× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
21 August case in High Courts agenda
hear-news
player
google_news print-icon

হাইকোর্টের কার্যতালিকায় ২১ আগস্টের মামলা 

হাইকোর্টের-কার্যতালিকায়-২১-আগস্টের-মামলা 
গ্রেনেড হামলার পর ক্ষতবিক্ষত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত
২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দেয়। একইসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত।

ভয়াল ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার ডেথ রেফারেন্স, আসামিদের আপিল ও জেল আপিল হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় উঠেছে।

বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে রোববারের কার্যতালিকায় মামলাটি এক নম্বরে রাখা হয়েছে।

এ মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দেয়। একইসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আদালত। এ ছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয় অপর ১১ আসামিকে।

এরপর ওই বছরের ২৭ নভেম্বর এ মামলার বিচারিক আদালতের রায় প্রয়োজনীয় নথিসহ হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় এসে পৌঁছে।

নথি আসার পর হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট মামলার পেপারবুক প্রস্তুত করে। পেপারবুক প্রস্তুত হলে মামলাটি শুনানির জন্য প্রস্তুত হয়।

গত বছরের ১৬ আগস্ট পেপারবুক বিজি প্রেস থেকে তৈরির পর সুপ্রিম কোর্টে এসে পৌঁছায়।

বিচারিক আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন লুৎফুজ্জামান বাবর, আব্দুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন, হুজির সাবেক আমির ও ইসলামিক ডেমোক্রেটিক পার্টির আহ্বায়ক মাওলানা শেখ আবদুস সালাম, কাশ্মীরি জঙ্গি আব্দুল মাজেদ ভাট, আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোস্তফা, মাওলানা শওকত ওসমান, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহম্মেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. উজ্জল, এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম, হানিফ পরিবহনের মালিক বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হানিফ।

পরিকল্পনা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০২/১২০খ/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেন আদালত।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, হুজি সদস্য হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা আবদুর রউফ, মাওলানা সাব্বির আহমেদ, আরিফ হাসান ওরফে সুমন, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম মাওলাদার, মো. আরিফুল ইসলাম, মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন, আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন, মো. খলিল ওরফে খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মো. ইকবাল ওরফে ইকবাল হোসেন, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আব্দুল হাই, রাতুল আহমেদ ওরফে রাতুল বাবু।

তাদের দণ্ডবিধির ৩০২/১২০খ/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) মো. আশরাফুল হুদা ও শহুদুল হক, বিএনপি চেয়ারপারসন ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভাগ্নে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, ডিজিএফআইয়ের মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন, ডিএমপির সাবেক উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) খান সাঈদ হাসান, আরেক সাবেক উপ-কমিশনার (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান খান, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খোদাবক্স চৌধুরী, সিআইডির সাবেক বিশেষ সুপার মো. রুহুল আমিন, সাবেক এএসপি আবদুর রশিদ, সাবেক এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমানকে দুই বছর করে কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরেকটি ধারায় খোদাবক্স চৌধুরী, রুহুল আমিন, আবদুর রশিদ ও মুন্সি আতিকুর রহমানকে তিন বছর করে কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলাটি চালানো হয়। অল্পের জন্য ওই হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা। তবে হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক রাষ্ট্রপতি (প্রয়াত) জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মী। ঘটনার পরদিন মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে মামলা করেন।

তদন্ত শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ১১ জুন দেওয়া অভিযোগপত্রে বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন ও হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়। তখন জানা যায়, শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে হামলার ছক করা হয়েছিল। পাকিস্তান থেকে এসেছিল হামলায় ব্যবহৃত আর্জেস গ্রেনেড।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। দুই বছর তদন্তের পর ২০১১ সালের ৩ জুলাই ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এর ফলে এ মামলায় মোট আসামির সংখ্যা হয় ৫২।

মোট ৫২ আসামির মধ্যে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও মুফতি হান্নান এবং তার সহযোগী শাহেদুল ইসলাম বিপুলের মৃত্যুদণ্ড অন্য মামলায় কার্যকর হয়। তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় এ মামলার আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৯ জনে।

