× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Obaidul Quader for lying Vice Principal Rizvi
hear-news
player
google_news print-icon

ওবায়দুল কাদের মিথ্যা বলায় ভাইস প্রিন্সিপাল: রিজভী

ওবায়দুল-কাদের-মিথ্যা-বলায়-ভাইস-প্রিন্সিপাল-রিজভী
নওগাঁর বদলগাছী স্টেডিয়ামে উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন রিজভী। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সরকার নাকি লোডশেডিং জাদুঘরে পাঠিয়েছে। তাহলে এখন শতভাগ বিদ্যুৎ কোথায় গেল? বাড়িতে বাড়িতে বিদ্যুৎ কোথায়? জনগণ এটা জানে যে, আওয়ামী লীগরে উন্নয়নের সামনে রয়েছে পর্দা, যেখানে আছে মানুষের কঙ্কাল।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়লেও তিনি কোনো শিক্ষা নেননি। তিনি এমন প্রতিষ্ঠানে পড়েছেন, যেখানে প্রতিনিয়ত মিথ্যা শিখে ভাইস প্রিন্সিপালের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি মিথ্যা বলাতে ভাইস প্রিন্সিপাল।

রোববার বিকেলে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলা স্টেডিয়ামে উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সরকার নাকি লোডশেডিং জাদুঘরে পাঠিয়েছে। তাহলে এখন শতভাগ বিদ্যুৎ কোথায় গেল? বাড়িতে বাড়িতে বিদ্যুৎ কোথায়? জনগণ এটা জানে যে, আওয়ামী লীগরে উন্নয়নের সামনে রয়েছে পর্দা, যেখানে আছে মানুষের কঙ্কাল।

‘আজকে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (এফএও) বলছে ৬৮ শতাংশ মানুষ খাবার কিনতে পারছে না। আজকে উন্নয়ন কোথায়? দুর্ভিক্ষের হাতছানি কেন দেশে? আসলে প্রধানমন্ত্রী তার নিজের ও দলীয় এবং আত্মীয়-স্বজনের জন্য উন্নয়ন করেছেন।’

রিজভী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সমালোচনা করে বলেন, ‘সরকারের উন্নয়নের সামনে যে পর্দা রয়েছে, সেটা সরালে দেখা যায়, লক্ষ লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতি। এতো উন্নয়ন করলেন, তো মানুষের হাতে টাকা কোথায়? দুর্ভিক্ষ আসবে না; ইতিমধ্যে এসে গেছে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ করে রিজভী বলেন, ‘ভালো মানুষ হতে হলে সত্য কথা বলতে হবে। মানুষের উন্নয়ন করতে হবে। আপনি ভালো মানুষ সাজার চেষ্টা করছেন কিন্তু হতে পারবেন না। আপনি মানুষের কল্যাণ ও শান্তি দিতে জানেন না। আপনি নূরে আলম, আব্দুর রহিম ও শাওনকে গুলি করে হত্যা করতে জানেন।’

তিনি বলেন, ‘আজকে বিদ্যুৎ খাতের লুটপাট আড়াল করার জন্য ইনডেমনিটি আইন করা হয়েছে। আর যে ঘটনার সাথে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কোনো সম্পর্ক নেই, তাকে সেই মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাবন্দি করে রেখেছেন।

‘ডাকাতের মতো সিংহাসন ধরে রেখেছে আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, দিনে বিদ্যুৎ দিতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভেন্নার তেল দিয়ে কুপি বা বাতি জ্বালাতে হবে। তাহলে এই ক’দিনেই বিদ্যুৎ, চাল-ডাল উধাও হয়ে গেছে? কারণ আপনাদের নিষ্ঠুর ভুল নীতি।

‘খালেদা জিয়া দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র রক্ষার কথা বলেন। আর আওয়ামী লীগ সভাপতি রাতের ভোটের নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার কথা বলেন। এখানেই খালেদা জিয়ার সাথে শেখ হাসিনার পার্থক্য।’

রিজভী আরো বলেন, ‘আমরা আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছি। কোনো বুলেট ও টিয়ারশেল আমাদের রুখতে পারবে না। ইতিমধ্যে বিএনপির গণসমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতি সেটাই প্রমাণ করে, এটা হচ্ছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তাদের সম্মান-ভালোবাসা। ইনশাআল্লাহ, দেশ থেকে তৃণমূল নেতাদের আন্দোলনে নমরুদীয় শাসনের অবসান হবে। তারা কোনো ধর্মঘট বা অবরোধ কর্মসূচি দিয়ে আমাদেরকে রুখতে পারবে না। আমাদের নেতা চৌধুরী আলম, ইলিয়াস আলীর গুম-খুনের বিচার একদিন বাংলাদেশের মাটিতে হবে।’

বদলগাছী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলে হুদা বাবুলের পরিচালনায় সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির রাজশাহী বিভাগের সহসাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহিন শওকত, নওগাঁ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসমবায় বিষয়ক সম্পাদক নজমুল হক সনি, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুল মতিন, জাসাসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ইথুন বাবু, জাহিদুল আলম হিটো, নওগাঁ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বায়েজীদ হোসেন পলাশ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু।

এ সময় নওগাঁ জেলার অন্যান্য উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে ৫৪৮ জন কাউন্সিলের ভোটের মাধ্যমে বদলগাছী উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়। দ্বিতীয়বারের মতো বদলগাছী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফজলে হুদা বাবুল ও আবদুল হাদী চৌধুরী টিপু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
ওবায়দুল কাদের মনে হয় বিএনপিতে যোগ দেবেন: রিজভী
চূড়ান্ত আন্দোলনের রূপরেখা শিগগির: রিজভী
আ.লীগ ভাতে মারবে, পানিতে মারবে: রিজভী
নুরেমবার্গ ট্রায়ালের মতোই বিচার হবে কাদের-হাছানদের: রিজভী
‘নিশিরাতের সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে মানুষ’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Left alliance condemns police attack in Nayapaltan

