× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Mother daughter suicide attempt Accused A League leader in jail
hear-news
player
google_news print-icon

মা-মেয়ের আত্মহত্যাচেষ্টা: অভিযুক্ত আ.লীগ নেতা কারাগারে

মা-মেয়ের-আত্মহত্যাচেষ্টা-অভিযুক্ত-আলীগ-নেতা-কারাগারে
সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহাবু্ব আলম জানান, আত্মহত্যার চেষ্টা করা নারীর দেয়া প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারাব পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবদুল হান্নানকে।

ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মা-মেয়ের আত্মহত্যা চেষ্টার ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল হান্নানসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রূপগঞ্জের বরপা এলাকা থেকে রোববার সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে বিচারক কাজী মোহাম্মদ মহসীন তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহাবু্ব আলম জানান, আত্মহত্যার চেষ্টা করা নারীর দেয়া প্রতারণার মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

গ্রেপ্তার হান্নান তারাব পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। আত্মহত্যার চেষ্টা করা নারী ও তার মেয়ের বাড়ি সোনারগাঁয়ের বরপা এলাকায়।

যা ঘটেছিল

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শনিবার বেলা ১১টার দিকে মেয়েকে নিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন শিরিন আক্তার নামে ওই নারী।

প্রেস ক্লাবের সামনে দায়িত্বরত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোমেন জানান, কেরোসিন ঢালার পরপরই উপস্থিত লোকজন গায়ে আগুন ধরাতে বাধা দেন শিরিন ও তার মেয়েকে। পরে দুজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান প্রেস ক্লাবে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য।

প্রেস ক্লাবে উপস্থিত লোকজন ও সাংবাদিকদের সামনে শিরিন আক্তার জানান, নারায়ণগঞ্জের বরপা এলাকায় তিনি ৮ বছর আগে জমি কিনে বাড়ি করে বসবাস করে আসছেন। কিন্তু স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা আবদুল হান্নান দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি ছাড়তে চাপ দিচ্ছেন। হান্নানই উল্টো তার নামে মামলা করে হুমকিধমকি দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘গত দুই মাস ধরে আমাকে বাড়ি যেতে দিচ্ছে না (হান্নান)। আমার স্বামী অসুস্থ। তিনি এসব যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। কোথায় আছেন, তা আমি জানি না।’

মা-মেয়ের আত্মহত্যাচেষ্টা: অভিযুক্ত আ.লীগ নেতা কারাগারে

ওই নারী আরও বলেন, ‘আমি স্থানীয় মানুষ ও প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে ব্যর্থ হয়েছি। পুলিশকে জানালে পুলিশ সহযোগিতা করছে, কিন্তু তাদের সঙ্গে পেরে উঠছে না। হান্নান বলতেছে আমাদেরকে আর বাড়ি না যেতে; জমির দলিলপত্র সব দিয়ে দিতে।

‘বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে কোনো উপায় না পেয়ে এই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছি। আমার আর কোনো উপায় নাই। আমার মেয়েটার ব্রেনে সমস্যা।’

শিরিন আরও জানান, প্রেস ক্লাবে আসার আগে নিজে কীটনাশক পান করেছেন; মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়েছেন। এর আগেও কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। দুই দিন আগেও তিনি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে ছিলেন।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওই নারী একটা অভিযোগ দিয়েছিলেন থানায়। জমি কেনার আগেই ওই জমিতে মর্টগেজ দেয়া আছে। উনি সেটা বুঝতে পারেন নাই। এটাই শুনলাম।

‘এএসআই ইলিয়াস হোসেন এটা তদন্ত করেছেন। পুলিশের ওই কর্মকর্তা যখন দেখেছে এটা দেওয়ানি বিষয়, তখন তাকে (নারী) বলেছেন আদালতে মামলা দিতে। আর দেওয়ানি বিষয়ে আমাদের খুব একটা কিছু করারও থাকে না। কোর্টের অনুমতি ছাড়া তো সেখানে যাওয়াই নিষেধ।’

শিরিন আক্তারের অভিযোগের বিষয়ে সোনারগাঁর তালতলা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জাকির রাব্বানী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিরিন খান থানায় অভিযোগ দেয়ার পর তদন্তে যান উপপরিদর্শক ইলিয়াস। তদন্তে যা পাওয়া গেছে, তা হলো শিরিন খান জমিটি কিনেছে ওই এলাকার আওয়ামী লীগের নেতা হান্নানের কাছ থেকে, কিন্তু জমিটি একটি ব্যাংকের কাছে ঋণ ছিল।

