× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bus Stop Bharasa Autorickshaw Bike
google_news print-icon

বিএনপির সমাবেশ: ভরসা অটোরিকশা-বাইক

বিএনপির-সমাবেশ-ভরসা-অটোরিকশা-বাইক
শনিবার সকালে সভাস্থল রংপুর নগরীর কামাল কাচনা এলাকায় মিছিল নিয়ে যাচ্ছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা (রাঁয়ে), গত রাতে মোটরসাইকেলে রংপুরে আসেন অনেকে। ছবি: নিউজবাংলা
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে আসা বিএনপির কর্মী আমিনুল হক বলেন, ‘আমার ১০টি বাস ভাড়া করা ছিল। কিন্তু ধর্মঘটের কারণে বাসচালকেরা আসতে চান না, সে কারণে রাতে অটোরিকশা ঠিক করেছি আমরা। সেগুলোতে আসতেছি।’

রংপুরে বিএনপির সমাবেশের এক দিন আগে ডাকা পরিবহন ধর্মঘটে জনসমাগমে তেমন কোনও প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন উপস্থিত অনেকে। পাশের জেলা-উপজেলা থেকে অধিকাংশ সমর্থক ও নেতা-কর্মী সভাস্থলে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশায় এসেছেন। শনিবার সকালে অনেকে এসেছেন ট্রেনে করে। কারণ, ধর্মঘটের আওতামুক্ত ছিল রাষ্ট্রীয় এই বাহনটি।

শনিবার সকাল ৯টায় নগরীর কামাল কাচনা এলাকায় জড়ো হতে থাকেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে আসা বিএনপির নেতা-কর্মীরা।

জানতে চাইলে মো. হানিফ নামে এক কর্মী বলেন, ‘ভোর সাড়ে ৫টায় ফজরের নামাজ পড়ে রওনা দিয়েছি আমরা। সবাই অটোরিকশায় এসেছি। খুব সকাল হওয়াতে কোথাও কেউ বাধা দেয়নি। আরও অটো আসতেছে। একসঙ্গে সবাই মাঠে যাব।’

একই উপজেলার আমিনুল হক নামে আরেকজন বলেন, ‘আমার ১০টি বাস ভাড়া করা ছিল। কিন্তু ধর্মঘটের কারণে বাসচালকেরা আসতে চান না, সে কারণে রাতে অটোরিকশা ঠিক করেছি আমরা। সেগুলোতে আসতেছি।’

তিনি বলেন, ‘রংপুরের শ্মশান এলাকায় অটোরিকশা রেখে পায়ে হেঁটে সমাবেশে যাব।’

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিএনপির সমাবেশ ঘিরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নেতা-কর্মীরা অবস্থান করছেন। এদের বেশির ভাগই গতকাল রাতে মোটরসাইকেল করে রংপুর পৌঁছেছেন।

তারা রংপুরের বিভিন্ন আত্মীয়স্বজন, ছাত্রাবাসে অবস্থান করেছিলেন।

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বিএনপির এক কর্মী জানান, রংপুর থেকে ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্ব হয়। গতকাল ট্রেন মিস করেছি। তাই বিকেলে মোটরসাইকের দিয়ে রংপুরে এসে শালবনের এক ছোট ভাইয়ের বাসায় ছিলাম। তবু সমাবেশে যেতে হবে।’

ওই কর্মীর দাবি তার নামে সাতটি সাজানো মামলা রয়েছে। সব কটিই মিথ্যা। এই ক্ষোভ আর প্রতিবাদ জানাতেই তিনি সমাবেশে এসেছেন।

গতকাল মধ্যরাতে দেখা গেছে, শত শত মোটরসাইকেলে নেতা-কর্মীরা রংপুরে এসেছেন বাধা উপেক্ষা করে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু জানান, ‘কোনো বাধাই মানবে না। আমাদের নেতা-কর্মীরা রাতেই এসেছেন, আজ সমাবেশ সফল হবে।'

তিনি বলেন, ‘শুধু বিএনপির নেতা-কর্মীরাই নয়, অধিকারবঞ্চিত মানুষজনও যোগ দিচ্ছেন সমাবেশে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Govt responsible for ban on Gen Aziz Fakhrul

জেনারেল আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞার জন্য সরকার দায়ী: ফখরুল

জেনারেল আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞার জন্য সরকার দায়ী: ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাইরে মিডিয়াগুলো থেকে অনেকবার আজিজের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সরকার সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়নি। এখনও তারা যা বলছে সেটা রাজনৈতিক কথাবার্তা। সেনাবাহিনী হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে ভরসার একটি প্রতিষ্ঠান। সেই সেনাবাহিনীকে যদি সরকারের কারণে হেয়প্রতিপন্ন হতে হয়, সেটা এদেশের মানুষ মেনে নেবে না।’

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার জন্য সম্পূর্ণভাবে সরকার দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলে মির্জা ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘দেখুন, কত বড় লজ্জার কথা। সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের বিরুদ্ধে আমেরিকা থেকে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এটা আমাদের জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জার। এজন্য দায়ী সম্পূর্ণভাবে সরকার। তারা সেনাবাহিনীকে অন্যায়ভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।

‘বাইরে মিডিয়াগুলো থেকে অনেকবার আজিজের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু সরকার সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়নি। এখনও তারা যেটা বলছে সেটা রাজনৈতিক কথাবার্তা। সেনাবাহিনী হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে ভরসার একটি প্রতিষ্ঠান। সেই সেনাবাহিনীকে যদি সরকারের কারণে হেয়প্রতিপন্ন হতে হয়, সেটা কখনোই এদেশের মানুষ মেনে নেবে না।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘র‌্যাবের যেসব কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা এলো, তা থেকে তো তারা (সরকার) কোনো শিক্ষা নিল না। তাদের মধ্যে একজন আইজিপিও হলেন। এখনও মনে হয় আছেন। এটার কতটুকু প্রভাব এদের ওপর পড়ে আমার ধারণা নেই। তারা (সরকার) তাদের ক্ষমতায় থাকার লক্ষ্যকে চূড়ান্ত করার জন্য এই বাহিনীগুলোকে ব্যবহার করে।’

উপজেলা নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই নির্বাচন নিয়ে কোথাও প্রতিক্রিয়া দেখছি না। কেউ লক্ষ্যও করছে না যে নির্বাচন হচ্ছে। কোথাও আলোচনা, কথাবার্তাও নাই। নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর থেকেই মানুষের আস্থা চলে গেছে। এই সরকার এটা করেছে।’

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহ ভারতে উদ্ধার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিক নয়, তাদের (বাংলাদেশ সরকার) তথাকথিত সংসদ সদস্য বিদেশে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন, তার কোনো খবর দিতে পারল না। না পারলো বাংলাদেশ সরকার, না পারলো তাদের বন্ধুরাষ্ট্র ভারত। আমরা কী মনে করব? এদের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে দুর্নীতি করা। টাকার পাহাড় তৈরি করা, বিদেশে পাঠানো।’

তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গোলাম মাওলা রনির গাড়িতে হামলা হয়েছে। কারণ একটাই, রনি তার বিভিন্ন বক্তব্যে সরকারের সমালোচনা করেন। অর্থাৎ সমালোচনা করা যাবে না। আর সে কারণে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের শাহাদাতকে আমরা কখনও খাটো করে দেখতে পারি না। একটা সাধারণ ঘটনা মনে করি না। একটা গভীর চক্রান্তে বাংলাদেশে সম্পূর্ণভাবে পরনির্ভরশীল নেতৃত্ব সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই সেদিন জাতীয়তাবাদী নেতা জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়। আর ওই হত্যাকাণ্ডের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে বিনষ্ট করে দেয়া হয়।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকের শাসক গোষ্ঠী জিয়াউর রহমানের নাম ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চায়। তাকে খলনায়কে পরিণত করার জন্য তারা সেই কাজ শুরু করেছে। প্রাথমিক স্কুল থেকে শুরু করে সব জায়গায় ইতিহাসকে বিকৃত করা হচ্ছে।

‘কয়েকদিন আগে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জিয়াউর রহমান নাকি বাকশালে যোগ দিয়েছিলেন! এটা পুরোপুরিভাবে একটা সত্যের অপলাপ। জিয়াউর রহমান কখনোই বাকশালের ফরম পূরণ করেননি। এভাবে মিথ্যা কথা বলে বলে তারা জিয়াউর রহমানকে ভিন্নভাবে পরিচিত করতে চান।’

আরও পড়ুন:
বিরোধীদের কারাগারে পাঠানো সরকারের প্রধান কর্মসূচি হয়ে দাঁড়িয়েছে: ফখরুল
বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ভারত: ফখরুল
যুক্তরাষ্ট্র আগের অবস্থানে আছে, ফখরুল কী করে জানলেন: কাদের
জনগণের শক্তিতে ভর করেই আন্দোলন করছি: ফখরুল
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বিভাজন ভুলে কাজ করা উচিত: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Quader urges not to blame India for killing MP

এমপি হত্যায় ভারতকে দোষারোপ না করার আহ্বান কাদেরের

এমপি হত্যায় ভারতকে দোষারোপ না করার আহ্বান কাদেরের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ভারত আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র। এমপি আনোয়ারুল আজীমকে যে ফ্ল্যাটটিতে হত্যা করা হয়েছে সেটি বাংলাদেশের কেউ ভিন্ন নামে কিনেছে। ওখানে পাঁচ-ছয়জনের মতো লোক এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত, যাদের মধ্যে পাঁচজনই বাংলাদেশের। যারে দেখতে নারি, চলন বাঁকা- এ ধরনের উক্তি করা সমীচীন নয়।’

কলকাতায় বাংলাদেশের একজন সংসদ সদস্যকে হত্যার ঘটনায় ভারতকে দোষারোপ করার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘বন্ধুরাষ্ট্র ভারতকে নিয়ে কথায় কথায় দোষারোপের রাজনীতি না করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বুধবার সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার ভারতের কলকাতায় খুন হওয়ার ঘটনায় বিএনপি নেতাদের সমালোচনার জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বন্ধুরাষ্ট্রে গিয়ে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদের তো জীবননাশ হয়নি। বন্ধুরাষ্ট্র নিয়ে কথায় কথায় দোষারোপের রাজনীতি না করতে আমি তাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

বন্ধুরাষ্ট্রে গিয়ে নিরাপত্তা নেই- বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে কাদের বলেন, ‘আপনাদের কাছে ভারত যদি শত্রুরাষ্ট্র হয়, সেখানে সালাউদ্দিন এতদিন কীভাবে নিরাপদে আছেন? তাকে তো কেউ হত্যা করেনি। তার জীবনের তো নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি। আপনারা এ ধরনের অপবাদ কেন দিচ্ছেন বন্ধুরাষ্ট্রকে?’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভারত আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র। আমাদের একজন এমপি যখন চিকিৎসার জন্য সেদেশে যান, তিনি কিন্তু ভারত সরকারকে জানিয়ে যান না। সেখানকার যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে গেলে নিরাপত্তার ব্যাপারটি তখনই দেখা হয়। এখানে বন্ধুরাষ্ট্রের...।

‘তাকে (আনোয়ারুল আজীম) যে ফ্ল্যাটটিতে হত্যা করা হয়েছে সেটি বাংলাদেশের কেউ ভিন্ন নামে কিনেছে। ওখানে পাঁচ-ছয়জনের মতো লোক এমপি আনারকে হত্যা করেছে। তাদের মধ্যে পাঁচজনই বাংলাদেশের। এই ব্যাপারটি নিয়ে...। যারে দেখতে নারি, চলন বাঁকা- এ ধরনের উক্তি করা সমীচীন নয়।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে কাদের বলেন, ‘সাড়ে ৩৫ হাজার মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রে মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। গাজার গণহত্যাকে যারা স্বীকার করে না, যারা গাজার গণহত্যার সহযোগী- এসব যদি গণতন্ত্রের অংশ হয় তাহলে তাদের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বাংলাদেশের মাথাব্যথা নেই।

