× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
18 dengue patients in hospital in 24 hours in Barisal
google_news print-icon

ব‌রিশালে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

ব‌রিশালে-২৪-ঘণ্টায়-১৮-ডেঙ্গু-রোগী-হাসপাতালে
শাহ‌রিয়ার হক ব‌লেন, ‘রোগীদের রক্তের প্লাটিলেট সর্বনিম্ন ৩০ হাজার থাকা প্রয়োজন। তার নীচে হলেই রক্ত দিতে হবে রোগীকে।’

বরিশালে দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নতুন করে রোগী ভর্তি হয়েছে ১৮ জন। এ নিয়ে হাসপাতালটিতে ৭০ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছে।

গত সেপ্টেম্বর মাসে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডেঙ্গু রোগী মারা গেছে ৫ জন। বর্তমানে বিভাগের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন ১৭০ ডেঙ্গু রোগী ।

ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী মামুন হাওলাদার। গত ১১ অক্টোবর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে বরিশালের বাকেরগঞ্জে নিজ বাড়িতে চলে আসেন। এরপর ১৩ অক্টোবর অবস্থার অবনতি হলে শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করায় তার পরিবার।

ভর্তির পর প্রথমে রক্তের প্লাটিলেট ছিল ৫৬ হাজার। গত ৬ দিন চিকিৎসা শেষে এখন রক্তের প্লাটিলেট ৯৫ হাজারে উঠেছে। তবে হাসপাতালে ঠিকমত চিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে দাবি মামুনের বাবা মাসুদ হাওলা‌দা‌র।

শুধু মামুন হাওলাদার নয়, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অধিকাংশ রোগীই আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকায় কাজে অথবা বেড়াতে গিয়ে। প্রথমে জ্বর ও শরীর ব্যথা অনুভব হওয়ার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে পরীক্ষা করালে ধরা পড়ে ডেঙ্গু।

শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মে‌ডি‌সিন বিভা‌গের সহকারী রে‌জিস্ট্রার শাহ‌রিয়ার হক ব‌লেন, ‘রোগীদের রক্তের প্লাটিলেট সর্বনিম্ন ৩০ হাজার থাকা প্রয়োজন। তার নীচে হলেই রক্ত দিতে হবে রোগীকে।’

শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প‌রিচালক এইচ এম সাইফুল ইসলাম ব‌লেন, ‘ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই।’

আরও পড়ুন:
ডেঙ্গু জ্বরের রোগীদের খাবার
ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১০০ ছুঁইছুঁই
ডেঙ্গু নিয়ে আরও তৎপর হোন : সিটি করপোরেশনকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ঢাকার পর এখন ডেঙ্গুর হাব কক্সবাজার
চলতি বছরে এক দিনে ডেঙ্গুতে হাসপাতালে সর্বোচ্চ ভর্তি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
47 European doctors in Bangladesh to serve the poor

দরিদ্রের সেবায় ইউরোপের ৪৭ চিকিৎসক বাংলাদেশে

দরিদ্রের সেবায় ইউরোপের ৪৭ চিকিৎসক বাংলাদেশে সোমবার ঢাকায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, ব্রিটেনের হাউজ অফ লডর্স সদস্য মঞ্জিলা পলাউদ্দিনসহ সফররত চিকিৎসকদের কয়েকজন। ছবি: নিউজবাংলা
চিকিৎসকদের দলটি মঙ্গলবার সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে জটিল রোগে আক্রান্ত দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেবেন। এই দলে আছেন ফ্রান্সের স্বনামধন্য কার্ডিয়াক সার্জন অধ্যাপক ফিলিপ মেনাশে, ইংলান্ডের অধ্যাপক ম্যাথিয়াস ও অধ্যাপক কুমারান।

দরিদ্র রোগীদের উন্নত চিকিৎসা দিতে বাংলাদেশে এসেছেন ইউরোপের খ্যাতনামা ৪৭ জন চিকিৎসক। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবিক সেবা প্রতিষ্ঠান তাফিদা রাকিব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সিলেট বিভাগে আগামী এক সপ্তাহ মেগা মেডিক্যাল ক্যাম্প করবেন তারা।

