× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Bus strike surrounding BNP rally in Rangpur
hear-news
player
google_news print-icon

বিএনপির সমাবেশ ঘিরে বাস ধর্মঘটে অচল রংপুর

বিএনপির-সমাবেশ-ঘিরে-বাস-ধর্মঘটে-অচল-রংপুর
শুক্রবার ভোর থেকে রংপুর বিভাগে পরিবহন ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত হলেও বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে বাস বন্ধ করা শুরু করেছেন শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা
যাত্রী তৌহিদা আক্তার নিপুন বলেন, ‘সাধারণত এ রকম হয় না। বাস ধর্মঘট হলে কয়েকদিন আগে থেকেই বলা হয় বা জানতে পারি। আজ নতুন অভিজ্ঞতা হলো, বাসস্ট্যান্ডে এসে শুনি বাস নেই। এখন তো আর যাওয়া হবে না। অগত্যা মেসে ফিরে যেতে হচ্ছে।’

রংপুরে শনিবার বিএনপির সমাবেশের এক দিন আগেই বাস ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে যোগাযোগব্যবস্থা।

বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বাস বন্ধ হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।

রংপুর কলেজ রোড কুড়িগ্রাম বাসস্ট্যান্ড, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, মডার্ন মোড় ও সাতমাথা এলাকায় যাত্রীরা বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

জেলা মোটর মালিক সমিতির সভাপতি একেএম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘রংপুর-কুড়িগ্রাম রোডে প্রশাসনিক হয়রানি এবং মহাসড়কে ভটভটি, নছিমন, করিমনসহ লাইসেন্সবিহীন বাহন বন্ধের দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। বিএনপির সমাবেশ ঘিরে নয়।’

কুড়িগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে যাত্রী মাহবুবা মোস্তারি বলেন, ‘আমার বাড়ি কুড়িগ্রাম। বান্ধবীসহ বাড়ি যাব বলে বাসস্ট্যান্ডে এসেছি। এসে শুনি বাস বন্ধ। আমরা তো আগে থেকে জানি না। এখন অটোরিকশায় যেতে হবে।’

বিএনপির সমাবেশ ঘিরে বাস ধর্মঘটে অচল রংপুর
বাস বন্ধের সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন স্ট্যান্ডের যাত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা



ওই স্ট্যান্ডে কথা হয় আরেক যাত্রী তৌহিদা আক্তার নিপুনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সাধারণত এ রকম হয় না। বাস ধর্মঘট হলে কয়েকদিন আগে থেকেই বলা হয় বা জানতে পারি। আজ নতুন অভিজ্ঞতা হলো, বাসস্ট্যান্ডে এসে শুনি বাস নেই। এখন তো আর যাওয়া হবে না। অগত্যা মেসে ফিরে যেতে হচ্ছে।’

বাসশ্রমিক আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের রাইতেই বলা হইসে বাস চলবে না। আমরা কাউন্টার খুলি নাই। এখান থেকে কুড়িগ্রাম গাড়ি যায়, আরও দুই দিন বাস বন্ধ থাকবে। মালিক সমিতি বাস বন্ধ করছে। আমাদের করার কিছুই নাই।’

রফরফ পরিবহনের কন্ডাক্টর সেলিম জানান, ‘আমরা এই ট্রিপ নিয়ে দিনাজপুর যাব আর আসা হবে না। মানে এটাই শেষ ট্রিপ। দুই দিন বাস চলবে না। আর লোকাল বাস তো বন্ধ।’

শ্রমিকরা জানান, রংপুরের দুটি লোকাল বাসস্ট্যান্ড থেকে রংপুর বিভাগের আট জেলার ৫৮ উপজেলায় কয়েক শ বাস চলাচল করে। গেটলক বাস আছে আরও কয়েক শ।

রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামছুজ্জামান সামু বলেন, ‘পরিবহন ধর্মঘটের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। কোনো বাধাই শনিবারের সমাবেশ বানচাল করতে পারবে না। সমাবেশ সফল হবেই।’

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ নানা দাবিতে বিএনপি দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে গণসমাবেশ করছে। ৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম, ১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহ ও ২২ অক্টোবর খুলনায় সমাবেশ করেছে দলটি। এরই ধারাবাহিকতায় ২৯ অক্টোবর রংপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে চতুর্থ গণসমাবেশের ঘোষণা রয়েছে তাদের।

