× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Rajbari Smritis bail in the case of taunting the Prime Minister
google_news print-icon

প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির মামলায় রাজবাড়ীর স্মৃতির জামিন

প্রধানমন্ত্রীকে-কটূক্তির-মামলায়-রাজবাড়ীর-স্মৃতির-জামিন
প্রধানমন্ত্রীর নামে কটূক্তির অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সোনিয়া আক্তার স্মৃতি। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার অভিযোগে রাজবাড়ীর মিজানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সামসুল আরেফিন চৌধুরী সদর থানায় স্মৃতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৪ অক্টোবর রাতে স্মৃতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ হাইকোর্ট তাকে জামিন দেয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে করা মামলায় রাজবাড়ীর মহিলা দলের কর্মী সোনিয়া আক্তার স্মৃতিকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি সাহেদ নূর উদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার তাকে জামিন দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করা আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। তাকে সহয়তা করেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, আইনজীবী জামিলা আক্তার, রোকনুজ্জামান সুজা, মাকসুদ উল্লাহ, রাসেল আহমেদ, আল ফয়সাল সিদ্দিকী ও নজরুল ইসলাম ছোটন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার অভিযোগে রাজবাড়ীর মিজানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক সামসুল আরেফিন চৌধুরী সদর থানায় স্মৃতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৪ অক্টোবর রাতে সদরের বাসা থেকে স্মৃতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এ মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন স্মৃতি। আদালত সোমবার তাকে জামিন দেয়।

রাজবাড়ী জেলা মহিলা দলের কর্মী স্মৃতি ‘রাজবাড়ী ব্লাড ডোনার্স ক্লাব’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতাও। তার গ্রেপ্তার নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ কেউ চিবিয়ে খায়নি: প্রধানমন্ত্রী
দেশ ও মানুষের কথা ভাবুন: ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী
যে যা পারো খাবার উৎপাদন বাড়াও: প্রধানমন্ত্রী
লোডশেডিংয়ের সময়ে বাংলাদেশের পাশে নেপাল
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের পাশে ইরান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Leaving the office assistant to inspect the room the teachers notebook disappeared during the banquet
এসএসসি পরীক্ষা

অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও

অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও বৃহস্পতিবার শেরপুরের আয়শা আইন উদ্দিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
কেন্দ্রের সহকারী সচিব বানিবাইদ এএএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, ‘যে শিক্ষকের ডিউটি ছিল, তিনি বনভোজনে গিয়েছিলেন। পরে শিক্ষক না থাকায় অফিস সহকারী মাছুদাকে দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করানো হয়েছে।’

শেরপুরের শ্রীবরদীতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে এক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীকে দিয়ে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করানোর পর এক পরীক্ষার্থীর খাতা হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চার কক্ষ পরিদর্শককে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আয়শা আইন উদ্দিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের ১৫ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতেই চারজনের নাম উল্লেখ করে কেন্দ্র সচিব সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

শুক্রবার সন্ধায় বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজিয়া নাজনীন নিউজবাংলাকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালনকারী অফিস সহকারীর নাম মাছুদা আক্তার। তিনি বানিবাইদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত।

পরীক্ষাকেন্দ্র সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার শ্রীবরদীর ওই কেন্দ্রের ১৫ নম্বর কক্ষে ৭৯ জন্য পরীক্ষার্থী ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা শেষে দায়িত্বরত কক্ষ পরিদর্শকরা সহকারী কেন্দ্র সচিবের কাছে ৭৯টি ওএমআর শিট জমা দিলেও খাতা জমা দেন ৭৮টি। তবে কোন পরীক্ষার্থীর খাতা হারিয়েছে, তা জানা যায়নি।

কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন বানিবাইদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোছা. মারুফা আক্তার, সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, অফিস সহকারী মাছুদা আক্তার ও গোপালখিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারিমা খাতুন।

কেন্দ্রের সহকারী সচিব বানিবাইদ এএএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, ‘যে শিক্ষকের ডিউটি ছিল, তিনি বনভোজনে গিয়েছিলেন। পরে শিক্ষক না থাকায় অফিস সহকারী মাছুদাকে দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করানো হয়েছে।’

