× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
We must follow the path shown by the Prophet PBUH Chief Justice
hear-news
player
google_news print-icon

রাসুল (সা.)-এর দেখানো পথেই আমাদের চলতে হবে: প্রধান বিচারপতি

রাসুল-সা-এর-দেখানো-পথেই-আমাদের-চলতে-হবে-প্রধান-বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি অডিটরিয়ামে সোমবার আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন নামাজে সুরা ফাতিহা পড়ি। সেখানে একটি আয়াত আছে, যার সরল অর্থ হলো, আল্লাহ আমাদের সহজ-সরল পথ দেখান। আমাদের রাসুল (সা.) তা দেখিয়ে গেছেন। অথচ আমরা কীভাবে দুর্নীতি করে সম্পদ গড়ে তুলব, কীভাবে বাড়ি-গাড়ি করব তা নিয়ে ব্যস্ত থাকি। এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।’

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেছেন, ‘রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন। তাঁর দেখানো সেই সহজ-সরল পথেই আমাদের চলতে হবে।'

ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ‘হজরত মুহাম্মদ (সা.) এবং একটি মানবিক বিশ্ব’ শীর্ষক আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি অডিটরিয়ামে সোমবার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন নামাজে সুরা ফাতিহা পড়ি। সেখানে একটি আয়াত আছে, যার সরল অর্থ হলো, আল্লাহ আমাদের সহজ-সরল পথ দেখান। এখন কথা হলো সেই সহজ-সরল পথ কোনটি। সহজ-সরল পথ, যেটা আমাদের রাসুল (সা.) দেখিয়ে গেছেন।

‘দুনিয়ার কোনো সম্পদ যাঁকে আকর্ষণ করেনি। তিনি মানুষের সঙ্গে যে আচরণ করেছেন তা ছিল মানবিক। তিনি শত্রুর সঙ্গেও মানবিক আচরণ করেছেন।

‘অথচ আমরা কীভাবে দুর্নীতি করে সম্পদ গড়ে তুলব, কীভাবে বাড়ি-গাড়ি করব তা নিয়ে ব্যস্ত থাকি। এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘করোনা মহামারি থেকে আমরা কতটুকু সতর্ক হয়েছি? তারপরও আমরা দুর্নীতি করে যাচ্ছি। মানুষ ঠকাতে যা ইচ্ছা তাই করে যাচ্ছি। প্রশ্ন হচ্ছে, হাশরের মাঠে আমরা আল্লাহর কাছে কী জবাব দেব। রাসুল (সা.) আমাদের কী শিখিয়ে গেছেন আর আমরা কী করে বিদায় নিচ্ছি।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘করোনায় কত লোক চলে গেল। ২৬২ জন বিচারক ও আইনজীবী মারা গেছেন। তারপরও কি আমরা সতর্ক হয়েছি? আমরা কতটা মানবিক হয়েছি? এর থেকে আমরা কি কোনো শিক্ষা নেব না?

‘নবী (সা.) জীবনে অনেক কম্প্রোমাইজ করে হুদায়বিয়ার সন্ধিসহ অনেক কাজ করেছেন। যদিও তাতে মুসলমানদেরই বিজয় হয়েছে। বিশ্বের প্রথম লিখিত সনদ মদিনা সনদে সব সম্প্রদায়ের মাধ্যমে এক জাতি গঠনের কথা বলা আছে। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি যাতে না হয় সেটিও বলা আছে।’

তিনি বলেন, ‘আজও কয়েকটি মামলার শুনানি হয়েছে যেগুলো দায়ের হয়েছে প্রতিমা ভাঙার অভিযোগে। এটা কেন হবে?

