× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Returning interest in polls auspicious sign CEC
hear-news
player
google_news print-icon

ভোটে আগ্রহ ফিরছে, এটা শুভ লক্ষণ: সিইসি

ভোটে-আগ্রহ-ফিরছে-এটা-শুভ-লক্ষণ-সিইসি
ভোট দিতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
‘প্রচুর লোক দাঁড়ানো, তারা সুশৃঙ্খলভাবে ভোট দিয়েছেন। আমার কাছে মনে হচ্ছে এটা একটা সংস্কৃতি যে, ভোটাররা সংযমের সঙ্গে, ধৈর্যের সঙ্গে অনেক সময় দাঁড়িয়ে ওরা ভোট দিয়েছেন। এটা একটা শুভলক্ষণ। এটা যদি ধরে রাখা যায়, তাহলে ভবিষ্যতেও ওদের যদি এনকারেজ (উৎসাহ) করা যায় ওরা ভোট দিতে যাবেন। ভোটের পরিবেশ আছে। এটাই আমাদের উদ্দেশ্য।’

গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়ার পর বিভিন্ন এলাকায় ভোটের পরিস্থিতি দেখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের বিশ্বাস জন্মেছে, ভোট নিয়ে মানুষের যে উৎসাহ ছিল, সেটি ফিরে এসেছে।

বুধবার উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ মিলিয়ে স্থানীয় সরকারের এক শটি এলাকায় ভোট দেখে এই মত প্রকাশ করেন তিনি।

সিইসি বলেন, 'সহিংসতা, উছৃঙ্খলতা বা ভোটচুরি বা কারচুপি; এ ধরনের কোনো দৃশ্য আমরা দেখিনি। এ ধরনের কোনো অভিযোগও পাইনি। আমরা এখানে পৌরসভার চারটা কেন্দ্র মনিটরিং করেছি।’

বর্তমান নির্বাচন কমিশন এখন পর্যন্ত যেসব এলাকায় ভোটের ব্যবস্থা করেছে, তাতে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন ছাড়া বাকিগুলোতে তেমন কোনো গোলযোগ হয়নি। বরং কমিশন শুরু থেকেই বেশ কঠোর অবস্থানে ছিল।

প্রচার চলাকালে প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর হামলা বা ভোট ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ করার ঘটনায় ভোট স্থগিত করা হয়েছে, মামলা হয়েছে সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে। গাইবান্ধায় ইভিএমে পরিচয় শনাক্তের পর গোপন বুথে ভোটারের হয়ে ভোট দিয়ে দেয়ার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে ভোট চলাকালে নির্বাচন বাতিল হয়েছে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এই ক্ষমতার প্রয়োগ হয়েছে।

এই কমিশনের অধীনে ভোটগুলো যেমন শান্তিপূর্ণ ছিল, তেমনি ভোটারের অংশগ্রহণও ছিল বেশ ভালো। এই কমিশন প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে ভোট পর্যবেক্ষণ করছে, যে দাবি আগের কমিশন প্রত্যাখ্যান করেছে।

বুধবারের ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে সিইসি বলেন, ‘প্রচুর লোক দাঁড়ানো, তারা সুশৃঙ্খলভাবে ভোট দিয়েছেন। আমার কাছে মনে হচ্ছে এটা একটা সংস্কৃতি যে ভোটাররা সংযমের সঙ্গে, ধৈর্যের সঙ্গে অনেক সময় দাঁড়িয়ে ওরা ভোট দিয়েছেন। এটা একটা শুভলক্ষণ।
‘এটা যদি ধরে রাখা যায়, তাহলে ভবিষ্যতেও ওদের যদি এনকারেজ (উৎসাহ) করা যায় ওরা ভোট দিতে যাবেন। ভোটের পরিবেশ আছে। এটাই আমাদের উদ্দেশ্য।’

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ফরিদপুর-২ আসনের উপনির্বাচনের ভোটও কমিশন ঢাকা থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করবে বলে জানান তিনি।

মুন্সীগঞ্জে একটি এলাকায় ভোটের সময় গোলযোগ হয়েছে জানালে সিইসি বলেন, ‘সেটা কেন্দ্র থেকে বেশ দূরে। ওটা কী আমরা জানি না। আমাদের নির্বাচন কেন্দ্রে ও ভোটের এলাকায় কোনো রকম উছৃঙ্খলতা আমরা পাইনি।’

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে তিন যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে প্রতিবেদন পেয়ে কমিশন কী করছে- জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘প্রতিবেদন দুই দিন হলো পেয়েছি। ওটা নিয়ে আমরা বসতে পারিনি। কাজেই কিছুই এখনও বলতে পারব না। ওটা আলাদা করে দেখতে হবে। পরে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে হবে।’


খালেদার ভোটে অংশগ্রহণ নিয়ে এখনই মন্তব্য নয়
দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ভোটে অংশ নিতে পারবেন কি না, জানতে চাইলে সিইসি বলেন, এ বিষয়ে আগাম কিছু বলার নেই।

তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া নির্বাচনে দাঁড়ালে তখন আইনানুগভাবে খতিয়ে দেখা হবে, আগাম কিছু বলার নেই।’

সম্প্রতি খালেদা জিয়ার ভোটে অংশ নেয়ার বিষয়ে আইনমন্ত্রী ও তার আইনজীবীদের বক্তব্য গণমাধ্যমে এসেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকেরা সিইসির কাছে এ নিয়ে জানতে চান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজা হওয়ায় বেগম খালেদা জিয়া একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি।

তবে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা গণমাধ্যমে বলছেন, আগামী নির্বাচনে অংশ নেবেন বেগম জিয়া। তার মামলার ফায়সালা রাজপথেই হবে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীর এমন বক্তব্যের কথা জানিয়ে সিইসির কাছে প্রশ্ন ছিল, বিএনপি নেত্রীর আসলে ভোটে অংশ নেয়ার সুযোগ আছে কি না।

জবাবে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর এখন দেব না। এটা যখন হবে দেখা যাবে। সবকিছু আইন অনুযায়ী হবে। এখন অ্যাডভান্স কোনো কথা বলতে পারব না।’

খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা কী বলেছেন, সে বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না। এটা নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না। যিনি নির্বাচনে দাঁড়াবেন। আপনি দাড়াঁন যে-ই দাঁড়ান আমরা তার বিষয়টি আইনানুগভাবে পরীক্ষা করে দেখব। আমাদের আইনের কিছু কাঠামো আছে। কেউ ভোট করতে চাইলে ওই কাঠামোর মধ্যে করতে হবে। আগাম কিছু বলাও ঠিক হবে না।

‘তিনি (খালেদা জিয়া) আদৌ নির্বাচনে দাঁড়ালে আমরা সেটা আইনানুগভাবে পরীক্ষা করে দেখব। এখানে আইনগত দিক অগ্রিম কিছু বলার নেই। সময় আসুক সব খতিয়ে দেখব। তখন সব জানাব। এখন এত আগে কোনো কথা বলা ঠিক নয়।’

আরও পড়ুন:
এনআইডি ইসির হাতে রাখতে আবার স্মারকলিপি
সিসি ক্যামেরায় ভোটের গোপনীয়তা নষ্ট হয়নি: ইসি
এনআইডি স্বরাষ্ট্রে গেলে ভোটার কার্ড দেবে ইসি
ভোট বন্ধে ইসির সিদ্ধান্তে সাবেকদের সমর্থন
আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে আবারও নাম্বার ওয়ান সাকিব

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
22 councilor candidates got their nomination back on appeal
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন

আপিলে মনোনয়ন ফিরে পেলেন ২২ কাউন্সিলর প্রার্থী

আপিলে মনোনয়ন ফিরে পেলেন ২২ কাউন্সিলর প্রার্থী রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) ভবনের ফটক। ছবি: সংগৃহীত
রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেয়া ৩৬ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন। এর মধ্যে ৩৩ জন তাদের মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করেন।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়া ২২ কাউন্সিলর প্রার্থী আপিলে তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। কাউন্সিলর প্রার্থীদের আবেদনের শুনানি শেষে বুধবার এই আদেশ দেয় কমিশন। তথ্য ঠিক না থাকায় একই সঙ্গে ১২ কাউন্সিলর প্রার্থীর আবেদন খারিজ করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে এই আদেশ দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার স্টাফ অফিসার আফতাব হোসেন।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ১ ডিসেম্বর থেকে রংপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়। নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়ন জমা দেয়া ৩৬ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন। এর মধ্যে ৩৩ জন তাদের মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আপিল শুনানি শেষে মেয়র পদে ১০, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৮৫ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬৭ প্রার্থী বৈধ হলেন।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, ‘আজ (বুধবার) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। শুক্রবার প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। আমরা আশা করছি প্রার্থীরা নির্বাচনের আচরণবিধি মেনে প্রচারে অংশ নেবেন। কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ভয় পেলে চলবে না: ইসি রাশেদা
গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন: ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ইসির
আরপিও সংশোধন: মন্ত্রণালয়ের জবাব পেল ইসি
এনআইডিসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা ইসি কর্মকর্তাদের
ইসির প্রস্তাব উপেক্ষা: সরকারের একটি বক্তব্য চান সিইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dont be afraid of election duty EC Rasheda Sultana

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ভয় পেলে চলবে না: ইসি রাশেদা

নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে ভয় পেলে চলবে না: ইসি রাশেদা নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে কমিশনার রাশেদা সুলতানা। ফাইল ছবি
‘আগের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ১২৬ প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে নতুন করে ভোটের দায়িত্বে আনার সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে ওই উপজেলায় না হলে পাশের উপজেলা থেকে কর্মকর্তা আনতে হবে।’

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাহসের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আমি সরকারি কর্মচারী। এটা আমার রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। আমাকে ভয় পেলে চলবে না। ভয়ের ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করতে হবে।’

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘আমার মেসেজ একটাই। আপনারা সাহস নিয়ে কাজ করেন। ভয় পাওয়ার তো কারণ দেখি না৷ ভয় পাবেন কেন?’

এর আগে ১ ডিসেম্বর গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের পাঁচ উপ-পরিদর্শকসহ ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাদের মধ্যে ১২৬ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রয়েছেন।

১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে চরম অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ভোট শেষের দেড় ঘণ্টা আগে তা বন্ধ ঘোষণা করে কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন।

সে ক্ষেত্রে নতুন করে যারা এই ভোটের দায়িত্ব নেবেন তাদের ভয়ের ঊর্ধ্বে থাকার পরামর্শ দেন কমিশনার রাশেদা সুলতানা।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘গাইবান্ধার নির্বাচন খুব দ্রুতই হবে। এ সপ্তাহের শেষ দিকে তফসিল ঘোষণা হবে। ১৫ জানুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে।’

‘আগের নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ১২৬ প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে ভোটে দায়িত্ব দেয়ার প্রশ্নই আসে না। যারা দোষী হয়েছে তাদের আনার আর সুযোগ নেই। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিয়োগে আইনে যা বলা আছে, সে অনুযায়ী কর্মকর্তা নিয়োগ হবে। এক্ষেত্রে ওই উপজেলায় না হলে পাশের উপজেলা থেকে কর্মকর্তা আনতে হবে।’

রিটার্নিং কর্মকর্তা কে হবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কমিশন বৈঠক করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। আর রিটার্নিংয়ের দায়িত্ব দেয়ার মতো আমাদের বহু কর্মকর্তা আছেন।’

গাইবান্ধায় সুষ্ঠু ভোট হবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘গাইবান্ধার পরে যে কয়টা ভোট করেছি, কোথাও কোনো ঝামেলা হয়নি। আশা করি এবারও হবে না। একটা ভালো নির্বাচন করতে পারব৷’

গাইবান্ধা-৫ আসনের ১৪৫ ভোটকেন্দ্রেই ভোট হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে নতুন প্রার্থী হওয়ার কোনো সুযোগ নেই৷ আইনে সেভাবে বলা আছে।’

গাইবান্ধার তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে কোনো আলোচনার দরকার নেই বলে মনে করেন এই কমিশনার। বলেন, ‘যথারীতি সিসি ক্যামেরা থাকবে, আমরা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করব। আমাদের অধীন যত নির্বাচন হবে, সেখানে ভোটাররা আসবেন, সুষ্ঠুভাবে ইচ্ছামতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এটাই আমাদের চাওয়া।’

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে আরপিও বিধান সংশোধনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে এই কমিশনার বলেন, ‘যাচাই-বাছাই চলছে। খুব দ্রুত অগ্রগতি জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
এইচএসসি পাসে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চাকরি
গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন: ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ইসির
গাইবান্ধা ‍উপনির্বাচনের প্রতিবেদন: হঠকারী সিদ্ধান্ত নেবেন না সিইসি
গাইবান্ধা ভোটে অনিয়ম: দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আগামী সপ্তাহে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transgenders want reserved seats in Parliament

সংসদে সংরক্ষিত আসন চান ট্রান্সজেন্ডাররা

সংসদে সংরক্ষিত আসন চান ট্রান্সজেন্ডাররা সংসদে সংরক্ষিত আসনের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে ট্রান্সজেন্ডারদের প্রতিনিধিদল। ছবি নিউজবাংলা
ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করা ‘সুস্থ জীবন’ নামের বেসরকারি কমিউনিটিভিত্তিক সংস্থার প্রতিনিধিরা বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই স্মারকলিপি দেন। সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব ও রাশেদা সুলতানার সঙ্গে তাদের প্রায় আধা ঘণ্টা বৈঠক হয়।

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দিয়েছে ট্রান্সজেন্ডারদের প্রতিনিধিদল। ট্রান্সজেন্ডারদের জন্য সংসদে অন্তত তিনটি আসন সংরক্ষিত রাখার দাবি জানানো হয়েছে।

জাতীয় পরিচয়পত্র করার সময় হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসানও চেয়েছে প্রতিনিধিদল।

ট্রান্সজেন্ডারদের উন্নয়নে কাজ করা ‘সুস্থ জীবন’ নামের বেসরকারি কমিউনিটিভিত্তিক সংস্থার প্রতিনিধিরা বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এই স্মারকলিপি দেন।

সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল, নির্বাচন কমিশনার আহসান হাবিব ও রাশেদা সুলতানার সঙ্গে প্রতিনিধিদলের প্রায় আধা ঘণ্টা বৈঠক হয়।

পরে ‘সুস্থ জীবন’-এর চেয়ারম্যান পার্বতী আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের দাবি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসন পূর্ণ হবে সবার অংশগ্রহণে। ট্রান্সজেন্ডারদের অন্ততপক্ষে যেন তিনটি আসন দেয়া হয়।

‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড, কাউকে বাদ দিয়ে নয়। তাহলে জাতীয় সংসদে নারী আছে, পুরুষ আছে; আমরা কোথায়? আমাদের দাবিদাওয়া এবং আমাদের নিয়ে কাজ করার জন্য সংসদে প্রতিনিধি দরকার।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে এখন অনেক শিক্ষিত আছে। সম্প্রতি একজন বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দায়িত্ব দেয়া হলে অবশ্যই আমরা পালন করতে পারব।’

প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের বলেছেন কী করা যায় দেখবেন। সংবিধান কী বলে সেগুলো তারা দেখবেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এ ধরনের বৈঠক করতে বলেছেন।’

পার্বতী আহমেদ বলেন, ‘ভোটার আইডি কার্ড তৈরি ও সংশোধন নিয়েও কথা বলেছি। আমাদের অনেকেরই পুরুষ হিসেবে আইডি কার্ড আছে। এখন সেটা নিয়ে কোথাও গেলে একসেপ্ট করে না। কারণ, আইডি কার্ড এক রকম, আর তাদের দেখতে আরেক রকম। অনেকে এ কারণে হ্যারাচমেন্টের শিকার হচ্ছেন।

‘এ ছাড়া সেখানে অভিভাবকের প্রয়োজন হয়। অভিভাবকরা তো আমাদের অনেক আগেই ছেড়েই দিয়েছেন। পরিবার তো আমাদের রাখে না। তাহলে আমরা অভিভাবক কীভাবে আনব?’

তিনি বলেন, ‘আমাদের এফিডেফিট করতে হয় প্রথম শ্রেণির হাকিম দিয়ে। তিনি আবার থানায় পাঠান। এ জন্য অনেক হয়রানির মুখে পড়তে হতে হয়। এগুলো দেখা হবে বলে বৈঠকে আশ্বাস দেয়া হয়েছে।’

পার্বতী আহমেদের সঙ্গে ছিলেন ‘সুস্থ জীবন’-এর সাধারণ সম্পাদক ববি হিজড়া ও কমিউনিটি লিয়াজোঁ অফিসার জোনাকী জোনাক।

আরও পড়ুন:
সংসদের ২০তম অধিবেশন বসছে রোববার
১০ ডিসেম্বর ঢাকায় মিলনমেলা করবে মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম
ট্রান্সজেন্ডারদের সেলাই মেশিন দিল পাথওয়ে
‘নারীবেশী যুবক’ খুন, ৬ ট্রান্সজেন্ডার গ্রেপ্তার
সংসদ উপনেতা: আলোচনায় আমু, তোফায়েল, মতিয়া

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The government wants to reduce the remuneration of CEC EC

সিইসি-ইসির সম্মানী কর্তন করতে চায় সরকার

সিইসি-ইসির সম্মানী কর্তন করতে চায় সরকার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। ফাইল ছবি
ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে দেড় ঘণ্টার সেশন বাবদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনাররা ৭ হাজার ৫০০ টাকা পেয়ে এলেও সে টাকা দিতে নারাজ অর্থ মন্ত্রণালয়। সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে প্রিভিলাইজ অ্যাক্ট অনুযায়ী সুবিধাপ্রাপ্ত হন বিধায় তাদের এই সম্মানীতে অসম্মতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

দেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত ব্যয় সংকোচন নীতিতে এবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনারদের (ইসি) সম্মানী কর্তন করছে সরকার।

ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে দেড় ঘণ্টার সেশন বাবদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনাররা ৭ হাজার ৫০০ টাকা পেয়ে এলেও সে টাকা দিতে নারাজ অর্থ মন্ত্রণালয়। সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে প্রিভিলাইজ অ্যাক্ট অনুযায়ী সুবিধাপ্রাপ্ত হন বিধায় তাদের এই সম্মানীতে অসম্মতি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

তবে বিদায়ী কে এম নূরুল হুদা কমিশনের সবাই এ বাবদ সম্মানী পেয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, অর্থ মন্ত্রণালয় ভুলবশত এই চিঠি দিয়েছে। হাইকোর্টের বিচারকরা যেমন সম্মানী পেয়ে থাকেন ঠিক তেমনি নির্বাচন কমিশনাররা এটা পাবেন।

এ ছাড়া আরও বিভিন্ন খাতে প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ ভাতা অর্ধেক কমিয়ে ১ হাজার টাকা থেকে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। কোর্স পরিচালক, কোর্স সমন্বয়ক ও সহযোগী কর্মচারীদের ক্ষেত্রে রুটিন কাজ হওয়ায় টাকা ছাড় করতে রাজি হয়নি মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনে পাঠানো অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নারগিস মুরশিদ স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে এসব তথ্য জানা যায়। ভোট গ্রহণ কাজে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক সম্মানী ও প্রশিক্ষণ ভাতা নির্ধারণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছিল ইসি। তারই জবাবে এ চিঠি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়।

নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ রকম একটি চিঠি আসছে। ওরা ভুলবশত দিয়েছে। কমিশনাররা সম্মানী পাবেন। অর্ডার সংশোধনের জন্য আমরা আরেকটা চিঠি দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টের বিচারকরা যেমন সম্মানী পান৷ কমিশনাররাও তেমন সম্মানী পাবে। আমরা আবার চিঠি দেব অর্থ মন্ত্রণালয়ে। তাদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে।’

ব্যয় সংকোচনের কারণে এমন সিদ্ধান্ত প্রশিক্ষণ দেয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি হবে কি না, জানতে চাইলে অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ‘বাংলাদেশে সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করেই হয়তো বা এমন হয়েছে। তবে এতে প্রশিক্ষণ বাধাগ্রস্ত হবে না। আনুষঙ্গিক খরচ কিছুটা কমতে পারে।’

প্রতি দেড় ঘণ্টা সেশনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের জন্য প্রশিক্ষক সম্মানী ৭ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করলেও সে ক্ষেত্রে কোনো অর্থ খরচ করতে চায় না অর্থ মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া জ্যেষ্ঠ সচিব, সচিব ও অতিরিক্ত সচিবদের প্রতি দেড় ঘণ্টা সেশনে সম্মানী বাবদ নির্বাচন কমিশন ৫ হাজার টাকা চাইলেও অর্থ মন্ত্রণালয় ২ হাজার টাকা কেটে তা ৩ হাজার টাকা করে দিয়েছে।

যুগ্ম সচিব বা সমপর্যায়ের কর্মচারীদের ৩ হাজার টাকার জায়গায় ১ হাজার কমিয়ে ২ হাজার টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া উপসচিব ও সমপর্যায়ের কর্মীদের ২ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে দেড় হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ ভাতা অর্ধেক কমিয়ে ১ হাজার টাকা থেকে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া কোর্স পরিচালক, কোর্স সমন্বয়ক ও সহযোগী কর্মচারীদের ক্ষেত্রে রুটিন কাজ হওয়ায় টাকা ছাড় করতে রাজি হয়নি অর্থ মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন তাদের চিঠিতে কোর্স পরিচালকের সম্মানী ৬ হাজার টাকা, সমন্বয়কদের ৫ হাজার টাকা চায়। সহযোগীদের দিনপ্রতি ৫০০ টাকা চেয়েছিল তারা।

প্রশিক্ষণার্থীদের চা-নাশতা বাবদ খরচ না কমালেও দুপুরের খাবার বাবদ ১০০ টাকা কমাতে চায় অর্থ মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া প্রশিক্ষণ সামগ্রী বাবদ জনপ্রতি ১০০ টাকা খরচের জায়গায় ৫০ টাকা, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের খরচ ৫ হাজার থেকে কমিয়ে ৩ হাজার টাকা সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়৷

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ভোট গ্রহণে সহায়ক কর্মচারীদের সফটওয়্যার-বিষয়ক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে সিস্টেম ম্যানেজারদের প্রশিক্ষণ সম্মানী আড়াই হাজার থেকে কমিয়ে ২ হাজার টাকা, সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্টদের ক্ষেত্রে ২ হাজার থেকে কমিয়ে দেড় হাজার টাকা করা হয়েছে। প্রশিক্ষণার্থীদের চা-নাশতা বাবদ খরচ না কমালেও দুপুরের খাবার বাবদ ১০০ টাকা কমাতে চায় অর্থ মন্ত্রণালয়।

যেসব শর্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের

প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারদের ব্যালট এবং ইভিএমের ভোট গ্রহণের বিষয়ে একত্রে বা আলাদাভাবে ভোট গ্রহণ করা যাবে।
একজন প্রশিক্ষক একাধিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেও দিনে দুইটার বেশি সম্মানী পাবেন না।

এ খাতে বরাদ্দ অর্থ থেকে এই ব্যয় নির্বাহ করতে হবে, এ বাবদ অতিরিক্ত বরাদ্দ দাবি করা যাবে না। এ অর্থ ব্যয়ে যাবতীয় আর্থিক বিধান যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

প্রাপ্যতা নিশ্চিত হয়ে সম্মানী প্রদান করতে হবে। ব্যয়ে কোনো অনিয়ম দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে। আদেশ জারির পর থেকে এ হার কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন:
পুলিশ দিয়ে ব্যালেন্স করব না: সিইসি
ফরিদপুরে শান্তিপূর্ণ ভোট, গাইবান্ধার সিদ্ধান্তে আরও ৭ দিন: সিইসি
গোপন কক্ষে দ্বিতীয় কেউ যাননি: সিইসি
কোনো চাপ নেই: সিইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
10 people in the fight for the post of mayor in Rangpur

রংপুরে মেয়র পদে লড়াইয়ে ১০ জন

রংপুরে মেয়র পদে লড়াইয়ে ১০ জন রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) ভবনের ফটক। ছবি: সংগৃহীত
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত মেয়র পদে ১০ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলরের ১১ পদের বিপরীতে ৬৯ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলরের ৩৩ পদের বিপরীতে ১৯৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১০ জন।

মঙ্গলবার ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। বিকেল ৪টা পর্যন্ত মেয়র পদে ১০ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলরের ১১ পদের বিপরীতে ৬৯ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলরের ৩৩ পদের বিপরীতে ১৯৮ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

বিকেলে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মেয়র পদে মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১০ জন। তারা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল, জাসদের শফিয়ার রহমান।

এ ছাড়াও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আতাউর জামান বাবু, খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল, জাকের পার্টির খোরশেদ আলম এবং ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লতিফুর রহমান মিলন, মেহেদী হাসান বনি, আবু রায়হান মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্র নিয়েও জমা দেননি জাপার বহিষ্কৃত নেতা এ কে এম আব্দুর রউফ মানিক, শ্রমিক লীগ নেতা এম এ মজিদ ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা মাহবুবার রহমান বেলাল।

তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাই ১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৮ ডিসেম্বর। প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ৯ ডিসেম্বর।

রংপুর সিটি করপোরেশনের তৃতীয়বারের নির্বাচন ২৭ ডিসেম্বর।

আরও পড়ুন:
রংপুর সিটিতে সুন্দর ভোট আয়োজনে কোনো ছাড় দেবে না ইসি
রসিক নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ২৯ নভেম্বর
রংপুর সিটিতে ভোট ২৭ ডিসেম্বর
রংপুরে সমাবেশের মঞ্চে ফখরুল
রংপুরে বিএনপির সমাবেশ শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 11 years Bhola votes in 2 unions

১১ বছর পর ভোলার ২ ইউনিয়নে ভোট

১১ বছর পর ভোলার ২ ইউনিয়নে ভোট ভোলায় আসলামপুর ও ওমরপুর ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
দুই ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২৬ হাজার ৭০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪ হাজার ২৯৮ জন। নারী ভোটার ১২ হাজার ৪০৮ জন। দুটি ইউপির ১৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৮টিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে উপজেলা নির্বাচন অফিস।

সীমানা জটিলতা কাটিয়ে ১১ বছর পর ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ও ওমরপুর ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ইউপি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ।

সোমবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটকেন্দ্রগুলোতে সকাল থেকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখা গেছে।

শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রতিটি কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যরা। এ ছাড়াও মাঠে রয়েছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স।

দুটি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে ৮ জন, সদস্য পদে ৭৯ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চেয়ারম্যান পদে ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াই হবে আসলামপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকে নুরে আলম মাস্টার এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী আবুল কাশেম মিলিটারি (আনারস), ওমরপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম রিজন (নৌকা) ও আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীক এ কে এম সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে।

দুই ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২৬ হাজার ৭০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪ হাজার ২৯৮ জন। নারী ভোটার ১২ হাজার ৪০৮ জন। দুটি ইউপির ১৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৮টিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে উপজেলা নির্বাচন অফিস।

ভোট দিতে আশা ষাটোর্ধ্ব আশরাফ আলী, হোসেন পাটোয়ারী ও ফারুক ভূইয়া জানান, ১১ বছর পর ভোট দিতে এসেছেন, কিন্তু ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণে বিলম্ব হচ্ছে। ধীরগতিতে ভোটগ্রহণের কারণে সকাল থেকে তারা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।

তবে নতুন ভোটার রুবেল হোসেন, রামিম ও হাজেরা জানান, তারা প্রথমবারের মতো ভোট দিতে এসেছেন এবং ডিজিটাল পদ্ধতি ইভিএমে ভোট দিতে পেরে আনন্দিত।

এদিকে আসলামপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরে আলম ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কাশেম মিলিটারি উভয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে ভোটারদের বাধা ও হুমকি দেয়ার অভিযোগ ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌করেছেন।

জেলা নির্বাচন অফিসার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইভিএম ভোটারদের কাছে নতুন হওয়ায় ভোটদানে তাদের একটু বিলম্ব হচ্ছে। ভোটারদের নির্বাচন অফিস ও প্রার্থীরা ইভিএম বিষয়ে সচেতন করেছেন। দুপুর ১২টার দিকে দীর্ঘ লাইন কমে যাবে।’

আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছে, তবে ইভিএম ভোটারদের কাছে নতুন হওয়ায় ভোটদানে তাদের একটু সমস্যা হচ্ছে। ভোটারদের আমরা ইভিএম বিষয়ে সচেতন করছি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনি মাঠে রয়েছেন পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যরা। এ ছাড়াও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স রয়েছেন।

২০১১ সালে ওমরপুরের তখনকার চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়। ওই মামলা নিষ্পত্তির পর বৃহত্তর ওমরপুর ইউনিয়ন ভেঙে ওমরপুর ও আসলামপুর ইউনিয়ন করা হয়। এতে করে এক দশকের বেশি সময় পর এই দুই ইউনিয়নে আয়োজন করা হয় নির্বাচন।

আরও পড়ুন:
ইসির প্রস্তাব উপেক্ষা: সরকারের একটি বক্তব্য চান সিইসি
আরপিওর সংশোধন: ইসিকে পাত্তা দিচ্ছে না সরকার
বিএনপি-জামায়াত বিচ্ছেদের প্রমাণ রংপুরের ভোটে?
নিবন্ধনের শর্ত যাচাইয়ে নির্বাচন কমিশনের হোঁচট
আবার ভোট দিন, যা চাইবেন তার বেশি দেব: শেখ হাসিনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Election Commission stumbles in verifying the conditions of registration

নিবন্ধনের শর্ত যাচাইয়ে নির্বাচন কমিশনের হোঁচট

নিবন্ধনের শর্ত যাচাইয়ে নির্বাচন কমিশনের হোঁচট রাজনৈতিক দলগুলো নিবন্ধনের শর্তগুলো মেনে চলছে কি না সেটি যাচাইয়ে উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ছবি: নিউজবাংলা
রাজনৈতিক দলগুলো নিবন্ধনের শর্ত মেনে চলছে কি না, সে বিষয়ে তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চাওয়া হয়। গত ১৩ অক্টোবর পাঠানো চিঠিতে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়। সে হিসেবে বৃহস্পতিবার ছিল প্রতিবেদন জমার শেষ সময়। কিন্তু ১৯টি দল প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তিনটি দল সময় চেয়েছে। বাকিরা কিছুই জানায়নি।

রাজনৈতিক দলগুলো নিবন্ধনের শর্তগুলো মেনে চলছে কি না সেটি যাচাইয়ে নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগ মুখ থুবড়ে পড়ল। কমিশনের বেঁধে দেয়া সময়ে তাদেরকে তথ্য দিল না আওয়ামী লীগ, বিএনপির মতো প্রধান দলগুলো।

নিবন্ধিত ৩৯টি দলের মধ্যে নির্ধারিত সময়ে কমিশনে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে ১৯টি দল। তিনটি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। বাকি ১৭টি দল কিছুই জানায়নি।

যারা সময় চেয়েছে, তাদের মধ্যে আছে বিএনপি, যারা এক মাস সময় চেয়েছে। আওয়ামী লীগ সময় চেয়েও চিঠি দেয়নি।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের অনুচ্ছেদ ৯০ (খ) এ একটি দল নিবন্ধন পাওয়ার ক্ষেত্রে যেসব শর্ত পূরণ করতে হয় সেগুলোর উল্লেখ রয়েছে। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে-কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সব পর্যায়ের কমিটিতে সদস্য নির্বাচিত করা, ২০২০ সালের মধ্যে সব স্তরের কমিটিতে শতকরা ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখা, শিক্ষক বা ছাত্র কিংবা আর্থিক, বাণিজ্যিক বা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বা শ্রমিক সমন্বয়ে বা অন্য কোনো পেশার সমন্বয়ে সহযোগী বা অঙ্গ সংগঠন থাকবে না- এসব কথা উল্লেখ আছে।

দলগুলো এসব শর্ত মেনে চলছে কি না, সে বিষয়ে তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চাওয়া হয়। গত ১৩ অক্টোবর পাঠানো চিঠিতে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়। সে হিসেবে বৃহস্পতিবার ছিল প্রতিবেদন জমার শেষ সময়।

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। এর আগে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরনো দলগুলোর যাচাইবাছাই শেষ করতে চেয়েছিল। সেই হিসেবে এমনিতেই দুই মাস পিছিয়ে তারা। দলগুলোর কাছে সাড়া না পাওয়ার কারণে আরও পিছিয়ে পড়বে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের উপসচিব আব্দুল হালিম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দলগুলো প্রতিবেদন জমা দিচ্ছে। অফিসিয়ালি আজকে লাস্ট ডেট। অনেকেই বলবে চিঠিপত্র পেতে দেরি হয়েছে। তারা হয়তো পরে দেবে।’

কমিশন সময় বাড়াবে কি না-জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে সময় বাড়াবো না। কেউ দরখাস্ত তো করে নাই। আমার মনে হয় ওরা দিয়ে দেবে।’

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি জমা দিয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না ওরা দেই নাই। এদের সঙ্গে কথা হয়েছে।’

বিএনপি ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়ে আবেদন করেছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের এক কর্মকর্তা। তবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ এ সংক্রান্ত কোনো আবেদন জমা দেন নাই।

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ বিষয়ে তো এখনও জানি না।’

সময় বাড়াবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কিছু বলতে পারবো না। কারণ এ নিয়ে তো কোনো আলাপ হয় নাই।’

নিবন্ধনের শর্ত যদি পূরণ করতে না পানে তাহলে নিবন্ধন বাতিল করবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কী শর্ত পূরণ করতে পারে নাই। তার উপরে নির্ভর করে। নিবন্ধন বাতিলের মতো হলে হবে।’

ইসির জবাব সাড়া দিয়েছে যারা

জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, জাতীয় পার্টি জেপি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, বিজেপি, গণফোরাম, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জেএসডি, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি- বাংলাদেশ ন্যাপ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ, মুক্তিজোট

বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্ট ও জাকের পার্টি।

সময় চায় যারা

বিএনপি দুই মাস সময় চাইলেও তিন মাস সময় চেয়েছে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ ও বাংলাদেশ কংগ্রেস।

নিশ্চুপ যারা

আওয়ামী লীগ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ, বিকল্পধারা বাংলাদেশ বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম এল), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টি, বাংলাদেশ গণতন্ত্রী পার্টি, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন এনডিএম, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও ইসলামিক ফ্রন্ট এখনও কমিশনকে কিছু জানায়নি।

নিবন্ধন কবে, কাদের বাতিল

সেনা সমর্থিত তত্ববধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সাল থেকে নবম সংসদ নির্বাচনের আগে দলের নিবন্ধন প্রথা চালুর পর ৪৪টি দল নিবন্ধন পায়। এরমধ্যে ৫টি দলের নিবন্ধন বাতিল হওয়ায় বর্তমানে নিবন্ধিত রয়েছে ৩৯টি দল।

শর্তসাপেক্ষে নিবন্ধন পেলেও স্থায়ী সংশোধিত গঠনতন্ত্র দিতে না পারায় ২০০৯ সালে ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল হয়। এছাড়া দশম সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন আদালত অবৈধ ঘোষণা করে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নিবন্ধন শর্ত প্রতিপালন না করায় ২০১৮ সালে ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন এবং ভোটের পরে ২০২০ সালে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টি-পিডিপি, ২০২১ সালে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার নিবন্ধন বাতিল করে ইসি।

আরও পড়ুন:
ইভিএমে রি-রাইটের সুযোগ নেই: ইসি আলমগীর
বিএনপি নির্বাচনে আসবে: ইসি আনিছুর
নিবন্ধন চেয়ে আবেদন ৮০ নয়, ৯৮ বা তার চেয়ে বেশি
নাকফুল, বাবেস, মুসকিল লীগ, বৈরাবরী পার্টিসহ নিবন্ধন চায় যারা
ইসির সাবেকদের নিয়ে বুধবার বৈঠক করবে কমিশন

মন্তব্য

p
উপরে