নয়াপল্টনে পুলিশি হামলার নিন্দা বাম জোটের

নয়াপল্টনে পুলিশি হামলার নিন্দা বাম জোটের সিপিবি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বুধবার বিকেলে বাম জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বাম গণতান্ত্রিক জোট বলেছে, ‘সভা-সমাবেশ করা আমাদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার। আওয়ামী লীগ সরকার এই অধিকার হরণ করে স্বৈরাচারী, ফ্যাসিস্ট কায়দায় ক্ষমতায় থাকতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।’

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বুধবার বিকেলে বাম জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই নিন্দা জানানো হয়।

সভার বক্তব্য তুলে ধরে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সভা-সমাবেশ করা আমাদের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকার। আওয়ামী লীগ সরকার এই অধিকার হরণ করে স্বৈরাচারী, ফ্যাসিস্ট কায়দায় ক্ষমতায় থাকতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।’

আগামী ৩০ ডিসেম্বর সভা-সমাবেশ বিক্ষোভের মাধ্যমে দেশব্যাপী কালো দিবস পালন এবং সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ব্যবস্থা বদলের সংগ্রাম অগ্রসর করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয় সভায়।

সভায় বলা হয়, ‘চলমান দুঃশাসনে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি পণ্যের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে পণ্য আমদানি-রপ্তানির নামে অনেকে হুন্ডিসহ নানা মাধ্যমে টাকা পাচার, নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে ব্যাংকের ঋণ অনুমোদন ও খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়া মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।

‘সমাজে বৈষম্য বেড়ে চলেছে। এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ দাবিতে সচেতন ও সংগঠিত হয়ে দুঃশাসনের অবসানে গণআন্দোলন বা সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।’

বাম জোটের সভায় সভা-সমাবেশের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের অপচেষ্টা রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ‘সরকারের ফ্যাসিবাদী, কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলছে। এই সুযোগে নানা অপশক্তি মথাচাড়া দিয়ে উঠছে।’

সভায় গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখতে যার যার অবস্থান থেকে আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়।

বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্সের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সিপিবি সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আব্দুস সাত্তার, বাসদের (মার্কসবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি হামিদুল হক, বিপ্লবী গণতান্ত্রিক পার্টির নেতা শহিদুল ইসলাম সবুজ, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতা আব্দুল আলীসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
নয়াপল্টন নিয়ে বিএনপিকে ডিএমপির হুঁশিয়ারি
দরজা ভেঙে বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ, রিজভী গ্রেপ্তার, আটক বহু
রাজধানীতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মিছিল
বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে কাঁদানে গ্যাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Aman Ani who spread tension on December 10 is in police custody

১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে

১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
আমান বলেছিলেন, ‘এই বাংলাদেশ আগামী ১০ ডিসেম্বরের পরে চলবে বেগম খালেদা জিয়ার কথায় ও দেশনায়ক তারেক রহমানের কথায়।’ এ্যানি বলেন, ‘খুব শিগগির তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে দেশে আসবেন। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে।’

১০ ডিসেম্বর থেকে দেশ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নির্দেশে চলবে, এমন ঘোষণা দিয়ে বিএনপির এই বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে উত্তেজনা ছড়ানো নেতা আমান উল্লাহ আমান ও শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

সমাবেশের তিন দিন আগে বুধবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত নয়াপল্টনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর দলটির দুই নেতাকে নিয়ে যায় পুলিশ।

সংঘর্ষ থামার পর বিকেল সোয়া ৪টা পর দিকে এ্যানি নয়াপল্টন কার্যালয় থেকে বের হয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে যেতে চান। এ সময় সেখানে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে নিজেদেরে হেফাজতে নেন। বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে চলেন।’

তবে তাকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি পুলিশ কর্মকর্তারা।

একই এলাকা থেকে সন্ধ্যা ৬টার পর পুলিশ নিয়ে যায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানকে। কার্যালয়ের সামনে থেকে ধরার পর তাকে প্রিজন ভ্যানে করে নিয়ে যায় বাহিনীটি। আমানের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক কিছু জানানো হয়নি।

পরে সন্ধ্যায় নয়াপল্টনে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বিল্পব কুমার সরকার বলেন, ‘সেইফটি এবং সিকিউরিটিকে যারা নষ্ট করতে চায় তাদের কোনোভাবে ঢাকা মহানগর পুলিশ ছাড় দেবে না। এরই অংশ হিসেবে আমরা যখন দেখলাম জনগণের জানমালের জন্য হুমকিস্বরূপ কার্যক্রম হচ্ছে নয়াপল্টন এলাকায় এবং পুলিশের ওপর হামলা ও বোমা নিক্ষেপ হয়েছে, তখন আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি। পল্টন থেকে অবৈধ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করেছি। অসংখ্য সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার করেছি। এ ছাড়া অসংখ্য বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।’

১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ

কয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে গ্রেপ্তারের সংখ্যা বলা যাবে না। আমরা এখন অ্যাকশনে আছি। তবে গ্রেপ্তারের সংখ্যা অসংখ্য।’

আমান ও এ্যানিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তারা এখন পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে গত ৮ অক্টোবর থেকে বিএনপি ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করে আসার পর ১০ ডিসেম্বর শনিবার রাজধানীতে জমায়েতের ঘোষণা দিয়েছে।

তবে এই সমাবেশের স্থল নিয়ে তৈরি হয়েছে বিরোধ। বিএনপি সমাবেশ করতে চায় নয়াপল্টনে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কিন্তু তারা সেখানে যাবে না।

পুলিশ জানিয়েছে, সড়কে সমাবেশ করা যাবে না। এরপর বিএনপি আরামবাগে সমাবেশ করার কথা জানায় মৌখিকভাবে। তবে সে আবেদন মৌখিকভাবেই নাকচ করা হয়।

সমাবেশস্থলের কথা না জানিয়েই বিএনপি জনসভায় অংশ নেয়ার প্রচার চালাচ্ছিল। এর মধ্যে নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে অবস্থানও নিতে থাকেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দুপুরের আগে বলেন, তারা যেখানে অনুমতি চেয়েছেন, সমাবেশ সেখানেই হবে। কোনো গ্রহণযোগ্য বিকল্প প্রস্তাব থাকলে সেটি দিতে হবে পুলিশ বা সরকারকে।

পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, বিএনপির কাজ বিএনপি করবে- দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদের নেতার পক্ষ থেকে এই বক্তব্য আসার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় সংঘর্ষ। এতে একজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ বিএনপি কার্যালয়ে প্রবেশ করে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করে। আটক করা হয় আরও কয়েকজনকে।

১০ ডিসেম্বর নিয়ে উত্তেজনা ছড়ান আমান-এ্যানি

যে সংবাদ সম্মেলনে আব্বাস নয়াপল্টনে সমাবেশ করার ঘোষণা দেন, সেখানে ছিলেন আমানও, যিনি কোনো বক্তব্য দেননি।

তবে গত ৮ অক্টোবর বিএনপি চট্টগ্রামে তার প্রথম বিভাগীয় সমাবেশের দিন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনা ১০ ডিসেম্বর নিয়ে জ্বালাময়ী বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সেই আলোচনায় তিনি বলেন, ‘এই বাংলাদেশ চলবে না, এই বাংলাদেশ চলবে আগামী ১০ ডিসেম্বরের পরে চলবে বেগম খালেদা জিয়ার কথায় ও দেশনায়ক তারেক রহমানের কথায়। এর বাইরে কোনো দেশ চলবে না কারও কথায়।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি আদায়ে কঠোর কর্মসূচি আসছে জানিয়ে নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বানও জানান আমান। বলেন, ‘আপনারা নির্বিঘ্নে নিশ্চিন্তে আল্লাহর নামে শহীদ হওয়ার প্রস্ততি নিন, প্রয়োজনে শহীদ হব, এই বাংলাদেশে হাসিনার অধীনে কোনো নির্বাচন নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভায়েরা প্রস্তুতি নিন, ওই কাঁচপুর ব্রিজ, ওই টঙ্গী ব্রিজ, এই দিকে মাওয়া রোড, ওই দিকে আরিচা রোড, সারা বাংলাদেশ, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া কর্মসূচি আসছে। সারা বাংলাদেশ বন্ধ করে দেব।’

১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
নয়াপল্টনে বিএনপিকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাঁধে

দুই দিন পর লক্ষ্মীপুরে বিএনপির এক সমাবেশে এ্যানি বলেন, ‘১০ ডিসেম্বরের আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। ১০ তারিখের পর দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশ চলবে। আর কোনোভাবে ছাড় দেয়া হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘খুব শিগগির তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে দেশে আসবেন। খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র চলছে। কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে আসবে না। অনতিবিলম্বে তাদের সব মামলা প্রত্যাহার ও খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে।’

বিএনপির এই দুই নেতা এই বক্তব্য রাখার পর আওয়ামী লীগ নেতারা জবাব দিতে থাকেন। তারা বলতে থাকেন, ১০ ডিসেম্বর কোনো নাশকতা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১০ ডিসেম্বরের উত্তেজনা কমিয়ে গত ১৭ নভেম্বর ঢাকায় এক আলোচনায় তিনি বলেন, ‘এমন কোনো কর্মসূচি আমরা নেব না, যেটা তো জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিপদগ্রস্ত হবে। আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জনগণের দাবিগুলো নিয়ে আন্দোলন করছি শান্তিপূর্ণভাবে। আর শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে যাব।’

তবে এই জনসভাটি কোথায় হবে, এই ইস্যুতে শেষ পর্যন্ত বিরোধটি সংঘাতেই রূপ নিল।

আরও পড়ুন:
বিএনপি কার্যালয় ঘিরে পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট
নয়াপল্টনে সংঘর্ষের সময় গুলিতে নিহত ১, আহত ১৮
সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে আটক ২০
নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি ব্যাপক সংঘর্ষ
রিজভী, ইশরাকের পর এবার সোহেলকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DMP warns BNP about Nayapaltan

নয়াপল্টন নিয়ে বিএনপিকে ডিএমপির হুঁশিয়ারি

নয়াপল্টন নিয়ে বিএনপিকে ডিএমপির হুঁশিয়ারি ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
পল্টনের সামনে ১০ লাখ লোকের জায়গা হবে না। সর্বোচ্চ এক লাখ লোক পল্টনে দাঁড়াতে পারবে। বাকি ৯ লাখ লোক ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ছড়িয়ে পড়বে। যার উপর বিএনপির কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। এতে জনদূর্ভোগ ও জননিরাপত্তা জন্য তাদের পল্টনে সমাবেশ করতে দেয়া হবে না। একই সঙ্গে এই ১০ লাখ লোক ঢাকার সমস্ত রাস্তা দখল করলে ঢাকাবাসীর জন্য একটা চরম দুর্ভোগের বিষয় হবে। ডিএমপি কমিশনার।

অনুমতি ছাড়াই নয়াপল্টনেই সমাবেশ করার বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে ঘোষণা আসার পর পুলিশের সঙ্গে নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ শেষে ঢাকার পুলিশ কমিশনার দলটিকে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আইন অমান্য করার চেষ্টা করা হলে তারা সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেবেন। সেই সঙ্গে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গেলে দলটিকে সব ধরনের নিরাপত্তা দেয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছেন।

তিনি এও বলেছেন, জননিরাপত্তা ও জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপিকে সামাবেশের অনুমতি দেয়া যাবে না।

আগামী ১০ ডিসেম্বর শনিবার বিএনপি ঘোষিত এই সমাবেশের স্থল নিয়ে রাজনীতিতে উত্তাপের মধ্যে বুধবার সন্ধ্যায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে জরুরি সংবাদ সম্মেলন আসেন ঢাকার পুলিশ প্রধান।