‘যখন ভারতের গুজরাটে দাঙ্গা হলো তখন আমরা সেক্যুলার সরকারের কথা বলেছি। সেক্যুলার সরকার হলে হয়তো এ ঘটনা ঘটত না। কিন্তু আমাদের এখানে যখন তেমন ঘটনা ঘটে তখন আমরা সেক্যুলার থাকি না।’

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘সংবিধান এ দেশে প্রতিটি নাগরিককে সমান অধিকার দিয়েছে। কেন হিন্দুরা ভাববে তারা মাইনরিটি। সবাই এ দেশের নাগরিক। আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। রাসুলের দেখানো পথে আমাদের চলতে হবে। তাঁর পুরো জীবনটাই অনুকরণীয়।’

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকিরের সভাপতিত্বে এই আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান, বিচারপতি বোরহান উদ্দিন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন। এ সময় হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিসহ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সমিতির সম্পাদক আব্দুন নুর দুলাল।

আরও পড়ুন:
‘প্রধান বিচারপতি’ পদক প্রদানে কমিটি গঠন
সুপ্রিম কোর্টে অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রধান বিচারপতির হুঁশিয়ারি
তাহলে কোর্ট কাচারি থাকার দরকার নাই: প্রধান বিচারপতি
জুডিশিয়ারির অসৎ কর্মকর্তাদের ব্যাপারে আপস নয়: প্রধান বিচারপতি
অবসরের পর প্রধান বিচারপতির মাসিক ভাতা ৭০ হাজার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Accuseds phone conversation with his mother from jail revealed the mystery of the murder

জেল থেকে মায়ের সঙ্গে আসামির ফোনালাপে হত্যারহস্য উদঘাটন

জেল থেকে মায়ের সঙ্গে আসামির ফোনালাপে হত্যারহস্য উদঘাটন গ্রেপ্তার মো. আরিফ। ছবি: নিউজবাংলা
গ্রেপ্তারের পর কারাগার থেকে আরিফ তার মায়ের সঙ্গে ফোনালাপে জানান, অন্য কোনো ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, আগের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছে আরেক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়া এক আসামির ফোনালাপে।

মায়ের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কারাগার থেকে মাকে হত্যা মামলার কথা জানিয়েছিলেন মো. আরিফ। পরে রিমান্ডে নেয়া হলে পুলিশের কাছে আগের হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন তিনি।

রোববার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

তিনি জানান, গত ২২ জানুয়ারি ভোরে যাত্রাবাড়ীর ধলপুর কমিউনিটি সেন্টারের পাশের সড়কে ছুরিকাঘাতে খুন হন খলু মিয়া। সিসি টিভি ফুটেজে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যেতে দেখা যায় কয়েকজনকে।

হাফিজ আক্তার জানান, খলু মিয়া নারায়ণগঞ্জের রূপসী এলাকায় গার্মেন্টস কর্মী হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ওইদিন গাইবান্ধা থেকে সোনালী পরিবহনে করে রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটায় গোলাপবাগে পৌঁছান তিনি। সেখান থেকে হেঁটে যাওয়ার সময় ছুরিকাঘাতের শিকার হন।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ক্লুলেস এ ঘটনার তদন্তে নেমে বেশকিছু ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার করেও কোন কুলকিনারা করতে পারছিল না থানা পুলিশ। এরই মধ্যে ২৬ জানুয়ারি একটি ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে যাত্রাবাড়ী এলাকার নিজ বাসা থেকে আরিফকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর কারাগার থেকে আরিফ তার মায়ের সঙ্গে ফোনালাপে জানান, অন্য কোনো ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, আগের ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিএমপির এই কর্মকর্তা জানান, আরিফের এই বক্তব্য সন্দেহজনক হওয়ায় খলু মিয়া হত্যা মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। এর ভিত্তিতে আরিফের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।

তিনি জানান, রিমান্ডে আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদেই বেরিয়ে আসে খলু মিয়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য। একপর্যায়ে খলু মিয়াকে খুনের দায় স্বীকার করেন আরিফ, পরে তার হেফাজত থেকে খলু মিয়ার খোয়া যাওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়।

আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হাফিজ আক্তার জানান, একাধিক ছিনতাই মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হওয়ায় আরিফ দীর্ঘদিন ধরে তার নিজ বাসায় অবস্থান না করে পলাতক ছিলেন। কিন্তু খুনের ঘটনার পরপর পুলিশি তৎপরতা দেখে হত্যার ঘটনা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে আগের ওয়ারেন্টে গ্রেপ্তার হতে তিনি বাসায় অবস্থান করছিলেন।