১৫ অক্টোবর ময়মনসিংহ এবং ২২ অক্টোবর খুলনার মালিক সমিতিও বাস ধর্মঘট ডেকেছিল নানা দাবিতে। আগামী ৫ নভেম্বর বরিশালে সমাবেশের ১০ দিন আগে ২৬ অক্টোবর সেখানকার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয় আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর তারা বাস চালাবেন না। দাবি হিসেবে মহাসড়কে তিন চাকার ধীরগতির যানবাহন বন্ধের বিষয়টি জানিয়েছেন তারা।

বিএনপির নেতা-কর্মীরা বরাবরই অভিযোগ করে আসছেন, সমাবেশে লোকসমাগম ঠেকাতেই সরকারের প্ররোচনায় এসব ধর্মঘট ডাকা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সরকার পক্ষ বলছে, বিএনপির অতীতের নানা কর্মসূচিতে বাসে আগুন ও ভাঙচুরের ভয়ে মালিকরা বাস বন্ধ রাখছেন, এতে সরকারের হাত নেই।

সমাবেশের আগে ধর্মঘটের এসব অভিজ্ঞতা থেকেই এবারও আগাম প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন রংপুর বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সর্ববৃহৎ জনসমাগম করার টার্গেটও তাদের।

রংপুর বিভাগীয় সমাবেশের সমন্বয়কারী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বিভাগীয় সমাবেশ নিয়ে আমরা প্রস্তুত। এ জন্য গত ৬ অক্টোবর থেকে রংপুর বিভাগের সব জেলা, উপজেলায় আমরা বৈঠক করেছি, সভা করেছি।’

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এর আগের তিনটি বিভাগীয় সমাবেশে সরকার বাধা দিয়েও গণসমাবেশে গণজোয়ার ঠেকাতে পারেনি, রংপুরেও পারবে না। আমরা সমাবেশ সফল করব, আমাদের নেতা-কর্মী-সমর্থক সবাই এখন ২৯ অক্টোবরের দিকে তাকিয়ে।’

রংপুর বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি, সরকারের পক্ষ থেকে বাধা আসতে পারে। কারণ এর আগেও সেটা হয়েছে। যদি বাধা আসে আশা করছি মানুষজন হেঁটে, সাইকেলে, বাইসাইকেলে, ভ্যানে করে হলেও সমাবেশে এসে যোগ দেবেন। সমাবেশের আগের দিন থেকেই নেতা-কর্মীরা রংপুরমুখী হবে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
6 MPs took oath

শপথ নিলেন ৬ এমপি

শপথ নিলেন ৬ এমপি
বিএনপির দলীয় এমপিদের পদত্যাগের ফলে শূন্য হওয়ায় ৬টি সংসদীয় আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১ ফেব্রুয়ারি। তাদেরকে শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ৬টি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ীরা শপথ নিয়েছেন। বুধবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

বিএনপির দলীয় এমপিদের পদত্যাগের ফলে শূন্য হওয়ায় ৬টি সংসদীয় আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১ ফেব্রুয়ারি।

শপথ নেয়া ছয় সংসদ সদস্যরা হলেন: ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের হাফিজ উদ্দিন আহম্মেদ (জাতীয় পার্টি), বগুড়া-৪ এর এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন (জাসদ), বগুড়া-৬ এর রাগেবুল আহসান রিপু (আওয়ামী লীগ), চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ এর মু. জিয়াউর রহমান (আওয়ামী লীগ), চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ এর মো. আব্দুল ওদুদ (আওয়ামী লীগ) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ এর উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া (স্বতন্ত্র)।

সংসদ ভবন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শপথ অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, হুইপ আতিউর রহমান আতিক, মো. মুজিবুল হক চুন্নু, শিরীন আখতার, ফখরুল ইমাম, সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, ফেরদৌসী ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
LOCAL ELECTIONS A League calls for collection of nomination forms

স্থানীয় নির্বাচন: আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ফরম সংগ্রহের আহ্বান

স্থানীয় নির্বাচন: আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ফরম সংগ্রহের আহ্বান
১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির কার্যালয়ে ফরম পাওয়া যাবে।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত দেশের ৬টি উপজেলা, ৫টি পৌরসভা ও ৬২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের আহবান জানিয়েছে সরকারি দল আওয়ামী লীগ। ১০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দলের সভাপতির কার্যালয়ে ফরম পাওয়া যাবে।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে ফরম সংগ্রহ করে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে একই সময়ের মধ্যে তা জমা দিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে এবং অতিরিক্ত লোকসমাগম ছাড়া প্রার্থী নিজে অথবা একজন যোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। আবেদনপত্র সংগ্রহের সময় অবশ্যই প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে।

আরও পড়ুন:
৪০ জেলায় যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ৫৩ নেতা
বাংলাদেশে আর কখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না: তোফায়েল 
সিলেটে প্রস্তুত হচ্ছে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মঞ্চ
সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wait until February 19 to know the name of the new president

নতুন রাষ্ট্রপতির নাম জানতে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা

নতুন রাষ্ট্রপতির নাম জানতে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা
আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের সভায় ওবায়দুল কাদের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন। দলের সব সদস্য এই প্রস্তাব সমর্থন করেন।

রাষ্ট্রপতি পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোয়ন চূড়ান্ত করতে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দায়িত্ব দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সদস্যরা। আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সভা থেকে তাকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সরকারি দলের সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সংসদীয় দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভা শেষে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানাান।

সভায় ওবায়দুল কাদের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন। এরপর দলের সব সংসদ সদস্য এই প্রস্তাব সমর্থন করেন।

সবমিলে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন তা জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। সেক্ষেত্রে তারিখটি ১৯ ফেব্রুয়ারি হতে পারে। কারণ ওইদিন রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন রাষ্ট্রপতির নাম জানতে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা
প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা মঙ্গলবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে আওয়ামী লীগ সংসদীয় দলের সভায় সভাপতিত্ব করেন। ছবি: পিআইডি

বৈঠক শেষে আওয়ামী লীগের কয়েক এমপি জানান, বৈঠকের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এরপর তিনি রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের প্রসঙ্গটি তোলেন। এ বিষয়ে তিনি এমপিদের মতামত চাইলে শুরুতে বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের সভায় বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদে কাকে মনোনয়ন দেয়া হবে সে দায়িত্ব আমরা সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে আমাদের সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিতে চাই। তিনি যাকে মনোনয়ন দেবেন প্রয়োজন হলে আমরা সবাই তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করব।’

উপস্থিত এমপিরা সবাই সমস্বরে তার বক্তব্য সমর্থন করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেন।

বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন বেশ কঠিন হবে। ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার সুযোগ নেই। এই নির্বাচনে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র হবে। নানা অপপ্রচার চালানোর চেষ্টা করা হবে। এসব বিষয়ে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে।’ পাশাপাশি আওয়ামী লীগ সরকারের যেসব উন্নয়ন আছে সেসব নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালানোর নির্দেশনা দেন তিনি।

প্রসঙ্গ, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে। পরদিন মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। আর ১৯ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে ভোট নেয়া হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি।

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন। তবে একাধিক প্রার্থী না থাকলে ১৩ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

অবশ্য একাধিক প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি হবেন এটা প্রায় নিশ্চিত। কারণ বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। আর আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রার্থী দেয়ার সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ যাকে মনোনয়ন দেবে তিনিই হতে যাচ্ছেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি।

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বুধবার
ইউজিসিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির
রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেল বেঙ্গল পলিমার ওয়্যারস
ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: সংসদে রাষ্ট্রপতি
মেয়াদ বাড়ল রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিবের 

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hero Alams insulting speech is unethical TIB

হিরো আলমকে তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য শিষ্টাচারবহির্ভূত: টিআইবি

হিরো আলমকে তাচ্ছিল্য করে বক্তব্য শিষ্টাচারবহির্ভূত: টিআইবি
টিআইবি বলেছে, ‘একজন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, সর্বোপরি দেশের একজন সাধারণ নাগরিককে নিয়ে রাজনৈতিক দলের বা কারোরই এমন উপহাস করার কোনো অধিকার নেই। দেশের দুটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এমন বক্তব্য অনভিপ্রেত।’

বিএনপির ছেড়ে দেয়া সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে কেন্দ্র করে দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দলের বক্তব্যে হতাশা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি বলেছে, একজন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, সর্বোপরি দেশের একজন সাধারণ নাগরিককে নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দলের বা কারোরই এমন উপহাস করার কোনো অধিকার নেই।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদে জানা যায়, হিরো আলমকে কেন্দ্র করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অবমাননা এবং উপহাসমূলক পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দেয়ার ঘটনা পরিলক্ষিত হয়েছে। দেশের দুটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এমন বক্তব্য অনভিপ্রেত।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে আমরা দেখেছি, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। হিরো আলমকে বিএনপি নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছে। তারা সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে।

“উল্টোদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘...এই আওয়ামী লীগ হিরো আলমের কাছেও কতটা অসহায়। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তার সঙ্গে জিততে হয়।”

তিনি বলেন, ‘দুই ক্ষেত্রেই সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলমকে অবজ্ঞা বা তাচ্ছিল্যসূচক বিবেচনায় পরস্পরকে আক্রমণ করেছেন দুই নেতা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক রীতি অনুযায়ী পরস্পরকে নিয়ে বিষোদ্গার নতুন কিছু নয়। কিন্তু সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলমের ব্যক্তি-পরিচয় ও অবস্থাকে মানদণ্ড হিসেবে দাঁড় করিয়ে দুই দল একে অপরকে আক্রমণ করেছেন। সেই মানদণ্ড যে ইতিবাচক কিছু নয়, বরং এর মাধ্যমে আলম ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে তা বলাই বাহুল্য।

‘পাশাপাশি দেশের সাধারণ একজন নাগরিকের প্রতি দুই বর্ষীয়াণ রাজনীতিকের এমন আচরণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির স্থুলতাকেই জনসমক্ষে প্রতিষ্ঠিত করে।’

ড. জামান আরও বলেন, ‘সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তার বয়স পঁচিশ বছর পূর্ণ হলে, কোনো উপযুক্ত আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত না হলে, দেউলিয়া না হলে, বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ না করলে বা আনুগত্য স্বীকার না করাসহ কিছু শর্ত পূরণে তিনি সংসদ সদস্য হতে পারবেন।

‘সংবিধানের শর্ত পূরণের পরও আলমকে কেন্দ্র করে দেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দলের বক্তব্য শুধুমাত্র রাজনৈতিক শিষ্ঠাচারকেই ভূলুণ্ঠিত করে না, বরং তার সাংবিধানিক অধিকার অবজ্ঞার নামান্তরও বটে।

‘হিরো আলম নির্বাচিত হলে সংসদকে ছোট করা হতো- এমন বক্তব্যের মাধ্যমে প্রকারান্তরে সংসদকে ছোট করা হয়েছে। কারণ সংসদীয় গণতন্ত্রের চেতনা ও চর্চায় মানুষে মানুষে বৈষম্যের প্রকাশ অগ্রহণযোগ্য।’

আরও পড়ুন:
হিরো আলমকে নিয়ে কিছু বলিনি: কাদের
কাদেরকে ভোটের লড়াইয়ে চ্যালেঞ্জ হিরো আলমের
কাদের ও ফখরুলের বক্তব্যের পর ফেসবুক লাইভে হিরো আলম
এই সরকারের অধীনে আর ভোট করব না: হিরো আলম
হিরো আলমের নিউজ করায় ২ সাংবাদিককে মারলেন যুবলীগ নেতা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
53 central leaders of Awami League are going to 40 districts

৪০ জেলায় যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ৫৩ নেতা

৪০ জেলায় যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ৫৩ নেতা
১১ ফেব্রুয়ারি সারা দেশের প্রতিটি জেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে একযোগে ‘বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও সহিংসতার প্রতিবাদে’ শান্তি সমাবেশ করবে ক্ষমতাসীন দল। জেলার নেতাদের সঙ্গে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের বিভিন্ন জেলায় গিয়ে সমাবেশে অংশ নেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর চলমান আন্দোলনের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ‘শান্তি সমাবেশ’ কর্মসূচি পালন করে আসছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এবার আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি বিএনপির নতুন কর্মসূচির দিনে সারা দেশে ‘শান্তি সমাবেশ’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

এ উপলক্ষে দেশের ৪০ জেলায় যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের ৫৩ জন কেন্দ্রীয় নেতা। রোববার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

সভা সূত্রে জানা গেছে, ১১ ফেব্রুয়ারি সারা দেশের প্রতিটি জেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে একযোগে ‘বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও সহিংসতার প্রতিবাদে’ শান্তি সমাবেশ করবে ক্ষমতাসীন দল। জেলার নেতাদের সঙ্গে যোগ দেবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের বিভিন্ন জেলায় গিয়ে সমাবেশে অংশ নেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের জেলা ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। দেশের ৪০টি জেলায় দায়িত্ব বন্টন করা হয়েছে ৫৩ জন কেন্দ্রীয় নেতাকে।

শান্তি সমাবেশ উপলক্ষে লালমনিরহাটের দায়িত্ব পেয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সফুরা বেগম রুমি। রংপুর যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান, রংপুর বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া।