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদের নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর নিজস্ব নিয়ম-কানুন রয়েছে। সেখানে কেউ অপরাধী হলে তাদের ছাড় দেয়ার মতো লোক বঙ্গবন্ধু-কন্যা নয়।’

তিনি বলেন, ‘একসময় দেশের নারী ও তরুণরা আওয়ামী লীগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। এখন শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্বে এককথায় তারা নৌকায় সমর্থন ও ভোট দিচ্ছে।’

আওয়ামী লীগের আসন্ন প্লাটিনাম জুবিলির অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষদের অনেক বড় ভূমিকা থাকবে বলে সভায় উল্লেখ করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক।

সংস্কৃতি বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান, সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌস আহমেদ, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনিসুল ইসলাম প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
এমপি আনারকে হত্যা করেছে বাংলাদেশি অপরাধীরা: ডিএমপি ডিবি প্রধান
এমপি আনারের হত্যাকাণ্ড দুই রাষ্ট্রের বিষয় নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাবা হত্যার বিচারে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান আনারকন্যা
কলকাতার বাসায় এমপি আনারকে পরিকল্পিত হত্যা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভারতে গিয়ে নিখোঁজ এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP announced a 15 day program around Zias death anniversary

জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির

জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণের মহান পথপ্রদর্শক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য আমরা আগামী ২৮ মে থেকে ১১ জুন পর্যন্ত কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। ২৮ মে থেকে ১১ জুন পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বুধবার যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আজ এই মহান নেতা, দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণের মহান পথপ্রদর্শক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য আমরা আগামী ২৮ মে থেকে ১১ জুন পর্যন্ত কর্মসূচি গ্রহণ করেছি।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচি

বিএনপি ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ৩০ মে জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সকাল ৬টায় দলীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে দলীয় পতাকা ও কালো পতাকা উত্তোলন, ড্যাবের উদ্যোগে নয়াপল্টনে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ এবং ছাত্রদলের উদ্যোগে আলোকচিত্র প্রর্দশনী।

২৮ মে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা। ৩১ মে নয়াপল্টনে দোয়া মাহফিল। এছাড়া সারাদেশের মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভা, সেমিনার, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, রচনা প্রতিযোগিতা, স্বরচিত কবিতা পাঠ ও বইমেলা প্রদর্শনী ইত্যাদি।

বিএনপির প্রতিটি অঙ্গ-সংগঠন পৃথকভাবে এসব কর্মসূচির আয়োজন করবে। ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ প্রতিটি ওয়ার্ডে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে বস্ত্র ও খাদ্য বিতরণ এবং দোয়া মাহফিল করবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Munni of the third gender showed surprise
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী

চমক দেখালেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুন্নী আক্তার। ছবি: নিউজবাংলা
বিজয়ের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে মুন্নী আক্তার বলেন, ‘আমি মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে কাজ করব। সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর, বিশেষ করে মা-বোনদের মৌলিক অধিকার আদায়ে কাজ করব।’

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন তৃতীয় লিঙ্গের মুন্নী আক্তার। এই উপজেলায় এবারই প্রথম কোনো তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেন।

মঙ্গলবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী পাঁচ প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হন মুন্নী।

নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সেলাই মেশিন প্রতীকে ২৩ হাজার ৭৬৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মুন্নী আক্তার। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাজেদা বেগম কলস প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ২১ হাজার ১৮৪টি।

বিজয়ের অনুভূতি ও আগামী দিনে কী কী কাজ করবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে মুন্নী বলেন, ‘দেওয়ানগঞ্জের মানুষ আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। এই জন্য আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের ভোট বেশি পেয়েছি। আমি মানুষের মৌলিক অধিকার নিয়ে কাজ করব। সমাজের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর, বিশেষ করে মা-বোনদের মৌলিক অধিকার আদায়ে কাজ করব।’

এ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ৩০ হাজার ২৭৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মো. সোলায়মান হোসেন মোটরসাইকেল প্রতীকে পান ২৫ হাজার ৮৯৮ ভোট।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে বই প্রতীক নিয়ে ২৯ হাজার ৭৭৮ ভোটে পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মো. আরিফ খান।

আরও পড়ুন:
কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ
সাবেক এমপি জাফরকে হারিয়ে এবারও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল
জিতেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্যালক, হেরেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রীর ভাই
নওগাঁয় যারা ছিলেন চেয়ারে, রইলেন তারাই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MPs son wins by defeating his uncle in Kaliganj
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ

কালীগঞ্জে চাচাকে হারিয়ে এমপিপুত্রের জয়লাভ কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের বেসরকারিভাবে নির্বাচিত চেয়ারম্যান রাকিবুজ্জামান আহমেদ (ডানে) ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাহবুবুজ্জামান আহমেদ। কোলাজ: নিউজবাংলা
নির্বাচনে আনারস প্রতীকের প্রার্থী রাকিবুজ্জামান আহমেদকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা জহির ঈমাম। তিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩০৩ ভোট, অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মাহবুবুজ্জামান আহমেদ পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩৫০ ভোট।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুজ্জামান আহমেদের ছেলে রাকিবুজ্জামান আহমেদ আপন চাচা মাহবুবুজ্জামান আহমেদকে হারিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন। ভোটের লড়াইয়ে ভাতিজার কাছে ৪ হাজার ৯৫৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন চাচা মাহবুবুজ্জামান।

নির্বাচনে আনারস প্রতীকের প্রার্থী রাকিবুজ্জামান আহমেদকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা জহির ঈমাম। তিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩০৩ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মাহবুবুজ্জামান আহমেদ পেয়েছেন ১৯ হাজার ৩৫০ ভোট।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে দেবদাস কুমার রায় বাবুল বৈদ্যুতিক বাল্প প্রতীকে ১২ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। টিউবওয়েল প্রতীকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবির হোসেন চৌধুরী ১২ হাজার ৯০৫ ভোট পেয়েছেন।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৮ হাজার ৬৪৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন হাঁস প্রতীকের প্রার্থী শিউলি রানি রায়। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোছাম্মদ নাজনীন রহমান পেয়েছেন ১২ হাজার ২৭৯ ভোট।

অন্যদিকে, জেলার আদিতমারী উপজেলায় ৩৩ হাজার ১৩৫ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ইমরুল কায়েস ফারুক, ২২ হাজার ৫২৩ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মাইদুল ইসলাম সরকার এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোছা. শামসুন্নাহার মিলি ২৪ হাজার ৬৮৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে দুই উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোট ২৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোট গ্রহণ। গণনা শেষে রাত ১টার দিকে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা লুৎফর কবির বেসরকারিভাবে এসব ফলাফল ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:
সাবেক এমপি জাফরকে হারিয়ে এবারও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল
জিতেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শ্যালক, হেরেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রীর ভাই
নওগাঁয় যারা ছিলেন চেয়ারে, রইলেন তারাই
গাইবান্ধায় এমপি সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন রিংকু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is someone paid by BNP at the US State Department briefing Hasan Mahmood

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে ‘পেইড বাই বিএনপি’ কেউ আছে: হাছান মাহমুদ

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে ‘পেইড বাই বিএনপি’ কেউ আছে: হাছান মাহমুদ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ মঙ্গলবার সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ কার্যালয়ে মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: পিআইডি
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সেখানে কেউ একজন আছেন যিনি খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ে কাজ করতেন। তাকে বিএনপি বেতন দেয়। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রশ্ন করেন এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক উত্তর পাওয়ার চেষ্টা করেন।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রশ্ন করে নেতিবাচক উত্তর পাওয়ার জন্য বিএনপি বেতন দিয়ে কাউকে নিয়োজিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন তিনি। সূত্র: ইউএনবি