তিনি বলেন, ‘পল্টনের সামনে ১০ লাখ লোকের জায়গা হবে না। সর্বোচ্চ এক লাখ লোক পল্টনে দাঁড়াতে পারবে। বাকি ৯ লাখ লোক ঢাকা শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ছড়িয়ে পড়বে। যার উপর বিএনপির কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। এতে জনদূর্ভোগ ও জননিরাপত্তা জন্য তাদের পল্টনে সমাবেশ করতে দেয়া হবে না।’

‘একই সঙ্গে এই ১০ লাখ লোক ঢাকার সমস্ত রাস্তা দখল করলে ঢাকাবাসীর জন্য একটা চরম দুর্ভোগের বিষয় হবে’-বলেন তিনি।

‘আইন অমান্য করলে বিএনপির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে’- দলটির প্রতি সতর্কবার্তাও দিয়ে রাখেন রাজধানীর পুলিশ প্রধান।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমরা গোয়েন্দা সংস্থা এবং মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি বিএনপি ঢাকা শহরে ১০ লাখ লোক জামাতের মাধ্যমে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। কাজেই পার্টি অফিসের সামনে জনদুর্ভোগ করে এবং ঢাকার আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন করে তাদেরকে সেখানে অনুমতি দেয়া যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা যে কোনো খোলা মাঠে যেতে পারেন বা অন্য কোনো প্রস্তাব দিতে পারেন। অন্য প্রস্তাব হিসেবে তাদেরকে বলা হয় ইজতেমা মাঠ আছে, সেখানে আপনারা ১০ লাখ লোক জমায়াত করতে পারবেন। পূর্বাচলে বাণিজ্য মেলার মাঠ আছে, সেখানে যেতে পারেন।’

ঢাকার পুলিশ প্রধান বলেন, ‘সার্বিক দিক বিবেচনা করে তাদেরকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুমতি দেয়া হয়। পরে মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে আগ্রহী না। তারা পল্টন বা তার আশেপাশে কোন রাস্তায় করতে আগ্রহী।

‘এ প্রসঙ্গে আমাদের ডিএমপির সুস্পষ্ট বক্তব্য হচ্ছে, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বা এর মতো কোনো খোলা মাঠে সমাবেশ করতে হবে। আমরা জনদুর্ভোগ এবং জননিরাপত্তা বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

‘সোহরাওয়ার্দী আসুন, নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার

বিএনপি সোহরাওয়ারাদীতে সমাবেশ করলে সার্বিক নিরাপত্তা দেয়ার আশ্বাসও দেন ডিএমপি কমিশনার।

তিনি বলেন, ‘উনারা এর আগেও সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ করেছেন। উনারা সোহরাওয়ার্দীতে মিটিং করলে সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব আমার। আমি নিরাপত্তা দেবো। উনাদের নিরাপত্তার সামান্যতম কোনো ঘাটতি হবে না। কোনো প্রকার বাধা দেয়া হবে না।’

বুধবার সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আজকে অফিশিয়াল ডে, তারা নয়াপল্টনে রাস্তা দখল করে সমাবেশ করছে। গাড়ি চলাচলের বিঘ্ন ঘটিয়ে... কোনো সমাবেশ নাই, এটা তো আইনানুগ কাজ উনারা করেন নাই।’

ঢাকার প্রবেশমুখে চৌকি বসিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে মোবাইল ফোনে বিএনপির কোনো ছবি বা নেতাদের নম্বর পেলে তাকে আটক করার বিষয়ে দলটির পক্ষ থেকে যে অভিযোগ এসেছে, সেটিরও জবাব দেন ডিএমপি প্রধান।

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের কোনো তথ্য নেই। আমাদের নিয়মিত চেকপোস্ট চলছে। কারণ হলো, সামনে ১ থেকে ১৫ তারিখ একটা বিশেষ অভিযান ঘোষণা করেছি। এই মাসে ১৪ ডিসেম্বর, ১৬ ডিসেম্বর, ২৫ ডিসেম্বর আছে, বড় বড় ৫ টা প্রোগ্রাম আছে। কোনো নাশকতা যেন না ঘটে সেজন্য আমরা ঢাকার অভিমুখে চেকপোস্ট বসিয়েছি। কোনো যাত্রীর ঢাকা আসা আমরা বন্ধ করি নাই।’

অনুমতি ছাড়াই সমাবেশের ঘোষণা বিএনপির

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে গত ৮ অক্টোবর থেকে বিএনপি ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করে আসার পর আগামী ১০ ডিসেম্বর শনিবার রাজধানীতে জমায়েতের ঘোষণা দিয়েছে।

তবে এই সমাবেশের স্থল নিয়ে তৈরি হয়েছে বিরোধ। বিএনপি সমাবেশ করতে চায় নয়াপল্টনে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কিন্তু তারা সেখানে যাবে না।

পুলিশ জানিয়েছে, সড়কে সমাবেশ করা যাবে না। এরপর বিএনপি আরামবাগে সমাবেশ করার কথা জানায় মৌখিকভাবে। তবে সে আবেদন মৌখিকভাবেই নাকচ করা হয়।

নয়াপল্টন নিয়ে বিএনপিকে ডিএমপির হুঁশিয়ারি
নয়াপল্টনে বিএনপিকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়

সমাবেশ স্থলের কথা না জানিয়েই বিএনপি জনসভায় অংশ নেয়ার প্রচার চালাচ্ছিল। এর মধ্যে নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে অবস্থানও নিতে থাকে।

বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দুপুরের আগে বলেন, তারা যেখানে অনুমতি চেয়েছেন, সমাবেশ সেখানেই হবে। নয়াপল্টনের বিকল্প কোনো প্রস্তাব থাকলে সেটি দিতে হবে পুলিশ বা সরকারকেই।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যদি গ্রহণযোগ্য পছন্দনীয় জায়গা বের না করে তাহলে পল্টনই আমাদের পছন্দের জায়গা। পল্টনেই হবে সমাবেশ।’

পুলিশ বাধা দিলে কী হবে, জানতে চাইলে জবাব আসে, ‘পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, আমাদের কাজ আমরা করব।

