× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The head teacher was dismissed on corruption charges
google_news print-icon

দুর্নীতির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

দুর্নীতির-অভিযোগে-প্রধান-শিক্ষক-বরখাস্ত
হায়দারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য তদবিরের কথা বলে সহকর্মীদের কাছ থেকে টাকা নেয়া এবং বিভিন্ন খাতে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আছে।

ঢাকার ধামরাইয়ে যাদবপুর বি.এম.স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধান আলী হায়দারকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়েছে।

স্কুলের গভর্নিং বডির সভাপতি মো. মিজানুর রহমান মিজান বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গভর্নিং বডির সভায় সব সদস্যদের মতামতের উপর ভিত্তি করে হায়দারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হয়। গত ২৪ অক্টোবর বরখাস্তের চিঠি আলী হায়দারকে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, হায়দারের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য তদবিরের কথা বলে সহকর্মীদের কাছ থেকে টাকা নেয়া এবং বিভিন্ন খাতে ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক হায়দারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক বদলিতে আর্থিক লেনদেন নয়
উপসচিবের চিঠিতে নারী শিক্ষক ‘চরিত্রহীন’, বিক্ষুব্ধ প্রতিষ্ঠান
শিক্ষকের ‘শাসনে’ হাসপাতালে দুই শিক্ষার্থী
শিশুদের অতিরিক্ত পানি পান করিয়ে শাস্তি: শিক্ষক বরখাস্ত
ধর্ষণে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Leaving the office assistant to inspect the room the teachers notebook disappeared during the banquet
এসএসসি পরীক্ষা

অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও

অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও বৃহস্পতিবার শেরপুরের আয়শা আইন উদ্দিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
কেন্দ্রের সহকারী সচিব বানিবাইদ এএএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, ‘যে শিক্ষকের ডিউটি ছিল, তিনি বনভোজনে গিয়েছিলেন। পরে শিক্ষক না থাকায় অফিস সহকারী মাছুদাকে দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করানো হয়েছে।’

শেরপুরের শ্রীবরদীতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে এক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীকে দিয়ে কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করানোর পর এক পরীক্ষার্থীর খাতা হারিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চার কক্ষ পরিদর্শককে অব্যহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আয়শা আইন উদ্দিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের ১৫ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাতেই চারজনের নাম উল্লেখ করে কেন্দ্র সচিব সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে শ্রীবরদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

শুক্রবার সন্ধায় বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজিয়া নাজনীন নিউজবাংলাকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালনকারী অফিস সহকারীর নাম মাছুদা আক্তার। তিনি বানিবাইদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মরত।

পরীক্ষাকেন্দ্র সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার শ্রীবরদীর ওই কেন্দ্রের ১৫ নম্বর কক্ষে ৭৯ জন্য পরীক্ষার্থী ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা শেষে দায়িত্বরত কক্ষ পরিদর্শকরা সহকারী কেন্দ্র সচিবের কাছে ৭৯টি ওএমআর শিট জমা দিলেও খাতা জমা দেন ৭৮টি। তবে কোন পরীক্ষার্থীর খাতা হারিয়েছে, তা জানা যায়নি।

কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন বানিবাইদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোছা. মারুফা আক্তার, সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, অফিস সহকারী মাছুদা আক্তার ও গোপালখিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কারিমা খাতুন।

কেন্দ্রের সহকারী সচিব বানিবাইদ এএএমপি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, ‘যে শিক্ষকের ডিউটি ছিল, তিনি বনভোজনে গিয়েছিলেন। পরে শিক্ষক না থাকায় অফিস সহকারী মাছুদাকে দিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করানো হয়েছে।’

কেন্দ্র সচিব মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘খাতা হারানোর বিষয়টি জানার পর আমরা কেন্দ্রের দায়িত্বরত চারজনকে অব্যহতি দিয়েছি। তাদের নামে রাতে থানায় জিডিও করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘তবে অফিস সহকারী যে ডিউটি করছিলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। সহকারী কেন্দ্র সচিব আমাকে লিখিত দিয়েছিলেন, অফিস সহকারী মাছুদা আক্তার একজন সহকারী শিক্ষক।’

শ্রীবরদী ইউএনও ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজিয়া নাজনীন বলেন, ‘দায়িত্বে অবহেলার কারণে ১৫ নম্বর কক্ষে দায়িত্বরত চার শিক্ষককে এসএসসি পরীক্ষার পরবর্তী সকল কার্যক্রম থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে। তাদের নামে থানায় জিডি করা হয়েছে।’

এছাড়া বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
জাল প্রবেশপত্রে এসএসসি পরীক্ষা দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার
বাবার মরদেহ বাসায় রেখে এসএসসির কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী
ডিসির অনুরোধে পরীক্ষার আগের রাতে প্রবেশপত্র পেলেন ১৪ শিক্ষার্থী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mehdi is the new president of Kubi Teachers Association

কুবি শিক্ষক সমিতির নতুন সভাপতি তাহের, সম্পাদক মেহেদী

কুবি শিক্ষক সমিতির নতুন সভাপতি তাহের, সম্পাদক মেহেদী কোলাজ: নিউজবাংলা
১৫ সদস্যের কার্যনির্বাহী পর্ষদের নীল দলের ১৪ জনকে নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। শুধু সাধারণ সম্পাদক পদে লড়েন দুজন প্রার্থী।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষক সমিতি নির্বাচন-২০২৪-এর নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান।

সোমবার বেলা ৩টার দিকে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

১৫ সদস্যের কার্যনির্বাহী পর্ষদের নীল দলের ১৪ জনকে নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে। শুধু সাধারণ সম্পাদক পদে লড়েন দুজন প্রার্থী।

ভোট গণনা শেষে মোট ১৭৪ ভোটের মধ্যে সাধারণ সম্পাদক পদে নীল দল সমর্থিত মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান পান ১৩০ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. জিয়া উদ্দিন পান বাকি ৪১ ভোট।

ঘোষিত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ীদের মধ্যে আছেন সভাপতি ড. মো. আবু তাহের, সহ-সভাপতি হিসেবে ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, মো. তোফায়েল হোসেন মজুমদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. মাহমুদুল হাছান, কোষাধ্যক্ষ মো. মুর্শেদ রায়হান, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহফুজুর রহমানসহ কার্যকরী সদস্য পদে ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র দেব, ড. মো. শামিমুল ইসলাম, ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী, মোহাম্মদ আইনুল হক, ড. মো. শাহাদাৎ হোসেন, স্বর্ণা মজুমদার এবং মাহমুদুল হাসান।

২০১৭ ও ২০১৮ সালের শিক্ষক সমিতির সভাপতি এবং নবনির্বাচিত সভাপতি ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘শিক্ষক-শিক্ষার্থী একে অপরের পরিপূরক। শিক্ষার্থীদের উন্নয়ন না হলে আমাদের ভালো লাগবে না৷ উভয়েরই উন্নয়নে এই সমিতির সদস্যরা কাজ করে যাবে।’

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন শিক্ষক সমিতির নির্বাচন ভণ্ডুল হওয়ার পর এক বছর বন্ধ ছিল শিক্ষক সমিতির কার্যক্রম।

আরও পড়ুন:
কুবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন ১৯ ফেব্রুয়ারি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sexual harassment allegations DU Prof Junaid on compulsory leave

যৌন নিপীড়নের অভিযোগ: বাধ্যতামূলক ছুটিতে ঢাবি অধ্যাপক জুনাইদ

যৌন নিপীড়নের অভিযোগ: বাধ্যতামূলক ছুটিতে ঢাবি অধ্যাপক জুনাইদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক নাদির জুনাইদ। ফাইল ছবি
রেজিস্ট্রার দপ্তরের চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে আপনাকে (অধ্যাপক নাদির জুনাইদ) সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য আজ (সোমবার) থেকে তিন মাসের ছুটি দেয়া হলো৷ আপনার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের যথাযথ অনুসন্ধান ও তদন্তের জন্য বিষয়টি সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে৷’

ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক নাদির জুনাইদকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য তাকে তিন মাসের ছুটি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার বিকেলে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন-১) জিএম মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই তথ্য জানানো হয়।

পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিজ কার্যালয়ের সামনে এই চিঠি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পড়ে শোনান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল মনসুর আহাম্মদ৷

এর আগে অধ্যাপক নাদির জুনাইদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করায় তাদের পড়ালেখা বিঘ্নিত হচ্ছে। আমি চাই না, আমার কারণে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় কোনো ক্ষতি হোক। তাই আমি নিজ থেকেই আর ক্লাসে না ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এদিকে রেজিস্ট্রার দপ্তরের চিঠি উদ্ধৃত করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অধ্যাপক আবুল মনসুর আহাম্মদ বলেন, ‘বিভাগের শিক্ষার্থীদের রোববারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে আপনাকে (অধ্যাপক নাদির জুনাইদ) সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য আজ থেকে তিন মাসের জন্য ছুটি দেয়া হলো৷

‘আপনার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের যথাযথ অনুসন্ধান ও তদন্ত করার জন্য বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে এবং সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে৷’

এর আগে সোমবার সকাল থেকে বিভাগের শিক্ষার্থীরা তিন দাবিতে বিভাগের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। একইসঙ্গে তারা দ্বিতীয় দিনের মতো ক্লাস বর্জন কর্মসূচি পালন করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- অধ্যাপক নাদির জুনাইদের বিরুদ্ধে ওঠা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করা; অপরাধারীকে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনা; তদন্ত চলাকালে বা অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সব অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে শিক্ষক নাদির জুনাইদকে বিরত রাখা।

শিক্ষার্থীরা পরে দুপুর ১টার দিকে অধ্যাপক নাদির জুনাইদের অফিস কক্ষে তালা দেয়ার পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের তালা সিলগালা করে দেন। এরপর বেলা আড়াইটার দিকে শিক্ষার্থীরা বিভাগের সামনে থেকে বিক্ষোভ করে উপাচার্যের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। দশ মিনিট সেখানে অবস্থান করার পর শিক্ষার্থীরা জানতে পারেন যে সেখানে উপাচার্য নেই।

এরপর শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন সহকারী প্রক্টরকে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল মনসুর আহাম্মদ৷

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘উপাচার্য আমাকে বলেছেন, অধ্যাপক নাদির জুনাইদকে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিকেল ৪টার মধ্যে রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে সেই চিঠি আমাদের কাছে চলে আসবে। তাই তোমরা এই স্থান ছেড়ে দাও।’

শিক্ষার্থীরা শুরুতে এ কথায় আশ্বস্ত না হলে অধ্যাপক মনসুর তাদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘বিকেল ৪টার মধ্যে কোনো সিদ্ধান্তের কপি আমাদের কাছে না এলে আমিও তোমাদের সঙ্গে নিয়ে এখানে অবস্থান কর্মসইচ পালন করবো।’

এই পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক মনসুরের কথায় আশ্বস্ত হয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে থেকে সরে বিভাগের বারান্দায় অবস্থান নেন।

বিকেলে অধ্যাপক আবুল মনসুর আহাম্মদ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠি পড়ে শোনালে তারা বিভাগ ত্যাগ করেন।

আরও পড়ুন:
যৌন হয়রানিতে অভিযুক্ত অধ্যাপক জুনাইদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জনের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের
‘ঢাবি অধ্যাপকের আক্রোশে ফলে ধস’, লিখিত অভিযোগে শাস্তি দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UGC requests to stay in EBK group

ইবিকে গুচ্ছে থাকার অনুরোধ ইউজিসির

ইবিকে গুচ্ছে থাকার অনুরোধ ইউজিসির
ইবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ অধ্যাপক ড. মামুনুর রহমান বলেন, ‘ইবির শিক্ষকরা গুচ্ছে থাকবেন না বলে মত দিয়েছেন। ইতোমধ্যে তা একাডেমিক কাউন্সিলেও গৃহীত হয়েছে। এর আগে ইউজিসির নোটিশে গুচ্ছে থাকা আবশ্যক এ ব্যপারে কিছু বলা হয়নি। হঠাৎ আবার বলা হচ্ছে গুচ্ছ থেকে বের হওয়ার সুযোগ নেই। দরকার হলে আমরা শিক্ষকরা বিষয়টি নিয়ে আবার বসব।’

আগামী ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত হয়ে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজনের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইউজিসি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্টের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলে গুচ্ছে না থাকার বিষয়টি শিক্ষকদের সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছিল।

‘গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতিতে থাকছে না ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়’ শিরোনামে সম্প্রতি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়। খবরটি কমিশনের দৃষ্টিতে আসায় বিষয়টি নিয়ে কমিশন থেকে গুচ্ছভুক্ত ভর্তি কমিটির আহ্বায়কের সঙ্গে আলাপ করা হলে তিনি বিষয়টি অবহিত নন বলে জানান।

এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জন শিক্ষক প্রতিনিধির সঙ্গে কমিশন কর্তৃপক্ষ ৮ ফেব্রুয়ারি মতবিনিময় সভার আহ্বান করে।

পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ জন শিক্ষক প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত পত্রে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত না হতে পারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে কমিশনকে অবহিত করা হয়।

১৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভার পর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপস্থিতিতে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি কমিটির একাধিক সভায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা এই পর্যায়ে পরিবর্তনের সুযোগ নেই। বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কমিশন কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

এ অবস্থায় মতবিনিময় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে গুচ্ছভুক্ত হয়ে আগের তিনটি ভর্তি পরীক্ষার ধারাবাহিকতায় গুচ্ছের আওতায় ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের অনুরোধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ অধ্যাপক ড. মামুনুর রহমান বলেন, ‘ইবির শিক্ষকরা গুচ্ছে থাকবেন না বলে মত দিয়েছেন। ইতোমধ্যে তা একাডেমিক কাউন্সিলেও গৃহীত হয়েছে। এর আগে ইউজিসির নোটিশে গুচ্ছে থাকা আবশ্যক এ ব্যপারে কিছু বলা হয়নি। হঠাৎ আবার বলা হচ্ছে গুচ্ছ থেকে বের হওয়ার সুযোগ নেই। দরকার হলে আমরা শিক্ষকরা বিষয়টি নিয়ে আবার বসব।’

আরও পড়ুন:
গুচ্ছে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত ইবি শিক্ষক সমিতির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In Rajshahi 4 people including three policemen are remanded

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি: তিন পুলিশসহ ৪ জন রিমান্ডে

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি: তিন পুলিশসহ ৪ জন রিমান্ডে প্রতীকী ছবি।
মামলার আসামিরা হলেন- দিনাজপুরের পার্বতীপুর থানার এএসআই গোলাম রাব্বানী, আরএমপির কনস্টেবল আবদুর রহমান ও শাহরিয়ার পারভেজ শিমুল এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুর থানার বাসিন্দা মেহেদী হাসান।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি চেষ্টার মামলায় রাজশাহীতে তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৪ এর বিচারক ফয়সাল তারিক আসামিদের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) আদালত পরিদর্শক আবদুর রফিক জানান, আসামিদের পাঁচদিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক সবাইকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার চার আসামি হলেন- দিনাজপুরের পার্বতীপুর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) গোলাম রাব্বানী, আরএমপি সদর দপ্তরের কনস্টেবল আবদুর রহমান ও শাহরিয়ার পারভেজ শিমুল এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুর থানার পূর্ব দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা মেহেদী হাসান।

আরএমপি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জামিরুল ইসলাম জানান, শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এই চারজনসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। সেদিন সন্ধ্যায় তিন পুলিশ সদস্যকে আদালতের মাধ্যমে কারগারে পাঠানো হয়। আর মেহেদীকে গ্রেপ্তারের পর সোমবার কারাগারে নেয়া হয়। আদালতে সবার রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।

এর আগে শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতারক চক্রটি অসৎ পন্থা অবলম্বন করে চাকরির পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেয়ার চুক্তি করেছিলেন পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে পরীক্ষার আগের দিন বৃহস্পতিবার প্রথমে আরএমপির দুই পুলিশ সদস্যকে নিজেদের হেফাজতে নেয় গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। পরে শনিবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন কারিমা খাতুন নামের এক ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থী। মকলেসুর রহমান নামে এই মামলার আরেক আসামি এখনও পলাতক।

রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা শাখা পুলিশের সদস্যরা অভিযানের সময় কনস্টেবল শাহরিয়ার পারভেজের বাড়ি থেকে ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস সংযুক্ত ১৬টি গেঞ্জি, ১৩টি চুম্বক দণ্ড, ক্ষুদ্র গোলাকৃতির চুম্বকযুক্ত ২৬টি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ফোনের ১৫টি চার্জার জব্দ করে।

অত্যাধুনিক এসব ডিভাইস ব্যবহার করেই চুক্তিবদ্ধ পরীক্ষার্থীকে বাইরে থেকে সব প্রশ্নের উত্তর বলে দেয়ার পরিকল্পনা ছিল চক্রটির।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস জালিয়াতি, নওগাঁয় ১৪ জনের জেল
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা শুরুর অপেক্ষা
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা শুক্রবার
পরিবার কল্যাণের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
14 people jailed in Naogaon for device fraud in teacher recruitment exam

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস জালিয়াতি, নওগাঁয় ১৪ জনের জেল

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইস জালিয়াতি, নওগাঁয় ১৪ জনের জেল কানে ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ আটক এক পরীক্ষার্থী। ছবি: নিউজবাংলা
শুক্রবার সকালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে জেলার বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।

নওগাঁয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে ১৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া জরিমানা করা হয়েছে দুজনকে।

শুক্রবার সকালে পরীক্ষা চলাকালে তাদের আটক করা হয়। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জেলা প্রশাসনের মিডিয়া সেলে এসব তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মো. গোলাম মওলা।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালে মান্দা উপজেলার মমিন শাহানা সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে মিঠুন, সুলতান ও রবিউল ইসলাম নামে তিনজন চাকরিপ্রত্যাশীর কাছে ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায়। এ অপরাধে মিঠুনকে ১ মাস, সুলতানকে ১ মাস এবং রবিউল ইসলামকে ১০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। একই উপজেলার শহীদ কামরুজ্জামান টেক্সটাইল কেন্দ্র থেকে আটক নাইমুর রহমান ও মোস্তাফিজুর বিন আমিনকে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

‘এ ছাড়া মান্দা থানা আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে আরও ৫ জনকে আটক করা হয়। যেখানে জারজিস আলমকে ১০ দিন, ফজলে রাব্বি মন্ডলকে ১ মাস, নুর আলমকে ৭ দিন, জামাল উদ্দিনকে ১০ দিন এবং আব্দুল্লাহ সাইরাফি ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড সাজা পেয়েছেন।’

কিনি আরও বলেন, ‘নওগাঁ সদর উপজেলার বশির উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজ (বিএমসি) কেন্দ্রে দুজনকে ৫০০ টাকা করে মোট ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

‘সদর উপজেলার চক এনায়েত উচ্চ বিদ্যালয় এবং পাহাড়পুর জিএম হাইস্কুল কেন্দ্র করে ১ জন করে মোট দুজনকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। মহাদেবপুর উপজেলায় একজনকে দেয়া হয়েছে ১৫ দিনের কারাদণ্ড।’

অন্যদিকে, বদলগাছী উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দের পর তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The second phase of primary teacher recruitment exam is on Friday

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা শুক্রবার

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা শুক্রবার ফাইল ছবি।
খুলনা, রাজশাহী ও ময়নমনসিংহ বিভাগের ২২টি জেলা শহরে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই পর্বে মোট পরীক্ষার্থী চার লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ জন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা, রাজশাহী ও ময়নমনসিংহ বিভাগের ২২টি জেলা শহরে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত জানান, পরীক্ষা গ্রহণে ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকরা স্ব স্ব জেলার সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

এবার মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের সব কর্মকর্তাকে বিভিন্ন জেলায় নিয়োগ পরীক্ষা মনিটরিংয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা ইতোমধ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলায় পৌঁছেছেন।

দ্বিতীয় পর্বে মোট পরীক্ষার্থী চার লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ জন। কেন্দ্রের সংখ্যা ৬০৩টি এবং কক্ষের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৫৭টি।

২০২৩ সালের ২০ মার্চ দ্বিতীয় পর্বের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। প্রথম পর্বে বরিশাল, সিলেট ও রংপুর বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত বছরের ৮ ডিসেম্বর। ২০ ডিসেম্বর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এই পর্বের মৌখিক পরীক্ষা চলমান।

আরও পড়ুন:
সরকারি প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: দ্বিতীয় গ্রুপের পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি
তিন বিভাগে প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি
১৭তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

মন্তব্য

p
উপরে