× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Punishment for calling a strike in energy telecommunications and ICT
hear-news
player
google_news print-icon

জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটিতে ধর্মঘট ডাকলে সাজা

জ্বালানি-টেলিযোগাযোগ-ও-আইসিটিতে-ধর্মঘট-ডাকলে-সাজা-
অত্যাবশ্যকীয় সেবা খাতে ধর্মঘট ডাকলে সাজার বিধান আসছে। ফাইল ছবি
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘অত্যাবশ্যকীয় সেবা বলতে আইনটিতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, মোবাইল ব্যংকিং, বিদ্যুৎ-গ্যাস-কয়লা উৎপাদন, সঞ্চালন, বিপণন, পরিবহন ইত্যাদিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর বাইরেও সরকার কোনো খাতকে মনে করলে অত্যাবশ্যকীয় সেবা ঘোষণা করতে পারবে।’

বেআইনিভাবে অত্যাবশ্যকীয় সেবা খাতে ধর্মঘট ডাকলে বা সমর্থন দিলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে আনা অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা আইন ২০২২-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে জন-জীবন ব্যাহত হয় এমন কোনো ক্ষেত্রে ইচ্ছা করলেই আর ধর্মঘট বা হরতাল ডাকা যাবে না।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই আইনটির খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

২০২১ সালের ৪ অক্টোবর মন্ত্রিসভা এই আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল। খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদনের পর যাবে সংসদে। এরপর গেজেট আকারে এটি জারি করবে সরকার।

মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ে দুপুরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘আইনটিতে ১৪টি ধারা আছে। ৪ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে সরকার কোন বিষয়গুলোতে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা হিসেবে ঘোষণা করবে। আর ৫ ধারায় বলা হয়েছে ধর্মঘট, লকডাউন বা লে-অফ নিষিদ্ধ করার কথা। অনেক সময় শিল্প প্রতিষ্ঠানে লে-অফ বা নক আউট করা হয়। সরকার যদি মনে করে এগুলো জাস্টিফায়েড না তাহলে এগুলো নিষিদ্ধ করতে পারবে।

‘যে সেবাগুলোকে সরকার মনে করবে অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা সেগুলোর নাম ঘোষণা করা যাবে। কয়েকটি সেবার নাম এখানে উল্লেখ করা আছে। যেমন ডাক ও টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, ই-কমার্স, ইলেক্ট্রনিক ও ডিজিটাল সেবা। সরকার মনে করে এই সেবাগুলো সরকার যখন খুশি তখন বন্ধ করে দিতে পারবে না।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘দ্বিতীয়ত, ডিজিটাল আর্থিক সেবা যেমন মোবাইল আর্থিক সেবা; বিদ্যুৎ উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন এবং এর সঙ্গে যোগ করা হয়েছে গ্যাস ও কয়লা। এগুলো অত্যাবশ্যক সেবা। এগুলোর বিষয়ে যদি কোনো অচলাবস্থা তৈরি হয় সেক্ষেত্রে সরকার ইন্টারফেয়ার করতে পারবে এবং যেখাবে নির্দেশ দেবে রাষ্ট্রীয় কল্যাণে, সেভাবে পরিচালিত হতে হবে।’

‘স্থল, জল, রেল ও আকাশপথের যাত্রী বা পণ্য সেবাও অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা বলে পরিচিত হবে। স্থল, সমুদ্র, নদী বা বিমানবন্দরের পণ্য খালাশ, স্বশস্ত্র বাহিনীর পরিচালনায় কোনো প্রতিষ্ঠান বা এ সংক্রান্ত পরিষেবা। এর বাহিরেও সরকার মনে করলে যে কোনো সেবাকে অত্যবশ্যকীয় সেবা ঘোষণা করতে পারবে। কোনো কারণে বাস বা ট্রাক চলাচলে কেউ হরতাল করলো তখন সরকার এখানে ইয়ে.. করতে পারবে। এটি অমান্য করলে শাস্তির বিধানও রাখা হয়েছে।’

