× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Strike BNP warns bus owners
hear-news
player
google_news print-icon

ধর্মঘট: বাস মালিকদের বিএনপির সতর্কতা

ধর্মঘট-বাস-মালিকদের-বিএনপির-সতর্কতা
যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াপল্টনে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা
বাস মালিক ও শ্রমিকদের বলছি, কাদের সহায়তায় এটা করছেন, যারা দেশ ধ্বংস করেছে, এটা করবেন না। জনগণের বিপক্ষে যাবেন না: মির্জা ফখরুল

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের সময় ধর্মঘট ডাকা বাস মালিকদের সতর্ক করে দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ধরনের কর্মসূচিকে জনগণের বিরুদ্ধাচরণ হিসেবে দেখছেন তিনি।

প্রথমে ময়মনসিংহ, পরে খুলনা, এরপর বরিশাল এবং সবশেষে রংপুরের পরিবহন মালিকরা বিএনপির সমাবেশের দিন নানা দাবি তুলে পরিবহন ধর্মঘট ডাকার পর প্রথমবারের মতো তাদের উদ্দেশে এই হুঁশিয়ারি এলো।

বৃহস্পতিবার যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নয়াপল্টনে এক সমাবেশে বিষয়টি নিয়ে কথা বললেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘বাস মালিক এবং শ্রমিকদের বলছি, কাদের সহায়তায় এটা করছেন, যারা দেশ ধ্বংস করেছে, এটা করবেন না। জনগণের বিপক্ষে যাবেন না।’

আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সমাবেশ দেখে আপনাদের কম্পন উঠে গেছে। কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেছে। তাই সমাবেশের আগে পরিবহন ধর্মঘট ডাকতে বাধ্য করছেন।

‘এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনগণকে ভোগান্তি দেয়া ছাড়া অন্য কোনো লাভ হবে না। সবকিছু বন্ধ করে দিলেও এখন থেকে বিএনপির কোনো সমাবেশ বন্ধ হবে না।’

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ নানা দাবিতে বিএনপি দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশ করছে। ৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম, ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহ ও ২২ অক্টোবর খুলনায় সমাবেশ করেছে দলটি। এরই ধারাবাহিকতায় ২৯ অক্টোবর রংপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে চতুর্থ গণসমাবেশের ঘোষণা রয়েছে তাদের।

চট্টগ্রামের সমাবেশ নির্বিঘ্নে হলেও ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহ এবং ২২ অক্টোবর খুলনার মালিক সমিতিও বাস ধর্মঘট ডেকেছিল নানা দাবিতে। আগামী ৫ নভেম্বর বরিশালে সমাবেশের ১০ দিন আগে ২৬ অক্টোবর সেখানকার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয় আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর তারা বাস চালাবেন না। দাবি হিসেবে মহাসড়কে তিন চাকার ধীরগতির যানবাহন বন্ধের বিষয়টি জানিয়েছেন তারা।

ধর্মঘট: বাস মালিকদের বিএনপির সতর্কতা
১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহ, ২২ অক্টোবর খুলনার পর ২৯ অক্টোবর রংপুর ও ৫ নভেম্বর বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের দিন পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে

রংপুরের সমাবেশের দুই দিন আগে বিভাগীয় বাস মালিক সমিতি জেলা সমিতিকে শুক্রবার ভোর থেকে শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত বাস চালাতে নিষেধ করেছে। কারণ হিসেবে মহাসড়কে নছিমন, করিমনের মতো তিন চাকার বিপজ্জনক যানবাহন বন্ধের দাবি তোলা হয়েছে।

বিএনপির নেতা-কর্মীরা বরাবরই অভিযোগ করে আসছেন, সমাবেশে লোকসমাগম ঠেকাতেই সরকারের প্ররোচনায় এসব ধর্মঘট ডাকা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সরকার পক্ষ বলছে, বিএনপির অতীতের নানা কর্মসূচিতে বাসে আগুন ও ভাঙচুরের ভয়ে মালিকরা বাস বন্ধ রাখছেন, এতে সরকারের হাত নেই।