চিকিৎসকদের সফরকারী দলটি সোমবার বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে এক বৈজ্ঞানিক সেমিনারে অংশ নেন।

রাজধানীতে ইন্টারকন্টিন্টোল হোটেলের বলরুমে এই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ এসোসিয়েশন, ঢাকা।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, ব্রিটেনের হাউজ অফ লডর্সের সদস্য মঞ্জিলা পলাউদ্দিনসহ দেশের খ্যাতিমান চিকিৎসকরা।

কার্ডিয়াক, ব্রেন, নিউরো, শিশু, চক্ষু, গাইনিসহ বিভিন্ন বিষয়ের প্রখ্যাত ইউরোপিয়ান চিকিৎসকরা আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের নানা বিষয় তুলে ধরেন এই সেমিনারে।

চিকিৎসকদের দলটি মঙ্গলবার সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জের বিভিন্ন হাসপাতালে জটিল রোগে আক্রান্ত দরিদ্র রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেবেন। এই দলে আছেন ফ্রান্সের স্বনামধন্য কার্ডিয়াক সার্জন অধ্যাপক ফিলিপ মেনাশে, ইংলান্ডের অধ্যাপক ম্যাথিয়াস ও অধ্যাপক কুমারান।

বাংলাদেশে বিদেশি চিকিৎসকদের এত বড় মেগা মেডিক্যাল ক্যাম্প আগে আর হয়নি বলে জানান আয়োজক প্রতিষ্ঠান তাফিদা রাকিব ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সেলিনা বেগম।

মেডিক্যাল ক্যাম্প শেষে ৬ মার্চ বাংলাদেশ ছাড়বেন ইউরোপের এই চিকিৎসক দলটি।

আরও পড়ুন:
বিএসএমএমইউতে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশন সেন্টার চালু
যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকদের নেতৃত্বে খালেদার যকৃতে অস্ত্রোপচার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Another death due to Corona

করোনায় আরও এক প্রাণহানি

করোনায় আরও এক প্রাণহানি ফাইল ছবি
এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৮৯ জনে। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৮ হাজার ২৩২ জনে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও একজনের প্রাণ গেছে। এ ছাড়া নতুন করে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে আরও ৪৬ জনের শরীরে।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার সকাল থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার এ হিসাব দেয়া হয়েছে।

এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৮৯ জনে। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৮ হাজার ২৩২ জনে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৫টি পরীক্ষাগারে ৫৩৯ টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। তাদের মধ্যে ৪৫ জনই ঢাকার রোগী। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৮দশমিক ৫৩ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৮ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ১৫ হাজার ২৮৭ জন। সুস্থতার হার ৯৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
২৪ ঘণ্টায় ২৯ জনের করোনা শনাক্ত
দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৮২ জনে পৌঁছাল
বেনাপোল বন্দরে নষ্ট থার্মাল স্ক্যানার, বাড়ছে করোনার ঝুঁকি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Illegal clinics cannot be kept open by any means Health Minister

কোনো তদবিরেই অবৈধ ক্লিনিক চালু রাখা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কোনো তদবিরেই অবৈধ ক্লিনিক চালু রাখা যাবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের ব্রিফ করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী স্বাস্থ্যখাত নিয়ে সাম্প্রতিক কিছু ইস্যু নিয়ে কথা হচ্ছে। ঘটনাগুলো যেকোনো মানুষের মনকেই নাড়া দেবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে আমাকে শক্তহাতে উদ্যোগ নিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স মেইনটেইন করতে বলেছেন।

কোনো অনুরোধ বা তদবিরেই অবৈধ বা যন্ত্রপাতিহীন ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার সচল রাখা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ব্রিফ্রিংকালে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশব্যাপী স্বাস্থ্যখাত নিয়ে সাম্প্রতিক কিছু ইস্যু নিয়ে কথা হচ্ছে। ঘটনাগুলো যেকোনো মানুষের মনকেই নাড়া দেবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে আমাকে শক্তহাতে উদ্যোগ নিতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স মেইনটেইন করতে বলেছেন।