‘ব্যাংক থেকে নোটিশ পাঠানোর পর শিরিন খান তা জানতে পেরে হান্নানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ নিয়ে শালিস হয়েছে একাধিকবার, তবে মীমাংসা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘হান্নান জানিয়ে ছিলেন তিনি শিরিন আক্তারের যেন ক্ষতি না হয়, সে ব্যবস্থা করবেন। জমির বিষয়ে তো পুলিশের তেমন কিছুই করার থাকে না। এর কারণে আমরা শিরিন আক্তারকে আদালতে মামলার করার পরামর্শ দিয়েছিলাম।’

রাজধানীতে শিরিন আক্তারের আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এর আগে শিরিন খান গণভবনের সামনে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।’

শিরিন খানের অভিযোগ তদন্তকারী সোনারগাঁ থানার এসআই ইলিয়াস আহম্মেদ বলেন, ‘শিরিন খান ওখানে থাকেন অনেক বছর ধরে। তিনি হান্নানের নামে অভিযোগ করেছেন।

‘আমরা কয়েকবার বিষয়টি সমাধানের জন্য বসেছি, কিন্তু সমাধান হয়নি। পরবর্তী সময়ে তাকে মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি।’

এ বিষয়ে শনিবার আবদুল হান্নান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওই মহিলার কাছে আমি যে জায়গা বিক্রি করছি, সে জায়গা আমি জহিরুল ইসলাম জয় নামের একজনের কাছ থেকে পাওয়ার নিয়া তার কাছে বিক্রি করছি। শিরিন খান সেখানে ৯ থেকে ১০ বছর ধইরা থাকতাছে।

‘আড়াই মাস আগে শিরিন জানতে পারেন, ওই জমি নাকি ব্যাংকের নামে মর্টগেজ (বন্ধক) দেয়া। পরে আমাগো লগে যোগাযোগ করছে। আমি খোঁজ নিয়া দেখি জয় আমার নামে পাওয়ার দেয়ার আগেই ওই জমিসহ আরও ৬টা প্লট ব্যাংকের কাছে মর্টগেজ (বন্ধক) দিছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সে আমাগো লগে প্রতারণা করছে। জয় এখন বিদেশ। শিরিন আক্তার আমার নামে থানায় অভিযোগ দেয়ার পর তালতলা ফাঁড়িতে বসার পর সেখানে আমি শিরিনকে বলছি ব্যাংকের টাকা দিয়া দিমো মানবিক কারণে।

‘সেখানে শেষ মুহূর্তে সে বলছে তার বাড়ি আমারে কিন্যা নিতে। আজকে (শনিবার) বাড়ির দামদর নিয়া আবার বসার কথা ছিল।’

আরও পড়ুন:
লেখাপড়ার চাপে বেড়েছে আত্মহত্যার প্রবণতা
চিকিৎসক প্রেমিকের বাসায় প্রেমিকার আত্মহত্যা
নিজ ঘরে দশম শ্রেণির ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ
মানবতাবিরোধী অপরাধ: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খলিলুর গ্রেপ্তার
জমি দখলের অভিযোগে নারী কাউন্সিলর বরখাস্ত, নিরাপত্তা চান ভুক্তভোগী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Shishu Ayats father is also threatened to be cut into 6 pieces

হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ আয়াতের বাবার

হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগ আয়াতের বাবার শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে আয়াত হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী। ছবি: নিউজবাংলা
আয়াতের বাবা সোহেল বলেন, “একমাত্র মেয়েকে হারিয়েছি। অচেনা নম্বর থেকে আমাকে টেক্সট দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। ওই নম্বর থেকে এসএমএস দিয়ে সে বলছে- ‘তোর মেয়েকে ছয় টুকরো করেছি, তোকেও করব।’ আমি পুলিশকে জানাইছি। সে ভয়েস বার্তাও দিছে।”

চট্টগ্রামে শিশু আয়াতকে হত্যায় কেবল আসামি আবির নয়, একটি চক্র জড়িত বলে দাবি করেছেন আয়াতের বাবা সোহেল রানা।

তার অভিযোগ, আয়াতের মতো তাকেও হত্যার পর ৬ টুকরো করা হবে বলে হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি দেয়া হয়েছে। পুলিশকে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন।

আয়াত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এসব অভিযোগ জানান সোহেল।

তিনি বলেন, “একমাত্র মেয়েকে হারিয়েছি। অচেনা নম্বর থেকে আমাকে টেক্সট দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। ওই নম্বর থেকে এসএমএস দিয়ে সে বলছে- ‘তোর মেয়েকে ছয় টুকরো করেছি, তোকেও করব।’ আমি পুলিশকে জানাইছি। সে ভয়েস বার্তাও দিছে।”

সোহেল আরও বলেন, ‘আমার মেয়েকে এমন নৃশংসভাবে শুধু কি আবির আলীই হত্যা করেছে? এখানে একটা চক্রও থাকতে পারে। তারা মিলেমিশে এ ঘটনা ঘটিয়েছে কিনা তা তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।

‘তা না হলে আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাওয়া থেকে সরে যেতে কারা হুমকি দিচ্ছে?’

হোয়াটসঅ্যাপে পাওয়া বার্তা প্রসঙ্গে সোহেল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাকে মেসেজ দিয়ে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। আবার ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে বলছে, আবিরকে নাকি সে (হুমকিদাতা) পালিয়ে যেতে বলেছিল। পালিয়ে না যাওয়ায় পুলিশ ধরে ফেলছে। আমার মেয়েকে ছয় টুকরো করছে, আমাকেও নাকি ছয় টুকরো করবে। তাছাড়া মারার আগে আয়াতকে নাকি ধর্ষণ করা হয়েছিল।

‘২৮ তারিখ প্রথম ম্যাসেজ দিয়েছিল। তখন তেমন গুরুত্ব দেইনি। কিন্তু পরে দেখি আরও মেসেজ পাঠিয়েছে। সকালে ভয়েস ম্যাসেজ দিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছে। আমরা পুলিশকে জানাইছি।’

আয়াত হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মনোজ কুমার দে বলেন, ‘আমাকে মঞ্জুর সাহেব (আয়াতের দাদা) ফোন করেছিলেন। আমি আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছি। স্থানীয় থানায় ডায়েরি করারও পরামর্শ দিয়েছি।’

নগরীর ইপিজেড থানার বন্দরটিলা নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিস এলাকার বাসা থেকে গত ১৫ নভেম্বর নিখোঁজ হয় আলিনা ইসলাম আয়াত। পরদিন ইপিজেড থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন তার বাবা সোহেল রানা।

এর ৯ দিন পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িত সন্দেহে আয়াতের পরিবারের ভাড়াটিয়া আবির আলীকে আটকের কথা জাানায় পিবিআই।

পিবিআইয়ের দাবি, আটকের পর আয়াতকে খুন ও লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেছে আবির। ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের জন্য আয়াতকে অপহরণ চেষ্টার সময় শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

এরপর শনিবার প্রথমবার আবিরকে দুই দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ। পরে তাকে নিয়ে আয়াতের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারে সাগরপাড়ে অভিযান চালায় পিবিআই। এরপর সোমবার আবিরকে দ্বিতীয় দফায় সাত দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ। দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের প্রথম দিন মঙ্গলবার আবিরের মা-বাবার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে আকমল আলী সড়ক এলাকার সাগরপাড় স্লুইজ গেটের পাশ থেকে আয়াতের খণ্ডিত দুই পা উদ্ধার করে পিবিআই। পরদিন একই এলাকা থেকে আয়াতের টুকরো মাথা উদ্ধার করা হয়।

আয়াত নিখোঁজের ১৭তম দিন শুক্রবারও মরদেহের বাকি অংশের খোঁজে সাগরপাড় এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছে পিবিআই।

আরও পড়ুন:
শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ বস্তায়
আলামত নষ্ট করার বিদ্যা ‘ক্রাইম পেট্রল’ দেখে
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ: বাবা আটক
শিশু আয়াতকে হত্যার পর ৬ টুকরা করেন সাবেক ভাড়াটিয়া
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ, মিলছে না বাবার খোঁজ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Speech impaired girl burnt to death Accused arrested

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা: একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা: একমাত্র আসামি গ্রেপ্তার
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, পরিকল্পিতভাবেই মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন আসামি। এরপর বিয়ে করার কথা বলে তাকে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সুভাট্টা এলাকায় নিয়ে যান।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার একমাত্র আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ওই তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। আসামি বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেছিলেন।

আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান। তবে আসামির পরিচয় বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তিনি দেননি। শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

কেরানীগঞ্জের সুবাড্ডা সাবান ফ্যাক্টরির গলি চিতা খোলা এলাকা থেকে গত সোমবার রাত ১১টার দিকে দগ্ধ ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বাদল্লাপুর এলাকায়।

শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া ওই তরুণীকে সোমবার রাতেই শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়েছে।

তরুণীর ছোট বোনের অভিযোগ ছিল, হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় তরুণীর ছোট ভাই হত্যা মামলা করেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিউজবাংলাকে জানিয়েছে, ওই তরুণীর সঙ্গে ঘটনার ১০ থেকে ১২ দিন আগে আলাপ হয় আসামির। পরিকল্পিতভাবেই মেয়েটির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। এরপর বিয়ে করার কথা বলে তাকে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সুভাট্টা এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন।

আরও পড়ুন:
ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় সংগীত শিক্ষকের কারাদণ্ড
বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা: কাশিমপুর কারাগারে একজনের ফাঁসি কার্যকর
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড
এবার উদ্ধার আয়াতের মাথা
৯৪ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The driver claimed that he did not know that anyone was trapped in the car

ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার ‘জানতেন না’ গাড়িতে কেউ আটকে আছে

ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার ‘জানতেন না’ গাড়িতে কেউ আটকে আছে পেছন থেকে ধাওয়া করে থামানো হয় আজাহার জাফরের প্রাইভেটকার। ছবি: নিউজবাংলা
জনতার পিটুনিতে আহত গাড়িচালক ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি পুলিশকে বলেছেন, কেউ তার গাড়ির সঙ্গে আটকে আছেন, সেটা তার জানা ছিল না। তবে পুলিশ বলছে, তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ির নিচে চাপা পড়ে নিহত গৃহবধূ রুবিনা আক্তারকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ঢাবির সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফর শাহ। পুলিশের কাছে তার দাবি, গাড়িতে একজন আটকে থাকার বিষয়টি টেরই পাননি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থানা পুলিশের কাছে তিনি এ দাবি করেন বলে জানিয়েছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ। তবে পুলিশ বলছে, গাড়িটি থামানোর চেষ্টা করা হলেও তিনি থামেননি, বরং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

গাড়িটি আটকের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আজাহার জাফরকে পিটুনি দেয় জনতা। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ওসি নূর মোহাম্মদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কিনা সে বিষয়ে কোনো তথ্য আমরা পাইনি। গাড়িতে লাইসেন্স সংক্রান্ত কোনো কাগজ ছিল না।’

প্রতি সপ্তাহে নিজ বাসা তেজগাঁও তেজকুনি পাড়া থেকে হাজারিবাগে যেতেন গৃহবধূ রুবিনা আক্তার। অন্যান্য সপ্তাহের মতো শুক্রবার ননদের স্বামীর মোটরসাইকেল চড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে হাজারিবাগে যাচ্ছিলেন।

বিকেল সোয়া ৩টার দিকে চারুকলা অনুষদের বিপরীতে পাশের রাস্তা ধরে যাওয়ার সময় একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় পড়ে যান রুবিনা। চালক গাড়ি না থামিয়ে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

টিএসসি, ভিসি চত্বর হয়ে মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের কাছাকাছি পর্যন্ত রুবিনাকে এভাবেই টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় গাড়িটি।

এরপর লোকজন গাড়িটি আটকে নিচ থেকে রুবিনা আক্তারকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গাড়ির চালকক আজাহার জাফর শাহকে মারধর করেন পথচারীরা। শাহাবাগ থানার পুলিশ পরে তার পরিচয় নিশ্চিত করে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক। আহত অবস্থায় বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে কথা হয় রুবিনার ভাগ্নে আশিকুর রহমান রাতুলের সঙ্গে। তিনি জানান, রুবিনার স্বামী মারা গেছেন দু বছর আগে। তাদের এক ছেলে রয়েছে। সে ক্লাস এইটে পড়ে।

রাতুল বলেন, ‘আমরা মামলা করব। আমার খালাকে হত্যা করা হয়েছে। থানায় যাচ্ছি।’

রুবিনার মৃত্যুকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন রমনা বিভাগের উপ কমিশনার মো. শহিদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘এটা অবশ্যই একটি হত্যাকাণ্ড।’

শহিদুল্লাহ্ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, নিহত মহিলা দেবরের সঙ্গে বাইকে করে শ্বশুর বাড়ি থেকে তার বাপের বাড়ি হাজারিবাগে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তারা যখন শাহবাগ থেকে টিএসসির আগে কাজী নজরুলের মাজারের উল্টো দিকের রাস্তায় পৌঁছান, তখন প্রাইভেট কারটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিলে তিনি পড়ে প্রাইভেট কারের সঙ্গে আটকে যান।

‘এরপরও উনি গাড়িটি না থামিয়ে টেনে-হিঁচড়ে চলে যান। তাকে থামানোর অনেক চেষ্টা করা হয়। উনি টিএসসি পৌঁছলে আমাদের মোবাইল টিমও তাকে থামানোর চেষ্টা করে। তারপরও উনি না থামিয়ে আরও জোরে গাড়ি চালিয়ে নীলক্ষেত মোড়ে গেলে উত্তেজিত জনতা তাকে থামতে বাধ্য করে। এই সম্পূর্ণ সময় সেই নারীটি গাড়ির সঙ্গে ছেঁচড়ে গেছেন।’

তিনি বলেন, ‘গাড়ির চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে তার অবস্থা সঙ্কটাপন্ন।’

তিনি বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা তাই আমরা একটা মামলা নেব। উনার গাড়িটা সিজ করেছি। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

কোন আইনে মামলা করা হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটানোর শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যেন সর্বোচ্চ শাস্তি হয় সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা সেই শিক্ষকের নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। একটা নম্বর পেয়েছি। সম্ভবত ওনার স্ত্রীর নম্বর। তিনি ওনার অবস্থা জানার পর মোবাইল বন্ধ করে দিয়েছেন। তাদের কারো সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেলে তিনি গাড়ি চালানোর সময় সুস্থ নাকি অসুস্থ ছিলেন সেগুলোসহ আমরা বিস্তারিত জানতে পারব।’

আরও পড়ুন:
এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা
টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি
মতিঝিলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
বাবা-ছেলেকে পিষ্ট করে হোটেলে কাভার্ড ভ্যান, নিহত ৫
বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
It will be murder case DC Ramana

এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা

এটি হত্যাকাণ্ড, মামলা হবে: ডিসি রমনা নারীকে রিকশা থেকে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় প্রাইভেট কারটি। এক পর্যায়ে চালককে আটকে পিটুনি দেয় পথচারীরা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি শহীদুল্লাহ বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা, তাই আমরা একটা মামলা নেব। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি। সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটনার শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয়, সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নারীকে প্রাইভেট কারের নিচে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় মামলা হবে জানিয়ে রমনা বিভাগের ডিসি শহীদুল্লাহ বলেন, ‘এটি অবশ্যই একটি হত্যাকাণ্ড।’

শুক্রবার রাতে শাহবাগ থানায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডিসি শহীদুল্লাহ্ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি, ওই নারী দেবরের সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবার বাড়ি হাজারীবাগে যাচ্ছিলেন। তারা যখন শাহবাগ থেকে টিএসসির আগে কাজী নজরুলের মাজারের উল্টো দিকের রাস্তায় পৌঁছান, তখন প্রাইভেট কারটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে ওই নারী সড়কে পড়ে যান ও প্রাইভেট কারের সঙ্গে আটকে যান।

‘তবে চালক গাড়িটি না থামিয়ে টেনে-হিঁচড়ে তাকে নিয়ে যান। অনেক চেষ্টা করেও তাকে থামানো যায়নি। উনি টিএসসি পৌঁছালে আমাদের মোবাইল টিমও তাকে থামানোর চেষ্টা করে। তারপরও উনি গাড়ি না থামিয়ে নীলক্ষেত মোড়ের দিকে চলে যান। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে থামায়।’

তিনি বলেন, ‘গাড়ির চালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক। উত্তেজিত জনতার পিটুনিতে তার অবস্থাও সঙ্কটাপন্ন।’

ডিসি আরও বলেন, ‘যেহেতু এটা মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা, তাই আমরা একটা মামলা নেব। গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সড়ক আইন অনুযায়ী রেকলেস ড্রাইভিংয়ে মৃত্যু ঘটনার শাস্তির বিধান আছে। এই আইনে তার যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয়, সেটি আমরা চেষ্টা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার পর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ওই শিক্ষকের স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। একটা নম্বর পেয়েছি। তবে ঘটনা জানাতে যোগাযোগের পর থেকে মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের কারও সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পেলে সাবেক ওই শিক্ষক সুস্থ নাকি অসুস্থ ছিলেন সে বিষয়ে জানা যেত।’

নিহতদের পক্ষে এখন পর্যন্ত কেউ মামলা করতে আসেননি জানিয়ে ডিসি শহীদুল্লাহ্ বলেন, ‘উনারা হয়তো ব্যস্ত আছেন। কিছুক্ষণ পর আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।’

এ বিষয়ে দুর্ঘটনার শিকার নারীর পরিবারকে সর্বোচ্চ আইনগত সহযোগিতা দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো নারী রুবিনা আক্তার তিনি গৃহবধূ ছিলেন। থাকতেন তেজগাঁওয়ে। তার ১২ বছরের একটি ছেলে আছে। দুই বছর আগে তার স্বামী মারা গেছেন।

অন্যদিকে গাড়িচালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আজাহার জাফর শাহ।

আরও পড়ুন:
টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি
মতিঝিলে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
বাবা-ছেলেকে পিষ্ট করে হোটেলে কাভার্ড ভ্যান, নিহত ৫
বাসচাপায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত
মেয়েকে মাদ্রাসায় দিতে গিয়ে বাসচাপায় মা-বাবাও নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The police are looking for the person involved in the burning to death of the speech impaired young woman

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িতকে খুঁজছে পুলিশ

বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে পুড়িয়ে হত্যায় জড়িতকে খুঁজছে পুলিশ
শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া ওই তরুণীকে সোমবার রাতেই শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়েছে। তরুণীর ছোট বোনের অভিযোগ, হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধারের পর হাসপাতালে মারা যাওয়া বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছে। তবে হত্যা মামলার পর সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

কেরানীগঞ্জের সুবাড্ডা সাবান ফ্যাক্টরির গলি চিতা খোলা এলাকা থেকে সোমবার রাত ১১টার দিকে দগ্ধ ওই তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। তার বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বাদল্লাপুর এলাকায়।

শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া ওই তরুণীকে সোমবার রাতেই শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলা করা হয়েছে। তরুণীর ছোট বোনের অভিযোগ, হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণীকে ‘কোনো কিছুর জন্য প্রলুব্ধ করে’ কেরানীগঞ্জ এলাকায় ডেকে নেয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তকারীরা বলছেন, সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তির ডাকেই সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বের হন ওই তরুণী। এরপর রাত ১১টার দিকে তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় তরুণীর ছোট ভাই হত্যা মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি-ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়, দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া তরুণীর বাবা চাকরিজীবী ছিলেন, এখন অবসরপ্রাপ্ত। তার দুই স্ত্রী ও ৭ সন্তান রয়েছে। মারা যাওয়া তরুণী প্রথম পক্ষের দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সবার বড়। তার বাবার আরেক স্ত্রীর দুই ছেলেময়ে রয়েছে। তারা সবাই কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন বাদল্লাপুর এলাকায় বসবাস করেন।

স্বজনরা জানান, মারা যাওয়া তরুণী বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় অবিবাহিত ও বাড়িতে থাকতেন।

তার ছোট ভাই নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার বোন সব সময় বাসাতেই থাকত, মাঝেমধ্যে বাসা থেকে বেরিয়ে এলাকাতে এদিক-সেদিক যেত। এ জন্য এলাকায় প্রায় সবাই তাকে চেনে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে বাসায় কাউকে কিছু না বলে সে বাসা থেকে বের হয়।

‘রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় একজন মুরব্বির সঙ্গে তার দেখা হয়। তখন ওই চাচা আমার বোনকে হাত ইশারা করে জানতে চান, সন্ধ্যাবেলায় সে কোথায় যাচ্ছে। আমার বোন তাকে ইশারায় বলে কোনো একটি কাজে আঁটিবাজারের দিকে যাচ্ছে।’

ওই তরুণীর ছোট ভাই নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এরপর ওই চাচা বাসায় এসে আমাদের এ কথা জানালে আমরা সন্ধ্যা ৬টার দিক থেকে খুঁজতে শুরু করি। রাত ১২টা পর্যন্ত তাকে খুঁজে না পেয়ে সকালবেলায় বিষয়টি থানায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিই।

‘তবে এর মধ্যেই রাতে পুলিশ বাসায় এসে জানায়, আমার বোনকে পাওয়া গেছে। পরে পুলিশের সঙ্গে মেডিক্যালে গিয়ে দেখি আমার বোন আইসিইউতে ভর্তি।’

কে বা কারা তাকে ডেকে নিতে পারে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমার বোন প্রতিবন্ধী মানুষ, তার তো কোনো শত্রু ছিল না। তবে কেউ হয়তো তাকে কোনো কিছুর লোভ দেখিয়ে নিয়ে গেছে। ঘটনার পর আমার বোনের সঙ্গে ইশারায় কথা বলার অবস্থা ছিল না। তাই তার সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল, কে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল তা আমরা কেউ বলতে পারছি না।’

তবে মঙ্গলবার রাতে মৃতের ছোট বোন সাংবাদিকদের বলেন, ‘উদ্ধারের পর আমার বোন আমাদেরকে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছে- তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সে ধর্ষণকারীদের চেনে বলেও আমাদের ইশারায় বলেছে। আমার বোনকে হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সোমবার রাতে ৯৯৯ থেকে আমাদের জানানো হয়, সুবাড্ডা ১ নং ওয়ার্ডের চুনকুটিয়া সাবান ফ্যাক্টরির পাশে চিতাখোলা রাস্তাসংলগ্ন ব্রিজের ৩০ গজ দূরে এক নারীর শরীরে আগুন দেয়া হয়েছে। এরপরেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। বায়োমেট্রিক আঙুলের ছাপ থেকে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে পরিবারকে জানানো হয়।‘

তরুণীকে উদ্ধারের ঘটনাস্থলের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকা থেকে একটু দূরে সুবাড্ডা ১ নম্বর ওয়ার্ড। সেখানে একটি সাবান ফ্যাক্টরি আছে। সাবান ফ্যাক্টরির পাশ দিয়েই চিতাখোলা রাস্তা চলে গেছে। ওই রাস্তায় একটি ছোট কালভার্টের আনুমানিক ৩০ গজ দূরে রাস্তার পাশেই ওই নারীর শরীরে আগুন দেয়া হয়।

‘এই রাস্তাটি এমনিতেই খুব নির্জন ও অন্ধকার। সন্ধ্যার পর মানুষের চলাচল কমে যায়। তার ওপর ঘটনাটি ঘটে রাত ১১টা থেকে সোয়া ১১টার দিকে। সে সময় ব্রাজিল ও সুইজারল্যান্ডের ফুটবল ম্যাচ চলছিল। ফলে ওই রাস্তায় একেবারেই মানুষের চলাচল ছিল না। আমরা ধারণা করছি হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি পরিকল্পনা করেই সেখানে ভিকটিমকে নিয়ে যায়।’

তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় এক ব্যক্তির জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ওই ব্যক্তি কোনো বিষয়ে ভিকটিমকে প্রলুব্ধ করে বাসা থেকে এতদূর নিয়ে এসেছিল। তবে ঠিক কী বিষয়ে প্রলুব্ধ করেছিল বা ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভিকটিমের কী সম্পর্ক ছিল সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। আমরা কাজ করছি। ওই ব্যক্তিকে ধরতে পারলে অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলবে।’

তরুণীর গায়ে আগুন দেয়ার আগে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে পুলিশ এখনও নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল পরীক্ষার পরেই এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।’

আরও পড়ুন:
প্রতিপক্ষের হামলায় ধর্ষণ মামলার সাক্ষী নিহত
বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ
আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত
মেয়ের বান্ধবীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রামপুলিশ আটক
জমি লিখে না দেয়ায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fragmented parts of the body of the verse are recovered

আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার

আয়াতের দেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার শিশু আয়াত ও আসামি আবির আলী। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের প্রথম দিন আয়াতের খণ্ডিত দেহের খোঁজে সাগরপাড় এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় একটি জলাশয় পানিশূন্য করা হচ্ছে বলে জানান পরিদর্শক ইলিয়াস খান।

চট্টগ্রামের ইপিজেড থানা এলাকায় নিখোঁজের পর হত্যার শিকার ৫ বছরের আলিনা ইসলাম আয়াতের দেহের খণ্ডিত দুটি অংশ উদ্ধার করা হয়েছে।

আকমল আলী সড়ক এলাকার সাগরপাড় স্লুইচ গেটের পাশ থেকে বুধবার দুপুরে খণ্ডিত অংশ দুটি উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক ইলিয়াস খান।