আরও পড়ুন:
বিভিন্ন হামলায় যেভাবে বেঁচে যান শেখ হাসিনা
২১ আগস্ট শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
২১ আগস্ট মামলার আপিল শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের উদ্যোগ
শরীরে স্প্লিন্টার নিয়ে দিন কাটছে রেনুর
দণ্ডিত তারেককে ফিরিয়ে আনা এখনও ‘প্রক্রিয়াধীন’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Wasar Takseem has received a salary of Tk 580 million in 13 years

ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরে বেতন ভাতা ৫ কোটি ৮০ লাখ

ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরে বেতন ভাতা ৫ কোটি ৮০ লাখ ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান। ফাইল ছবি
হাইকোর্টে জমা দেয়া ওয়াসার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকসিম এ খান বেতন, উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, আপ্যায়নসহ চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে মোট ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯২ টাকা নিয়েছেন। ভ্যাট বাবদ কাটার পর তার মোট বেতন-ভাতা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৫১ লাখ ৬ হাজার ৫১৬ টাকা।

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান গত ১৩ বছরে বেতন-ভাতা বাবদ ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯২ টাকা নিয়েছেন।

হাইকোর্টে মঙ্গলবার ওয়াসার জমা দেয়া এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

১৩ বছরে ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা হিসেবে কত টাকা নিয়েছেন তার হিসাব চেয়ে ১৭ আগস্ট আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

এর পরিপ্রেক্ষিতে জমা দেয়া প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকসিম এ খান বেতন, উৎসব ভাতা, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, আপ্যায়নসহ চাকরি সংক্রান্ত বিষয়ে মোট ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার ৭৯২ টাকা নিয়েছেন।

এ থেকে ভ্যাট বাবদ কাটার পর মোট বেতন-ভাতা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৫১ লাখ ৬ হাজার ৫১৬ টাকা।

প্রতিবেদনটি বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করা হয়।

ওয়াসার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এ এম মাসুম ও মাহসিব হোসাইন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায় ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আব্বাস উদ্দিন।

তাকসিম এ খানের বিরুদ্ধে রিট করে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব)। রিটের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

রিট শুনানি শেষে তাকসিম এ খানকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদ থেকে অপসারণের বিষয়ে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল দেয় আদালত। তাকে অপসারণে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চাওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকা ওয়াসা এমডির বেতন-ভাতার হিসাব দিতেই হবে
এবার ওয়াসার এমডির ব্যাংক হিসাব তলব
ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরের বেতনের হিসাব চায় হাইকোর্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Speech impaired young woman accused of being raped and then burnt to death

বাক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

বাক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ ফাইল ছবি
মৃতের ছোট বোন বলেন, ‘উদ্ধারের পর আমার বোন আমাদেরকে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছে যে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সে ধর্ষণকারীদের চেনে বলেও আমাদের ইশারায় বলেছে। আমার বোনকে হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

ঢাকার কেরানীগঞ্জে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার বাক প্রতিবন্ধী তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার পর সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামাল এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ৯৯৯ এ কল পেয়ে সোমবার গভীর রাতে সুবাড্ডা সাবান ফ্যাক্টরির গলি চিতা খোলা এলাকায় গিয়ে দগ্ধ অবস্থায় ওই তরুণীকে পাওয়া যায়। তাকে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। তাকে হত্যার অভিযোগে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে। সন্দেহভাজন হিসেবে আটক একজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মৃত তরুণীর এক আত্মীয় বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যার দিকে আমার শ্যালিকাকে এলাকার কয়েকজন ফুসলিয়ে বাড়ির কাছ থেকে নিয়ে যায়। পুলিশের মাধ্যমে মধ্যরাতে আমরা তার খোঁজ পাই। এলাকা থেকে তিন জন নিখোঁজ আছে। তাদের উপর আমাদের সন্দেহ হয়।’

মৃতের ছোট বোন বলেন, ‘উদ্ধারের পর আমার বোন আমাদেরকে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছে যে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সে ধর্ষণকারীদের চেনে বলেও আমাদের ইশারায় বলেছে। আমার বোনকে হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

আরও পড়ুন:
ঘরে ঢুকে রোহিঙ্গা মাঝিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
নায়িকা শিমু হত্যা মামলায় স্বামীসহ দুইজনের বিচার শুরু
টিপু-প্রীতি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১১ জানুয়ারি
চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Militant robbery 3 accomplices of accused remanded

জঙ্গি ছিনতাই: আসামির ৩ আশ্রয়দাতা রিমান্ডে

জঙ্গি ছিনতাই: আসামির ৩ আশ্রয়দাতা রিমান্ডে সিসিটিভি ফুটেজে জঙ্গিদের পালানোর দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুর থানায় করা একটি মামলার শুনানি শেষে ১২ আসামিকে আদালত থেকে হাজতখানায় নেয়ার পথে দুজনকে ছিনিয়ে নেয় সহযোগীরা।

ঢাকার নিম্ন আদালত প্রাঙ্গণ থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেয়ার মামলায় আসামি ঈদী আমিনের তিন আশ্রয়দাতার তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম শাকিল আহম্মদের আদালতে তাদের হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) পরিদর্শক মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ।

শুনানি শেষে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক।

রিমান্ড পাওয়া তিনজন হলেন- খোতেজা আক্তার লিপি, নাসির মিয়া ও তানভীর হোসেন।

এর আগে গত ২৭ নভেম্বর আসামি ঈদী আমিন আইনজীবীর মাধ্যমে ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে আত্মসমর্পণ করার পর বিচারক তাকে চারদিনের রিমান্ডে পাঠান।

ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালে মোহাম্মদপুর থানায় করা একটি মামলার শুনানি শেষে গত ২০ নভেম্বর ১২ আসামিকে আদালত থেকে হাজতখানায় নেয়ার পথে দুজনকে ছিনিয়ে নেয় সহযোগীরা। মামলার শুনানি শেষে জামিনে থাকা দুই আসামি ঈদী আমিন ও মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফি আদালত থেকে বের হয়ে যান।

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দুই জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করেন পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন আকন্দ। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়। এই মামলায় জামিন পাওয়া দুজনকেও আসামি করা হয়েছে।

সিটিটিসি ইউনিটের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোর্টের শুনানি শেষে প্রথমে চারজনকে নিচে নামিয়ে আনা হয়। দুটি হাতকড়া দিয়ে দুজনকে আটকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বাকি আসামিরা তখন উপরে ছিলেন।

‘চারজনের মধ্যে মইনুল হাসান ও আবু সিদ্দিককে জঙ্গিরা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে মো. আরাফাত ও মো. সবুরকে নিতে পারেনি। এই কাজে জঙ্গিরা পিপার স্প্রে ব্যবহার করে। এতে একজন সিকিউরিটি গার্ড, একজন পুলিশ সদস্যসহ কয়েকজন সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হন।’

আরও পড়ুন:
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় একজনের আত্মসমর্পণ, চার দিনের রিমান্ড
‘কারাবন্দি জঙ্গি ও ছিনতাই টিম সমন্বয় করেন অমি’
জঙ্গি ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার মেহেদী ৭ দিনের রিমান্ডে
জঙ্গি আরাফাতকে ছিনিয়ে নেয়াই ছিল মূল লক্ষ্য
জামিনে থাকা জঙ্গি অমি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abbas the former mayor of Katakhali is free on bail

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস
বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বরখাস্ত হওয়া মেয়র আব্বাস আলী এক বছর পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় মঙ্গলবার সকালে আব্বাস আলীকে জামিন দিয়েছেন। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি সন্ধ্যায় মুক্তি পান। কারাফটক থেকে তাকে মোটরসাইকেল শোডাউন করে নিয়ে যান সমর্থকরা।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আব্বাস আলী পর পর দুবার নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে মেয়র হন। তিনি ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও দলটির জেলা কমিটির সদস্য।

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

এ রেকর্ড ছড়িয়ে পড়লে রাজশাহীতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তাকে আওয়ামী লীগের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ারিয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুল মমিন। এরপর কাটাখালী পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক জনি ইসলাম আরেকটি মামলা করেন কাটাখালী থানায়।

সে বছরের ১ ডিসেম্বর ভোরে র‌্যাব ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাকে রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১০ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আব্বাসকে বরখাস্ত করে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছিল। এসব ঘটনার পর।

আইনজীবী ইসমত আরা জানান, তিনটি মামলাতেই জামিন পেয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র।

আরও পড়ুন:
মেয়র আব্বাসের রিমান্ড চেয়ে পুলিশের আবেদন
দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন মেয়র আব্বাস: র‍্যাব
মেয়র আব্বাস আটক
মেয়র আব্বাস কোথায়
মেয়র আব্বাসের উত্থান যেভাবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ban on Islami Bank for loans to 8 institutions

ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে

ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে বৈধ নথিপত্র ছাড়াই ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে।
অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল অঙ্কের ঋণ বাড়ানোর বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের মালিকানায় থাকা কোনো পক্ষ বেনামে এসব ঋণ নিতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে। এ জন্য বিষয়টি তদন্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

নাবিল গ্রুপসহ আট প্রতিষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ঋণ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ ছাড় বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে জরুরি তলব করে।

এর আগে নাবিল গ্রুপসহ আট প্রতিষ্ঠানকে ইসলামী ব্যাংক থেকে অনিয়মের মাধ্যমে আগ্রাসী ঋণ দেয়ার নথিপত্র সংগ্রহ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি দল পরিদর্শন করে এসব ঋণ অনিয়মের ব্যাখ্যা চেয়েছে।

নতুন কোম্পানি খুলে কিংবা আগে থেকে ঋণ রয়েছে এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের নামে বিপুল অঙ্কের ঋণের প্রকৃত সুবিধাভোগী কারা, তা খতিয়ে দেখবে বাংলাদেশ ব্যাংক। নাবিল গ্রুপের ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা ঋণের সুবিধাভোগী অন্য কোনো পক্ষ কি না, তার তদন্ত হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সংবাদপত্রে উঠে এসেছে ইসলামী ব্যাংক বেনামে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে। কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনা করে আসছে। যার ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩ সদস্যর একটি দল ইসলামী ব্যাংকের দেয়া ঋণ কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দেবে।’

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে নাবিল গ্রুপের বিষয়ে তদন্তের উদ্যোগ নিলেও তা অজ্ঞাত কারণে থেমে যায়। এখন নতুন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে।

রাজশাহীকেন্দ্রিক নাবিল গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ বের করে নিয়েছে বলে অভিযোগ আছে।

শুধু নাবিল গ্রুপের ঋণ নয়, এসব ঋণের সুবিধাভোগী ছাড়াও ইসলামী ব্যাংকের সব শাখা থেকে বিতরণ করা ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণের সুবিধাভোগী কারা, তা খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্ত দল। ঋণের কোনো অর্থ পাচার হয়েছে কিনা, হুন্ডি কারবারে ব্যবহার হয়েছে কি না, সেসব বিষয়ও যাচাই করবে।

এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ও বাকি অর্থ সোশ্যাল ইসলামী ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে বের করে নেয়া হয়। সব মিলিয়ে এ গ্রুপের নামে অনুমোদিত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চে তাদের ঋণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

গত আগস্টে অস্বাভাবিক ঋণ অনুমোদনের বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে আসার পর ইসলামী ব্যাংকে তাদের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৫০ কোটি টাকা। ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত তা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা।

অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল অঙ্কের ঋণ বাড়ানোর বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের মালিকানায় থাকা কোনো পক্ষ বেনামে এসব ঋণ নিতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে। এ জন্য বিষয়টি তদন্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আরও পড়ুন:
নথিপত্র ছাড়াই নাবিল গ্রুপকে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা ঋণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
On the way to the court the witness was beaten by the accused

আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত

আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত
ওসি জানান, সকালে মামলার বাদী সাত্তার ও তার ভাই আব্দুল খালেক আদালতে যেতে বাড়ি থেকে বের হন। আসামিদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। 

বগুড়ার ধুনটে মামলার সাক্ষী দিতে আদালতে যাওয়ার পথে সাক্ষীকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে আসামিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।

উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের কোদলাপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে আহত আব্দুল খালেককে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ৬৫ বছরের খালেকের বাড়ি কোদলাপাড়া গ্রামে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধুনট থানার ওসি রবিউল ইসলাম।

স্বজনদের বরাতে তিনি জানান, ৩ নভেম্বর কোদলাপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের চাল কেনার টাকা নিয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আব্দুস সাত্তার মসজিদের কোষাধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক ও তার ছেলে ফজলুল হকসহ ৭ জনকে আসামি করে বগুড়া আদালতে মামলা করেন। সেই মামলার সাক্ষী ছিলেন সাত্তারের ভাই আব্দুল খালেক। বগুড়া আদালতে মঙ্গলবার মামলার হাজিরা ছিল।

ওসি জানান, সকালে মামলার বাদী সাত্তার ও তার ভাই আব্দুল খালেক আদালতে যেতে বাড়ি থেকে বের হন। আসামিদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।

নিহতের দেহ ময়নাতদন্ত শেষে দাফন করার পর পরিবার হত্যা মামলা করবে বলেও জানিয়েছেন ওসি।

আরও পড়ুন:
চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন
সাভারের নীলা হত্যা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য ২০ ফেব্রুয়ারি
দুই যুগ আগের হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
কোথায় গেল আয়াতের টুকরা দেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Accused of killing husband for not registering the land

জমি লিখে না দেয়ায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ

জমি লিখে না দেয়ায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ
কাউনিয়া থানার ওসি আব্দুর রহমান মুকুল জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হয়। রাত ১০টার দিকে বাসার ছাদে বসা ছিলেন ইকবাল। এ সময় পেছন থেকে বঁটি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়েছেন পপি।

বরিশাল নগরীতে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।

নগরীর পলাশপুর এলাকায় সোমবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শেখ ইকবাল ক‌বিরের বাড়ি পলাশপুরের বৌ বাজার এলাকায়। তিনি লঞ্চের সুকানি ছিলেন। পক্ষাঘাতগ্রস্থ হওয়ার পর থেকে তিনি বাজারে অটোরিকশা চার্জ ও ভাড়া দেয়ার ব্যবসা করতেন। তার ও স্ত্রী জাফরিন আরা পপির সংসারে দুই সন্তান আছে।

কাউনিয়া থানার ওসি আব্দুর রহমান মুকুল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া হয়। রাত ১০টার দিকে বাসার ছাদে বসা ছিলেন ইকবাল। এসময় পেছন থেকে বটি দিয়ে তাকে এলোপাতারি কুপিয়েছেন পপি। আশপাশের লোকজন গিয়ে ইকবালকে শের-ই বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়। চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় রেফার করেন। ঢাকা নেয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

কাউনিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হরিদাস নাগ জানান, ঘটনার পরপরই পপিকে পুলিশ আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান যে, ইকবাল তার নামে জমি ও ভবন লিখে দিচ্ছিলেন না বলে তাদের মধ্যে কলহ চলছিল। এর জেরে সোমবার রাতে ঝগড়া হয়। এরপর ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি ইকবালকে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় ইকবালের ভাতিজা মো. সোহাগ মঙ্গলবার মামলা করেছেন। সেই মামলায় পপিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন
সাভারের নীলা হত্যা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য ২০ ফেব্রুয়ারি
দুই যুগ আগের হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
কোথায় গেল আয়াতের টুকরা দেহ
শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ বস্তায়

মন্তব্য

p
উপরে