‘আমি দ্ব্যার্থহীনভাবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে চলবো। আমি পরিস্কারভাবে বলতে চাই, বৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল,ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো আমরা বন্ধ করতে চাই না, তবে এগুলো চালাতে হলে যতগুলো চিকিৎসক, নার্স প্রয়োজন তা থাকতে হবে; যা যা যন্ত্রপাতি থাকার কথা সেগুলো থাকা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সেটা করা না হলে, আমি কঠোর ব্যবস্থা নিতে জিরো টলারেন্স মেইনটেইন করবো। কেনো অনুরোধ বা তদবিরেই এসব অবৈধ বা যন্ত্রপাতিহীন ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার সচল রাখা হবে না।

‘আমরা এক মাসে প্রায় ১২২৭টি অবৈধ ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করেছি, এখনও অভিযান চলমান আছে। এর সাথে আরো বলে রাখি, বৈধ স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত লোকবল ও যন্ত্রপাতি না থাকলে সেগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি রোগীদের সুরক্ষা নিয়ে যেভাবে ভাবছি, একইভাবে আমি চিকিৎসকদের সুরক্ষা নিয়েও কাজ করছি। ভালো সেবা পেতে হলে ভালো চিকিৎসক লাগবে। ভালো সুযোগ-সবিধা না পেলে ভালো চিকিৎসক পাওয়াও মুশকিল হবে।’

ব্রিফ্রিংকালে তিনি অতীতে কী কী হয়েছে সেগুলো নিয়ে না ভেবে এখন থেকে কী কী করা হচ্ছে সেদিকে বেশি মনোযোগ দিতে মিডিয়া কর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান।

এর আগে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতাল ও ক্লিনিক সেবা শাখার সাথে সংশ্লিষ্ট সংগঠন ও কর্মকর্তাদের সাথে আলাদা করে একটি বৈঠক করেন।

এ সময় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবিএম খুরশীদ আলম, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, বিএমডিসি সভাপতি অধ্যাপক ডা মাহমুদুল হাসান, বিএসএমএমইউ এর এনেস্থেসিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর দেবব্রত বণিক, ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের এনেস্থিসিওলজি বিভাগের প্রধানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে কাজ শুরু করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার
অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধ না করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Anesthesia cannot be given in the chamber and diagnostic center

অ্যানেসথেসিয়া দেয়া যাবে না চেম্বার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে

অ্যানেসথেসিয়া দেয়া যাবে না চেম্বার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে
অ্যানেসথেসিয়া দিতে গিয়ে পরপর দুটি শিশুসহ তিন ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনার পর বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।

কোনো অবস্থাতেই নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ছাড়া চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেসথেসিয়া দেয়া যাবে না। বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ অবেদনবিদ (অ্যানেসথেটিস্ট) ছাড়া যেকোনো ধরনের অস্ত্রোপচার করা যাবে না।

অ্যানেসথেসিয়া দিতে গিয়ে পরপর দুটি শিশুসহ তিন ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনার পর বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান সেই অফিস আদেশে সই করেন।

ওই অফিস আদেশে মোট ১০টি নির্দেশনা বা শর্ত জারি করা হয়েছে। এসব শর্ত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে আবশ্যিকভাবে প্রতিপালনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই অফিস আদেশে।

মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার জে এস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিক্যাল চেকআপ সেন্টারে (জে এস হাসপাতাল) খতনা করার সময় আহনাফ তাহমিদ (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। স্বজন ও পুলিশ সূত্র বলছে, চিকিৎসকরা শিশুটিকে অস্ত্রোপচার কক্ষে নিয়ে অবেদন (অ্যানেসথেসিয়া) করে তার খতনা করেন। কিন্তু শিশুটির আর জ্ঞান ফিরে আসেনি। রাত ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

এর আগে গত মাসে রাজধানীর বাড্ডার সাঁতারকুলের ইউনাইটেড মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে খতনার পর পাঁচ বছর বয়সি শিশু আয়ানের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া বুধবার চিকিৎসার জন্য গিয়ে মারা যান আরেক ব্যক্তি। এ পরিপ্রেক্ষিতে এমন নির্দেশনা জারি করল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া ১০ দফা শর্ত