তিনি জানান, ঘটনার সময় আরিফ সহযোগীদের নিয়ে একটি ছুরিসহ ধলপুর নতুন রাস্তায় একটি ব্যাটারির দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। খলু মিয়া রাস্তা দিয়ে আসার পথে তারা তার গলায় ছুরি ধরলে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে খলুর বুকে ছুরিকাঘাত করে মোবাইল ও মানিব্যাগ নিয়ে দৌঁড়ে পালিয়ে যান আরিফসহ কয়েকজন।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক
বৃদ্ধকে গলা কেটে হত্যা, ধারালো ছুরি উদ্ধার
সীমান্তে হত্যা চোরাচালান বন্ধে কাঁটাতার মিছিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lagunas helper to gang leader

লেগুনার হেলপার থেকে গ্যাং লিডার

লেগুনার হেলপার থেকে গ্যাং লিডার সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বিডিএসকে’ গ্যাং এর প্রধান হৃদয় ওরফে হিটার হৃদয়সহ আটজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। ছবি: নিউজবাংলা
র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, গ্রুপের সদস্যদের মাধ্যমে হৃদয় মোহাম্মদপুর, আদাবর ও বেড়িবাধ এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা পরিচালনা, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত।

হিটার হৃদয় গত ২ থেকে ৩ বছর ধরে মোহাম্মদপুর এলাকায় ‘বিডিএসকে’ (ব্রেভ ডেঞ্জার স্ট্রং কিং) গ্যাং এর নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। সে স্থানীয় একটি স্কুল থেকে ৩য় শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। হৃদয় বিভিন্ন সময়ে লেগুনার হেলপার হিসেবে কাজ করত। পাশাপাশি ‘বিডিএসকে’ গ্যাং পরিচালনা করত।

সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বিডিএসকে’ গ্যাং এর প্রধান হৃদয় ওরফে হিটার হৃদয়সহ আটজন সদস্যকে দেশি ও বিদেশি অস্ত্রসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ও ফরিদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে ফরিদপুর, রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ স্টেশন, মোহাম্মদপুর বেড়িবাধ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ‘বিডিএসকে’ গ্রুপের লিডার শ্রীনাথ মন্ডল ওরফে হৃদয় ওরফে হিটার হৃদয়, রবিন ইসলাম ওরফে এসএমসি রবিন, রাসেল ওরফে কালো রাসেল, আলামিন ওরফে ডিশ আলামিন, লোমান ওরফে ঘাড়ত্যাড়া লোমান, আশিক ওরফে হিরো আশিক, জোবায়ের ইসলাম ওরফে চিকনা জোবায়ের, সুমন ওরফে বাইট্টা সুমনকে গ্রেপ্তার করে।

রোববার দুপুরে র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, গ্রুপের সদস্যদের মাধ্যমে হৃদয় মোহাম্মদপুর, আদাবর ও বেড়িবাধ এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা পরিচালনা, আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। সে একাধিকবার কারাভোগ করেছে।

তিনি আরও জানান, ৭ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৮টায় রাজধানীর আদাবর তিন রাস্তার মোড় এলাকায় একজন ভুক্তভোগীকে জখম করে তার কাছে থাকা মোবাইল ও টাকা ছিনতাইকারীরা নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই ভুক্তভোগীকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। একইভাবে কিছুদিন আগে একই এলাকার এক কলেজ শিক্ষার্থীর কাছ থেকেও একই কায়দায় ছিনতাইকারীরা মোটা অংকের অর্থ ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

র‌্যাব উক্ত ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে উল্লেখিত সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। যেখানে দেখা যায়, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছিল।

পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী মোহাম্মদপুরে তাদের আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে ১টি বিদেশি পিস্তল, ২টি চাপাতি, ১টি রামদা, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ৪টি চাকু (বড় ও ছোট), ২টি হাঁসুয়া, ১টি কাঁচি এবং ১টি লোহার রড উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে খন্দকার আল মঈন জানান, ‘বিডিএসকে গ্যাং এর প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন সদস্য রয়েছে। তাদের গ্যাং লিডার হৃদয়ের নেতৃত্বে গত ২ থেকে ৩ বছর আগে গ্যাং গঠন করে। এই গ্রুপের সদস্যরা আগে সবুজ বাংলা গ্রুপ, টপ টেন গ্রুপ ও ভাই বন্ধু গ্রুপের অন্তর্ভূক্ত ছিল। গ্রেপ্তারকৃতরা মোহাম্মদপুর, আদাবর, বেড়িবাধ ও ঢাকা উদ্যান এলাকায় চুরি-ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত।