ড. হাছান বলেন, ‘সেখানে কেউ একজন আছেন যিনি খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ে কাজ করতেন। তাকে বিএনপি বেতন দেয়। তিনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রশ্ন করেন এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক উত্তর পাওয়ার চেষ্টা করেন। উনি ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশ্ন করেন।’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন সহকারী প্রেস সচিব মুশফিকুল ফজল আনসারীর উল্লেখ করে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের সবশেষ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ব্রিফিংয়ে আনসারীর প্রশ্ন ছিল, ‘যুক্তরাষ্ট্র কি বাংলাদেশি পণ্যের জন্য জিএসপি সুবিধা পুনর্বহালের কথা বিবেচনা করছে, যেমনটা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শনিবার বলেছেন- অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লু আশ্বাস দিয়েছেন যে ওয়াশিংটন বাংলাদেশের জন্য জিএসপি সুবিধা পুনর্বহালের বিষয়টি বিবেচনা করবে?’

জিএসপি সুবিধা বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মূলত বলেছেন, এই কর্মসূচি পুনরায় চালু হলে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে এটি ফেরত পেতে সহায়তা করতে চায়।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমি তথ্য ও সত্যের ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছি। যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সার্বিক অবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র শ্রমক্ষেত্রে কাজ করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র জিএসপি সুবিধা পুনরায় চালু করলে তারা এটি ফেরত দিতে চায়।’

আনসারী অন্য একটি মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বলেছিলেন, ‘ডোনাল্ড লুর সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের জন্য র‌্যাবের ওপর আরোপিত যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে হোয়াইট হাউস খুবই আগ্রহী। তাই তিনি বলেছেন যে স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং হোয়াইট হাউস নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে কাজ করছে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডিআরইউ সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ ও সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন।

আরও পড়ুন:
আজিজ আহমেদের নিষেধাজ্ঞা ভিসা নী‌তির অধীনে নয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মন্ত্রিসভায় এপোস্টল কনভেনশন স্বাক্ষরের অনুমোদন, বছরে সাশ্রয় হবে ৫০০ কোটি টাকা
রোহিঙ্গা সংকট আরও গভীর হতে পারে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে দেয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন লু: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশকে এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
11 people including Jamaat leader ATM Azhar were sentenced to prison

জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারসহ ১১ জনকে কারাদণ্ড

জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারসহ ১১ জনকে কারাদণ্ড ছবি: সংগৃহীত
এ টি এম আজহারুল ইসলামের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দণ্ডবিধির পৃথক দুই ধারায় এ কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত। এক ধারায় দেড় বছর ও আরেক ধারায় ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

রাজধানীর মতিঝিল থানার নাশকতা মামলায় জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামসহ ১১ জনকে দু’বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে উভয় ধারায় এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন সাতজন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী মঙ্গলবার এই রায় ঘোষণা করেন।

২০১০ সালের নভেম্বরে নাশকতার অভিযোগে মতিঝিল থানায় মামলাটি করা হয়।

সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- মোবারক হোসেন, হাসান আল মামুন, আবু তাহের মেজবাহ, মো. জাহাঙ্গীর, মো. ইব্রাহিম, সাইফুল ইসলাম, মো. জরিপ, আবুল কাশেম, আশরাফুজ্জামান ও মো. রেদুয়ান।

এ টি এম আজহারুল ইসলামের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দণ্ডবিধির পৃথক দুই ধারায় এ কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত। এক ধারায় দেড় বছর ও আরেক ধারায় ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, রায় ঘোষণার সময় যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। আর সাজাপ্রাপ্ত অন্য ১০ আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জামায়াতের আমির ১৪ মাস পর কারামুক্ত

মন্তব্য

p
উপরে