বিএনপি যখন সরকারে ছিল, তখন ২০০৫ ও ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগের নানা কর্মসূচির আগেও এভাবে বাস বন্ধ হয়ে যেত, গণগ্রেপ্তার ও বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের সমাবেশে আসা ঠেকাতে হামলাও ছিল এক নিয়মিত ঘটনা। দেড় যুগ পরও বাস বন্ধের এই রীতি রয়ে গেছে।

সে সময় আওয়ামী লীগের নেতারা যেসব অভিযোগ করতেন, এখন বিএনপির নেতারা সেসব কথা বলছেন।

আওয়ামী লীগের সরকার গুলি করে, নির্যাতন করে আন্দোলন বন্ধ করতে চায় উল্লেখ করে যুবদলের সমাবেশে ফখরুল বলেন, ‘মানুষ এখন জেগে উঠেছে। তাই গণজাগরণ ঠেকাতে গুলি করে নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে। আগামী দিনে কঠোর আন্দোলনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।

‘আন্দোলনে খালেদা জিয়া ও দলের গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীরা মুক্ত হবেন। সে জন্য নেতা-কর্মীদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকতে হবে।’

‘নির্বাচনের খেলা আর নয়’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার ছাড়া দেশে কোনো ‘নির্বাচনের খেলা’ হবে না বলেও জানিয়ে দেন ফখরুল। বলেন, ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছাড়া ফাঁকা মাঠে খেলা হয় না। পদত্যাগ করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। সেই নির্বাচনে বিএনপি খেলবে।

'অতীতে দুই নির্বাচনের মতো এবার খেলতে দেয়া হবে না। ইতিপূর্বে আপনারা ফাঁকা মাঠে বহু খেলেছেন। ১৮ কোটি মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলছেন।’

দেশের মানুষ এখন সীমাহীন কষ্টে আছে উল্লেখ করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘অনেকটাই না খেয়ে মরার মতো অবস্থা। গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই; চারিদিকে শুধু নেই আর নেই।

‘সর্বত্র খারাপ অবস্থা বিরাজ করছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্যে দল নিরপেক্ষ সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন দিয়ে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’ বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় দাবি করে তিনি বলেন, ‘তাই জনগণের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই।’

সবার হাতে বাঁশের লাঠি রাখার নির্দেশ

সরকার নিষেধ করলেও বিএনপির সবাইকে বাঁশের লাঠি নিয়ে সমাবেশে আসতে বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ‘বাঁশের লাঠি সবার হাতে থাকবে। আঘাত এলেই পাল্টা আঘাত। ওবায়দুল কাদের খেলতে আসেন। তবে খেলতে এসে ফাউল করলে হাত-পাও থাকবে না।’

ধর্মঘট: বাস মালিকদের বিএনপির সতর্কতা
নয়াপল্টনে যুবদলের সমাবেশে নেতা-কর্মী

তিনি বলেন, ‘জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করে রাজপথে আসেন। তার পরে খেলাতে আসেন।’

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম মুন্নার সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, সদস্যসচিব আমিনুল হক, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার প্রমুখ।

এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে শোডাউন করেছেন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। বেলা ২টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সময়ের আগেই মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে থাকেন তারা। একপর্যায়ে নয়াপল্টন, বিজয়নগর, ফকিরাপুল লোকারণ্য হয়ে যায়।

সমাবেশের কারণে ফকিরাপুল মোড় থেকে কাইকরাইলের নাইটিংগেল মোড় পর্যন্ত সড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

সমাবেশের মঞ্চে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য আসন রাখা হয়। চেয়ারে তাদের ছবি এবং জাতীয় পতাকা রাখা হয়।

এই কর্মসূচি ঘিরে সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন ছিল পল্টন এলাকায়। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো গোলযোগ হয়নি।

আরও পড়ুন:
সংঘর্ষে জড়াল স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রু‌প
খুলনার ‘বীর জনতাকে’ বিএনপির অভিনন্দন
বরিশালেও বিএনপির সমাবেশের আগের দিন থেকে বাস বন্ধ
বিএনপি পশ্চাৎমুখী দল: কাদের
বিএনপির খুলনার সমাবেশ দেখে তথ্যমন্ত্রীর কাতুকুতু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
I want the promise of voting by boat Sheikh Hasina

নৌকায় ভোটের ওয়াদা চাই: শেখ হাসিনা

নৌকায় ভোটের ওয়াদা চাই: শেখ হাসিনা জনসভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভোট হবে এ বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে। নৌকায় ভোট দেবেন কি না ওয়াদা চাই। ২৯৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদশে যেন করতে পারি আপনার এ জন্য নৌকায় ভোট দেবেন।’

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জয় লাভ করে আবারও সরকার গঠন করতে রাজশাহীবাসীর কাছে ভোট চাইলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় রোববার বিকেলে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভোট হবে এ বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে। নৌকায় ভোট দেবেন কি না ওয়াদা চাই। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদশে যেন করতে পারি, আপনার এ জন্য নৌকায় ভোট দেবেন।’

এ সময় জনসভাস্থলে উপস্থিত জনতা প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে হাত তুলে হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়েন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই আজ দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। একদিনে ১০০ সেতু, ১০০ সড়ক কোনো সরকার করতে পেরেছে? আওয়ামী লীগ পেরেছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল বলে বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। কে দিয়েছে? এই বাংলাদেশ, আওয়ামী লীগ সরকার। উন্নত দেশও পারে নাই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপির ক্ষমতায় এসে খুন, হত্যা, ধর্ষণ এগুলো হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকায় ভোট না দিলে দেশ স্বাধীন হতো না। তোদের নেতা জিয়াউর রহমান মেজর থেকে মেজর জেনারেল হতে পারতো না। খালেদা জিয়াও প্রধানমন্ত্রী হতে পারতো না। ’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘এখন ইউক্রেন যুদ্ধ, বিশ্বক্যাপী মুদ্রাস্ফীতি। আমরা ১ কোটি মানুষের জন্য টিসিবির কার্ড করে দিয়েছি। হতদরিদ্ররা বিনা পয়সায় চাল পাচ্ছে।মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ করে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মানুষের জন্য কাজ করি। বিএনপি কি করে; মানুষ হত্যা, সন্ত্রাস। তারা আন্দোলনের নামে বহু অফিস পুড়িয়েছে। কোনো মানুষ জীবন্ত মানুষকে পুরিয়ে মারতে পারে? তারা মেরেছেন।

‘তারা উসকানি দেয়। বাংলাদশের মানুষের ভালো তারা সহ্য করতে পারেনা। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, জনগণের ভোট চুরি করে বিএনপি তাদের পার্লামেন্টে বাসায়।’

আরও পড়ুন:
নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপির পদযাত্রার অনেক মানে জানালেন কাদের
রাজশাহীর জনসভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The country is self sufficient today because they voted by boat Prime Minister

নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী জনসভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই আজ দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। একদিনে ১০০ সেতু, ১০০ সড়ক কোনো সরকার করতে পেরেছে? আওয়ামী লীগ পেরেছে।’

নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে জনগণ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসিয়েছে বলেই দেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় রোববার বিকেলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকায় ভোট দিয়েছেন বলেই আজ দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। একদিনে ১০০ সেতু, ১০০ সড়ক কোনো সরকার করতে পেরেছে? আওয়ামী লীগ পেরেছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল বলে বিনা পয়সায় ভ্যাকসিন দিয়েছি। কে দিয়েছে? এই বাংলাদেশ, আওয়ামী লীগ সরকার। উন্নত দেশও পারে নাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নৌকায় ভোট না দিলে দেশ স্বাধীন হতো না। তোদের নেতা জিয়াউর রহমান মেজর থেকে মেজর জেনারেল হতে পারতো না। খালেদা জিয়াও প্রধানমন্ত্রী হতে পারতো না। ’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘এখন ইউক্রেন যুদ্ধ, বিশ্বক্যাপী মুদ্রাস্ফীতি। আমরা ১ কোটি মানুষের জন্য টিসিবির কার্ড করে দিয়েছি। হতদরিদ্ররা বিনা পয়সায় চাল পাচ্ছে।মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ করে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মানুষের জন্য কাজ করি। বিএনপি কি করে; মানুষ হত্যা, সন্ত্রাস। তারা আন্দোলনের নামে বহু অফিস পুড়িয়েছে। কোনো মানুষ জীবন্ত মানুষকে পুরিয়ে মারতে পারে? তারা মেরেছেন।

‘তারা উসকানি দেয়। বাংলাদশের মানুষের ভালো তারা সহ্য করতে পারেনা। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, জনগণের ভোট চুরি করে বিএনপি তাদের পার্লামেন্টে বাসায়।’

এ সময় আগামী নির্বাচনে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে রাজশাহীবাসীর প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘ভোট হবে এ বছরের শেষে বা আগামী বছরের শুরুতে। নৌকায় ভোট দেবেন কি না ওয়াদা চাই। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদশে যেন করতে পারি, আপনার এ জন্য নৌকায় ভোট দেবেন।’

জনসভাস্থলে উপস্থিত জনতা প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে হাত তুলে হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়েন।

আরও পড়ুন:
বিএনপির পদযাত্রার অনেক মানে জানালেন কাদের
রাজশাহীর জনসভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী
কানায় কানায় পূর্ণ প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People should be reassured if they have the police on their side Prime Minister

পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়: প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে রোববার ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনী যেন জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে। যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের সহায়তা দরকার। পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়, সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে।

যেকোনো দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনগণের সহায়তা দরকার জানিয়ে পুলিশ বাহিনীকে মানুষের আস্থা অর্জনে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে রোববার ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পুলিশের অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকার রাজারবাগ ও রাজশাহীর সারদায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে বীরত্বের সঙ্গে লড়েছেন পুলিশ সদস্যরা।

রাজধানীর গুলশানে হোলি আর্টিজান বেকারিতে প্রাণ হারানো দুই পুলিশ সদস্যের কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে এ বাহিনীর সদস্যদের কৃতিত্বের কথা তুলে ধরেন।

জঙ্গিবাদ, মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, করোনাভাইরাসের সময়ে দাফন ও বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দেয়ায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন বাহিনীর সদস্যরা।

পুলিশের উন্নয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে তার কন্যা বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার বাহিনীর অগ্রগতির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। পুলিশের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে, যাতে করে অপরাধ মোকাবিলা সহজ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির পাঠ্যক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা বাহিনীর পেশাদারত্বে সহায়ক হবে বলে মনে করেন সরকারপ্রধান।

পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জনে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশ বাহিনী যেন জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে। যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের সহায়তা দরকার। পুলিশকে পাশে পেলে মানুষ যেন আশ্বস্ত হয়, সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে।

ওই সময় পুলিশ তার পেশাদারত্ব ও সহমর্মিতা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন সরকারপ্রধান।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন
১৩১৬ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করতে রাজশাহী যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
স্মার্ট বাংলাদেশের চাবিকাঠি ডিজিটাল কানেকটিভিটি: প্রধানমন্ত্রী
সাফল্য-ব্যর্থতা জনগণই বিচার করবে: প্রধানমন্ত্রী
‘প্রতিটি শিশুকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The cold may increase at night

শীত বাড়তে পারে রাতে

শীত বাড়তে পারে রাতে রাতে শীত বাড়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ছবি: টুইটার
তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পেরে এবং অন্য অঞ্চলে তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে জানিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, দেশজুড়ে রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে সামান্য।

রাষ্ট্রীয় সংস্থাটির রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এমন বার্তা দেয়া হয়েছে।

রাতে তাপমাত্রা সামান্য কমলে শীতের অনুভূতিও কিছুটা বাড়তে পারে।

পূর্বাভাসে সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে বিস্তৃত। এ ছাড়া উপমহাদেশীয় উচ্চতাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

দিনভর আবহাওয়া কেমন থাকবে, তা নিয়ে পূর্বাভাসে জানানো হয়, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

কুয়াশা নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল এবং নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্য জায়গাগুলোর কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পেরে এবং অন্য অঞ্চলে তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, তাপমাত্রা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে, তবে কোন ধরনের পরিবর্তন, সেটি স্পষ্ট করা হয়নি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শনিবার দেশের সর্বোচ্চ ৩০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফে। রোববার দেশের সর্বনিম্ন ১০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় পাবনার ঈশ্বরদীতে।

আরও পড়ুন:
মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে বিপাকে নওগাঁর শ্রমজীবীরা
১৬ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে
৫.৬ ডিগ্রিতে কাঁপছে শ্রীমঙ্গল
শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে ৩ বিভাগ ও ৭ জেলায়
শীত আরও কমতে পারে রোববার থেকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prime Minister at police parade in Sarada

সারদায় পুলিশের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী

সারদায় পুলিশের কুচকাওয়াজে প্রধানমন্ত্রী সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত
রাজশাহী পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

রাজশাহী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার সকাল ১১টার পর রাজশাহী পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

দুপুরে শহরের ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে যাবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। এই মাঠে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন তিনি। সেখানে রাজশাহীর ৩২টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বর্ণিল সাজে সেজেছে রাজশাহী।
আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসমাগম ঘটবে।

পাঁচ বছর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহী সফলে গেলেন।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে এক মাস ধরে রাজশাহীতে চলছে নানা ধরনের প্রস্তুতি। তাকে স্বাগত জানাতে নগর ও জেলাজুড়ে ৪৪টি তোরণ তৈরি করা হয়। জনসভাস্থলের আশেপাশের সড়কগুলোকে সংস্কার করে চকচকে করা হয়।

নগরীর সড়কদ্বীপগুলো ঝেড়ে-মুছে রঙিন করা হয়। নগরজুড়ে প্রজাপতি ও রাজকীয় সব সড়কবাতি লাগানো হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত ব্যানার ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে নগরীতে। এসব ব্যানারে সরকারের উন্নয়নচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘সমাবেশকে কেন্দ্র করে শহরে ২২০টি মাইক ও ১২টি এলইডি স্ক্রিন থাকবে। এ ছাড়াও সমাবেশের জন্য ৫ শতাধিক ভলান্টিয়ার রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত পানি ও পায়খানার ব্যবস্থা থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জনসভাস্থল ছাড়াও নগরীর চারটি প্রবেশদ্বারসহ প্রতিটি কোণে ছয় সহস্রাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শুধু জনসভাস্থলের নিরাপত্তায় তিন সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য থাকছে।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘রাজশাহীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রতিটি পয়েন্টেই নিরাপত্তা চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থলে জড়ো হচ্ছেন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা
প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহী
শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ নিরলস কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rajshahi is waiting for the Prime Minister

প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহী

প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় রাজশাহী প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে সামনে রেখে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে রাজশাহী নগরীকে। ছবি: নিউজবাংলা
সকালে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ এবং দুপুরে শহরে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে ঘিরে বর্ণিল সাজে সেজেছে রাজশাহী।

সকালে জেলার সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ এবং দুপুরে শহরে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। সেখানে রাজশাহীর ৩২টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসমাগম ঘটবে।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে এক মাস ধরে রাজশাহীতে চলছে নানা ধরনের প্রস্তুতি। তাকে স্বাগত জানাতে নগর ও জেলাজুড়ে ৪৪টি তোরণ তৈরি করা হয়। জনসভাস্থলের আশেপাশের সড়কগুলোকে সংস্কার করে চকচকে করা হয়।

