× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
All allegations are not true Reply RAB DG
google_news print-icon

যুক্তরাষ্ট্রের সব অভিযোগের সত্যতা নেই, জবাব দেয়া হয়েছে: র‍্যাব ডিজি

যুক্তরাষ্ট্রের-সব-অভিযোগের-সত্যতা-নেই-জবাব-দেয়া-হয়েছে-র‍্যাব-ডিজি
সিলেটে র‍্যাব-৯-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বাহিনীর ডিজি এম খুরশীদ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
র‍্যাব মহাপরিচালক খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘সংস্থায় কেউ যদি অপরাধ করে সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। ৭৬ জনের তালিকা অনুসারে তদন্ত করা হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়া হয়েছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া নিষেধাজ্ঞায় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) নিয়ে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তার সবগুলো সত্য নয় বলে জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। সেই সঙ্গে সবগুলোর জবাবও দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বাহিনীটির যেসব সংস্কার করতে বলেছে যুক্তরাষ্ট্র, সেসব সংস্কারের দায়িত্ব সরকারের। এমনকি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দায়িত্বও সরকারের বলে জানিয়েছেন তিনি।

র‍্যাব-৯-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার দুপুরে র‍্যাব-৯-এর সদর দপ্তরে সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এক প্রশ্নের জবাবে র‍্যাব ডিজি এসব কথা বলেন।

সরকার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে জানিয়ে ডিজি খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় যেসব অভিযোগ করা হয়েছিল, আমরা তার তদন্ত করেছি। সব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। ইতোমধ্যে সবগুলো অভিযোগের জবাব দেয়া হয়েছে।’

সংস্থাটির কোনো সদস্য আইনবিরোধী কাজ করলে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

র‍্যাব তার নীতিতে অবিচল উল্লেখ করে মহাপরিচালক বলেন, ‘সংস্থায় কেউ যদি অপরাধ করে সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। ৭৬ জনের তালিকা অনুসারে তদন্ত করা হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়া হয়েছে।’

এর আগে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র সরকার র‍্যাব ও তার কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপর থেকেই সে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় কাজ করছে বাংলাদেশ।

বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে র‍্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘বান্দরবানের গহিন পাহাড়ে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এখনও চলমান। গহিন অরণ্যে শুধু নয়, জঙ্গি-সন্ত্রাসীরা যেখানেই থাকুক না কেন, সেখানেই অভিযান চালাবে র‍্যাব। জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের কাছে র‍্যাব হবে আতঙ্কের নাম।’

মতবিনিময়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনায় জঙ্গি, সন্ত্রাসবাদ ও মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছে র‍্যাব। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরী হয়ে র‍্যাব অবিরাম কাজ করবে।

র‍্যাব-৯ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে মানুষের আস্থা অর্জন ও জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকার পাশাপাশি র‍্যাব-৯ সব ধরনের দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। বিগত বন্যায় অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দেয়াসহ নানা সহায়তা দিয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময় মেডিক্যাল ক্যাম্প গঠন করে স্বাস্থ্যসেবা, এতিমদের মাঝে খাবার ও বস্ত্র বিতরণসহ নানা সমাজসেবামূলক কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এসব কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।

২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে যাত্রা শুরু করে র‍্যাব-৯।

আরও পড়ুন:
সপরিবারে শনিবার ঢাকায় আসছেন কেনেডি জুনিয়র
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ হয়েছে: আইনমন্ত্রী
‘বাথরুমের দরজায়’ বঙ্গবন্ধুর ছবি, স্ট্যাটাস দিয়ে যুবক জেলে
‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো’র প্রজ্ঞাপন কতটা ভয়ের?
যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৫, শ্বেতাঙ্গ কিশোর আটক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
DB will also interrogate the arresting board chairman

সার্টিফিকেট বাণিজ্যকাণ্ডে কারিগরি বোর্ড চেয়ারম্যান ওএসডি

সার্টিফিকেট বাণিজ্যকাণ্ডে কারিগরি বোর্ড চেয়ারম্যান ওএসডি মো. আলী আকবর খান
ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, ‘সার্টিফিকেট-বাণিজ্যের এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাক না কেন কাউকে ছাড় দেব না। তথ্য-উপাত্তে কারিগরি বোর্ড চেয়ারম্যানের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করব। যেকোনো সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকব।’

সার্টিফিকেট বাণিজ্যে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে বাংলাদেশ কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরই মধ্যে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।

রোববার এ সিদ্ধান্ত হয়। তবে এ বিষয়ে সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আলী আকবরকে ওএসডি করে তার জায়গায় দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বোর্ডের পরিচালক অধ্যাপক মামুন উল হককে। এ ঘটনায় কারিগরি বোর্ডের সচিবও নজরদারিতে আছেন।

এর আগে শনিবার রাজধানীর উত্তরা থেকে আলী আকবর খানের স্ত্রী সেহেলা পারভীনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট-বাণিজ্যে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

রাজধানীর মিণ্টো রোডে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে রোববার সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, ‘সার্টিফিকেট-বাণিজ্যের এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাক না কেন কাউকে ছাড় দেব না। তথ্য-উপাত্তে কারিগরি বোর্ড চেয়ারম্যানের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করব। যেকোনো সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকব।’

হারুন অর রশীদ বলেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ বিভাগ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে জাল সার্টিফিকেট তৈরির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১ এপ্রিল রাজধানীর পীরেরবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলেন- বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কম্পিউটার সেলের সিস্টেম অ্যানালিস্ট এ কে এম শামসুজ্জামান এবং একই প্রতিষ্ঠানের চাকরিচ্যুত ও বর্তমানে শামসুজ্জামানের ব্যক্তিগত বেতনভুক্ত সহকারী ফয়সাল।

এরপর ৫ এপ্রিল কুষ্টিয়ার সদর থানা এলাকা থেকে গড়াই সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিচালক সানজিদা আক্তার কলিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার এই তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ জাল সার্টিফিকেট, মার্কশিট, রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্র এবং শত শত সার্টিফিকেট ও মার্কশিট তৈরির মতো বিশেষ কাগজ, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে চুরি করে নেয়া হাজার হাজার অরিজিনাল সার্টিফিকেট এবং মার্কশিটের ব্লাঙ্ক কপি, শতাধিক সার্টিফিকেট, ট্রান্সক্রিপ্ট, বায়োডাটা ও গুরুত্বপূর্ণ দলিলাদি জব্দ করা হয়।

ডিবিপ্রধান বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চক্রের সঙ্গে জড়িত কামরাঙ্গীরচর হিলফুল ফুযুল টেকনিক্যাল অ্যান্ড বি এম কলেজের অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানকে ১৮ এপ্রিল গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর চক্রের সঙ্গে জড়িত ঢাকা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালক মো. মাকসুদুর রহমান ওরফে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয় ১৯ এপ্রিল।

চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সবশেষ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের স্ত্রী সেহেলা পারভীনকে শনিবার রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

হারুন অর রশীদ বলেন, গ্রেপ্তার এ কে এম শাসমুজ্জামান ও তার ব্যক্তিগত সহযোগী ফয়সাল গত কয়েক বছরে পাঁচ হাজারের বেশি সার্টিফিকেট ও মার্কশিট বানিয়ে ভুয়া লোকদের কাছে হস্তান্তর করেছে। একইসঙ্গে সরকারি ওয়েবসাইটে সরকারি পাসওয়ার্ড, অথরাইজেশন ব্যবহার করে ভুয়া লোকদের মধ্যে বিক্রি করা সার্টিফিকেটগুলোকে বাংলাদেশ সরকারের কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে আপলোড করেছে। ফলে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর যে কোনো দেশে বসে এই ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর গুগলে সার্চ করলে তা সঠিক পাওয়া যায়।

এই অতিরিক্ত কমিশনার আরও বলেন, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীর তথ্য সংযোজন, বিয়োজন ও পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদন-নিবেদনের ফোকাল পারসন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক; কোনোক্রমেই ই-সিস্টেম অ্যানালিস্ট বা কম্পিউটার অপারেটররা নন।

সিস্টেম অ্যানালিস্ট বা কম্পিউটার অপারেটররা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রকদের নির্দেশে কঠোর গোপনীয়তা বজায় রেখে সংবেদনশীল এই কাজগুলো করার কথা। কিন্তু বাংলাদেশের বিভিন্ন উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় শহরে অবস্থিত সরকারি-বেসরকারি কারিগরি স্কুল ও কলেজ, পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, সার্ভে ইনস্টিটিউটের পরিচালক, প্রিন্সিপালরা সম্পূর্ণ অবৈধ ও অনৈতিকভাবে শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন, রোল নম্বর তৈরি, রেজাল্ট পরিবর্তন-পরিবর্ধন, নাম ও জন্মতারিখ সংশোধনের তথ্য হোয়াটসঅ্যাপে টাকার বিনিময়ে আদান-প্রদান করেছেন কম্পিউটার অপারেটর ও সিস্টেম এনালিস্টদের সঙ্গে।

তিনি বলেন, এরকম প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতিপরায়ণ ২৫/৩০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

ডিবি প্রধান বলেন, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কিছু দুর্নীতিপরায়ণ সিবিএ দালাল কর্মচারী-কর্মকর্তা, কম্পিউটার ও পরিদর্শন শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে রেজাল্ট পরিবর্তন, নাম-ঠিকানা পরিবর্তন, প্রার্থীদের বয়স পরিবর্তন ও সময়ে অবৈধভাবে রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও রোল নম্বর প্রদান সংক্রান্ত কাজগুলো করার জন্য সিন্ডিকেট বানিয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 officials of Transcom Group remanded in corruption case

ট্রান্সকম গ্রুপের ৩ কর্মকর্তা দুর্নীতির মামলায় রিমান্ডে

ট্রান্সকম গ্রুপের ৩ কর্মকর্তা দুর্নীতির মামলায় রিমান্ডে ফাইল ছবি
গত ২২ ফেব্রুয়ারি ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত লতিফুর রহমানের মেয়ে শাযরেহ হক বাদী হয়ে গুলশান থানায় পৃথক তিনটি মামলা করেন।

অর্থ আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও অবৈধভাবে কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তরের পৃথক দুটি মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের তিন কর্মকর্তার জামিন বাতিল করে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রশিদুল আলম বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আসামিদের জামিন বাতিল করেন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত তিন আসামির জামিন বাতিল করে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। খবর বাসসের

রিামান্ডের আদেশ পাওয়া আসামিরা হলেন কোম্পানির করপোরেট ফাইন্যান্সের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ব্যবস্থাপক আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক ও এসিস্ট্যান্ট কোম্পানি সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোসাদ্দেক।

রাজধানীর গুলশান থানার এক মামলায় করপোরেট ফাইন্যান্সের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের ইন্সপেক্টর মো. কামাল হোসেন। একই থানায় আরেক মামলায় ব্যবস্থাপক আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক ও কোম্পানির সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোসাদ্দেকের বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত প্রত্যেক আসামিকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি ট্রান্সকম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত লতিফুর রহমানের মেয়ে শাযরেহ হক বাদী হয়ে গুলশান থানায় পৃথক তিনটি মামলা করেন। মামলায় ট্রান্সকম গ্রুপের ১০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও অবৈধভাবে কোম্পানির শেয়ার হস্থান্তরের অভিযোগ আনা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two Bangladeshi fishermen shot dead by Myanmar Navy

মিয়ানমার নৌবাহিনীর গুলিতে আহত বাংলাদেশি দুই জেলে

মিয়ানমার নৌবাহিনীর গুলিতে আহত বাংলাদেশি দুই জেলে নাফ নদে মাছ শিকার করে ফেরার পথে রোববার মিয়ানমার নৌবাহিনীর গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন বাংলাদেশি দুই জেলে। ছবি: নিউজবাংলা
ট্রলারের মাঝি মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি মাছ ধরা শেষে শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাট দিয়ে ফিরছিলাম। এ সময় নাইক্ষ্যংদিয়া সংলগ্ন অংশে মিয়ানমার নৌবাহিনীর একটি জাহাজ আমাদের অতিক্রম করছিল। মিয়ানমার নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে হঠাৎ আমাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এতে আমাদের দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়।’

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদে মাছ শিকার করে ফেরার পথে মিয়ানমার নৌবাহিনীর গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশি দুই জেলে।

সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি এলাকায় রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত এক জেলেকে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হলেও আরেকজনকে গুরুতর অবস্থায় কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, ‘তাদের একজন টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ দক্ষিণ পাড়ার মোহাম্মদ ছিদ্দিকের ছেলে মোহাম্মদ ফারুক ও আরেকজন মাঝের ডেইল এলাকার মোহাম্মদ ইসমাইল।’

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক প্রণয় রুদ্র বলেন, ‘আজ (রোববার) ১২টার দিকে দুইজন চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে আমরা জানতে পারি তারা জেলে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে কক্সবাজার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

‘আহতদের মধ্যে ইসমাইল সামান্য আহত। তাকে টেকনাফে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। অন্যজন ফারুকের তিনটি গুলি লেগেছে ডান পায়ে ও বাম ঊরু এবং বাম হাতের আঙুলে।’

ট্রলারের মাঝি মোহাম্মদ ইউসুফ বলেন, ‘সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি মাছ ধরা শেষে শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাট দিয়ে ফিরছিলাম। এ সময় নাইক্ষ্যংদিয়া সংলগ্ন অংশে মিয়ানমার নৌবাহিনীর একটি জাহাজ আমাদের অতিক্রম করছিল। মিয়ানমার নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে হঠাৎ আমাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এতে আমাদের দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়।

‘আমরা নাফ নদের বাংলাদেশের জলসীমায় ছিলাম এবং হাত উঁচু করে বাংলাদেশি পতাকা দেখিয়ে তাদের গুলি না করতে ইশারা করছিলাম। এরপরও তারা মানেনি; গুলি করতে থাকে।’

আহত জেলে মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ‘এফবি মায়ের দোয়া ট্রলার নিয়ে গত চার দিন আগে ৯ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যাই। আজ (রোববার) ফেরার পথে সাগরে মিয়ানমারের অংশ অবস্থান নেয়া মিয়ানমারের নৌবাহিনীর একটি জাহাজ সংকেত দিয়ে তাদের দিকে যেতে বলে।

‘ওটা মিয়ানমারের জলসীমা হওয়ায় তারা শাহপরীর দ্বীপের দিকে চলে আসতে থাকে। এ সময় পরপর গুলিবর্ষণ করে। এ ঘটনায় দুজন গুলিবিদ্ধ হন। অন্যরা অক্ষত আছে।’

আরও পড়ুন:
টেকনাফে থেমে থেমে আসছে মর্টার শেলের শব্দ
বিএসএফকে মিষ্টি দিয়ে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাল বিজিবি
সীমান্তে এবারও হচ্ছে না দুই বাংলার মিলনমেলা
মিয়ানমারের জান্তাকে সহিংসতা কমাতে বলল থাইল্যান্ড
টেকনাফে পিটুনিতে আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Order to dispose of application to stop import of Jainamaz with pictures

ছবি সম্বলিত জায়নামাজ আমদানি বন্ধে আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ

ছবি সম্বলিত জায়নামাজ আমদানি বন্ধে আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ
পবিত্র কাবা শরিফ, মদিনা শরিফ ও আল-আকসা মসজিদের ছবি সম্বলিত জায়নামাজ বিক্রি, আমদানি ও উৎপাদন বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে গত ২৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন আরিফুর রহমান।

পবিত্র কাবা শরিফ, মদিনা শরিফ ও আল-আকসা মসজিদের ছবি সম্বলিত জায়নামাজ আমদানি ও উৎপাদন বন্ধে আবেদন নিস্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এই আবেদন নিষ্পত্তি করতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইলিয়াস আলী মন্ডল।

পবিত্র কাবা শরিফ, মদিনা শরিফ ও আল-আকসা মসজিদের ছবি সম্বলিত জায়নামাজ বিক্রি, আমদানি ও উৎপাদন বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে গত ২৯ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন আরিফুর রহমান। ওইদিন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বিভাগে রিটটি দাখিল করা হয়। এতে বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিবকে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়েছে।

এর আগে পবিত্র কাবা শরিফ, মদিনা শরিফ ও আল-আকসা মসজিদের ছবি সম্বলিত জায়নামাজ বিক্রি, আমদানি ও উৎপাদন বন্ধে ব্যবস্থা নিতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়। ওই আবেদনে সায় না দেয়ায় সংক্ষুদ্ধ হয়ে রিটটি দায়ের আরিফুর রহমান। আবেদনটি নিষ্পত্তি করতে আজ নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Workers police clash in Narayanganj car vandalized 30 injured

নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ গাড়ি ভাংচুর, আহত ৩০

নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ গাড়ি ভাংচুর, আহত ৩০ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভকালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। ছবি: নিউজবাংলা
রোববার ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জ সড়কের শাসনগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষকালে কমপক্ষে দশটি গাড়ি ভাংচুর এবং সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা। এতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা বিসিক শিল্প নগরী এলাকায় বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভকালে তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় গাড়ি ভাংচুর, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে।

রোববার দুপুরে ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জ সড়কের শাসনগাঁও এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষকালে কমপক্ষে দশটি গাড়ি ভাংচুর এবং সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে শ্রমিকরা। এতে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ক্রোনী গ্রুপের রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা অবন্তী কালার টেক্স লিমিটেডের কয়েক শ’ শ্রমিক সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কটি অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে৷ মার্চ মাসের বেতন না দিয়ে কারখানাটি দু’দিনের ছুটি ঘোষণা করে নোটিশ টাঙানোর ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে শ্রমিকরা এই বিক্ষোভ করে।

শ্রমিকরা যানবাহন ভাংচুর এবং সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ জলকামান দিয়ে পানি ছুড়ে ও লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়।

অপরদিকে শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ও শর্টগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (‘ক’ সার্কেল) জহিরুল ইসলাম জানান, জনগণের জানমাল রক্ষায় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মোংলা ইপিজেডে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ, সংঘর্ষে আহত ৩৫
গাজীপুরে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
ফতুল্লায় পোশাক কারখানায় গ্যাস লাইনে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১৪
গাজীপুরে সরকার নির্ধারিত মজুরির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ
ধামরাইয়ে পোশাক শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two sons are absconding accused of hacking their father to death

বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, দুই ছেলে পলাতক

বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, দুই ছেলে পলাতক প্রাণ হারানো মেহাম্মদ আলী খান। ছবি: সংগৃহীত
নিহতের ভাতিজা ইসমাইল হোসেন খান বলেন, ‘প্রথম স্ত্রী অক্ষম বলে প্রায় এক সপ্তাহ আগে মোহম্মদ আলী খান ছেলেদের না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। দ্বিতীয় স্ত্রীকে ১৫ শতক জমি লিখে দেয়া ও বাড়ির গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে তার মেজো ছেলে রফিকুল ইসলাম খানের সঙ্গে তার বাবার সঙ্গে ঝগড়া হয়।’

বাগেরহাটের শরণখোলায় বৃদ্ধ বাবাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে।

উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ভারানিপার গ্রামের নিজ বাড়ির সামনে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রাণ হারানো মেহাম্মদ আলী খান (৭০) চার ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে বড় ছেলে মশিউর রহমান খানের সঙ্গে থাকতেন।

শরণখোলা ও মোরেলগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর থেকে নিহতের দুই ছেলে রফিকুল ও মোস্তাফিজ পলাতক আছেন।

নিহতের ভাতিজা ইসমাইল হোসেন খান বলেন, ‘প্রথম স্ত্রী অক্ষম বলে প্রায় এক সপ্তাহ আগে মোহম্মদ আলী খান ছেলেদের না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। দ্বিতীয় স্ত্রীকে ১৫ শতক জমি লিখে দেয়া ও বাড়ির গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে তার মেজো ছেলে রফিকুল ইসলাম খানের সঙ্গে তার বাবার সঙ্গে ঝগড়া হয়।

‘এ সময় রফিকুল তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। এরপর শুনতে পাই তাকে বাড়ির সামনে শুক্রবার রাতে কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে রেখে গেছে। ঘটনার পর থেকেই মোহাম্মদ খানের দুই ছেলে রফিকুল ও মোস্তাফিজ খান পলাতক।’

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য মহিউদ্দিন জানান, বাবা বিয়ে করে স্ত্রীকে ১৫ শতক জমি লিখে দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এমন হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়েছেন দুই ছেলে রফিকুল ও মোস্তাফিজ।

শরণখোলা থানার ওসি এ এইচ এম কামরুজ্জামান বলেন, ‘দ্বিতীয় বিয়ের কারণে হয়ত দুই ছেলে বাবাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে চার সন্তানের জননীকে কুপিয়ে হত্যা, আটক তিন যুবক
গরু চুরির আসামির বিরুদ্ধে বাদীকে হত্যার অভিযোগ
চকরিয়ায় দুই যুবককে কুপিয়ে হত্যা
১৭০ টাকার জন্য বসতঘরে হামলা, নারীকে পেটানোর অভিযোগ
ফেনীতে মাকে গাছে বেঁধে ছেলেকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A teenager killed his friend due to a dispute over online gambling

অনলাইন জুয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বন্ধুর প্রাণ কাড়ল কিশোর

