× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Barisal bus owner group is a political evil BNP
hear-news
player
google_news print-icon

বরিশাল বাস মালিক গ্রুপ রাজনৈতিক অপশক্তি: বিএনপি

বরিশাল-বাস-মালিক-গ্রুপ-রাজনৈতিক-অপশক্তি-বিএনপি
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, ‘বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বিভাগীয় সমাবেশ উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় হামলা করা হচ্ছে। তবে কোনো বাধাই গণসমাবেশকে আটকে রাখতে পারবে না। বরিশাল জনসমুদ্রের নগরী হবে ৫ নভেম্বর। খাল-নদী থেকে সাধারণ মানুষ সাঁতরে গণসমাবেশে যোগ দেবে।’

বিভাগীয় সমাবেশের সময় ধর্মঘট ডাকায় বরিশালে বাস মালিক সমিতিকে রাজনৈতিক অপশক্তি আখ্যা দিয়েছে বিএনপি। এই বাধা সত্ত্বেও বিএনপির বিভাগীয় অন্য সমাবেশগুলোর মতো দক্ষিণের জেলার জমায়েতও বড় হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির নেতারা। বলেছেন, মানুষ খাল নদী থেকে সাঁতরে সমাবেশে যোগ দেবে।

সমাবেশের তিন দিন আগে বুধবার বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশের প্রধান সমন্বয়কারী সেলিমা রহমান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক অপশক্তি বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের নামে ৪ ও ৫ নভেম্বর পরিবহন ধর্মঘট আহ্বান করেছে। আমরা সেই বাস মালিক গ্রুপকে অনুরোধ করেছিলাম বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখতে। তবে তারা রাজি হয়নি। এই ধরনের পদক্ষেপের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ তার অতিপরিচিত ফ্যাসিস্ট বাকশালী ভাবধারার ঘৃণ্য চরিত্রকেই সবার সামনে উন্মোচন করেছে।’

তিনি বলেন, ‘বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বিভাগীয় সমাবেশ উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় হামলা করা হচ্ছে। তবে কোনো বাধাই গণসমাবেশকে আটকে রাখতে পারবে না। বরিশাল জনসমুদ্রের নগরী হবে ৫ নভেম্বর। খাল-নদী থেকে সাধারণ মানুষ সাঁতরে গণসমাবেশে যোগ দেবে।’

বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ভোলার চরফ্যাশনে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর বর্বর হামলা চালানো হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা বরিশালের সব জায়গায় ঘটছে। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা প্রশাসনের সমন্বয়ে বিএনপিকে দমানোর প্রয়াস চালাচ্ছে।’

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল বলেন, ‘চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা ও রংপুরের গণসমাবেশগুলো বাধাগ্রস্ত করার জন্য সর্বাত্মক অপচেষ্টা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ। বাস মালিক পক্ষকে ব্যাপকভাবে চাপ দিয়ে তাদেরও নাম ব্যবহার করছে সরকারি দল।

‘বিএনপি বাস মালিক পক্ষকে লিখিতভাবে আশ্বস্ত করেছে তাদের দাবিতে বিএনপি নীতিগতভাবে সমর্থন করে। তবে ৪ ও ৫ নভেম্বর ধর্মঘটের ডাক দেয়া থেকে বিরত থাকতে তাদের অনুরোধ জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা কথা শোনেনি।’

অন্য বক্তারা বলেন, বরিশালে বিভাগীয় সমাবেশ খালেদা জিয়া বা তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করার আন্দোলন নয়। এটা জনগণের স্বার্থের আন্দোলন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন, বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্নুও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জামিন নিতে এসে কারাগারে বিএনপি নেতা
বিএনপির পথসভায় ‘পুলিশের’ বাধা, ১০ নেতা-কর্মী আহত
বড় সমাবেশ করায় বিএনপিকে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর অভিনন্দন
নিজ বাসায় বিএনপির চারবারের এমপির নিঃসঙ্গ মৃত্যু
সকলেই চায় দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসুক: ফখরুল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Chhatra League committee announcement in 16 sections of Jabir

জবির ১৬ বিভাগে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা

জবির ১৬ বিভাগে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা ক্যাম্পাসে কর্মসূচিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ফাইল ছবি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। যার ফলে অনেক কর্মীই কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পায়নি। সে জন্যই আমরা বিভাগভিত্তিক কমিটি দিচ্ছি। সামনে যেহেতু নির্বাচন, তাই দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কাজ করবে।’

বিভাগে বিভাগে কমিটি দিচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগ। এরই মধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে ১৬টি বিভাগে আংশিক কমিটি।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহীম ফরাজি ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইনের সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে চারটি ও শুক্রবার রাতে আরও ১২টি কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। এসব কমিটিতে স্নাতকপর্যায়ের শিক্ষার্থীরা পদ পেয়েছেন।

লোকপ্রশাসন বিভাগে সভাপতি হিসেবে রাকিবুল হাফিজ অন্তর ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, ইতিহাস বিভাগে সভাপতি চয়ন কুমার রায় ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি আহমেদ হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আরিফ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগে সভাপতি নাহিদুল ইসলাম হিমেল ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে সভাপতি বায়েজিদ শেখ ও সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি রহমান খান, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে সভাপতি হা-মীম ইবনে বাসার ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আল-আমিন দিমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে নৃবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি হিসেবে মশিউর রহমান শুভ ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম রাফি, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে সভাপতি আকরাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ রওনক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি সোহানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান, মনোবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি রাসেল মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মো. আকিব হায়দার ইমন, ফার্মেসি বিভাগে সভাপতি মো. আসিফ আরাফাত নিলয় ও সাধারণ সম্পাদক এস এম বায়েজিদ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে সভাপতি সুমিত দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তারিদ্দোহা সৌম্য দায়িত্ব পেয়েছেন।

বাংলা বিভাগের সভাপতি হয়েছেন তুষার মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে অর্জুন বিশ্বাসকে। এই কমিটিতে সহসভাপতি পদে রয়েছেন মাহমুদুল হক সামি, মো. তরিকুল ইসলাম, মাহমুদুজ্জামান পাভেল, পাবুন চন্দ্ৰ অধিকারী, জুনাঈদ হুসাইন রায়িন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আটজন। সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয় আফসানা মীমী ও ফারহানা জেসমিনকে।

অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি প্রিয়দর্শী চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ রানা। কমিটির অন্যরা হলেন সহসভাপতি ইব্রাহীম খলিল, মৃদুল হাসান, ইবনুল ইয়াসিন ও সৌরভ সূত্রধর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুকিত উল ইসলাম, মমতাজুর রহমান, মো. নবুয়ত হোসেন নুহান ও মেহেদী হাসান আবির।

নাফিস ইকবাল তাশিককে সভাপতি ও রাসেল আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত নাট্যকলা বিভাগের কমিটির অন্যরা হলেন সহসভাপতি আলিমুল ইসলাম, অনামিকা ইবাদ, মো. মোস্তাকিন মিয়া, মো. ইবনে সিনা ইউনুস ও মিঠুন চন্দ্র দাস। এতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন পাঁচজন।
পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাফি সাকিব ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীন আলম। কমিটির অন্যরা হলেন সহসভাপতি আবির মাহমুদ, জারিফ তাজওয়ার, শাহ নাবিল হোসেন তানিম ও রকিবুল ইসলাম। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান সিফাত, মো. মাঈনুল হক সাকিব, মো. ওমর ফারুক জয়, রিফাত চৌধুরী সজল, শরিফুল হক তানজীম, তৌফাতুল ফেরদৌসী ঝিলিক ও আয়শা ইশরাত।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। যার ফলে অনেক কর্মীই কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পায়নি। সে জন্যই আমরা বিভাগভিত্তিক কমিটি দিচ্ছি। সামনে যেহেতু নির্বাচন, তাই দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কাজ করবে।’

এর আগে ২৫ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অনুষদ, বিভাগ এবং ইনস্টিটিউটের পদপ্রত্যাশীদের সিভি জমা নেয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত চবি, আহত ৮
‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা
ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The rally ground has opened and BNP leaders and workers are entering by pushing

সমাবেশের মাঠে বিএনপি নেতা-কর্মীরা

সমাবেশের মাঠে বিএনপি নেতা-কর্মীরা সমাবেশের মাঠ খুলে দেয়ার পরই ঢুকতে শুরু করেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন নেতা-কর্মীরা। অনেকের হাতেই দেখা যায় প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন। গেট খোলার পরপরই ঠেলাঠেলি করে মাঠে ঢুকতে শুরু করেন তারা।

খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে রাজশাহীতে বিভাগীয় সমাবেশের মাঠে উপস্থিত হচ্ছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। সমাবেশের মাঠের গেট খোলার পরপরই ঠেলাঠেলি করে ঢুকতে শুরু করেন তারা।

শনিবার সকাল ৬টার দিকে সমাবেশস্থল নগরীর ফায়ার সার্ভিস মোড়সংলগ্ন হাজী মুহম্মদ মুহসীন স্কুলের মাঠের (মাদ্রাসা মাঠ) গেট খুলে দেয়া হলে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে সমাবেশে যোগ দিতে শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। অনেকের হাতেই দেখা যায় প্ল্যাকার্ড-ফেস্টুন।

বেলা ১১টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সমাবেশের মূল আনুষ্ঠানিকতা। রাজশাহী মহানগর বিএনপিার আহ্বায়ক এরশাদ আলী ঈশার সভাপতিত্বে এতে প্রথান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দেবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, পরিবহন ধর্মঘটের কারণে সমাবেশে যোগ দিতে বেগ পেতে হয়েছে অনেককে। রাস্তায় পুলিশি তল্লাশিও চালানো হয়েছে।

বিভাগীয় এই সমাবেশে যোগ দিতে গত বুধবার থেকে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী রাজশাহীতে আসতে শুরু করেন। সমাবেশস্থলের পাশের ঈদগাহ মাঠ ও সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন অনেকে।

এক সপ্তাহ ধরে সমাবেশস্থল মাদ্রাসা মাঠে অবস্থান নিয়ে ছিল পুলিশ। মাঠের সব গেট বন্ধ করে পালাক্রমে পাহারা দেয় তারা। পরে শনিবার সকাল ৬টার দিকে মাঠ উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।

বিএনপির এই বিভাগীয় সমাবেশের আগে বাস ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়। পরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, লেগুনা ও থ্রি-হুইলার যানবাহনেরও ধর্মঘট ডাকে রাজশাহী জেলা মিশুক-সিএনজি মালিক সমিতি।

গত ১২ অক্টোবর থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে (সাংগঠনিক বিভাগ) গণসমাবেশের কর্মসূচি শুরু করে বিএনপি। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় তাদের সমাবেশের কথা রয়েছে।

জ্বালানি তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, দলীয় নেতা-কর্মীকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদ, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীন সংসদ নির্বাচনের দাবিতে এই সমাবেশ করছে বিএনপি।

আরও পড়ুন:
রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা
সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল
২০০ মোটরসাইকেল নিয়ে রাজশাহীতে বগুড়ার নেতা-কর্মীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 6 years who is coming to lead the conference of A League in Mymensingh

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা ছয বছর পর আজ ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। পদপ্রত্যাশী নেতাদের তোরণ, ফেস্টুন আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। ইতিমধ্যে সম্মেলনস্থলে শেষ হয়েছে মঞ্চ নির্মাণের কাজ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এ সম্মেলন খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কমিটিতে যারা আসবেন, তাদের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে সর্বোচ্চ ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় রাখা। তাই নতুন কমিটিতে কারা পদ পাচ্ছেন, তা নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা।

২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছিল। ওই দিন সম্মেলনস্থলে কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। ওই বছর ১০ অক্টোবর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের নাম ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়া মহানগর কমিটিতে সভাপতি পদে এহতেশামুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোহিত উর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়।

দীর্ঘ ৬ বছর পর আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে নেতা-কর্মীরা উচ্ছ্বসিত। পদপ্রত্যাশী নেতাদের তোরণ, ফেস্টুন আর পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। ইতোমধ্যে সম্মেলনস্থলে শেষ হয়েছে মঞ্চ নির্মাণের কাজ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এ সম্মেলন খুব গুরুত্বপূর্ণ। নতুন কমিটিতে যারা আসবেন, তাদের দায়িত্ব থাকবে নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগকে সর্বোচ্চ ঐক্যবদ্ধ অবস্থায় রাখা। তাই নতুন কমিটিতে কারা পদ পাচ্ছেন, তা নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা।

এবারের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা আবারও প্রার্থী হয়েছেন। এ ছাড়াও সভাপতি প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিন খান, হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ খানের প্রচারণা দেখা গেছে। এই তিনজনের বাইরেও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, বর্তমান জেলা কমিটির সহসভাপতি সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ ও ফারুক আহমেদ খান আলোচনায় রয়েছেন।

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা

আর সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী মহানগর কমিটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত, বর্তমান জেলা কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুস, শওকত জাহান মুকুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ আলী আকন্দ।

অন্যদিকে মহানগরের সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগরের সহসভাপতি ইকরামুল হক টিটু। এ ছাড়া বর্তমান সভাপতি এহতেশামুল আলম ও সাদেক খান মিল্কী সভাপতি পদপ্রত্যাশী।

আর সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি অধ্যাপক গোলাম ফেরদৌস জিল্লু, যুগ্ম সম্পাদক হোসাইন জাহাঙ্গীর বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হক।

মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি এহতেশামুল আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত পাঁচ বছর ধরে আমি দলকে সুষ্ঠুভাবে চালিয়েছি। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ৩৩টি ওয়ার্ডে সমানতালে কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। বেশির ভাগ ওয়ার্ডে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি দিতে সক্ষম হয়েছি। আমি আশা করি, আমাকে আবারও সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হবে।’

৬ বছর পর ময়মনসিংহে আ. লীগের সম্মেলন, নেতৃত্বে আসছেন কারা

মহানগরের সহসভাপতি ও সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে দলকে আগলে রাখার চেষ্টা করছি। দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে বিএনপি-জামায়াতবিরোধী আন্দোলন অব্যাহত রেখেছি।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি মহানগরের সভাপতি হিসেবে আমাকে সুযোগ দেন, তাহলে আমি নিজের সর্বশক্তি দিয়ে দলের জন্য কাজ করব। এতদিনের কাজ বিবেচনায় দল সঠিক মূল্যায়ন করবে বলে আশা করি।’

একই কথা জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক। তিনি বলেন, ‘স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চেষ্টা করেছি। তাই সভাপতি পদ পরিবর্তন হবে বলে আমার মনে হয় না।’

জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নৌকার আদলে মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। মঞ্চে ২০০ জনের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সমাবেশে কয়েক লাখ লোকের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছি।’

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বেশ কয়েকজন নেতা সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল।

আরও পড়ুন:
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
সড়কে আ.লীগের মঞ্চ, ক্ষোভ নগরবাসীর
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন
ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যবদ্ধের ডাক শেখ সেলিমের
আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য হচ্ছেন মতিয়র রহমান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP leaders and workers flooded the field at night

রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা

রাতেই মাঠ উপচে রাস্তায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা মাদ্রাসামাঠ ভরে যাওয়ায় রাস্তায়ও অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘আমরা সকাল ৯টা থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চাই। সকালেই আমরা সাবেশস্থলে প্রবেশ করতে চাই।’

সকালেই রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ। একটু আগেভাগেই সমাবেশ শুরু করতে চান আয়োজকরা। কারণ সমাবেশস্থলের পার্শ্ববর্তী ঈদগাহ মাঠ ইতোমধ্যেই পূর্ণ হয়ে গেছে নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে।

শুক্রবার রাত ১০টায় মাদ্রাসা মাঠের সামনের রাস্তা দিয়ে হাঁটারও সুযোগ নেই। মানুষে ঠাসা। সমাবেশস্থল ঘিরেও অসংখ্য মানুষ।

গত বুধবার থেকেই রাজশাহীতে নেতা-কর্মীরা আসতে শুরু করেছিলেন। তবে সমাবেশের আগের দিন তাদের ঢল নামে। দুপুরের পর বিভিন্ন জেলা থেকে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করেও অনেকেই সভাস্থলের পাশে হাজির হন।

বাস ধর্মঘট চলার কারণে ট্রেনের ওপরই বেশি নির্ভর করেছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

গত তিন দিনে রাজশাহীতে যেসব ট্রেন ঢুকেছে সব ট্রেনেই ছিল উপচে পড়া ভিড়। শুক্রবার সন্ধ্যার পর যেসব ট্রেন রাজশাহী এসেছে সেগুলোতে পা ফেলারও ঠাঁই ছিল না। গাদাগাদি করে আসা এসব মানুষের বেশির ভাগেরই গন্তব্য ছিল সমাবেশ।

স্টেশন থেকে নেমেই দল বেঁধে হেঁটে স্লোগান দিতে দিতে সমাবেশস্থলের দিকে যাচ্ছেন তারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সমাবেশের আগের রাতে উৎসবের আমেজ মাদ্রাসামাঠ এলাকাজুড়ে। খোশগল্প, ছোটাছুটি আর ক্ষণে ক্ষণে দলীয় স্লোগান দিয়ে সময় পার করছেন নেতা-কর্মীরা। কেউ তুলছেন সেলফি, কেউ ভিডিও। অনেককে ফেসবুক লাইভ করতেও দেখা গেছে। কখনও কখনও বসছে গানের আসর।

সকাল থেকেই সমাবেশ শুরুর পরিকল্পনা

সকাল থেকেই রাজশাহীর সমাবেশ শুরু করতে চান বিএনপি নেতারা। তারা দাবি করছেন, অনুমতি পেতে দেরি হওয়ার কারণে মঞ্চ প্রস্তুত হতে সময় লেগেছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওই সময় পুলিশ আমাদের কাজ করতে দেয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে কাজ শুরু হয়। এ কারণে কিছুটা সময় লেগেছে।’

দুলু বলেন, ‘আমরা সকাল ৯টা থেকে সমাবেশ শুরু করতে চাই। সকালেই আমরা সাবেশস্থলে প্রবেশ করতে চাই।’

ফাঁকা থাকবে খালেদা-তারেকের আসন

আয়োজকরা বলছেন, অনান্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো রাজশাহীর মঞ্চেও ফাঁকা থাকবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আসন। শনিবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুলু বলেন, ‘শনিবার সকাল ৯টার দিকে মঞ্চে আসন গ্রহণ শুরু হবে। প্রতিবারের মতো এবারও সমাবেশ মঞ্চে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য একটি করে দুটি চেয়ার ফাঁকা রাখা হবে।’

নগরীর সব প্রবেশপথে পুলিশের চেকপোস্ট

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশ ঘিরে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। শহরের সব প্রবেশমুখে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। এ ছাড়া নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে থাকছে পুলিশের অবস্থান।

শুক্রবার বিকেল থেকেই মাদ্রাসা মাঠ ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। কয়েক দিন ধরে এখানে অল্প কিছু পুলিশ সদস্য অবস্থান করলেও বিকেল থেকে এই সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে।

সমাবেশ ঘিরে প্রায় দুই সপ্তাহজুড়েই রাজশাহী ও আশপাশের জেলাগুলোতে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। সমাবেশের আগমুহূর্তে তৎপরতা বাড়িয়েছে পুলিশও। নগরীর সবকটি প্রবেশপথে তল্লাশি চৌকি বসিয়েছে তারা।

নগরীর আমচত্বর, নওদাপাড়া, রেলগেট, কাশিয়াডাঙ্গা মোড়, তালাইমারী মোড়, কাটাখালী বাজার এবং বেলপুকুরে পুলিশের চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। বাইরে থেকে আসা যানবাহনগুলোতে তাদের বাড়তি নজরদারি।

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘সমাবেশকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে সহিংস কিছু ঘটাতে না পারে, বিশৃঙ্খলা ঘটাতে না পারে, সে জন্য আমরা সতর্ক আছি। গোটা শহরেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সাদা পোশাকেও মাঠে পুলিশ রয়েছে। গোয়েন্দা শাখার সদস্যরাও কাজ করছেন। সমাবেশে সার্বক্ষণিক নজর রাখতে মাদ্রাসা মাঠে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরাও।

বাসের পর সিএনজি ধর্মঘট

রাজশাহীতে বাস ধর্মঘটের মাঝে শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে সড়কে ধর্মঘট শুরু করে সিএনজি ও থ্রি-হুইলার মালিকরাও। তারা বলছেন, অবাধ চলাচল ও হয়রানিমুক্ত রেজিস্ট্রেশনের দাবিতে তারা এই ধর্মঘট শুরু করেছেন।

সিএনজি টেম্পো মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দিদার হোসেন ভুলু বলেন, ‘সরকার বৈধভাবে সিএনজি আমদানি করে। সেই সিএনজি বিক্রি করে সরকার লাভও করে। তবে আমাদের লাইসেন্স পেতে কেন ভোগান্তি হবে? মহাসড়ক বাদে আমাদের তো সব সড়কেই চলাচলে অনুমতি আছে, তবে কেন আমাদের হয়রানি করা হবে? আমরা আমাদের লাইসেন্স ও হয়রানি মুক্তির দাবিতে সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকেছি।’

ভুলু দাবি করেন, বিএনপির সমাবেশের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

এদিকে বাস বন্ধের পর সিএনজিচালিত টেম্পোর ওপরই ছিল যাত্রীদের ভিড়। শহরের ভেতরে অটোরিকশায় চলাচল করলেও রাজশাহীর উপজেলা পর্যায়ে বা আশপাশের জেলার সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল সিএনজি। শুক্রবার সকাল থেকে সেই পরিবহনও বন্ধ থাকায় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে রাজশাহী।

মির্জা ফখরুল রাজশাহী

বিভাগীয় গণসমাবেশে অংশ নিতে ইতোমধ্যেই রাজশাহী পৌঁছেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকেলে বিমানযোগে তিনি রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান।

বিকেল ৫টায় বিমানবন্দরে পৌঁছালে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনুসহ স্থানীয় স্থানীয় নেতারা তাকে স্বাগত জানান। পরে তিনি রাজশাহীর কাজিহাটা এলাকার একটি হোটেলে যান।

আরও পড়ুন:
বিএনপির খবর আছে: কাদের
রাজশাহীর সব প্রবেশপথে পুলিশের চেকপোস্ট
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল, আহত পুলিশ
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন
জামিন পেলেন বিএনপি নেতা সাবেক এমপি নাদিম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dont scare A League by showing rally Farooq Khan

স‌মাবেশ দেখিয়ে আ.লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না: ফারুক খান

স‌মাবেশ দেখিয়ে আ.লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না: ফারুক খান টঙ্গী সরকারি ক‌লেজ মাঠে শুক্রবার বি‌কে‌লে টঙ্গী পূর্ব ও প‌শ্চিম থানা আওয়ামী লী‌গের স‌ম্মেল‌ন উদ্বোধন করেন কর্নেল (অব.) ফারুক খান। ছবি: নিউজবাংলা
ফারুক খান বলেন, ‘বিএনপি জামায়াত দেশব্যাপী যে গুজব রটানোর চেষ্টা করছে তা আপনাদের বন্ধ করতে হবে। সঠিক তথ্য জানাতে হবে। কোনভাবেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অগ্রগতি তা যেন বিএনপি জামায়াতের গুজব, মিথ্যাচারে থমকে না যায়।’

বিএন‌পি‌ নেতাদের উ‌দ্দেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেছেন, ‘স‌মাবেশ দেখিয়ে আওয়ামী লীগ‌কে ভয় দেখা‌বেন না। আওয়ামী লীগ জা‌নে কীভা‌বে স‌মাবেশের মাধ্যমে, নির্বাচনের মাধ্যমে জিততে হয়। দেশকে এগিয়ে নিতে হয়।’

শুক্রবার বি‌কে‌লে গাজীপু‌রের টঙ্গী সরকারি ক‌লেজ মাঠে টঙ্গী পূর্ব ও প‌শ্চিম থানা আওয়ামী লী‌গের ত্রি-বা‌র্ষিক স‌ম্মেল‌নে প্রধান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ফারুক খান বলেন, ‘ঢাকার কাছাকাছি হওয়ায় এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি জামায়াত দেশব্যাপী যে গুজব রটানোর চেষ্টা করছে তা আপনাদের বন্ধ করতে হবে। সঠিক তথ্য জানাতে হবে। কোনভাবেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অগ্রগতি তা যেন বিএনপি জামায়াতের গুজব, মিথ্যাচারে থমকে না যায়।’

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে এখনই কমিটি গঠন করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফারুক খান।

সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক মতিউর রহমান মতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লা খান, সাধারণ সম্পাদক আতাউল্লাহ মণ্ডল।

নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে শিগগিরই দুই থানায় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানান আজমত উল্লাহ খান।

বিএনপি সূত্র জানায়, নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে ৮ অক্টোবর থেকে প্রতি শনিবার দেশজুড়ে বিভাগীয় সমাবেশ করছে বিএনপি। এ পর্যন্ত আটটি সমাবেশ হয়েছে। শনিবার নবম সমাবেশটি হচ্ছে রাজশাহীতে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is afraid of Suhrawardy Udyan Obaidul Quader

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বিএনপি: ওবায়দুল কাদের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ছাত্রলীগের সমাবেশ ৮ থেকে ৬ ডিসেম্বর নিয়ে এসেছি। অনুরোধ করেছি পরিবহন চালু রাখার। তারপরও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে তাদের ভয় কেন? তারা মনে হৃদয়ে চেতনায় মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে না।’

বিএনপি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে ভয় পায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘যেখানে পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে, যেখানে স্বাধীনতার অন্যতম ভাষণ দেয়া হয়েছে, সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে বিএনপির ভয় পায়। কারণ তারা হৃদয়ে মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে না।’

নিজ এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সন্ত্রাস, আগুন সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক। সাম্প্রদায়িকতার বিশ্বস্ত ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি। তারা জানান দিচ্ছে আন্দোলনে সহিংসতার উপাদান যুক্ত হবে। এতে মানুষ আতঙ্কগ্রস্ত।

‘আমরা ক্ষমতায় আছি, আমরা অশান্তি চাই না। ছাত্রলীগের সমাবেশ ৮ থেকে ৬ ডিসেম্বর নিয়ে এসেছি। অনুরোধ করেছি পরিবহন চালু রাখার। তারপরও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে তাদের ভয় কেন? তারা মনে হৃদয়ে চেতনায় মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করে না।’

তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘অর্থপাচারে দণ্ডিত, মুচলেকা দিয়ে যে দেশ ছেড়েছে সে বলে, হাসিনা পালাবে, মন্ত্রীরা পালাবে, সে ২০০৮ সাল থেকে পলাতক। সে সম্মানের সঙ্গে শেখ হাসিনার নাম নেয় না। সে একটা বেয়াদব।

‘জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে। তাদের পুনর্বাসিত করেছে। আর তারেক রহমান হাওয়া ভবন থেকে চক্রান্ত করে বঙ্গবন্ধুকন্যার ওপর গ্রেনেড হামলা চালিয়েছে।

‘তারেক রহমানের লোকেরা এখানে আমাদেরকে ভয় দেখান তারেক রহমান আসবে বীরের মতো। কাপুরুষের মতো যে পালিয়ে গেছে। সে বীরের মতো আসবে। এত বছরে যা ঘটল না। এখন ঘটবে সেটা বিশ্বাস হয় না।’

উপজেলার নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ক্ষমা মহত্তের লক্ষণ। আমি বড় হয়েছি। বড় গাছে বড় আঘাত আসে। সেটা সহ্য করার ক্ষমতা আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি। সংকটের সময় এমনও দিন গেছে আমি ঘর থেকে বের হইনি। লজ্জায় নেত্রীর সঙ্গে দেখা করিনি। কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও করিনি।

‘আমি শুধু একটা কথা বলবো, আমি ক্ষমা করে দিয়েছি। যারা কোম্পানীগঞ্জে আতঙ্কে ছিলেন, যে ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ হয়ে আমাকে বারবার ফোন করতেন, তাদের কাছে আমি ক্ষমা চাই। কোম্পানীগঞ্জবাসীর কাছে আমি ক্ষমা চাই। আমি বলবো, উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের ওইসব দিনের দুর্ভোগ ও যন্ত্রণার জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমরা তো রাজনীতি করি মানুষের জন্য।’

সম্মেলনে ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জাকে সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
সম্মেলনে বিশৃঙ্খলায় ছাত্রলীগ, ক্ষোভ কাদেরের
বিএনপির খবর আছে: কাদের
সড়কে আ.লীগের মঞ্চ, ক্ষোভ নগরবাসীর
সরকার পতনের হাঁকডাক দিয়ে লাভ নেই: ওবায়দুল কাদের
সমাবেশ ঘিরে অপরাজনীতি হলে রাজপথেই জবাব: মেয়র লিটন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mirza Fakhrul in Rajshahi to attend the rally

সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল

সমাবেশে যোগ দিতে রাজশাহীতে মির্জা ফখরুল শুক্রবার বিকেলে বিমানযোগে রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
শনিবার সকাল থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চায় বিএনপি। তবে অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় মঞ্চসহ সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করতে শুক্রবার রাত হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিভাগীয় গণসমাবেশে অংশ নিতে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার বিকেলে বিমানযোগে তিনি রাজশাহীর শাহমখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান।

বিকেল ৫টায় বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্থানীয় নেতারা তাকে শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি রাজশাহীর কাজিহাটা এলাকার একটি হোটেলে যান।

এদিকে শনিবার সকাল থেকেই সমাবেশ শুরু করতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা। তবে অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় মঞ্চসহ সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করতে সময় লাগছে। রাতের মধ্যেই মঞ্চসহ সমাবেশ আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন তারা।

অন্য বিভাগীয় সমাবেশের মতো রাজশাহীর মঞ্চেও ফাঁকা থাকবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের চেয়ার। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‌‘সকাল ৯টার দিকে মঞ্চে আসন গ্রহণ শুরু হবে। প্রতিবারের মতো এবারও মঞ্চে দুটি চেয়ার ফাঁকা রাখা হবে।’

সমাবেশের আগে পরিবহন ধর্মঘটের কারণে আশপাশের জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী এরই মধ্যে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার থেকে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হওয়ায় বাসে আসার সুযোগ নেই। এ কারণে অসংখ্য নেতা-কর্মীরা বুধবারই রাজশাহীতে পৌঁছান।

আবার কিছু নেতা-কর্মী বৃহস্পতিবার এসেছেন ট্রাক ভাড়া করে। রাজশাহী অভিমুখী প্রতিটি ট্রেনেই আসছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। উত্তরাঞ্চলের সবগুলো জেলা থেকে ইতোমধ্যেই দলটির নেতা-কর্মীরা সমাবেশস্থলে পৌঁছেছেন।

শনিবার দুপুর পর্যন্ত লোকজন আসবে বলে জানিয়েছেন উপস্থিত নেতারা।

সমাবেশস্থলের পাশের ঈদগাহ মাঠ জুড়ে দেখা গেছে উৎসবের আমেজ। পুরো ঈদগাহ মাঠ জুড়ে তাঁবু টানানো হয়েছে। বাঁশ আর শামিয়ানায় ঢাকা পড়েছে মাঠ। জেনারেটরের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বড় বড় তাঁবুর একেকটিতে একেক জেলার নেতা-কর্মীরা অবস্থান করছেন।

নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে ৮ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে বিভাগীয় সমাবেশ করছে বিএনপি। এ পর্যন্ত আটটি সমাবেশ হয়েছে। শনিবার নবম সমাবেশটি হচ্ছে রাজশাহীতে।

আরও পড়ুন:
উৎসবের আমেজে রাজশাহীতে বিএনপি নেতা-কর্মীরা
বিএনপির খবর আছে: কাদের
রাজশাহীর সব প্রবেশপথে পুলিশের চেকপোস্ট
সড়কে আ.লীগের মঞ্চ, ক্ষোভ নগরবাসীর
বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল, আহত পুলিশ

মন্তব্য

p
উপরে