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনার ক্ষেত্রে যে ১০টি শর্ত আবশ্যিকভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সেগুলো হচ্ছে:

১. বেসরকারি ক্লিনিক/হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিকের লাইসেন্সের কপি ওই প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশপথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই স্থায়ীভাবে প্রদর্শন করতে হবে।

২. সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা বা কর্মচারী থাকতে হবে এবং তার ছবি ও মোবাইল নম্বর দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।

৩. যেসব প্রতিষ্ঠানের নাম ডায়াগনস্টিক ও হাসপাতাল হিসেবে আছে কিন্তু শুধু ডায়াগনস্টিক অথবা হাসপাতালের লাইসেন্স রয়েছে, তারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত ছাড়া কোনোভাবেই নামে উল্লেখিত সেবা দিতে পারবে না।

৪. ডায়াগনস্টিক সেন্টার/প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরির ক্ষেত্রে যে ক্যাটারগরিতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, শুধু সে ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ব্যতীত কোনোভাবেই অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা যাবে না। ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্যাথলজি/মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও রেডিওলজি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে হবে।

৫. বেসরকারি ক্লিনিক/হাসপাতালের ক্ষেত্রে লাইসেন্সের প্রকারভেদ ও শয্যাসংখ্যা অনুযায়ী সব শর্ত বাধ্যতামূলকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

৬. হাসপাতাল/ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সব চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রির সনদগুলো, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের কপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে।

৭. হাসপাতাল/ক্লিনিকের ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসককে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে।

৮. কোনো অবস্থাতেই লাইসেন্সপ্রাপ্ত/নিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক ছাড়া চেম্বারে অথবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া যাবে না। বিএমডিসি (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল) স্বীকৃত বিশেষজ্ঞ অবেদনবিদ ছাড়া যেকোনো ধরনের অপারেশন/সার্জারি/ইন্টারভেনশনাল প্রসিডিউর করা যাবে না।

৯. সব বেসরকারি নিবন্ধিত লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল/ক্লিনিকে লেবার রুম প্রটোকল অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

১০. নিবন্ধিত/লাইসেন্সপ্রাপ্ত হাসপাতাল/ক্লিনিকে অপারেশন থিয়েটারে অবশ্যই অপারেশন থিয়েটার এটিকেট (শিষ্টাচার) মেনে চলতে হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona took another life

করোনা নিল আরও এক প্রাণ

করোনা নিল আরও এক প্রাণ ফাইল ছবি
এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৮৭ জনে। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৮ হাজার ১১৬ জনে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত একজনের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৪৮৭ জনে। আর আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৮ হাজার ১১৬ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৫টি পরীক্ষাগারে ৭১৭ টি নমুনা পরীক্ষায় ৭৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। তাদের মধ্যে ৬৬ জনই ঢাকার রোগী। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ১৫ হাজার ১৮০ জন। সুস্থতার হার ৯৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nuha and Nava were separated in 15 hours of surgery

১৫ ঘণ্টার অস্ত্রোপচারে আলাদা হলো নুহা ও নাভা

১৫ ঘণ্টার অস্ত্রোপচারে আলাদা হলো নুহা ও নাভা ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের মতো এগিয়ে যাচ্ছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, আমাদের চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিলে বাংলাদেশ থেকে এখন জটিল সব রোগেরই চিকিৎসা দেয়া সম্ভব।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ১৫ ঘণ্টা ধরে চলা জটিল অস্ত্রোপচারের পর আলাদা হয়েছে মাথা জোড়া লাগানো দুই শিশু নুহা ও নাভা। অস্ত্রোপচারের পর তারা দুজনই ভালো আছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সোমবার সকাল ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অস্ত্রোপচারে তাদের পৃথক করা হয়।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বিএসএমএমইউতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চিকিৎসা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের মতো এগিয়ে যাচ্ছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, আমাদের চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিলে বাংলাদেশ থেকে এখন জটিল সব রোগেরই চিকিৎসা দেয়া সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘বিএসএমএমইউতে নুহা ও নাভা নামের দুটি শিশুর জোড়া মাথা আলাদা করার অপারেশন হলো। এটি সাধারণ কোনো অস্ত্রোপচার নয়। এখানে আমাদের অভিজ্ঞ চিকিৎসক টিম টানা ১৩ ঘণ্টার বেশি সময় অপারেশনের মাধ্যমে এই অসাধ্য সাধন করেছে।

‘এই অপারেশন বিনামূল্যে হয়েছে। দুই শিশুর চিকিৎসার ব্যয় প্রধানমন্ত্রী নিজে বহন করেছেন। অন্য দেশে করতে গেলে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ চিকিৎসা ক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনার দেশ। এ দেশে অনেক শিক্ষার্থী প্রতি বছর মেডিক্যালে পড়ালেখা শেষ করে চিকিৎসক হচ্ছেন। তারা মেধাবী ও দক্ষ। তাদের জন্য একটু সুযোগ সুবিধা বাড়াতে হবে ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। তাহলে বাংলাদেশ থেকে কোনো রোগীকে আর বিদেশ যেতে হবে না।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
How many times a day to lift the lid?

দিনে কতবার ঢেকুর তুলবেন?

দিনে কতবার ঢেকুর তুলবেন? প্রতীক ছবি
চিকিৎসকদের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি সারা দিনে কত বার ঢেকুর তুলবেন, তা নির্ভর করে ওই ব্যক্তির হজম করার ক্ষমতা এবং খাওয়াদাওয়ার অভ্যাসের ওপর।

দুধ খাওয়ানোর পর সদ্যোজাতদের পিঠ চাপড়ে চাপড়ে ঢেকুর তোলান মায়েরা। তা হলে প্রাপ্তবয়স্করা যখন তখন ঢেকুর তুললে সমস্যা কোথায়?

চিকিৎসকেরা বলছেন, খাবার পরিপাকের সঙ্গে যুক্ত স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া হল ঢেকুর তোলা। যা কেনো দিক থেকেই ক্ষতিকর নয়। তবে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পেটে সামান্য পানি প্রবেশ করা মাত্রই ঢেকুর তোলার অভ্যাস কিন্তু স্বাভাবিক না-ও হতে পারে।

চিকিৎসকদের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি সারা দিনে কত বার ঢেকুর তুলবেন, তা নির্ভর করে ওই ব্যক্তির হজম করার ক্ষমতা এবং খাওয়াদাওয়ার অভ্যাসের ওপর।

সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে, সারা দিনে খুব বেশি হলে ৩০ বার পর্যন্ত ঢেকুর তোলা স্বাভাবিক। ‘কারেন্ট ট্রিটমেন্ট অপশন ইন গ্যাস্ট্রোএন্ট্রোলজি’তে প্রকাশিত হয়েছে এই তথ্যটি।

বেশির ভাগের ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, এটি হজম সংক্রান্ত সমস্যার সঙ্গে জড়িত। তবে যদি ঘন ঘন ঢেকুর উঠতে থাকে, তা শুধু হজমের গোলমালে না-ও হতে পারে।

চিকিৎসকেরা বলছেন, সারাক্ষণ ঢেকুর তোলার মূল কারণ কিন্তু গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজ়িজ় বা ‘জিইআরডি’। আবার ইরিটেব্ল বাওয়েল সিন্ড্রম বা ‘আইবিএস’-এর সমস্যা হলেও কিন্তু ঘন ঘন ঢেকুর তোলার মতো লক্ষণ দেখা যায়।

কী করবেন?

অল্প অল্প করে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। দু ঘণ্টা অন্তর হালকা কিছু খাবার খেতে পারলে এই ধরনের সমস্যা হবে না। কী ধরনের খাবার থেকে হজমের সমস্যা হয়, তা বুঝতে পারলে, সেই ধরনের খাবার এড়িয়ে চুলন। এ ছাড়া উদ্বেগ, অবসাদ বা মানসিক চাপ থেকেও কিন্তু এই ধরনের সমস্যা হতে পারে। তাই নিয়মিত মেডিটেশন, শরীরচর্চা করতে পারলে ভালো। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার
অবৈধ হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধ না করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিদেশিরাও শিগগিরই দলে দলে চিকিৎসা নিতে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে