× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Birds of Siberia
google_news print-icon

সাইবেরিয়ার পাখি

সাইবেরিয়ার-পাখি
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

রন্টি: শীতকালে সাইবেরিয়ার পাখিরা বাংলাদেশে উড়ে আসে কেন?

মিনু: উড়ে আসবে না তো কি হেঁটে আসবে? অতদূর থেকে কী হেঁটে আসা যায়!

-

বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও আমাদের কাছে জোকস লিখে পাঠাতে পারো। পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Hasan Ali is successful in raising beautiful Kalim birds from hobby to commercial potential

দৃষ্টিনন্দন ‘কালিম পাখি’ পালনে সফল হাসান আলী, শখ থেকে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

দৃষ্টিনন্দন ‘কালিম পাখি’ পালনে সফল হাসান আলী, শখ থেকে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ছবি: সংগৃহীত

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাজারের হাসান আলী নামের এক সফল মৎস্য ব্যবসায়ী এবার শখের বশে বিলুপ্তপ্রায় ও দৃষ্টিনন্দন ‘কালিম পাখি’ পালন করে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। সাধারণত হাওর-বিল বা জলাভূমির এই বুনো পাখিকে খাঁচায় বন্দি না রেখে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ও পোষ মানিয়ে পালন করায় প্রতিদিন তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন স্থানীয় উৎসুক জনতা।

জানা গেছে, ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর বাজারের ওই মৎস্য ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে মাছ ব্যবসার পাশাপাশি দেশীয় ও সৌখিন পাখি পালনে আগ্রহী ছিলেন। প্রায় বছর খানেক আগে তিনি সৌখিনভাবে এক জোড়া কালিম পাখির ছানা সংগ্রহ করেন। প্রথম দিকে পাখি দুটি বুনো স্বভাবের হলেও নিবিড় পরিচর্যা, সঠিক পুষ্টি এবং ভালোবাসার কারণে অল্প দিনেই তারা গৃহপালিত হাঁস-মুরগির মতো পোষ মেনে যায়। বর্তমানে পাখি দুটি চুকনগর বাজারের পাশে তার নিজস্ব খামার ও মৎস্য ঘেরের আশেপাশে উন্মুক্ত অবস্থায় ঘুরে বেড়ায় এবং মালিকের ডাক শুনলেই কাছে ছুটে আসে।

খামারি জানান, নীল ও বেগুনি রঙের মিশ্রণে চোখ ধাঁধানো রূপের এই কালিম পাখিটির পা ও ঠোঁট টকটকে লাল। এই পাখি লালন-পালন করা বেশ সহজ। এরা মূলত জলজ উদ্ভিদ, কচি ঘাস, ধানের শীষের পাশাপাশি বাজারে কিনতে পাওয়া ব্রয়লার ফিড, গম এবং ছোট চিংড়ি বা মাছ খেয়ে জীবন ধারণ করে। গৃহপালিত হাঁসের মতোই এদের রোগবালাই অত্যন্ত কম এবং দেশীয় আবহাওয়াতে এরা দারুণভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছে।

চুকনগর বাজারে আসা সাধারণ মানুষ ও দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা জানান, এক সময় খুলনার বিল ডাকাতিয়া অঞ্চলসহ বিভিন্ন বিলে প্রচুর কালিম পাখি দেখা যেত। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন ও শিকারিদের দৌরাত্ম্যে এই পাখি এখন বিলুপ্তির পথে। চুকনগরের বুকে উন্মুক্ত অবস্থায় এমন সুন্দর পাখি ঘুরে বেড়াতে দেখে অনেকেই মুগ্ধ হচ্ছেন। অনেকে আবার এই মৎস্য ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেরাও কালিম পাখি পালনের খোঁজখবর নিচ্ছেন।

উদ্যোক্তা মৎস্য ব্যবসায়ী হাসান আলী জানান, কেবল শখের বশে শুরু করলেও এখন তিনি এটিকে বাণিজ্যিকভাবে সম্প্রসারণের কথা ভাবছেন। তিনি বলেন, ‘কালিম পাখি খুবই বুদ্ধিমান। এদের ঠিকমতো যত্ন নিলে এরা চমৎকার পোষ মানে। আমার এখানে পাখি দুটি সম্পূর্ণ মুক্ত পরিবেশে বড় হচ্ছে। আশা করছি খুব শিগগিরই এরা ডিম দেবে এবং বাচ্চা ফুটিয়ে এদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।’

ডুমুরিয়া উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড, আশরাফুল কবির বলেন স্থানীয় পরিবেশবাদীরা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, যথাযথ নিয়ম মেনে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ক্ষুণ্ণ না করে যদি এই ধরনের বিরল প্রজাতির পাখির কৃত্রিম প্রজনন ও খামার তৈরি করা যায়, তবে তা জীববৈচিত্র্য রক্ষায় যেমন ভূমিকা রাখবে, তেমনি সৌখিন পাখিপ্রেমীদের জন্য এক নতুন আয়ের উৎস হতে পারে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
101 mobile recovered by police in Naogaon handed over to owners

