোগ দেন, তাহলে আমি নিজের সর্বশক্তি দিয়ে দলের জন্য কাজ করব। এতদিনের কাজ বিবেচনায় দল সঠিক মূল্যায়ন করবে বলে আশা করি।’

একই কথা জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক। তিনি বলেন, ‘স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চেষ্টা করেছি। তাই সভাপতি পদ পরিবর্তন হবে বলে আমার মনে হয় না।’

জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নৌকার আদলে মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। মঞ্চে ২০০ জনের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সমাবেশে কয়েক লাখ লোকের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছি।’

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বেশ কয়েকজন নেতা সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল।

আরও পড়ুন:
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
সড়কে আ.লীগের মঞ্চ, ক্ষোভ নগরবাসীর
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন
ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যবদ্ধের ডাক শেখ সেলিমের
আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য হচ্ছেন মতিয়র রহমান

মন্তব্য

p
উপরে