তিনি আরও জানান, তারা বিভিন্ন সময় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঢাকা উদ্যান, আদাবর, শ্যামলী, মোহাম্মদপুরসহ আশেপাশের এলাকায় মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত। তারা এই এলাকাগুলোতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তির স্বার্থ হাসিলের জন্য ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হিসেবেও কাজ করত। এ ছাড়াও তারা মাদকসেবনসহ মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। গ্রেপ্তারকৃতদের অধিকাংশের নামে মাদক, চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রাইমারি স্কুলে চাকরি পাইয়ে দেয়ার নামে প্রতারণা  
বরিশালে হাত-পায়ে ইট বেঁধে হত্যার রহস্য উদঘাটন
মাদ্রাসার দারোয়ান থেকে জঙ্গি নেতা
গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় ইউপি সদস‌্য কারাগারে 
৬ মাসের সাজা এড়াতে ৩ বছর পলাতক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Husbands sentence reduced to life for killing his wife

স্ত্রী হত্যায় স্বামীর সাজা কমে যাবজ্জীবন

স্ত্রী হত্যায় স্বামীর সাজা কমে যাবজ্জীবন ফাইল ছবি
বিচার শেষে ছয়জনকে খালাস দিয়ে মালতির স্বামী জলিলকে ২০১৭ সালের ৯ মে মৃত্যুদণ্ড দেন বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু তাহের।

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দিয়েছে হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ, আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম মাসুদ রানা, তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী নাফিউল মাজিদ ও আইনজীবী উম্মে ছালমা।

রায়ের পর আইনজীবী এম মাসুদ রানা বলেন, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ছিল ত্রুটিপূর্ণ। এ ছাড়া সাক্ষীদের বক্তব্য পরস্পরবিরোধী ছিল। শুনানিতে এসব বক্তব্য উপস্থাপন করেছি।

তিনি বলেন, রায়ে আদালত মৃত্যুদণ্ডাদেশ দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়েছে। পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে অনাদায়ে ছয় মাসের দণ্ড দিয়েছে।

মামলা থেকে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত আবদুল জলিল বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বাইনচটকি গ্রামের নয়া মিয়ার ছেলে। ১৯৯৮ সালে ফরিদপুরের মালতি বেগমের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পারিবারিক কলহের জেরে ২০০৩ সালের ২৮ আগস্ট মালতিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর তার মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির পেছনে পোড়াবাড়ির বাগানে পুঁতে রাখা হয়। পরদিন মালতির মরদেহ শেয়াল-কুকুরকে খেতে দেখে প্রতিবেশীরা কাকচিড়া পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় কাকচিড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. একরামুল মালতির স্বামী, দুই দেবর, ননদ ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০০৪ সালের ৮ এপ্রিল সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার শেষে ছয়জনকে খালাস দিয়ে মালতির স্বামী জলিলকে ২০১৭ সালের ৯ মে মৃত্যুদণ্ড দেন বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. আবু তাহের।

এরপর মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি জেল আপিল ও ফৌজদারি আপিল করেন।

আরও পড়ুন:
শিল্পী আসিফকে ই-পাসপোর্ট দেয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের
ডান্ডাবেড়ি পরানো নিয়ে হাইকোর্টে রিট
অভিভাবক হিসেবে শুধু মায়ের নামও লেখা যাবে: হাইকোর্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Khaleda Zias GATCO case hearing adjourned

খালেদা জিয়ার গ্যাটকো মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল

খালেদা জিয়ার গ্যাটকো মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি
এ দিন খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি; এ কারণ উল্লেখ করে তার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির নতুন তারিখ ঠিক করে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি আবার পিছিয়েছে। আগামী ১৪ মার্চ শুনানির পরবর্তী তারিখ দিয়েছে আদালত।

রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক আলী হোসাইনের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল।

এ দিন খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি; এ কারণ উল্লেখ করে তার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির নতুন তারিখ ঠিক করে।

২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়াসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্যাটকো দুর্নীতি মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী।

২০০৮ সালের ১৩ মে তদন্ত শেষে দুদকের উপপরিচালক জহিরুল হুদা খালেদা জিয়াসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। মামলায় আসামি ১৭ জন। এর মধ্যে সাতজন মারা গেছেন।

আরও পড়ুন:
খনি দুর্নীতি মামলা: খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল
খালেদা জিয়া আদালতে না যাওয়ায় পেছাল ১১ মামলার শুনানি
মরণোত্তর হলেও নোবেল পাবেন খালেদা জিয়া: গয়েশ্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Demand money from election candidate by cloning DC number

ডিসির নম্বর ক্লোন করে নির্বাচনী প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি

ডিসির নম্বর ক্লোন করে নির্বাচনী প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি
ডিসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার উপনির্বাচনে এক প্রার্থীকে ফোন দেয় চক্রটি। ওই প্রার্থীর সন্দেহ হলে আমাকে ফোন দেন। সঙ্গে সঙ্গে প্রতারক চক্রের বিষয়ে ফেসবুকে পোস্টসহ আর্থিক লেনদেন না করতে নিষেধ করা হয়েছে।’

বগুড়ার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সরকারি মোবাইল ফোন নম্বর ক্লোন করে উপনির্বাচনে অংশ নেয়া এক প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে জেলা প্রশাসকের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এ বিষয়ে সতর্কীকরণ পোস্ট দেয়া হয়।

পোস্টে বলা হয়েছে, সম্প্রতি জেলা প্রশাসক বগুড়া ও উপনির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের অফিসিয়াল নম্বর ক্লোন করে বিভিন্ন প্রার্থীর কাছে অর্থ দাবি করা হয়েছে।

এজন্য সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়ে কেউ অর্থ দাবি করলে যাচাই-বাছাই ও তাৎক্ষণিকভাবে জেলা প্রশাসক বগুড়াকে জানাতে বলা হয়েছে।

পোস্টের বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার উপনির্বাচনে এক প্রার্থীকে ফোন দেয় চক্রটি। তার সন্দেহ হলে আমাকে ফোন দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। সঙ্গে সঙ্গে প্রতারক চক্রের বিষয়ে ফেসবুকে পোস্টসহ আর্থিক লেনদেন না করতে নিষেধ করা হয়েছে।’

বগুড়ার ডিসি আরও বলেন, ‘একটি প্রতারক চক্র প্রশাসনের নাম করে অবৈধভাবে টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য নম্বরটি ক্লোন করে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ’

তবে ওই প্রার্থীর নাম ও কী পরিমাণ টাকা দাবি করা হয়েছে, তা প্রকাশ করেননি ডিসি।

আরও পড়ুন:
পথে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে রিকুইজিশন
আওয়ামী লীগের ৩ সমর্থকের মনোনয়ন প্রত্যাহারে কপাল খুলছে সাত্তারের
বগুড়ায় পোস্টারে আছে, মাঠে নেই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lawyers anger towards lower court judges and peshkars

নিম্ন আদালতের বিচারকদের প্রতি আইনজীবীদের ক্ষোভ

নিম্ন আদালতের বিচারকদের প্রতি আইনজীবীদের ক্ষোভ শনিবার বার কাউন্সিল ভবনে কাউন্সিলের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি লস্কর নুরুল হক বার কাউন্সিলের নেতাদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘বার ও বেঞ্চে তিক্ততা বন্ধে উদ্যোগ নিন; তাদের সুরক্ষা দিন। অনেক আইনজীবী হয়রানির শিকার হন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনজীবীরা কেন প্রতিবাদ করছেন তার কারণ খুঁজে বের করুন।’

বার ও বেঞ্চের সম্পর্ক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সারাদেশ থেকে আসা বিভিন্ন জেলার আইনজীবী সমিতির নেতারা। একইসঙ্গে তারা নিম্ন আদালতে দুর্নীতি, আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের অভাব ও বিচারকদের রায়ের মান নিম্নমুখী বলে অভিযোগ করেছেন। নিম্ন আদালতে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারী শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

শনিবার বার কাউন্সিল ভবনে কাউন্সিলের বর্ধিত সভায় অংশ নিয়ে আইনজীবী নেতারা এসব কথা বলেন।

এদিকে সভার প্রথমার্ধে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের কথা বলার সুযোগ না দেয়ায় দু’পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল বাধে। পরে অ্যাটর্নি জেনারেলের হস্তক্ষেপে দু’পক্ষ শান্ত হয়।

