× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Caught in a case after breaking the net of banditry
hear-news
player
google_news print-icon

দস্যুতার জাল ছিঁড়ে আটকে মামলার জটে

দস্যুতার-জাল-ছিঁড়ে-আটকে-মামলার-জটে
ফাইল ছবি
মামলা চলার কারণে কয়েকটি সমস্যার কথা তুলছেন দস্যুতা ছেড়ে আত্মসমর্পণ করা ব্যক্তিরা। প্রথমত, মাসে কয়েকদিন আদালতে হাজিরা দিতে হয়। সেসব দিনে কাজ না করলে আয় হয় না। আবার আইনজীবীর পেছনে যাচ্ছে টাকা। দ্বিতীয়ত,মাঝেমধ্যে পুলিশ এলাকায় আসলে সামাজিকভাবে হেয় হতে হয়। মানুষ ভাবে তারা এখনও দস্যু জীবনে রয়ে গেছে। এটি তাদের স্বাভাবিক কর্মজীবনকে ব্যাহত করছে।

২০১৮ সালের ১ নভেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের হাতে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসপমর্পণ করেছিলেন তইবুর রহমান। সুন্দরবনের বনদস্যু ছিলেন তিনি। এখন সে পথ ছাড়লেও বারবার যেতে হচ্ছে কারাগারে, নিয়মিত হাজির হতে হয় আদালতে।

তইবুরের বাড়ি খুলনার পাইকগাছা উপজেলায়। তিনি বলেন, ‘অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়েছি। সেই দিন থেকে আর কখনও খারাপ কাজে যাওয়ার চিন্তাও করিনি। আমাদের আলোর পথে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী ও র‌্যাবের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’

তিনি বলেন, ‘সরকার আমাদের আশ্বস্ত করেছিল, মামলাগুলো দ্রুত তুলে নেবে। তবে আত্মসর্পণ করার পরেও তিনটি মামলায় আমাকে তিন বার কারাগারে যেতে হয়েছে। আমি কারাগারে গেলে পরিবারের সদস্যরা খুবই দুশ্চিন্তায় থাকে। এলাকার মানুষও তখন হেয় করে। পুলিশে নিয়ে গেলে এলাকার মানুষ ভাবে, আমরা আবারও দস্যুতায় জড়িয়েছি। আমরা চাই দ্রুত মামলাগুলো নিস্পত্তি হোক। আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করি।’

তইবুর জানান, তার দলে ৫ জন সদস্য ছিলেন। আত্মসপমর্পণ করার পরে সবাই সরকারের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। এখন সবাই আয়বর্ধক কাজ করে ভালো আছে। শুধু আটকে মামলার জটে।

তইবুরের মতোই একই সমস্যায় অন্যারাও। মামলা চলার কারণে কয়েকটি সমস্যার কথা তুলছেন তারা। প্রথমত. মাসে কয়েকদিন আদালতে হাজিরা দিতে হয়। সেসব দিনে কাজ না করলে আয় হয় না। আবার আইনজীবীর পেছনে যাচ্ছে টাকা। দ্বিতীয়ত. মাঝেমধ্যে পুলিশ এলাকায় আসলে সামাজিকভাবে হেয় হতে হয়। মানুষ ভাবে তারা এখনও দস্যু জীবনে রয়ে গেছে। এটি তাদের স্বাভাবিক কর্মজীবনকে ব্যাহত করছে।

আত্মসমর্পণে মধ্যস্থতা করা র‌্যাব এবং প্রশাসন জানিয়েছে, হত্যা ও ধর্ষণ ছাড়া অন্য মামলাগুলো তুলে নেয়ার যে আশ্বাস দেয়া হয়েছিল, সেগুলো বাস্তবায়ন কাজ চলছে। সবার তথ্য যাচাইবাছাই করা হচ্ছে। দ্রুত মামলাগুলো নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।

২০১৮ সালের দলের ৮ জন সদস্য নিয়ে আত্মসপমর্পণ করেছিলেন আনোয়ারুল। তিনি একটি দস্যু দলের সর্দার ছিলেন। বাড়ি কয়রা উপজেলায়।

তিনি বলেন, ‘আমার দলের সবাই সরকারের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পেয়েছে। কেউ কেউ দোকান বা গবাদিপশু পেয়েছে। সবাই মোটামুটি ভালো আছে। তবে আর্থিক সহায়তার অনেক টাকা আমরা নষ্ট করে ফেলেছি মামলার জন্য। আদালতে মামলা পরিচালনার জন্য অনেক টাকার দরকার হয়। স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পরে আমরা বেশি টাকা আয় করতে পারি না। একাধিক মামলা থাকায় আমরা হিমশিম খাচ্ছি। সরকারের প্রতি আমাদের অনুরোধ মামলাগুলো দ্রুত তুলে নেয়া হোক।’

কয়রা উপজেলার মোস্তফা নামের বলেন, ‘মামলাতে প্রত্যেক মাসে দুই থেকে তিন বার আদালতে হাজিরা দিতে হয়। আর্থিক সংকটের কারণে, অনেক সময়ে আমরা আদালতে যেতে পারি না। তখন জামিন বাতিল হয়। পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যায়।’

রব্বানি নামে আত্মসমর্পণ করা আরেকজন বলেন, ‘আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে ভ্যান চালিয়ে রোজগার করছি। বেশ ভালোই কাটছে। তবে একটাই সমস্যাই মামলা নিয়ে। সীমিত আয় দিয়ে আমাদের পক্ষে একাধিক মামলা চালানো সম্ভব হচ্ছে না। আমাদের অনেকের মামলার রায় দেয়ার সময় হয়ে গেছে। দ্রুত সেই সব মামলা নিস্পত্তি না হলে হয়তো আমাদের কারাগারে যেতে হবে। এই দুশ্চিন্তায় অনেকেই আছেন।’

দাদভাই বাহিনীর দ্বিতীয় প্রধান জাকির হোসেন বলেন, ‘স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পর থেকে যে আর্থিক সহায়তা পেয়েছি, তা দিয়ে একটি নৌকা ও জাল তৈরি করেছিলাম। তা নদীতে ধরে যা আয় হয়, কোনো মতে সংসার চলে যাচ্ছে। তবে রাতে ঘুম হয়না মামলার চিন্তায়। ভাবি কখন বুঝি রায় হবে, আমাকে কারাগারে নিয়ে গেলে ছেলে মেয়েদের কে দেখবে?

‘এমনিতেই আমাদের অনেকে খারাপ নজরে দেখে, আবার কারাগারে গেলে মানুষ ভাববে আমরা আবারও দস্যুতায় জড়িয়েছি।’

সুন্দরবন উপকূলের বনজীবী ও মৎস্যজীবীরা জলদস্যু ও বনদস্যুদের হাতে জিম্মি ছিল। অবৈধভাবে গাছ কাটা, বন্যপ্রাণী হত্যা, অপহরণ, মুক্তিপণ না পেয়ে মানুষ হত্যা, ডাকাতি ও ট্রলার ছিনতাইসহ নানা রকমের অপরাধে জড়িত ছিল তারা।

২০১২ সালে র‌্যাব মহাপরিচালককে প্রধান সমন্বয়কারী করে সুন্দরবনে জলদস্যু দমনে টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে গোড়াপত্তন ঘটে জলদস্যু মুক্তকরণ প্রক্রিয়ার। ২০১২ সাল থেকে জোরালো অভিযানে কোণঠাসা হয়ে পড়ে জলদস্যুরা। ক্রমাগত অভিযানে ফেরারি জীবনের অবসান ঘটিয়ে আত্মসমর্পণের পথ বেছে নেয় তারা।

২০১৬ সালের ৩১ মে থেকে ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর পর্যন্ত সুন্দরবনের ৩২টি দস্যু বাহিনীর ৩২৮ জন সদস্য, ৪৬২টি অস্ত্র ও ২২ হাজার ৫০৪ রাউন্ড গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করে।

২০১৮ সালের ১ নভেম্বর সুন্দরবনকে ‘দস্যুমুক্ত সুন্দরবন’ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই হিসাবে আজ ‘দস্যুমুক্ত সুন্দরবন’র চতুর্থ বর্ষপূর্তি।

প্রতিবছর সরাসরি সুন্দরবন থেকে সম্পদ আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করে উপকূলের প্রায় দুই লাখ মানুষ। প্রতিবছর আড়াই থেকে তিন লাখ পর্যটক সুন্দরবন ভ্রমণ করেন। গত চার বছর ধরে সুন্দরবনে কোনো ডাকাতির খবর পাওয়া যায়নি। পর্যটক, মাওয়ালী, বাওয়ালী, বনজীবী ও বন্যপ্রাণী এখন সবাই নিরাপদ। দস্যুমুক্ত সুন্দরবনের এ সাফল্য ধরে রেখেছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে র‌্যাব সব সময় তৎপর রয়েছে। দুবলার চরে র‌্যাবের একটি ক্যাম্প বানানোর কাজ চলছে। বনে এখন সম্পূর্ণ নিরাপদ।’

সাবেক বনদস্যুদের মামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ধর্ষণ ও হত্যা ছাড়া অন্য মামলা থেকে তাদের মুক্তি দেয়ার জন্য আমরা যাচাইবাছাই করছি। আশা করি সকলে দ্রুত মামলার জট থেকে মুক্তি পাবে।’

খুলনার জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জমান তালুকদার বলেন, ‘যারা আত্মসমর্পণ করেছে, তাদের মামলাগুলো প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত রয়েছে। হত্যা ও ধর্ষণ ছাড়া অন্য মামলার তথ্যগুলো আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানিয়ে দিয়েছি। এখন আইনি প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত হয়তো তাদের মামলা প্রত্যাহার হয়ে যাবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Wasar Takseem has received a salary of Tk 580 million in 13 years

ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরে বেতন ভাতা ৫ কোটি ৮০ লাখ

ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরে বেতন ভাতা ৫ কোটি ৮০ লাখ ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান। ফাইল ছবি
হাইকোর্টে জমা দেয়া ওয়াসার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকসিম এ খান বেতন, উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, আপ্যায়নসহ চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে মোট ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯২ টাকা নিয়েছেন। ভ্যাট বাবদ কাটার পর তার মোট বেতন-ভাতা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৫১ লাখ ৬ হাজার ৫১৬ টাকা।

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান গত ১৩ বছরে বেতন-ভাতা বাবদ ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯২ টাকা নিয়েছেন।

হাইকোর্টে মঙ্গলবার ওয়াসার জমা দেয়া এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

১৩ বছরে ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা হিসেবে কত টাকা নিয়েছেন তার হিসাব চেয়ে ১৭ আগস্ট আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

এর পরিপ্রেক্ষিতে জমা দেয়া প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকসিম এ খান বেতন, উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, আপ্যায়নসহ চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে মোট ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯২ টাকা নিয়েছেন।

এ থেকে ভ্যাট বাবদ কাটার পর মোট বেতন-ভাতা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৫১ লাখ ৬ হাজার ৫১৬ টাকা।

প্রতিবেদনটি বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করা হয়।

ওয়াসার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ এম মাসুম ও মাহসিব হোসাইন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায় ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আব্বাস উদ্দিন।

তাকসিম এ খানের বিরুদ্ধে রিট করে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব)। রিটের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

রিট শুনানি শেষে তাকসিম এ খানকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের বিষয়ে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল দেয় আদালত। তাকে অপসারণে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা ওয়াসা এমডির বেতন-ভাতার হিসাব দিতেই হবে
এবার ওয়াসার এমডির ব্যাংক হিসাব তলব
ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরের বেতনের হিসাব চায় হাইকোর্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Speech impaired young woman accused of being raped and then burnt to death

বাক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

বাক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ ফাইল ছবি
মৃতের ছোট বোন বলেন, ‘উদ্ধারের পর আমার বোন আমাদেরকে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছে যে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সে ধর্ষণকারীদের চেনে বলেও আমাদের ইশারায় বলেছে। আমার বোনকে হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

ঢাকার কেরানীগঞ্জে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার বাক প্রতিবন্ধী তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার পর সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামাল এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ৯৯৯ এ কল পেয়ে সোমবার গভীর রাতে সুবাড্ডা সাবান ফ্যাক্টরির গলি চিতা খোলা এলাকায় গিয়ে দগ্ধ অবস্থায় ওই তরুণীকে পাওয়া যায়। তাকে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। তাকে হত্যার অভিযোগে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে। সন্দেহভাজন হিসেবে আটক একজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মৃত তরুণীর এক আত্মীয় বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যার দিকে আমার শ্যালিকাকে এলাকার কয়েকজন ফুসলিয়ে বাড়ির কাছ থেকে নিয়ে যায়। পুলিশের মাধ্যমে মধ্যরাতে আমরা তার খোঁজ পাই। এলাকা থেকে তিন জন নিখোঁজ আছে। তাদের উপর আমাদের সন্দেহ হয়।’

মৃতের ছোট বোন বলেন, ‘উদ্ধারের পর আমার বোন আমাদেরকে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছে যে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সে ধর্ষণকারীদের চেনে বলেও আমাদের ইশারায় বলেছে। আমার বোনকে হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

আরও পড়ুন:
ঘরে ঢুকে রোহিঙ্গা মাঝিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
নায়িকা শিমু হত্যা মামলায় স্বামীসহ দুইজনের বিচার শুরু
টিপু-প্রীতি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১১ জানুয়ারি
চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Militant robbery 3 accomplices of accused remanded

জঙ্গি ছিনতাই: আসামির ৩ আশ্রয়দাতা রিমান্ডে

জঙ্গি ছিনতাই: আসামির ৩ আশ্রয়দাতা রিমান্ডে সিসিটিভি ফুটেজে জঙ্গিদের পালানোর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুর থানায় করা একটি মামলার শুনানি শেষে ১২ আসামিকে আদালত থেকে হাজতখানায় নেয়ার পথে দুজনকে ছিনিয়ে নেয় সহযোগীরা।

ঢাকার নিম্ন আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেয়ার মামলায় আসামি ঈদী আমিনের তিন আশ্রয়দাতার তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম শাকিল আহম্মদের আদালতে তাদের হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

শুনানি শেষে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

রিমান্ড পাওয়া তিনজন হলেন- খোতেজা আক্তার লিপি, নাসির মিয়া ও তানভীর হোসেন।

এর আগে গত ২৭ নভেম্বর আসামি ঈদী আমিন আইনজীবীর মাধ্যমে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর বিচারক তাকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠান।

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুর থানায় করা একটি মামলার শুনানি শেষে গত ২০ নভেম্বর ১২ আসামিকে আদালত থেকে হাজতখানায় নেয়ার পথে দুজনকে ছিনিয়ে নেয় সহযোগীরা। মামলার শুনানি শেষে জামিনে থাকা দুই আসামি ঈদী আমিন ও মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি আদালত থেকে বের হয়ে যান।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করেন পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় জামিন পাওয়া দুজনকেও আসামি করা হয়েছে।

সিটিটিসি ইউনিটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোর্টের শুনানি শেষে প্রথমে চারজনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। দুটি হাতকড়া দিয়ে দুজনকে আটকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাকি আসামিরা তখন উপরে ছিলেন।

‘চারজনের মধ্যে মইনুল হাসান ও আবু সিদ্দিককে জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে মো. আরাফাত ও মো. সবুরকে নিতে পারেনি। এই কাজে জঙ্গিরা পিপার স্প্রে ব্যবহার করে। এতে একজন সিকিউরিটি গার্ড, একজন পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় একজনের আত্মসমর্পণ, চার দিনের রিমান্ড
‘কারাবন্দি জঙ্গি ও ছিনতাই টিম সমন্বয় করেন অমি’
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার মেহেদী ৭ দিনের রিমান্ডে
জঙ্গি আরাফাতকে ছিনিয়ে নেয়াই ছিল মূল লক্ষ্য
জামিনে থাকা জঙ্গি অমি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abbas the former mayor of Katakhali is free on bail

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস
বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বরখাস্ত হওয়া মেয়র আব্বাস আলী এক বছর পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় মঙ্গলবার সকালে আব্বাস আলীকে জামিন দিয়েছেন। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি সন্ধ্যায় মুক্তি পান। কারাফটক থেকে তাকে মোটরসাইকেল শোডাউন করে নিয়ে যান সমর্থকরা।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আব্বাস আলী পর পর দুবার নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে মেয়র হন। তিনি ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও দলটির জেলা কমিটির সদস্য।

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

এ রেকর্ড ছড়িয়ে পড়লে রাজশাহীতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তাকে আওয়ামী লীগের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ারিয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুল মমিন। এরপর কাটাখালী পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক জনি ইসলাম আরেকটি মামলা করেন কাটাখালী থানায়।

সে বছরের ১ ডিসেম্বর ভোরে র‌্যাব ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাকে রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১০ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আব্বাসকে বরখাস্ত করে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছিল। এসব ঘটনার পর।

আইনজীবী ইসমত আরা জানান, তিনটি মামলাতেই জামিন পেয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র।

আরও পড়ুন:
মেয়র আব্বাসের রিমান্ড চেয়ে পুলিশের আবেদন
দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন মেয়র আব্বাস: র‍্যাব
মেয়র আব্বাস আটক
মেয়র আব্বাস কোথায়
মেয়র আব্বাসের উত্থান যেভাবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ban on Islami Bank for loans to 8 institutions

ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে

ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে বৈধ নথিপত্র ছাড়াই ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে।
অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল অঙ্কের ঋণ বাড়ানোর বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের মালিকানায় থাকা কোনো পক্ষ বেনামে এসব ঋণ নিতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে। এ জন্য বিষয়টি তদন্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

নাবিল গ্রুপসহ আট প্রতিষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ঋণ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ ছাড় বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে জরুরি তলব করে।

এর আগে নাবিল গ্রুপসহ আট প্রতিষ্ঠানকে ইসলামী ব্যাংক থেকে অনিয়মের মাধ্যমে আগ্রাসী ঋণ দেয়ার নথিপত্র সংগ্রহ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি দল পরিদর্শন করে এসব ঋণ অনিয়মের ব্যাখ্যা চেয়েছে।

নতুন কোম্পানি খুলে কিংবা আগে থেকে ঋণ রয়েছে এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের নামে বিপুল অঙ্কের ঋণের প্রকৃত সুবিধাভোগী কারা, তা খতিয়ে দেখবে বাংলাদেশ ব্যাংক। নাবিল গ্রুপের ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা ঋণের সুবিধাভোগী অন্য কোনো পক্ষ কি না, তার তদন্ত হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সংবাদপত্রে উঠে এসেছে ইসলামী ব্যাংক বেনামে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে। কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনা করে আসছে। যার ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩ সদস্যর একটি দল ইসলামী ব্যাংকের দেয়া ঋণ কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দেবে।’

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে নাবিল গ্রুপের বিষয়ে তদন্তের উদ্যোগ নিলেও তা অজ্ঞাত কারণে থেমে যায়। এখন নতুন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে।

রাজশাহীকেন্দ্রিক নাবিল গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ বের করে নিয়েছে বলে অভিযোগ আছে।

শুধু নাবিল গ্রুপের ঋণ নয়, এসব ঋণের সুবিধাভোগী ছাড়াও ইসলামী ব্যাংকের সব শাখা থেকে বিতরণ করা ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণের সুবিধাভোগী কারা, তা খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্ত দল। ঋণের কোনো অর্থ পাচার হয়েছে কিনা, হুন্ডি কারবারে ব্যবহার হয়েছে কি না, সেসব বিষয়ও যাচাই করবে।

এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ও বাকি অর্থ সোশ্যাল ইসলামী ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে বের করে নেয়া হয়। সব মিলিয়ে এ গ্রুপের নামে অনুমোদিত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চে তাদের ঋণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

গত আগস্টে অস্বাভাবিক ঋণ অনুমোদনের বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে আসার পর ইসলামী ব্যাংকে তাদের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৫০ কোটি টাকা। ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত তা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা।

অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল অঙ্কের ঋণ বাড়ানোর বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের মালিকানায় থাকা কোনো পক্ষ বেনামে এসব ঋণ নিতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে। এ জন্য বিষয়টি তদন্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আরও পড়ুন:
নথিপত্র ছাড়াই নাবিল গ্রুপকে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা ঋণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
On the way to the court the witness was beaten by the accused

আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত

আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত
ওসি জানান, সকালে মামলার বাদী সাত্তার ও তার ভাই আব্দুল খালেক আদালতে যেতে বাড়ি থেকে বের হন। আসামিদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। 

বগুড়ার ধুনটে মামলার সাক্ষী দিতে আদালতে যাওয়ার পথে সাক্ষীকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে আসামিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের কোদলাপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে আহত আব্দুল খালেককে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ৬৫ বছরের খালেকের বাড়ি কোদলাপাড়া গ্রামে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধুনট থানার ওসি রবিউল ইসলাম।

স্বজনদের বরাতে তিনি জানান, ৩ নভেম্বর কোদলাপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের চাল কেনার টাকা নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আব্দুস সাত্তার মসজিদের কোষাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক ও তার ছেলে ফজলুল হকসহ ৭ জনকে আসামি করে বগুড়া আদালতে মামলা করেন। সেই মামলার সাক্ষী ছিলেন সাত্তারের ভাই আব্দুল খালেক। বগুড়া আদালতে মঙ্গলবার মামলার হাজিরা ছিল।

ওসি জানান, সকালে মামলার বাদী সাত্তার ও তার ভাই আব্দুল খালেক আদালতে যেতে বাড়ি থেকে বের হন। আসামিদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

নিহতের দেহ ময়নাতদন্ত শেষে দাফন করার পর পরিবার হত্যা মামলা করবে বলেও জানিয়েছেন ওসি।

আরও পড়ুন:
চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন
সাভারের নীলা হত্যা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য ২০ ফেব্রুয়ারি
দুই যুগ আগের হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
কোথায় গেল আয়াতের টুকরা দেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accused of killing husband for not registering the land

জমি লিখে না দেয়ায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ

জমি লিখে না দেয়ায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ
কাউনিয়া থানার ওসি আব্দুর রহমান মুকুল জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হয়। রাত ১০টার দিকে বাসার ছাদে বসা ছিলেন ইকবাল। এ সময় পেছন থেকে বঁটি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছেন পপি।

বরিশাল নগরীতে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।

নগরীর পলাশপুর এলাকায় সোমবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শেখ ইকবাল ক‌বিরের বাড়ি পলাশপুরের বৌ বাজার এলাকায়। তিনি লঞ্চের সুকানি ছিলেন। পক্ষাঘাতগ্রস্থ হওয়ার পর থেকে তিনি বাজারে অটোরিকশা চার্জ ও ভাড়া দেয়ার ব্যবসা করতেন। তার ও স্ত্রী জাফরিন আরা পপির সংসারে দুই সন্তান আছে।

কাউনিয়া থানার ওসি আব্দুর রহমান মুকুল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হয়। রাত ১০টার দিকে বাসার ছাদে বসা ছিলেন ইকবাল। এসময় পেছন থেকে বটি দিয়ে তাকে এলোপাতারি কুপিয়েছেন পপি। আশপাশের লোকজন গিয়ে ইকবালকে শের-ই বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়। চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় রেফার করেন। ঢাকা নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

কাউনিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হরিদাস নাগ জানান, ঘটনার পরপরই পপিকে পুলিশ আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান যে, ইকবাল তার নামে জমি ও ভবন লিখে দিচ্ছিলেন না বলে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল। এর জেরে সোমবার রাতে ঝগড়া হয়। এরপর ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ইকবালকে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় ইকবালের ভাতিজা মো. সোহাগ মঙ্গলবার মামলা করেছেন। সেই মামলায় পপিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন
সাভারের নীলা হত্যা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য ২০ ফেব্রুয়ারি
দুই যুগ আগের হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
কোথায় গেল আয়াতের টুকরা দেহ
শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ বস্তায়

মন্তব্য

p
উপরে