নওগাঁয় পুলিশের উদ্ধার করা ১০১ মোবাইল মালিকদের কাছে হস্তান্তর

নওগাঁয় পুলিশের উদ্ধার করা ১০১ মোবাইল মালিকদের কাছে হস্তান্তর ছবি: সংগৃহীত

নওগাঁ জেলা পুলিশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) শাখা, ক্রাইম এবং গোয়েন্দা শাখার উদ্যোগে গত এক মাসে (জুন) হারিয়ে যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে তা মালিকদের নিকট ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যলায়ের সম্মেলন কক্ষে এ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। তিনি উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন।

এ সময় হারানো মোবাইল ফিরে পেয়ে অনেকেই সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় আইসিটি, ক্রাইম এবং গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ টিম বিভিন্ন থানায় করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে মোবাইল ফোনগুলো শনাক্ত ও উদ্ধার করে।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, মোবাইল ফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হিসেবে পরিনত হয়েছে। হারানো মোবাইল মালিকদের নিকট ফিরিয়ে দিতে পেরে আনন্দিত। নওগাঁ জেলা পুলিশ হারানো সকল মোবাইল উদ্ধারের জন্য সর্বদাই তৎপর রয়েছে এবং সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে নওগাঁর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শেখ মোহাম্মদ জিন্নাহ আল মামুনসহ কিসের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rian Ansari an unbalanced youth of Daulatpur a Nepali citizen is famous after five years

দৌলতপুরের ভারসাম্যহীন যুবক ‘রিয়ান আনসারী’ নেপালী নাগরিক, পাঁচ বছর পর পরিচয় শনরাক্ত

দৌলতপুরের ভারসাম্যহীন যুবক ‘রিয়ান আনসারী’ নেপালী নাগরিক, পাঁচ বছর পর পরিচয় শনরাক্ত ছবি: সংগৃহীত

প্রায় পাঁচ বছর ধরে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পরিচয়হীন ও মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ঘুরে বেড়ানো এক নেপালী যুবকের পরিচয় অবশেষে শনাক্ত হয়েছে। তিনি নেপালের নাগরিক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ইতিমধ্যে তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ বছর আগে ভারত সীমান্তের জলঙ্গী এলাকা হয়ে ওই যুবক বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে তিনি দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের ইসলামপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়াতেন। বর্তমানে তিনি ইসলামপুর এলাকার ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি পলাশ আহমেদের (মুক্তার সরকার)এর হেফাজতে রয়েছেন। মানবিক কারণে পলাশ আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে তাঁর আশ্রয়, চিকিৎসাসহ ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে ওই যুবকের মানসিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তিনি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একটি ইমো নম্বর দেন। পরে ওই নম্বরে যোগাযোগ করে তার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগের পর জানা যায়, যুবকের নাম রিয়ান আনসারী। তিনি নেপালের বারা জেলার কালাইয়া থানার বাসিন্দা এবং বাদল আনসারীর ছেলে।

রিয়ানের পরিবারের সদস্যরা তার পরিচয় নিশ্চিত করেছেন এবং দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে তিনি প্রতিদিন কয়েকবার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন, যা তার মানসিক অবস্থার উন্নতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রিয়ানের দেখাশোনাকারী পলাশ আহমেদ বলেন, ‘প্রায় চার বছর ধরে রিয়ান আমার কাছেই আছে। পরিবারের একজন সদস্যের মতো করেই তাকে দেখাশোনা করছি। সে ভাত খেতে চায় না, গোশতের ঝোল দিয়ে মুড়ি মাখা ও ডিম ভাজি খেতে বেশি পছন্দ করে। কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করে না।

এ বিষয়ে উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও অনিন্দ্য গুহর সরকারি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Development of 11 new varieties of fruits in 44 years of pursuit of Agricultural Research Center

কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ৪৪ বছরের সাধনায় ফলের ১১ নতুন জাত উদ্ভাবন

কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ৪৪ বছরের সাধনায় ফলের ১১ নতুন জাত উদ্ভাবন ছবি: সংগৃহীত

প্রকৃতির শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশে সমৃদ্ধির এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছে মৌলভীবাজারের আকবরপুরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। জেলা শহর থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে এই গবেষণা কেন্দ্র ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ ৪৪ বছর ধরে এই কেন্দ্রটি দেশের কৃষি খাতকে সমৃদ্ধ করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ৩১৪ বিঘা বিশাল জমির ওপর গড়ে ওঠা এই গবেষণা কেন্দ্রটি থেকে এ পর্যন্ত ফল চাষে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে; উদ্ভাবিত হয়েছে ১১টি উচ্চফলনশীল ও উন্নত ফলের জাত, যা এখন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে।

বর্তমানে এই কেন্দ্রে শুধু ফলই নয়, স্থানীয় আবহাওয়া উপযোগী বিভিন্ন সবজি ও তেল জাতীয় মাঠ ফসল নিয়েও চলছে ব্যাপক গবেষণা। একটি ফলের নতুন জাত উদ্ভাবন করতে কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ বছর নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হয়।

দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময়ে এই কেন্দ্র থেকে যে ১১টি ফলের জাত অবমুক্ত করা হয়েছে, তা হলো, ১৯৯৬ সালে বারি পেয়ারা-২, বারি লিচি-২, বারি লিচি-৩, ১৯৯৭ সালে বারি বাতাবি লেবু-১, বারি কামরাঙ্গা-১, বারি কামরাঙা-২, ২০০৮ সালে বারি কাঁঠাল-১, ২০১২ সালে বারি আম-১০, ২০১৮ সালে বারি জারা লেবু-১, ২০২৩ সালে বারি কাঁঠাল- ৫ এবং বর্তমানে এখানে ড্রাগন, কাঁঠাল, জাম্বুরা, পেয়ারা, আম, আনারস, লিচু এবং জারা ও কলেম্বুসহ বিভিন্ন লেবু জাতীয় ফলের নতুন জাত উদ্ভাবনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

অন্য অঞ্চলে ভালো ফলন হলেও মৌলভীবাজার অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়ার কারণে যেসব সবজি আগে এখানে ভালো হতো না, সেগুলোকে এ অঞ্চলের উপযোগী করার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। অতীতে পানি কচু ও লতি কচু নিয়ে সফল গবেষণার পর বর্তমানে লাউ, মিষ্টি কুমড়া, চিচিঙ্গা, বরবটি, লালশাক, শিম, পটোল ও টমেটো নিয়ে কাজ চলছে। পাশাপাশি তেল জাতীয় ফসলের ঘাটতি মেটাতে বাদাম, চিনা বাদাম, সরিষা ও সূর্যমুখীর ওপর গবেষণা চলছে। এছাড়া কফি ও গোলমরিচের মতো অর্থকরী ফসলের জাত নিয়েও পরীক্ষা চালানো হচ্ছে, যা সফল হলে ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে নতুন জাত হিসেবে স্বীকৃতি পেতে পারে।

গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা জানান, প্রথমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভালো ফলন হওয়া ফসলের নমুনা বা বীজ সংগ্রহ করা হয়। কখনো কখনো বিদেশি জাত এনেও পরীক্ষা করা হয়। এরপর এই অঞ্চলের মাটি ও জলবায়ুর সাথে সামঞ্জস্য রেখে কীভাবে রোগবালাইমুক্ত ও অধিক ফলনশীল জাত তৈরি করা যায়, তা নিয়ে চলে দীর্ঘমেয়াদি ট্রায়াল। প্রাথমিক সফলতা মিললে পরে তা ব্যাপকভাবে চাষের উপযোগী জাত হিসেবে অনুমোদন পায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, সুরক্ষিত এই কেন্দ্রের ভেতরে কফি, গোলমরিচ, ড্রাগন, চায়না লেবু ও সিড লেবুসহ নানা প্রজাতির গাছের সমারোহ। স্থানীয় বাসিন্দা জুনেদ মিয়া বলেন, ছোটবেলা থেকেই দেখছি খুব নিরিবিলি পরিবেশে এখানে কৃষি গবেষণা হয়। সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার সীমিত হলেও এখান থেকে উন্নত জাতের বিভিন্ন ফল ও গাছের চারা সুলভ মূল্যে বিক্রি করা হয়।
কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (কৃষিশাস্ত্র) মো. আব্দুল মাজেদ মিয়া ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দীন জানান, অন্য অঞ্চলের সফল ফসলকে এই অঞ্চলের উপযোগী করে তোলাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। সময় বাড়ার সাথে সাথে কৃষকরাও আধুনিক এই জাতগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন।

মৌলভীবাজার আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহমুদুল ইসলাম নজরুল এই কার্যক্রমের সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে বলেন, আমাদের মূল কাজ হলো অঞ্চলভিত্তিক কৃষি উন্নয়ন। আবহাওয়া ও মাটির বৈশিষ্ট্যের কারণে যেসব ফসল এখানে হতো না, আমরা সেগুলোর গুণাগুণ বিশ্লেষণ করে এবং পোকামাকড় প্রতিরোধী করে এই অঞ্চলের উপযোগী জাত তৈরি করি। এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান (Non-profitable Organization)। আমরা অত্যন্ত সীমিত মূল্যে কৃষকদের মাঝে উন্নত বীজ ও চারা সরবরাহ করছি। ফলে এক সময় এই অঞ্চলে যেসব ফল ও সবজি চাষের কথা ভাবা যেত না, এখন তা অনায়াসেই উৎপন্ন হচ্ছে এবং স্থানীয় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the autorickshaw driver was recovered from the jute field 

পাটক্ষেত থেকে অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার 

পাটক্ষেত থেকে অটোরিকশা চালকের মরদেহ উদ্ধার  ছবি: নিউজ বাংলা

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের নবগ্রাম কাশতা এলাকার একটি পাটক্ষেত থেকে সাকিবুল ইসলাম (১৭)নামের অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা অটোরিকশার সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে নিহতের কাছে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত করেন পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া তিনটি স্যান্ডেলকেও গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত প্রায় ১২ টার দিকে এ মরদেহ উদ্ধার করেন থানা পুলিশ। নিহত সাকিবুল ইসলাম মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার মিতরা গ্রামের রহম আালী ওরফে টুলুর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে নবগ্রাম কাশতা গোলাই এলাকায় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে একটি পাটক্ষেত থেকে সাকিবুলের মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মানিকগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায় , প্রথমে অটোরিকশার সূত্র ধরে ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান চালানো হয়। পরে নিহতের কাছে থাকা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে তিনটি স্যান্ডেল জব্দ করা হয়েছে। এসব আলামত গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে স্বপন (২২) নামে এক ফার্নিচার ডিজাইনারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার সারওয়ার আলম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা তদন্তের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটনের নির্দেশনা দেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of a woman was recovered from a boat two days after she went missing in Tangails Sakhipur

টাঙ্গাইলের সখিপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর ডোবা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গাইলের সখিপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর ডোবা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার ছবি: নিউজ বাংলা

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুইদিন পর বাসার পাশে একটি ডোবা থেকে পারভীন আক্তার (৪৬) নামে এক বিধবা নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎‎বুধবার (১ জুলাই) দুপুরের দিকে সখীপুর পৌর সভার ৭ নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেইটের দক্ষিণে বাসার কাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পারভীন আক্তার ওই ওয়ার্ডের মৃত হুমায়ন খানের স্ত্রী।

‎পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী তিনি। ছেলে ঢাকার সাভারে চাকরি করার সুবাদে সেখানে থাকেন। মেয়েকেও বিয়ে দিয়েছেন গত দু মাস হলো। এরপর থেকেই পারভীন বাসায় একাই থাকতেন। গত ২৯ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার সাভারে চাকুরিরত ছেলে সোাহেল রানা ফাহাদের সঙ্গে মোবাইলে তার সর্বশেষ কথা হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকাল থেকে ফাহাদসহ পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা একাধিকবার ফোন করলেও মোবাইল বেজে গেলেও তিনি আর কল রিসিভ করেননি।

পরে ৩০জুন সন্ধায় ফাহাদ ঢাকা থেকে ফিরে সখীপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন। গতকাল রাত থেকেই পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি শুরু করেন।

‎খোজাখুজির একপর্যায়ে আজ বুধবার দুপুরের দিকে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‎নিহতের ছেলে মামলার বাদী সোহেল রানা ফাহাদ বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। দায়ীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

এবিষয়ে ‎সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বাসাইল-সখীপুর ইনচার্জ এ কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, লাশের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন বুঝা যাচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দায়ীদের সনাক্ত কারণের কাজ অব্যাহত আছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Four students of the same school are missing

একই স্কুলের চার শিক্ষার্থী নিখোঁজ

একই স্কুলের চার শিক্ষার্থী নিখোঁজ
ছবি: সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় সাবাজপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়তে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে তাদের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিখোঁজ হওয়া ছাত্রীদের পরিবারের সদস্যরা বালিয়াডাঙ্গী থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

নিখোঁজ এই ছাত্রীরা সবাই চাড়োল ইউনিয়নের সাবাজপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং একই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছে খুশি, মল্লিকা ও ঋতু দেবনাথ, যারা দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। এছাড়া অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সুজুতি রানী দেবনাথও তাদের সঙ্গে ছিল। তারা চারজনই গত মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেনি।

স্বজনরা জানান, দীর্ঘ সময় পার হলেও ছাত্রীরা বাড়ি না ফেরায় তারা সম্ভাব্য সকল স্থানে তল্লাশি চালিয়েছেন। আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তাদের কোনো হদিস মেলেনি। চার ছাত্রীর এমন রহস্যজনকভাবে একসঙ্গে উধাও হওয়ার ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবারের সদস্যরা এখন চরম অনিশ্চয়তা ও আশঙ্কার মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম বলেন, “সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে নিখোঁজ চার ছাত্রীর সন্ধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।” পুলিশ নিখোঁজ ছাত্রীদের অবস্থান শনাক্ত করতে তৎপরতা শুরু করেছে এবং বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।

মন্তব্য

p
উপরে