বর্ধিত সভায় সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘অতি সম্প্রতি আইনজীবীদের রাস্তাঘাটে মারধর করা হয়। অথচ বার কাউন্সিল এ নিয়ে কিছু বলে না।’

সিলেট বার থেকে আসা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বলেন, ‘আইন পেশার মান উন্নয়ন, নবীন আইজীবীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারলে বার ও বেঞ্চের মধ্যে সম্পর্কে ভালো হবে।’

আড়াই হাজার নতুন আইনজীবীকে বসার জায়গা দিতে পারছে না বলেও বার কাউন্সিলকে জানান তিনি।

বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি লস্কর নুরুল হক বার কাউন্সিলের নেতাদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘বার ও বেঞ্চে তিক্ততা বন্ধে উদ্যোগ নিন; তাদের সুরক্ষা দিন। অনেক আইনজীবী হয়রানির শিকার হন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আইনজীবীরা কেন প্রতিবাদ করছেন তার কারণ খুঁজে বের করুন।’

বিভিন্ন জেলা থেকে আসা আইনজীবীরা বার ও বেঞ্চের মধ্যে বিদ্যমান বিরোধ দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

বর্ধিত সভায় সভাপতিত্বে করেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ রেজাউর রহমানসহ বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যরা।

আরও পড়ুন:
বার কাউন্সিলের নির্বাচনি প্রচারে গিয়ে প্রার্থীর মৃত্যু
বার কাউন্সিল নির্বাচনে আ.লীগ ও বিএনপির প্যানেল ঘোষণা
বার কাউন্সিলের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা ২৫ জুলাই
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভোট ১৫-১৬ মার্চ
ভোট না হলে বার কাউন্সিল চালাবে অ্যাডহক কমিটি, বিল পাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Concerns of 52 prominent people regarding the attack on Rizwana

রিজওয়ানার ওপর হামলার ঘটনায় ৫২ বিশিষ্টজনের উদ্বেগ

রিজওয়ানার ওপর হামলার ঘটনায় ৫২ বিশিষ্টজনের উদ্বেগ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। ফাইল ছবি
নাগরিক সমাজের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা উদ্বেগজনক। আমরা এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও জড়িতদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো দখলদার, পাহাড়খেকো, নদীখেকো ও ভূমিদস্যু যেন এমন ঘটনা ঘটানোর সাহস না দেখায় সে বিষয়ে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের ৫২ জন বিশিষ্ট নাগরিক। এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে তাদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো নাগরিক সমাজের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অধিকারভিত্তিক সংগঠনের ওপর এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনা উদ্বেগজনক। আমরা এর তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানাচ্ছি। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে নাগরিকদের চলাফেরা ও নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। রাষ্ট্রকে সব নাগরিকের এই অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

২৬ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরীর আকবরশাহ এলাকায় রিজওয়ানা হাসানের গাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়া হয়। এ সময় তার সফরসঙ্গী বেলার কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, আকবরশাহ থানাধীন লেকসিটি আবাসিক এলাকায় পাহাড় কেটে ভরাট করা ছড়া পরিদর্শনের সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জহুরুল আলম ওরফে জসিমের নেতৃত্বে তার অনুসারী দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

ভবিষ্যতে কোনো দখলদার, পাহাড়খেকো, নদীখেকো ও ভূমিদস্যু যেন এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর সাহস না দেখায়, সে বিষয়ে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতেও বিবৃতিতে দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে সই করেছেন- মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন সুলতানা কামাল, অর্থনীতিবিদ ওয়াহেদউদ্দিন মাহমুদ, পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান, গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশী কবির, মানবাধিকার কর্মী ড. হামিদা হোসেন, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সভাপতি জেড আই খান পান্না, অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাণা দাশগুপ্ত, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, নারীপক্ষ’র সদস্য শিরিন হক, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, আইনজীবী শাহদীন মালিক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত, লেখক রাহনুমা আহমেদ, ব্লাস্ট-এর অনারারি নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন, সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, অধ্যাপক আসিফ নজরুল প্রমুখ।

মন্তব্য

p
উপরে