নগরীর সড়কদ্বীপগুলো ঝেড়ে-মুছে রঙিন করা হয়। নগরজুড়ে প্রজাপতি ও রাজকীয় সব সড়কবাতি লাগানো হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সংবলিত ব্যানার ফেস্টুন শোভা পাচ্ছে নগরীতে। এসব ব্যানারে সরকারের উন্নয়নচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ‘সমাবেশকে কেন্দ্র করে শহরে ২২০টি মাইক ও ১২টি এলইডি স্ক্রিন থাকবে। এ ছাড়াও সমাবেশের জন্য ৫ শতাধিক ভলান্টিয়ার রাখা হয়েছে। পর্যাপ্ত পানি ও পায়খানার ব্যবস্থা থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রীর জনসভাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জনসভাস্থল ছাড়াও নগরীর চারটি প্রবেশদ্বারসহ প্রতিটি কোণে ছয় সহস্রাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শুধু জনসভাস্থলের নিরাপত্তায় তিন সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য থাকছে।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘রাজশাহীজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রতিটি পয়েন্টেই নিরাপত্তা চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে।’

থাকছে বিশেষ ট্রেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজশাহী জনসভা উপলক্ষে পশ্চিম অঞ্চলে রেলওয়েতে চালু করা হয়েছে সাত বিশেষ ট্রেন। রোববার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত এই ট্রেনগুলো রাজশাহীতে আসবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) অসীম কুমার তালুকদার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা উপলক্ষে সাতটি বিশেষ ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এগুলো হলো নাটোর স্পেশাল, সিরাজগঞ্জ স্পেশাল, জয়পুরহাট স্পেশাল, সান্তাহার স্পেশাল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্পেশাল, রহনপুর স্পেশাল ও রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী স্পেশাল ট্রেন।’

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীর নেতারা রাজশাহীতে

প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে এরই মধ্যে রাজশাহীতে পৌঁছে গেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীর নেতারা। শনিবার বিকেলে রাজশাহী পৌঁছান দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে রাজশাহীতে অবস্থান করছেন।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসানুল হক পিন্টু শনিবার বলেন, ‘প্রায় ১৫-২০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এরই মধ্যে রাজশাহীতে পৌঁছেছেন। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যেই আমরা জনসভা শুরু করব। স্থানীয় নেতৃবৃন্দের বক্তব্যের পর সকাল ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে উঠবেন।’

আরও পড়ুন:
‘প্রতিটি শিশুকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চাই’
সরকার অগ্রাধিকার খাতে টাকা ব্যয় করছে: প্রধানমন্ত্রী
ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ২৫ নির্দেশনা
‘বঙ্গবন্ধু সরকার: দেশ নির্মাণের মৌলিক রূপরেখা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
সংকট মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bapar President Nazmul Secretary Aidan

বাপার সভাপতি নাজমুল সম্পাদক আইদান

বাপার সভাপতি নাজমুল সম্পাদক আইদান ক্যাপ্টেন নাজমুল ও ক্যাপ্টেন আইদান। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলট অ্যাসোয়িশনের নির্বাচনে পাইলটদের দেয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে ক্যাপ্টেন নাজমুল সভাপতি, ক্যাপ্টেন তানিয়া রেজা সহ-সভাপতি ও ক্যাপ্টেন আইদান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পাইলট অ্যাসোয়িশনের (বাপা) নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ক্যাপ্টেন নাজমুল সভাপতি ক্যাপ্টেন আইদান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

শনিবার বাপার পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাপা জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলটদের সংগঠন বাপার কার্যকরী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২৬ জানুয়ারি। এ নির্বাচনে পাইলটদের দেয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে ক্যাপ্টেন নাজমুল সভাপতি, ক্যাপ্টেন তানিয়া রেজা সহ-সভাপতি ও ক্যাপ্টেন আইদান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

ক্যাপ্টেন নাজমুল ২০০০ সালের নভেম্বরে বিমানে পাইলট হিসেবে যোগদান করেন এবং বর্তমানে তিনি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের ক্যাপ্টেন হিসেবে কর্মরত। আর সহ-সভাপতি ক্যাপ্টেন তানিয়া বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের ক্যাপ্টেন হিসেবে বিমানে কর্মরত। এছাড়া ক্যাপ্টেন আইদান বর্তমানে ড্যাশ-৮ বিমানের ক্যাপ্টেন।

মন্তব্য

p
উপরে