অনলাইন জুয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বন্ধুর প্রাণ কাড়ল কিশোর ফাইল ছবি
গাইবান্ধার সহকারী পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বন্ধক রাখা ক্যামেরা বিক্রি করা নিয়ে দুই বন্ধুর দ্বন্দ্বের জেরে এক বন্ধু অপরজনকে হত্যা করে। অভিযুক্ত রিফাত পরিকল্পিতভাবে তার বন্ধু সম্রাটকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ৭/৮টি ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে পান করায়, যা খেয়ে খুব দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ে সম্রাট। পরে ঘুমন্ত সম্রাটকে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে হত্যা করা হয়।’

গাইবান্ধার সাঘাটায় ১৭ বছরী বয়সী কিশোর সম্রাট হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। অনলাইন জুয়া খেলতে ক্যামেরা বন্ধক নেয়ার জেরে তাকে খুন করে তারই বন্ধু রিফাত। পরিকল্পিতভাবে ঘুমের ট্যাবলেট মিশ্রিত কোমলপানীয় পান করে অজ্ঞান হয়ে গেলে বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে ফেলে হত্যা করা হয় সম্রাটকে।

শুক্রবার রাত ১টার দিকে উপজেলার পশ্চিতবাড়ি গ্রামের এক পুলিশ সদস্যের বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে সাঘাটা থানা পুলিশ। এর আগে গত ১৭ এপ্রিল ওই বন্ধুর বাড়িতে ক্যামেরা আনতে গিয়ে নিখোঁজ হয় সম্রাট।

সম্রাট উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের আফজাল হোসেনের ছেলে। অন্যদিকে অভিযুক্ত ১৭ বছরের রিফাত সাঘাটা উপজেলার পশ্চিম বাটি গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, সম্রাট ও রিফাত একে অপরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তারা দুজনে একই বিদ্যালয়ের একই ক্লাসের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি অনলাইন জুয়া খেলে টাকা খোয়ায় সম্রাট। জুয়ায় হেরে সে তার ক্যামেরাটি দশ হাজার টাকার বিনিময়ে বন্ধু রিফাতের কাছে বন্ধক রাখে। কয়েকদিন পর রিফাতের কাছে ক্যামেরা ফেরত নিতে যায় সে। সেখানে গিয়ে সম্রাট জানতে পারে, রিফাতও জুয়ায় হেরে বন্ধক নেয়া ক্যামেরা বগুড়ায় কারও কাছে ১৪ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে। পরে এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।

পরবর্তীতে গত ১৭ এপ্রিল পরিকল্পিতভাবে সম্রাটকে ক্যামেরা নিতে নিজ বাড়িতে ডাকেন রিফাত। ওইদিন বিকেলেই সম্রাট বন্ধু রিফাতের বাড়িতে ক্যামেরা নিতে গিয়ে সেদিন থেকেই নিখোঁজ হয়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সন্তানকে না পেয়ে পরের দিন নিখোঁজ সন্তানের সন্ধান চেয়ে সাঘাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে সম্রাটের পরিবার। রিফাতের ডাকে সম্রাট বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়।

জিডির পর শুক্রবার রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সম্রাটকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে সাঘাটা পুলিশ। আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বন্ধু সম্রাটকে খুন করে সেপটিক ট্যাংকে গুম করে রাখার কথা স্বীকার করে সে।

পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১টার দিকে পশ্চিতবাড়ি গ্রামের এক পুলিশ সদস্যের বসতঘরের পেছনের সেপটিক ট্যাংক থেকে সম্রাটের মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাইবান্ধার সহকারী পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বন্ধক রাখা ক্যামেরা বিক্রি করা নিয়ে দুই বন্ধুর দ্বন্দ্বের জেরে এক বন্ধু অপরজনকে হত্যা করে। অভিযুক্ত রিফাত পরিকল্পিতভাবে তার বন্ধু সম্রাটকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ৭/৮টি ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে পান করায়, যা খেয়ে খুব দ্রুত ঘুমিয়ে পড়ে সম্রাট। পরে ঘুমন্ত সম্রাটকে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে হত্যা করা হয়।’

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিফাত পুলিশের কাছে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, ‘অভিযুক্ত রিফাতকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। সম্রাটের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
টাকা চেয়ে না পেয়ে বাবার প্রাণ নিল ছেলে
মেলায় জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগে ইউপি সদস্যের নামে মামলা

মন্তব্য

p
উপরে