তিনি বলেন, ‘আমরা দুটো পলিথিনে পায়ের মতো দুটো অংশ পেয়েছি। পলিথিন খোলার পর বাকিটা নিশ্চিত করা যাবে।’

নগরীর ইপিজেড থানার বন্দরটিলা নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিস এলাকার বাসা থেকে ১৫ নভেম্বর নিখোঁজ হয় আয়াত। পরদিন ইপিজেড থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন তার বাবা সোহেল রানা।

এর ৯ দিন পর সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জড়িত সন্দেহে আয়াতের পরিবারের ভাড়াটে আবির আলীকে আটকের কথা জাানায় পিবিআই। পিবিআইয়ের দাবি, আটকের পর আয়াতকে খুন ও লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেছেন তিনি। ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের জন্য আয়াতকে অপহরণচেষ্টার সময় শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি।

এরপর গত শনিবার আবিরকে দুই দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ। তাকে নিয়ে আয়াতের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারে সাগরপাড়ে অভিযানও চলে। এরপর সোমবার আবিরকে দ্বিতীয় দফায় সাত দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ। দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের প্রথম দিন মঙ্গলবার আবিরের মা-বাবাকেও তিন দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত।

দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের প্রথম দিন আয়াতের খণ্ডিত দেহের খোঁজে সাগরপাড় এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় একটি জলাশয় পানিশূন্য করা হচ্ছে বলে জানান পরিদর্শক ইলিয়াস খান।

আরও পড়ুন:
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ: বাবা আটক
শিশু আয়াতকে হত্যার পর ৬ টুকরা করেন সাবেক ভাড়াটিয়া
স্কুলকক্ষে ২ ভাইয়ের মরদেহ, মিলছে না বাবার খোঁজ
কোথায় গেল ছোট্ট আয়াত!
শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ প্রতিবেশীর ঘরে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Militant robbery 3 accomplices of accused remanded

জঙ্গি ছিনতাই: আসামির ৩ আশ্রয়দাতা রিমান্ডে

জঙ্গি ছিনতাই: আসামির ৩ আশ্রয়দাতা রিমান্ডে সিসিটিভি ফুটেজে জঙ্গিদের পালানোর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুর থানায় করা একটি মামলার শুনানি শেষে ১২ আসামিকে আদালত থেকে হাজতখানায় নেয়ার পথে দুজনকে ছিনিয়ে নেয় সহযোগীরা।

ঢাকার নিম্ন আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেয়ার মামলায় আসামি ঈদী আমিনের তিন আশ্রয়দাতার তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম শাকিল আহম্মদের আদালতে তাদের হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

শুনানি শেষে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

রিমান্ড পাওয়া তিনজন হলেন- খোতেজা আক্তার লিপি, নাসির মিয়া ও তানভীর হোসেন।

এর আগে গত ২৭ নভেম্বর আসামি ঈদী আমিন আইনজীবীর মাধ্যমে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর বিচারক তাকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠান।

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুর থানায় করা একটি মামলার শুনানি শেষে গত ২০ নভেম্বর ১২ আসামিকে আদালত থেকে হাজতখানায় নেয়ার পথে দুজনকে ছিনিয়ে নেয় সহযোগীরা। মামলার শুনানি শেষে জামিনে থাকা দুই আসামি ঈদী আমিন ও মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি আদালত থেকে বের হয়ে যান।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করেন পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় জামিন পাওয়া দুজনকেও আসামি করা হয়েছে।

সিটিটিসি ইউনিটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোর্টের শুনানি শেষে প্রথমে চারজনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। দুটি হাতকড়া দিয়ে দুজনকে আটকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাকি আসামিরা তখন উপরে ছিলেন।

‘চারজনের মধ্যে মইনুল হাসান ও আবু সিদ্দিককে জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে মো. আরাফাত ও মো. সবুরকে নিতে পারেনি। এই কাজে জঙ্গিরা পিপার স্প্রে ব্যবহার করে। এতে একজন সিকিউরিটি গার্ড, একজন পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় একজনের আত্মসমর্পণ, চার দিনের রিমান্ড
‘কারাবন্দি জঙ্গি ও ছিনতাই টিম সমন্বয় করেন অমি’
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার মেহেদী ৭ দিনের রিমান্ডে
জঙ্গি আরাফাতকে ছিনিয়ে নেয়াই ছিল মূল লক্ষ্য
জামিনে থাকা জঙ্গি অমি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
উপরে