আইনটির খসড়া অনুযায়ী, দেশের প্রতিরক্ষার উদ্দেশে প্রয়োজনীয় পণ্য বা মালামাল উৎপাদনের কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত পরিষেবা; খাদ্যদ্রব্য ক্রয়, বিক্রয়, সংগ্রহ, সংরক্ষণ, মুজত বা বিতরণ কাজে নিযুক্ত সরকারি মালিকানাধীন বা সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত পরিষেবা; হাসপাতাল, ক্লিনিক, স্বাস্থ্যসেবা বা অনুরূপ প্রতিষ্ঠান এবং ডিসপেনসারি সম্পর্কিত কোনো পরিষেবা; ওষুধ উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন, ক্রয় বিক্রয়সহ এসব কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা কারখানার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত পরিষেবা; রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিষেবা; তেলক্ষেত্র, তেল শোধনাগার, তেল সংরক্ষণ এবং পেট্রোলিয়াম বা পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ উৎপাদন, পরিবহন, সরবরাহ ও বিতরণের কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত পরিষেবা এবং টাকশাল ও নিরাপত্তামূলক মুদ্রণ কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিষেবাকে সরকার গেজেট দিয়ে অত্যাবশ্যক পরিষেবা হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে।

এর বাইরেও জনকল্যাণমূলক সেবা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এমন সেবা; জননিরাপত্তা বা জনগণের জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ সেবা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এমন সেবাকেও অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা ঘোষণা করতে পারবে।

জনগণের অসহনীয় কষ্টের কারণ হলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে এবং দেশের প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সারা দেশে বা দেশের কোনো অংশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ছয় মাসের জন্য কোনো চাকরি বা কোনো শ্রেণির চাকরি সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিসাবাকেও সরকার ছয় মাসের জন্য অত্যাবশ্যক পরিষেবা হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। প্রয়োজনে এর মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো যাবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘যদি কেউ এ জাতীয় অপরাধ করে তাহলে সাধারণভাবে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা হবে। আবার বেআইনি ধর্মঘট চলমান রাখার জন্য যদি সমর্থন দেয় তাহলে ১ বছরের কারাদণ্ড ও অনুধ্র্ব ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। অনেকগুলো অপরাধের কথা এখানে বলা হয়েছে।

‘প্রতিষ্ঠানের মালিক যদি বেআইনি লেআউট চালু করে সেক্ষেত্রে অনুর্ধ ৬ মাস জেল ও অনুধ্র্ব ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা দুটোই করা যাবে। কেউ যদি প্ররোচণা দেয় তাহলে মূল অপরাধে যে শাস্তি সেই শাস্তিই পাবে। বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেয়া যাবে যদি সরকারি কোনো অফিস হয়। যেমন কোনো স্বায়ত্বশাষিত প্রতিষ্ঠানের এমডি যদি লেঅফ ঘোষণা করে তাহলে এর বাহিরেও ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিং হবে।’

তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু চাকরিতে কর্মরতদের সরকার নির্দেশ দিতে পারবে যে সরকারের নির্দেশ ছাড়া তারা দেশত্যাগ করতে পারবে না। এগুলো রুলে ডিটেইল বলা হবে।’

আরও পড়ুন:
বাস মালিকরা স্বাধীন, আমাদের কিছু করার নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ধর্মঘটে খাতুনগঞ্জে ব্যবসায়ীদের লোকসান দুই শ কোটি টাকা
মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্বে বাস বন্ধ মেহেরপুর-কুষ্টিয়ায়

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Transport strike call from December 1 in Rajshahi

এবার রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক

এবার রাজশাহীতে পরিবহন ধর্মঘটের ডাক শনিবার সন্ধ্যায় নাটোরে যৌথ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলন করে রাজশাহী বিভাগীয় সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক পরিষদ। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘রাজশাহী বিভাগে বিএনপির সমাবেশে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত করতেই পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। তবে পরিবহন চলাচল বন্ধ করে সমাবেশে জনস্রোত রুখতে পারবে না সরকার।’

রাজশাহী অঞ্চলে ১ ডিসেম্বর থেকে পরিবহন ধর্মঘট ডেকেছে রাজশাহী বিভাগীয় সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক পরিষদ। ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে ১১ দফা দাবি সমাধান না হলে ডিসেম্বরের প্রথম দিন থেকে যাত্রী ও পণ্যবাহী সব ধরনের যান চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় নাটোর শহরে এক কমিউনিটি সেন্টারে রাজশাহী বিভাগীয় সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক পরিষদের যৌথ সভা শেষে সংবাদ সম্মেলন করে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান সংগঠনটির নেতারা। সমিতির সভাপতি সাফকাত মঞ্জুর বিপ্লব লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধন, মহাসড়কে তিন চাকার যান চলাচল বন্ধ ও পুলিশের হয়রানি বন্ধ করাসহ ১১ দফা দাবি তুলে ধরেছে রাজশাহী বিভাগীয় সড়ক পরিবহন মালিক-শ্রমিক পরিষদ।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে শ্রমিক ফেডারেশনের রাজশাহী বিভাগের আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও রাজশাহী বিভাগীয় সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামসহ নাটোর, রাজশাহী, নওগাঁ ও বগুড়া জেলার পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মালিক-শ্রমিকদের এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং নাটোর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রমজান।

এই পরিবহন ধর্মঘট ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘রাজশাহী বিভাগে বিএনপির সমাবেশে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত করতেই পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগের অবৈধ সরকারকে সহযোগিতা করতে এ ধরনের ঘোষণা দিয়েছেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা। তবে রাজশাহী বিভাগে বিএনপির সমাবেশ দেশের সবচেয়ে সফল এবং বৃহত্তর হবে। পরিবহন চলাচল বন্ধ রেখে সমাবেশে জনগণের স্রোত রুখতে পারবে না সরকার।

প্রসঙ্গত, আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fire safety of the building is mandatory

ভবনের ফায়ার সেফটি বাধ্যতামূলক

ভবনের ফায়ার সেফটি বাধ্যতামূলক অষ্টম আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো-২০২২-এর অনুষ্ঠান। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, দেশের কোম্পানিগুলো ফায়ার সেফটি ও কমপ্লায়েন্স মেনে চলায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা এগিয়ে আছি। বিশ্বের ১০টি গ্রিন কারখানার ৮টি এখন বাংলাদেশে। যার ফলে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে, উৎপাদন বেড়েছে এবং আমরা বেশি রপ্তানি করতে পারছি।

দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেছেন, ফায়ার সেফটি ছাড়া কোনো ভবন নির্মাণ করা হলে তা ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হবে না। এখন থেকে যে ভবনগুলো হবে সেগুলোতে ফায়ার সেফটি থাকতেই হবে।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) শুক্রবার রাতে ইলেকট্রনিকস সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইসাব) এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে অষ্টম আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো-২০২২-এর ‘সেফটি এক্সিলেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেন, ‘দেশের কোম্পানিগুলো ফায়ার সেফটি ও কমপ্লায়েন্স মেনে চলায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা এগিয়ে আছি। বিশ্বের ১০টি গ্রিন কারখানার ৮টি এখন বাংলাদেশে। যার ফলে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে, উৎপাদন বেড়েছে এবং আমরা বেশি রপ্তানি করতে পারছি।

‘এখন ফায়ার সেফটি পণ্য বেশির ভাগই আমদানি করা হচ্ছে। দেশে ১০০ ইকোনমিক জোন হচ্ছে, সেখানে ফায়ার সেফটি পণ্য উৎপাদন করা যেতে পারে। এ জন্য আগ্রহীদের ইকোনমিক জোনে প্লট পেতে সহযোগিতা করা হবে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ৩২টি উপজেলায় নতুন করে ফায়ার সার্ভিসের ডিপো স্থাপন করা হয়েছে। এটা দেশের বড় অর্জন। এখন দেশে ফায়ার সেফটি সনদ না থাকলে সেই ভবন ব্যবহারের অনুমতি দেবে না রাজউক বা সিটি করপোরেশন।

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইর সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, ‘ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটির প্রয়োজনীয়তা বুঝে আমরা সেফটি কাউন্সিল গঠন করেছি। ইনডোর-আউটডোর প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।’

ফায়ার সেফটি পণ্যে আমদানি নির্ভরতা কমানোর দাবি জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে ইলেক্ট্রনিকস সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইসাব) অগ্নিনিরাপত্তা সঠিকভাবে বজায় রাখায় ৯টি কোম্পানিকে পুরস্কৃত করে। এ ছাড়া চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডু বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন ও বিস্ফোরণে নিহত ফায়ার ফাইটারদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ১৩টি ক্রেস্ট দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেজাউল করিম, ইএসএসএবি সভাপতি জহির উদ্দিন বাবর, সিনিয়র সহসভাপতি নিয়াজ আলী চিশতি, মহাসচিব মাহমুদুর রশীদ, প্রচার সম্পাদক নজরুল ইসলামসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
গাজীপুরে পোশাক কারখানার গুদামে আগুন
মানববন্ধনে তাজরীন ট্র্যাজেডিসহ শ্রমিক ‘হত্যাকাণ্ডের’ বিচার দাবি
চট্টগ্রামে বাটার শোরুমের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চীনে কারখানায় আগুন, নিহত ৩৬
আগুনে দগ্ধ ছেলের মৃত্যু, বাবার মামলায় মা গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona detected 23

করোনায় শনাক্ত ২৩

করোনায় শনাক্ত ২৩ করোনা শনাক্ত কমেছে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে শনিবার সকাল ৮টার পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ১ দশমিক ০১ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২০ জন ঢাকার বাসিন্দা।

সারাদেশে নতুন করে ২৩ জনের দেহে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এ সময়ে করোনা শনাক্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সারা দেশে শনিবার সকাল ৮টার পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ২৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ১ দশমিক ০১ শতাংশ। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ২০ জন ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৫১১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৩১ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৮২ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮৫ হাজার ৪৯৯ জন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর মোট পাঁচটি ঢেউ মোকাবিলা করতে হয়েছে দেশকে। পঞ্চম ঢেউয়ে শনাক্ত ও মৃত্যু তুলনামূলক কম। বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণের পথে বলে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন:
করোনা: শনাক্ত কমে ২০
করোনা শনাক্ত শূন্যের কোঠায়
করোনা: শনাক্ত কমে ১৮
করোনা শনাক্ত ঘুরছে শূন্যের কোঠায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How about the dialogue with Khaleda Tarek Prime Minister

খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী

খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে, তারা হয়তো করবে, নয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে।’

জাতীয় নির্বাচন নিয়ে উদ্ভূত সংকট নিরসনে অতীতে সংলাপ করলেও এবার তা না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘অনেকেই সংলাপের কথা বলছেন। কার সঙ্গে সংলাপ করতে হবে? ওই বিএনপি-খালেদা জিয়া-তারেক জিয়ার সঙ্গে! যারা আমাকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে হত্যা করতে চেয়েছিল, যারা অর্থ পাচারকারী, খুনি, সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত। যারা এতিমদের অর্থ আত্মসাৎ করে দণ্ডিত আসামি। তাদের সঙ্গে সংলাপ করতে হবে, সেটা আবার কেমন কথা!’

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শনিবার মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে, তারা হয়তো করবে, নয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা এনে দিয়েছে। সব সেক্টরে উন্নয়ন করেছে। কিন্তু বিএনপি কী দিয়েছে? সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, অর্থ পাচার, মানি লন্ডারিং। এই খুনি ও সন্ত্রাসী এবং যুদ্ধাপরাধীরা আবার ক্ষমতায় এসে ত্রাসের রাজত্ব করবে তা আর জনগণ চায় না।’

সরকার বিএনপির কোনো কর্সূচিতে বাধা দিচ্ছে না উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাদের আন্দোলনের নামে যদি একজন মানুষও আঘাতপ্রাপ্ত হয়, কাউকে ছাড়া হবে না।’

মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনস্থলে উপস্থিত হয়ে সংগঠনের সভাপতি সাফিয়া খাতুন ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। তার আগে শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন ওড়ান তিনি।

মঞ্চে আসার পর সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান দলটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। পরে সম্মেলনের সাংস্কৃতিক উপকমিটির আয়োজনে সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। সাফিয়া খাতুনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সম্মেলনে সাংগঠনিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম, শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দপ্তর সম্পাদক রোজিনা নাসরিন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ দেশের সকল অঙ্গনে নারীর অবদান রয়েছে। দেশের অগ্রযাত্রায়ও তাদের ভূমিকা রাখতে হবে। গণতন্ত্র অব্যাহত রাখতে এবং দেশকে উন্নত করে গড়ে তুলতে তাদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক অধিকার প্রয়োগ করতে হবে। আমাদের সরকার নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করে।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে এই দেশ স্বাধীন করেছি। জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। জাতির পিতা চেয়েছিলেন এ দেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ করতে। জাতির পিতাকে হত্যার পর খুনিদের রাজত্ব আর যুদ্ধাপরাধীদের রাজত্ব। আওয়ামী লীগই একমাত্র এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। পরপর আমরা তিনবার ক্ষমতায় এসেছি। আজকে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালেদা জিয়া বলেছিল, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা বিরোধী দলের নেতাও কোনোদিন হবে না। হতে পারবে না। আর আওয়ামী লীগ ১০০ বছরেও ক্ষমতায় যাবে না। আল্লাহতালা এ ধরনের গর্বভরা কথা পছন্দ করেন না। আর বাংলোদেশের মানুষ তো একেবারেই পছন্দ করে না। সেই জন্য খালেদা জিয়ার মুখের কথা তার বেলায় লেগে গেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন ওই দুর্নীতিবাজ সাজাপ্রাপ্ত এতিমের অর্থ আত্মসাৎকারী, অর্থ পাচারকারী, গ্রেনেড হামলাকারী, আইভি রহমানের হত্যাকারী আর জিয়াউর রহমান ছিল আমার বাবার হত্যাকারী, আর এদের সাথে ডায়ালগ করতে হবে, আলোচনা করতে হবে, আবার মানবাধিকারের কথাও বলে– এটা কেমন ধরনের কথা, সেটাই আমি জিজ্ঞেস করি?’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্র আছে, নির্বাচন কমিশন আছে। যাদের ইচ্ছা নির্বাচন করবে। আর নির্বাচন করার মতো শক্তি যদি কারও না থাকে তারা হয়তো করবে না। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন করবে। তারা ভোট দেবে। আর ভোট চুরি করলে তারা মেনে নেয় না। খালেদা জিয়া ভোট চুরি করেছিল ১৫ ফ্রেবুয়ারি ’৯৬ সালে। বাংলাদেশের মানুষ তাকে ক্ষমতা থেকে টেনে নামিয়েছিল। ওই ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করেছে, দেড় মাস থাকতে পারে নাই। ৩০ মার্চ জনগণের আন্দোলনে খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিল ভোট চুরির অপরাধে। ভোট চোররা ভোট চুরি করতেই জানে।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘ভোটের অধিকার সকলের। আমাদের মহিলারা সকলে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিবে। তার গণতান্ত্রিক অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করবে। আর নির্বাচনে স্থানীয় সরকারে ৩০ শতাংশ কোটা আছে, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ সব জায়গায় কোটা রাখা আছে। সেখানে আমাদের মেয়েরা সরাসরি নির্বাচনও করতে পারে, কোটার মাধ্যমে করতে পারে। কাজেই আজকে আমরা সকলে নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর আপাতত স্থগিত
দেশের অর্থনীতি নিরাপদে: প্রধানমন্ত্রী
যশোরে প্রধানমন্ত্রী, বক্তব্য দিচ্ছেন প্যারেড গ্রাউন্ডে
খেলাধুলায় সরকার পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাবে: প্রধানমন্ত্রী
পরিবেশের ক্ষতি করে উন্নয়ন নয়: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A call to stand against the destroyers of communal harmony

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের রুখে দাঁড়ানোর ডাক

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের রুখে দাঁড়ানোর ডাক বাগেরহাট শহরের এসিলাহা মিলনায়তনে শুক্রবার রাতে সম্প্রীতি বাংলাদেশের জেলা কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
সম্প্রীতি বাংলাদেশের সভাপতি নাট্যকার পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘সম্প্রীতি বিনষ্টকারীরা কখনোই মানুষের ভালো চায় না। তারা এখনও আমাদের মাঝে থেকে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। সময় এসেছে, এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ডাক দিয়েছে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামে একটি সংগঠন। বাগেরহাট শহরের এসিলাহা মিলনায়তনে শুক্রবার রাতে সংগঠনটির নবগঠিত জেলা কমিটির পরিচিতি সভায় এই আহ্বান জানান সংগঠনের সভাপতি নাট্যকার পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রীতি বিনষ্টকারীরা কখনোই মানুষের ভালো চায় না। তারা এখনও আমাদের মাঝে থেকে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করছে। সময় এসেছে, এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমরা দেশ ও জাতির সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করছি। ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার থাকতে হবে।’

সভায় সভাপতিত্ব করেন সম্প্রীতি বাংলাদেশ বাগেরহাট জেলা শাখার আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মিলন কুমার ব্যানার্জী। বক্তব্য দেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান, পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক, সাবেক সচিব মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন আহমেদ, সম্প্রীতি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোজাফফর হোসেন, বাগেরহাট জেলা কমিটির সদস্যসচিব শেখ লিয়াকত হোসেন লিটন, ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতাসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ সভায় অংশ নেন।

সমাবেশ শেষে জেলা কমিটির আয়োজনে বাউল সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chumki and Shila led by Mahila Awami League

মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চুমকি ও শিলা

মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চুমকি ও শিলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি (বাঁয়ে) ও সাধারণ সম্পাদক শাবনাজ জাহান শিলা। ছবি: সংগৃহীত
২০১৭ সালের ৪ মার্চ সংগঠনটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় পাঁচ বছর পর ষষ্ঠ সম্মেলন হলো রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।

আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েছেন আওয়ামী লীগের নারীবিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শবনম জাহান শিলা।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংগঠনটির ষষ্ঠ ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাদের নাম ঘোষণা করেন।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বেলা ৩টার দিকে সম্মেলনে পৌঁছান তিনি।

মহিলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন ঘিরে সকাল থেকে সম্মেলনস্থল রঙিন সাজে সাজতে শুরু করে। শাড়িসহ বর্ণিল পোশাক আর নানা সাজে উপস্থিত হতে থাকেন নেতা-কর্মীরা।

একে একে আসেন মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা, কাউন্সিলর এবং ডেলিগেটরা। সঙ্গে আনেন ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন। মুখে ছিল স্লোগান। মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলতে থাকে।

মঞ্চের সামনে অবস্থান নেন আওয়ামী লীগসহ অন্য সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। আর সম্মেলনস্থল ঘিরে ছিলেন মহিলা লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকা ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুনে ছেয়ে যায়। শাহবাগ থেকে মৎস্য ভবন, অন্যদিকে শাহবাগ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে শাপলা চত্বর পর্যন্ত সাজানো হয় নানাভাবে।

এর আগে ২০১৭ সালের ৪ মার্চ সংগঠনটির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে সাফিয়া খাতুনকে সভাপতি ও মাহমুদা বেগমকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পর সম্মেলন হওয়ার কথা থাকলেও প্রায় পাঁচ বছর পর এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। করোনা পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে সম্মেলন হয়নি।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল বহরে ককটেল হামলা
এমপির ছেলের সভায় ককটেল বিস্ফোরণ
সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর আওয়ামী লীগের
‘খুবই বিপদগ্রস্ত’ অর্থনীতিতে উদ্বিগ্ন দুদু
গাজীপুর মহানগর আ.লীগের সম্মেলনে উপচে পড়া ভিড়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
SI and a woman died in separate road accidents

সড়ক দুর্ঘটনায় এসআই ও এক নারীর মৃত্যু

সড়ক দুর্ঘটনায় এসআই ও এক নারীর মৃত্যু
রাজধানীর বংশালে রাস্তা পার হওয়ার সময় লেগুনার থাক্কায় মারা যান সালমা বেগম নামে এক নারী। অপর ঘটনায় নরসিংদীতে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন মোহাম্মদ সবুজ মিয়া নামে পুলিশের একজন উপপরিদর্শক।

রাজধানীর বংশালে রাস্তা পারাপারের সময় লেগুনার ধাক্কায় সালমা বেগম নামে মধ্যবয়সী এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। নরসিংদীতে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছেন মোহাম্মদ সবুজ মিয়া নামে পুলিশের একজন উপপরিদর্শক।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাস্তা পার হওয়ার সময় লেগুনার ধাক্কায় সালমা বেগম গুরুতর আহত হন। এ সময় এক পুলিশ সদস্য সালমার কাছে থাকা মোবাইল ফোন থেকে স্বজনদের ফোন দিলে তারা এসে সালমাকে উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে তিনি মারা যান।

ঢামেক হাসপাতালে মনির হোসেন নামে এক যুবক বলেন, ‘আমার শাশুড়ি সুরিটোলায় বোনের বাসা থেকে মোগলটুলীর বাসায় যাওয়ার পথে রাস্তা পারাপারের সময় বংশাল নর্থ সাউথ রোডে লেগুনার ধাক্কায় আহত হন।’

অপর ঘটনায় শনিবার নরসিংদীর শিবপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে কাভার্ড ভ‍্যানের ধাক্কায় মোহাম্মদ সবুজ মিয়া নামে পুলিশের একজন উপপরিদর্শক (এসআই) নিহত হন।

তাকে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসা ডেমরা থানার এসআই ফারুক মোল্লা বলেন, ‘এসআই সবুজের নাইট ডিউটি ছিল। শনিবার ডেমরা থানা থেকে মোটরসাইকেলে নরসিংদী যাওয়ার পথে আমতলা এলাকায় সকাল ৯টার দিকে কাভার্ড ভ‍্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। সেখানে দুপুর পৌনে ১টার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

তিনি জানান, সবুজ মিয়া তিন মাস আগে এসআই পদে ডেমরা থানায় যোগদান করেন। তার বাবার নাম ফিরোজ মিয়া। এক কন্যা সন্তানের জনক সবুজ ডেমরা পুলিশ ফাঁড়িতে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর বেলাব উপজেলার খামারচরে।

ঢামেক পুলিশ ক‍্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, বংশালে লেগুনার ধাক্কায় মারা যাওয়া নারী ও কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত পুলিশ সদস্যের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ৫ আরোহী নিহত
দুই বাইকের সংঘর্ষে দুই কিশোর নিহত
বাবা-দাদার সঙ্গে বাইকে শিশু, বাসচাপায় তিনজনই নিহত
দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কায় নিহত ৩
জামিনে বের হয়ে বাইক থেকে পড়ে নিহত

মন্তব্য

p
উপরে