কেন্দ্র সচিব মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘খাতা হারানোর বিষয়টি জানার পর আমরা কেন্দ্রের দায়িত্বরত চারজনকে অব্যহতি দিয়েছি। তাদের নামে রাতে থানায় জিডিও করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তবে অফিস সহকারী যে ডিউটি করছিলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সহকারী কেন্দ্র সচিব আমাকে লিখিত দিয়েছিলেন, অফিস সহকারী মাছুদা আক্তার একজন সহকারী শিক্ষক।’

শ্রীবরদী ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজিয়া নাজনীন বলেন, ‘দায়িত্বে অবহেলার কারণে ১৫ নম্বর কক্ষে দায়িত্বরত চার শিক্ষককে এসএসসি পরীক্ষার পরবর্তী সকল কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে। তাদের নামে থানায় জিডি করা হয়েছে।’

এছাড়া বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
জাল প্রবেশপত্রে এসএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার
বাবার মরদেহ বাসায় রেখে এসএসসির কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী
ডিসির অনুরোধে পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র পেলেন ১৪ শিক্ষার্থী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Eastern Railways embezzlement of crores of rupees was not completed even in 23 days

পূর্ব রেলওয়ের কোটি টাকা আত্মসাৎ, কিনারা হয়নি ২৩ দিনেও

পূর্ব রেলওয়ের কোটি টাকা আত্মসাৎ, কিনারা হয়নি ২৩ দিনেও চট্টগ্রাম নগরীতে পূবাঞ্চল রেলওয়ের কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক বলছেন, ‘মালামাল সরবরাহ বাবদ প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্য টাকা গত ২৮ ডিসেম্বর চারটি চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তবে ভুয়া বিল-ভাউচারে পাঁচ নম্বর চেকটি আমাদের কেউ গ্রহণ করেননি। ওই চেকের টাকা রেলওেয়ের অর্থ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে আত্মসাৎ করা হয়েছে।’

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ভুয়া বিল-ভাউচারে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনার কোনো কিনারা হয়নি দীর্ঘ ২৩ দিনেও। চিহ্নিত হয়নি টাকা আত্মসাৎকারীরা। এ নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি রিপোর্টও দেয়নি। কোনো মামলাও হয়নি।

তদন্ত কমিটির প্রধান রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা জয়শ্রী মজুমদার রশ্মি বলেন, ‘আমাদের তদন্ত অব্যাহত আছে। এই মুহূর্তে এ বিষয়ে আমি কোনো কিছু বলতে পারব না। তদন্ত শেষ হলে বলা যাবে।’

একই বিষয়ে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের হিসাবরক্ষক ও তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব মো. আব্দুল্লাহ আল আসিফ বলেন, ‘তদন্ত শেষ হয়নি। তদন্ত শেষ করতে আরও সময় লাগবে।’

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের দপ্তর পাহাড়তলী থেকে পণ্য কেনার জন্য কোনো ধরনের টেন্ডার আহ্বান করা হয়নি। কেনা হয়নি কোনো পণ্যও। কিন্তু পণ্য কেনাকাটা হয়েছে বলে ভুয়া বিল-ভাউচার দাখিল করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘দ্য কসমোপলিটন করপোরেশন’-এর নামে ৩১ জানুয়ারি রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল থেকে ৮৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যাংক থেকে তুলে নেয়।

এদিকে টেন্ডার ছাড়া ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে টাকা আত্মসাতের ঘটনাটি জানাজানির পর পূর্বাঞ্চল রেলে তোলপাড় শুরু হয়। এ ঘটনায় ১১ ফেব্রুয়ারি রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের হিসাব ও অডিট শাখার ৭ কর্মকর্তা–কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়।

বরখাস্ত হওয়া সাত কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেন- রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের হিসাবরক্ষক মামুন হোসেন, মো. আবু নাছের, শিমুল বেগম, সৈয়দ সাইফুর রহমান, অডিটর পবন কুমার পালিত, জুনিয়র অডিটর ইকবাল মো. রেজাউল করিম ও অফিস সহায়ক মাকসুদুর রহমান।

পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে ৮ ফেব্রুয়ারি চার সদস্যের কমিটি গঠন করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা জয়শ্রী মজুমদার রশ্মিকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। এছাড়া হিসাবরক্ষক আব্দুল্লাহ আল আসিফকে সদস্যসচিব, সুগ্রীব চাকমা ও মো. জহিরুল ইসলামকে সদস্য করা হয়।

কমিটিকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল। একইসঙ্গে কমিটিকে বলা হয়েছিল, কসমোপলিটন করপোরেশনকে পরিশোধ করা বিলটি জরুরিভিত্তিতে তদন্ত করা প্রয়োজন। কীভাবে বিলটি পাস ও পরিশোধ করা হলো যাচাই-বাছাই করে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে সে বিষয়ে সুপারিশ করতে হবে।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অতিরিক্ত অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান হিসাব অধিকর্তা মো. সাইদুর রহমান সরকার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। রিপোর্ট পেলে সব পরিষ্কার হবে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের দফতর সূত্রে জানা গেছে, গেল অর্থবছরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স দ্য কসমোপলিটন করপোরেশনের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে রেলের বেশকিছু সরঞ্জাম কেনা হয়। এর মধ্যে চারটি কাজের বিল তিন কোটি ৬২ লাখ টাকা কসমোপলিটনকে পরিশোধের জন্য হিসাব বিভাগকে চিঠি দেন প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক ফরিদ উদ্দীন। সে টাকা তুলে নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

তবে সমস্যা সৃষ্টি হয় এই টাকার বাইরে আরও ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নামে তুলে নেয়ায়। রেলওয়েকে কোনো পণ্য না দিয়েই এত টাকা নিয়ে যাওয়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

গত ৩১ জানুয়ারি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা হলেও ৮ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি জানতে পেরেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান হিসাব অধিকর্তার দপ্তর (এফএঅ্যান্ডসিএও)। এ কাজে রেলের হিসাব বিভাগ থেকে শুরু করে ব্যাংকের কর্মীরাও জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

অপরদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কসমোপলিটন করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী নাবিল আহসান টাকা উত্তোলনের বিষয়টি অস্বীকার করে আসছেন।

তিনি বলেন, ‘মালামাল সরবরাহ বাবদ প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্য টাকা গত ২৮ ডিসেম্বর চারটি চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তবে ভুয়া বিল-ভাউচারে পাঁচ নম্বর চেকটি অর্থাৎ ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা তুলে নেয়া হয়। এই চেক কসমোপলিটন করপোরেশনের পক্ষে কেউ গ্রহণ করেননি। ওই চেকের টাকা রেলওেয়ের অর্থ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এখানে আমাদের সংশ্লিষ্টতা নেই।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 hospital workers were arrested by beating mentally unstable people

মানসিক ভারসাম্যহীনকে ‘পিটিয়ে হত্যা’, ২ হাসপাতালকর্মী গ্রেপ্তার

মানসিক ভারসাম্যহীনকে ‘পিটিয়ে হত্যা’, ২ হাসপাতালকর্মী গ্রেপ্তার ২০ ফেব্রুয়ারি ভোরে মাউন্ট ভিউ নার্সিং ইনস্টিটিউট ও হসপিটালে ঢুকে পড়েন ভুক্তভোগী হান্নান শেখ। ছবি: নিউজবাংলা
গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভোরে ভুক্তভোগী যুবক হান্নান শেখ প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় তলায় প্রবেশ করলে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আশুলিয়ার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ঢাকার সাভারে একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের স্টাফদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার দুই দিন পর প্রতিষ্ঠানটির দুই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের দুলাভাই ময়নুল ইসলাম লিয়াকত বাদী হয়ে শুক্রবার আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে আশুলিয়ার কাঁইচাবাড়ি এলাকায় মাউন্ট ভিউ নার্সিং ইনস্টিটিউট ও হসপিটাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির দুই কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভোরে ভুক্তভোগী হান্নান শেখ প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় তলায় প্রবেশ করলে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে আশুলিয়ার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কাঁইচাবাড়ী এলাকার মাউন্ট ভিউ নার্সিং ইনস্টিটিউটের নিরাপত্তাকর্মী ৫৫ বছর বয়সী মো. মুসলিম ও একই এলাকার প্রতিষ্ঠানটির স্টাফ ২৮ বছর বয়সী মো. সাইফুল শেখ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পাবনা সদর থানার ভাড়ারা মধ্যজামুয়া এলাকার মোহাম্মদ আলী শেখের ছেলে ভুক্তভোগী হান্নান শেখ অনেক দিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। গত ৭-৮ মাস আগে পাবনার নিজ বাড়ি থেকে হারিয়ে গেলে অনেক খোঁজ করেও সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনার পর গত ২১ ফেব্রুয়ারি আশুলিয়া থানা পুলিশের মাধ্যমে হান্নান শেখের মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পারেন স্বজনরা। পরে মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন ভুক্তভোগীর স্বজনরা।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভোরে ভুক্তভোগী হান্নান শেখ মাউন্ট ভিউ নার্সিং ইনস্টিটিউট ও হসপিটালের তৃতীয় তলায় প্রবেশ করেন। সে সময় হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ও স্টাফরা তাকে চোর ভেবে ব্যাপক মারধর করে গুরুতর আহত করেন। পরে হান্নান সঙ্গাহীন হয়ে পড়লে তাকে গুরুতর অবস্থায় আশুলিয়ার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে জানতে মাউন্ট ভিউ নার্সিং ইনস্টিটিউট ও হসপিটালে গেলে প্রতিষ্ঠানটির কোনো কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি।

মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আব্দুল মালেক ফায়েক বলেন, ‘আমি তো এখন ওখানে নেই। উকিল সাহেবের কাছে আছি। এখন কথা বলতে পারব না।’

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাসুদুর রহমান বলেন, ‘হান্নান শেখ নামে এক যুবক মাউন্ট নার্সিং ইনস্টিটিউটের ভেতরে প্রবেশ করলে চোর সন্দেহে তাকে মারধর করেন হাসপাতালটির লোকজন। পরে তার মৃত্যু হয়। নিহত যুবক মানসিক ভাবে ভারসাম্যহীন ছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার।’

তিনি বলেন, ‘আজ ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় একটি হত্যা মামলা করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটির এক নিরাপত্তাকর্মী ও স্টাফসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 officials of Transcom Group got bail
প্রয়াত চেয়ারম্যানের মেয়ের ৩ মামলা

জামিন পেলেন ট্রান্সকম গ্রুপের ৫ কর্মকর্তা

জামিন পেলেন ট্রান্সকম গ্রুপের ৫ কর্মকর্তা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, ঢাকা। ফাইল ছবি
ট্রান্সকম গ্রুপের প্রয়াত চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের ছোট মেয়ে শাযরেহ হক অর্থ আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও কোম্পানির শেয়ার অবৈধভাবে হস্তান্তরের অভিযোগে এসব মামলা করেন।

ট্রান্সকম গ্রুপের প্রয়াত চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের ছোট মেয়ে শাযরেহ হকের দায়ের করা পৃথক তিন মামলায় জামিন পেয়েছেন গ্রুপটির ৫ কর্মকর্তা। অর্থ আত্মসাৎ, সম্পত্তি দখল ও কোম্পানির শেয়ার অবৈধভাবে হস্তান্তরের অভিযোগে এসব মামলা করা হয়।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, সিমিন ও তার সহযোগীরা জাল দলিল ব্যবহার করে বাদীর বাবার প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ অবৈধভাবে আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন।

এসব মামলায় বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাসা ও কার্যালয় থেকে ওই কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

শুক্রবার বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শান্তা আক্তারের আদালত তিন হাজার টাকা মুচলেকায় তাদের জামিন দেন।

জামিনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন- ট্রান্সকম গ্রুপের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ল-এর নির্বাহী পরিচালক মো. ফখরুজ্জামান ভূঁইয়া, করপোরেট ফাইন্যান্স-এর পরিচালক কামরুল হাসান ও আবদুল্লাহ আল মামুন, সহকারী কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ মোসাদ্দেক এবং ব্যবস্থাপক (কোম্পানি সচিব) আবু ইউসুফ মো. সিদ্দিক।

মামলার তদন্ত সংস্থা পিবিআই গ্রেপ্তার পাঁচজনকে আদালতে হাজির করে আবদুল্লাহ আল মামুনের পাঁচ দিন এবং বাকি চারজনের প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে।

আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত প্রত্যেককে জামিন দেন।

শাযরেহ হক ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও তার বড় বোন সিমিন রহমান, গ্রুপটির বর্তমান চেয়ারম্যান ও তার মা শাহনাজ রহমান এবং সিমিন রহমানের ছেলে ও ট্রান্সকম-এর ট্রান্সফরমেশন প্রধান জারিফ আয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি মূল্যের সম্পত্তি এবং কোম্পানির শেয়ার নিয়ে বিরোধের জেরে মামলা করেন।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, সিমিন ও তার সহযোগীরা জাল দলিল ব্যবহার করে তার বাবা লতিফুর রহমানের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ অবৈধভাবে আত্মসাতের চেষ্টা করেছেন।

বাদী তার মা ও বোনের বিরুদ্ধে অসমভাবে এফডিআর বণ্টনের অভিযোগ করেছেন। বাকিদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতে সহায়তা করার অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার নথিতে আরও বলা হয়েছে, বাদীকে জানানো হয়েছিল তার বাবা তাকে চার হাজার ২৭০টি শেয়ার, তার ভাই আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে চার হাজার ২৭০টি শেয়ার এবং তার বড় বোন সিমিনককে ১৪ হাজার ১৬০টি শেয়ার হস্তান্তর করেছেন।

কিন্তু বাদী কখনোই হস্তান্তর দলিলে স্বাক্ষর করেননি বলে দাবি করেছেন। তার বাবাও জীবিত অবস্থায় কখনও হস্তান্তর দলিলে স্বাক্ষর করেননি বলে দাবি তার।

বাদী শাযরেহ হক আরও অভিযোগ করেন, আসামিরা এসব নথি জাল করেছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
35 maunds of jatka seized in Munshiganj fish trap operation

মুন্সীগঞ্জে মাছের আড়তে অভিযান, ৩৫ মণ জাটকা জব্দ

মুন্সীগঞ্জে মাছের আড়তে অভিযান, ৩৫ মণ জাটকা জব্দ মুন্সীগঞ্জে মাছের আড়তে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫ মণ জাটকা জব্দ করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শামসুর রহমান অভিযান প্রসঙ্গে জানান, প্রতি বছরের পহেলা নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মোট আট মাস ১০ ইঞ্চির চেয়ে ছোট ইলিশ ক্রয় বিক্রয় মজুত এবং ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মুন্সীগঞ্জ সদরের একটি মাছের আড়ত থেকে ৩৫ মণ জাটকা জব্দ করেছে পুলিশ।

উপজেলার রিকাবীবাজারে শুক্রবার সকাল থেকে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন মাছের দোকানে যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে সদর উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর ও মুক্তারপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি।

মুক্তারপুর নৌফাঁড়ির ইনচার্জ সাজ্জাদ করিম খান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর রাত থেকে আমরা ও মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ অভিযান করি । অভিযানে ৩৫ মণ জাটকা জব্দ করি, পরে সকাল ১০টার দিকে মাছগুলো দুস্থ ও বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।’

তিনি জানান, এ সময় পুলিশের উপস্থিতি দেখে পালিয়ে যায় জাটকা ব্যবসায়ীরা। অভিযানে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শামসুর রহমান অভিযান প্রসঙ্গে জানান, প্রতি বছরের পহেলা নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মোট আট মাস ১০ ইঞ্চির চেয়ে ছোট ইলিশ ক্রয় বিক্রয় মজুত এবং ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই নিষেধাজ্ঞা পালনে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

ইলিশ রক্ষায় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
বিমান যাত্রীর মানিব্যাগে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকার স্বর্ণ
জোনভুক্ত হয়েও সরকারি সুবিধা পান না গাইবান্ধার জেলেরা
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
টেকনাফে এক লাখ ৯০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ
নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ নিধন: বরিশাল বিভাগে ৫৯ জেলের কারাদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
ACC has filed a case against the former assistant managers wife in Khulna for acquiring assets outside of known income

খুলনার খাদ্য গুদামের সাবেক কর্মকর্তা, স্ত্রীর নামে দুদকের মামলা

খুলনার খাদ্য গুদামের সাবেক কর্মকর্তা, স্ত্রীর নামে দুদকের মামলা দুদকের লোগো। ফাইল ছবি
মামলায় খাদ্য গুদামের সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক শেখ মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করেছে দুদক।

খুলনার কেন্দ্রীয় খাদ্য গুদামের সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক ও তার স্ত্রীর নামে দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের খুলনার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান শুভ্র বৃহস্পতিবার এ মামলা করেন।

মামলায় খাদ্য গুদামের সাবেক সহকারী ব্যবস্থাপক শেখ মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তারের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করেছে দুদক।

দুটি মামলার বিষয় নিশ্চিত করেন বাদী দুদক খুলনার সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান শুভ্র।

দুদক সূত্রে জানা যায়, শেখ মনিরুল হাসান বর্তমানে বাগেরহাট সদরের উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসেবে কর্মরত। ২০১৮ সালে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়। স্বামীর অবৈধ আয় থেকে স্ত্রী সম্পদ অর্জন করায় দুইজনের নামে মামলা করা হয়েছে।

খাদ্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল হাসানকে দুটি মামলায় আসামি করা হলেও একটি মামলায় তার স্ত্রী শারমিন আক্তারকেও আসামি করা হয়েছে। মনিরুল খুলনা মহানগরের বেনী বাবু রোড এলাকার বাসিন্দা।

একটি মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, দুদক খাদ্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল হাসানের সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করে ২০১৮ সালে। আর ২০১৯ সালে সম্পদ বিবরণী জারি করে। তার জমা দেয়া সম্পদ বিবরণী অনুসন্ধানকালে শেখ মনিরুল হাসানের ৫০ লাখ ৮৩ হাজার ৭০৯ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময়ে তার পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়ের পরিমাণ ৪৮ লাখ ৬৩ হাজার ৪৩০ টাকা।

শেখ মনিরুল হাসান জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৯ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৭ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জন ও ভোগ দখলে রেখে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা এবং ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এ অপরাধে তার নামে মামলা করা হয়।

অপর মামলাটি করা হয় শেখ মনিরুল হাসান ও তার স্ত্রী শারমিন আক্তারের নামে। এ মামলায় তাদের জমা দেয়া সম্পদ অনুসন্ধানকালে স্ত্রী শারমিন আক্তারের ৮৩ লাখ ৯০ হাজার টাকার স্থাবর ও ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার ১০৭ টাকার অস্থাবরসহ মোট ১ কোটি ১৮ লাখ ৬৮ হাজার ১০৭ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শেখ মনিরুল হাসান দায়িত্বশীল সরকারি পদে কর্মরত থেকে অবৈধ পন্থায় অর্থ উপার্জন করে তার স্ত্রী শারমিন আক্তারের নামে অর্জন দেখিয়ে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছেন। ফলে দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

আরও পড়ুন:
মুন্সীগঞ্জে অটোচালক হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড
পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু: এসআই, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা
মিথ্যা মামলা দিয়ে ড. ইউনূসকে হয়রানি করা হচ্ছে না: আইনমন্ত্রী
ধর্ষণের অভিযোগকারী তরুণী নিরুদ্দেশ, প্রভাবশালীদের চাপ নাকি সাজানো নাটক!
জবি শিক্ষার্থী খাদিজাকে এক মামলায় অব্যাহতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalist Ashfaq and his wife acquitted from domestic worker injury case

গৃহকর্মী আহতের মামলা থেকে সাংবাদিক আশফাক ও তার স্ত্রীকে অব্যাহতি

গৃহকর্মী আহতের মামলা থেকে সাংবাদিক আশফাক ও তার স্ত্রীকে অব্যাহতি পুলিশ হেফাজতে সাংবাদিক আশফাকুল হক। ফাইল ছবি
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকী আল ফারাবীর আদালত এ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। এর মধ্য দিয়ে তারা এ মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পেলেন।

বাসা থেকে পড়ে গৃহকর্মী ফেরদৌসি আহতের ঘটনায় করা মামলায় ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক আশফাকুল হক ও তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকারকে অব্যাহতি দিয়েছে আদালত।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকী আল ফারাবীর আদালত এ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন। এর মধ্য দিয়ে তারা এ মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পেলেন।

বৃহস্পতিবার আদালতের মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। খবর বাসসের

ছয় মাস আগে বাসা থেকে ফেরদৌসি পড়ে আহত হওয়ার ঘটনায় শিশুটির মা জোছনা বেগম মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করেছিলেন। ওই মামলাতেও সৈয়দ আশফাকুল হক, তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকার ও আসমা আক্তার শিল্পী নামে এক নারীকে আসামি করা হয়েছিল। এই মামলায় পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।

এদিকে গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওই একই বাসা থেকে পড়ে যায় এই দম্পতির আরেক গৃহকর্মী। ওই মামলায় আশফাক ও তার স্ত্রী রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে আছেন।

মন্তব্য

p
উপরে