আব্বাসের ঘোষণার পরপরই সংঘর্ষ

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী পর্ষদের নেতার পক্ষ থেকে এই বক্তব্য আসার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় সংঘর্ষ।

নেতা-কর্মীরাও নয়াপল্টন ঘিরে জমায়েত হচ্ছিল আগের রাত থেকেই। সেখানে দুটি ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চ করে সকাল থেকে চলছিল বক্তৃতা। জনসাধারণকে শনিবারের সমাবেশে যোগ দেয়ার আহ্বানের পাশাপাশি বিতরণ করা হচ্ছিল লিফলেট। এক পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের চাপে নয়াপল্টনের সামনের সড়ক লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।

নয়াপল্টন নিয়ে বিএনপিকে ডিএমপির হুঁশিয়ারি
Caption

সকাল থেকে কার্যালয় ঘিরে ছিল শ খানেক‍ ‍পুলিশ। জড়ো হওয়া নেতা-কর্মীদের চাপে সামনের সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলে দুপুরের দিকে তারা এসে হস্তক্ষেপ করে। তখন শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি।

বিএনপির নেতা-কর্মীরা ছুড়তে থাকে ইটপাটকেল। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ছুড়ে দেয় জবাব।

মিনিট দশেক এই সংঘর্ষ চলে। বেলা আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশের শ দুয়ের রিজার্ভ ফোর্স। আসে দুটি সাঁজোয়া গাড়িও। কাঁদানে গ্যাসের কয়েকটি ভ্যানও আসে সেখানে।

বিএনপি নেতা-কর্মীরা সড়কে অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করতে থাকলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। শুরু হয় সংঘর্ষ।

বাড়তি পুলিশ আসার পর বাহিনীটির সদস্যরা ব্যাপক আকারে কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়তে থাকেন। একপর্যায়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। কেউ কেউ দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে পড়েন। সেখানেও কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হয়।

সেখানে আহতদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ার পর বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি কার্যালয় থেকে বের হয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ কার্যালয়ে যেতে চান। পুলিশই তাকে সঙ্গে নিয়ে যায় সেখান থেকে।

নয়াপল্টন নিয়ে বিএনপিকে ডিএমপির হুঁশিয়ারি
বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ

বেলা ৩টার দিকে আসেন সোয়াট সদস্যরা। এরপর শুরু হয় তাদের টহল। ততক্ষণে নেতা-কর্মীরা আর সড়কে ছিলেন না।

বিকেল চারটার দিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যান নয়াপল্টনে। তিনি পুলিশের আচরণের প্রতিবাদে কার্যালয়ের সামনের ফুটপাতে বসে যান। সঙ্গে ছিলেন ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ ইউনুস।

বেলা পাঁচটার দিকে পুলিশ সদস্যরা বিএনপি কার্যালয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। সেখানে অবস্থানকারী দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে জারি হয়েছিল গ্রেপ্তার পরোয়ানা।

রিজভী ছাড়াও আরও কয়েকজন নেতাকে আটকের কথা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান।

আরও পড়ুন:
নয়াপল্টনে সংঘর্ষের সময় গুলিতে নিহত ১, আহত ১৮
সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে আটক ২০
নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি ব্যাপক সংঘর্ষ
রিজভী, ইশরাকের পর এবার সোহেলকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, সমাবেশ নয়াপল্টনেই: বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Country is moving forward because people have voted for A League Prime Minister

আ.লীগকে দেয়া জনগণের ভোট বৃথা যায়নি: প্রধানমন্ত্রী

আ.লীগকে দেয়া জনগণের ভোট বৃথা যায়নি: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে শেখ কামাল স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের জনসভায় কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী বলেন- বিএনপি এ দেশকে মানি লন্ডারিং, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস এবং লুটপাট ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি। তারা তিন হাজার মানুষ আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। ৫০০ মানুষকে হত্যা করেছে।

আওয়ামী লীগ সরকার দেশ ও মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার কক্সবাজারে শেখ কামাল স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এ দেশের মানুষ বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে বলেই দেশের জন্য কাজ করতে পারছি। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভোট বৃথা যায়নি।’

কক্সবাজারে শেখ কামাল স্টেডিয়ামে বুধবার বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি এ দেশকে মানি লন্ডারিং, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস এবং লুটপাট ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি। তারা ৩ হাজার মানুষ আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। ৫০০ মানুষকে হত্যা করেছে।’

বিএনপির খালেদা জিয়া এবং জাতীয় পার্টির হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকার দেশকে কিছুই দেয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘২০২৪ এর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন।’

জনসভায় যোগ দেয়ার আগে কক্সবাজারে ২৯টি প্রকল্প উদ্বোধন এবং চারটির ভিত্তিপ্রস্তর করেন সরকার প্রধান।

বঙ্গবন্ধুকন্যা কক্সবাজার ও মহেশখালীতে আরও দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠারও প্রতিশ্রুতি দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। বাবা-মা-ভাই-আত্মীয়-স্বজন হারিয়ে আমি রিক্ত, নিঃস্ব। কিন্তু যে বাংলাদেশের মানুষের জন্য তারা প্রাণ দিয়ে গেছেন, তাদের জন্য কাজ করব। এদেশের মানুষের মাঝেই খুঁজে নেব প্রয়াত আত্মীয়-স্বজনকে।

‘বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। এ দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধশীল দেশে নিয়ে যেতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৪ সালের ২৪ আগস্ট আমাদের শান্তি র‌্যালিতে দিনেদুপুরে গ্রেনেড হামলা করে তারেক-খালেদা জিয়া গং। যুদ্ধের ময়দানের গ্রেনেড আমাদের ওপর ছোড়া হয়েছিল। আইভী রহমানসহ ২২ জন নেতা-কর্মী মারা যান। আল্লাহর রহমতে আমি বেঁচে গিয়েছিলাম।

‘জামায়াত-বিএনপি এদেশের মানুষকে কী দিয়েছে? অগ্নিসন্ত্রাস, খুন, মানি লন্ডারিং এগুলো দিয়েছে। আর তাদের আন্দোলন মানেই মানুষকে পুরিয়ে মারা।’

জনসভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ‌এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও বক্তব্য দেন। প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়াসহ কেন্দ্রীয় এবং জেলা পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে ছিলেন।

পাঁচ বছর পর কক্সবাজার সফরে এক হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে উদ্বোধন করা ২৯ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে- কক্সবাজার গণপূর্ত উদ্যান, বাহারছড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঠ, কুতুবদিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ভবন, উপজেলা ভূমি অফিস ভবন, পেকুয়া; কক্সবাজার জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় ভবন, শেখ হাসিনা জোয়ারিয়ানালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা অ্যাকাডেমিক ভবন, আবদুল মাবুদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা অ্যাকাডেমিক ভবন, মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা অ্যাকাডেমিক ভবন।

কক্সবাজার জেলার লিঙ্ক রোড-লাবণী মোড় সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ; রামু-ফতেখাঁরকুল-মরিচ্যা জাতীয় মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ; টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ জেলা মহাসড়কের হাড়িয়াখালী থেকে শাহপরীর দ্বীপ অংশ পুনর্নির্মাণ, প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ; বাঁকখালী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, সেচ ও ড্রেজিং প্রকল্প (প্রথম পর্যায়), শাহপরীর দ্বীপে সি ডাইক অংশে বাঁধ পুনর্নির্মাণ ও প্রতিরক্ষা কাজও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ডারের পুনর্বাসন প্রকল্প, রামু কলঘর বাজার-রাজারকুল ইউনিয়ন সড়কে বাঁকখালী নদীর ওপর ৩৯৯ মিটার দীর্ঘ সাংসদ ও রাষ্ট্রদূত ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী সেতু, কক্সবাজার জেলায় নবনির্মিত ছয়টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস ভবন, চারটি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন (রামু, টেকনাফ, মহেশখালী ও উখিয়া), কক্সবাজার পৌরসভার এয়ারপোর্ট রোড আরসিসিকরণ ও অন্যান্য; শহীদ সরণি আরসিসিকরণ ও অন্যান্য; বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম সড়ক আরসিসিকরণ; নাজিরারটেক শুঁটকিমহাল সড়ক আরসিসিকরণ; টেকপাড়া সড়ক আরসিসিকরণ ; সি বিচ রোড আরসিসিকরণ; মুক্তিযোদ্ধা সরণি আরসিসিকরণ; সৈকত-স্মরণ আবাসিক এলাকা সড়ক আরসিসিকরণ ও অন্যান্য এবং আইনজীবী সমিতির নতুন ভবনও প্রকল্পও রয়েছে।

এ সময় চারটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (দ্বিতীয় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প; কুতুবদিয়া উপজেলার ধুরুং জিসি মিরাখালী সড়কে ধুরুংঘাটে ১৫৩ দশমিক ২৫ মিটার জেটি এবং আকবর বলী ঘাটে ১৫৩ দশমিক ২৫ মিটার জেটি নির্মাণ; মহেশখালী উপজেলার গোরকঘাটা ঘাটে জেটি নির্মাণ; বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদ বরাবর পোল্ডারসমূহের (৬৭/এ, ৬৭, ৬৭/বি এবং ৬৮) পুনর্বাসন প্রকল্প।

আরও পড়ুন:
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি যেন কখনও ক্ষমতায় আসতে না পারে: শেখ হাসিনা
অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে স্বাস্থ্য-শিক্ষায় গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী
ছাত্রদের হাতে খালেদা দেন অস্ত্র, আমি দিয়েছি বই খাতা: প্রধানমন্ত্রী
কারও কথায় বিভ্রান্ত হবেন না, অর্থনীতি স্থিতিশীল: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police arrested Rizvi in ​​BNP office by breaking the door and detained many

দরজা ভেঙে বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ, রিজভী গ্রেপ্তার, আটক বহু

দরজা ভেঙে বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ, রিজভী গ্রেপ্তার, আটক বহু বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
দুপুরে ঘণ্টা দেড়েকের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। বিকেলে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সোয়াটও। বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মী একপর্যায়ে অবস্থান নেন দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে। বিকেলে দরজা ভেঙে কার্যালয়ে ঢোকে পুলিশ।

সংঘর্ষের পর এবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। নেতা-কর্মীরা ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে রাখলেও পুলিশ সেটি ভেঙে ভেতরে ঢোকে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীসহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়।

কার্যালয়ের সামনে দুটি ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চ বানিয়ে সকাল থেকে যে বক্তব্য চলছিল, সেগুলোও সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

আগামী শনিবার অনুমতি না থাকলেও নয়াপল্টনে সমাবেশ করার ঘোষণায় অটল বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ‍পুলিশের এই সংঘর্ষ শুরু হয় দুপুরের পরপর।

ঘণ্টা দেড়েকের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। বিকেলে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সোয়াটও।

বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মী একপর্যায়ে অবস্থান নেন দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে। তাদের উদ্দেশ করে দুই দফা কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। আহতদের নিয়ে আসতে অ্যাম্বুলেন্সকেও বাধা দেয়ার অভিযোগ করছে ‍বিএনপি।

বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ সদস্যরা কার্যালয়ে ঢুকতে গিয়ে বাধা পান। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ ছিল। একপর্যায়ে পুলিশ সে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে।

ভেতরে অবস্থান করছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যার বিরুদ্ধে ১ ডিসেম্বর নাশকতার এক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। ২০১২ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশনের একটি গাড়িতে আগুন দেয়ার মামলায় সেদিন আদালতে হাজিরা ছিল তার। কিন্তু বিএনপি নেতা হাজিরা না দেয়ার পর তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ আসে।

রিজভী ছাড়াও বিএনপি চেয়াপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকেও আটক করা হয়।

দরজা ভেঙে বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ, রিজভী গ্রেপ্তার, আটক বহু
কার্যালয়ের ভেতর থেকে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রিজভীসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকে পুলিশ প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে গেছে।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে গত ৮ অক্টোবর থেকে বিএনপি ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করে আসার পর আগামী ১০ ডিসেম্বর শনিবার রাজধানীতে জমায়েতের ঘোষণা দিয়েছে।

তবে এই সমাবেশের স্থল নিয়ে তৈরি হয়েছে বিরোধ। বিএনপি সমাবেশ করতে চায় নয়াপল্টনে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কিন্তু তারা সেখানে যাবে না।

পুলিশ জানিয়েছে, সড়কে সমাবেশ করা যাবে না। এরপর বিএনপি আরামবাগে সমাবেশ করার কথা জানায় মৌখিকভাবে। তবে সে আবেদন মৌখিকভাবেই নাকচ করা হয়।

সমাবেশস্থলের কথা না জানিয়েই বিএনপি জনসভায় অংশ নেয়ার প্রচার চালাচ্ছিল। এর মধ্যে নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে অবস্থানও নিতে থাকেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দুপুরের আগে বলেন, তারা যেখানে অনুমতি চেয়েছেন, সমাবেশ সেখানেই হবে। কোনো গ্রহণযোগ্য বিকল্প প্রস্তাব থাকলে সেটি দিতে হবে পুলিশ বা সরকারকে।

পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, বিএনপির কাজ বিএনপি করবে- দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদের নেতার পক্ষ থেকে এই বক্তব্য আসার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় সংঘর্ষ।

আরও পড়ুন:
সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে আটক ২০
নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি ব্যাপক সংঘর্ষ
রিজভী, ইশরাকের পর এবার সোহেলকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, সমাবেশ নয়াপল্টনেই: বিএনপি
খুলনায় বিএনপির গ্রেপ্তার নেতা-কর্মী বেড়ে ৫৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police prevented the ambulance from taking the injured

বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে কাঁদানে গ্যাস

বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে কাঁদানে গ্যাস বিএনপি কার্যালয়ের ভেতর অভিযান চালায় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
সংঘর্ষ শুরুর পর অসংখ্য নেতা-কর্মীর সঙ্গে আহত ব্যক্তিরাও বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নেন। সে সময় পুলিশ কার্যালয়ের ভেতর কাঁদানে গ্যাসের কয়েকটি শেল ছোড়ে। তখন বিএনপির পক্ষ থেকে চারটি অ্যাম্বুলেন্স আনা হয় আহতদের সরিয়ে নিতে। কিন্তু গাড়িগুলো নয়াপল্টন কার্যালয়ের সমানে এলে সেগুলোকে দাঁড়াতে দেয়নি পুলিশ। তখন আরও গ্যাস ছোড়া হয়।

নয়াপল্টনে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে আসা অ্যাম্বুলেন্সকে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।

বিএনপির নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, সংঘর্ষের একপর্যায়ে তাদের দলের বেশ কিছু কর্মী দলীয় কার্যালয়ে আটকা পড়লে তাদের উদ্দেশ করে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। এতে তারা আহত হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে যেতে আনা হয় অ্যাম্বুলেন্স। কিন্তু পুলিশ গাড়িগুলোকে আসতে দেয়নি।

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে গত ৮ অক্টোবর থেকে ধারাবাহিকভাবে বিভাগীয় সব শহরে সমাবেশ থেকে ১০ ডিসেম্বর শনিবার রাজধানীতে সমাবেশ ঘিরে রাজনীতিতে উত্তাপের মধ্যে বুধবার নয়াপল্টন ঘিরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল।

বিএনপি এই সমাবেশটি করতে চায় নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে। তবে পুলিশ অনুমতি দিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কিন্তু সেখানে যেতে চায় না তারা। বিকল্প হিসেবে মৌখিকভাবে আরামবাগে জমায়েতের প্রস্তাব দিলেও তা মৌখিকভাবেই নাচক করে পুলিশ।

দুপুরের আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, তাদের সমাবেশ নয়াপল্টনেই হবে। পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, তাদের কাজ তারা করবেন।

আগের রাত থেকেই নয়াপল্টনে অবস্থান নিতে থাকেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সকাল থেকে ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চ বানিয়ে চলতে থাকে বক্তব্য। দুপুরের দিকে সামনের সড়কে নেতা-কর্মীরা ‍পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর পুলিশ দেয় বাধা। শুরু হয় সংঘর্ষ পাল্টাপাল্টি ধাওয়া।

সকাল থেকে সেখানে উপস্থিত শখানেক পুলিশ সদস্য যখন পেরে উঠছিলেন না, তখন বেলা আড়াইটার দিকে ডাকা হয় অতিরিক্ত পুলিশকে। সাঁজোয়া গাড়িসহ আরও শ দুয়েক পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার পর কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ছুড়তে থাকে তারা।

বেলা পৌনে তিনটার দিকে আসে পুলিশের বিশেষায়িত বাহিনী সোয়াট। তবে তারা এসে অ্যাকশনে না গিয়ে টহল দিতে থাকে। অবশ্য তারা আসার আগেই পরিস্থিতি অনেকটা পুলিশের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

তবে পুলিশ যখন অ্যাকশনে ছিল তখন আহত অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে যেতে দেখা যায়। পরে এদের একজনের মৃত্যুও হয় হাসপাতালে।

সংঘর্ষ শুরুর পর অসংখ্য নেতা-কর্মীর সঙ্গে আহতরাও বিএনপি পার্টি অফিসের ভেতরে অবস্থান নেন। সে সময় পুলিশের সদস্যরা কার্যালয়ের ভেতর কাঁদানে গ্যাসের কয়েকটি শেল ছোড়ে।

বিএনপি কর্মীরা দাবি করেন, ভেতরে অবস্থান নেয়া অন্তত ১৫ থেকে ২০ জন আহত ছিলেন। কাঁদানে গ্যাসের কারণে তাদের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।

তখন বিএনপির পক্ষ থেকে চারটি অ্যাম্বুলেন্স আনা হয় আহতদের সরিয়ে নিতে। কিন্তু গাড়িগুলো নয়াপল্টন কার্যালয়ের সমানে এলে সেগুলোকে দাঁড়াতে দেয়নি পুলিশ। তাদের বাধায় দুটি অ্যাম্বুলেন্স ফিরে যায়। এরপর পুলিশ সদস্যদের আবার দলীয় কার্যালয়ের ভেতর কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে দেখা যায়।

আহতদের নিয়ে যেতে অ্যাম্বুলেন্সকে বাধা দেয়া এবং দলীয় কার্যালয়ে আবদ্ধ পরিবেশে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার বিষয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
রিজভী, ইশরাকের পর এবার সোহেলকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, সমাবেশ নয়াপল্টনেই: বিএনপি
খুলনায় বিএনপির গ্রেপ্তার নেতা-কর্মী বেড়ে ৫৫
১৫০০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ বিএনপির
দ্বিধা নয়, ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ হবেই: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
EC shows cause to 14 registered parties for not providing information

তথ্য না দেয়ায় নিবন্ধিত ১৪টি দলকে ইসির শো-কজ

তথ্য না দেয়ায় নিবন্ধিত ১৪টি দলকে ইসির শো-কজ নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। ফাইল ছবি
নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, ‘ইসির চাহিদা অনুযায়ী ২১টি রাজনৈতিক দল তথ্য দিয়েছে। সময় চেয়েছে চারটি দল। ১৪টি দল সময়মতো তথ্য দেয়নি। যেসব দল সময় চেয়েছে তাদেরকে আমরা সময় দিয়েছি এক মাস। আর যারা দেয়নি তারা কেন দেয়নি তার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে ১৫ দিনের মধ্যে।’

নিবন্ধনের শর্তগুলো মেনে চলছে কি না তা যাচাইয়ে নির্বাচন কমিশনের চিঠির জবাব না দেয়ায় ১৪টি রাজনৈতিক দলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দলগুলোকে কারণ দর্শানোর জন্য ১৫ দিন সময় দেয়া হয়েছে।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে বুধবার নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘এ সংক্রান্ত একটি চিঠি আজই (বুধবার) সংশ্লিষ্ট দলগুলোর কাছে পাঠানো হবে।

মো. আলমগীর বলেন, ‘ইসির চাহিদা অনুযায়ী ২১টি রাজনৈতিক দল তথ্য দিয়েছে। সময় চেয়েছে চারটি দল। আর ১৪টি দল সময়মতো তথ্য দেয়নি।

‘যেসব দল সময় চেয়েছে তাদেরকে আমরা সময় দিয়েছি এক মাস। আর যারা দেয়নি তারা কেন দেয়নি তার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে ১৫ দিনের মধ্যে।’

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে ইসি সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে যে দুটি রাজনৈতিক দল সময় শেষ হওয়ার পর তথ্য জমা দিয়েছে। তবে চিঠি ১৪টি দলের কাছেই যাচ্ছে।’

রাজনৈতিক দলগুলো নিবন্ধনের শর্ত মেনে চলছে কি না, সে বিষয়ে তাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন চাওয়া হয়। ১৩ অক্টোবর পাঠানো চিঠিতে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব চাওয়া হয়।

আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নতুন দলের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। এর আগে সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুরনো দলগুলোর যাচাই-বাছাই শেষ করতে চেয়েছিল। সে হিসেবে এমনিতেই দুই মাস পিছিয়ে তারা। দলগুলোর কাছ থেকে সাড়া না পাওয়ায় আরও পিছিয়ে পড়বে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

শর্ত পূরণ করতে না পারা দলগুলোকে ইসি টিকিয়ে রাখতে চায় কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে কমিশনার আলমগীর বলেন, ‘বিষয়টি এরকম না। আমরা প্রতিবছর যে তথ্যগুলো চাইব তারা তা দেবে। পরপর তিন বছর তথ্য না দিলে তাদের নিবন্ধন বাতিল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

‘৩৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২১টি দল ইসিতে তথ্য জমা দিয়েছে। অন্য দলগুলোর তথ্য জমা না দেয়ার পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তি বিদেশে থাকতে পারেন। স্বাক্ষর করতে পারেননি এমনও হতে পারে।’

তথ্য না দেয়া এসব দলের নিবন্ধন হুমকির মুখে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিবন্ধন বাতিল করার জন্য তো এগুলো করা হয় না। তবে আইন অনুযায়ী শর্ত পালনে যদি কোনো দল অবহেলা দেখায় তাহলে তো হবেই। নির্বাচন কমিশনকে তো তখন একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয়।’

নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসি আলমগীর বলেন, ‘ডকুমেন্টসগুলো যাচাই-বাছাই হচ্ছে। কাজটা সম্ভবত শেষের দিকে। আইনগত দিকগুলো পরীক্ষা করা হচ্ছে৷ সচিবালয় আমাদের কাছে এগুলো উপস্থাপন করবে। ডকুমেন্টস ঠিক থাকলে সেগুলো মাঠ পর্যায়ে ঠিক আছে কি না তা যাচাই-বাছাই করা হবে। যেগুলোর কাগজপত্র ঠিক থাকবে না তাদের নিবন্ধন দেয়ার সুযোগ নেই।’

যে ১৪ দলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে সেগুলো হলো- কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম.এল), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ও গণতন্ত্রী পার্টি। এগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ও গণতন্ত্রী পার্টি ইসির বেঁধে সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর তথ্য জমা দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
আরপিও সংশোধন: মন্ত্রণালয়ের জবাব পেল ইসি
এনআইডিসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা ইসি কর্মকর্তাদের
ইসির প্রস্তাব উপেক্ষা: সরকারের একটি বক্তব্য চান সিইসি
আরপিওর সংশোধন: ইসিকে পাত্তা দিচ্ছে না সরকার
নিবন্ধনের শর্ত যাচাইয়ে নির্বাচন কমিশনের হোঁচট

মন্তব্য

p
উপরে