× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
League is not paying attention to BNP rally in Rangpur
hear-news
player
google_news print-icon

রংপুরে বিএনপির সমাবেশকে পাত্তা দিচ্ছে না আ.লীগ

রংপুরে-বিএনপির-সমাবেশকে-পাত্তা-দিচ্ছে-না-আলীগ
রংপুরে বিএনপির সভা (বাঁয়ে), বিভাগীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের র‍্যালি। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
রংপুরে জাতীয় পার্টির সমাবেশ হয়ে গেছে দুই দিন আগে। শনিবার বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ। এতে বিপুল লোকসমাগমের প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। তবে ক্ষমতাসীন দল বলছে, তারা বিচলিত নয়। তাদের অবস্থান সুদৃঢ়।

আগামী ২৯ অক্টোবর শনিবার রংপুর বিভাগীয় গণসমাবেশের ডাক দিয়েছে বিএনপি। এই সমাবেশকে ঘিরে পাড়া-মহল্লা, ওয়ার্ড থেকে উপজেলা, জেলা পর্যন্ত লিফলেট বিতরণ, সভা সমাবেশসহ ব্যাপক শোডাউন করছে দলটি। টার্গেট খুলনা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রামের চেয়ে রংপুরে গণসমাবেশে উপস্থিতি বেশি দেখানো।

এদিকে গত মঙ্গলবার রংপুরে একটি বড় শোডাউন করেছে জাতীয় পার্টি। জাতীয় পার্টি ও বিএনপির পর পর সমাবেশকে ঘিরে রংপুর অঞ্চলের রাজনীতিতে সরগরম আলোচনা তৈরি হয়েছে। এই সমাবেশগুলো থেকে আগামী নির্বাচনের নতুন বার্তা আসবে কি না- এ নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে এই দুই দলের সমাবেশকে খুব একটা পাত্তা দিচ্ছে না ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

নেতারা বলছেন, রংপুর অঞ্চলে আওয়ামী লীগ অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে সৃদঢ়, মজবুত। কোনো সভা-সমাবেশ বা হুমকি-ধমকিতে আওয়ামী লীগ বিচলিত হওয়ার দল নয়।

রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল বলেন, ‘তাদের এসব সম্মেলন-সমাবেশ নিয়ে আমরা মোটেও চিন্তিত নই। দীর্ঘদিন বিএনপি ও জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় থেকেও রংপুরের কোনো উন্নয়ন করেনি। এ অঞ্চলের মানুষ এই দুই দলের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। যতই আন্দোলন-সংগ্রাম, সমাবেশ করুক, দেশের সাধারণ মানুষ জানে রংপুর বিভাগের উন্নয়নে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। গালগল্প এখন মানুষ বিশ্বাস করে না, মানুষ চায় উন্নয়ন। সুতরাং এই দৃশ্যমান উন্নয়ন থেকে সাধারণ মানুষকে বিমুখ করা সহজ নয়।’

তবে স্বীকার না করলেও একেবারে স্বস্তিতে নেই ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। কেন্দ্রের সঙ্গে পরামর্শ করে পাল্টা কর্মসূচির পরিকল্পনা নিয়ে ছক আঁকছে তারা। ২৭ অক্টোবর ছাত্রলীগের ঘোষিত বিভাগীয় ছাত্রসমাবেশ পেছানো হয়েছে ১৯ নভেম্বর। পাল্টা কর্মসূচির এই সমাবেশে সর্বোচ্চ উপস্থিতির পরিকল্পনা করছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ।

রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়ার রহমান সফি বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে রংপুরে বিভিন্ন ইস্যুতে সভা-সম্মেলন-সমাবেশ করছে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো। নতুন করে আর পাল্টা কর্মসূচি দেয়ার প্রয়োজন নেই। আমরা কিছুদিন আগে রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে সম্মেলন করেছি। কমিটি দিয়েছি। ছাত্র সমাবেশে ব্যাপক উপস্থিতি হবে।’

রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজু বলেন, ‘আমরা প্রতিদিনই কর্মসূচি করছি। এখানকার রাজনীতির মাঠ আমাদের দখলে, আমাদের নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত। বিএনপি-জাপার সমাবেশ-সম্মেলনের পর আর পাল্টা কর্মসূচি দেয়ার দরকার নেই।’

বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, ‘পরিবহন ধর্মঘট, আওয়ামী লীগ ও পুলিশের যৌথ হামলা ইত্যাদির মাধ্যমে বিএনপির সমাবেশ ঠেকানোর চেষ্টার পরও রংপুরে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি হবে। এমনকি চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনার চেয়েও রংপুরে বেশি মানুষ হবে।’

তিনি বলেন, ‘রংপুরের সমাবেশে ঘূর্ণিঝড়ের মতো মানুষ আসবে। কোনো বাধা-বিপত্তি সমাবেশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এই সমাবেশ থেকে হাসিনা পতনের আন্দোলন শুরু হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের রংপুরের নেতা-কর্মীরা সমাবেশের জন্য জিলা স্কুল মাঠ বরাদ্দের আবেদন করেন। কিন্তু সেখানে ব্যাপক সমাগম হওয়ার ভয়ে পাশের ঈদগাহ মাঠে অনুমতি দিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ধর্মঘট: বাস মালিকদের বিএনপির সতর্কতা
বিএনপির সমাবেশ ঘিরে বাস ধর্মঘটে অচল রংপুর
আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সংসদের সভা শুক্রবার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Russia Ukraine like debacle should be avoided Chinese ambassador

রাশিয়া-ইউক্রেনের মতো বিপর্যয় এড়িয়ে চলা উচিত: চীনের রাষ্ট্রদূত

রাশিয়া-ইউক্রেনের মতো বিপর্যয় এড়িয়ে চলা উচিত: চীনের রাষ্ট্রদূত সোমবার পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। ছবি: নিউজবাংলা
চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ইউরোপ বিপর্যয়ে পড়েছে। বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের দেশগুলোর বিষয়টি মাথায় রেখে বিপর্যয় এড়িয়ে চলা উচিত।

এশিয়ার দেশগুলোকে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মতো অবস্থা এড়িয়ে চলা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। তিনি বলেন, ‘ইউরোপের উন্নত ও অর্থনৈতিক শক্তিসম্পন্ন দেশগুলো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিপর্যয়ে পড়েছে। বাংলাদেশসহ আমাদের অঞ্চলের দেশগুলোর বিষয়টি মাথায় রেখে বিপর্যয় এড়িয়ে চলা উচিত।’

সোমবার পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সঙ্গে দেখা করতে আসেন চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘৩ বছর চার মাস আগে আমি বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পাই। বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত থাকার সময়টা আমি খুব উপভোগ করেছি। বাংলাদেশ একটি অসাধারণ দেশ। বাংলাদেশের মানুষ খুবই বন্ধুবৎসল।

‘চীনা প্রেসিডেন্ট আমাকে বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক উন্নয়নের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আমি মনে করি গত ৩ বছর চার মাসে চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে বেশ কিছু অর্জন আছে। করোনার সময় বাংলাদেশ-চীন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছে। দুই দেশ বেশকিছু প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। বেশ কিছু প্রকল্প শেষ হয়েছে। সামনে বেশ কিছু প্রকল্প শেষ হবে।’

লি জিমিং বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। দেশটি অর্থনৈতিকভাবে ভালো করছে। সামনের দিনে বাংলাদেশ আরও অনেক ভালো করবে বলে আমি আশাবাদী।’

বিআরটি প্রকল্পে দুর্ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনায় চীনা কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের এখতিয়ার।’

বাংলাদেশের সঙ্গে চীন, ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক নিয়ে জানতে চাইলে লি জিমিং বলেন, ‘সবাই সবার বন্ধু হওয়া উচিত। এখানে কেউ কারও বিরুদ্ধে কৌশলে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়। আমরা যদি ইউরোপের দিকে তাকাই তাহলে বিষয়টি বোঝা যাবে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তারা বিপর্যয়ে পড়েছে। বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলের দেশগুলোর বিষয়টি মাথায় রেখে বিপর্যয় এড়িয়ে চলা উচিত।’

বিদায়ের সময় চীনের রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পিঠা উপহার দেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
অর্থনৈতিক উন্নয়নে শৃঙ্খলা জরুরি: পরিকল্পনামন্ত্রী
অক্টোবর থেকেই ঘুরে দাঁড়াবে অর্থনীতি: এম এ মান্নান
বাংলাদেশকে ৫০ কোটি ডলার সহায়তা দেবে এডিবি
দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর কাজ শিগগির: পরিকল্পনামন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Directorate of Consumer Affairs is interested in monitoring dining canteens of DU

ঢাবির ডাইনিং-ক্যান্টিন তদারকিতে আগ্রহী ভোক্তা অধিদপ্তর

ঢাবির ডাইনিং-ক্যান্টিন তদারকিতে আগ্রহী ভোক্তা অধিদপ্তর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান। ছবি: নিউজবাংলা
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাইনিং এ ক্যান্টিনগুলোতে খাবারের মান নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে। সেখানে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবার রান্না ও পরিবেশন হয় কি না তা তদারকি করতে চাই আমরা।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রাবাসের ডাইনিং ও ক্যান্টিনগুলো তদারকি করতে চায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে।

সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ মিলনায়তনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ বিষয়ে একটি সেমিনারে এ নিয়ে আলোচনা হয়।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাইনিং এ ক্যান্টিনগুলোতে খাবারের মান নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন ওঠে। সেখানে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে খাবার রান্না ও পরিবেশন হয় কি না তা তদারকি করতে চাই আমরা।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করারও প্রস্তাব দেন তিনি। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এএসএম মাকসুদ কামাল একমত হন। তারা একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের খাবারে কোনো মূল্য তালিকা নেই। মঙ্গলবারের মধ্যে সেখানে মূল্য তালিকা টানানোরও সিদ্ধান্ত হয় সেমিনারে।

ভোক্তা অধিকারের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। আইনটি ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণে কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে সে বিষয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

পরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। পরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এবিএম শহিদুল ইসলাম, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মীজানুর রহমানও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি পূরণে সময় নিলেন ঢাবি উপাচার্য
উৎসবমুখরতায় শেষ হলো ঢাবি’র ৫৩তম সমাবর্তন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Complaint of BNP supporters lawyers to the Chief Justice

প্রধান বিচারপতির কাছে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের নালিশ

প্রধান বিচারপতির কাছে বিএনপি সমর্থক আইনজীবীদের নালিশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
চিঠিতে বলা হয়, সারা দেশে রাজনৈতিক বিরোধীদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্বারা নিপীড়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রায় ৪০ লাখ বিরোধী কর্মীকে প্রায় এক লাখ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জড়ানো হয়েছে।

বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে এমন অভিযোগ এনে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর কাছে নালিশ করেছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষায় বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতারা প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর সঙ্গে দেখা করে লিখিত এসব দাবি জানান।

সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কায়সার কামাল, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদল, রুহুল কুদ্দুস কাজলসহ আরও কয়েকজনের একটি দল যায় প্রধান বিচারপতির কাছে।

ফোরামের লিখিত আবেদনে বলা হয়, ২০০৭ সালের শুরু হওয়া ক্ষমতার সুস্পষ্ট নতুন রূপের অবাস্তব সংস্কার, বিচার বিভাগের ওপর নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণ এবং আধিপত্য এবং উচ্চ আদালত ও অধস্তন আদালতে বিচারক নিয়োগে ক্রমবর্ধমান রাজনীতিকরণ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতাকে আরও খর্ব করেছে। এর ফলে বিচার বিভাগকে স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং দক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না এবং এর প্রতি জনগণের আস্থা কমে গেছে।

চিঠিতে বলা হয়, সারা দেশে রাজনৈতিক বিরোধীদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্বারা নিপীড়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সারা দেশে প্রায় ৪০ লাখ বিরোধী কর্মীকে প্রায় এক লাখ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জড়ানো হয়েছে।

এই ধরনের রাজনৈতিক মামলাগুলো ‘রাজনৈতিক নিপীড়নের’ উৎকৃষ্ট উদাহরণ ছাড়া আর কিছুই নয় বলেও উল্লেখ করা হয় চিঠিতে। বলা হয়, রাজনৈতিক বিরোধীদের নিপীড়ন ও বিচার করার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দ্বারা বিচার ব্যবস্থার এই ধরনের উদ্বেগজনক ব্যবহার, সংবিধানের মৌলিক অধিকারের একটি পরিহাসমূলক লঙ্ঘন এবং বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি, পবিত্রতা ও মর্যাদার ভূলণ্ঠন।

সরকার বিএনপির আন্দোলনকে দমন করতে বিচার ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করছে বলেও অভিযোগ করা হয় চিঠিতে। বলা হয়, এর ফলে বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা কমছে।

ফোরামের চাওয়া

প্রধান বিচারপতির কাছে তিনটি দাবি তুলে ধরেছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম।

প্রথমত. বিচারব্যবস্থার প্রতি জনসাধারণের উপলব্ধি, বিশ্বাস এবং আস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য এমন পদক্ষেপ যেন গ্রহণ করা হয় যাতে প্রমাণিত হয় যে বিচার বিভাগ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত।

দ্বিতীয়ত. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ সালের অধীনে মামলাসহ রাজনৈতিক মামলাগুলি এমনভাবে পরিচালনা/বিচার করা যাতে বিচার বিভাগের উপর জনগণের বিশ্বাস এবং আস্থা ফিরে আসে।

তৃতীয়ত. আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো আমলে নিয়ে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি, মর্যাদা এবং সম্ভ্রম পুনরুদ্ধারের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

আরও পড়ুন:
১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব: ফখরুল
সড়কে সমাবেশের অনুমতি পাচ্ছে না বিএনপি
রিজভীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ
বিএনপির সমাবেশ ঘিরে থাকবে র‌্যাবের চেকপোস্ট-হেলিকপ্টার
যুবদল সভাপতি টুকুসহ ৭ জন রিমান্ডে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Leather industry exhibition starts on Wednesday

চামড়া শিল্পের প্রদর্শনী শুরু বুধবার

চামড়া শিল্পের প্রদর্শনী শুরু বুধবার সংবাদ সম্মেলনে প্রদর্শনীর আয়োজকরা। ছবি: নিউজবাংলা
চামড়া শিল্পের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২২’ বুধবার শুরু হচ্ছে বসুন্ধরার ইন্টারন্যাশনাল কনভেশন সিটিতে। অষ্টমবারের মতো আয়োজন করা তিন দিনের এই প্রদর্শনীতে ১০টি দেশের প্রায় ২০০ প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।

চামড়া শিল্পের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২২’ শুরু হচ্ছে আগামী বুধবার। অষ্টমবারের মতো আয়োজন করা তিন দিনের এই প্রদর্শনী রাজধানীর বসুন্ধরায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেশন সিটিতে শুরু হবে।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আয়োজকরা।

বাংলাদেশের চামড়া, চামড়াজাত পণ্য এবং ফুটওয়্যার শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় মেশিনারি, কম্পোনেন্ট ক্যামিকেল এবং অ্যাকসেসরিজ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রযুক্তি তুলে ধরা হবে প্রদর্শনীতে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ভারত থেকে ফর লেদার এক্সপোর্টস (সিএলই) এবং ইন্ডিয়ান ফুটওয়্যার কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশননের (ইফকোমা) প্যাভিলিয়নসহ ১০টি দেশের প্রায় ২০০ প্রতিষ্ঠান প্রদর্শনীতে অংশ নেবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফেকচারার অ্যান্ড এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলএফএমইএবি) প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, সাধারণ সম্পাদক মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম, এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রা. লিমিটেডের পরিচালক নন্দগোপাল কে, ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু সুলতান ভূইয়াসহ নেতারা।

সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, ‘বিশ্বে প্রতিদিন শুধু জুতা বিক্রির পরিমাণ ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। আমাদের দেশের রপ্তানিতে চামড়া শিল্প দ্বিতীয় অবস্থানে। এ শিল্প থেকে রপ্তানি আয় চলতি অর্থবছরে ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ধরা হয়েছে, যে লক্ষ্যমাত্রা কঠিন কিছু নয়। সরকারি সহযোগিতা পেলে আমরা এ শিল্পকে অনেক দূর নিয়ে যেতে পারবো।’

নন্দগোপাল কে বলেন, ‘এবারের আয়োজনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মেশিনারি সরবরাহকারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রদর্শনীর প্রোফাইলটি ব্যাপক আশাব্যঞ্জক। তিন দিনের প্রদর্শনীতে বিশ্ব নেতাদের উপস্থিতি স্থানীয় শিল্পকে উৎসাহিত ও উপকৃত করবে।’

লেদারটেক বাংলাদেশ-২০২২ আয়োজনে প্রধান পৃষ্ঠপোষকতা করছে লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারারস অ্যান্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। অন্যান্য পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে আছে বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ পাদুকা প্রস্তুতকারক সমিতি।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বুধবার সকালে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন। তিন দিনের এই প্রদর্শনী শেষ হবে আগামী ৯ ডিসেম্বর। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে প্রদর্শনী।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
308 detected on days without dengue deaths

ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্ত ৩০৮

ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্ত ৩০৮ এডিস মশার বিস্তারে বাড়ছে ডেঙ্গু। ছবি: সংগৃহীত
বছরের শুরু থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ হাজার ৯২৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৭ হাজার ৩৯০ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৫৩৭ জন।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩০৮ জন। এসময় ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যু হয়নি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সোমবার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। তবে চলতি বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ১৭২ ও ঢাকার বাইরে ১৩৬ জন রোগী আছেন। এ নিয়ে বর্তমানে সারা দেশে ১ হাজার ৩৩২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৫৩টি হাসপাতালে ৭৭৭ জন ও ঢাকার বাইরে ৫৫৫ জন।

বছরের শুরু থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৮ হাজার ৯২৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৭ হাজার ৩৯০ জন এবং ঢাকার বাইরে সারা দেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২১ হাজার ৫৩৭ জন।

অক্টোবর মাসে সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ২১ হাজার ৯৩২ জন, যা বছরের মোট আক্রান্তের ৫৭ শতাংশ। এ মাসে মোট মৃত্যু ছিল ৮৬, যা বছরের মোট মৃত্যুর ৬০ শতাংশ।

এদিকে নভেম্বরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৯ হাজার ৩৩৪ জন। আর ডিসেম্বরের প্রথম পাঁচ দিনে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৬৯ জন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৩৩৮ জন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩৬ হাজার ৪৫৬ ও ঢাকার বাইরে ২০ হাজার ৮৮২জন।

আরও পড়ুন:
মৃত্যুশূন্য এক দিন পর ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু
মৃত্যুশূন্য দিনে ডেঙ্গু শনাক্ত ৩৫১
মৃত্যুশূন্য একদিন পর ডেঙ্গুতে আবার ৩ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে মৃত্যুশূন্য দিন, শনাক্ত ৩৬৬
ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, শনাক্ত ৪৬২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
PM likely to visit Japan this year Ambassador

এ বছর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের সম্ভাবনা কম: রাষ্ট্রদূত

এ বছর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের সম্ভাবনা কম: রাষ্ট্রদূত জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি সোমবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
জাপানি রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব এই সফর আয়োজনে দুই দেশ কাজ করছে। কারণ এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সফর। তবে চলতি বছরে এই সফর সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি না।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টোকিও সফর এ বছর হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন জাপানের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি। সচিবালয়ে সোমবার তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব এই সফর আয়োজনে দুই দেশ কাজ করছে। কারণ এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সফর। আগে কিংবা পরে এই সফর হবে বলে প্রত্যাশা করছি। তবে চলতি বছরে এই সফর সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি না।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৯ নভেম্বর চারদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে টোকিও যাওয়ার কথা ছিল। তবে জাপানে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে সফরটি স্থগিত করা হয়।

জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে বাংলাদেশে আমার দায়িত্ব শেষ হতে যাচ্ছে। এখানে তিন বছর দুই মাস দায়িত্ব পালন করেছি। তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে এসেছিলাম। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।’

ইতো নাওকি বলেন, ‘বাংলাদেশে জাপানের দ্য বে অফ বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট (বিগ-বি) প্রকল্প রয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাপানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ২০১৪ সালে এই প্রকল্প নিয়েছিলেন।

‘বড় বড় প্রকল্পে কাজ করছে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার এমআরটির মেট্রোরেল ও মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প।

‘আঞ্চলিক কানেকটিভিটিসহ জাপান এসব প্রকল্প সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে চায় বলে আমি তথ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছি। মঙ্গলবার আড়াইহাজারে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হতে যাচ্ছে। আমি আশা প্রকাশ করছি, দু-দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু হতে যাচ্ছে।’

বিদায়ী রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘এখানে আমার চমৎকার কিছু স্মৃতি রয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ খুবই সদয়। তারা জাপানের প্রতি অনুরক্ত। তারা খুবই অতিথিপরায়ণ। আমি সিলেট, সুন্দরবন এলাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বরিশাল, পাহাড়পুরসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি। সেসব জায়গায় স্থানীয়দের কাছ থেকে বেশ সমাদর পেয়েছি।

‘জাপান-বাংলাদেশ পরীক্ষিত বন্ধু দেশ। আমরা নিজেদের মধ্যকার অংশীদারত্ব নতুন স্তরে নিয়ে যেতে চাই।’

আরও পড়ুন:
জাপানের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক মঙ্গলবার
জাপানের দূত ভালো মানুষ, ভুল বুঝিয়েছে দুষ্টু লোক: মোমেন
বাংলাদেশ নিয়ে মন্তব্যে বিদেশিদের বাধ্য করেন সাংবাদিকরা: মোমেন
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে হবে নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি
ভোট নিয়ে জাপানি দূতের বক্তব্য চরম সত্য কথা: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Enamul Bashirs bail upheld on appeal

এনামুল বাছিরের জামিন আপিলে বহাল

এনামুল বাছিরের জামিন আপিলে বহাল দুদকের বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। ফাইল ছবি
দুদকের বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। সোমবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ দুদকের আবেদন খারিজ করে তার জামিন বহাল রাখেন।

ঘুষ কেলেঙ্কারির মামলায় বিচারিক আদালতে দণ্ড পাওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।

সোমবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ দুদকের আবেদন খারিজ করে তার জামিন বহাল রাখেন।

আদালতের দুদকের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী খুরশীদ আলম খান, বাছিরের পক্ষে ছিলেন এসএম শাহজাহান।

এর আগে গত ২২ নভেম্বর হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত করেছিল চেম্বার জজ আদালতের বিচারক এম ইনায়েতুর রহিম। ওই দিন চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করে ৫ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়। আজ আপিল বিভাগ শুনানি শেষে তার জামিন বহাল রাখে।

গত ১৭ নভেম্বর বিচারপতি মো. রইস উদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এনামুল বাছিরকে জামিন দেয়।

ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিলে আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন। হাইকোর্টে এনামুল বাছিরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুখ আলমগীর চৌধুরী।

এর আগে গত ২৩ আগস্ট হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ জামিন দিলেও পরে সেটি বাতিল করে দেয়। এরপর ফের জামিন চেয়ে আবেদন করেন এনামুল বাছির।

চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি খন্দকার এনামুল বাছিরকে আট বছর ও পুলিশের বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে তিন বছর কারাদণ্ড দেয় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে জামিন আবেদন করেন এনামুল বাছির। অন্যদিকে তার সাজা বাড়াতে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক। দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল জারি করে।

২০১৯ সালের ২২ জুলাই দুদকের পরিচালক ফানাফিল্লাহর নেতৃত্বে দুদকের একটি টিম মিরপুরের দারুস সালাম এলাকা থেকে এনামুল বাছিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরের দিন ২৩ জুলাই জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েস তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন, কমিশনের তথ্য পাচার ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে দুদক।

২০১৯ সালের ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে পুলিশের বরখাস্ত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

এনামুল বাছির ১৯৯১ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোতে যোগ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হওয়ার পর তিনি সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক ও পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পান।

আরও পড়ুন:
তিন ব্যাংকের অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক
নর্থ সাউথের কাশেমের জামিন আপিলে বহাল
সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ৮ মাস
মায়ার খালাসের বিরুদ্ধে দুদকের আপিল
এনামুল বাছিরের জামিন স্থগিত

মন্তব্য

p
উপরে