জয়পুরহাটে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। বগুড়ায় আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা। নওগায় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাখাওয়াত হোসেন শফিক।

রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সিটি মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বেগম আখতার জাহান।

সিরাজগঞ্জে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য প্রফেসর মেরিনা জাহান, পাবনায় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, ঝিনাইদহে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পারভিন জামান কল্পনা, যশোরে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মাগুরায় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জী।

নড়াইলের আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মাশরাফি-বিন-মর্তুজা, বাগেরহাটে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. আমিরুল ইসলাম মিলন, খুলনায় সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গ্লোরিয়া সরকার ঝর্ণা।

বরগুনায় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. সিদ্দিকুর রহমান, পটুয়াখালীতে সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, বরিশাল জেলায় কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আনিসুর রহমান।

পিরোজপুরে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গোলাম কবির রব্বানী চিনু, টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক ও শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক বেগম শামসুন্নাহার, মানিকগঞ্জে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট তারানা হালিম, মুন্সীগঞ্জে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, গাজীপুরে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সিমিন হোসেন রিমি, নরসিংদীতে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সানজিদা খানম।

রাজবাড়ীতে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ফরিদপুর আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান। গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত মুহাম্মদ ফারুক খান এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আওয়াল শামীম।

মাদারীপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাহজাহান খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ও কেন্দ্রীয় কমিটির দুই সদস্য আনোয়ার হোসেন এবং শাহাবুদ্দিন ফরাজী।

শরীয়তপুরের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, জামালপুরে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, শেরপুরে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি, নেত্রকোনায় আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল ও কেন্দ্রীয় সদস্য উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং যাচ্ছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শান্তি সমাবেশে যোগ দিতে বলা হয়েছে আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক নজিবুল্লাহ হিরুকে। কুমিল্লা উত্তরে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুস সবুর, চাঁদপুরে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. দীপু মনি এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ যাচ্ছেন।

লক্ষ্মীপুরে যাচ্ছেন কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী। চট্টগ্রাম উত্তরে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম।

কক্সবাজারে ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল মোস্তফা, রাঙ্গামাটিতে কেন্দ্রীয় সদস্য দীপঙ্কর তালুকদার এবং বান্দরবানে অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া যে সব জেলার নাম উল্লেখ করা হয়নি সেই সব জেলায় স্থানীয় নেতারা এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের অংশগ্রহণে ইউনিয়ন পর্যায়ের শান্তি সমাবেশ আয়োজন করতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশে আর কখনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না: তোফায়েল 
সিলেটে প্রস্তুত হচ্ছে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মঞ্চ
সিলেটে আওয়ামী লীগ-বিএনপি মুখোমুখি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Did not say anything about Hero Alam Kader

হিরো আলমকে নিয়ে কিছু বলিনি: কাদের

হিরো আলমকে নিয়ে কিছু বলিনি: কাদের কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
কাদের বলেন, ‘হিরো আলম প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করে ভালো ভোট পেয়েছেন। তাকে নিয়ে কোনো মন্তব্য ছিল না আমার; মন্তব্য ছিল মির্জা ফখরুলকে নিয়ে।’

বগুড়ার দুটি আসন থেকে উপনির্বাচনে অংশ নেয়া আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমকে নিয়ে কিছু বলেননি বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সোমবার চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দিন আহমেদের জানাজা শেষে তিনি এমন দাবি করেন।

বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৪ আসনে অংশ নেয়া হিরো আলম নির্বাচনের আগে-পরে দেশজুড়ে আলোচিত নাম। তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে কথা বলেছেন সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা।

গত শনিবার হিরো আলমকে নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়। ওই দিন পুরান ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি সমাবেশে কাদের বলেছিলেন, “ফখরুল সাহেব বললেন, ‘রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে হিরো আলমকে হারানো হয়েছে।’ হায়রে মায়া! হিরো আলমের জন্য এত দরদ উঠল তার।

“তিনি (ফখরুল) ভেবেছিলেন, হিরো আলম জিতে যাবে, কিন্তু হিরো আলম এখন জিরো হয়ে গেছে। হিরো আলমকে বিএনপি নির্বাচনে দাঁড় করিয়েছে। তারা সংসদকে ছোট করার জন্য হিরো আলমকে প্রার্থী করেছে। অবশেষে ফখরুলের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে।”

প্রতিক্রিয়ায় ওই রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লাইভে এসে হিরো আলম বলেন, ‘হিরো আলমকে কেউ কোনো দিন জিরো বানাতে পারেনি। যারা আমাকে জিরো বানাতে এসেছে, তারাই এখন জিরো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতা ওবায়দুল কাদের স্যার আজকে আমাকে নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন। হিরো আলমকে নাকি বিএনপি ভোটে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। আমাকে কেন বিএনপি দাঁড় করাবে? ভোটের মাঠে আমার পাশে কি বিএনপির কাউকে দেখা গিয়েছিল?’

কাদের ও হিরো আলমের ওই বক্তব্যের রেশ না কাটতেই সোমবার আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা দাবি করেন, হিরো আলম নয়; তিনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন।

কাদের বলেন, ‘হিরো আলম প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করে ভালো ভোট পেয়েছেন। তাকে নিয়ে কোনো মন্তব্য ছিল না আমার; মন্তব্য ছিল মির্জা ফখরুলকে নিয়ে।’

হিরো আলম বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে জামানত হারালেও বগুড়া-৪-এ তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলেন। ১৪-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাসদের এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনের কাছে ৮৩৪ ভোটে হেরে যান তিনি।

পরে হিরো আলম অভিযোগ করেন, ভোটের ফলাফলে কারচুপি করে তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে এটি দেখার পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল ফোন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দেন।

দলীয় এমপির জানাজায় এসে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মোসলেম উদ্দিন নেতা থেকে কর্মী হয়েছেন। দলের নিবেদিত প্রাণ হিসেবে বঙ্গবন্ধুর চেতনার সৈনিক। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আওয়ামী লীগকেই লালন করেন তিনি। তার এমপি হওয়ার মতো শেষ স্বপ্ন শেখ হাসিনা পূরণ করেছেন।’

জানাজায় অংশ নিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘কীভাবে কর্মী থেকে নেতা হওয়া যায়, তার কাছে শেখার রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
উন্নয়ন দেখে বিএনপি অন্তর্জ্বালায় ভুগছে: কাদের
এই সরকারের অধীনে আর ভোট করব না: হিরো আলম
হিরো আলমের নিউজ করায় ২ সাংবাদিককে মারলেন যুবলীগ নেতা
হিরো আলমের ভোটের ফল খতিয়ে দেখার নির্দেশ সিইসির
হিরো আলমের অভিযোগের ভিত্তি নেই: ইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Democracy Index would have improved if BNP had not been apolitical Information Minister

বিএনপি অপরাজনীতি না করলে গণতন্ত্র সূচকে আরও উন্নতি হতো: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি অপরাজনীতি না করলে গণতন্ত্র সূচকে আরও উন্নতি হতো: তথ্যমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
হাছান মাহমুদ বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন বলে বিএনপি নেতারা যখন বক্তব্য দিচ্ছেন, ঠিক তখনই বিশ্ব গণতন্ত্র সূচ‌কে বাংলাদেশের দুই ধাপ উন্নতি হয়েছে।

সংসদ বর্জন ও পদত্যাগের মতো অপরাজনীতি বিএনপি না করলে বিশ্ব গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের আরও উন্নতি হতো বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সমসাময়িক বিষয় নিয়ে রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, দেশে গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্র হুমকির সম্মুখীন বলে বিএনপি নেতারা যখন বক্তব্য দিচ্ছেন, ঠিক তখনই বিশ্ব গণতন্ত্র সূচ‌কে বাংলাদেশের দুই ধাপ উন্নতি হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, তারা যে বক্তব্য রাখেন, তা মিথ্যা ও অসাড়। বিএনপির অপরাজনীতি না থাকলে, সংসদ বর্জন না কর‌লে, সংসদ থেকে পদত্যাগ না করলে বিশ্ব গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের আরও উন্নতি হতো।

গণতন্ত্র সূচকে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। ২০২১ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৭৫তম। এখন এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৭৩তম। যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) গত বৃহস্পতিবার ‘গণতন্ত্র সূচক ২০২২’ প্রকাশ করেছে।

আরও পড়ুন:
বিএনপি আওয়ামী লীগকে দেখে ভয় পাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী
জামায়াত ও হেফাজতের সঙ্গে সমঝোতার প্রশ্ন অবান্তর: তথ্যমন্ত্রী
ভোটে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ে বিএনপিকে পরামর্শ তথ্যমন্ত্রীর
কুড়ে ঘর হারিয়ে গেছে, এটিই বদলে যাওয়া বাংলাদেশ: তথ্যমন্ত্রী
সংলাপের কোনো দরকার নেই: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে